Jump to content

MohabbatElahi

Members
  • Content count

    84
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    20

MohabbatElahi last won the day on February 4

MohabbatElahi had the most liked content!

Community Reputation

53 Excellent

7 Followers

About MohabbatElahi

  • Rank
    Forex in the blood

Contact Methods

  • Website URL
    http://www.forexctg.com
  • Skype
    mohabbatelahi

Profile Information

  • Gender
    Male
  • লোকেশন
    Chittagong
  • Interests
    Fx Trading & writing

Recent Profile Visitors

2,682 profile views
  1. আজ NFP. প্রত্যেক মাসের প্রথম শুক্রবার মার্কিন ডলারের জন্য বিশেষ একটি দিন। কারন এই দিনে বরাবরই ঘোষণা হয়ে থাকে মার্কিন অর্থনীতির বিশেষ কিছু ইভেন্টস যা মুদ্রাটির সম্ভাব্য ট্রেন্ড কোন পথে তা নির্ধারণ করে দেয়। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ঘোষণা হতে যাচ্ছে বিশেষ কিছু কী-ইভেন্টস যথাঃ Average Hourly Earnings (MoM):-Previous 0.3% . Consensus 0.2% Unemployment Rate:------------- -Previous 4.3%. Consensus 4.3% Nonfarm Payrolls:------------------ Previous 209k. Consensus 180k ISM Manufacturing PMI:-----------Previous 56.3 Consensus 56.5 এছাড়াও চলতি সাপ্তাহে মার্কিন ডলারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ইভেন্টস ঘোষিত হয়েছে যথাঃ ADP Employment Change, Gross Domestic Product Annualized ও Initial Jobless Claims. গত বুধবার ADP এবং GDP উক্ত দুটি ইভেন্টসে অর্জিত সাফল্যের ফলে ডলার কিছুটা প্রাণ ফিরে ফেয়ে ছিল। বিশেষ করে GDP-র পরিবর্তনটি আকস্মিক ছিল কারন গত দুই বছরের মধ্যে GDP-র হার এত দ্রুত পরিবর্তন হতে দেখা যায়নি যা পূর্বে ছিল ২.৬% এবং প্রত্যাশা ছিল ২.৭% কিন্তু ফলাফল এসেছে ৩.০% এক কথায় প্রত্যাশা কে ছাপিয়ে যাওয়া। ফলে বুধবারের মার্কেটে আমরা ডলার কে সকল মুদ্রার বিপরীতে শক্তিশালী হতে দেখেছি কিন্তু বৃহস্পতিবারে Initial Jobless Claims ইভেন্টস যদি প্রত্যাশা কে ছাপিয়ে যেত বা প্রত্যাশিত ফলাফল 237K ও অর্জিত হতো তাহলে মার্কেট ট্রেন্ড বুধবারের কন্ডিশন কে স্পষ্টতই অনুসরণ করতো। - বৃহস্পতিবারের মার্কেটে বিশেষ ভাবে EUR/USD উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না হলেও GBP ডলারের বিপরীতে এগিয়ে গেছে কারন BoE পরবর্তি মিটিংয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির আভাস দিয়েছেন। আপর দিকে কানাডিয়ান ডলারের বিপরীতে USD-র পতন হয়েছে ঠিক অনুরূপ মূল্যায়নে। কারন BoC আগামী সাপ্তাহে দ্বিতীয় দফায় ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে এবং এ সম্ভাবনা জুড়ালো। - ডলারের ভবিষ্যৎ কোন পথে ? দীর্ঘদিন যাবত ডলার পতনশীল অবস্থায় রয়েছে। চলতি সাপ্তাহে USD INDEX ৯১ এর ঘরে নেমে এসেছিল যা মূলত ২০১৫ অর্থ বছরের একটি সাপোর্ট লেভেল ।আর এই পতনধারা ইউরো কে পৌছে দিয়েছে ১.২ এর ঘরে।ফলে মুদ্রাটিকে এখন Safe Haven হিসাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে ।মার্কিন রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নর্থ কোরিয়া ইস্যু ডলার কে যে বেকায়দায় ফেলেছে তা ইউরো লুফে নিতে ভুল করেনি। সুতরাং ডলার কে ঘুরে দাঁড়াতে হলে অবশ্যই আজ Unemployment Rate কে ঠিক রেখে বিশেষ দুটি ইভেন্টসে ডলার কে প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যেতে হবে । প্রথমত Average Hourly Earnings যা 0.3% পর্যন্ত পৌছতে হবে। দ্বিতীয়ত Nonfarm Payrolls কে 195K পর্যন্ত পৌছাতে হবে যা বর্তমানে প্রত্যাশা করা হচ্ছে 180K পর্যন্ত। যদি এমনটিই মার্কেটে প্রতিফলিত হয় অথবা উল্লেখযোগ্য তেমন কোন সাফল্যই তারা দেখাতে না পারে তবে ডলারের পতনরোধ করা কঠিন হয়ে যাবে। কারন ডলারের জন্য পরবর্তি ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির পূর্ব পর্যন্ত এটাই শেষ NFP. সুতরাং ডলার কে শক্তিশালী কামবেক করতে হবে অন্যথায় চলমান ক্রাইসিসে ডলার ঘুরে দঁড়ানোর সম্ভাবনা ক্ষীন। অতএব সার্বিক বিবেচনায় আজ এন এফ পি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। যদি ডলার আজ ঘুরে দাঁড়াতে পারে তবে Technical Based ট্রেডারদের জন্য এটি একটি প্রত্যাশার দিন।বিপরীতে আমাদের কে ইউরো ১.২৫ পাউন্ড ১.৩২ কানাডিয়ান ডলার ১.২০ জাপানিস ইয়ান ১০৬.৫০ কে টার্গেট করে ট্রেডিং প্লান ঠিক করতে হবে। ------------------------------------------------------------------ বিঃদ্রঃ মুদ্রাবাজার সর্বদা পরিবর্তনশীল। বিভিন্ন কারনে একটি কন্টিনিউ ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। সুতরাং আমার ব্যাক্তিগত মার্কেট মূল্যায়ন আপনাকে শতভাগ প্রফিটের নিশ্চয়তা নাও দিতে পারে। Md Mohabbat E Elahi Admin: Forex online Training academy.
  2. আজ যথারিতি নির্ধারিত সময়ে ফেডারেল রিজার্ভের ব্যাংক সুদের হার ঘোষণা হতে যাচ্ছে। ২০১৭ অর্থ বছরে কয়েক দফায় ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত জুন মাসে ফেড দ্বিতীয় দফায় ব্যাংক সুদের হার ১.০% থেকে ১.২৫%-এ বৃদ্ধি করেছিল এবং ২০১৭ অর্থ বছরের পরবর্তী মাসগুলোতেও আরো এক দফায় তা বৃদ্ধি পেয়ে ১.৫০% পর্যন্ত পৌছতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে চলতি ইভেন্টসে তারা ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করবে কিনা বা ফেডের অবস্থান কি হতে পারে ? উত্তরঃ যদিও এটি একটি সম্ভাব্য বিষয়। তবে জুন মাসে ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির প্রেক্ষাপট মূল্যায়ন করলে এটা পরিস্কার যে তৃতীয় দফায় ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করার মত তেমন কোন সাফল্য তারা পায়নি।বরং কী-ইভেন্টসগুলোতে সার্বিক ভাবে পিছিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিরতায় পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে US presidential election- 2016-তে রাশিয়ার সাথে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠজনদের আঁতাত ইস্যুটি এখন মার্কিন রাজনীতির প্রধান খবর। এছাড়াও পররাষ্ট্রনীতি সহ বিভিন্ন ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিধাবিভক্তি চরমে পৌছেছে।তাই সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করলে এটা অনেকাংশে পরিষ্কার যে চলতি ইভেন্টসে ফেড ব্যাংক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে। Fed's Monetary Policy বোর্ড থেকে সন্তোষজনক একটি ব্রিফিং ছাড়া তেমন কিছুই প্রত্যাশা করা যাচ্ছেনা। কারেন্সি মার্কেটে এর সম্ভাব্য প্রভাব কি হতে পারে ? আমরা জানি USD INDEX বিগত ১৩ মাসের সর্বনিম্ন ৯৩.৩৭ এ অবস্থান করছে যা একটি শক্তিশালী কী লেভেল বা স্ট্রং ডিমান্ড জোন।লেভেলটি টেস্ট হওয়ার পর ইতোমধ্যেই গতকাল মার্কিন ডলার ৫০ পয়েন্ট গেইন করেছে যদিও এটি তার শক্তিশালী কামব্যাক কে নির্দেশ করেনা।তবে টেকনিক্যাল ফরমেট থেকে কিছুটা পরিবর্তন প্রত্যাশিত।কারন ইনডেক্স পতনে ডলার মেজর মুদ্রারগুলোর বিপরীতে অনেকটাই পিছিয়েছে।