Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'এডভান্স ট্রেডারদের জন্য'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Categories

There are no results to display.


Found 2 results

  1. ফরেক্স মার্কেট হচ্ছে বিকেন্দ্রীকরন একটি মার্কেট যা চরম বিশৃংখলা ভাবে চলে যার কোন নিয়ম নেই। ফরেক্স মার্কেটের অংশগহনকারীরাই ফরেক্স এর প্রাইজ নির্ধারন করে এবং অংশগ্রহনকারীরা একটি মই এর মত সিরিয়ালি অবস্থান করে। এই ফরেক্স মার্কেটের অংশগ্রহনকারী মইয়ের সবার উপরে ইন্টার ব্যাংক মানে সেন্ট্রাল ব্যাংক বা সেরকম বড় বড় ব্যাংক অবস্থান এ থাকে এবং পৃথিবীর বড় বড় লেনদেনগুলো সেখানেই হয়ে থাকে। তোর নিচে থাকে বিভিন্ন দেশের বড় বড় ও কিছু ব্যাংক তারা সরাসরি এক অপরের সাথে Electronic Brokering Services (EBS) বা the Reuters Dealing 3000-Spot Matching এর সাহায্যে লেনদেন করে থাকে। এইদুটি সিষ্টেম হচ্ছে কোক আর পেপসি এর মত, প্রায় একই। তারা একে অপরের সাথে স্থীর যুদ্ধ করে মার্কেটের শেয়ার লেনদেন করে। কিন্তু যখন এই দুটি কম্পানী একই সাথে একটি নির্দিষ্ট কোন মুদ্রাকে ক্রয় করতে চায় তখনি সেটার মুল্য প্রচুর প্ররিমানে বেড়ে যায়। ( আমাদের উচিত এই সময়ের আগে ট্রেড করা এবং এই সিচুয়েশন গুলো ধরতে হবে পড়াশুনার মাধ্যমে) ইবিএস প্লাটফরম এ- EUR/USD, USD/JPY, EUR/JPY, EUR/CHF ও USD/CHF পেয়ার এ প্রচুর তারল্য সৃষ্টি করে আর Reuters platform করে GBP/USD, EUR/GBP, USD/CAD, AUD/USD,ও NZD/USD পেয়ারগুলোতে। উপরের সকল প্রকার ব্যাংকগুলো সবাই একসাথে বর্তমান প্রাইজ দেখতে পারে এবং তারা সর্বদা বর্তমান প্রাইজ এ অফার করে কেনা বেচা করার জন্য। কিন্তু এটা গুরুত্বপুর্ন নয় যে, তাদের সেই প্রাইজগুলোতে আমাদের সবসময় কেনাবেচা করতে হবে। কিন্তু বাঙ্গালী 24 ঘন্টা লাইগা থাকে ট্রেড ধরার জন্, বাঙ্গালী- হেতেরা ট্যা-ক-নি-ক্যা-ল আর- ছি-গ-লা-ল কিন্না কেনাবেচা কইরা ধরা খাইয়া আস্তায় বইসা ভাবে – ভিক্ষা করুম নাকি।) তারপর এই ফরেক্স মইয়ের পরের ধাপে আছে হেজ ফান্ড, করপোরেশন, খুচরা মাকেট মেকার, এবং খুচরা ইসিএন ব্রোকার। আর আমাদের জন্য জায়গা হচ্ছে – খুচরা মাকেট মেকার, এবং খুচরা ইসিএন ব্রোকার এর আন্ডারে। তো শেষের এই ইনষ্টিটিউটগুলোর সাথে একদম মই এর উপরের অবস্থানে থাকা ইন্টারব্যাংক এর সাথে তে কোন ভাল রিলেশন থাকে না, তাই এদের প্রাইজ রেইট ইন্টারব্যাংক এর থেকে একটু হাই থাকে।( মাইনে হইল- স্প্রেড)। একদম ফরেক্স মইয়ের উপরে থাকা ইন্টার ব্যাংক গুলোতে আমাদের মত ছোট খাটো অল্প পুজির মানুষদের কুন চান্স নাই, তাই আমি ধন্যবাদ জানাই খুজরা মার্কেট মেকার ব্রোকারদের – হেতেরাই আমাগো ১ ডলার দিয়া ট্রেড করার। ফরেক্স এর প্রধান প্রধান লেনদেন যেভাবে হয়: ফরেক্স মার্কেটের সুপার ব্যাংক: ফরেক্স মার্কেট হল একটি বিকেন্দ্রীকরন মার্কেট। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব্যাংকগুলো ফরেক্স এর প্রাইজ বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার সাপ্লাই ও ডিমান্ড এর উপর নিভর করে নির্ধারণ করে থাকে । আর তার নিচের লেভেলের ব্যাংকগুলো ইন্টারব্যাংক থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তারা তাদের মধ্যে এবং খুচরা ট্রেডার, করপোরেশন, হিউজ ফান্ড ও মার্কেট মেকার দের সাথে লেনদেন করতে থাকে। সেই সুপারব্যাংকগুলোর মধ্যে UBS, Barclays Capital, Deutsche Bank, ও Citigroup অন্যতম। এক কথায় আমাদের বলা উচিত যে, সুপার ব্যাংকগুলোর মার্কেট ই হল ফরেক্স্ মার্কেট। (এরা যে কারনে লেনদেন করে আমাদের তা জনতে হবে। আর ঐ সময় ই ট্রেড করতে হবে) বড় কমার্শিয়াল কম্পানী: বড় কোম্পানীগুলো হচ্ছে ফরেক্স মার্কেটের একটি অংশ – যেখানে তাদের ব্যবসা বানিজ্য করার জন্য বিভিন্ন বৈদেশিক মৃদ্রা বিনিময়ের একটা খৃবই সহজলভ্য পথ। উদাহরনস্বরুপ – এপেল কোম্পানী অব্শ্যই ডলার ভেঙ্গে ইয়েন করবে যখন এপেল কোম্পনী জাপান থেকে তাদের কোম্পানীর জন্য ইলেকট্রনিক প্রোডাক্ট কিনবে। এদের ট্রেড ভলিয়ম অবশ্যই সাভাবিকভাবে ইন্টারব্যাংক গুলোর থেকে কম হবে। এই সব মার্কেট প্লেয়াররা সাধারনত কমার্শিয়াল ব্যাংকগুলোর সাথে তাদের লেনদেন করে থাকে। এই সব বড় বড় কোম্পানীগুলো কিন্তু তাদের লেনদেন করাতে মার্কেটে প্রচুর পরিমানে আপ/ডাউন করাতে পারে। এরা মূলত মার্কেট যখন স্থীরতায় থাকে তখন ট্যাকনিকাল এর উপর বেস করে লেনদেন করে। তাই যারা ট্যাকনিকাল দিয়ে ট্রেড করেন তাদেরকে অবশ্যই এদের বিষয় এ সম্পুর্ন ঞ্জান অর্জরন করতে হবে) সরকার এবং সেন্ট্রাল ব্যাংক: বিভিন্ন দেশের সরকার ও তাদের সেন্ট্রাল ব্যাংক – যেমন the European Central Bank, the Bank of England, ও the Federal Reserve ব্যাংক সরাসরি প্রায় প্রতিদিন ই ফরেক্স মার্কেটের সাথে সংযৃক্ত থাকে। যেমনভাবে বিভিন্ন কোম্পানীগুলো তাদের কাজের জন্য লেনদেন করে ফরেক্স মার্কেটে ঠিক তেমনিভাবে দেশের সরকার ও তাদের ইন্টারন্যাশনাল বিসনেজ ও বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ব করার জন্য ব্যবহার করে থাকে। যখন সেন্ট্রাল ব্যাংকগুলো তাদের দেশের মুদ্রার মুদ্রাস্ফিতি কন্ট্রোল করার জন্য ইন্টারেষ্ট রেইট নির্ধ্ারন করে, তখন ফরেক্স মার্কেটে প্রচুর পরিমানে মুভমেন্ট দেখা যায়।তাছাড়াও যদি তারা তাদের কারেন্সীর রেইট মনে করে যে অনেক হাই বা লো, তখন তারা তাদের কন্ট্রোলে আনার জন্য প্রচৃর পরিমানে বিভিন্ন কারেন্সি কেনা বেচা করে থাকে। ফলে ফরেক্স মার্কেটে প্রচুর পরিমানে মুভমেন্ট দেখা যায়। এই লেনদেনগুলা তাদের অফিশিয়াল সময়ে ঘটে। বাক্য বা বত্তৃতা: “In it to win it!” যদি এটা ধরতে পারেন তাহলে জিততেও পারেন। এটা হচ্ছে একটি স্বাভাবিক এটা মন্ত্র। আপোসে ৯০% ট্রেড ভলিয়ম বন্ধ হয়ে যায় যখন একটি বত্তৃতা শুরু হয়। বত্তৃতা ডিক্লিয়ার হওয়ার সাথে সাথে মার্কেটে জ্যাম দেখা যায়। সবাই একই দিকে একই পথে চলতে থাকে। – উদাহরন স্বরুপ ইউএসডির এফওএমসি। আশাকরি এই আর্টিকেলটি আপনাদের ভাল লেগেছে। আমার বাঙ্গালী ভাইদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ থাকবে যে তারা যেন কোন সিগনাল বা ইন্ডিকেটর বা শুধুমাত্র ট্যাকনিকাল বেসিস ট্রেড না করে ফরেক্স মার্কেট কে বুজতে চেষ্টা করুন এবং শিখুন। ভাল থাকবেন। যারা আপনাগো কাছে ১,০০০ বা ৩,০০০ ট্যাকা দিয়া সিগনাল দেয়, হেই শালারা কিসের লাইগা এই কাজ করে আজও বুজলাম না। সিগনাল দিয়া যদি জিতাই যায়, তাহলে শালারা তো বিলিয়নার হইয়া যাওন কথা। এই ১,০০০ বা ৫,০০০ ট্যাকা তো তাদের কাছে কিছুই না।