Jump to content

তানভীর™

Moderators
  • Content count

    1,367
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    321

তানভীর™ last won the day on May 8

তানভীর™ had the most liked content!

Community Reputation

2,331 Excellent

About তানভীর™

  • Rank
    সুপার মডারেটর

Contact Methods

  • Skype
    z_e_d_7

Profile Information

  • Gender
    Male
  • লোকেশন
    Dhaka
  • Interests
    ফরেক্স ট্রেডিং, নেটওয়ার্কিং

Recent Profile Visitors

28,600 profile views
  1. Octafx local bank deposit

    এভাবে লোকাল ডিপোজিট করলে আপনার ফান্ড লসের সম্ভাবনা আছে। আপনি কোন প্রতিষ্ঠানের নামে ডিপোজিট করছেন না, একজন ব্যাক্তির নামের অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট করছেন। সেই ব্যাক্তি কখনও টাকা মেরে দিলে আপনার কিছুই করার নেই। ব্যাংকও যদি কখনও ঐ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়, আপনার টাকা সেখানে ডিপোজিট করার পর, সেক্ষেত্রেও আপনার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেকোনো থার্ড পার্টি ডিপোজিটই ঝুঁকিপূর্ণ। নিজে সরাসরি ডিপোজিট করলে সব ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা থেকে বিরত থাকতে পারবেন।
  2. ডকুমেন্ট ধার দেয়াই যথেষ্ট নয়। কারণ সেই একই নাম এবং তথ্য দিয়ে আপনাকে নেটেলার বা স্ক্রিলেও অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। কারণ ব্রোকাররা থার্ড পার্টি ডিপোজিট সমর্থন করে না। ব্রোকার এবং পেমেন্ট সোর্স একই নামে থাকতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় বাংলাদেশে আপনার পরিচিত কোন আত্মীয় যিনি ফরেক্সের সাথে জড়িত নন, তার কাছ থেকে সংগ্রহ করুন। অপরিচিত কেউ জেনে শুনে এভাবে দিতে আগ্রহী হবে না।
  3. লিবার্টি রিজার্ভ বন্ধ হয়নি, বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। কারণ লিবার্টি রিসার্ভ রেগুলেটেড ছিল না এবং অবৈধ এবং ক্রিমিনাল কার্যক্রমের জন্য মানি ট্রান্সফারে সহায়তা করতো। তাই দীর্ঘ চেষ্টার পর এফবিআই লিবার্টি রিজার্ভ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু নেটেলার এর মূল কোম্পানি Paysafe খুবই প্রসিদ্ধ কোম্পানি। তাদের মালিকানায় নেটেলার, স্ক্রিল এবং বিশ্বখ্যাত Paysafecard রয়েছে। সম্পূর্ণ রেগুলেটেড হওয়ায় এ ধরণের সম্ভাবনা নেই। আর পেমেন্ট প্রসেসর কোম্পানি কখনও নিজে থেকে বন্ধ হবে না যেখানে প্রতি লেনদেনেই তারা ১.৪৫% ফি পাচ্ছে। তাই এ ধরণের চিন্তা-ভাবনার কোন কারণ নেই।
  4. netteler help

    নেটেলারের সাপোর্টে ফোন করুন। অ্যাকাউন্টের কিছু তথ্য দিলে তারা রিসেট করতে সাহায্য করবে।
  5. যাবে কিনা আমি নিশ্চিত নই, তবে যেহুতু আপনি সেখানে অ্যাড্রেস ভেরিফিকেশন করতে পারবেন না, তাই সমস্যা হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে সরাসরি স্ক্রিলের সাথে যোগাযোগ করলে সঠিক উত্তরটি পাবেন।
  6. How To Deposite In Account?