সূতরাং আজকের অপরিবর্তিত ইভেন্টসে মার্কেট সার্বিক ভাবে লং মুডে থাকতে পারে। কারন চলতি ট্রেডিং মাসের কারেন্সি জার্নাল থেকে আমরা এ বিষয়ে কিছুটা ধারনা পেতে পারে। যেমনঃ 1) Health of the Consumer: USD Bullish (High) Retails sales MoM -0.3% < - 0.2% Latest (High) Core Retails Sales MoM: -0.3% <-0.1% Latest 2) Labor Market: USD Bullish (High) Non-Farm Payrolls: 138K < 222K Latest (High) Avg Hourly Earnings: 0.1% < 0.2% Latest 3) (High) GDP QoQ: 1.2 < 1.4 USD Bullish 4) Inflation: USD Neutral (High) Consumer Price: -0.1% < 0.0% (High) Producer Price : 0.0% < 0.1% --- উপরোক্ত ইভেন্টগুলো ছাড়াও Housing Market, Manufacturing & services, Market Indicators গুলোতেও ডলার বুলিশ পজিশনে রয়েছে।প্রত্যাশা করা যাচ্ছে ডলারের ছোট পরিসরের এই কামব্যাক মুদ্রাটি কে বুলিশে এগিয়ে দিবে। আর ট্রেডার হিসাবে এটিই চলতি ইভেন্টসে প্রত্যাশা। আজ ডলারের বুলিশ/বেয়ারিশ প্রভাব মেজর কয়েকটি মুদ্রাজোড়ে কেমন হতে পারে ? 1) EUR/USD = 1.1528 বিপরীতে 1.1953 2) GBP/USD = 1.2990 বিপরীতে 1.3120 3) USD/CHF= 0.9697 বিপরীতে 0.9500 4) AUD/USD = 0.7783, NZD/USD = 0.7370, USD/JPY = 112.68 (বিঃদ্রঃ আমার ব্যাক্তিগত মার্কেট মূল্যায়ন কারেন্সি মার্কেটে শত ভাগ প্রফিটের নিশ্চয়তা প্রদান করেনা ) ----------------------------------- Md Mohabbat E ELahi Admin: Forex online training academy
  3. ফরেক্স উম্মাদনা বনাম বাংলাদেশী ট্রেডারদের ভবিষ্যৎ শংকা ডাক-ঢোল পিটিয়ে দেশের বিভিন্ন শহরের নামীদামী হোটেল ও রেস্টুরেন্ট গুলোতে চলছে ফরেক্স ট্রেডিংয়ের উপর ব্যাপক সভা সেমিনার।এসব সভা সেমিনারের আয়োজক,আলোচক ও অতিথিবৃন্দ কে লক্ষ্য করে দুএকটি কথা বলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।তবে আমার ব্যাক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির সাথে আপনি একাত্মতা পোষণ নাও করতে পারেন।কিন্তু একজন ফরেক্স ট্রেডার হিসেবে নিজের অনুভূতি ও আশংকাটি শেয়ার করলাম। ফরেক্স বিশ্বের সর্ববৃহৎ ট্রেডিং মার্কেট এটি আমরা সবাই জানি। কিন্তু কয়জন ব্যাক্তি এ মার্কেট প্লেসে সফলতা পেয়েছে, এ প্রশ্নের উত্তরে আমরা দেখতে পাই মাত্র ৫ থেকে ১০% ব্যাক্তিই এখানে সফল, বাকি ৯০-৯৫% লোকই ব্যর্থ।আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে এত বৃহৎ মার্কেট প্লেস হিসেবে এখানে ট্রেডারদের সফলতার পরিমাণ বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু হয়েছে উল্টো । অর্থাৎ মার্কেটপরিধি আর ট্রেডারদের অবস্থান সম্পূর্ন বিপরীতমুখী।সে যাইহোক এখন প্রশ্ন হচ্ছে কেন বৃহৎ অংশ ফরেক্স মার্কেটে ব্যর্থ হচ্ছে? অবশ্যই এর পিছনে ভিন্ন ভিন্ন মূল্যায়ন থাকলেও আমার দীর্ঘ ৮ বছরের ট্রেডিং অভিজ্ঞতা থেকে কিছু বিষয় পয়েন্ট আউট করেছি যা আপনাদের জন্য শেয়ার করলাম। ০১। ভাল কোন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট না থাকা। যেখান থেকে একজন নবীন যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারে। ০২। ডিপোজিট উত্তেজনাঃ অর্থাৎ ট্রেডিং কনসেপ্ট ভাল করে আয়ত্ত করার পূর্বে নিজের সঞ্চয়,ব্যবসায়িক পুঁজি বা হেল্প লাইন থেকে ধার-দেনার মাধ্যমে ডিপোজিট করে নিজের ভাগ্য পরীক্ষায় নেমে পড়া। ৩। নিজেকে সর্বজ্ঞ ভাবাঃ অর্থাৎ দুয়েকটি বিষয় জেনে বা দুই তিন মাসের ডেমো প্রেক্টিস কিংবা দু’একটি একাউন্ট জিরো হওয়ার পর নিজেকে অনেক বড় জ্ঞানী ভাবতে শুরু করা। ৪। একাকিত্বঃ আত্মঅহমিকা বা সংকীর্ণ মনোভাব। যদি ট্রেডিং জগতে আপনি ব্যর্থ হয়ে থাকেন তবে নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, আপনি কোন স্তরে ছিলেন বা এখনো আছেন। যাইহোক আসল প্রসঙ্গে আসি।“ফরেক্স ট্রেডিং” বাক্যটি কারো কাছে টাকা কামানোর মেশিন আবার কারো জন্য নিঃস্ব হওয়ার ফাঁদ।এখন টাকা কামানোর মেশিন কার জন্য ? হুম, মেশিন হচ্ছে তাদের জন্য যারা বিচক্ষণতার সাথে শত প্রতিকুলতা পেরিয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরিতে সক্ষম হয়েছে এবং ট্রেডিং মার্কেটের প্রকৃত চরিত্র ধরতে পেরেছ। অপর দিকে নিঃস্ব হওয়ার ফাঁদ হচ্ছে তাদের জন্য, যারা প্রাপ্ত বয়স্ক,শিক্ষিত ও মেচুয়েট হওয়া সত্ত্বেও এ মার্কেটে বাচ্চা সুলভ আচরণ করেন। বর্তমানে যারা ডাক-ঢোল পিটিয়ে সভা সেমিনার নিয়ে ফরেক্স উম্মাদনায় মেতে উঠেছে এরা সে দলেরই অংশ বিশেষ।এদের উল্লেখযোগ্য অংশই ঝরে পড়বে এতে কোন সন্দেহ নেই। ফরেক্স হচ্ছে অতি সুন্দরী,সুসজ্জিত রমণীর মত, যার নেশা আপনার সর্বশ্য কেড়ে নিবে। নিঃসন্দেহে এটি সেসব লোকদের জন্য নিঃস্ব হওয়ার ফাঁদ যারা টাকার নেশায় বিভোর।ফরেক্স সাধনার বিষয়,এখানে অধ্যবসায় প্রয়োজন।এটি ততটা সহজ নয় যতটা আপনি ভাবছেন।এর লুকিং এবং রিয়েলিটি ভিন্ন। সুতরাং দুএকটি সেমিনার,ওয়েবিনার বা দিন কয়েক ডেমো প্রেক্টিসের পর যদি কেউ ভাবে,তার মার্কেট বুঝা হয়েগেছে তবে নিঃসন্দেহে সে নিঃস্ব হওয়ার পথেই এগোচ্ছে।এখানে নিজেকে সংযত রাখা অনেক দুরূহ বেপার।টিকে থাকার জন্য নির্দিষ্ট নিয়মনীতির বাইরেও উপস্থিত সিদ্ধান্ত নেয়ার যোগ্যতা থাকতে হয়। তবে খুব কম সংখ্যক মানুষ আছে যাদের উম্মাদনা ও উত্তেজনা বিবেকের উপর প্রাধান্য বিস্তার করতে পারেনা।তারা এ বিজনেসের পজিটিভ নেগেটিভ উভয় দিক বিশ্লেষণ করেই অগ্রসর হয় । আর পরিকল্পিত পদক্ষেপগুলো সময়ের ব্যবধানে ঠিকই তাদেরকে একটি নির্ভরযোগ্য অর্জন এনে দেয়। সূতরাং প্রতিটি নবীনের প্রতি অনুরোধ কারো প্ররোচনায় এসব দৌড়ঝাঁপ থেকে বিরত থাকুন। আর নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন ট্রেডিং মার্কেটের চাপ সহ্য করার সামর্থ আপনার আছে কিনা। কারন ট্রেডিং পেশা মানেই মানসিক চাপের বিজনেস যা সবার জন্য নয়। আপনাকে একটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আর তা হচ্ছে আপনার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আপনাকে মোটিভেট করে এক শ্রেনীর লোক নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার প্রয়াস চালাবে। হয়তো আপনি কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই ঝড়ে পড়বেন। এতে করে ৯০% ক্ষতিগ্রস্ত লোকের পাল্লাই ভারী হবে। বর্তমানে কিছুকিছু ফরেক্স ব্রোকার এমনও আছে যারা আইবি হোল্ডার(ব্যবসায়িক প্রতিনিধি)-দের মার্জিন কলের বিপরীতে ৪০% পর্যন্ত ফেরত দেয়ার প্রস্তাব করে থাকে। ফলে রেডিসন ব্লু-তে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে প্রোগ্রাম করলেও মাত্র ১০০০ ডলারের একজন ক্লায়েন্টের লুজিং ফান্ড থেকেই সেটা তারা পুষিয়ে নিবে। এখন নিজে কে জিজ্ঞাসা করুন আপনিই সেই হতভাগ্য ব্যাক্তি কিনা যে মার্কেট বুঝার আগেই বিনিয়োগে চলে গেছে ? উপরোক্ত আলোচনা তে অনেকেই হয়তো মনক্ষুন্ন হচ্ছেন। কিন্তু আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আমি কারো প্রতিপক্ষ নয় বরং দীর্ঘ ট্রেডিং জীবনের অভিজ্ঞতা ও নীতি আদর্শ থকেই নতুনদের সতর্ক করছি। কারন নবীন ট্রেডারগন কোন লাইনে কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেটা আমি ভাল করেই জানি। আপনারা সহপাঠী,পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবের আর্থিক ক্ষতি না করে তাদের কে সঠিক দিক নির্দেশনা প্রদান করুন।নিজেদের অর্জন দিয়ে কথা বলুন।সেটা উভয়ের জন্য মঙ্গল। আমি জানি ব্রোকারের তুলনায় আপনাদের লাভের পরিমান অতি নগণ্য।কিন্তু তাই বলে আপনারা অন্যকে পথে বসিয়ে দেয়ার বুদ্ধি দিতে পারেন না।