কষ্ট কইরা এড কইরা মাইনষেরে উল্টাপাল্টা বুঝায়া মাত্র ১,০০০ বা ৫,০০০ ট্যকার জন্য এত কষ্ট করে। দুখ হয় তাগো দেখলে। আর রাগ উঠে যারা এগুলা ট্যাকা দিয়া কিনে।, অনেক পাগল আছে, ট্যাকা দিয়া রোবট ও কিনে। আরে যে রবটের মালিক হেও তো প্রতিদিন ১ টা কইরা বিল-গেটস কেনার কথা, যদি সেইটা দিয়া লাভ করন যাইত। যাই হোক, বাঙ্গালীগো এই উল্টাপাল্টা করতে করতে ২-৩ বছর চইলা যাইবো লগে বহুত ট্যাকা , ধর্য্য সবই যাইব। মাগার লেহাপড়া কইরা শিখত না। ট্রেডিং ষ্পট ফরেক্স মার্কেট হল ডি-সেন্ট্রালইজ। মানে সবাই আলাদা আলাদা ভাবে ইহাকে চালায়। তাই পৃথিবীর কোন ব্যাক্তি , এমনকি তাদেরিই কোন ব্যাংক ও নিশ্চিত ভাবে বলিতে পারিবে না যে এখন ও ১০ মি: পর প্রাইজ কুথায় যাইবে। US Dollar is King in Forex. ডলার হইল ফরেক্স মার্কেটের কিং মাইনে রাজা। এরা একাই ৬২-৬৮%। এর কারন কি? এর কারন বেশ কয়েকটি। ১) পৃথিবীর বড় বড় ইনভেষ্টর, বিজনেজ ম্যান এবং বড় সেন্ট্রাল ব্যাংক ডলারের সাথে থাকে। ২) আমেরিকার ইকোনমি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইকোনমি। ৩) পৃথিবীতে ডলার ই হচ্ছে একমাত্র রিজার্ব কারেন্সী। ৪) পৃথিবীর সবচেয়ে বড় তরল মুদ্রা বাজার শুধুমাত্র আরেরিকাতেই আছে যার ধারের কাছেই কেউ নেই। ৫) পৃথিবীল একমাত্র আমেরিকার ই সুপার ষ্টেবল সিষ্টেমের পলিটিকস আছে। ৬) পুথিবীর সবচেয়ে বেশী সামরিক শক্তি আছে এবং সে যে কোন মুহুর্তে ২০ বছর পর্যন্ত একসাথে ১০টি দেশের সাথে যুদ্ধ করার সাহস রাখতে পারে। (বিদ্র: পৃথিরীর সকল সামরিক শক্তি মিলেও তার সমান হবে না) ৭) গোল্ড এবং তেল কেনা বেচা করতে ডলার আগে কিনে তারপর আন্তর্জাতিক বাজারে কেনাবেচা করতে হয়। তাহলে বুজতেই পারছেন যে, ডলারের উপর অনেক কিছুরই প্রভাব আছে। আমার জানা মতে ১জন কে পেয়েছি যে ৪বছর ধরে ট্রেড করছে এবং সে ডলারের উপর খুদ্ধ। কারন ডলার তেল ও সোনার উপর ৮০% সময় নির্ধারিত হয় যা পৃথিবীর কেউ বলতে পারবে না যে এখন বাড়বে না কমবে। আর ২০% সময় চলে আমেরিকার অর্থনৈতিক নিউজের উপর। আবার তেল ও সোনার দামও আমেরিকার অর্থনৈতিক নিউজ এর উপর নির্ভর করে। আর যুদ্ধ তো আছেই ডলারকে নরাবার জন্য। তবে যাই হোক, আমার কিন্তু ডলার ভালই লাগে। My Trading………………… ফরেক্স থেকে আমি যা পেলাম তা হল প্রচুর পরিমানে জ্ঞান, ধর্য্য এবং ডিসিপ্লিন। এর একটা বিষয় যদি কারও অভাব থাকে তাহলেও সর্বদা প্রফিট করা সম্ভব নয়। আমাকে যদি বলা হয়, ফরেক্স এ পাশ মার্ক কত? তাহলে আমি বলব ৯৯ পেলে পাশ। আর নিচে পেলে ফেল। জ্ঞান: প্রতিটি ১ ঘন্টার ক্যান্ডেল তৈরী হতে ৬০ মি: এ যতবার প্রাইজ আপডাউন করে তাতে করে সর্ব নিন্ম ১-১০টি পৃথিবীর যে কোন অর্থনৈতিক ঘটনা ঘটার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। যে ঘটনাগুলো না জেনেই ৫০%-৮০% ট্রেডার ট্রেড করে থাকে। এর ফলাফল আশাকরি আপনারা জানেন। সবচেয়ে দুখের বিষয় হল অনেকে ১বছর ট্রেড করছে কিন্তু তারপরেও এটি স্বীকার করতে চান না। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, আপনি স্বীকার করেন আর নাই করেন তাতে ফরেক্স প্রাইজের কিছুই যায় আসে না। ফরেক্স তার আপন গতিতে চলমান। অনেকে আবার মনে করেন যে প্রাইজ যে দিকেই যাক না কেন তা ট্যাকনিকাল পয়েন্টগুলো মিলিয়েই চলে। আমার হিসেবে উজবুক ছাড়া কিছুই না তারা। এখন কথা হচ্ছে- তাহলে ১ঘন্টায় যদি গড়ে ৫টি অর্থ নৈতিক ঘটনা ধরি তাহলে দিনে ২৪ ঘন্টায় ৫*২৪=১০০টি ঘটনা জানতে হবে। আমার সহজ উত্তর হচ্ছে না।যেই সময় ট্রেড করবেন সেই সময়কার ঘটনাগুলো আপনাকে জানতে হবে। তা না করে ট্রেড করা মানে হচ্ছে জুয়া খেলা। আপনি জানেন না কি হচ্ছে কিন্তু আপনি ট্রেড দিলেন। বিষয়টাতো জুয়াই হলো। আর জুয়াতে তো সবাই জিততে পারবে না। ১জন জিতবে আর ৩ জন হারবে। তবে আমি প্রথমে চেষ্টা করেছিলাম প্রায় সকল ঘটনা জনার জন্য কিন্তু পড়ে বুজলাম আমি পাগল হতে যাচ্ছি। তারপর, চেষ্টা করলাম হাই ইমপ্যাক্ট। কিন্তু তাতেও কাজ হয় না। ৩০% ট্রেডার অবশ্য এই হাই ইমপ্যাক্ট এর পেছনে এখনও ছুটছে। তবে তা অবশ্যই সঠিক পথে থাকা। যাহোক, এই অবস্থায় একটা বিষয় মাথায় কাজ করে তা হল, কি হবে আজকের নিউজ এ। ভাল না খারাপ। কিন্তু এটা জানি না যে, ভাল বা খারাপ যাই হোক না কেন কত সংখ্যা আসলে কোন দিকে কত পিপস যাবে। এই অবস্থায় আমার ৬মাস কেটেছে। বিশ্বাস করেন অনেকে আমাকে ঐ সময় পাগল মনে করেছিল। এতে আমার ১ বছর সময়, ৫৭০ডলার আর বিভিন্ন রকম হেজিটেশন করতে গেল। ‍ডিসিপ্লিন: যা হোক, হটাৎ একদিন মাথায় কাজ করল যে, সবচেয়ে বড় যে নিউজগুলো আছে যদি শুধু সেগুলোই ট্রেড করি তাহলে কেমন হয়। লজ হলে ২৫পিপস আর লাভ হলে ৫০-২৫০পিপস। হুমম, খারাপ না। তাই শুরু করলাম এবং এখন ও তাই করছি। এর মধ্যে আবার এফওএমসি, জিডিপি ও ইন্টারেষ্ট রেট এ কি হবে তা নিজেই হিসেব করার পথে আছি এবং আমার বিশ্বাস, শুধু এই তিনটি বিষয় ই বলা সম্বব হতে পারে। তবে কখন ও পারবো কিনা তা বলতে পারছি না। তবে চেষ্টায় আছি। চলুন আজ আপনাদের সেই বড় বড় অর্থনৈতিক নিউজগুলো দেখাই। আমি শুধু এই কয়েকটাই ট্রেড করি। মনে রাখবেন, এই নিউজগুলো দিয়েই বড় সুইং তৈরী হয়। আমি ৬০০ পিপস পর্যন্ত দেখেছি ৪ দিনে। ১) এনএফপি-১: ইউএসডি। বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.৩০ মি: প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার। ৬০-২৫০ পিপস। ২) এনএফপি-২: GBP Claimant Count Change এটি প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি। এটিকে ২য় এনএফপি বলা হয়। ৭০-১২০ পিপস। ৩) এনএফপি-৩: AUD Employment Change এটি প্রতি মাসের ১০ম দিনে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭.৩০ মি। এটিকে ৩য় এনএ্ফপি বলা হয়। ৭০-১৫০ পিপস। ৪) ইউএসডি: এফওএমসি। বাংলাদেশ সময় রাত ১২.০০ টায় বছরে ৮ বার। ৬০-৪০০ পিপস। ৫) USD ADP Non-Farm Employment Change। ৫০-১৫০ পিপস।এটি প্রতি মাসের ২য় দিন বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.১৫মি:। এটি দ্বারা কৃষি ও সরকারী চাকুরী বাদে অন্য সকল চাকুরীজীবির পরিবর্তনের হার নির্দেশ করে। ৬) AUD Monetary Policy Meeting Minutes ৬০-৪০০ পিপস। ৭) GBP MPC Rate Statement ( এফওএমসি), যে কোন সময় হতে পারে। 7০-4০০ পিপস। ৮) জিপিবি- কন্সট্রাকশন পিএমআই। এটি প্রতি মাসের ২য় দিন বাংলাদেশ সময় বিকাল ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি নির্মাণ শিল্পে ক্রয় ক্ষমতা নিদের্শ করে। ৯) জিপিবি- সার্ভিস পিএমআই। এটি প্রতি মাসের ৩য় দিন বাংলাদেশ সময় বিকাল ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি শিল্পের সেবার ক্রয় ক্ষমতা নিদের্শ করে। ১০) আইএসএম মেনুফেকচুইরিং পিএমআই- প্রতি মাসের প্রথম দিন বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.