    না কোন সমস্যা হবে না। সব ব্রোকারেই একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করে ডিপোজিট করতে পারবেন। এবং উইথড্র করার সময়ও একই অনুপাত অনুসারে উইথড্র করতে হবে। প্রথম ৫০০+৫০০ স্ক্রিল+নেটেলারে তুলতে হবে। পরবর্তী সকল উত্তোলন XM সমর্থিত যেকোনো পেমেন্ট মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারবেন।
  7. for broker choose

    এতো কম সময়ে ডেমো করে রিয়েলে গেলে লস করে ফেলবেন ধরে রেখেই ডিপোজিট করুন। এবং $৩০ ও ট্রেড করার জন্য একদম স্বল্প ক্যাপিটাল। তাও যদি ট্রেড করতে চান, তাহলে XM ব্রোকারের মাইক্রো অ্যাকাউন্ট ভালো হবে। কম ব্যালেন্স নিয়েও মাইক্রো অ্যাকাউন্টে ছোট লটে সহজে ট্রেড করা যায়।
  8. পাসপোর্ট দিয়ে ভেরিফাই করলে তা আপনার Identity ডকুমেন্ট হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে। Address ডকুমেন্ট হিসেবে অন্য ডকুমেন্ট দিতে হবে। আর পাসপোর্টে আপনার বর্তমান ঠিকানা উল্লেখ থাকে না। শুধু আপনার স্থায়ী ঠিকানা এবং ইমারজেন্সি কন্টাক্টের ঠিকানা উল্লেখ থাকে। আমি স্মার্ট কার্ড দিয়েই নেটেলারে ভেরিফাই করেছি। স্মার্ট কার্ডে বর্তমান ঠিকানা থাকে, স্থায়ী ঠিকানা থাকে না। কিন্তু আসল ব্যাপার হল নেটেলার বলেন আর ফরেক্স ব্রোকারই বলেন। তারা ২ রকম ডকুমেন্টস চায় ২ রকম ভেরিফাই করার জন্য। National ID/Passport হল Identity ডকুমেন্ট। এগুলো দিয়ে আপনার নাম, জন্ম তারিখ ভেরিফাই করা হয়। আর ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ইউটিলিটি বিল, ক্রেডিট কার্ড বিল ইত্যাদি দিয়ে আপনার ঠিকানা ভেরিফাই করা হয়, কারণ অন্যান্য দেশে এগুলো ডাকের মাধ্যমে আপনার ঠিকানায় আসে, আর এভাবেই ঠিকানা নিশ্চিত করা যায়।
  9. Tanvir Vai ami skrill nia khub jhamelay asi. verification nia. amar name  to kuno utility bill nai. ke kora jay help chai.

  10. dollar buy sell

    বিভিন্ন ডলার ক্রয়-বিক্রয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পূর্বে অনেক ধরনের প্রতারনার ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের সাইটগুলো পরিচয় লুকিয়ে খুব সহজে যে কেউ খুলতে পারে এবং প্রতারনা করতে পারে। তাই কোন ওয়েবসাইট নির্ভর ডলার কেনা-বেচা না করাই ভালো।
  11.  

     
    Apnar Mobile no Diben Please,
    Amar Mobile no 01771564112
    Very Argent Please ....
     