ড্রাইভিং পেশা যেমন সবার জন্য নয় ঠিক তদ্রুপ ফরেক্সও সবার জন্য নয় এটা আপনাদের বুঝতে হবে। ওয়ারেন্ট বাফেট আর বিল গেটসের ব্যবসা বলে আপনিও ঝাঁপ দিতে পারেন না। এখানে অবশ্যই কিছু নিয়মনীতি আছে। বেসিক কন্সেপ্ট, টেকনিক্যাল,ফান্ডামেন্টাল,সেন্টিমেন্টাল,রিস্ক মেনেজমেন্ট, কারেন্সি এনালাইসেস,কো-রিলেশন, ইম্পেক্ট এনালাইসিস,পলিটিকেল ইস্যু,গোল সেটাপ,ট্রেডিং প্লান ও স্ট্রটিজির মত অতি আবশ্যক স্টেপগুলো সম্পন্ন করেই সামনে এগুতে হয়। এজন্য সময় প্রয়োজন। একজন নবীন ফরেক্স ট্রেডার কখনো এসব বুঝবেনা ? আর আপনারাও সে বোঝা উঠাবেন না ? কারন এত দীর্ঘ চিন্তা করলে আপনাদের স্বার্থ ক্ষুন্ন হবে। তাছাড়া আপনাদের যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি ভাবা উচিত, তা হচ্ছে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় ভাবে এখনো ফরেক্স স্বীকৃত নয়।আজ যে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর নিয়ে সরকার মিলিয়ন ডলার আয়ের স্বপ্ন দেখছে এর চেয়ে বৃহৎ সম্ভাবনা হচ্ছে ফরেক্স মার্কেট। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে রাষ্ট্রের এসব নিয়ে চিন্তা করাতো দুরের কথা এদের অধিকাংশই এসব বুঝে না।সুতরাং প্রতিকূল পরিবেশে এমন ডাক-ঢোল না পিটিয়ে আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা করুন। যেদিন স্বীকৃতি আসবে, যেদিন বাংলাদেশী ফরেক্স ব্রোকারে ট্রেড করার সুযোগ তৈরি হবে সেদিন ডাক-ঢোল পিটালেও সমস্যা নেয়। আমাদের এটা মনে রাখা উচিত যে এদেশের জনগণ বিগত ১০ বছরে শেয়ার বাজার সহ বিভিন্ন এমএলএম কোম্পানির ব্যানারে নিঃস্ব হয়েছে। তাছাড়া ব্যাংকিং খাতেও ব্যাপক হরিলুট হয়েছে,হচ্ছে। নীতিনির্ধারকদের অধিকাংশই নিজেদের সুন্দর ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ প্রত্যাশায় উন্নত বিশ্বে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে স্বর্গরাজ্য তৈরি করছে।আর এসব কিছু এখন নিত্যদিনের ঘটনা। আজ রাষ্ট্রীয় চোর আর অর্থআত্মসাৎকারী ভিআইপিদের গাড়ির বহর জনতার পথচলা আটকিয়ে দেয়।হাজার কোটি টাকা পাচারকারীদের দুর্নীতির প্রমান থাকলেও কোন আইনী নোটিশ নেই। কারন তাদের রয়েছে রাজনৈতিক পরিচয়,শিল্পপতির পরিচয়, আরো রয়েছে মামার পরিচয়।কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আইনি নোটিশ হচ্ছে সেসব লোকদের জন্য, যাদের এসব পরিচয় নেই।যারা বেকারত্বের অভিশাপ থেকে বের হতে না পেরে সর্বশেষ অনলাইন ট্রেডিংয়ে মনোনিবেশ করেছে, যারা ঘরে বসে, কাউকে না ঠকিয়ে,অনৈতিক কাজে না জড়িয়ে নিজের মেধাশক্তি ও শিক্ষা যোগ্যতা কে কাজে লাগিয়ে নামমাত্র পুঁজি ব্যবহার করে পরিবারের ভরণপোষণ যোগাচ্ছে এবং সুন্দর আগামীর স্বপ্ন বুনছে। সুতরাং নীতিনির্ধারকদের চিন্তা-ভাবনা,দৃষ্টিভঙ্গি এবং দেশের আইন যে সকলের উপর সমান প্রয়োগ হয় না এটা এদেশের নাগরিক হলে এত দিনে বুঝার কথা। তাই প্রতিকূল পরিবেশে ফরেক্স বিষয়ে অতিরঞ্জন প্রত্যাশা করি না। ফরেক্স কে কলঙ্ক মুক্ত রাখতে সংযমী হোন। দধি কে চুন বানাবেন না। আপনাদের অতিরঞ্জনের ফলে যারা ফরেক্স নিয়ে বেচে আছে এবং যারা সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখছে তাদের সবকিছু ধুলোয় মিষে যাবে। এমনিতেই চাকরির বাজারে হাহাকার। তার উপর ভাল কোন ব্যবসার জন্য প্রয়োজন বৃহৎ পুঁজি। এমতবস্থায় যারা নামমাত্র পুঁজি নিয়ে নিরবে নিবৃত্তে সাচ্ছন্দে ফরেক্স নিয়ে জীবন পার করছে আপনাদের মত আগাছা,উম্মাদ,অপরিণামদর্শী, স্বার্থান্বেষী মহলের বাড়াবাড়ি হয়তো তাদের জীবন প্রবাহ কে থামিয়ে দিবে।আপনাদের করণীয় হচ্ছে ব্যাক্তিগত অর্জন ও অবস্থান শক্ত করা। তাহলে অধিকার নিয়ে কখনো সামনে দাড়াতে পারবেন। অন্যথায় উভয় সংকটে নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং অন্যের পথও রুদ্ধ হয়ে যাবে। একজন ট্রেডার হিসেবে নিজের শংকাটি তুলে ধরলাম । আশা করি বিচারকের ভূমিকায় নিরপেক্ষ ভাবে বিষয়টি অনুধাবন করবেন। ---------------------------------------------------- Md Mohabbat E Elahi Admin:Forex online training academy
  4. আগামী ০৭ই মে রবিবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চুড়ান্ত লড়াই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।প্রতিযোগিতায় শীর্ষে থাকা ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও মেরিন লা পেন এ দুই প্রার্থীর মধ্য থেকে একজনই হতে যাচ্ছেন ফ্রান্সের ভবিষ্যত প্রেসিডেন্ট।আর এ নির্বাচন কে কেন্দ্র করেই চরম অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুদ্রা বাজার ফরেক্স মার্কেটে। বিশেষ করে EUR/USD, USD/CHF,GBP/USD উক্ত তিনটি মূদ্রা জোড়ে প্রথম দফা নির্বাচন থেকে শুরু করে এপর্যন্ত অস্থিরতা বিরাজ করছে।তবে আগামী ৭ই মে এঅস্থিরতার অবসান ঘটতে চলেছে । সূতরাং নির্বাচনের প্রভাবে কি ঘটতে পারে সেটায় এখন দেখার বিষয়।তবে ক্ষুদ্র জ্ঞানের উপলব্ধি থেকে ব্যাক্তিগত মূল্যায়নটি আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। - ফান্ডামেন্টাল মূল্যায়ন উভয় প্রাথীর নির্বাচনী বক্তব্য,প্রতিশ্রুতি ও ব্যাক্তিগত জীবন মূল্যায়ন করলে এটা প্রতিয়মান হয়ে যে ইউরোপীয়পন্থী ম্যাক্রোঁ নির্বাচিত হলে সেটা হবে ইউরোপের জন্য কল্যানকর।কারন ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন একজন অর্থমন্ত্রী। তিনি নির্বাচিত হলে বর্তমান ইউরোজোনের অভিবাসন,অর্থনীতি ও ফরাসি নাগরিকদের ভবিষ্যত ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ন রাজনৈতিক ইস্যুগুলোর সমাধান হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। - আপর দিকে ৪৮ বছর বয়সী ন্যাশনাল ফ্রন্ট পার্টির নেতা লা পেন নির্বাচিত হলে ইউরোপ চরম সংকটে পড়বে বলে ধারনা করছেন অনেকেই। কারন তিনি হচ্ছেন কট্টর ডানপন্থী নেতা। তিনি বর্তমানে ইউরোজোনের অনেক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কট্টর বিরোধী।তার মতাদর্শ হচ্ছে সংস্কার বা নতুন করে সাজাও।যা ইউরোপের চলমান রাজনৈতিক ইস্যু সহ বিভিন্ন সেক্টরে বিরাজমান অস্থিতিশীলতাকে আরো উস্কে দিতে পারে।তবে আশ্চর্য জনক বিষয় হচ্ছে প্রথম দফার নির্বাচনে ম্যাক্রোঁ ২৩.৫৪ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রথম স্থানে এবং লা পেন ২২.৩ শতাংশ ভোট পেয়ে ২য় স্থানে অবস্থান করছেন ।এক কথায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই যাকে বলে এখানে কোন পক্ষ কে এগিয়ে দেয়া যাচ্ছে না। - ফান্ডামেন্টালের এপিঠ ওপিঠ বিগত দিনে ঘটে যাওয়া দুই দুইটি রাজনৈতিক ইস্যুর দিকে যদি আমরা তাকাই তবে একথা প্রতিয়মান হয় যে নির্বাচনী বিশ্লেষন ততটা প্রতিফলিত হয়না যেমনটি আমরা দেখেছি ব্রেক্সিট ও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে। কারন অনেক বিশ্লেষকের ব্রেক্সিট মূল্যায়ন ছিল পজিটিভ এমন কি ব্রেক্সিটের জন্য আন্দোলনকারীগনও এটা প্রত্যাশা করেনি যা পাউন্ডের ইতিহাসে ঘটে গেছে।ঠিক একই ভাবে আমেরিকা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প কে অর্থনীতির জন্য আশনি সংকেত হিসাবে তুলে ধরা হয়েছেল। কিন্তু পরবর্তিতে যা ঘটেছে তা সবারই জানা আছে। সূতরাং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ম্যাক্রোঁ ও লা পেন কে নিয়ে আমাদের যে কোন মূল্যায়ন মুদ্রা বাজারে প্রতিফলিত নাও হতে পারে।সূতরাং নির্বাচন পরবর্তিতে মার্কেট গেপ দিয়ে ওপেন হবে এই প্রত্যাশায় কারো প্ররোচনায় পড়ে উদ্ভট চিন্তা ভাবনা ও উত্তেজনা পরিহার করতে হবে। ফ্রান্সের নির্বাচনে আমাদের ট্রেডিং কৌশল কেমন হতে পারে? ********************************************************* হুম,আমরা অবশ্যই একটি রক্ষণাত্মক কৌশলে মার্কেটে প্রবেশ করতে পারি। যা তুলনা মূলক ভাবে অনেক বেশি নিরাপদ ও লাভজনক।তবে এটি লং টার্ম ট্রেডারদের জন্য প্রয়োজ্য । - প্রথম ধাপঃ ট্রেডিং কৌশল টি বুঝতে প্রথমে আপনার মেটা ট্রেডার সফটওয়্যার টি ওপেন করুন। অতপর EUR/USD (D1) চার্টের দিকে তাকান। উক্ত মুদ্রা জোড়ে আপনি তিনটি প্রাইজে হরিজ্যান্টাল লাইন বাসান। প্রথম প্রাইজঃ 1.13000 (স্ট্রং সাপ্লাইজোন) দিত্বীয় প্রাইজঃ 1.0870 (বর্তমান অবস্থান) তৃতীয় প্রাইজঃ 1.0370 (স্ট্রং ডিমান্ড জোন) দ্বিতীয় ধাপঃ এক্সচেঞ্জ রেট যদি 1.0870 (দ্বিতীয় প্রাইজ)এর নিচে নেমে আসে তবে মূল্য পতনের সম্ভাবনা বেশি থাকবে।অর্থাৎ মার্কেট ডিমান্ড লেভেল কে টার্গেট করতে পারে।বিপরিতে সাপ্লাইজোন কে টার্গেট করতে পারে।তাই এনএফপি প্রভাব চলাকালীন আপনি রক্ষনাত্তক অবস্থানে ট্রেড করবেন এবং প্রাইজ মনিটরিং করবেন। তৃতীয় ধাপঃ আপনি ইউএস সেশন ক্লোজ হওয়ার আধা ঘন্টা পূর্বে অর্থাৎ মার্কেট অফ হওয়ার অধা ঘন্টা বা ২০ মিনিট পূর্বে প্রাইজ মূল্যায়ন করে ২/১ হেজিংয়ে যেতে পারেন। অর্থাৎ যদি মার্কেট 1.0870 থেকে 1.0950 এই রেঞ্জে উর্ধমুখী প্রভাবে থাকে তাহলে আপনি ০.০২ ভলিয়মে লং পজিশন গ্রহন করতে পারেন। এক্ষেত্রে মার্কেট গেপ হলে ১.১৩০০ পর্যন্ত প্রথামিক ভাবে গেফ হতে পারে। পাপাশাপাশি ০.০১ এ একটি শর্ট পজিশনও কার্যকর করতে হবে।যেন বিপরিত কিছু হলে অন্তত ৫০% বেকাপ থাকে।আর যদি প্রাইজ 1.0870-র নিচে পড়ে যায় তাহলে একই নিয়মে ২/১ এ শর্ট পজিশন গ্রহন করবেন।পাশাপাশি একটি লং পজিশনও। চতুর্থ ধাপঃ এক্সচেঞ্জ রেট গেপ আপ বা ডাউন যাইহোক না কেন উক্ত দুটি লেভেলের ভিতরেই থাকার সম্ভাবনা বেশি। সূতরাং যদি এক্সচেঞ্জ রেট ১.১৩০০ পর্যন্ত চলে যায় এবং আর উঠার সম্ভাবনা দেখা না যায় তবে আপনি লং পজিশন ক্লোজ করে দিতে পারেন এবং ১.১৩০০ বা ১.১৪০০ রেঞ্জ থেকে প্রাইজ অ্যাকশন ফলো করে চলমান থাকা লস ট্রেডের ভলিয়ম অনুযায়ী একটি রিভাঞ্জ নিতে পারেন। পঞ্চম ধাপঃ যদি ২/১ ভলিয়মের মধ্যে ২ লসে চলে যায় তাহলে প্রাইজ এ্যাকশান ফলো করে ১ ক্লোজ করে দেয়ার পর মার্কেট মূল্যায়ন করে পুনরায় একটি রিভাঞ্জ নিতে হবে সেইম ভলিয়মে (০.০১) এক্ষেত্রে ভলিয়ম বাড়ানো যাবেনা কারন যদি মার্কেট আপনার বিপরিতে চলে যায় তখন আপনি কোন প্রকার লাভবান হচ্ছেন না। তখন রিস্কের পরিমান বেড়ে যাবে।কিন্তু যদি আপনি সেইম ভলিয়মে কন্টিনিউ করেন তবে আপনি লং টাইম ট্রেডটি ধরে রাখতে পারবেন। প্রশ্নঃ 1.0870 এ প্রাইজ রিকভারের সম্ভাবনা কতটুকু ? উত্তরঃ যারা ১০০০ ডলারে ১% রিস্কে ট্রেড করেন তাদের জন্য এখানে ঝুঁকির কিছুই নেই। আর 1.0870 এ প্রাইজটি আগে পরে রিটেস্ট হবে এতে কোন সন্দেহ নেই। কারন এটি ইউরোর জন্য বর্তমানে একটি মিডেল পয়েন্ট।যা হেজিংয়ের জন্য উপযু্ক্ত। উল্লেখ্য যে এই কৌশলে ট্রেড কেবল তারাই করবেন যারা ফ্রান্সের নির্বাচনে কিছু রিস্ক নিতে চান। তবে যাদের স্বল্প বেলেন্স তারা নির্বাচন পরবর্তিতে মার্কেট ওপেনিং দেখে ট্রেডে প্রবেশ করবেন। তবে যদি সোমবারের মার্কেটে কোন গেপ না হয় তবে উচিত হবে মার্কেট ওপেন হওয়ার পর উভয় পজিশন ক্লোজ করে আপনার স্বাভাবিক স্ট্রাটিজিতে ট্রেড করা। নিরাপদ হোক সবার ট্রেডিং ------------------------------------- Md Mohabbat E Elahi Analytical Expert: Global Forex Market
  5. ব্যাংক সুদের হার বাড়াবে সেটাই ছিল স্বাভাবিক প্রেডিকশন যা প্রতিফলিত হয়েছে ৤ তবে মুদ্রাবাজারে প্রভাবটা বুলিশে গেলে কোন মূদ্রা কতটুকু প্রভাবিত হতে পারে সেটা উল্লেখ করেছি৤ আর প্রভাবটি যদি বেরিশ হয় তবে কোন মূদ্রা কোন স্থান পর্যন্ত যেতে পারে সেটাও উল্লেখ করেছি৤ পোস্টে দুটি দিকই বর্ননা করা হয়েছে৤ একক ভাবে কোন পক্ষ কে সমর্থ দেয়া হয়নি৤
  6. এনালাইসিস পরবর্তিতে মার্কেট ফলাফল৤ প্রেডিকশন শতভাগ সঠিক 01] EUR/USD: High 1.0714( yes) 02] USD/JPY: Low 113.60 (yes) 03] USD/CHF: Low 1.0000(yes) 04] USD/CAD: Low 1.3333(yes)
  7. ১৬,০৩,২০১৭ বৃহস্পতিবার , আজ রাত ১২ টায় Federal bank reserve-এর Bank interest rate ঘোষনার একটি বিশেষ মূহুর্ত৤ চলতি বছরের শুরুতে ফেডের প্রধান প্রফেসর ড.ইলিয়ান ফেডের ব্যাংক সুদের হার ০.৫০% থেকে ০.৭৫% এ বৃদ্ধির সময় ঘোষনা করেছিলেন যে চলতি বছরে অর্থাৎ ২০১৭ সালে আরো তিন দফায় ব্যাংক সূদের হার বাড়ানো হবে৤ সে হিসাবে আজকের FOMC মিটিং খুবই তাৎপর্যপূর্ন হিসাবে বিবেচনা করছি৤ কারন গত মিটিংয়ে তারা ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা কে এগিয়ে রেখেছিলেন চলতি মাসের জন্য৤ তাই আজ কে ফেড এবিষয়ে চূড়ান্ত একটি ফলাফল অবশ্যই প্রকাশ করবেন এটাই প্রত্যাশা৤ কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ফেডের ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা কতটুকু ? যদি আমরা বিগত দিনের ইকোনমিকেল ইভেন্টস বা কী ইভেন্টসের দিকে তাকায়, তবে ‍ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৯৮% বললেই চলে৤ এক্ষেত্রে আমরা তাদের বিশেষ দুটি Key indicators কে মূল্যায়ন করতে পারি৤ যেমন NFP (Nonfarm Payrolls) ও Unemployment Rate US Department of Labor কতৃক পরিবেশিত Nonfarm Payrolls-এ দেখানো হয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে কারখানা, স্বাস্থ্যসেবা খাত, খনি ও নির্মাণ খাতে দুই লাখ ৩৫ হাজার (235K) নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে যা প্রত্যাশা করা হয়েছিল 190K. এছাড়া জানুয়ারি মাসেও দুই লাখ ৩৮ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল এসব খাতে৤ ফলে বর্তমানে তাদের বেকারত্বের হারও ৪.৮% থেকে ৪.৭% এ নেমে এসেছে ৤ এক কথায় ২০১৭ অর্থ বছরের প্রথম ২ মাসে তারা যে সাফল্য পেয়েছে তাতে এটা পরিষ্কার যে, মার্কিন অর্থনীতি ট্রাম্প যোগে ভালই এগিয়ে যাচ্ছে৤ সূতরাং ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির পূর্ব ঘোষিত বিষয়টি আজকে প্রতিফলিত হবে এটাই স্বাভাবিক এবং ২০১৭ অর্থ বছরে ব্যাংক সূদের হার বৃদ্ধির এটাই উপযুক্ত সময় যা হতে পারে 0.75% থেকে 1.00% ট্রেডিং মার্কেটে এর প্রভাব কি পড়তে পারে ? ফান্ডামেন্টাল মূল্যায়নে মার্কিন ডলার এগিয়ে আছে এবং টেকনিক্যাল মূল্যায়নেও মার্কেটে ডলারের প্রভাব পরিষ্কার৤ সে দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা মেজর কয়েকটি মূদ্রাজোড়ের জন্য বিশেষ কিছু লেভেল ফিক্সড করতে পারি৤ যেমন 01] EUR/USD : Low Target 1.0530 02] GBP/USD: Low Target 1.2000 03] USD/CAD: Up 1.3600 কিন্তু যদি FOMC (Federal Open Market Committee) ভাল কোন স্টেটমেন্ট দিতে না পারে ,তবে মার্কিন ডলার ট্রেডার সেন্টিমেন্টে কিছুটা পিছিয়েও যেতে পারে ৤ এক্ষেত্রে আমরা বিশেষ কয়েকটি মূদ্রাজোড়ের অবস্থান কি হতে পারে তার একটি টার্গেট সেট করতে পারি ৤ যেমন 01] EUR/USD: High 1.0714 02] USD/JPY: Low 113.60 03] USD/CHF: Low 1.0000 04] USD/CAD: Low 1.3333 সর্বপরি আজকের US TRADING SESSION-টি ট্রেডার হিসাবে আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ৤ পাশিপাশি আগামীকাল টকিও সেশনও সমান গুরুত্ববহন করছে৤ তবে ট্রেডিং সাপ্তাহের আগামী দুইদিনে মূদ্রাবাজারে অনেক উত্থানপতন হতে পারে যা ভাল একটি প্রফিটের সম্ভাবনা কে এগিয়ে দেয়ার পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকিকেও তরান্বিত করছে৤ সূতরাং ছোট ইনভেস্টরগন মার্কেটে খুবই সতর্ক ভাবে প্রবেশ করবেন এই প্রত্যাশা৤ -------------------- Md Mohabbat E Elahi Analytical Expert: Global Forex Market Admin:Forex online training academy Bangladesh.
  8. পোস্ট সম্পর্কিত কিছু জানতে রিপ্লাই করতে পারেন। তবে ব্যাক্তিগত ভাবে কিছু জানার থাকলে পার্সোনাল মেসেজ করতে পারেন, পোস্টের অধীনে নয়।
