Jump to content

তানভীর™

Moderators
  • Content count

    1,363
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    319

Everything posted by তানভীর™

  1. যাবে কিনা আমি নিশ্চিত নই, তবে যেহুতু আপনি সেখানে অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশন করতে পারবেন না, তাই সমস্যা হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে সরাসরি স্ক্রিলের সাথে যোগাযোগ করলে সঠিক উত্তরটি পাবেন।
  2. How To Deposite In Account?

    না কোন সমস্যা হবে না। সব ব্রোকারেই একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করে ডিপোজিট করতে পারবেন। এবং উইথড্র করার সময়ও একই অনুপাত অনুসারে উইথড্র করতে হবে। প্রথম ৫০০+৫০০ স্ক্রিল+নেটেলারে তুলতে হবে। পরবর্তী সকল উত্তোলন XM সমর্থিত যেকোনো পেমেন্ট মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারবেন।
  3. for broker choose

    এতো কম সময়ে ডেমো করে রিয়েলে গেলে লস করে ফেলবেন ধরে রেখেই ডিপোজিট করুন। এবং $৩০ ও ট্রেড করার জন্য একদম স্বল্প ক্যাপিটাল। তাও যদি ট্রেড করতে চান, তাহলে XM ব্রোকারের মাইক্রো অ্যাকাউন্ট ভালো হবে। কম ব্যালেন্স নিয়েও মাইক্রো অ্যাকাউন্টে ছোট লটে সহজে ট্রেড করা যায়।
  4. পাসপোর্ট দিয়ে ভেরিফাই করলে তা আপনার Identity ডকুমেন্ট হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে। Address ডকুমেন্ট হিসেবে অন্য ডকুমেন্ট দিতে হবে। আর পাসপোর্টে আপনার বর্তমান ঠিকানা উল্লেখ থাকে না। শুধু আপনার স্থায়ী ঠিকানা এবং ইমারজেন্সি কন্টাক্টের ঠিকানা উল্লেখ থাকে। আমি স্মার্ট কার্ড দিয়েই নেটেলারে ভেরিফাই করেছি। স্মার্ট কার্ডে বর্তমান ঠিকানা থাকে, স্থায়ী ঠিকানা থাকে না। কিন্তু আসল ব্যাপার হল নেটেলার বলেন আর ফরেক্স ব্রোকারই বলেন। তারা ২ রকম ডকুমেন্টস চায় ২ রকম ভেরিফাই করার জন্য। National ID/Passport হল Identity ডকুমেন্ট। এগুলো দিয়ে আপনার নাম, জন্ম তারিখ ভেরিফাই করা হয়। আর ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ইউটিলিটি বিল, ক্রেডিট কার্ড বিল ইত্যাদি দিয়ে আপনার ঠিকানা ভেরিফাই করা হয়, কারণ অন্যান্য দেশে এগুলো ডাকের মাধ্যমে আপনার ঠিকানায় আসে, আর এভাবেই ঠিকানা নিশ্চিত করা যায়।
  5. নিয়মিত ট্রেড করে থাকলে পাউন্ড যে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কারেন্সি, তা আর আপনার অজানা থাকার কথা না। নিয়মিত ট্রেড করতে গিয়ে কম-বেশি প্রত্যেক ট্রেডারই উপলব্ধি করেছেন যে, পাউন্ড সম্পর্কিত প্রায় সবগুলো কারেন্সিই বেশ ভোলাটাইল, অর্থাৎ হুটহাট মার্কেটে প্রচুর পরিমান প্রাইস পরিবর্তনে সক্ষম। ফরেক্স ট্রেড করতে গেলে পাউন্ড সম্পর্কে প্রতিটি ট্রেডারের কি কি জানা উচিত, তা নিয়ে বিডিপিপসে একটি বিস্তারিত লেখা রয়েছে। আজকে আমরা জানবো কোন ৫ ধরনের নিউজ রিপোর্ট পাউন্ডকে অর্থাৎ পাউন্ড সম্পর্কিত পেয়ারগুলোকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে। পাউন্ডের বিপুল জনপ্রিয়তার জন্য প্রায় প্রতিটি ফরেক্স ট্রেডারই ডলারের পাশাপাশি পাউন্ডের পেয়ারগুলো দিয়ে তাদের ফরেক্স ট্রেডিং শুরু করে। যেসব ট্রেডার ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস করে ট্রেড করে, অর্থাৎ ট্রেডিংয়ের সময় অর্থনৈতিক রিপোর্টসমূহ এবং ডাটা রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখে, তারা কোন নিউজ রিপোর্টগুলো পাউন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে, তা জানতে পারলে তাদের ট্রেডিংয়ে উপকৃত হবে এবং সেসব বিষয়ে অতিরিক্ত নজর দিতে পারবে। এই লেখায় সেরকমই কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক রিপোর্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হবে যা নতুন এবং পুরাতন ২ রকম ট্রেডারদেরই সাহায্য করবে পাউন্ড ট্রেডিংয়ে ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিসের বিষয়গুলোকে আরও ভালভাবে বুঝতে। ৫টি প্রধান অর্থনৈতিক ইন্ডিকেটর শুরু করার আগে এটুকু জানা জরুরী যে, পৃথিবীর প্রায় সবগুলো দেশের কারেন্সিগুলোই মূলত সাধারণ কিছু বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। একই বিষয়গুলো কম-বেশি তাদের দুর্বল বা শক্তিশালী হতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ৫টি বিষয়ে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি মিল পাওয়া যায় এবং এরাই সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে সেই কারেন্সিটিকে। পাউন্ডও তার ব্যাতিক্রম নয়। আর্থিক নীতিমালা (Monetary Policy), মুদ্রাস্ফিতি (Inflation), কনজিউমার কনফিডেন্স ও সেন্টিমেন্ট, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (GDP), ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট এই বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাব রাখে। এই ৫ ধরণের রিপোর্ট বিবেচনায় রাখলেই আপনি বুঝতে পারবেন কোন রিপোর্টগুলো একক বা সম্মিলিতভাবে যেকোনো কারেন্সিকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করতে যাচ্ছে। চলুন জানা যাক এ বিষয়গুলো পাউন্ডকে কিভাবে প্রভাবিত করে। ১. মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ CPI, PPI পাউন্ডের মুল্যায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হল মুদ্রাস্ফীতি। সাধারণভাবে, যেসব দেশের মুদ্রাস্ফীতি বেশি, সেসব দেশের মুদ্রার মান অন্য দেশের মুদ্রার তুলনায় দুর্বল হয়ে যায়। মুদ্রাস্ফীতি বাড়লে বা কমলে সে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য উদ্যোগ নিয়ে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে সুদের হার বা ইন্টারেস্ট রেট পরিবর্তন করে থাকে। কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (CPI) এই রিপোর্টটি কিন্তু ইউকের মুদ্রাস্ফীতির মাত্রা জানার অন্যতম একটি নির্ণায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই ট্রেডাররাই এই CPI রিপোর্টটির ওপর বেশ নজর রাখেন এবং গুরুত্বের সাথেই নিয়ে থাকেন। ব্রিটেনের অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্স এই রিপোর্টটি প্রকাশ করে। কোন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোক্তা বা ক্রেতারা (consumer) কি পরিমান দামের পন্য বা সেবা কিনছে, তার পার্থক্য এই CPI রিপোর্টের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। এ রিপোর্টটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড (BoE) এ রিপোর্টটি বিবেচনা করে মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে থাকে। তাই CPI তে কোন নতুন পরিবর্তন এলে তা যদি ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের বর্তমান লক্ষ্যমাত্রার থেকে আলাদা হয়, তবে আশা করা যায় যে তা ভবিষ্যতে BoE এর আর্থিক নীতিমালায় পরিবর্তন আনবে, যা কিনা পাউন্ডকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রভাবিত