Jump to content

Search the Community

Showing results for tags 'ইউরো/ডলার'.



More search options

  • Search By Tags

    Type tags separated by commas.
  • Search By Author

Content Type


Categories

  • ইন্ডিকেটর
  • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • বিডিপিপস EA ল্যাব
  • স্ক্রিপ্ট
  • ট্রেডিং স্ট্রাটেজী
  • ট্রেডিং প্লাটফর্ম
  • ফরেক্স ই-বুক
    • বাংলা ই-বুক
  • চার্ট টেমপ্লেট

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  • ট্রেডিং এডুকেশন
    • সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স স্টাডি
    • প্রশ্ন এবং উত্তর
  • ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা
    • ফরেক্স নিউজ
    • ট্রেডিং আইডিয়া
    • ট্রেডিং স্ট্রাটেজি
  • ট্রেডিং সফটওয়্যার
    • ফরেক্স ইন্ডিকেটর
    • এক্সপার্ট এডভাইসর
    • মেটাট্রেডার এবং MQL
  • ফরেক্স ব্রোকার
    • ফরেক্স ব্রোকার
  • বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট
    • ফোরাম সাপোর্ট
  • অফ-টপিক
    • অপ্রাসঙ্গিক
    • ফরেক্স হিউমার
  • লাইভ ট্রেডিং রুম

Categories

There are no results to display.