  9. সম্মানিত পাঠক, Forex business guide উক্ত টপিকে আজকে আমি আপনাদের সাথে ফরেক্স ক্যারিয়ার ও বিজনেস গাইড বিষয়ক একটি আলোচনা শেয়ার করছি। তবে এটি হচ্ছে আমার ব্যাক্তিগত অভিব্যক্তি যা আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। চলুন তাহলে আমরা আলোচনা শুরু করি।ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে আমরা যারা পূর্বে থেকে আবগত আছি তারা অবশ্যই বেসিক বিষয়গুলোর সাথে পরিচিত।সূতরাং বেসিক আলোচনা দিয়ে অযথা আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট করতে চাই না। অতএব কথা না বাড়িয়ে কয়েকটি প্রশ্নের মাধ্যমে আলোচনা শুরু করা যাক। প্রশ্নঃ১. ফরেক্স মার্কেট ও ফ্রিল্যান্সিং (আউটসোর্সিং) কি একই বিষয় নাকি এখানে ভিন্নতা আছে? উত্তরঃ ইন্টারনেট ভিত্তিক যে কোন স্বাধীন কর্ম কে ফ্রিল্যান্সিং বলে। ফ্রিল্যান্সিং শুধু মাত্র বিদেশী কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক কর্মের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। অতএব যদি আপনি ঘরে বা অফিসে বসে দেশিও কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হয়েও কাজ করেন তবে সেটাও ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং)হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলোতে কাজ পেতে কোন বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়না। প্রয়োজন হয় শুধুমাত্র অতীতের কিছু সফলতার প্রমান বা দক্ষতার প্রুফ।যার কারনে নবগতদের জন্য এটি খুবই চ্যালেঞ্জিং মার্কেট প্লেস। পক্ষান্তরে ফরেক্স হচ্ছে বিনিয়োগ নির্ভর ট্রেডিং প্লেস। এটি বিজনেস, যাকে বলা হয় ট্রেডিং অর্থাৎ যেখানে ক্রয়-বিক্রয় বিদ্যমান। সূতরাং স্বাধীন কর্মক্ষেত্র হিসেবে ফরেক্স ফ্রিল্যান্সিং শব্দের আওতাভুক্ত হলেও বস্তুত উভয়ের মাঝে বিশাল ফারাক বিদ্যমান। প্রশ্নঃ২. ফরেক্স ক্যারিয়ার কি শুধু মাত্র সফটওয়্যার কেন্দ্রিক, ফরেক্স মার্কেট প্লেস কি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার হতে পারে? উত্তরঃ এ প্রশ্নের উত্তরে ব্যাক্তিগত ভাবে আমি ফরেক্স মার্কেটের বিশালতা নিয়ে আমাদের যুব সমাজ কে ভাবতে অনুরোধ করব।কারন আমাদের মাঝে একটি ভুল ধারনা প্রচলিত আছে যে “ফরেক্স মার্কেটে ট্রেডিং ছাড়া উপার্জনের ভিন্ন কোন সুযোগ নেই” । আমার ব্যাক্তিগত অভিব্যক্তি হচ্ছে এ ধারনাটি শুধু মাত্র অজ্ঞতার পরিচয় বাহক।কারন ফাইভ ট্রিলিয়ন মার্কেট কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বহুমুখী আয়ের উৎস সম্পর্কে আমাদের সঠিক ধারনা না থাকার ফলে এমনটি ধারনা পোষণ করা লোকের সংখ্যা প্রায় ৯৮% । অথচ ফরেক্স মার্কেট কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা এসব আয়ের উৎস সম্পর্কে যদি আমাদের পর্যাপ্ত পরিমান জ্ঞান থাকতো তবে শুধু মাত্র ট্রেডিং কেন্দ্রিক চিন্তার জগতকে সীমিত না রেখে আমরা সে সব উৎস নিয়েও কাজ করে প্রচুর বৈদেশিক মূদ্রা আয় করতে পারি। অথচ সে দিকে অমাদের কোন দৃষ্টি নেই। আমরা ফরেক্স বলতে শুধু মাত্র মেটাট্রেডার সফটওয়ারের দিকে তাকিয়ে থাকাকেই বুঝি। আমাদের ট্রেডারগন এর বাইরে চিন্তাই করতে পারছেনা। এটা অবশ্যই হতাশাজনক। প্রশ্নঃ-৩. ফাইভ ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কেট প্লেসে একজন ট্রেডারের শুরু কি ভাবে হওয়া উচিত ? ব্যাক্তিগত ভাবে আমার পরামর্শ হচ্ছে, যারা ফরেক্স কেন্দ্রিক ক্যারিয়ার গড়ার কথা ভাবছেন তাদের প্রথম কাজ হচ্ছে কোন অভিজ্ঞ ট্রেডারের শরণাপন্ন হওয়া এবং তার নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করা।এজন্যে যারা অভিজ্ঞ ও প্রফেশনাল ট্রেডার, ট্রেডিং জীবনে যারা পিছিয়ে যায়নি, যাদের সফলতার স্বাক্ষর আছে, তাদের হাতে নিজেকে অর্পণ করা। অন্যথায় ফরেক্স মার্কেটে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক ব্যাক্তি কে অথৈ সাগরে বৈঠা বিহীন নাবিকের ভাগ্য বরণের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। প্রশ্নঃ-৪. অধিকাংশ ফরেক্স ট্রেডার ঝরে যাওয়ার পেছনে কারন কি ? উত্তর: শুধু ফরেক্স মার্কেট নয় বরং ফ্রিল্যান্সিং জগতেও বিশাল একটি অংশ ঝড়ে পড়ছে। তবে যেসব কারনে ফরেক্স ট্রেডারগন ট্রেডিং মার্কেট থেকে ঝড়ে যায় তা নিম্মে উল্লেখ করছি। ০১) সমন্বয়ের অভাব। অর্থাৎ পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে ব্যর্থ হওয়া ।ফলে নিজের মত চলতে গিয়ে অধিকাংশ নবীন এ মার্কেট থেকে ঝড়ে পরে। ০২) আত্মঅহমিকা বা অহংকার। অর্থাৎ “আমি কি কম বুঝি” “অনলাইনে সব কিছুই আছে সূতরাং অন্যের শরণাপন্ন হতে হবে কেন”? ০৩) ট্রেডিং সিগনাল বা রোবটের পিছনে দৌড়ানো। বর্তমানে আমাদের মাঝে অনেক ভাই এমন আছেন, যারা এসবের পিছনে দৌড়ান। আবার কেউ কেউ নাকি বিদেশ থেকে সিগনাল হায়ার করে আনেন …! অবাক হচ্ছেন ? অবাক হওয়ার কিছু নেই এমন লোকও আমাদের মাঝে আছেন। আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে, যে সব লোকের সিগনালে তারা ট্রেড করেন,মাইএফএক্সবুক বা ফরেক্স ফ্যাক্টরিতে এসব ট্রেডারের ব্যাক্তিগত কোন প্রোফাইলই নেই । আছে শুধু একটি ফেইক ফেইসবুক আইডি ও ছবি। যা দেখলে মনে হবে বিশাল ফরেক্স গুরু। বস্তুত এটা শুধু মাত্র নিছক ছলনা। এছাড়া আমাদের বড় একটি সমস্যা হচ্ছে আমরা মনে করি আমাদের দেশে ভাল কোন ট্রেডার নেই। সবায় ভুয়া,ট্রেড বুঝেনা। ফলে একটু বিদেশী কারো নাম শুনলে হুমড়ি খেয়ে পড়তে আর দেরি হয়না। অনেকটা এনার্জি ড্রিংক স্পীড কোম্পানীর বিজ্ঞাপনের মত। দে দৈড়……. ৪) সঠিক বিজনেস কন্সেপটের অভাব। অর্থাৎ মার্কেট গভীরতা বুঝতে ব্যর্থ হওয়া। এজন্য ব্যাক্তিগত ভাবে আমি সকল ফরেক্স ট্রেডার কে সাজেস্ট করি তারা যেন নিজেদের মধ্যে একটি গ্রুপ তৈরি করে নেয়। অথবা কোন প্রফেশনাল ট্রেডারের সহচর্য গ্রহন করে। কারন সহচর্য ছাড়া ভাল কিছু অর্জন করতে অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে যা অনেকের জন্য দুষ্কর। --> এখন প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে আপনি কি কারো সহচর্য গ্রহন করেছেন বা করেছিলেন ? উত্তর: না, কারন ২০০৯ বা ১০-এ যারা ফরেক্স ট্রডিং শুরু করেছিল তাদের কে সাপোর্ট দেয়ার মত কোন লোকই ছিলনা, যারা এ বিষয়ে গভীর জ্ঞান রাখতো। বরং তখনকার সময়টা এমনই ছিল যে, একটি ডেমো একাউন্ট খোলার নিয়ম যে জানত অথবা নো-ডিপোজিট বোনাস নিয়ে দেয়ার সিস্টেম যে জানত, সেও টাকা চেয়ে বসে থাকতো।অর্থাৎ সে সময়টি ছিল অজ্ঞতার রাজত্ব। অনেকটা আদিম যুগের মত, যে যার মত করেই বাচ ।এজন্যই ট্রেডিং জীবনে অধিক ত্যাগ শিকার করতে হয়েছে। এবং অপ্রত্যাশিত অনেক জটিলতার মুখোমুখি হয়েছি।কোন হেল্পলাইন ছিল না। প্রশ্নঃ-৫. ফরেক্স ক্যারিয়ারের পূর্ণাঙ্গ সাজেশন কিভাবে পাওয়া যেতে পারে ? উত্তর: বর্তমানে বাংলাদেশে অনেকেই ফরেক্স ট্রেডিং শিখিয়ে থাকেন । তারা অবশ্যই নির্দিষ্ট একটি ফরমেট বা সিলেবাসে ট্রেনিং অফার করে থাকবে। সূতরাং যদি সার্বিক বিবেচনায় তার ট্রেনিং ফরমেট টি আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য হয় তবে আপনি তার হাত ধরেই এজগতে প্রবেশ করতে পারেন। তিনি অবশ্যই আপনাকে সার্বিক বিষয়ে সাজেষ্ট করবে। কারন তিনি এজগতে ক্যারিয়ার গড়েছেন। প্রশ্নঃ-৬. ফরেক্স মার্কেট থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি কি এবং এটি কতটুকু সম্ভাবনাময় ? উত্তর: ফরেক্স হচ্ছে ডি সেন্ট্রালাইজড মার্কেট। এ বিজনেসের ব্যাপ্তি বিশ্বব্যাপী। ইউরোপ, আমেরিকা অস্ট্রেলিয়া,আরব বিশ্ব,চীন সহ সমগ্র বিশ্বের উন্নত দেশে এটি উম্মোক্ত।এমনকি টোকিও,লন্ডন,নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ ট্রেডারগন পর্যন্ত ফরেক্স ট্রেডিং এর সুবিধাগুলো বিবেচনা করে ট্রেডিং পেশা হিসাবে ফরেক্স মার্কেট কেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।ফলে ব্যাংক ডিপোজিট সহ সার্বিক কার্যক্রম তারা উম্মোক্ত ভাবে করতে কোন প্রকার অসুবিধার সম্মুক্ষীণ হচ্ছেনা। যদিও কোন দেশে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে এ বিজনেসের বৈধতা দেয়া হয়নি।তথাপি ডি সেন্ট্রালাইজড মার্কেট হিসাবে এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় একটি ট্রেডিং মার্কেট।যার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বি। সে দৃষ্টিকোন থেকে আমরা বাংলাদেশী ফরেক্স ট্রেডারগন পিছিয়ে আছি। কারন বাংলাদেশী ফরেক্স ট্রেডারগন এখনো ডিপোজিট এবং উইথড্রর ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সুবিধা বঞ্চিত।ফলে বাংলাদেশী ফরেক্স ট্রেডারদের ই-ওয়ালেট হিসেবে পরিচিত স্ক্রীল,নেটেলার ও পে-অনারের মত পেমেন্ট মেথড ব্যাবহার করে লেনদেন করতে হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশী ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য যদি ব্যাংকিং সেবাটি চালু করা যেত তবে এ সেক্টর থেকে উপার্জিত ফরেন কারেন্সির নির্দিষ্ট হিসাব করা যেত। যা দেশের অর্থনীতিতে অকল্পনীয় অবদান রাখতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করি। এ বক্তব্যের যৌক্তিকতা হিসাবে ফরেক্স মার্কেটে আমি আমার ব্যাক্তিগত অবস্থানের কথা উল্লেখ করতে পারি। যেমন ২০১৫ থেকে ২০১৬ অর্থ বছরে শুধুমাত্র ট্রেডিং সেক্টর থেকে সর্বমোট আয়ের পরিমান ছিল প্রায় ১৬,০০০/= মার্কিন ডলার। যদিও ট্রেডিং ক্যারিয়ারে আমি পকেট থেকে কোন অর্থ বিনিয়োগ করিনি এবং সে সামর্থ্যও ছিলনা।এটি হচ্ছে হাজার হাজার ফরেক্স ট্রেডারের মাঝে একজন সিঙ্গেল ফরেক্স ট্রেডারের অর্জন। বর্তমানে ফরেক্স নিয়েই আমার ক্যারিয়ার । ২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ১ মাস ,১ সাপ্তাহ,১ দিন বা এক ঘন্টার জন্যও কোথাও চাকুরি করতে যায়নি এবং আজ পর্যন্তও না । সূতরাং চিন্তা করে দেখা উচিত, ফ্রিল্যান্সিং ক্যরিয়ার আমাদের কি দিতে পারে ? এবং সার্বিক ভাবে কত ডলার এ সেক্টর থেকে বাংলাদেশী ফরেক্স ট্রেডারগন আয় করার সুযোগ রয়েছে? এজন্য আমি ব্যাক্তিগত ভাবে বিশ্বাস করি যদি বাংলাদেশী ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য নিজস্ব একটি ব্রোকার প্রতিষ্ঠিত করে ব্যাংক সুবিধা দেয়া হয়। তাহলে শেয়ার মার্কেটের চেয়েও এ সেক্টরে মানুষ অনেক বেশি উপকৃত হতে পারবে। কারন ফরেক্স মার্কেট হচ্ছে একটি স্বচ্ছ ও নির্ভেজাল ট্রেডিং প্লাটফর্ম।যা হতে পারে হতাশাগ্রস্ত স্টক মার্কেট ট্রেডারদের জন্য বিশাল প্রাপ্তি। পাশাপাশি গ্লোবাল ফরেক্স ট্রেডাদেরও আমরা আমাদের দেশীয় ব্রোকারে ট্রেডিং সুবিধা দিতে পারি।এতে করে বৈদেশিক বিনিয়োগ সংগ্রহের বিশাল সম্ভাবনা তৈরি হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। এর জন্য আমি মনে করি উন্নত রাষ্ট্রগুলো থেকে পরিচালিত ব্রোকার গুলোর সার্বিক কার্যক্রম অনুসরণ করা বা তাদের পরামর্শ গ্রহনের মাধ্যমে বৃহৎ এ জনগোষ্ঠীর জন্য একটি সম্ভাবনার দ্বার উম্মোক্ত করা। পাশাপাশি একটি নীতিমালা তৈরি করে বিষয়টির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। http://www.myfxbook.com/members/Mohabbatelahi প্রশ্নঃ-৭. বাংলাদেশে ফরেক্স মার্কেটের জন্য অশুভ শক্তি কারা এবং পরিত্রাণের উপায় কি ? উত্তর: বাংলাদেশে ফরেক্স মার্কেট কে বিতর্কিত করতে কিছু অসাধু ব্যাক্তি ফরেক্স মার্কেট কে এমএলএম বানানোর চেষ্টায় লিপ্ত আছে । এরা প্রকৃত পক্ষে অনলাইনে হাইপ,বেটিং সহ বিভিন্ন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ প্রজেক্টগুলো নিয়ে কাজ করে। যখন যেটা পায় তখন সেটা নিয়ে তারা মাঠে নামে। সূতরাং এ বিষয়ে ট্রেডারদের এগিয়ে আসা উচিত এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা উচিত। যেন অনলাইন ইনকামের নামে মানুষ চুন কে দধি না ভাবে, আর দধি কে চুন না ভাবে। আজ এপর্যন্ত, দীর্ঘ সময় নিয়ে পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ। ------------------------------ Md Mohabbat E Elahi Admin: Forex online training academy.
  10. প্রথমে আপনি আমার চার টি প্রশ্নের উত্তর দিন এক. ফান্ডামেন্টাল বলতে আপনি কি বুঝেন ? এবং এটি কিভাবে তৈরি হয় ? দুই. ফান্ডামেন্টাল প্রেডিক্ট এবং রিফ্লেকশন কিভাবে হয় ? তিন. ফান্ডামেন্টাল এক্সপেক্টেশন এবং মার্কেট রিয়ালিটি রেট্রো হতে পারে কি ? চার. ফরেক্স এবং সি এফ ডি ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্টে বুলিশ বেরিশ কিভাবে নির্ধারিত হয় ?
  11. জ্বনাব, আপনার প্রশ্নের উত্তরঃ১ মেজর ৭ টি মূদ্রা জোড়ে শুধু GBP/USD-তে মার্কিন ডলার বুলিশ ছিল এবং বুলিশ হওয়ার কারনও পয়েন্ট-২ তে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অপর দিকে বাকি ৬টি মেজর মুদ্রা জোড়ে মার্কিন ডলার বেরিশ ছিল। সূতরাং একটি কারেন্সি পেয়ার দিয়ে যদি আপনি আমার প্রেডিকশন মূল্যায়ন করেন তবে সেটা হবে চরম মূর্খতা। উত্তরঃ২ এছাড়া সব চেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে গত সাপ্তাহে পাউন্ড মার্কেটের দিকেই ছিল ট্রেডারদের বিশেষ ফোকাস। যা ই-ইভেন্টস পরবর্তিতে দারুন এক শর্ট এন্ট্রির সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু যদি আপনি ভুল এন্ট্রি নিয়ে থাকেন তবে সেটা হবে আপনার অনভিজ্ঞতা । কারন এত নিখুঁত এবং সুবর্ণ সুযোগ সাধারনত কোন ফরেক্স ট্রেডারই মিস করার কথা নয়। ------------------------------------ধন্যবাদ
  12. জ্বনাব, নিম্নোক্ত পয়েন্টগুলো আন্তরিক ভাবে খেয়াল করুন ও অন্তর দিয়ে পড়ুন। পয়েন্ট-১ মার্কিন ডলার বিষয়েঃ ফেডের ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধিকরন বিষয়ে আমার মূল্যায়ন ছিল “সূতরাং সার্বিক ইকোনমি মূল্যায়নে ফেড আজ কে ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়টি এড়িয়েও যেতে পারে ” যা শত ভাগ সঠিক হয়েছে। সূতরাং ভুলটি কোথায় জ্বনাব ? পয়েন্ট-২ পাউন্ড বিষয়েঃ “সে হিসাবে আগামীকাল পাউন্ডের ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। যদিও প্রত্যাশাটি বেশি হয়ে যাবে” অর্থাৎ ইউরোজোন থেকে বের হয়ে বৃটেন নিজেদের কে একটি আত্মনির্ভরশীল অবস্থানে নিয়ে যাওয়াটি অনেক চেলেঞ্জিং বিষয়। ফলে ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির মত বৃহৎ সিদ্ধান্ত তাদের জন্য অনেক বড় একটি ফ্যাক্ট। তবে এমন দুর্বল অবস্থায়ও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে স্লো ইকোনমিতে ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির একটি সম্ভাবনা থাকতে পারে। যদিও প্রত্যাশাটি অনেক বেশি হয়ে যাবে বলে আমি পোস্টে উল্লেখ করেছি। অবশ্য এ প্রত্যাশার পিছনে অন্যতম একটি কারন ছিল থেরেসা মে-র বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও উম্মোক্ত বাণিজ্য নীতি। কিন্তু ইকোনমি ঘোষণার সময় তারা পরিবর্তন বা ইকোনমি বিষয়ে পজিটিভ বক্তব্য দিতেও ব্যর্থ হয়েছে। ফলে পাউন্ড BOE's Governor Carney speech পরবর্তিতে পতন হয়েছে। পয়েন্ট-৩ “চলতি ইভেন্টস সমূহ কে কেন্দ্র করে সার্বিক মূল্যায়নে আমি মার্কিন ডলারের বিপক্ষে থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। পাশাপাশি