করতে পারে। যদিও কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স মুদ্রাস্ফীতির মাত্রা নির্ধারণে ভুমিকা রাখে, পাশাপাশি প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (PPI) ও এক্ষেত্রে কিছু ভুমিকা রাখে। PPI কে অনেকেই মুদ্রাস্ফীতির নির্ণায়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ইন্ডিকেটর হিসেবে বিবেচনা করেন। একদম কাঁচামালের পর্যায় থেকেই মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত পরিবর্তনগুলো এ রিপোর্টে ধরা পরে, যা কিনা পরবর্তীতে CPI কে প্রভাবিত করে। আর যেহুতু PPI রিপোর্টটি CPI এর আগেই প্রকাশিত হয়, তাই মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত সম্পূর্ণ ধারনা পেতে CPI এবং PPI দুটিকেই বিবেচনায় রাখতে হবে। ২. আর্থিক নীতিমালা (Monetary Policy) যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ Bank Interest Rate, BoE Inflation Report পাউন্ডের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের মনেটারী পলিসি বা আর্থিক নীতিমালাগুলোকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের অন্যতম প্রধান আর্থিক লক্ষ্য হল মুদ্রাস্ফীতির মাত্রা কমের মধ্যে রাখা এবং পাউন্ডের কনফিডেন্স বজায় রাখা। তাই যখনই কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে পাউন্ডের মুদ্রাস্ফীতি এমন পর্যায়ে চলে যাচ্ছে যা পাউন্ডের স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, ঠিক তখনই BoE বিভিন্ন আর্থিক নীতিমালা আরোপ করে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করে। ট্রেডাররা এসব আর্থিক নীতিমালা বা মনেটারী পলিসি, যেমন - ইন্টারেস্ট রেট কখন বা কি পরিমাণে পরিবর্তন হবে সেসব অনুমান করার চেষ্টা করে। এই আর্থিক নীতিমালাগুলো সম্পর্কে অবগত থাকতে ট্রেডাররা ব্যাংক রেটের যেকোনো পরিবর্তন অনুসরণ করে। ব্যাংক রেট হল যে ইন্টারেস্ট রেটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক BoE অন্যান্য ব্যাংকগুলোকে চার্জ করে। এই রেট সম্পর্কে সিদ্ধান্ত হয় Monetary Policy Committee (MPC) এর একটি মাসিক মিটিংয়ে। আপনি নিয়মিত ফরেক্স ক্যালেন্ডার অনুসরণ করলেই মাঝে মাঝে MPC Meeting নামে বা এরকম কিছু ইভেন্ট দেখতে পারবেন। প্রতি মাসে অনুষ্ঠিত এ মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত এবং ব্যাংক রেট ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়। তবে যদি MPC আগের রেটই বজায় রাখে, তবে আর এ সংক্রান্ত কোন আলোচনা হয় না। কিন্তু যদি মনেটারি পলিসি কমিটি (MPC) ব্যাংক রেটে কোন পরিবর্তন আনে, তবে তারা এ সংক্রান্ত একটি স্টেটমেন্ট বা বিবরণী প্রকাশ করে। সাধারণত ট্রেডাররা এই স্টেট্মেন্টকে গুরুত্বের সাথে নিয়ে থাকে, কারণ বেশিরভাগ সময় এ বিবরণী থেকে ভবিষ্যতে পাউন্ড কোনদিকে যেতে পারে সে সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়। ১ম পর্বে আলচনাকরা হল মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) এবং আর্থিক নীতিমালা (Monetary Policy) নিয়ে। ২য় পর্বে আলোচনা করা হবে বাকি ৩টি প্রধান অর্থনৈতিক ইন্ডিকেটর কনজিউমার কনফিডেন্স ও সেন্টিমেন্ট, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (GDP) এবং ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট নিয়ে। ১ম পর্বটি কেমন লাগলো নিচে মন্তব্যে জানাতে জানাতে ভুলবেন না।
  6. গত পর্বে আমরা আলোচনা করেছি প্রথম ২ ধরনের নিউজ ও ডাটা রিপোর্ট নিয়ে যেগুলো পাউন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে। পাউন্ডের ওপর মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) এবং আর্থিক নীতিমালা (Monetary Policy) এর প্রভাব জানতে এখানে ক্লিক করে প্রথম পর্বটি পড়ুন। এছাড়াও পড়তে পারেন স্বপ্নিল ভাইয়ের ফরেক্স ট্রেড করতে হলে পাউন্ড সম্পর্কে যা যা আপনার জানতে হবে লেখাটি। এ পর্বে আলোচনা করা হচ্ছে বাকি ৩টি প্রধান অর্থনৈতিক ইন্ডিকেটর কনজিউমার কনফিডেন্স ও সেন্টিমেন্ট, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (GDP) এবং ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট (BoP) নিয়ে। ৩. কনফিডেন্স এবং সেন্টিমেন্ট (Confidence and Sentiment) যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ Gfk Consumer Confidence, Nationwide Consumer Confidence মার্কেট সেন্টিমেন্ট দিয়ে বোঝায় কোন একটি কারেন্সি, স্টক, কমোডিটি বা যেকোনো ট্রেড করা যায় এমন বিষয়ের ওপর ট্রেডার এবং জনসাধারণের বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি কি রকম। একটি মার্কেটে বিভিন্ন ঘটনা যেমন প্রাইস মুভমেন্ট বা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সে মার্কেটের প্রতি ট্রেডারদের সেন্টিমেন্ট বোঝা যায়। যেমন প্রাইস বাড়লে বোঝা যায় ঐ ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টের প্রতি ট্রেডারদের বুল্লিশ সেন্টিমেন্ট কাজ করছে। আবার প্রাইস কমা নির্দেশ করে বিয়ারিশ সেন্টিমেন্টের কথা। এমন অনেক জরিপ বা সার্ভে আছে, যেগুলো মার্কেট সেন্টিমেন্ট পর্যালোচনা করে। আর সে কারণেই ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস করে এমন ট্রেডারদের কাছে মার্কেট সেন্টিমেন্টের রিপোর্টগুলো বেশ গুরুত্ব পায়, কারণ ট্রেডাররা স্বভাবতই জানতে চায় মার্কেটের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠদের মনোভাব কি, কারণ বেশিরভাগ সময় তারাই মার্কেটের দিক পরিবর্তন করতে প্রভাব ফেলে। ইউকের কনফিডেন্স এবং সেন্টিমেন্টের নিউজগুলো এ কারণেই ট্রেডারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কারণ সেগুলো নির্দেশ করে যে বেশিরভাগ মানুষ কি অর্থনীতির ব্যাপারে আশাবাদী নাকি নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করছে। তাই এই বিষয়গুলোর পরিবর্তন এবং কি পরিমান এই ইন্ডিকেটরগুলো পরিবর্তন হচ্ছে, তা দেশের অর্থনৈতিকভাবে পরিবর্তন, তথাপি পাউন্ডের শক্তিমত্তা নির্দেশ করতে ভুমিকা রাখে। ইউকের সেন্টিমেন্ট বোঝার জন্য মূলত ট্রেডাররা Gfk Consumer Confidence এবং Nationwide Consumer Confidence Index (NCCI) নিউজ দুটিকে বেশি গুরুত্ব দেয়। ২টি রিপোর্টই মূলত ৫টি প্রশ্নের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এই প্রশ্নগুলো সাধারন অর্থনৈতিক অবস্থা, কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যতের প্রতি জনসাধারনের প্রত্যাশা এ বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়। GfK এবং NCCI এই ২টি রিপোর্টের মূল পার্থক্য হল কি পরিমান সময়কাল বিবেচনা করে প্রশ্নের উত্তর বিবেচনা করা হয়। NCCI জরিপে, উত্তর প্রদানকারীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তার মনোভাব এবং পরবর্তী ৬ মাস সম্পর্কে তার প্রত্যাশা জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু GfK জরিপে, গত ১২ মাস সম্পর্কে উত্তর প্রদানকারীর মনোভাব এবং আগামী ১২ মাস সম্পর্কে তার প্রত্যাশা জানতে চাওয়া হয়। ২টি রিপোর্টের সাহায্যেই ইউকের অর্থনীতি সম্পর্কে জনসাধারণের সেন্টিমেন্ট বুঝতে পারা যায়। ৪. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (GDP) যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ Manufacturing PMI, Services PMI, Retail Sales, GDP পুরো ইউকে জুড়ে যে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড হয়, তা পাউন্ডের কারেন্সি ভ্যালু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদক হিসেবে কাজ করে। অন্যান্য দেশের মতই ইউকের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা পাওয়া যায় Gross Domestic Product (GDP) বা জিডিপি রিপোর্ট থেকে। ৩ ধরনের জিডিপি রিপোর্ট সম্পর্কে ট্রেডারদের অবগত থাকা উচিত। এগুলো হলঃ Preliminary GDP, Revised GDP এবং Final GDP রিপোর্ট। সবার প্রথমে প্রকাশিত হয় Preliminary GDP রিপোর্টটি, আর তাই মার্কেটে এর প্রভাবও সবচেয়ে বেশি। এর কারণ হল Preliminary GDP রিপোর্টের মাধ্যমেই ট্রেডাররা দেশের চলতি অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা পায়। তবে প্রিলিমিনারী জিডিপি রিপোর্টে যে ডাটা থাকে, তাতে বেশ কিছু ভুল থাকে, যেগুলো রিভাইজড এবং ফাইনাল জিডিপি রিপোর্টে সংশোধন করা হয়। এ রিপোর্টটি Prelim GDP নামেও পরিচিত। যেহুতু প্রতি কোয়ার্টার বা ৩ মাসে জিডিপি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়, অনেক ট্রেডাররাই অর্থনৈতিক অবস্থা আরও ভালভাবে বোঝার জন্য জিডিপি রিপোর্টের পাশাপাশি আরও কিছু রিপোর্ট বিবেচনা করে। Retail Sales, Manufacturing PMI, Services PMI এ রিপোর্টগুলো প্রতি মাসে বের হয় যা ট্রেডারদেরকে ইউকের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ধারনা প্রদান করে। যেহুতু, ভোক্তাদের যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই রিটেইল সেলস রিপোর্টটি বেশ গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হয়। ৫. ব্যালেন্স অফ পেমেন্টস (Balance of Payments ) যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ Trade Balance, Current Account ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট (BoP) রিপোর্টগুলো হল একটি দেশের সাথে সারা বিশ্বের অন্যান্য দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের অ্যাকাউন্টিং রেকর্ড। BoP মূলত ৩টি অ্যাকাউন্টের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। কিন্তু ফরেক্স ট্রেডারদের মূল বিবেচনায় থাকে Current Account রিপোর্টটি। এ রিপোর্টটির মাধ্যমে জানা যায় একটি দেশ কি পরিমাণ ইমপোর্ট এবং এক্সপোর্ট করছে, কি পরিমাণ অর্থ দেশে আসছে এবং দেশের বাইরে যাচ্ছে। সাধারনভাবে, Current Account রিপোর্টে যদি Surplus হয়, অর্থাৎ দেশে বেশি অর্থ আসে এবং এক্সপোর্ট বেশি হয়, তা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়। এর বিপরীত হলে তা অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়। পাউন্ডের প্রতি এ রিপোর্টটির ভালো প্রভাব রয়েছে। ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্টের ডাটাগুলো কারেন্ট অ্যাকাউন্ট রিপোর্টেও থাকে। ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্ট প্রতি মাসে প্রকাশিত হয়, আর কারেন্ট অ্যাকাউন্ট রিপোর্ট ত্রৈ-মাসিকভাবে প্রকাশিত হয়। তাই ট্রেডাররা যদি অ্যানালাইসিসের জন্য শুধু এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ডাটা বিবেচনা করতে চায়, তবে ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্ট বিবেচনা করলেই হবে। শেষ কথা পাউন্ডকে প্রভাবিত করে এমন অসংখ্য অর্থনৈতিক ইন্ডিকেটর রয়েছে। কোনগুলো বেশি প্রভাব ফেলে, বর্তমান মার্কেট পরিস্থিতিতে কোন রিপোর্টগুলো বেশি প্রভাব ফেলতে পারে এবং কোনগুলো ব্যবহার করা উচিত, সেটি নির্বাচন করা হল সঠিকভাবে ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস করার জন্য প্রথম ধাপ। এ রিপোর্টগুলোকে ভালভাবে বোঝা এবং একাধিক রিপোর্টকে সমন্বিত করে মার্কেটের পরবর্তী গতিবিধি বুঝে ট্রেডের সিদ্ধান্ত নেয়া হল প্রকৃত কঠিন কাজ। কোন ট্রেডার যদি ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস অনুসরণ করে পাউন্ডের পেয়ারগুলো ট্রেড করতে চান, তবে এ ৫ ধরনের নিউজ রিপোর্টগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ট্রেড করা হবে প্রত্যেক ট্রেডারের জন্য প্রথম কাজ। পাউন্ডকে প্রভাবিত করে এমন ৫ ধরনের নিউজ রিপোর্টের ১ম পর্বটি না পড়ে থাকলে পড়ে নিতে পারেন এখান থেকে। আর ২ পর্বের পুরো সিরিজটি কেমন লাগলো শেয়ার করতে ভুলবেন না।
  7. আপনি কি কখনও খেয়াল করেছেন যে একটি ট্রেডে ভালো লাভ করার পর ঠিক পরের ট্রেডেই আপনি লস করে বসেন? অনেক ট্রেডারই যখন পর পর কয়েকটি ট্রেডে ভালো লাভ করে বসেন, তখন তার মধ্যে এক ধরনের ভ্রান্ত আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। এ আত্মবিশ্বাস অনেক সময় আপনাকে ভুল ট্রেড নিতে উৎসাহিত করে। আবার অনেক সময় টানা কয়েকটি লাভ আপনাকে আরও বেশী বেশী ট্রেড নিতে উৎসাহিত করে, যার ফলশ্রুতিতে আপনি মার্কেট থেকে ভালো রকম সিগন্যাল না পেয়েই নতুন ট্রেড দিয়ে লস করে বসেন। আমরা সব সময় ট্রেডে লস করার মানসিক প্রেসার সম্পর্কে আলোচনা করা থাকি। কিভাবে ট্রেডে লস করে বসলে তা আমাদের মাথায় মানসিক প্রেসার হিসেবে কাজ করে এবং আমাদের আরও বড় ঝুঁকি নিয়ে লস রিকভার করতে প্রভাবিত করে ফেলে। কিন্তু ট্রেডে টানা লাভ করারও এক ধরনের নেগেটিভ প্রভাব আমাদের ওপর পড়ে। প্রত্যেক ট্রেডারেরই মনে রাখা জরুরী যে, আত্মবিশ্বাসী হওয়া ভালো, কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হওয়া কখনোই ভালো নয়। এ অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস কয়েকভাবে আমাদের ওপর জেঁকে বসতে পারে। যখন আপনি টানা কয়েকটি ট্রেডে লাভ করবেন, আপনার মনে হবে আমার স্ট্রাটেজি বেশ ভালো কাজ করছে। বা আমার ইন্ডিকেটর বেশ ভালো কাজ করছে। তাই আপনি যে পদ্ধতিতে ট্রেড করছেন, তা থেকে যেকোনো ধরনের সিগন্যাল পেলেই তার ওপর ভিত্তি করে ট্রেড নিয়ে বসবেন। আগে হয়তো আপনি ট্রেড নেওয়ার আগে অনেকগুলো বিষয় বিবেচনা করে কার্যকরী মনে হলেই ট্রেড নিতেন, কিন্তু এখন আপনি যেহুতু মনে মনে ট্রেড নেওয়ার তালেই আছেন, তাই যেকোনো সুযোগ পেলেই আপনি ট্রেডটি নেওয়ার চেষ্টা করবেন। ফলশ্রুতিতে ভুল ট্রেড নিয়ে বসবেন। আরেকটি ব্যাপার খুব বেশী হয়, যা আমি নিজেও অনেকবার ফেস করেছি, তা হল মার্কেটে কাল্পনিক প্যাটার্ন তৈরি করা। আমি যখন কয়েকটি ট্রেডে টানা লাভ করেছি, এবং মার্কেটে নির্দিষ্ট দিকে আরও ট্রেড করতে চেয়েছি, তখন জোড় করে মার্কেটে ঐ প্যাটার্ন আরও দেখতে চেয়েছি। ট্রেন্ড লাইন বা চ্যানেল না মিললেও জোড় করে সেগুলো নিজের মত করে আঁকা, জোড় করে ক্যান্ডেল প্যাটার্ন তৈরি হয়েছে ভেবে নেওয়া এগুলোর মধ্যে অন্যতম। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস বা ট্রেড করার নেশা এভাবে আপনাকে প্রভাবিত করে ফেলবে, যার ফলে আপনি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন। লাভবান একটি ট্রেড করার পর, আবার মার্কেটে ঝাঁপিয়ে পরার জন্য আমরা নিজেদের মনকে অবচেতনভাবেই এসব বুঝিয়ে থাকি। ট্রেডে লাভ করার পর আবার খুব দ্রুত নতুন ট্রেডে নেমে পরাটাই অনেক বেশী ঝুঁকিপূর্ণ। ট্রেডে জিতলেই আমাদের ব্রেনের মধ্যে গ্রিন পিপস হরমোন (ডোপামিন) নিঃসরিত হয়, যা আমাদের আরও বেশী বেশী ট্রেড করতে উৎসাহিত করে, আমাদের বিশ্বাস করতে সাহায্য করে যে আমরা প্রফেশনাল ট্রেডার হয়ে গেছি, ফরেক্স মার্কেটে লস বলে কিছু নেই, ট্রেড করলেই শুধু প্রফিট আর প্রফিট। মস্তিষ্ক থেকে ডোপামিন হরমোন তখনই নিঃসরিত হয়, যখন আমরা খুব খুশি হই। এই হরমোনের প্রতি আমরা আসক্ত হয়ে পড়ি বিধায় আমরা বারবার ট্রেডে লাভ করে খুশি হতে চাই। এভাবেই ট্রেডে লাভ করার পর আবার ট্রেড করার ইচ্ছা জাগে আমাদের মাঝে। স্টিভ জবসের এক বিখ্যাত উক্তি আছে, Stay Hungry, Stay Foolish. আপনার ক্ষুধার্ত থাকা অনেক বেশী জরুরী। জ্ঞ্যানের জন্য ক্ষুধার্ত। নিজেকে খুব বড় ভেবে ফেললে সমস্যা। নিজেকে বোকা ভাবতে হবে। তাহলেই নিজেকে আরও অনেক ভালো এবং উন্নত করার ক্ষুধা আসবে নিজের মধ্যে থেকে। এখন থেকে একটি ট্রেডে লাভ করার পর আপনার দায়িত্ব আগের থেকে অনেক বেড়ে গেল। কারণ পরবর্তী ট্রেডটি আপনাকে আরও সাবধানে নিতে হবে। ফরেক্স মার্কেটে আন্দাজে ট্রেড নিলে টিকে থাকার কোন সুযোগ নেই। যেহুতু ট্রেডে লাভ করলে, পরবর্তীতে লস করার বড় ধরনের প্রবনতা থাকে, তা এড়াতে হলে আমাদের অবশ্যই কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। পদক্ষেপগুলো হতে পারে নিম্নরূপঃ আপনার একটি ট্রেডিং স্ট্রাটেজি/প্ল্যান থাকতে হবে, যা আপনি সম্পূর্ণভাবে বোঝেন এবং তা মেনেই আপনি ট্রেড করবেন ভাল রকম লাভ হলে, পরের ট্রেডটি নেবার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। পরবর্তী ট্রেডে লস হতে পারে এমন ট্রেড না নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে আপনার ট্রেডিং প্ল্যানে কিছু চেকলিস্ট থাকতে হবে। মানে ট্রেড নেওয়ার আগে আগে আপনি কিছু বিষয় ফিল্টার করবেন, অর্থাৎ ঐ বিষয়গুলোতে পাশ করলেই আপনি ট্রেডটি দেবেন, অন্যথায় না সবসময় নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে যে ট্রেডটি কি বুঝে দিচ্ছি, নাকি লোভে পড়ে দিচ্ছি? বিবেক আমাদের সবচেয়ে ভালো বন্ধু মার্কেট থেকে নির্দিষ্ট কোন সিগন্যাল খুঁজবেন না, তাহলে আপনি তাই দেখতে পাবেন। বরং মার্কেট আপনাকে যুক্তিযুক্তভাবে যেই সিগন্যাল দিবে, তাকেই বিশ্বাস করতে শিখুন ছোটবেলায় স্কুলে আমরা সবাই ভাব-সম্প্রসারণ পড়েছি যে, মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে। সূর্য ওঠার পরও যেমন মেঘ এসে তা ঢেকে দিতে পারে, তেমনি লাভ করতে থাকলে যদি সতর্ক না হন, লস চলে আসতেও সময় লাগবে না। তাই লাভ করে ফেললে আমাদের উচিত সতর্ক থাকা যেন নিজের ভুলে আমরা লসকে ডেকে না আনি।
  8. ধরুন, আপনি একটি ট্রেডে লাভ করা জন্য একদম প্ল্যান মাফিক সবকিছু করলেন এবং ট্রেডটিতে ইতিমধ্যে অনেক প্রফিটও হয়েছে, কিন্তু আপনার কাঙ্খিত টেক প্রফিট পয়েন্টে ট্রেডটি যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে আপনি কী করবেন? ট্রেডটি চালাতে থাকবেন এবং অপেক্ষা করবেন আপনার টেক প্রফিট পয়েন্ট হিট করার জন্য? নাকি যা লাভ হয়েছে তা নিয়েই বন্ধ করে দিবেন? ট্রেড করতে গিয়ে এরকম দোটানায় পরেননি এমন ট্রেডার বোধহয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। ট্রেডিং স্ট্রাটেজি সঠিকভাবে মেনে চলতে হলে ট্রেডিংয়ের সময় কোন আলাদা পরিবর্তন আনা উচিত নয়। ব্যক্তিগতভাবে আমি ট্রেডিং স্ট্রাটেজি নির্ধারণ করে প্রতিনিয়ত তা পরিবর্তন করা সমর্থন করি না। তবে কিছু কিছু বিশেষ অবস্থায় আপনি পরিবর্তন আনতে পারেন এবং দরকার মনে হলে ট্রেডে আংশিক প্রফিট নিয়ে ট্রেডটি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। প্রফিট নিশ্চিত করাঃ আংশিক প্রফিট নেয়ার পেছনে যে কারণটি সবচেয়ে বেশি কাজ করে তা হল এটা নিশ্চিত করা যে আপনি যে ট্রেডটি করছেন, তা যেন লাভজনক ট্রেড হয়, অর্থাৎ ট্রেডটিতে কোন লস না হয়ে যেন নূন্যতম হলেও লাভ আসে। যদি আপনি বুঝতে পারেন ট্রেডটি লসের দিকে চলে যাচ্ছে, এবং মার্কেট দেখে মনে হয় ট্রেডটি আর লাভে নাও আসতে পারে, সে ক্ষেত্রে ট্রেডটিতে আংশিক লাভ নিয়ে বন্ধ করে দেয়া যেতে পারে। যখন কারেন্সি পেয়ারটি এক যায়গায় আটকে আছেঃ হয়তো একটি ট্রেড আপনার অ্যানালাইসিস এবং ধারনা মোতাবেকই চলছে। আপনি ভালোই লাভে আছেন। কিন্তু এক পর্যায়ে এসে মার্কেট থমকে গেছে, খুব বেশি প্রাইস মুভমেন্ট হচ্ছে না। এরকম অবস্থায় বেশিরভাগ ট্রেডারই বিভ্রান্ত হন। মার্কেট কি আরও সামনে যাবে আপনার ধারনা মত? নাকি ট্রেন্ড পরিবর্তন হবে? কারেন্সি পেয়ারটি কি ওভারবট বা ওভারসোল্ড অবস্থায় চলে গেছে? ট্রেডটি কি বন্ধ করে দেয়া উচিত? ট্রেড করতে গেলে আমরা কোন কোন সময় এ ধরনের অবস্থার সম্মুখীন হই। এমন সব ক্ষেত্রে আংশিক প্রফিট নিয়ে ট্রেডটি বন্ধ করে দিলেই আপনি এরকম দ্বিধা থেকে মুক্ত হতে পারবেন। অন্য নতুন ট্রেডে আরও ভালো সুযোগ রয়েছেঃ ধরুন একটি ট্রেডে আপনি লাভের জন্য বসে আছেন, কিছুটা লাভও হয়েছে। কিন্তু মার্কেটের গতি ধীর। কিন্তু পাশাপাশি অন্য ট্রেডে আপনি ভালো সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন লাভ করার। আপনার মানি ম্যানেজমেন্ট বলছে একসাথে একাধিক বা বেশি লটের ট্রেড করলে তা আপনার অ্যাকাউন্টের জন্য ঝুঁকির কারণ হবে। তাই বর্তমান ট্রেডটি বন্ধ না করলে আপনি ঐ ট্রেডটি করার সুযোগ নিতে পারছেন না। এরকম ক্ষেত্রে অনেকেই উত্তেজিত হয়ে নতুন ট্রেড একই সাথে নিয়ে ফেলে। কিন্তু মানি ম্যানেজমেন্ট আপনার অ্যাকাউন্টের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। মার্কেটে টিকে থাকতে হলে আপনাকে হিসাব করে ট্রেড করতেই হবে। তাই এরকম অবস্থার সম্মুখীন হলে আপনাকে ভালভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি কি বর্তমান ট্রেডটি আংশিক লাভ নিয়ে বন্ধ করে নতুন ট্রেডটি নিবেন কিনা। গুরুত্বপূর্ণ কোন নিউজ রিপোর্টের কারণেঃ গুরুত্বপূর্ণ নিউজ বা রিপোর্টগুলো মার্কেটকে সবসময় প্রভাবিত করে। এরকম গুরুত্বপূর্ণ নিউজ রিপোর্ট থাকলে সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কিছু নিউজ ট্রেড করে ভালো লাভ করা সম্ভব, তবে নিউজ বুঝতে না পারলে বা নিউজের বিপরীত প্রভাব হলে অনেক লসের সম্ভাবনা আছে। যেমন ব্রেক্সিটের সময় অনেক ট্রেডাররা পাউন্ডের পেয়ার ট্রেড করে অনেক লাভবান হয়েছেন। কিন্তু একই সাথে বেশিরভাগ পাউন্ড ট্রেডারই তখন প্রচুর পরিমাণ লস করেছেন এবং অ্যাকাউন্ট জিরো করেছেন। এরকম