৩০ মি:।৫০-১৫০পিপস। এটি আমেররিকার এর উৎপাদন শিল্পের জন্য ক্রয় ক্ষমতা নিদেশ করে, এটি একটি দেশের প্রোডাকশন ক্ষমতা বাড়বে না কমবে – তার একটি নিদের্শক হিসেবে কাজ করবে। ১১) ইউরো:- আন-ইমপ্লয়মেন্ট রেট- প্রতি মাসের ৩০ দিন পর পর বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩ টায়। ৪০-১০০ পিপস। এটি ইউরো এর বেকার সংখ্যার রেট প্রকাশ করে যা জিডিপি এর জন্য খুবই গুরত্বপুর্ন। ১২) এইউডি:- ক্যাশ রেট। এটি প্রতি মাসের প্রথম মঙ্গল বার বাংলাদেশ সময় ১০.৩০ মিনিট। জানুয়ারী মাস ছাড়া। ৩০-১০০ পিপস। এটি ব্যাংক এর ডিপোজিটের উপর সুদের হার নির্দেশ করে। ১৩) এইউডি- রিটেল সেলস এম/এম। এটি প্রতি মাসের ৩৫তম দিনে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি: ৩০-৭০ পিপস। এটি দিয়ে খুজরা বিক্রেতার মোট মান নিদের্শ করে। ১৪) USD Core Retail Sales m/m USD Retail Sales m/m Released monthly, about 14 days after the month ends; বাংলাদেশ সময় ৬.৩০ মি। ৩০-৭০ পিপস। ১৫) ইন্টারেষ্ট রেট। এটি- ইউএসডি, এইউডি, জিবিপি, কানাডা, সুইজ, এনজেডডি, জাপান , সকলের ই আছে। ১৬) জিডিপি। এটি- ইউএসডি, এইউডি, জিবিপি, কানাডা, সুইজ, এনজেডডি, জাপান , সকলের ই আছে। ১৭) ৬:30 USD Core Durable Goods Orders (MoM) – ৫০-১৫০ পিপস। প্রতি মাসের ২৬ তারিখ। বহুত জ্ঞান ও ডিসিপ্লিন ওয়ালা ট্রেডিং প্লান দিলাম। এখন ধর্য্য সহকারে আপনাকে এগুলো ট্রেড করতে হবে। এর বাইরে পিপিআই ও সিপিআই ট্রেড টা আমার পছন্দ না। বি: দ্র: সবচেয়ে খারাপ ট্রেড হচ্ছে- ইউএসডি এর প্রতি বৃহষ্পতি বার সন্ধা ৬.৩০ মি: ইনিশিয়াল জব ক্লেলেমস। এটা করবেন তো আপনার জীবন ও ক্লেইমফুল হয়ে যাবে। ভালা থাকেন সবাই। আজ আমার ট্রেডিং প্লান আপনাদের বলব।এটি শুধু প্রতি মাসের ১ম ও ২য় সপ্তাহের ফান্ডামেন্টাল বিষয়ে। টেকনিকাল বিষয়ে মোটামুটি আমরা সবাই একটু একটু করে জানি কিন্তু ফান্ডামেন্টল এ আমরা সবাই কমবেশি দুর্বল। মনে রাখবেন। ফরেক্স ট্রেডারদের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন সপ্তাহ হল ১ম ও ২য় সপ্তাহ। জিবিপি- মাসের ১ম দিন। মেনুফেকচুইরিং পিএমআই – প্রতি মাসের প্রথম দিন বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি ইংল্যান্ড এর উৎপাদন শিল্পের জন্য ক্রয় ক্ষমতা নিদেশ করে, এটি একটি দেশের প্রোডাকশন ক্ষমতা বাড়বে না কমবে – তার একটি নিদের্শক হিসেবে কাজ করবে। ইউএসডি-মাসের ১ম দিন। আইএসএম মেনুফেকচুইরিং পিএমআই- প্রতি মাসের প্রথম দিন বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.৩০ মি:।৫০-১৫০পিপস। এটি আমেররিকার এর উৎপাদন শিল্পের জন্য ক্রয় ক্ষমতা নিদেশ করে, এটি একটি দেশের প্রোডাকশন ক্ষমতা বাড়বে না কমবে – তার একটি নিদের্শক হিসেবে কাজ করবে। ইউরো:- আন-ইমপ্লয়মেন্ট রেট- প্রতি মাসের ৩০ দিন পর পর বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩ টায়। ৪০-১০০ পিপস। এটি ইউরো এর বেকার সংখ্যার রেট প্রকাশ করে যা জিডিপি এর জন্য খুবই গুরত্বপুর্ন। এইউডি:- ক্যাশ রেট। এটি প্রতি মাসের প্রথম মঙ্গল বার বাংলাদেশ সময় ১০.৩০ মিনিট। জানুয়ারী মাস ছাড়া। ৩০-৬০ পিপস। এটি ব্যাংক এর ডিপোজিটের উপর সুদের হার নির্দেশ করে। *** ইউএসডি- এনএফপি। এটি প্রতি মাসের ১ম শৃক্রবার বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.৩০মি:। ৭০-১৫০ পিপস। ট্রেডারদের সবচেয়ে পছন্দের নিউজ। এর কথা আশাকরি সবাই জানেন। জিপিবি- কন্সট্রাকশন পিএমআই। এটি প্রতি মাসের ২য় দিন বাংলাদেশ সময় বিকাল ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি নির্মাণ শিল্পে ক্রয় ক্ষমতা নিদের্শ করে। জিপিবি- সার্ভিস পিএমআই। এটি প্রতি মাসের ৩য় দিন বাংলাদেশ সময় বিকাল ২.৩০ মি:। ৩০-৭০ পিপস। এটি শিল্পের সেবার ক্রয় ক্ষমতা নিদের্শ করে। এইউডি- রিটেল সেলস এম/এম। এটি প্রতি মাসের ৩৫তম দিনে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি: ৩০-৭০ পিপস। এটি দিয়ে খুজরা বিক্রেতার মোট মান নিদের্শ করে। এইউডি- ট্রেড ব্যালেন্স। এটি প্রতি মাসের ৩৫তম দিনে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭.৩০ মি। ৩০-৭০ পিপস। এটি দিয়ে আমদানি ও রপ্তানীর পার্থক্য এর মান নিদের্শ করে। *** USD ADP Non-Farm Employment Change। ৫০-১৫০ পিপস।এটি প্রতি মাসের ২য় দিন বাংলাদেশ সময় সন্ধা ৬.১৫মি:। এটি দ্বারা কৃষি ও সরকারী চাকুরী বাদে অন্য সকল চাকুরীজীবির পরিবর্তনের হার নির্দেশ করে। USD Unemployment Claims এটি প্রতি সপ্তাহের ৫ দিনে বাংলাদেশ সময় ৬.৩০ মি। ৩০-৭০ পিপস। এটি দ্বারা বেকারদের চাকুরীর জন্য ক্লেইমস এর হার বুঝায়। *** GBP Claimant Count Change এটি প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২.৩০ মি। এটিকে ২য় এনএফপি বলা হয়। ৭০-১২০ পিপস। *** AUD Employment Change এটি প্রতি মাসের ১০ম দিনে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭.৩০ মি। এটিকে ৩য় এনএ্ফপি বলা হয়। ৭০-১৫০ পিপস। USD Core Retail Sales m/m USD Retail Sales m/m Released monthly, about 14 days after the month ends; বাংলাদেশ সময় ৬.৩০ মি। ৩০-৭০ পিপস। এগুলা ছাড়াও আরও অনেক নিউজ আসে, সেগুলা মাঝে মাঝে বড় ক্যা্েডল তৈরি করবে, কিন্তু বেশিরভাগই স্পাইক করার উস্তাত। একবার ভাবুন, আমাদের সেই সব নিউজএর আগে ট্রেড করতে হবে যেগুলোতে সর্বনিন্ম ৪০ পিপ প্রফিট হয় আর বেশি হলে ১০০-২০০-৩০০ যাই হোক না কেন। কারন একটা ট্রেড দেওয়া মানে ২০পিপ রিক্স নিয়ে ট্রেড করা। তাহলে ২০ পিপ প্রফিটের জন্য ২০ পিপ রিক্স নেওয়া আমি মনে করি গাধামি করা। সুইং ট্রেডিং: জিবিপি/ইউএসডি তে কয়েকটি সুয়িং ট্রেড প্রতি মাসে পেতে পারেন, তবে সুইং ট্রেড বা ইনট্রাডে ট্রেড পাওয়ার কোন গ্যারান্টি নাই। তবে সুবিধা যেমন আছে আবার অসুবিধাও আছে। দুটি বা তিন-চারটি বড় বড় অর্থনৈতিক নিউজ মিলে একটি সুইং ট্রেড তৈরি হয়। কিন্তু আপনাকে কন্ডিশনগুলো জানতে হবে। যেমন ধরেন- প্রতি মাসের ১ ম দিন দুপর ২.৩০মি: এ জিবিপির মেনুফেকচুইরিং পিএমআই নিউজ এ খারপ করল তার মানে মার্কেট ডাউন হল – ৭০-৯০ পিপস। এর পর ৩ টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত রিট্রেসমেন্ট করবে। আবার ঐ দিন ইউএসডির ৬.৩০ মি: এ আইএসএম ম্যানুফেচুইরিং পিএমআই নিউজটি থাকবে। এখন যদি এটাও আবার ভাল হয় তো বুজতে পারছেন কি আপনি একটা বড় দান মারতে যাচ্ছেন। মানে মার্কেট ডাউন আর ডাউন। আবার, পরের দিন যদি কপাল ভাল থাকে তো- আবার জিবিপির দুপর ২.