ভোলাটিলিটি বিবেচনায় নতুনদের জন্য চলতি সাপ্তাহর চেয়ে আগামী সাপ্তাহ কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। সূতরাং মার্কেট বিশ্লেষনে যারা অনভিজ্ঞ তাদের জন্য আগামী সাপ্তাহে ট্রেড করাটি অনেক বেশি নিরাপদ । কারন চলতি ইভেন্টস সমূহে মার্কেট প্রেডিক্ট করা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং যা কেবল প্রফেশনাল ট্রেডারদের পক্ষেই সম্ভব” এখানে একটি বিষয় খেয়াল করুন। আমি বলেছিলাম, “চলতি ইভেন্টস সমূহ কে কেন্দ্র করে সার্বিক মূল্যায়নে আমি মার্কিন ডলারের বিপক্ষে থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে” অর্থাৎ মার্কিন ডলারের বিপক্ষে থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহনের কথাটি জানিয়েছিলাম। পাশাপাশি এটাও বলেছিলাম যে “ভোলাটিলিটি বিবেচনায় নতুনদের জন্য চলতি সাপ্তাহর চেয়ে আগামী সাপ্তাহ কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি” কারন “চলতি ইভেন্টস সমূহে মার্কেট প্রেডিক্ট করা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং যা কেবল প্রফেশনাল ট্রেডারদের পক্ষেই সম্ভব” সূতরাং ভুলটি কোথায় জ্বনাব ? পযেন্ট-8 গত সাপ্তাহের মার্কেট ক্লোজিং দেখুন। মার্কিন ডলার বুলিশ নাকি বেরিশ ? আমার ট্রেডিং প্লাটফর্মে আমি এভাবে দেখছি । EUR/USD weekly closing Bullish AUD/USD weekly closing Bullish NZD/USD weekly closing Bullish USD/JPY weekly closing Bearish USD/CAD weekly closing Bearish USD/CHF Weekly closing Bearish সূতরাং উক্ত মূদ্রাযুগলে আপনি কিভাবে মার্কিন ডলারের বিপক্ষে থেকে লস করেছেন জ্বনাব ? পয়েন্ট-05 ইকোনমি মূল্যায়নের পর আমার ব্যাক্তিগত ট্রেডিং অবস্থান দেখুন । প্রতিটি ট্রেডেই আমি গ্রীন পিপস মেক করতে সক্ষম হয়েছে। ট্রেডিং পজিশন,ওপেনিং তারিখ,ক্লোজিং প্রাইজ ও তারিখ মিলিয়ে নিন। সূতরাং ট্রেডিং প্লাটফর্মে ফিরে যান নিজের ভুল খুজে বের করুন।
  13. Fed's Monetary Policy Statement & Nonfarm Payrolls বিগত দিনের মত বরাবরই আজকে প্রকাশিত হবে Fed's Monetary Policy Statement ও ব্যাংক সূদের হার। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের শাসনামলের প্রথম Fed's Monetary Policy Statement হিসেবে আমাদের জন্য ইভেন্টসটি অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ন। তবে ফেডের মনিটরি পলিসি সহ গুরুত্বপূর্ণ অন্য তিনটি ইভেন্টস রয়েছে চলতি ট্রেডিং সাপ্তাহে যথা 01) BoJ Monetary Policy Meeting Minutes 02) BoE Interest Rate Decision 03) Nonfarm Payrolls - কিন্তু মুদ্রাবাজারে এর প্রভাব কেমন পড়তে পারে সেটাই আমাদের বিবেচনা করতে হবে। কোন মুদ্রাটি কতটুকু প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সে বিষয়ে ইকোনমি জার্নাল থেকে পরিসংখ্যান ভিত্তিক কয়েকটি Economical Events নিম্নে আলোচনা করছি। গত ১৬ ই ডিসেম্বর ২০১৫ সাল থেকে চলে আসা ব্যাংক সুদের হার ০.৫০% থেকে ফেড গত ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬-তে ০.৭৫% বৃদ্ধি করেছিল।পাশাপাশি ফেডের প্রধান ইয়েলেন তার প্রেস কনফারেন্সে পুনরায় ২০১৭ অর্থ বছরে তা পর্যায়ক্রমে আরো তিন ধাপে বৃদ্ধির বিষয়েও স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে হিসেবে ২০১৭ অর্থবছরের প্রথমাংশে অর্থাৎ আজ তারা কি ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি করবে ? - এ সম্ভাব্য বিষয়টি পর্যালোচনা করতে আমরা যদি তাদের বিগত দিনের Economical ইভেন্টসের দিকে তাকায় তবে এটা পরিষ্কার যে মার্কিন অর্থনীতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে বিগত দিনের তুলনায়। যেমন: ADP Employment Change যা ৫ জানুয়ারি ২০১৭- তে 170K থেকে 153K তে নেমে এসেছে (bearish). অপরদিকে US manufacturing sector এর ISM ৫৩.৫ থেকে ৫৪.৭-এ উন্নীত হয়েছে (Bullish) । অর্থাৎ US manufacturing sector-এর বিভিন্ন সেক্টরে যেমন future production, new orders, inventories, employment এবং deliveries সংক্রান্ত ISM সূচকটি সার্বিক ভাবে সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছে। সূতরাং উপরোক্ত দুটি ইভেন্টস মূল্যায়নে অনেকটাই মার্কিন ডলার স্বাভাবিক থাকবে যতক্ষণ না দুটিতেই বড় ধরনের পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। - পক্ষান্তরে যদি আমরা US labor department কর্তৃক প্রকাশিত Initial Jobless Claims এর দিকে তাকায় , তবে সে সেক্টরে তারা গত ২৬ জানুয়ারী ২০১৭ ভাল সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু NFP তে আবার ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে।কারন এ কী ইভেন্টসে তারা পছিয়েছে যদিও তাদের বেকারত্বের হার অপরিবর্তিত ছিল।যা একটি উর্ধমূখী ট্রেন্ড কে বাধা গ্রস্থ করে।এছাড়া তাদের সদ্য জিডিপিতেও তারা পিছিয়েছে। সূতরাং সার্বিক ইকোনমি মূল্যায়নে ফেড আজ কে ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়টি এড়িয়েও যেতে পারে এবং আরো একমাস তারা সার্বিক অবস্থার উন্নতির প্রতি দৃষ্টি আরোপ করতে পারে। - সে দৃষ্টিকোণ থেকে প্রফেসর ইলেয়েনের কাছ থেকে আজ ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধি না করে বরং এর সম্ভব্যতা নিয়ে সাধারন একটি ব্রিফ করার চেয়ে বেশি কিছু প্রত্যাশা করা যাচ্ছেনা। এছাড়া নবনিযুক্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টের নতুন সরকার গঠন ও নির্বাচনি ব্যস্ততার ফলে চলতি ইভেন্টসে ইকোনমিতে তেমন কোন পরিবর্তনের সম্ভাবনা কার্যত দেখা যাচ্ছে না। যদিও বিষয়টি সম্ভাব্য। - সূতরাং চলতি ইভেন্টস সমূহ মার্কেটে কেমন প্রভাব ফেলতে পারে ? -/-------------------------------------------------------------------/- অবশ্যই মার্কিন ডলার দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে যদি ফেড ভাল কোন অর্জন দেখাতে না পারে। তাছাড়া ট্রাম্পের বিভিন্ন রাষ্ট্রনীতি ও বক্তব্য কে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই মার্কিন ডলার অনেক চাপে রয়েছে যা আমরা স্পষ্টতই ট্রেডিং মার্কেটে দেখতে পাচ্ছি। তারই প্রমান হচ্ছে ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ার সময় মার্কেট যেখান থেকে পরিবর্তন হয়েছিল ক্ষমতা গ্রহনের পর আবার ধীরে-ধীরে মার্কেট সে অবস্থানেই চলে আসছে। অর্থাৎ ট্রাম্প নির্বাচিত হলে মার্কিন ডলার পতনের যে গ্লোবাল সেন্টিমেন্ট ছিল, ক্ষমতা গ্রহনের পর ঠিকই তা প্রতিফলিত হয়েছে। এছাড়া মার্কিন নির্বাচন পরবর্তিতে সমগ্র বিশ্বে ট্রাম্প বিরোধী যে প্রতিবাদ চলছে তা মার্কিন ডলার কে আরো বেশি দূর্বল করে দিতে সহায়তা করবে। কারন গ্লোবাল বিনিয়োগকারীরা ডলার রিজার্ভে ঝুঁকি নিতে চাইবেনা। - {BoJ Monetary Policy Meeting Minutes & BoE Interest Rate Decision } --/---------------------------------------------------------------------------------------/-- চলতি সাপ্তাহে ব্যাংক অব জাপানের ব্যাংক সূদের হার ঘোষণা হওয়ার পাশাপাশি মনিটরি পলিসিও ছিল। তবে মনিটরি পলিসিতে তেমন কোন বিশেষত্ব পরিলক্ষিত হয়নি। সম্ভবত তারা মার্কিন ডলারের চাপে থাকাটি কি আরো কয়েক মাস পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তি সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে। যদিও বর্তমানে জাপানিস মূদ্রা অনেকটাই রিকভার করতে সক্ষম হয়েছে। অপরদিকে পাউন্ড মার্কেটও অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে হার্ড-ব্রেক্সিট পরবর্তিতে পাউন্ড মার্কেট কিছুটা প্রাণ ফিরে পেয়েছে বলে মনে হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের বিগত দিনের কিছু Economical ইভেন্টসসে ইউরো জোনের সাথে থাকা না থাকার মত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সহ বিভিন্ন অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও তারা সার্বিকভাবে মন্থর গতিতে এগিয়েছে। সে হিসাবে আগামীকাল পাউন্ডের ব্যাংক সুদের হার বৃদ্ধির কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। যদিও প্রত্যাশাটি বেশি হয়ে যাবে। এছাড়াও থেরেসা মে উন্মুক্ত বাণিজ্য করনের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে চলেছে। তিনি প্রত্যাশা করছেন বৃটেন একটি বনিকের দেশ হিসেবে তাদের আগের পরিচিতি ফিরে আসুক যা অনেক চ্যালেঞ্জিং। তবে তার চোখে মুখে কিছুটা তৃপ্তির ভাব বা আত্মনির্ভর হওয়ার যে ছাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে তা কিন্তু বৃটিশ অর্থনীতির জন্য অনেক বেশি পজিটিভ। যদিও এর জন্য অনেক পথ তাদের পাড়ি দিতে হবে। - চলতি ইভেন্টস সমূহ কে কেন্দ্র করে সার্বিক মূল্যায়নে আমি মার্কিন ডলারের বিপক্ষে থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। পাশাপাশি ভোলাটিলিটি বিবেচনায় নতুনদের জন্য চলতি সাপ্তাহের চেয়ে আগামী সাপ্তাহ কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। সূতরাং মার্কেট বিশ্লেষনে যারা অনভিজ্ঞ তাদের জন্য আগামী সাপ্তাহে ট্রেড করাটি অনেক বেশি নিরাপদ । কারন চলতি ইভেন্টস সমূহে মার্কেট প্রেডিক্ট করা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং যা কেবল প্রফেশনাল ট্রেডারদের পক্ষেই সম্ভব। সূতরং যারা মার্কেট চ্যালেঞ্জে বিজয় হতে চান, তাদের জন্য ডিফেন্সিভ ওয়ে-তে অগ্রসর হওয়া খুবই যুক্তিযুক্ত হবে বলে মনে করছি। ---------------------------------------------------- Md Mohabbat E Elahi Analytical Expert: Global Forex Market Admin: Forex Training center in Bangladesh
  14. হার্ড নাকি সফ্ট- কোন ব্রেক্সিটের দিকে এগুচ্ছে বৃটেন? হার্ড নাকি সফ্ট- কোন ব্রেক্সিটের দিকে এগুচ্ছে বৃটেন? সে জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটতে চলেছে খুব শীগ্রই। আমরাও চেয়ে আছি থেরেসা মে’র সিদ্ধান্তের দিকে।তার এসিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে বৃটেন ও সমগ্র ইউরোপের ভবিষ্যত। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার প্রয়োজন অনুভব করছিনা । কারন কম-বেশি সকল ফরেক্স ট্রেডারই ইউরোজোনে চলমান সংকট বিষয়ে অবগত আছেন। তথাপি চলুন আমরা এ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত পরিসরে কিছু আলোচনা করি। */* হার্ড বা সফ্ট ব্রেক্সিট বলতে আমরা কি বুঝি ? উত্তরঃ হার্ড ব্রেক্সিট হচ্ছে ইইউ ত্যাগ করে নিজস্ব জাতিস্বত্বা ও জনগনের ভোটের প্রতি শ্রদ্ধা ও সংবিধান সমুন্নত রেখে “একলা চল” নীতিতে হাঁটা। অর্থাৎ এক্ষেত্রে ইইউ থেকে সর্ম্পূন বেরিয়ে যাওয়া।অপর দিকে সফ্ট ব্রেক্সিট বলতে আমরা বুঝি একক বাজার নীতি ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ন ইস্যুতে ইইউর সাথে ঐক্যবদ্ধ থাকা যা ইইউপন্থিদের দাবি। --/-- কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বৃটেন কোন পথে হাঁটবে সে বিষয়ে চুড়ান্ত ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত সঠিক কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র অতীত উক্তি হচ্ছে “ব্রেক্সিট ইজ ব্রেক্সিট” অর্থাৎ জনগণের রায় এড়িয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। সে দৃষ্টিকোন থেকে বৃটেন হার্ড ব্রেক্সিটের দিকেই এগুচ্ছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে বৃটেনের জন্য চরম হতাশা যে ইইউ থেকে সম্পূর্ন বেরিয়ে যাওয়া তাদের জন্য কখনো সুখকর হবেনা এবং তাদের কে এর জন্য অবশ্যই চড়া মূল্য দিতে হতে পারে, যা ইতোমধ্যেই আমরা পাউন্ডের অবস্থান দেখলেই বুঝতে পারি। তবে আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে পূর্বে যারা ব্রেক্সিটের বিষয়ে শক্ত অবস্থানে ছিলেন বর্তমানে তাদের অনেকেই এখন নিরব দর্শকের ভুমিকায়। অবশ্যই এর পিছনে অনেকগুলো যৌক্তিক কারনও রয়েছে যা বাস্তবায়ান করা বর্তমানে তাদের জন্য একটি কঠিন চ্যালেঞ্জও বটে। প্রাথমিক অবস্থায় তারা বিষয়টি যতটা সহজ হবে বলে বিশ্বাস করেছিল বর্তমানে তা শুধু মাত্র কল্পনাছাড়া আর কিছুই নয়। এক্ষেত্রে যে কয়েটি বিষয়ে আমরা দৃষ্টি দিতে পারি, ০১) অভিবাসন সমস্যা। ০২) অভিবাসিদের সস্তা শ্রমের ফলে নিজেদের বেকারত্বের হার বৃদ্ধি। ০৩) সিঙ্গেল কারেন্সি ব্যবহার অথবা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে অবাধ বাণিজ্যনীতি।যা হার্ড ব্রেক্সিট নীতি বিরোধী। ০৪) স্কটলান্ডের স্বাধীনতা ইস্যু মাথাচাড়া দিয়ে উঠা সহ ইত্যাদি সমস্যা ---//--- কিন্তু গুরুত্বপূর্ন এসব ইস্যু ছাড়াও বৃটেনের নিরাপত্তা ও ফরেন ফলিসিতে একক ভাবে মার্কিন নির্ভর হয়ে যাওয়াটিও তাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ । যা ইউরো জোনের ভিতর রাজনৈতিক সংঘাত সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। অতএব সার্বিক ভাবে এটা বলা কঠিন যে বৃটেন ইইউ থেকে হার্ড ব্রেক্সিটে বেরিয়ে খুব একটি সুবিধা করতে পারবে । তাছাড়া বর্তমান গ্লোবাল ক্রাইসিসে একচ্ছত্র মার্কিন আধিপত্য বিরাজ করার ফলে বৃটেন যদি মার্কিন নির্ভর হয়ে পড়েও তবে তা কখনো সুখকর হবেনা। এক্ষেত্রে উভয় মুদ্রার মাঝে অদূর ভবিষ্যতে পেয়ারিটিও সৃষ্টি করতে পারে। তবে বৃটেনের জন্য সান্তনা হলো মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ড.ট্রাম্প Times of London newspaper কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বৃটেনর ইইউ থেকে বেরেয়ে যাওয়া কে স্বাগতম জানিয়ে বলেছে “Trump said that Britain's exit from the European Union would turn out to be a great thing and promised to strike a swift bilateral trade deal with the United Kingdom” --/-- কারেন্সি ট্রেডারদের সতর্ক দৃষ্টি চলতি সাপ্তাহে একদিকে হার্ড ব্রেক্সিট,অপর দিকে ফেডের ব্যাংক সূদের হার বৃদ্ধি বিষয়ে আলোচনা ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহন-এর মত গুরুত্বপূর্ন ইভেন্টস সমূহ। যা ট্রেডারদের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং । তবে প্রচুর তারল্যের সম্ভাবনা কে সামনে রেখে ট্রেডারদের জন্য ইভেন্টসগুলো হয়ে উঠতে পারে খুবই লাভজনক। কিন্তু নতুনদের জন্য চলতি সপ্তাহ খুবই বিপজ্জনকও বটে। মার্কেট পজিশন বিশ্লেষনের ক্ষেত্রে অবশ্যই আমাদের GBP/USD,EUR/GBP উক্ত দুটি মুদ্রা কে তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে রাখতে হবে এবং ব্যাক্তিগত মূল্যায়নে আমি মার্কিন ডলারের বিপক্ষে থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছি। ------------------------ Md Mohabbat E Elahi Aanlytical Expert: Global Forex Market.
  15. সম্মানিত ফরেক্স ট্রেডার বৃন্দ.... সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় নতুনদের জন্য আগামী ২৫/০১/২০১৭ তারিখ পর্যন্ত ট্রেড খুবই ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করছি। মার্কেটের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখা সচেতন ট্রেডারের কাজ। নিরাপদ হোক সবার ট্রেডিং

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×