নিউজ রিপোর্ট সামনে থাকলে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আংশিক লাভ নিয়েই ট্রেডটি বন্ধ করে দেয়া শ্রেয় হবে কিনা। ব্যক্তিগত কাজের কারণেঃ ট্রেডের সময় সারাক্ষণ কম্পিউটার মনিটরের সামনেই বসে থাকেন? অনেকেই আছেন সারাক্ষণ ট্রেড পর্যবেক্ষণ না করলে শান্তিতে থাকতে পারেন না। আবার গুরুত্বপূর্ণ কাজেও যেতে পারেন না। আবার ট্রেড মনিটরিং না করার কারণে অনেক সময় ট্রেডে অপ্রত্যাশিত লস হয়ে যা, যা কিনা আপনি পর্যবেক্ষণ করতে পারলে সময়োনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। এমতাবস্থায় কোন চলতি ট্রেড যদি আপনার জীবনকে প্রভাবিত করে, ভালো হবে যদি আপনি আংশিক লাভ নিয়ে ট্রেডটি সে অবস্থায় বন্ধ করে দেন। নিজের মত সময় কাটান এবং রিল্যাক্স হয়ে পরবর্তী অন্য সময় সুযোগ বুঝে ভালো ট্রেড নিন। তাহলে আপনি কি মনে করেন? ট্রেডিং স্ট্রাটেজি থেকে বেড়িয়ে কি আংশিক প্রফিট নেয়া উচিত? ব্যক্তিগতভাবে আমিও ট্রেডিং স্ট্রাটেজিতে হস্তক্ষেপ পছন্দ করি না। কারণ একটি ট্রেডিং স্ট্রাটেজির সঠিক ফলাফল পেতে হলে সেটিকে পরিবর্তন না করেই চালিয়ে যেতে হবে। তাই ট্রেডে আংশিক প্রফিট নেয়া যেন আপনার অভ্যাসে পরিনত না হয়ে যায়। শুধুমাত্র ওপরে উল্লেখিত বিশেষ ক্ষেত্রেই ট্রেডে আংশিক প্রফিট নেয়া যেতে পারে।
  9. dollar buy sell

    বিভিন্ন ডলার ক্রয়-বিক্রয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পূর্বে অনেক ধরনের প্রতারনার ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের সাইটগুলো পরিচয় লুকিয়ে খুব সহজে যে কেউ খুলতে পারে এবং প্রতারনা করতে পারে। তাই কোন ওয়েবসাইট নির্ভর ডলার কেনা-বেচা না করাই ভালো।
  10. জিরো অ্যাকাউন্ট এর লট সাইজ স্ট্যান্ডার্ড অ্যাকাউন্ট এর মতই। স্ট্যান্ডার্ডে যেমন আপনি ০.০১ থেকেই ট্রেড করতে পারবেন, জিরোতেও তাই। আর স্ট্যান্ডার্ড অ্যাকাউন্টের মতই পিপ ভ্যালু।
  11. Trend, support-resistance, ইত্যাদি নির্ণয়ের জন্য Ichimoku অনেক কার্যকরী একটি ইন্ডিকেটর। যদিও এক নজরে ইন্ডিকেটরটিকে অনেক জটিল মনে হয়। কিন্তু আপনি যখন Ichimoku ইন্ডিকেটরটি ব্যবহার করার নিয়ম জানবেন, তখন তা অনেক সহজ মনে হবে। ওপরের চার্টে ক্যানডেলস্টিকস ছাড়া সব কিছুই Ichimoku ইন্ডিকেটরের অংশ। Ichimoku ইন্ডিকেটর ৩টি লাইন এবং মেঘ নিয়ে গঠিত। লাইন ৩টি হলঃ Tenkan-Sen (লাল) Kijun-Sen (নীল) Chikou-Span (হলুদ/সবুজ) মেঘ আকৃতির অংশটির নাম কুমো/kumo/মেঘ/cloud. অনেকেই Ichimoku ইন্ডিকেটরে বিরক্তি বোধ করেন এই কঠিন নামগুলোর কারণে। এই জাপানি নামগুলো মনে রাখাটা অনেক কঠিন। যেহুতু ৩টি লাইনেরই আলাদা আলাদা রঙ রয়েছে, তাই জাপানি নামের পরিবর্তে লাইনের রঙগুলো মনে রাখলে সহজে বোঝা যাবে। এবার চার্টের মেঘ আকৃতির দিকে দেখুন। ক্যানডেলস্টিক্স যতক্ষন এই মেঘের ওপরে থাকবে, ততক্ষন পেয়ারটি ঊর্ধ্বমুখী/bullish/uptrend হিসেবে মনে করা যায়। আবার ক্যানডেলস্টিক্স যতক্ষন এই মেঘের নিচে থাকবে, ততক্ষন পেয়ারটি নিম্নমুখী/bearish/downtrend হিসেবে মনে করা যায়। ক্যানডেলস্টিক্স যতক্ষন এই মেঘের ভেতরে থাকবে, তখন ঐ পেয়ার সম্পরকে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে না অর্থাৎ সাইডওয়ে/sideway ট্রেন্ড। কারন এরপর পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে কিংবা কমতে পারে। অর্থাৎঃ ক্যানডেল মেঘের ওপরে = পেয়ারটি ঊর্ধ্বমুখী/bullish/uptrend ক্যানডেল মেঘের নিচে = পেয়ারটি নিম্নমুখী/bearish/downtrend ক্যানডেল মেঘের ভেতরে = সাইডওয়ে/sideway এই Kumo বা মেঘের রেখাগুলো অনেক সময় ভাল সাপোর্ট-রেসিসটেন্স হিসেবে কাজ করে। অনেক সময় দেখা যায় প্রাইস বাড়তে বাড়তে মেঘের রেখার সাথে (Resistance) ধাক্কা খেয়ে আবার কমতে শুরু করে। আবার অনেক সময় প্রাইস কমতে কমতে মেঘের রেখার সাথে (Support) ধাক্কা খেয়ে আবার ওপরের দিকে উঠতে শুরু করে। নিচের চার্টে দেখুন সাদা লাইনের নিচে চিহ্নিত মেঘের লাল লাইনটি Resistance হিসেবে কাজ করেছেঃ ওপরের চার্টে দেখুন, প্রাইস বাড়তে যেয়ে মেঘের লাইনের সাথে ধাক্কা খেয়ে আবার কমতে শুরু করেছে। এবার নিচের চার্টটি লক্ষ্য করুনঃ প্রাইস হঠাৎ কমতে শুরু করে এবং মেঘের মধ্যে চলে আসে। মেঘ থেকে প্রাইস কমে নিচে নামার সময় মেঘের লাল লাইন সাপোর্ট হিসেবে কাজ করে। ফলে প্রাইস বাধাপ্রাপ্ত হয়ে আবার ওপরে ফিরে যায় এবং বাড়তে শুরু করে। এই Kumo বা মেঘের একটি বৈশিষ্ট্য হল - আপনার চার্টের শেষ ক্যানডেলের অপর ভিত্তি করে চারতের শেষ মেঘকণা তৈরি হয়। ওপরের চার্টে দেখুন, শেষ ক্যানডেলের পরেও ডানদিকে আরোও কিছু মেঘ দেখা যাচ্ছে এবং চার্টের সর্বশেষ Bullish ক্যানডেলের ওপর ভিত্তি করেই সবুজ মেঘ তৈরি হচ্ছে। সুতরাং, মেঘের সবুজ রঙ দেখেই আমরা বুঝতে পারি এই পেয়ারটিতে ভবিষ্যতে আপট্রেন্ড শুরু হতে পারে। আর মেঘের আকার দেখে আমরা বুঝতে পারি আপট্রেন্ড কত শক্তিশালী এবং কত দীর্ঘ হতে পারে। এভাবে কোন আপট্রেন্ডে থাকা পেয়ার এর মেঘের আকার দেখে আমরা বুঝতে পারি এটি আবার ডাউনট্রেন্ডে ফিরে যেতে কত সময় লাগতে পারে। এভাবে কোন আপট্রেন্ডে থাকা পেয়ার এর মেঘের পরিমান আস্তে আস্তে কমে যেতে থাকলে আমরা বুঝতে পারি যে হয়তো এই পেয়ারের আপট্রেন্ড মোটামুটি শেষ এবং শিঘ্রই ডাউনট্রেন্ড শুরু হতে পারে। কিন্তু এখনি কোন নতুন ট্রেডের সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত হবে না। কারন মেঘের লাইনের গায়ে ধাক্কা খেয়ে প্রাইস আবার ফিরে যেতে পারে। Chikou-Span (হলুদ/সবুজ লাইন) Ichimoku ইন্ডিকেটরের হলুদ লাইনটির নাম Chikou-Span. এটা অনেক সময় অনেক চার্টে সবুজও হতে পারে। আপনি লাইনের রঙ পাপ্নার সুবিধামত পরিবর্তন করে নিতে পারেন। ক্যানডেলস্টিক্স যদি Kumo বা মেঘের নিচে আসে, তাহলেই কিন্তু সাথে সাথে ডাউনট্রেন্ড শুরু হয়ে যায় না। অনেক সময় দেখা যায় কিছু সময় মেঘের ভেতর কিংবা মেঘের নিচে থাকার পর তা আবার ওপরে চলে আসে, অর্থাৎ আবার আপট্রেন্ড শুরু হয়ে যায়। একইভাবে, কোন সময় দেখা যায় কিছু সময় মেঘ ভেদ করে মেঘের ওপরে কিছুক্ষন থেকে ক্যানডেল আবার মেঘের নিচে বা ভেতরে চলে আসে। এইক্ষেত্রে আপনাকে ট্রেডের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে হলুদ/সবুজ লাইন বা Chikou-Span. ১ নম্বর ছবিতে দেখুন, ক্যানডেলস্টিক্স মেঘের ওপরে উঠেছে, এবং একটু পর হলুদ লাইনও মেঘ অতিক্রম করে ওপরে উঠে গেছে। এবং পরবর্তীতে শক্তিশালী আপট্রেন্ড দেখা গেছে মার্কেটে। ২ নম্বরে ক্যানডেল যখন মেঘ ভেদ করে মেঘের নিচে নেমে এলো, একটু পর হলুদ লাইনও নিচের দিকে নেমে আস্তে শুরু করেছে। ২ নং এ হলুদ লাইন পুরোপুরিভাবে মেঘের নিচে চলে আসেনি। ক্যানডেলগুলো মেঘের নিচে চলে আসায় প্রাথমিকভাবে ডাউনট্রেন্ড শুরু হয়েছে বলা যায়, কিন্তু যখন হলুদ লাইন পুরোপুরি মেঘের নিচে চলে আসবে, তখন আমরা একটি শক্তিশালী ডাউনট্রেন্ডের প্রত্যাশা করতে পারি। প্রথমদিকে অনেকেরই এই