৩০ টায় কন্সট্রাকশন পিএমআই আর সন্ধায়- ইউএসডির এডিপি নন ফার্ম ইমপ্লয়মেন্ট চেঞ্জ। ???? আমি আবার বলছি যে মার্কেট শুধু যে আমার এই স্বপ্নের মত হবে কোন গ্যারান্টি নাই তবে আমি এই মাসে ২ টা পেয়েছি। ৩য় দিন একই ভাবে আবার জিবিপির দুপুর ২.৩০ মি: সার্ভিস পিএমআই আর সন্ধা ৬.৩০ এ আএসএম নন মেনুফেকচুইরিং পিএমআই। আবার এর মধ্যেই পাবেন এনএফপি , কারন বেশিরভাগ সময় এই ১ম তিন দিনে শুক্রবার টা যদি পরে যায়। তাছড়াও মাঝে মঝে আপনি লক্ষ করবেন যে, দুপুরে একটা জিবিপির ভাল নিউজ আর সন্ধায় ইউএসডি নিউজ, হতে পারে একটা ভাল সুইং ট্রেড। ফরেক্স ট্রেডিং- পৃথিবীর সকল বিসনেজ এর থেকে সবচেয়ে বেশি লাভজনক বিজনেস। পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন বিজনেস এর মধ্যে অন্যতম। পৃখিবীর সবচেয়ে রিস্কি বিসনেজ। তাই যারা ফরেক্স ট্রেডিং করতে চান- তাদের কে মেন্টালি তৈরী থাকতে হবে যে- আমি ফরেক্স শেখার জন্য প্রচুর কষ্ট এবং প্রচুর পরিমানে পড়াশুনা করবো। নিজের মনের আবেগ বা তার কথা না শুনে – মার্কেট কি বলে তাকে গ্রহন করতে হবে। এবং ফরেক্স ট্রেডিং এর নিয়ম গুলো ১০০ ভাগ মেনে চলব। বাংলাদেশি ভাইদের জন্য আমার একটি কথাই থাকবে, তা হল- প্রথম ১ বছর ইনভেষ্ট না করে আগে পড়াশুনা করে শিখুন এবং প্রাকটিসের জন্য ডেমো ট্রেড করুন, আর একটি প্লানিং এর মাধ্যমে ২০০০ পয়েন্ট জিতে ব্যা্লেন্সকে দিগুন করার পড় মাত্র ১০০ ডলার ইনভেষ্ট করুন এবং আপনার আগের প্লানিংর এর মাধ্যমে আবার আপনার ব্যলেন্সকে দিগুন করুন। তারপড় আপনার প্লানিংকে ডেপলপ করে দ্রুত কিভাবে বেশি ইনকাম করা যায় তা প্লানিং করে ট্রেড করে রেগুলার প্রফিট করুন। এতে হয়ত ১-২ বছর লাগতে পারে। ইউরো /ইউএসডি পেয়ারের মধ্যে যে গোপন প্রেম আছে………………. ধরুন- আপনি টেকনিক্যাল হিসাব করে ইউরো/ইউএসডি তে একটা বাই দিলেন। ওকে, প্রাইজ ও আপনার দিকে ১০পিপস গেল। আপনি ভাবছেন এখন তো ইউরো বা ইউএসডি এর কোন নিউজ নাই।ভালো তো ভালো না। হয়ত এখন টেকনিকাল ভাবেই টিপি হিট করবে। কিন্তু দুখের বিষয়- প্রাইজ আপনার বিপরীতে ২০ পিপস গেল এবং সেখানেই ঘুরাঘুরি করতে থাকল। কি আর করা- লজ, লজ, লজ। একটু চিন্তা করেন তো- উদাহরন সরুপ- ইউরো বা ইউএসডি সাথে অন্য কারেন্সি বা ইয়েন এর পেয়ার ও তো আছে। সে সময় যদি জাপানিজ ইয়েন এর কোন নিউজ ইফেক্ট এর কারনে ইয়েন অনেক দুর্বল হলে – স্বাভাবিকভাবে যদি সাপ্লাই ও ডিমান্ড ইউএসডির দিকে যায় তাহলে ইউএসডি/ইয়েন – এ প্রাইজ আপ হলে তো ইউরো/ইউএসডি পেয়ারে ও তো ডাউন হবে। আবার, ইউএসডি এর গোপন প্রেম তো আরও আছে। সেগুলো হল সোনা আর তেল। তাইতো মাঝে মাঝে নিউজ ভাল হলেও প্রাইজ বিপরীত দিকে যায়। একটা অনুরোধ করব সবাইকে- প্লিজ- কারও সিগনাল ও ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে ট্রেড করবেন না। শিখেন ও কিভাবে প্রফিট করা যায় তার একটি প্লান নিজে তৈরি করুন তবে ডেমো দিয়ে। যখন আপনার প্লানিং মোতাবেক প্রতিদিন প্রফিট হবে তখন রিয়েল ট্রেড করেন। জানি, আমার কথা বাঙ্গালী একটু কমই শুনবে। কারন কি জানেন- আমিও তো বাঙ্গালী। আমি জানি বাঙ্গালী কি জিনিস? ফ্রি ছাড়া কষ্ট করতে চাই না। আর পড়াশুনা- সেইটা একটু গোপন থাক। Fundamental Analysis কি? Fundamental Analysis হল কিভাবে সারা বিশ্বের অর্থনৈতিক ও অন্যান্য ঘটনা ও সংবাদ বাজারকে প্রভাবিত করে। মৌলিক বিশ্লেষণ এর ক্ষেত্রে সব রকম ঘটনা, খবর, সামাজিক আন্দোলন, অর্থনৈতিক ঘোষণা, সরকারী নীতির পরিবর্তন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লাভক্ষতিও হিসেবের মধ্যে পড়ে। এর মধ্যে দেশের ব্যাংকগুলোতে সুদের হার এবং তা সম্পর্কিত নীতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিক ধারনা এই যে, যদি কোন দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক অবস্থা শক্তিশালী হয় তবে তাদের মুদ্রার মূল্যও তেজী হবে। একটি শক্তিশালী অর্থনীতি সে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ ও ব্যবসার ব্যাপক প্রসার ঘটায়। এর জন্য বৈদেশিক ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সে দেশের মুদ্রা কিনতেই হয় বিনিয়োগ ও ব্যবসার জন্য। ফলে এখন মুদ্রার চাহিদা-যোগানের কথা চলে আসলো। যে দেশের অর্থনীতি মজবুত ও বর্ধনশীল, সে দেশের মুদ্রার প্রচুর চাহিদা তৈরি হয় যা তার যোগানের উপর চাপ ফেলে এবং তার দাম বাড়িয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হতে শুরু করে তবে অন্যান্য দেশের মুদ্রার তুলনায় তাদের মুদ্রার দর বৃদ্ধি পাবে। অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে সাথে মুদ্রার মূল্য বৃদ্ধির একটা বড় কারণ হল যে দেশের সরকার অর্থনৈতিক অবস্থা ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুদের হার বৃদ্ধি করে। অধিক সুদের হার বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় এবং তারা এর ফলে বেশী বেশী অস্ট্রেলিয়ান ডলার কিনবে বিনিয়োগের জন্য। এতে এই মুদ্রার চাহিদা ও মূল্য বারতে থাকেবে এবং যোগান হ্রাস পাবে। যতদিন না পর্যন্ত আমি আমার প্রতিটি ট্রেড জেনেশুনে জিততে পারব না, ততদিন পর্যন্ত আমি নিরাপদ নই ফরেক্স মার্কেটে। তাতে আমি যতই পিপস লাভ করি না কেন আমি কখনো শান্তি পাব না। কারন মন আমাকে বলে যে তুমি যেহেতু না জেনে জিতেছ তার মানে তুমি সামনে অবশ্যই হারবে। Thx to all. I hope, I must Complete my 3rd part in Future. If any one want to contact me- https://www.facebook.com/mrithunjoy.roy.5
  2. ফরেক্স ট্রেডিং এর একটি সিম্পল ও সত্য পথ- (এডভান্স ট্রেডারদের জন্য) ১ম পর্বঃ ট্রেডারদের সবচেয়ে বড় ভুল হল তারা ফরেক্স মার্কেটে অনেক কঠিনভাবে প্রচুর সময় ব্যয় করেন এবং তারা দিনে বা সপ্তাহে অনেক বেশী ট্রেড করেন এবং চার্টের সাথে লেগে থাকেন। পৃথিবীতে এমন কেউ নেই যে মার্কেট এখন থেকে পরের ধাপে কোথায় যাবে তা বলতে পারবে। তারা প্রচুর সময় ব্যায় করতেই থাকে এবং লজ ট্রেডের পরিমান ও বাড়তেই থাকে। আমার একটি আদর্শ রাস্তা আছে ফরেক্স ট্রেডিং এর জন্য- আর তা হল ঃ- আমার প্রতিটি ট্রেড এর জন্য আমাকে জানতে হবে যে, কেন ও কখন মার্কেট আমার দিকে যাবে – এবং গেলে কত পিপস যাবে। সে সময় ট্রেডিং এ বসি, ট্রেড প্লেজ করি, আর প্রফিট নিয়ে বেড়িয়ে আসি। সবোর্চ্চ ট্রেডটি ৪-৫ ঘন্টা হতে পারে- অবস্থা ভেদে ১৫ দিন ও হতে পারে। সপ্তাহে ৩-৪ বা মাসে ১০-১৫ টি ট্রেড এর বেশী করি না। আর মার্কেট এর প্রাইজ ও সর্বদা কোথায় আছে তাও হিসাব রাখি না। এক কথায় আমি একটি নিদিষ্টি শিডিউল অনুযায়ী ট্রেড করি আর তা সম্ভব শুধুমাত্র নিউজ এর উপর ভিত্তি করে। ডিসিপ্লিনঃ- শিডিউল টেডিং টাইম। লজ ট্রেড কমিয়ে আনি। রিস্ক মেনেজ করে চলি। ফলে হাই প্রফিট পেয়ে থাকি। ফরেক্স চার্ট এর জন্য কম সময় দেই।