Found 1 result

  1. একসময় জার্মানি, ফ্রান্সে, ইতালিরও নিজস্ব মুদ্রা ছিল। ফরেক্স ট্রেডারদের ট্রেড করার মত অনেক কারেন্সি পেয়ারও ছিল। তারপর ইউরো এল। দেশগুলোর নিজস্ব কারেন্সিগুলো বাতিল হল, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো চাইলেই ইচ্ছেমত কারেন্সি ছাপাবার ক্ষমতা হারাল। ইউরোপের বনেদি দেশগুলোর বনেদি কারেন্সি ইউরো খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় কারেন্সিতে পরিনত হল। EUR/USD হয়ে উঠল ফরেক্সের সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার। আপনি সবসময় EUR/USD ট্রেড করেন। কিন্তু, ইউরো সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন? জানেনকি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত হওয়ার পরেও কেন ডেনমার্ক, পোল্যান্ড ইউরো ব্যবহার করে না? জানেনকি ইউরোর দরপতনের উত্থান পতনের পেছনে প্রধান কারনগুলো কি কি? ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ২৭ টি দেশের মধ্যে (ব্রেক্সিটের কারনে UK কে বাদ দিয়ে ধরে) ১৯ টি দেশের প্রধান কারেন্সি হচ্ছে ইউরো। এই ১৯ টি দেশের তালিকা একটু পরে দিচ্ছি, তবে কয়েকটি বাদে গুরুত্বপূর্ন সবগুলো দেশই ইউরো ব্যবহার করে। যেমন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ড, স্পেন ইত্যাদি। এই সবগুলো দেশেরই আগে নিজস্ব কারেন্সি ছিল। তবে, ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারী ইউরো প্রচলনের পরে ইউভুক্ত এই দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করা শুরু করে। ইউভুক্ত যে দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করে, তাদেরকে একত্রে ইউরোজোন বলে ডাকা হয়। যে ১৯ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, সাইপ্রাস, এস্টোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুইনিয়া, লুক্সেম্বার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন যে ৮ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে নাঃ বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, হাঙ্গেরি, পোলান্ড, রোমেনিয়া ও সুইডেন এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, এই ৮ টি দেশ কেন ইউরো ব্যবহার করে না? UK কে ধরলে যা আগে ৯ ছিল। ১৯৯২ সালের Maastricht Treaty অনুযায়ী সকল ইউ সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ইউরো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু, সে সময়েই ডেনমার্ক ও ইউকে বিশেষ অব্যাহতি লাভ করে। আর বাকি ৭ টি দেশই এর পরে ইউতে যোগ দেয়। সাধারণত ইউতে যোগ দেয়ার পর প্রথম ২ বছর দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পর্যবেক্ষন করে ইউরো ব্যবহার চালু করার কথা। কিন্তু, ইউ এখন পর্যন্ত এই দেশগুলোকে ইউরো ব্যবহারে বাধ্য করার জন্য তেমন একটা চাপ দেয়নি। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বা ইউ গঠনের সময় বড় দেশগুলোর, বিশেষ করে জার্মানি ও ফ্রান্সের একটা গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এই দুটো দেশ, বিশেষ করে জার্মানি বিশ্বের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশ ছিল। অর্থনীতি খুব শক্তিশালী হওয়ায় স্বভাবতই জার্মানির কারেন্সি ডয়েচে মার্ক ছিল অনেক শক্তিশালী, যেটা রপ্তানীকারক যেকোন দেশের জন্য সমস্যা। কেননা, তাতে পণ্যের মূল্য বেড়ে যায় কারেন্সির উচ্চ মূল্যের কারনে। আবার, একার পক্ষে জার্মানি বা ফ্রান্স কারো পক্ষেই সম্ভব না ডলার বা পাউন্ডের মত জনপ্রিয় করা নিজেদের কারেন্সিকে, যেটা বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করার জন্য খুবই জরুরি। তাই, তাদের মাথায় এল যে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সবগুলো দেশের জন্য যদি একটি কারেন্সি চালু করা যায়, তাহলে এক ঢিলে কয়েকটি পাখি মারা যাবে। প্রথমত, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে অনেক তুলনামুলক দুর্বল দেশও থাকবে। যেহেতু, সবগুলো দেশের একটাই কারেন্সি থাকবে, তারমানে হচ্ছে সবগুলো দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির উপর ইউরোর মূল্যমান নির্ভর করবে। সেক্ষেত্রে, জার্মানির অর্থনীতি খুব শক্তিশালী পর্যায়ে চলে গেলেও, ইউরো ততটা শক্তিশালী হবে না। ফলে, রপ্তানীতে জার্মানি একটা অদ্ভুত সুবিধা লাভ করবে, শক্তিশালী কারেন্সি কিন্তু দুর্বল অর্থনীতি। আবার, ইউরো জার্মানির কারেন্সি থেকে দুর্বল হলেও ইউভুক্ত দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলোর কারেন্সি থেকে শক্তিশালী হবে। একই কারেন্সিতে পুরো ইউরোপজুরে ব্যবসা হলে, স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলো জার্মান বা ফ্রান্সের কোম্পানিগুলোর সাথে প্রোডাক্টের গুনগতমানে পেরে উঠবে না, আবার চাইলেও নিজেদের কারেন্সিকে দুর্বল করে পন্যের মূল্য কমাতে পারবে না। ফলে, আস্তে আস্তে জার্মানি বা ফ্রান্স ইউ এর সামগ্রিক অর্থনীতি দখল করে নেবে। আরও সুবিধা আছে,, জার্মানি নিজে একা চাইলে অন্য কোন দেশ তার সাথে ডয়েচে মার্কে ট্রেড করবে না, কিন্তু, যদি ইউভুক্ত এতগুলো দেশ যদি বলে যে, আমার সাথে ব্যবসা বানিজ্য করতে হলে ইউরোতেই করতে হবে, ডলারে বা পাউন্ডে না, তখন তা করতে অন্য দেশগুলো বাধ্য। শুধু বুদ্ধি করে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে হবে। তাহলেই, নিজেদের সুবিধামত ব্যবসা বানিজ্য করা যাবে। তাছাড়া, ইউ এর ছোট বড় সবগুলো দেশেরই একটা অভিন্ন সুবিধা ছিল যে, এর ফলে আর দেশগুলোর বার বার কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করার ঝামেলা পোহাতে হবে না। ইউরোপের মধ্যে আগে থেকেই দেশগুলো নিজেদের মধ্যে অনেক বেশি ব্যবসা বানিজ্য করত। এক কারেন্সি ব্যবহার করলে ইউরোপের ভেতরে ব্যবসা বানিজ্য আরো দ্রুত, সহজতর ও নিরাপদ হবে। কেননা, ইউরোর দাম যতই বাড়ুক কমুক না কেন, ইউরোপের ভেতর তো তার প্রভাব তেমন পড়বে না। ইউরোপের ভেতরের কোন কোম্পানি তার পণ্যের উৎপাদনের জন্য কাচামাল ইউরোপের ভেতর থেকেই বেশি কিনবে। কেননা, বাইরে থেকে কিনলে কারেন্সি এক্সচেঞ্জের ব্যয় ও ঝামেলা যেমন আছে, তেমনি কারেন্সিগুলোর ক্রমাগত উত্থান পতনের জন্যে কাচামালের দামও ক্রমাগত উঠানামা করবে। যেটা ইউরোজোনের মধ্যে মোটামুটি সবসময় স্থিতিশীল থাকবে। বলা বাহুল্য, এই পরিকল্পনা পুরোপুরি কাজে দেয়। আর এজন্যেই জার্মানি, চীনের এই বিশাল উত্থানের পরেও আজও বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানীকারক দেশ এবং খুবই শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অর্থনীতির অধিকারী। ফ্রান্স তার পরিকল্পনামত সাফল্য না পেলেও, ইউরোর সুবিধামত ঠিকই ভোগ করছে ইউরোর দুর্বল মূল্যমানের কারনে। অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ইতালি, গ্রীস। বিশেষ করে, গ্রীসের জনগণ ইউরোর উপর ত্যক্ত বিরক্ত ও নিজেদের অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে চাইছে। অন্য সব কারেন্সির তুলনায় ইউরোর উত্থান পতনের পেছনে তাই শুধুমাত্র একটি দেশ নয়, ইউরোজোনের সবগুলো দেশেরই ভুমিকা আছে। আর তাই, ইউরো ট্রেড করতে হলে আপনাকে শুধু জার্মানি বা ফ্রান্স নয়, সবগুলো দেশের অর্থনীতির হালচালের উপরই কমবেশি খেয়াল রাখতে হবে। ইউরোজোনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইসিবির উপর নজর রাখতে হবে। তবে, অসুবিধা যেমন আছে, সুবিধাও আছে। অনেক ফরেক্স ট্রেডার ইউরো শুধু সেল করেন যখন ইউরো শক্তিশালী হয়, কখনো বাই করেন না। কেননা, ইউরো তখনই শক্তিশালী হয়, যখন ইউরোজোনের সামগ্রিক অর্থনীতি ভালো থাকে। আর দুর্বল হওয়ার জন্য শুধুমাত্র একটি সদস্যরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বিপর্যস্ততাই যথেষ্ট। তাই, অভিজ্ঞ ফরেক্স ট্রেডার মাত্রই বুঝেন যে, ইউরো খুব শক্তিশালী হওয়া মানেই হচ্ছে ইউরো সেল করার আর প্রফিট করার সময় চলে এসেছে। আর এটাই ফরেক্স ট্রেডারদের মাঝে ইউরোর এত জনপ্রিয়তার প্রধান রহস্য, এর স্থিতিশীলতা। ইউরো গঠনের ইতিহাস থেকেই বুঝতে পারছেন যে, এর পেছনের প্রধান উদ্যোক্তা জার্মানি বা ফ্রান্স কখনোই চাবেনা ইউরো খুব শক্তিশালী হোক। আর এটাও চাবেনা যে খুব বেশি দুর্বলও হয়ে পড়ুক। তাই, পাউন্ড বা ইয়েনের মত অস্বাভাবিক উত্থান পতন ইউরোর কমই হয়। এতগুলো দেশের অর্থনীতির খবর রাখার ঝামেলা, নাকি ইউরোর এই অদ্ভুত স্থিতিশীলতা, কোনটি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ন? আপনার সুবিধা অনুসারে এখন আপনি নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন, আপনি ইউরো ট্রেড করবেন কি না! কোন কোন ঘটনা বা ইভেন্টের কারনে ইউরো বা এর সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার EUR/USD সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়, তা নিয়ে আলোচনা করব আরেকদিন। আপনি নিয়মিত ইউরো ট্রেড করে থাকলে আরো পড়ুনঃ ECB – ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক কি? ফরেক্স মার্কেটে ইসিবির প্রভাবই বা কি?

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×