হলুদ লাইনের অবস্থান বুঝতে সমস্যা হয়। চার্টের শেষে যে ক্যানডেল দেখতে পাচ্ছেন, তার হলুন লাইন হল বাম পাশে ২৫ ক্যানডেল আগে। এটাই Chikou-span অর্থাৎ হলুদ লাইনটির নিয়ম। এই লাইনটি সবসময় আপনার চার্টের শেষ ক্যানডেলের ২৫ স্টিক আগে থাকবে। নতুন ক্যানডেল তৈরি হলে, হলুদ লাইনও একটু ডান দিকে সরে আসবে। এই পর্যন্ত আমরা Ichimoku ইন্ডিকেটরের Chikou-span (হলুদ/সবুজ লাইন) এবং Kumo (মেঘ) সম্পর্কে যা জানতে পারলামঃ ক্যানডেলস্টিক্স এবং হলুদ লাইন যতক্ষণ মেঘের ওপরে থাকবে, ততক্ষন কারেন্সি পেয়ারটি আপট্রেন্ডে (Bullish) থাকবে। অর্থাৎ কারেন্সি পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে থাকবে। এবং ক্যানডেলস্টিক্স এবং হলুদ লাইন যতক্ষণ মেঘের নিচে থাকবে, ততক্ষন কারেন্সি পেয়ারটি ডাউনট্রেন্ডে (Bearish) থাকবে। অর্থাৎ কারেন্সি পেয়ারটির প্রাইস কমতে থাকবে। ক্যানডেলস্টিক্স এবং হলুদ লাইন উভয়ই মেঘের ভেতরে থাকলে, তখন কারেন্সি পেয়ারটি সাইডওয়ে ট্রেন্ড (Sideway) হিসেবে ধরা হয়। তখন বাই বা সেল দেয়া উচিত হবে না, কারণ এটি যেকোন সময় ওপরের দিকে বা নিচের দিকে যেতে পারে। কোন সময় যদি ক্যানডেলস্টিক্স নিচ থেকে মেঘ ভেদ করে ওপরে উঠলেও যদি হলুদ লাইন মেঘের ওপরে না ওঠে, তাহলে সেই ক্যানডেলস্টিক্স আবার যেকোন সময় নিচে নেমে যেতে পারে। আবার যদি ক্যানডেলস্টিক্স ওপর থেকে মেঘ ভেদ করে নিচে নামে কিন্তু যদি হলুদ লাইন মেঘের নিচে না নামে, তাহলে সেই ক্যানডেলস্টিক্স আবার যেকোন সময় উপরে উঠে যেতে পারে। কোন ক্যানডেলস্টিক্স মেঘ ভেদ করে ওপর থেকে নিচে নামার সময় মেঘের নিচের লাইনটি অনেক সময় শক্তিশালী সাপোর্ট (support) লাইন হিসেবে কাজ করে এবং মেঘের নিচ থেকে কোন ক্যানডেলস্টিক্স মেঘ ভেদ করে ওপরে উঠার সময় মেঘের ওপরের লাইনটি অনেক সময় শক্তিশালী রেসিসট্যান্স (resistance) লাইন হিসেবে কাজ করে। Kijun-sen (নীল লাইন) এখন আমরা আলোচনা করব Ichimoku ইন্ডিকেটরের নীল লাইন অর্থাৎ Kijun-sen নিয়ে। Ichimoku ইন্ডিকেটরের নীল লাইনটি একটি শক্তিশালী সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স লাইন হিসেবে কাজ করে। ক্যানডেল যখন এই নীল লাইনের ওপরে থাকে, তখন এটি সাপোর্ট (support) লাইন এবং যখন ক্যানডেল এই নীল লাইনের নিচে থাকে, তখন এটি রেসিসট্যান্স (resistance) লাইন হিসেবে কাজ করে। কিন্তু এটি শক্তিশালী সাপোর্ট লাইন হিসেবে কাজ করে যখন নীল লাইনটি মেঘের ওপরে থাকে এবং ক্যানডেল নীল লাইনের ওপরে থাকে। একইভাবে, নীল লাইনটি যখন মেঘের নিচে থাকে এবং ক্যানডেলগুলো এই নীল লাইনের নিচে থাকে, তখন এটি শক্তিশালী রেসিসট্যান্স লাইনে পরিণত হয়। ওপরের চার্টে দেখুন, নীল লাইন মেঘের ওপরে উঠে আসে, তখন প্রাইস বাড়ছিল। একটু পর ক্যানডেল নীল লাইন ক্রস করে ওপরে উঠে যায় এবং মোটামুটি শক্তিশালী আপট্রেন্ড তৈরি হয়, এবং এরপর প্রাইস প্রায় ১৯২ পিপস বেড়েছিল। এই লাইনের একটি বৈশিষ্ট্য হল এটি ম্যাগনেটিক বা চুম্বকীয় লাইনের মত কাজ করে। অর্থাৎ কোন ক্যানডেল যখন এই নীল লাইন থেকে দূরে সরে যায়, তখন আস্তে আস্তে এই নীল লাইনটি সমান্তরাল হতে থাকে এবং দ্রুত ক্যানডেলস্টিক্স এর কাছে চলে আসে। এই পর্যন্ত আমরা Ichimoku ইন্ডিকেটরের Kijun-sen(নীল লাইন) সম্পর্কে যা জানতে পারলামঃ ক্যানডেলস্টিক্স যখন নীল লাইনের ওপরে থাকে, তখন এটি সাপোর্ট (support) লাইন এবং যখন ক্যানডেলস্টিক্স নীল লাইনের নিচে থাকে, তখন এটি রেসিসট্যান্স (resistance) লাইন হিসেবে কাজ করে। নীল লাইনটি মেঘের ওপর থাকলে এবং ক্যানডেলস্টিক্স নীল লাইনের ওপর থাকলে নীল লাইনটি শক্তিশালী সাপোর্ট লাইন হিসেবে কাজ করে। নীল লাইনটি মেঘের নিচে থাকলে এবং ক্যানডেলস্টিক্স নীল লাইনের নিচে থাকলে নীল লাইনটি শক্তিশালী রেসিসট্যান্স লাইন হিসেবে কাজ করে। Tenkan-sen (লাল লাইন) এখন আমরা Ichimoku ইন্ডিকেটরের ৩য় লাইন Tenkan-sen বা লাল লাইন নিয়ে আলোচনা করব। এই লাইনটি অন্যান্য লাইনগুলোর তুলনায় খুব দ্রুত দিক পরিবর্তন করে। এটা অনেকটা Moving Average এর মত কাজ করে। লাল লাইনটি যখন নীল লাইনের ওপর থাকে, তখন প্রাইস বাড়বে। এবং লাল লাইনটি যখন নীল লাইনের নিচে থাকে, তখন প্রাইস কমবে। আবার, যদি নীল লাইন মেঘের ওপরে থাকা অবস্থায়, নিচ থেকে লাল লাইন নীল লাইনকে ক্রস করে ওপরে উঠে যায়, তাহলে পেয়ারটি শক্তিশালী আপট্রেন্ডে (strong uptrend) রয়েছে বলে ধরা যায়। একইভাবে, নীল লাইন মেঘের নিচে থাকা অবস্থায়, ওপর থেকে লাল লাইন নীল লাইনকে ক্রস করে যদি নিচে নেমে আসে, তাহলে পেয়ারটি শক্তিশালী ডাউনট্রেন্ডে (strong downtrend) রয়েছে বলে ধরা যায়। কিন্তু এরকম ক্রসিং চার্টে খুব কমই দেখা যায়, কারণ অধিকাংশ সময় লাল লাইন মেঘ থেকে বের হবার আগেই নীল লাইনকে ক্রস করে ফেলে। তারপরেও, যদি মেঘের ওপরে বা নিচে থাকা অবস্থায় দ্বিতীয়বার ক্রস করে, তাহলে ট্রেন্ড আরও শক্তিশালী হিসেবে ধরা যায়। পরবর্তীতে কিছু ট্রেড কিভাবে Ichimoku ইন্ডিকেটরের সাহায্যে করা যায় তা দেখানো হবে। মেটাট্রেডারে যে Ichimoku ইন্ডিকেটরটি দেয়া থাকে তা বুঝতে অনেকেরই অনেক সমস্যা হয়। তাই আমি চার্টে Ichimoku ইন্ডিকেটরের যে Template ব্যবহার করেছি, তা নিচে সংযুক্ত করে দিলাম। Source: Babypips Technical Analysis Book (Stock) Google ichimoku - bdpips.tpl
  12. Trend Indicators - XEM Webinar

  13. প্রথম পোস্টে একটি টেমপ্লেট দেয়া আছে। ওটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
  14. সফলতা সবাই চায়। কিন্তু ফরেক্স ট্রেডিং করতে গিয়ে, সফল হতে হলে, কি কি ধাপগুলো অনুসরন করতে হবে তা আমরা সবাই জানি না। একজন সাধারন ট্রেডার থেকে একজন সফল ট্রেডার হওয়ার ধাপগুলো নিয়েই আলোচনা করা হবে এই বিশেষ ওয়েব সেমিনারটিতে। ২০১৭ সালে ট্রেড করে যারা নিজেদেরকে ২০১৮ সালে আরও উন্নত ট্রেডার হিসেবে দেখতে চাচ্ছেন, তারা জয়েন করতে পারেন XM আয়োজিত এই বিশেষ বাংলা ওয়েব সেমিনারটিতে। ঘরে বসেই আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটার থেকে অংশ নেয়া যাবে। ওয়েবিনারে যেসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবেঃ সফল ট্রেডার বলতে আমরা কি বুঝি? সফল ট্রেডার হওয়ার ধাপগুলো কি? কিভাবে এই ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে ২০১৮ সালে কিভাবে আপনি নিজেকে আরও উন্নত করতে পারেন? ওয়েবিনারটি পরিচালনা করবেন জনপ্রিয় ফরেক্স ইন্সট্রাক্টর সঞ্জয় সরকার। বাংলাদেশ সময় ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৭ - সোমবার, রাত ৯টায় বাংলা ওয়েব সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হবে। আপনার আসনটি এখনই নিবন্ধন করুন ওয়েবিনারটিতে সম্পূর্ণ ফ্রিতে অংশগ্রহন করা যাবে। যেহুতু ওয়েবিনারটি XM ব্রোকার আয়োজন করে থাকে, সেমিনারে রেজিস্ট্রেশান করতে XM ব্রোকারে আপনার একটি রিয়েল ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। আপনার যদি রিয়েল অ্যাকাউন্ট না থাকে, তাহলে আপনি এখান থেকে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে পারেন। >> ওয়েবিনারে রেজিস্ট্রেশন করুন