  12. জিরো অ্যাকাউন্ট এর লট সাইজ স্ট্যান্ডার্ড অ্যাকাউন্ট এর মতই। স্ট্যান্ডার্ডে যেমন আপনি ০.০১ থেকেই ট্রেড করতে পারবেন, জিরোতেও তাই। আর স্ট্যান্ডার্ড অ্যাকাউন্টের মতই পিপ ভ্যালু।
  13. ধরুন, আপনি একটি ট্রেডে লাভ করা জন্য একদম প্ল্যান মাফিক সবকিছু করলেন এবং ট্রেডটিতে ইতিমধ্যে অনেক প্রফিটও হয়েছে, কিন্তু আপনার কাঙ্খিত টেক প্রফিট পয়েন্টে ট্রেডটি যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে আপনি কী করবেন? ট্রেডটি চালাতে থাকবেন এবং অপেক্ষা করবেন আপনার টেক প্রফিট পয়েন্ট হিট করার জন্য? নাকি যা লাভ হয়েছে তা নিয়েই বন্ধ করে দিবেন? ট্রেড করতে গিয়ে এরকম দোটানায় পরেননি এমন ট্রেডার বোধহয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। ট্রেডিং স্ট্রাটেজি সঠিকভাবে মেনে চলতে হলে ট্রেডিংয়ের সময় কোন আলাদা পরিবর্তন আনা উচিত নয়। ব্যক্তিগতভাবে আমি ট্রেডিং স্ট্রাটেজি নির্ধারণ করে প্রতিনিয়ত তা পরিবর্তন করা সমর্থন করি না। তবে কিছু কিছু বিশেষ অবস্থায় আপনি পরিবর্তন আনতে পারেন এবং দরকার মনে হলে ট্রেডে আংশিক প্রফিট নিয়ে ট্রেডটি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। প্রফিট নিশ্চিত করাঃ আংশিক প্রফিট নেয়ার পেছনে যে কারণটি সবচেয়ে বেশি কাজ করে তা হল এটা নিশ্চিত করা যে আপনি যে ট্রেডটি করছেন, তা যেন লাভজনক ট্রেড হয়, অর্থাৎ ট্রেডটিতে কোন লস না হয়ে যেন নূন্যতম হলেও লাভ আসে। যদি আপনি বুঝতে পারেন ট্রেডটি লসের দিকে চলে যাচ্ছে, এবং মার্কেট দেখে মনে হয় ট্রেডটি আর লাভে নাও আসতে পারে, সে ক্ষেত্রে ট্রেডটিতে আংশিক লাভ নিয়ে বন্ধ করে দেয়া যেতে পারে। যখন কারেন্সি পেয়ারটি এক যায়গায় আটকে আছেঃ হয়তো একটি ট্রেড আপনার অ্যানালাইসিস এবং ধারনা মোতাবেকই চলছে। আপনি ভালোই লাভে আছেন। কিন্তু এক পর্যায়ে এসে মার্কেট থমকে গেছে, খুব বেশি প্রাইস মুভমেন্ট হচ্ছে না। এরকম অবস্থায় বেশিরভাগ ট্রেডারই বিভ্রান্ত হন। মার্কেট কি আরও সামনে যাবে আপনার ধারনা মত? নাকি ট্রেন্ড পরিবর্তন হবে? কারেন্সি পেয়ারটি কি ওভারবট বা ওভারসোল্ড অবস্থায় চলে গেছে? ট্রেডটি কি বন্ধ করে দেয়া উচিত? ট্রেড করতে গেলে আমরা কোন কোন সময় এ ধরনের অবস্থার সম্মুখীন হই। এমন সব ক্ষেত্রে আংশিক প্রফিট নিয়ে ট্রেডটি বন্ধ করে দিলেই আপনি এরকম দ্বিধা থেকে মুক্ত হতে পারবেন। অন্য নতুন ট্রেডে আরও ভালো সুযোগ রয়েছেঃ ধরুন একটি ট্রেডে আপনি লাভের জন্য বসে আছেন, কিছুটা লাভও হয়েছে। কিন্তু মার্কেটের গতি ধীর। কিন্তু পাশাপাশি অন্য ট্রেডে আপনি ভালো সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন লাভ করার। আপনার মানি ম্যানেজমেন্ট বলছে একসাথে একাধিক বা বেশি লটের ট্রেড করলে তা আপনার অ্যাকাউন্টের জন্য ঝুঁকির কারণ হবে। তাই বর্তমান ট্রেডটি বন্ধ না করলে আপনি ঐ ট্রেডটি করার সুযোগ নিতে পারছেন না। এরকম ক্ষেত্রে অনেকেই উত্তেজিত হয়ে নতুন ট্রেড একই সাথে নিয়ে ফেলে। কিন্তু মানি ম্যানেজমেন্ট আপনার অ্যাকাউন্টের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। মার্কেটে টিকে থাকতে হলে আপনাকে হিসাব করে ট্রেড করতেই হবে। তাই এরকম অবস্থার সম্মুখীন হলে আপনাকে ভালভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি কি বর্তমান ট্রেডটি আংশিক লাভ নিয়ে বন্ধ করে নতুন ট্রেডটি নিবেন কিনা। গুরুত্বপূর্ণ কোন নিউজ রিপোর্টের কারণেঃ গুরুত্বপূর্ণ নিউজ বা রিপোর্টগুলো মার্কেটকে সবসময় প্রভাবিত করে। এরকম গুরুত্বপূর্ণ নিউজ রিপোর্ট থাকলে সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কিছু নিউজ ট্রেড করে ভালো লাভ করা সম্ভব, তবে নিউজ বুঝতে না পারলে বা নিউজের বিপরীত প্রভাব হলে অনেক লসের সম্ভাবনা আছে। যেমন ব্রেক্সিটের সময় অনেক ট্রেডাররা পাউন্ডের পেয়ার ট্রেড করে অনেক লাভবান হয়েছেন। কিন্তু একই সাথে বেশিরভাগ পাউন্ড ট্রেডারই তখন প্রচুর পরিমাণ লস করেছেন এবং অ্যাকাউন্ট জিরো করেছেন। এরকম নিউজ রিপোর্ট সামনে থাকলে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আংশিক লাভ নিয়েই ট্রেডটি বন্ধ করে দেয়া শ্রেয় হবে কিনা। ব্যক্তিগত কাজের কারণেঃ ট্রেডের সময় সারাক্ষণ কম্পিউটার মনিটরের সামনেই বসে থাকেন? অনেকেই আছেন সারাক্ষণ ট্রেড পর্যবেক্ষণ না করলে শান্তিতে থাকতে পারেন না। আবার গুরুত্বপূর্ণ কাজেও যেতে পারেন না। আবার ট্রেড মনিটরিং না করার কারণে অনেক সময় ট্রেডে অপ্রত্যাশিত লস হয়ে যা, যা কিনা আপনি পর্যবেক্ষণ করতে পারলে সময়োনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। এমতাবস্থায় কোন চলতি ট্রেড যদি আপনার জীবনকে প্রভাবিত করে, ভালো হবে যদি আপনি আংশিক লাভ নিয়ে ট্রেডটি সে অবস্থায় বন্ধ করে দেন। নিজের মত সময় কাটান এবং রিল্যাক্স হয়ে পরবর্তী অন্য সময় সুযোগ বুঝে ভালো ট্রেড নিন। তাহলে আপনি কি মনে করেন? ট্রেডিং স্ট্রাটেজি থেকে বেড়িয়ে কি আংশিক প্রফিট নেয়া উচিত? ব্যক্তিগতভাবে আমিও ট্রেডিং স্ট্রাটেজিতে হস্তক্ষেপ পছন্দ করি না। কারণ একটি ট্রেডিং স্ট্রাটেজির সঠিক ফলাফল পেতে হলে সেটিকে পরিবর্তন না করেই চালিয়ে যেতে হবে। তাই ট্রেডে আংশিক প্রফিট নেয়া যেন আপনার অভ্যাসে পরিনত না হয়ে যায়। শুধুমাত্র ওপরে উল্লেখিত বিশেষ ক্ষেত্রেই ট্রেডে আংশিক প্রফিট নেয়া যেতে পারে।
  14. গত পর্বে আমরা আলোচনা করেছি প্রথম ২ ধরনের নিউজ ও ডাটা রিপোর্ট নিয়ে যেগুলো পাউন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে। পাউন্ডের ওপর মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) এবং আর্থিক নীতিমালা (Monetary Policy) এর প্রভাব জানতে এখানে ক্লিক করে প্রথম পর্বটি পড়ুন। এছাড়াও পড়তে পারেন স্বপ্নিল ভাইয়ের ফরেক্স ট্রেড করতে হলে পাউন্ড সম্পর্কে যা যা আপনার জানতে হবে লেখাটি। এ পর্বে আলোচনা করা হচ্ছে বাকি ৩টি প্রধান অর্থনৈতিক ইন্ডিকেটর কনজিউমার কনফিডেন্স ও সেন্টিমেন্ট, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (GDP) এবং ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট (BoP) নিয়ে। ৩. কনফিডেন্স এবং সেন্টিমেন্ট (Confidence and Sentiment) যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ Gfk Consumer Confidence, Nationwide Consumer Confidence মার্কেট সেন্টিমেন্ট দিয়ে বোঝায় কোন একটি কারেন্সি, স্টক, কমোডিটি বা যেকোনো ট্রেড করা যায় এমন বিষয়ের ওপর ট্রেডার এবং জনসাধারণের বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি কি রকম। একটি মার্কেটে বিভিন্ন ঘটনা যেমন প্রাইস মুভমেন্ট বা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সে মার্কেটের প্রতি ট্রেডারদের সেন্টিমেন্ট বোঝা যায়। যেমন প্রাইস বাড়লে বোঝা যায় ঐ ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টের প্রতি ট্রেডারদের বুল্লিশ সেন্টিমেন্ট কাজ করছে। আবার প্রাইস কমা নির্দেশ করে বিয়ারিশ সেন্টিমেন্টের কথা। এমন অনেক জরিপ বা সার্ভে আছে, যেগুলো মার্কেট সেন্টিমেন্ট পর্যালোচনা করে। আর সে কারণেই ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস করে এমন ট্রেডারদের কাছে মার্কেট সেন্টিমেন্টের রিপোর্টগুলো বেশ গুরুত্ব পায়, কারণ ট্রেডাররা স্বভাবতই জানতে