সময় বেশী দেই ঐ দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উপর। আপনার যা অভিজ্ঞতা আছে তা থেকে নিজের মনের মধ্যে হিসেব করে নেন যে আপনি যে সময় গুলো পার করেছেন বিভিন্ন রকম টেকনিকাল বেস এর জন্য তার ফল কি তা আপনার ব্যালেন্স উত্তর দিয়ে দিবে। আপনি যে ভাবেই ট্রেড করে না কেন আপনাকে অবশ্যই নিউজ ও তার পলিচি আপনাকে প্রফিট এনে দেবেই। অধ্যায়ঃ ১ যখন আমি প্রথম ফরেক্স ট্রেড শুরু করি, তখন প্রথমে আমার মনে একটি প্রশ্নই ঘুরত, কেন মার্কেট আপ/ডাউন করে? সম্পুর্ন ফরেক্স জগতের সকল ট্রেডার রা এর উত্তর দেন- তা হল টেকনিক্যাল। শুধু তাই নয়- সবাই Fibonacci, কিছু MACD আর Slow Stochastic দিয়ে বা তাদের সম্মিলিত একটা সিষ্টেম দিয়ে বিভিন্ন রকম মাপযোগ করে ট্রেড করে থাকেন। কিন্তু বাস্তব টা অন্য রকম দেখলাম। একমাএ একটি কারনেই মার্কেট মুভ করে আর তা হল নিউজ। কিছুদিন আগেও আমার মনে পরে- যখন আমি প্রতিদিন ২৪ টা ট্রেড করতাম ১৬ ঘন্টায় সপ্তাহে ৫ দিনই। এটা আমার কাছে প্রফিট করার থেকে অনেক একসাইটিং মনে হত। ফলাফল ৫ বার আমাকে একাউন্টে আবার ডলার ঢুকাতে হয়েছিল। তারপর, আমি মনে মনে প্রশ্ন করতাম বাস্তবেই কি কোথাও কোন মেথোড আছে যা সবসময় লাভ দিবে নাকি এটা একটা গুজব? এই পশ্ন মাথায় আসতে আসতে অনেক টাকা ও সময় আর এনার্জী লজ করে ফেলেছি। সব কিছু বন্ধ করে দিলাম। ১০ দিন পর আবার সেই ১ম প্রশ্নটি মাধায় ঘুরতে থাকল যে, কেন মার্কেট মুভ করে? মনে মনে ভাবলাম- হয়ত নিউজ এবং টেকনিকাল মিলেই মুভ করে। যাই হোক আজ বুজতে পারছি তখন আমি অর্ধেক সত্যের মধ্যে ছিলাম। আমার শিক্ষাঃ- ফরেক্স ট্রেডিং হল একটি ভিন্ন রকম অনেক কঠিন আর্ট। এখানে কেউ কোন রকম ডাউট ছাড়া কেউ কখনও ক্লিয়ারলি বলতে পারবে না যে মার্কেট আজ আপ হবে। ফরেক্স মার্কেট অনেক রকম ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ ও কিছু বড় বড় অংশর সমন্বয়ে গঠিত যার প্রতিফলন আমরা চার্ট এর মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি এবং তা সবসময়ই একটি কঠিন আর্ট করতেই থাকে। আমি যা মনে করি তা হলঃ- একটি সাকসেস ট্রেড প্লেস করার জন্য অবশ্যই আমাকে টেকনিকাল, অর্ডার ফলো, সাপ্লাই ডিমান্ড, মার্কেট সেন্টিমেন্ট ও কোরিলেশন জানতে হবে। এর অর্থ এই নয় যে আপনাকে ইকোনোমিক এর উপর বড় বড় ডিগ্রী অর্জন করতে হবে, তবে অবশ্যই বেসিক প্রিন্সিপাল বা মাধ্যমিক ইস্কুল অবশ্যই পাশ করতে হবে। এবার চলুন কিছু প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করি। ১) কেন ফরেক্স মার্কেট মুভ করে? ২) কিভাবে ফরেক্স মার্কেট বড় রকম মুভ করে? ৩) কখন ফরেক্স মাকের্টে বড় মুভগুলো করে? ************************************************ ১) কেন ফরেক্স মার্কেট মুভ করে? This is not a trick question. ধরুন এক দিনে EUR/USD ১.৩৪০০ হতে ১.৩৫৫০ এ গেল- উপরের প্রশ্নটি নিজের মনকে করুন। ওকে, আমি একটি সহজ উত্তর দিচ্ছি। সেল ভলিয়মের থেকে বাই এর ভলিয়ম বেশী থাকায় ১৫০ পিপস আপ হয়েছে। আরও সহজ উত্তর হল ইউএসডির থেকে ইউরো বেশী ডিমান্ড এ ছিল। মার্কেটের প্রতিটি পিপস মুভমেন্ট এর জন্য নিদিষ্ট সময়ে নিদির্ষ্ট পরিমান ভলিয়মের ট্রেড এর প্রয়োজন হয়। আর যখন তা অনেক সময় ধরে ট্রেড হয় তখন মার্কেট একটি টেক্সিক্যাপ এর মত বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। তবে প্রধম থেকে মার্কেটের প্রাইজ যা ছিল তা কিন্তু আর ফিরে আসে না। যখন মার্কেটে নিদির্ষ্ট সময়ে নিদিষ্ট ভলিয়মের কোন ট্রেড হয় না তখন মার্কেট চুপটি মেরে থাকে। এখন আসল প্রশ্ন হল একটি নিদিষ্ট সময়ে কেন বেশীরভাগ ট্রেডার একই দিকে ট্রেড করে। উত্তর হল সাপ্লাই ও ডিমান্ড। ফরেক্স র্চাট কে বুঝার একটি সহজ উপায় হল কোন পেয়ারে কোন কারেন্সি বেশী ডিমান্ড এ আছে। ১মিঃ চিন্তা করেন। কেন ইউরোইউএসডি আপ হচ্ছে? কারন হল মার্কেট প্রত্যাশা করছে যে ইউএসডির থেকে ইউরো এর মুল্য বাড়তে পারে। এখন আরও বেশী গুড়ুত্বর্পুন প্রশ্ন হল কেন মার্কেট প্রত্যাশা করছে যে ইউএসডির থেকে ইউরো এর দাম বাড়বে? এখন উপরের প্রশ্নের আসল উত্তর হল ফান্ডামেন্টাল নিউজ। হা বড় বড় অথর্নৈতিক নিউজ এর রেজাল্ট ও তার পলিসির জন্য যা একটি রাষ্ট্রে বিজনেস করার পরিবেশ তৈরী বা নষ্ট হয় ফলে বড় বড় বিভিন্ন দেশের ইনভেষ্টররা সেভাবে ঐ রাষ্ট্রে ইনভেষ্ট করে থাকে। আর তাদেরকে বিভিন্ন দেশ হতে সেই দেশে ইনভেষ্ট করার জন্য প্রচুর পরিমানে ঐ রাষ্ট্রের মুদ্রা কিনতে হয়। আর মুদ্রা কেনা বেচার সবচেয়ে বড় বাজার হল ফরেক্স মার্কেট। তাই তারা তা ফরেক্স মার্কেট থেকেই কিনতে হয়। আর এক সঙ্গে বিপুল পরিমান মুদ্রা কিনতে গিয়ে ফরেক্স মার্কেটে মুদ্রা সংকটে পরে। ঠিক ঐ সময়ই ফরেক্স এ প্রচুর পরিমান প্রাইজ আপডাউন হয়। আর ফরেক্স ট্রেডারদের সেই আপডাউনের মাধ্যমেই প্রফিট বের করে নিতে হয়। আর যখন কোন ভালো বা খারপ প্রত্যাশা নিউজ থেকে আসে না, তখন মার্কেট মুভ করে না। ফান্ডামেন্টাল নিউজ ই হল ফরেক্স মার্কেটকে বুঝার একমাত্র চাবি। মার্কেট কখনও চিন্তা করে না যে আমি আগে কোথায় ছিলাম আর সেজন্য কোথায় যাব? তবে মার্কেট অবশ্যই এটা চিন্তা করে যে আমি এখন কোথায় আছি আর ভবিষ্যতে কোথায় যেতে পারি। ************Important Concepts***************** *** Fundamental news moves the market. *** Market constantly ajdusts to reach equilibrium. *** Current Price is a reflection of market perception of what the future price is going to be. ২য় প্রশ্ন হলঃ- ফরেক্স মার্কেট কিভাবে মুভ করে? প্রশ্নটি আপনাদের কাছে হয়ত অনেক সহজ একটি প্রশ্ন হতে পারে কিন্তু এর উত্তরটি মোটেও সহজ নয়। প্রতিটি পেয়ারের একটি সতন্ত্র ও নিজেস্ব ব্যক্তিত্ত এবং অন্যদের সাথে একটি নিদির্ষ্ট অনুপাতে মুভমেন্ট করে। একজন সাকসেস ট্রেডার অবশ্যই নির্দিষ্ট কয়েকটি পেয়ারে ট্রেড করে থাকেন যেগুলো তাদের সাথে যায়। আমরা যখন ১/৪ ঘন্টার চার্ট্ দেখি তখন শুরু থেকে শেষ পর্য্ন্ত দেখতে পাই যে সেই পেয়ারটি কিভাবে এবং কত সময়ে কতদুর মুভ করেছে। কিন্তু আমরা যা দেখি তা অতীত এবং এর অর্থ্ এই নয় যে ভবিষ্যতেও ঐভাবেই মুভমেন্ট করবে। চলুন আমরা সবাই ১ মাসের জন্য ডেমোতে একটা পরীক্ষা করে দেখি ইউরো/ইউএসডি পেয়ারে। প্রতি ১ঘন্টা পরপর ১টি করে ট্রেড দেই ৩০ পিপস এসএল ও টিপি দিয়ে। একমাস পর্য্ন্ত তা করি। দেখা যাক কি পাওয়া যাবে। হা, অবশ্যই আপনি ইউরোইউএসডির হলিগ্রেইল খুজে পাবেন। যা শিখবেন তা হলোঃ- সচরাচর একটি বুলিশ দিন আর একটি বেয়ারিশ দিনকে ফলো করছে। যদি এক্সিট্রিম বুলিশ হয় তাহলে পরের দিন তা কন্টিনিউ বা এক্সষ্ট্রিম রিট্রেসমেন্ট করেছে। মুভমেন্ট বেশীরভাগ রিট্রেস বা কন্টিনিউ 7:30am and 11:30am NY Time. এ ঘটেছে। ইউরো/ইউএসডি তার বর্ত্ মান প্রাইজের মুভমেন্ট রেঞ্জ হল ১% এর মধ্যে। মাঝে মাঝে প্রাইজ পয়েন্ট ০০ ও ৫০ থেকে সাপের্ট্ রেসিষ্টেন্ট তৈরী করে কন্টিনিউ করেছে। প্রতিটি পেয়ার কিন্তু তাদের নিজেস্ব ও স্বাধীন এবং অন্যের সাথে একটি নিদিষ্ট অনুপাতে মুভমেন্ট করে।