  15. Neteller 2 account problem

    নেটেলার এবং স্ক্রিল কোনটিতেই একাধিক অ্যাকাউন্ট করার নিয়ম নেই। নেটেলার ২ রকম ডিজেবল করে। সাময়িক এবং পার্মানেন্ট। সাময়িক ডিজেবল করলে অ্যাকাউন্ট ঠিক করা যায় তাদের চাওয়া ডকুমেন্ট প্রদান করে। তবে পার্মানেন্ট ভাবে ডিজেবল করে দিলে আর আশা নেই। আপনার আগের অ্যাকাউন্টটি পার্মানেন্টভাবে বন্ধ না করলে তাদের সাপোর্টে যোগাযোগ করে অনুরোধ করে এবং পর্যাপ্ত ডকুমেন্ট দিয়ে ঠিক করা যায়। এ ক্ষেত্রে তাদের সরাসরি ফোন করলে বেশি কাজ হয়। যদি পার্মানেন্টভাবে বন্ধ করে দেয়, তাহলে আর কিছু করার নেই। আপনি আর নেটেলার ব্যবহার করতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে অনেকে পরিচিত কারো নামে আইডি খুলে সবকিছু তার নামে ব্যবহার করে।
  16. xm ব্রোকার

    সর্বনিম্ন $৫ করা যায়। তবে সেফ ভাবে ট্রেডিং করার জন্য ব্যালেন্স অবশ্যই বড় হওয়া উচিত।
  17. প্রতি বছরই নতুন চমক দেখাচ্ছে নেটেলার। হ্যাঁ, ২০১৭ সালের শেষটাও চমক দিয়েই শেষ করছে নেটেলার। গত ২ বছরের ন্যায় এ বছর আবার তাদের ট্রান্সফার ফি-তে পরিবর্তন আনছে নেটেলার। ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ থেকে এই নতুন ফি কার্যকর হবে। তবে পরিবর্তনটির ব্যাপারে বিস্তারিত বলতে হলে বলা যায়, আপনার জন্য একটি ভালো খবর এবং একটি খারাপ খবর আছে। কোনটি আগে শুনতে চান? ভালো খবরটি হল, নেটেলার থেকে নেটেলার অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফারে ফি কমিয়েছে নেটেলার। বিষয়টি কিছুটা অবিশ্বাস্য হলেও তা সত্যি, যেখানে গত ২ বছর ধরে ক্রমাগত ২ ধাপে শুন্য থেকে ১.৯৫% ফি বাড়িয়েছিল তারা। তবে এবার ১.৯৫% থেকে ফি কমিয়ে করা হয়েছে ১.৪৫%. সহজ ভাষায় আপনি $১০০ নেটেলারে কাউকে পাঠালে আপনাকে ফি দিতে হবে $১.৪৫, যেখানে আগে দিতে হত $১.৯০. $১০০০ ট্রান্সফার করলে এখন ফি গুনতে হবে $১৪.৫, যেখানে পূর্বে $১৯ ডলার গুনতে হত। এবার আসা যাক খারাপ খবরে। ট্রান্সফারে শতকরা ফি কমলেও, সর্বোচ্চ $২০ ডলার ফি আর থাকছে না। অর্থাৎ, পূর্বে ১.৯% ফি প্রযোজ্য হলেও সর্বোচ্চ ফি এর পরিসীমা ছিল ২০ ডলার। তাই, $১০০০ ট্রান্সফার করলে যেখানে আপনাকে দিতে হত $১৯, সেখানে $৫০০০ ট্রান্সফার করলে আপনাকে দিতে হত সর্বোচ্চ ফি $২০. কিন্তু বর্তমানে $১০০০ এর ওপরে যারা ট্রান্সফার করবেন, তাদের শতকরা হিসেবে ১.৪৫% ফি গুনতে হবে, যা কিনা অনেক বেশি। তার মানে দাঁড়াচ্ছে বর্তমানে $৫০০০ ট্রান্সফার করলে আপনাকে $২০ ফি এর বদলে $৭২.৫ ফি দিতে হবে নেটেলারকে। সর্বোচ্চ ফি বিলুপ্ত হলেও, যুক্ত হয়েছে নুন্যতম ফি। এখন থেকে নেটেলারে প্রতি ট্রান্সফারে নুন্যতম ফি হিসেবে $০.৫০ প্রযোজ্য হবে। এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে যে আপনি যে অ্যামাউন্টই ট্রান্সফার করুন, তার ফি যদি $০.৫০ এর কম হয়, তবে আপনাকে অন্তত $০.৫০ ফি দিতে হবে। যেমনঃ আপনি যদি কাউকে $২৫ পাঠাতে চান, তবে নতুন ফি অনুসারে আপনাকে ফি দিতে হত $০.৩৬. কিন্তু নুন্যতম ফি চালু হওয়ায় আপনাকে এক্ষেত্রে নুন্যতম ফি $০.৫০ দিতে হবে। তবে নতুন এই ফি পরিবর্তন থেকে সুবিধা পাবেন তারা, যারা সবসময় $১০০০ থেকে ছোট ছোট অ্যামাউন্ট লেনদেন করেন। $১০০০ এর বেশি যারা সিঙ্গেল ট্রানজাকশনে লেনদেন করেন, তারাই এই অতিরিক্ত ফি-য়ের ভুক্তভোগী হবেন। Net+ মাস্টারকার্ডে বাৎসরিক ফিঃ নেটেলার তাদের Net+ মাস্টারকার্ডে বাৎসরিক ফি যুক্ত করেছে। প্রতি বছর Net+ কার্ড ব্যবহারের জন্য $১০ ফি প্রযোজ্য হবে এখন থেকে। আপনাকে যে দিনে কার্ডটি ইস্যু করা হয়েছিল, প্রতি বছর সেদিনে আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে $১০ কেটে নেয়া হবে। নেটেলার বাংলাদেশ এবং কিছু দেশে নতুন করে মাস্টারকার্ড দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ পূর্বে মাস্টারকার্ডে কোন বাৎসরিক ফি না থাকায় এবং বিনামুল্যে প্রদানের কারণে অনেকেই ফ্রিতে কার্ডটি নিয়ে আর ব্যবহার করতো না। নতুন করে বাৎসরিক ফি চালু করায়, নতুন করে বাংলাদেশে Net+ মাস্টারকার্ড দেয়া শুরু হবে কিনা এখনও জানা যায়নি। এ সম্পর্কে বিস্তারিত পোস্ট করা হবে বিডিপিপসে। নতুন এই ফি পরিবর্তনে আপনার প্রতিক্রিয়া কি?
  18. অাইনজীবী (Lawyer)

    অভিনন্দন। সফল আইনজীবী হন এই শুভ কামনা রইলো।
  19. Deposit payment method prosange.

    Neteller এবং Skrill সবচেয়ে ভালো হবে। Skrill থেকে খুব সহজে কম ফি-তে ব্যাংকে উইথড্র করা যায়। আবার নেটেলারও ভালো। অনেক সুবিধা রয়েছে। আপনি যেকোনোটি বেছে নিতে পারেন।
  20. ফরেক্স ট্রেডারদের কাছে World Finance Magazine বেশ ভালোভাবে পরিচিত। বিশ্বের বিভিন্ন ব্যাংক, ফান্ড ম্যানেজার, ক্রেডিট এজেন্সি, ষ্টক মার্কেট এবং দীর্ঘমেয়াদী ট্রেডারদের নিয়ে কাজ করে ম্যাগাজিনটি। ২০০৭ সাল থেকেই ম্যাগাজিনটি সেরা ফরেক্স ব্রোকার নির্বাচন করে আসছে। ২০১৭ সালের জন্য ইউরোপের সেরা ব্রোকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে XM. এখানে, উল্লেখ্য যে UK এর বিখ্যাত রেগুলেটরী সংস্থা FCA (Financial Conduct Authority) দ্বারা XM রেগুলেটেড এবং এই সংস্থাটিই XM এর কার্যক্রম তদারকী করে। মূলত কাস্টমার সার্ভিস, উন্নত ট্রেডিং টেকনোলজী, ট্রেড করার সুযোগ সুবিধাসমুহ এবং এডুকেশনাল প্রোগ্রাম, এই চারটি ক্ষেত্রে XM সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট লাভ করে। দীর্ঘদিন ধরেই এডুকেশনাল প্রোগ্রাম হিসেবে বাংলাসহ ১৮টি ভাষায় নিয়মিত সাপ্তাহিক ফরেক্স ওয়েবিনার (অনলাইন সেমিনার) করে আসছে XM, বাংলার জন্য যার সঞ্চালক সঞ্জয় সরকার। এই ওয়েবিনারটি বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সাম্প্রতিককালে XM তার ফরেক্স প্লাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বের ৩০০ এরও অধিক বিভিন্ন ছোটবড় কোম্পানির স্টক ট্রেড করার সুবিধা যোগ করায় ট্রেড করার সুযোগ সুবিধাসমুহ ক্যাটাগরিতে বেশি মার্ক পেয়েছে ব্রোকারটি। এছাড়াও, বিশ্বের প্রায় সব দেশে বাংলাসহ ২৬ টি ভাষায় টেলিফোন এবং চ্যাটের মাধ্যমে লাইভ কাস্টমার সার্ভিস প্রদান করায় কাস্টমার সার্ভিস ক্যাটাগরিতেও ভালো করেছে ব্রোকারটি। বাংলাদেশেও প্রায় ৫ বছর ধরে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রোকার হিসেবে অবস্থান করছে XM। https://www.youtube.com/watch?v=ZSrBELVPVXk নিউজটির অফিসিয়াল লিংকঃ https://www.xm.com/xm-announced-best-fx-broker-europe-2017-by-world-finance-magazine-55387