চায় মার্কেটের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠদের মনোভাব কি, কারণ বেশিরভাগ সময় তারাই মার্কেটের দিক পরিবর্তন করতে প্রভাব ফেলে। ইউকের কনফিডেন্স এবং সেন্টিমেন্টের নিউজগুলো এ কারণেই ট্রেডারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কারণ সেগুলো নির্দেশ করে যে বেশিরভাগ মানুষ কি অর্থনীতির ব্যাপারে আশাবাদী নাকি নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করছে। তাই এই বিষয়গুলোর পরিবর্তন এবং কি পরিমান এই ইন্ডিকেটরগুলো পরিবর্তন হচ্ছে, তা দেশের অর্থনৈতিকভাবে পরিবর্তন, তথাপি পাউন্ডের শক্তিমত্তা নির্দেশ করতে ভুমিকা রাখে। ইউকের সেন্টিমেন্ট বোঝার জন্য মূলত ট্রেডাররা Gfk Consumer Confidence এবং Nationwide Consumer Confidence Index (NCCI) নিউজ দুটিকে বেশি গুরুত্ব দেয়। ২টি রিপোর্টই মূলত ৫টি প্রশ্নের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এই প্রশ্নগুলো সাধারন অর্থনৈতিক অবস্থা, কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যতের প্রতি জনসাধারনের প্রত্যাশা এ বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়। GfK এবং NCCI এই ২টি রিপোর্টের মূল পার্থক্য হল কি পরিমান সময়কাল বিবেচনা করে প্রশ্নের উত্তর বিবেচনা করা হয়। NCCI জরিপে, উত্তর প্রদানকারীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তার মনোভাব এবং পরবর্তী ৬ মাস সম্পর্কে তার প্রত্যাশা জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু GfK জরিপে, গত ১২ মাস সম্পর্কে উত্তর প্রদানকারীর মনোভাব এবং আগামী ১২ মাস সম্পর্কে তার প্রত্যাশা জানতে চাওয়া হয়। ২টি রিপোর্টের সাহায্যেই ইউকের অর্থনীতি সম্পর্কে জনসাধারণের সেন্টিমেন্ট বুঝতে পারা যায়। ৪. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (GDP) যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ Manufacturing PMI, Services PMI, Retail Sales, GDP পুরো ইউকে জুড়ে যে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড হয়, তা পাউন্ডের কারেন্সি ভ্যালু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদক হিসেবে কাজ করে। অন্যান্য দেশের মতই ইউকের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা পাওয়া যায় Gross Domestic Product (GDP) বা জিডিপি রিপোর্ট থেকে। ৩ ধরনের জিডিপি রিপোর্ট সম্পর্কে ট্রেডারদের অবগত থাকা উচিত। এগুলো হলঃ Preliminary GDP, Revised GDP এবং Final GDP রিপোর্ট। সবার প্রথমে প্রকাশিত হয় Preliminary GDP রিপোর্টটি, আর তাই মার্কেটে এর প্রভাবও সবচেয়ে বেশি। এর কারণ হল Preliminary GDP রিপোর্টের মাধ্যমেই ট্রেডাররা দেশের চলতি অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা পায়। তবে প্রিলিমিনারী জিডিপি রিপোর্টে যে ডাটা থাকে, তাতে বেশ কিছু ভুল থাকে, যেগুলো রিভাইজড এবং ফাইনাল জিডিপি রিপোর্টে সংশোধন করা হয়। এ রিপোর্টটি Prelim GDP নামেও পরিচিত। যেহুতু প্রতি কোয়ার্টার বা ৩ মাসে জিডিপি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়, অনেক ট্রেডাররাই অর্থনৈতিক অবস্থা আরও ভালভাবে বোঝার জন্য জিডিপি রিপোর্টের পাশাপাশি আরও কিছু রিপোর্ট বিবেচনা করে। Retail Sales, Manufacturing PMI, Services PMI এ রিপোর্টগুলো প্রতি মাসে বের হয় যা ট্রেডারদেরকে ইউকের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে ধারনা প্রদান করে। যেহুতু, ভোক্তাদের যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই রিটেইল সেলস রিপোর্টটি বেশ গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হয়। ৫. ব্যালেন্স অফ পেমেন্টস (Balance of Payments ) যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ Trade Balance, Current Account ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট (BoP) রিপোর্টগুলো হল একটি দেশের সাথে সারা বিশ্বের অন্যান্য দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের অ্যাকাউন্টিং রেকর্ড। BoP মূলত ৩টি অ্যাকাউন্টের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। কিন্তু ফরেক্স ট্রেডারদের মূল বিবেচনায় থাকে Current Account রিপোর্টটি। এ রিপোর্টটির মাধ্যমে জানা যায় একটি দেশ কি পরিমাণ ইমপোর্ট এবং এক্সপোর্ট করছে, কি পরিমাণ অর্থ দেশে আসছে এবং দেশের বাইরে যাচ্ছে। সাধারনভাবে, Current Account রিপোর্টে যদি Surplus হয়, অর্থাৎ দেশে বেশি অর্থ আসে এবং এক্সপোর্ট বেশি হয়, তা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়। এর বিপরীত হলে তা অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়। পাউন্ডের প্রতি এ রিপোর্টটির ভালো প্রভাব রয়েছে। ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্টের ডাটাগুলো কারেন্ট অ্যাকাউন্ট রিপোর্টেও থাকে। ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্ট প্রতি মাসে প্রকাশিত হয়, আর কারেন্ট অ্যাকাউন্ট রিপোর্ট ত্রৈ-মাসিকভাবে প্রকাশিত হয়। তাই ট্রেডাররা যদি অ্যানালাইসিসের জন্য শুধু এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ডাটা বিবেচনা করতে চায়, তবে ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্ট বিবেচনা করলেই হবে। শেষ কথা পাউন্ডকে প্রভাবিত করে এমন অসংখ্য অর্থনৈতিক ইন্ডিকেটর রয়েছে। কোনগুলো বেশি প্রভাব ফেলে, বর্তমান মার্কেট পরিস্থিতিতে কোন রিপোর্টগুলো বেশি প্রভাব ফেলতে পারে এবং কোনগুলো ব্যবহার করা উচিত, সেটি নির্বাচন করা হল সঠিকভাবে ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস করার জন্য প্রথম ধাপ। এ রিপোর্টগুলোকে ভালভাবে বোঝা এবং একাধিক রিপোর্টকে সমন্বিত করে মার্কেটের পরবর্তী গতিবিধি বুঝে ট্রেডের সিদ্ধান্ত নেয়া হল প্রকৃত কঠিন কাজ। কোন ট্রেডার যদি ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস অনুসরণ করে পাউন্ডের পেয়ারগুলো ট্রেড করতে চান, তবে এ ৫ ধরনের নিউজ রিপোর্টগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ট্রেড করা হবে প্রত্যেক ট্রেডারের জন্য প্রথম কাজ। পাউন্ডকে প্রভাবিত করে এমন ৫ ধরনের নিউজ রিপোর্টের ১ম পর্বটি না পড়ে থাকলে পড়ে নিতে পারেন এখান থেকে। আর ২ পর্বের পুরো সিরিজটি কেমন লাগলো শেয়ার করতে ভুলবেন না।
  15. নিয়মিত ট্রেড করে থাকলে পাউন্ড যে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কারেন্সি, তা আর আপনার অজানা থাকার কথা না। নিয়মিত ট্রেড করতে গিয়ে কম-বেশি প্রত্যেক ট্রেডারই উপলব্ধি করেছেন যে, পাউন্ড সম্পর্কিত প্রায় সবগুলো কারেন্সিই বেশ ভোলাটাইল, অর্থাৎ হুটহাট মার্কেটে প্রচুর পরিমান প্রাইস পরিবর্তনে সক্ষম। ফরেক্স ট্রেড করতে গেলে পাউন্ড সম্পর্কে প্রতিটি ট্রেডারের কি কি জানা উচিত, তা নিয়ে বিডিপিপসে একটি বিস্তারিত লেখা রয়েছে। আজকে আমরা জানবো কোন ৫ ধরনের নিউজ রিপোর্ট পাউন্ডকে অর্থাৎ পাউন্ড সম্পর্কিত পেয়ারগুলোকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে। পাউন্ডের বিপুল জনপ্রিয়তার জন্য প্রায় প্রতিটি ফরেক্স ট্রেডারই ডলারের পাশাপাশি পাউন্ডের পেয়ারগুলো দিয়ে তাদের ফরেক্স ট্রেডিং শুরু করে। যেসব ট্রেডার ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস করে ট্রেড করে, অর্থাৎ ট্রেডিংয়ের সময় অর্থনৈতিক রিপোর্টসমূহ এবং ডাটা রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখে, তারা কোন নিউজ রিপোর্টগুলো পাউন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে, তা জানতে পারলে তাদের ট্রেডিংয়ে উপকৃত হবে এবং সেসব বিষয়ে অতিরিক্ত নজর দিতে পারবে। এই লেখায় সেরকমই কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক রিপোর্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হবে যা নতুন এবং পুরাতন ২ রকম ট্রেডারদেরই সাহায্য করবে পাউন্ড ট্রেডিংয়ে ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিসের বিষয়গুলোকে আরও ভালভাবে বুঝতে। ৫টি প্রধান অর্থনৈতিক ইন্ডিকেটর শুরু করার আগে এটুকু জানা জরুরী যে, পৃথিবীর প্রায় সবগুলো দেশের কারেন্সিগুলোই মূলত সাধারণ কিছু বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। একই বিষয়গুলো কম-বেশি তাদের দুর্বল বা শক্তিশালী হতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ৫টি বিষয়ে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি মিল পাওয়া যায় এবং এরাই সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে সেই কারেন্সিটিকে। পাউন্ডও তার ব্যাতিক্রম নয়। আর্থিক নীতিমালা (Monetary Policy), মুদ্রাস্ফিতি (Inflation), কনজিউমার কনফিডেন্স ও সেন্টিমেন্ট, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (GDP), ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট এই বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাব রাখে। এই ৫ ধরণের রিপোর্ট বিবেচনায় রাখলেই আপনি বুঝতে পারবেন কোন রিপোর্টগুলো একক বা সম্মিলিতভাবে যেকোনো কারেন্সিকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করতে যাচ্ছে। চলুন জানা যাক এ বিষয়গুলো পাউন্ডকে কিভাবে প্রভাবিত করে। ১. মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ CPI, PPI পাউন্ডের মুল্যায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হল মুদ্রাস্ফীতি। সাধারণভাবে, যেসব দেশের মুদ্রাস্ফীতি বেশি, সেসব দেশের মুদ্রার মান অন্য দেশের মুদ্রার তুলনায় দুর্বল হয়ে যায়। মুদ্রাস্ফীতি বাড়লে বা কমলে সে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য উদ্যোগ নিয়ে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে সুদের হার বা ইন্টারেস্ট রেট পরিবর্তন করে থাকে। কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (CPI) এই রিপোর্টটি কিন্তু ইউকের মুদ্রাস্ফীতির মাত্রা জানার অন্যতম একটি নির্ণায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই ট্রেডাররাই এই CPI রিপোর্টটির ওপর বেশ নজর রাখেন এবং গুরুত্বের সাথেই নিয়ে থাকেন। ব্রিটেনের অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্স এই রিপোর্টটি প্রকাশ করে। কোন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোক্তা বা ক্রেতারা (consumer) কি পরিমান দামের পন্য বা সেবা কিনছে, তার পার্থক্য এই CPI রিপোর্টের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। এ রিপোর্টটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড (BoE) এ রিপোর্টটি বিবেচনা করে মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে থাকে। তাই CPI তে কোন নতুন পরিবর্তন এলে তা যদি ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের বর্তমান লক্ষ্যমাত্রার থেকে আলাদা হয়, তবে আশা করা যায় যে তা ভবিষ্যতে BoE