তাই তাদের নিজেস্ব ও আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য আছ্ েযেমন জিপিবি/ইউিএসডি ৭০% পর্য্ন্ত রিট্রেস করতে পারে যেখানে ইউরো/ইউএসডি তার তুলনায় অনেক কম। একজন সাকসেস ট্রেডার অবশ্যই তাদের ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট কাজে লাগিয়ে বেশি পরিমান প্রফিট বের করে নিতে পারে যা তাকে পরবর্তী টেড করার জন্য প্রস্তুত রাখতে সাহায্য করে। আমি শুনেছি যে সেন্ট্রাল ব্যাংকের প্রতিটি ট্রেডার তাদের নিজেস্ব মাত্র একটি পেয়ারেই ট্রেড করে থাকে। এখানে অবশ্যই একটি বিশেষ গোপন ব্যপার আছে যা তারা মেনে চলে। আমাদের অবশ্যই জানতে হবে যে, প্রতিদিন এর মুভমেন্ট রেঞ্জ, সাপোর্ট্ রেসিষ্টটেন্স, এবং বিভিন্ন কারেন্সির সাথে কো-রিলেশন। এই বিষয়ে পরে সময় ও সুযোগ পেলে ডিটেল লিখব। তাবে সাপোর্ট্ রেসেষ্টটেন্স ৪ টি পেয়ার এ একসাথে হিসেব করলে বেশী ভাল হয়। আর কো-রিলেশন এর একটি ছোট উদাহরন দিচ্ছি। ধরি- ইউএসডি/ইয়েন= ১০০.৩৫ আর জিবিপি/ইয়েন= ১৯৯.৫৪ চলছে। এখন যদি ইয়েন এর প্রভাবে ইউএসডি/ইয়েন ৫০ পিপস মুভ করে তাহলে জিবিপি/ইয়েন প্রায় ৯৯.৯৫ পিপস মুভমেন্ট করতে পারে। কারন হল ১ম প্রাইজ দিয়ে ২য় প্রাইজ কে ভাগ করলে ১.৯৯ প্রায় আসতে পারে। কিন্তু এটা যে সবসময় নিখুতভাবে মেইনটেন করে চলবে তা গুরুত্বপূর্ন্ নয়। কারন এখানে ইউএসডি ও জিবিপি এর সাপ্লাই/ডিমান্ড এর বিষয়ও আছে। কিন্তু এটি আপনাকে মার্কেটে বুজতে সাহায্য করবে যে এখন মার্কেটে কে আসলে মুভমেন্ট করাচ্ছে। আর একটু কষ্ট করলেই এখান থেকেই আপনি জিবিপি/ইউএসডি এর প্রাইজ ও পেতে পারেন। Correlation is defined as the degree to which economic variables are observed to move together. If they move in the same direction, then there is positive correlation; if they move in opposite directions, then there is negative correlation. আর একটি উদাহরন হলঃ EUR/USD আর USD/CHF এর নেগেটিভ কোরিলেশন। যদি EUR/USD ১০০ পিপস আপ হয় তবে USD/CHF ৯৩ পিপস ডাউন হবে। আবার এটি নির্ভ্র করবে তাদের ঐ সময়ের রানিং প্রাইজ এর উপর। ************************Important Concepts************************ Every currency pairs moves differently. Learn about daily ranges, support & resistance areas, and correlation to other currency pairs is key to understanding HOW they move. Use correlation as confirmation to your existing trades or the planning of your future entries. Limit your trading only to a few currency pairs, generally don’t trade more than 4 currency pairs. It is better to be focused on a few and know that you can catch most of the movements than to be focused on all and worry about missing out. ৩) কখন ফরেক্স মাকের্টে বড় মুভগুলো করে? একদিন আমার এক ফ্রেন্ড আমাকে প্রশ্ন করলো মাঝে মাঝে দেখি মার্কেটে প্রাইস অনেক বাড়ে-কমে। আবার অনেক সময় দেখি কোনো মুভমেন্টই হয়না ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কম্পিউটারের সামনে এত সময় বসে থাকতে বোরিং লাগে। যদি জানতাম কখন কখন বড় মুভমেন্ট হবে, তাহলে শুধু তখনই ট্রেড করতাম, আর বাকি সময় অন্য কাজ করা যেত কিংবা মুভি দেখা যেত। আমি বললাম ফরেক্স মার্কেট সপ্তাহে ৫ দিন ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকে। মার্কেট সবসময় ওপেন থাকে তার মানে এই নয় যে আমাদের সবসময় ট্রেড করা উচিত। কারন মার্কেট সবসময় সক্রিয় থাকে না। অনেক সময় দেখা যায় মার্কেটে কোন নড়াচড়া নেই অর্থাৎ ভোলাটিলিটি নেই। আমরা ফরেক্সে প্রফিট করতে পারি যখন প্রাইস বাড়ে কিংবা কমে। কিন্তু যদি মার্কেটে তেমন একটা মুভমেন্টই না হয়, তাহলে প্রফিট হবে কিভাবে? সে বলল, তাহলে আমরা ট্রেড করবো টা কখন? এরকম হবার কারন টা কি? আমি তাকে বললাম যে, ফরেক্স মার্কেটে ২৪ ঘণ্টাকে আমরা প্রধানত ৪টা ভাগে ভাগ করতে পারি। এগুলো হল সিডনী সেশন, টকিয়ো সেশন, লন্ডন সেশন এবং নিউইয়র্ক সেশন। আমার কাছে নিউইয়র্ক সেশনটাই সবচেয়ে প্রিয়। আমার ফ্রেন্ড এর উত্তরে আমাকে বলল, এগুলো তো শহরের নাম। আমি তাকে বুঝিয়ে বললাম এই চারটা সেশন যখন শুরু হয়, তখন মার্কেটে অনেক ভোলাটিলিটি শুরু হয়। এর কারন হল একটি সেশন ওপেন হলেই সেই অঞ্চলে অনেক ব্যবসা-বানিজ্য, লেন-দেন ইত্যাদি শুরু হয়। অর্থনীতি সম্পর্কে বড় বড় নিউজ-সিদ্ধান্ত ঐ সময়েই নেয়া হয় অধিকাংশ সময়ে। তাই নতুন সেশন শুরু হলেই মার্কেটে বড়-সড় মুভমেন্ট/নড়াচড়া শুরু হয়ে যায়। নিচের চার্টটি ওকে দেখিয়ে বললাম যে কোন সেশন কখন শুরু এবং শেষ হয়। বন্ধুটি এবার বলল, গ্রীষ্মকাল (summer) আর শীতকালে (winter) ভিন্ন সময়ে সেশন ওপেন হয় কেন? আমি তাকে বললাম DST (Day-Light Saving Time) এর কথা মনে আছে যেটা বাংলাদেশে কয়েক বছর আগে চালু হয়েছিল? বন্ধুটি বলল, হ্যা। তখন তো আমাদের সময় আমরা ১ ঘণ্টা এগিয়ে দিয়েছিলাম। এবার আমি বললাম, পৃথিবীর বড় বড় দেশগুলোও তাদের কাজের সময় বৃদ্ধির জন্য গ্রীষ্মকাল এবং শীতকালে ১ ঘণ্টা সময় পরিবর্তন করে। আর সে কারনেই আমাদের এখানেও বাংলাদেশ সময় অনুসারে সেশনগুলো ওপেন-ক্লোজের সময় পরিবর্তন হয়। এখানে BST দিয়ে Bangladesh Standard Time বোঝানো হয়েছে। এবার বন্ধুটি আমাকে বলল, যেকোনো সেশন ওপেন হলে যেহুতু মার্কেটে ভোলাটিলিটি বেড়ে যায়, ২টা সেশন একসাথে ওপেন থাকলে নিশ্চয়ই ভোলাটিলিটি আরও বেশি থাকে, মানে মুভমেন্ট আরও বেশি হয়? এবার আমি বুঝলাম যে আমার বন্ধু আস্তে আস্তে ব্যাপারটা বুঝতে পারছে। আমি তাকে বললাম হ্যা, ব্যাপারটা ঠিক এইরকম। গ্রীষ্মকালে দুপুর ১:০০ থেকে দুপুর ৩:০০ পর্যন্ত টকিয়ো ও লন্ডন সেশন ওভারল্যাপ করে এবং সন্ধ্যা ৬:০০ থেকে রাত ১০:০০ পর্যন্ত লন্ডন ও নিউইয়র্ক সেশন ওভারল্যাপ করে। তাই এই সময়ে মুভমেন্টও থাকে বেশি। ট্রেড করার জন্য মোটামুটি আদর্শ সময়। এবার আমি বন্ধুকে ৩ নং এই চার্টটি দেখিয়ে বললাম যে কোন সেশনে কোন পেয়ারের এভারেজ মুভমেন্ট কত পিপস। দেখা যায় লন্ডন সেশনেই সবচেয়ে বেশি মুভমেন্ট দেখা যায়। আর যেহুতু নিউইয়র্ক সেশন লন্ডন সেশনের সাথে ৪ ঘণ্টা ওভারল্যাপ করে, সেহুতু লন্ডন এবং নিউইয়র্ক এই ২টি সেশন ট্রেড করার জন্য আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়। টকিয়ো সেশন দিয়েই তাহলে শুরু করা যাক। টকিয়ো সেশন বাংলাদেশ সময় ভোর ৬:০০ টায় টকিয়ো সেশন শুরু হয় এবং দুপুর ৩:০০ টায় টকিয়ো সেশন শেষ হয়। টকিয়ো সেশন এশিয়ান সেশন নামেও পরিচিত, কারন টকিয়ো হল এশিয়ার অর্থনৈতিক রাজধানী। আর জাপান হল পৃথিবীর ৩য় বৃহত্তম ফরেক্স ট্রেডিং সেন্টার। জাপানিজ ইয়েন হল পৃথিবীর ৩য় সর্বাধিক ট্রেডকৃত কারেন্সি। সব ফরেক্স লেনদেনের ১৬.