  21. লাভ অপরিবর্তিত রেখে ঝুঁকি কমাতে হলে আপনাকে যেটা করতে হবে, তা হল আগের তুলনায় বেশি ট্রেড করতে হবে প্রতি দিন অথবা সপ্তাহে, অথবা বেশি পিপস টার্গেট করতে হবে। যেমন আগে আপনি দিনে ১ লটের ২টি ট্রেড করলে এখন ০.৫ লটের মোট ৪টি ট্রেড করতে পারেন (একসাথে নয়). আবার আগে প্রতি ট্রেডে ৫০ পিপস টার্গেট করলে এখন আরও ভালভাবে বুঝে ৮০-১০০ পিপস টার্গেট করতে পারেন। তবে আমার মনেহয় টীকে থাকাটাই যেহুতু আসল, তাই প্রথমে ঝুঁকি কমান, এরপর ধীরে ধীরে লাভ বাড়ানোর চেষ্টা করুন। কারণ তুলনামুলক কম লাভ করলে সমস্যা নেই, লস করলে সমস্যা। এই লেখাটি আপনার কাজে লাগতে পারেঃ http://forex.com.bd/topic/47328-explained-ফরেক্স-থেকে-প্রতি-মাসে-কি-পরিমা/
  22. পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই সেন্ট্রাল ব্যাংক রয়েছে। দেশের অর্থনীতিতে সেন্ট্রাল ব্যাংকের বিভিন্ন ভূমিকা রয়েছে, কিন্তু এর প্রধান কাজ হল দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা। আর সে জন্যই দেশের অর্থনীতি একটি সুদৃঢ় অবস্থানে নিয়ে যেতে সেন্ট্রাল ব্যাংক বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম পদক্ষেপ গ্রহন করে। আর সেই পদক্ষেপগুলোই বিভিন্নভাবে ফরেক্স মার্কেটে নানা প্রভাব ফেলে। সেন্ট্রাল/কেন্দ্রীয় ব্যাংক কি? সেন্ট্রাল ব্যাংক হলো ঋণের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল - অধ্যাপক হট্টে সেন্ট্রাল ব্যাংক হলো একটি ঋণ নিয়ন্ত্রণকারী ব্যাংক - অধ্যাপক শ সেন্ট্রাল ব্যাংকের কাজঃ সেন্ট্রাল ব্যাংক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে যেমনঃ দেশে নোট ও মুদ্রার প্রচলন করে। বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতি সংরক্ষণ করে। বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বদা দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিসার্ভ বাড়ানোর কাজ নিয়ন্ত্রন করে। অন্য দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংকগুলোও বৈদেশিক মুদ্রার ব্যাপারে তাদের নীতিমালা ঠিক করে এবং বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রন করে। মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও ব্যবস্থাপনা করে। দেশের অর্থনীতিতে সমতা বিধান ও মূল্যস্তর স্তিতিশীল রাখে। দেশের মুদ্রা বাজার গঠন, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে। তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর রিজার্ভ সংরক্ষণ করে। বাংলাদেশ ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকগুলোর কার্যাবলী নিয়ন্ত্রন করে এবং তাদের রিসার্ভ সংরক্ষণ করে থাকে। অন্যান্য সেন্ট্রাল ব্যাংকগুলোও এভাবে অন্যান্য ব্যাংকগুলোর কিছু কার্যাবলী নিয়ন্ত্রন করে থাকে। দেশের ঋণের পরিমাণ কাম্যস্তরে বজায় রাখে। অন্যান্য দেশ থেকে কি পরিমাণ ঋণ নেয়া হবে, কিভাবে খরচ হবে ইত্যাদি নির্ধারণ করে। ফিসকাল সমস্যা নিয়ন্ত্রনে পদক্ষেপ গ্রহন করে। সেন্ট্রাল ব্যাংক ইন্টারেস্ট রেট নির্ধারণ করে। ফরেক্স মার্কেটে প্রভাবঃ মুদ্রা ছাপানোঃ দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে সেন্ট্রাল ব্যাংক নোট এবং মুদ্রা ছাপায় এবং সংকট সামাল দেয়ার চেষ্টা করে। আমরা যে কিছুদিন পর পর নতুন নতুন নোট দেখতে পাই, তা বাংলাদেশের সেন্ট্রাল ব্যাংক - বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানেই হয়ে থাকে। যখন সরকার বন্ড বিক্রি করে লোণ পরিশোধ করতে পারেনা, তখন মুদ্রা ছাপিয়ে অবস্থা সামাল দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু অতিরিক্ত মুদ্রা ছাপানোর ফলে অর্থনীতিতে খারাপ প্রভাব পড়ার সুযোগ থাকে। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রনঃ বাজারে অতিরিক্ত মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি বা Inflation বেড়ে যায়। এতে মুদ্রার মান কমে জায় এবং কারেন্সি দুর্বল হয়ে পরে। সেন্ট্রাল ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রনে কাজ করে থাকে। ইন্টারেস্ট রেট নির্ধারণঃ সেন্ট্রাল ব্যাংক ইন্টারেস্ট রেট নির্ধারণ করে থাকে। ইন্টারেস্ট রেট বৃদ্ধির মাধ্যমে সেন্ট্রাল ব্যাংক নতুন ইনভেস্টরদেরকে মার্কেটে বিনিয়োগ করতে উৎসাহী করে তোলে। ফলে ঐ দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয় এবং কারেন্সিও শক্তিশালী হয়। অপরদিকে ইন্টারেস্ট রেটের হার কমাতে থাকলে 'ইকনোমিক বাবল' হওয়ার সুযোগ থাকে। ফিসক্যাল সমস্যা সমাধানঃ ফিসক্যাল বা জাতীয় ঋণ কমিয়ে আনার ব্যাপারে সেন্ট্রাল ব্যাংক কাজ করে এবং নীতিমালা নির্ধারণ করে। ক্যাশ রিসার্ভ রেশিওঃ ক্যাশ রিসার্ভ রেশিও নির্ধারণের মাধ্যমে সেন্ট্রাল ব্যাংক মার্কেটে মানি সাপ্লাই নিয়ন্ত্রন করে। এছাড়াও সেন্ট্রাল ব্যাংক নানা কাজ করে থাকে। ফরেক্স ইকনোমিক ক্যালেন্ডারে দেখবেন প্রায় প্রতিদিন সেন্ট্রাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বিভিন্ন মিটিং থাকে। এসব মিটিংয়ে এই সকল বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানোর ব্যাপারে কথা বললে বা ইঙ্গিত দিলে বা মুদ্রা ছাপানোর কথা বললে তা কারেন্সিকে শক্তিশালী করে। এটাকে More hawkish than expected বলা হয়। ইন্টারেস্ট রেট কমানোর ব্যাপারে কথা বললে বা নেতিবাচক ইঙ্গিত দিলে তা কারেন্সিকে দুর্বল করে। এটাকে More Dovish than expected বলা হয়। এসব ইকনোমিক ইভেন্ট ফরেক্স মার্কেটে ভাল প্রভাব ফেলে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, প্রতিষ্ঠার সাল ও মুদ্রার নাম : বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মালিকানার ধরন : মজার বিষয় হল যে, অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শুধু সরকারী মালিকানাধীন নয়। সরকারি মালিকানার পাশাপাশি এগুলো বেসরকারি কিংবা বাণিজ্যিক ব্যাংকের মালিকানাধীনও হয়ে থাকে। এমনকি আমেরিকার ফেডারেল রিসার্ভ সিস্টেমেও বিভিন্ন সরকারি সংস্থা বা ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মালিকানা রয়েছে। সোর্সঃ উইকিপিডিয়া, বেবিপিপ্স, জ্ঞানকোষ, ইনভেস্টোপিডিয়া, আন্সারস ইত্যাদি।
  23. ফরেক্সে সবার পক্ষে ডিপোজিট করা সম্ভব হয় না। আবার অনেকেই পছন্দের ব্রোকারটির সাথে ডিপোজিট করার আগে রিয়েল ট্রেড করে দেখতে চায়। তাই কিছু কিছু ব্রোকার ট্রেডারদের ফ্রি ওয়েলকাম বোনাস অফার করে থাকে। কিছু ব্রোকারের ওয়েলকাম বোনাসের বিবরণ নিচে দেয়া হলঃ ১. FBS - এফ.বি.এস বোনাসঃ $৫ ডলার ২. Roboforex - রোবোফরেক্স বোনাসঃ $১৫ ডলার ৩. Trading-Point - ট্রেডিং পয়েন্ট (শেষ) বোনাসঃ $২৫ ডলার ৪. NordFX - নর্ড এফএক্স বোনাসঃ $৮ ডলার ৫. PaxForex - পাক্সফরেক্স (So hard to complete terms) বোনাসঃ $১০০ ডলার ৬. Marketiva - মার্কেটিভা বোনাসঃ $৫ ডলার ৭. Liteforex - লাইটফরেক্স (শেষ) বোনাসঃ $২০০ ডলার বি.দ্রঃ কোন বোনাসই সরাসরি উইথড্র করা যাবে না। শুধুমাত্র প্রফিট উইথড্র করা যাবে। এছাড়াও বিভিন্ন শর্ত এবং উইথড্রয়াল ফি প্রযোজ্য হতে পারে। ফ্রি বোনাস নেয়ার আগে দয়া করে ভাল করে ফ্রি বোনাস প্রমোশনের শর্ত এবং নিয়মগুলো পড়ুন।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×