এর আর্থিক নীতিমালায় পরিবর্তন আনবে, যা কিনা পাউন্ডকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রভাবিত করতে পারে। যদিও কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স মুদ্রাস্ফীতির মাত্রা নির্ধারণে ভুমিকা রাখে, পাশাপাশি প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (PPI) ও এক্ষেত্রে কিছু ভুমিকা রাখে। PPI কে অনেকেই মুদ্রাস্ফীতির নির্ণায়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ইন্ডিকেটর হিসেবে বিবেচনা করেন। একদম কাঁচামালের পর্যায় থেকেই মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত পরিবর্তনগুলো এ রিপোর্টে ধরা পরে, যা কিনা পরবর্তীতে CPI কে প্রভাবিত করে। আর যেহুতু PPI রিপোর্টটি CPI এর আগেই প্রকাশিত হয়, তাই মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত সম্পূর্ণ ধারনা পেতে CPI এবং PPI দুটিকেই বিবেচনায় রাখতে হবে। ২. আর্থিক নীতিমালা (Monetary Policy) যে রিপোর্টগুলোকে বিবেচনায় রাখতে হবেঃ Bank Interest Rate, BoE Inflation Report পাউন্ডের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের মনেটারী পলিসি বা আর্থিক নীতিমালাগুলোকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের অন্যতম প্রধান আর্থিক লক্ষ্য হল মুদ্রাস্ফীতির মাত্রা কমের মধ্যে রাখা এবং পাউন্ডের কনফিডেন্স বজায় রাখা। তাই যখনই কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে পাউন্ডের মুদ্রাস্ফীতি এমন পর্যায়ে চলে যাচ্ছে যা পাউন্ডের স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, ঠিক তখনই BoE বিভিন্ন আর্থিক নীতিমালা আরোপ করে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করে। ট্রেডাররা এসব আর্থিক নীতিমালা বা মনেটারী পলিসি, যেমন - ইন্টারেস্ট রেট কখন বা কি পরিমাণে পরিবর্তন হবে সেসব অনুমান করার চেষ্টা করে। এই আর্থিক নীতিমালাগুলো সম্পর্কে অবগত থাকতে ট্রেডাররা ব্যাংক রেটের যেকোনো পরিবর্তন অনুসরণ করে। ব্যাংক রেট হল যে ইন্টারেস্ট রেটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক BoE অন্যান্য ব্যাংকগুলোকে চার্জ করে। এই রেট সম্পর্কে সিদ্ধান্ত হয় Monetary Policy Committee (MPC) এর একটি মাসিক মিটিংয়ে। আপনি নিয়মিত ফরেক্স ক্যালেন্ডার অনুসরণ করলেই মাঝে মাঝে MPC Meeting নামে বা এরকম কিছু ইভেন্ট দেখতে পারবেন। প্রতি মাসে অনুষ্ঠিত এ মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত এবং ব্যাংক রেট ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়। তবে যদি MPC আগের রেটই বজায় রাখে, তবে আর এ সংক্রান্ত কোন আলোচনা হয় না। কিন্তু যদি মনেটারি পলিসি কমিটি (MPC) ব্যাংক রেটে কোন পরিবর্তন আনে, তবে তারা এ সংক্রান্ত একটি স্টেটমেন্ট বা বিবরণী প্রকাশ করে। সাধারণত ট্রেডাররা এই স্টেট্মেন্টকে গুরুত্বের সাথে নিয়ে থাকে, কারণ বেশিরভাগ সময় এ বিবরণী থেকে ভবিষ্যতে পাউন্ড কোনদিকে যেতে পারে সে সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়। ১ম পর্বে আলচনাকরা হল মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) এবং আর্থিক নীতিমালা (Monetary Policy) নিয়ে। ২য় পর্বে আলোচনা করা হবে বাকি ৩টি প্রধান অর্থনৈতিক ইন্ডিকেটর কনজিউমার কনফিডেন্স ও সেন্টিমেন্ট, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (GDP) এবং ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট নিয়ে। ১ম পর্বটি কেমন লাগলো নিচে মন্তব্যে জানাতে জানাতে ভুলবেন না।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×