৫০% লেনদেন হয় ইয়েনের। এবং সকল ফরেক্স লেনদেনের ২১% হয় এই টকিয়ো সেশনে। টকিয়ো সেশনের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য আমি ওকে বলেছিলাম। সেগুলো হলঃ • এই সেশনের যে শুধু জাপানের অবদান থাকে তাই নয়, হংকং, সিঙ্গাপুর, সিডনী ইত্যাদি অঞ্ছলেও অনেক অর্থনৈতিক লেনদেন হয় যা এই সেশনে প্রভাব ফেলে। • জাপান মূলত রপ্তানি নির্ভর দেশ। চায়নারও এখানে ভালো অবদান রয়েছে। কেন্দ্রিয় ব্যাংক এবং এক্সপোর্টাররা এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। • মাঝে মাঝে মার্কেটে ভোলাটিলিটি এতও কমে যায় যে ট্রেডারদেরকে ট্রেড করার জন্য মাছ ধরার বরশি নিয়ে অপেক্ষা করার মত বসে থাকতে হয়। • মূলত এশিয়ান পেয়ারগুলোতে অন্য পেয়ারগুলোর তুলনায় বেশি মুভমেন্ট দেখা যায়। যেমন eur/usd, gbp/usd এর তুলনায় aud/usd, nzd/usd, usd/jyp, eur/jyp, aud/jyp তে মুভমেন্ট বেশি হয়। • এই কম ভোলাটিলিটির সময় বেশিরভাগ পেয়ার একটি রেঞ্জের মধ্যে ঘোরাফেরা করে, যা কিনা দিনের পরবর্তী সময়ে ব্রেকআউট ট্রেডের সুযোগ সৃষ্টি করে। • এই সেশনের শুরুতেই সাধারনত মুভমেন্ট বেশি হয়, কারন তখনই অর্থনৈতিক নিউজগুলো বেশি পাবলিশ হয়। • টকিয়ো সেশনের মুভমেন্ট দেখেই ট্রেডাররা সাধারনত পরবর্তী সেশনে ট্রেড করার স্ট্রাটেজি ঠিক করে। টকিয়ো সেশনে যেসব পেয়ার ট্রেড করা উচিতঃ এবার বন্ধুটি বলল, অনেক কিছু জানা গেল। কিন্তু টকিয়ো সেশনে কোন কোন পেয়ার গুলো ট্রেড করার জন্য ভালো হবে? এই সেশনে তো অন্যান্য পেয়ারগুলো থেকে এশিয়ান পেয়ারগুলোতে মুভমেন্ট বেশি হয়। তাহলে আমাদের সেইসব পেয়ার ট্রেড করা উচিত? টকিয়ো সেশনে অস্ট্রেলিয়া, নিউজল্যান্ড, জাপানের গুরুত্বপূর্ণ নিউজ পাবলিশ হয়। এরফলে নিউজ ট্রেড করার একটু ভালো সুযোগ পাওয়া যায়। JPY পেয়ারগুলোতে ভালো মুভমেন্ট দেখা যায়। চায়না কিন্তু আরেকটি অর্থনৈতিক সুপার পাওয়ার। তাই যখনই চায়না থেকে গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশিত হয়, তা ফরেক্স মার্কেটে ভালো ভোলাটিলিটি সৃষ্টি করে। টকিয়ো সেশনে JPY এবং AUD পেয়ারে ভালো মুভমেন্ট দেখা যায়। তাই এই পেয়ারগুলো ট্রেড করার জন্য উত্তম। লন্ডন সেশন যখন এশিয়ান মার্কেট বন্ধ হয়ে যায়, তার কিছুক্ষন পরই লন্ডন সেশন শুরু হয়। লন্ডন সেশন ইউরোপিয়ান সেশন নামেও পরিচিত। ইউরোপে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক মার্কেট রয়েছে, যদিও ট্রেডারদের চোখ বেশিরভাগ সময় থাকে লন্ডনের দিকে। গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১:০০ (শীতকালে দুপুর ২:০০) – টায় লন্ডন সেশন শুরু হয় এবং গ্রীষ্মকালে রাত ১০:০০ (শীতকালে রাত ১১:০০) – টায় লন্ডন সেশন শেষ হয়। ঐতিহাসিকভাবেই লন্ডন ছিল ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু। প্রতি মিনিটেই হাজার হাজার ব্যবসায়ী এখানে লেনদেন করে। সর্বমোট লেনদেনের ৩০% হয়য় শুধুমাত্র এই লন্ডন সেশনেই। টকিয়ো সেশনের মত লন্ডন সেশনেরও কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সেগুলো হলঃ • লন্ডন সেশন ২টি গুরুত্বপূর্ণ সেশনের সাথে (টকিয়ো এবং নিউইয়র্ক) ওভারল্যাপ করে। অসংখ্য ফরেক্স লেনদেন এই সেশনে ঘটে। তাই দেখা যায় এই সময়ে মার্কেটে লিকুইডিটিও থাকে বেশি এবং পেয়ারগুলোতে স্প্রেডও থাকে তুলনামুলক ভাবে কম। • অসংখ্য লেনদেন এবং ট্রেড হবার কারনে লন্ডন সেশন হল সবচেয়ে বেশি ভোলাটাইল সেশন • দেখা যায় অধিকাংশ ট্রেন্ড লন্ডন সেশনে শুরু হয়য় এবং নিউইয়র্ক সেশনের শুরু পর্যন্ত চলতে থাকে। • এই সেশনের মাঝামাঝি সময়ে ভোলাটিলিটি কিছুটা কমে যায়, কারন ট্রেডাররা নিউইয়র্ক সেশন শুরুর জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। • অনেকসময় দেখা যায় লন্ডন সেশনের শেষের দিকে ট্রেন্ড রিভার্স হয়ে যায়। কারন ইউরোপিয়ান ট্রেডাররা দিনশেষের আগে তাদের ট্রেড প্রফিতে ক্লোজ করে দিতে চায়। লন্ডন সেশনে যেসব পেয়ার ট্রেড করা উচিতঃ এবার বন্ধুটি আমাকে প্রশ্ন করলো, নিশ্চয়ই লন্ডন সেশনে ইউরো আর পাউন্ডের পেয়ার গুলো ট্রেড করার জন্য ভাল? আমি তাকে উত্তর দিলাম যেহুতু লন্ডন সেশনে অনেক বেশি ট্রেড হয়য়, তাই দেখা যায় এই সেশনে অনেক বেশি লিকুইডিটি থাকার কারনে প্রায় সব পেয়ারেই ট্রেড করা যায়। অবশ্যই মেজর পেয়ারগুলো ট্রেড করা জন্য ভালো যেমন – EUR/USD, GBP/USD, USD/JPY, USD/CHF, কারনে সেগুলোতে স্প্রেড কম থাকে। এবং এই পেয়ারগুলো দেখা ইউরোপিয়ান সেশনে যে নিউজগুলো আসে সেগুলো দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত হয়। এছাড়া ইয়েন ক্রস পেয়ারগুলোও ট্রেড করা যায় বিশেষ করে EUR/JPY এবং GBP/JPY, কারন এই পেয়ারগুলো তখন কিছুটা ভোলাটাইল থাকে। নিউইয়র্ক সেশন লন্ডন সেশন চলতে চলতে যখন মার্কেটের ভোলাটিলিটি কিছুটা স্থির হয়ে আসে, তখন বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬:০০ (শীতকালে সন্ধ্যা ৭:০০) – টায় নিউইয়র্ক সেশন শুরু হয় এবং গ্রীষ্মকালে রাত ৩:০০ (শীতকালে রাত ৪:০০) – টায় নিউইয়র্ক সেশন শেষ হয়। এশিয়া এবং ইউরোপের মত, আমেরিকাও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরেক্স মার্কেট। সব ট্রেডারদের দৃষ্টি থাকে নিউইয়র্ক সেশনের দিকে। নিউইয়র্ক সেশন আমেরিকান সেশন নামেও পরিচিত। নিউইয়র্ক সেশনের বৈশিষ্ট্যগুলো হলঃ • যেহুতু এই সেশনটি লন্ডন সেশনের সাথে ওভারল্যাপ করে, তাই এই সেশনের শুরুতে মার্কেটে লিকুইডিটি বেশি থাকে। • অধিকাংশ অর্থনৈতিক রিপোর্ট এবং নিউজ এই সময়ে প্রকাশ হয়। প্রায় ৮৫% ট্রেডগুলোই ডলার এর সাথে কোনো না কোন ভাবে সম্পর্কিত। তাই যখন কোন আমেরিকান ইকনোমিক ডাটা রিলিজ হয়, তা মার্কেটকে মুভ করাতে যথেষ্ট ভুমিকা পালন করতে সক্ষম। • লন্ডন সেশন শেষ হয়ে যাওয়ার পর, নিউইয়র্ক সেশনের শেষের দিকে মার্কেটে ভলাটিলিটি এবং লিকুইডিটি অনেক কমে যায়। বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত মুভমেন্ট প্রায় থাকেনা বললেই চলে। • শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাতের দিকে মার্কেট প্রায় শান্ত হয়ে যায়। কারন পরেরদিন মার্কেট অফ থাকার কারনে জন্য মার্কেটে ভোলাটিলিটি অনেক কম থাকে। • শুক্রবারে নিউইয়র্ক সেশনের মাঝামাঝি সময়ে অনেক সময় প্রাইস রিভারস করতে দেখা যায়। কারন অনেক ট্রেডাররা মার্কেট হলিডের সময় কোন নিউজের প্রভাব উপেক্ষা করার জন্য সপ্তাহ শেষ হবার আগেই ট্রেড ক্লোজ করে দেয়। নিউইয়র্ক সেশনে যেসব পেয়ার ট্রেড করা উচিতঃ বন্ধুটি আমাকে বলল, যেহুতু এই সেশনে মার্কেটে ভোলাটিলিটি অনেক বেশি থাকে, তাই নিশ্চয়ই প্রায় সব পেয়ারই ট্রেড করা যায়? আমি বুঝতে পারলাম বন্ধুটি ফরেক্স মার্কেটের ট্রেডিং সেশনগুলো সম্পর্কে ভালো ধারনা অর্জন করে ফেলেছে। আমি তাকে বললাম ঠিক তাই। এই সেশনে প্রায় সব পেয়ারই ট্রেড করা যায়, কারন ভালো মুভমেন্ট থাকে। আর এই সেশনে ডলারের বিভিন্ন ফান্ডামেন্টাল ডাটা রিলিজ হওয়ার কারনে দেখা যায় সবাই নিউজগুলো সম্পর্কে সতর্ক থাকে, কারন সবাই ডলার ভালবাসে। আর এই নিউজগুলো খারাপ আসুক কিংবা প্রত্যাশিত আসুক, ডলারের লাফালাফির কারনে তা মার্কেটকে নাটকীয়ভাবে প্রচণ্ড নাড়া দিতে পারে। সেশনের ওপর সেশন – সেশন ওভারল্যাপঃ বন্ধুটি আমাকে প্রশ্ন করলো দিনের মধ্যে ট্রেড করার জন্য সবচেয়ে ভালো সময় কোনটি? এবার আমি বন্ধুটিকে জিজ্ঞেস করলাম, বলতো টেলিভিশনে সবচেয়ে ভালো প্রোগ্রামগুলো কখন দেখায়? বন্ধুটি উত্তর দিল- “ফ্যামিলি টাইম”. আমি বললাম ঠিক তাই। কিন্তু কারণটা কি? বন্ধুটি আমাকে উত্তর দিল কারন সেই সময়ে পরিবারের সবাই মিলে একসাথে টেলিভিশন দেখে, তাই ভালো প্রোগ্রামগুলো প্রচার করা হয়। আমি তাকে বললাম ঠিক তাই। ফরেক্স মার্কেটের ক্ষেত্রেও একই রকম। মার্কেটে যখন ২টি সেশন ওভারল্যাপ করে, তখন মার্কেটে মুভমেন্টও বেশি হয়, তাই ট্রেড করার সুযোগও থাকে বেশি। ফরেক্স মার্কেটে ২টি প্রধান সেশন ওভার ল্যাপ হলঃ • টকিয়ো-লন্ডন সেশন ওভারল্যাপ • লন্ডন-নিউইয়র্ক সেশন ওভারল্যাপ টকিয়ো-লন্ডন সেশন ওভারল্যাপঃ টকিয়ো সেশনে মুভমেন্ট অন্য সেশনগুলোর তুলনায় খুব একটা বেশি হয়না। আর টকিয়ো-লন্ডন সেশন যখন ওভারল্যাপ করে, তখন টকিয়ো সময় অনেকটা বিকেল তাই মুভমেন্ট কমই থাকে। ট্রেড করার জন্য এই সময়টা কিছুটা বোরিং লাগতে পারে। অনেক নতুন ট্রেন্ড তৈরি হয় এই সময়ে, কিন্তু অনেক ট্রেডাররাই ট্রেন্ড কনফারমেশনের জন্য লন্ডন-নিউইয়র্ক সেশনের জন্য অপেক্ষা করে। লন্ডন-নিউইয়র্ক সেশন ওভারল্যাপঃ এই সেশন ওভারল্যাপ হল ট্রেড করার সবচেয়ে ভালো সময়। এই সময় ট্রেডাররা সব গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে মার্কেটের দিকে মনোনিবেশ করে। এই সেশন ওভারল্যাপ হল দিনের সবচেয়ে ব্যাস্ত সময়, কারন ২টি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ট্রেডিং সেন্টার লন্ডন এবং নিউইয়র্ক এই সময় ওপেন থাকে। এই সময় মার্কেটে অনেক বড় বড় মুভমেন্ট দেখা যায় বিশেষ করে যখন আমেরিকা এবং কানাডা থেকে নিউজ-রিপোর্টগুলো প্রকাশিত হয়। ইউরোপ থেকে দেরিতে প্রকাশ হওয়া নিউজগুলোও ভালো প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। যদি লন্ডন সেশনে কোন ট্রেন্ড তৈরি হয়, তবে বেশিরভাগ সময় নিউইয়র্ক সেশন ওভারল্যাপের সময় তা কন্টিনিউ করতে দেখি। কারন আমেরিকান ট্রেডাররা সেদিন আগে কি হয়েছিল তা জেনে ট্রেড করতে ঝাপিয়ে পড়ে এবং অধিকাংশ সময় পূর্বের ট্রেন্ড অনুসরন করে। এই সেশন ওভারল্যাপ শেষ হবার পর পরই দেখা যায় মার্কেটে মুভমেন্ট অনেক কমে যায়, কারন অনেক ইউরোপিয়ান ট্রেডাররা দিনশেষে তাদের ট্রেড ক্লোজ করে দেয়। ট্রেড করার জন্য সপ্তাহের সেরা দিনগুলোঃ বন্ধুটি আমাকে বলল, সবশেষে যা বোঝা গেল, তা হল লন্ডন সেশনই হল ফরেক্স মার্কেটের সবচেয়ে ব্যাস্ততম সেশন। আর তারসাথে যদি নিউইয়র্ক সেশন ওভারল্যাপ করে, তবে তো কথাই নেই। কিন্তু ট্রেড করার জন্য কি বিশেষ কোন ভালো দিন রয়েছে? আমি তাকে বললাম হ্যাঁ। কিছু বিশেষ দিন রয়েছে যে দিনগুলোতে মার্কেট অন্যান্য দিনের তুলনায় একটু বেশীই মুভ করে। সপ্তাহের কোন দিনগুলোতে গড়ে কোন পিপস মুভমেন্ট হয় সেটা আমি ত্রিভুজকে এই চার্টের মাধ্যমে দেখাইঃ ওপরের চার্ট থেকে দেখা যায় যে, সপ্তাহের মাঝের দিনগুলোতেই মুভমেন্ট বেশী হয়। সপ্তাহের এই দিনগুলোতেই সবচেয়ে বেশী পিপস মুভমেন্ট দেখা যায়। অনেক সময় দেখা যায় সোমবার অনেক জায়গায় ব্যাংক হলিডে থাকে, নিউজ কম রিলিজ হয় কিংবা ট্রেডাররা নতুন সপ্তাহে কোনদিকে ট্রেন্ড মোড় নিবে তা ঠিক করতে না পেরে ট্রেড কম করে। ওপরদিকে শুক্রবার অনেকেই বিকেলের পর ট্রেড করে না পরেরদিন মার্কেট হলিডে থাকায়। সেই অর্থে শুক্রবার মার্কেট বলা যায় অর্ধেক সময় অ্যাকটিভ থাকে। এখানে অনেক তথ্য বিভিন্ন স্থান থেকে নেওয়া হয়েছে। ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আপনাদের আশানুরুপ সারা পেলে এর ২য় পর্র্ টি দেওয়ার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ 1. Reuters: এ পর্যন্ত এটি বিশ্বে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ফরেক্স নিউজ প্রদানকারী সাইট ।http://www.reuters.com/2. Bloomberg: এটি আরেকটি নির্ভরযোগ্য ফরেক্স নিউজ প্রদানকারী সাইট। এটি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত তাই সহজেই গুরুত্বপূর্ণ আর্ন্তজাতিক নিউজ খুজে বের করা যায়।http://www.bloomberg.com/3. Forbes.com Breaking News: এটি পেইড সোস্ থেকে ফ্রী নিউজ প্রদান করে থাকে। http://www.forbes.com/ 4. CNBC: এটি ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য উচ্চ মানের আর্টিকেল প্রদান করে থাকে। http://www.cnbc.com/ 5. Business Week: এটি খুবই প্রফেশনাল অ্যানালাইসিস প্রদান করে থাকে, কিন্তু একটু পুরাতন মডেল। http://www.businessweek.com/ আমি অবশ্যই সেখানে একটি ট্রেড নিবো যেখানে ৩০পিপস রিস্ক এর বিপরীতে সর্বনিন্ম ১০০ টিপি থাকবে। তবে টার্গেট ও অপেক্ষায় থাকি ২০০-৬০০ পিপস এর ট্রেন্ড ধরার। আর যেখানে ৩০পিপস রিষ্ক নিয়ে ৩০-৫০-৭০ পিপস টিপি টার্গেট থাকে, সেই ট্রেড কে আমি অবশ্যই এড়িয়ে চলি। লেখক সম্পর্কে: Fx- Mrithunjoy Roy Sarker https://www.facebook.com/mrithunjoy.roy.5 Pls Waite and watch me 4 my another 22 Post. Its give u a Universal truth Strategy for be a successful Trader. Thx to all.

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×