Jump to content

Blue Jhon

Members
  • Content count

    25
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    1

Blue Jhon last won the day on April 15 2016

Blue Jhon had the most liked content!

Community Reputation

16 Good

About Blue Jhon

  • Rank
    My charts talks to me
  • Birthday শনিবার 31 মার্চ 1990

Profile Information

  • Gender
    Male
  1. GBPAUD গত বছর থেকে ডাউনট্রেন্ডে আছে। এই পর্যন্ত পেয়ারটি ৪০০০+ পিপ্স দুর্বল হয়েছে। যেহেতু ওভারঅল ট্রেন্ড ডাউন তাই আমরা সেল পয়েন্ট থেকে সেল নিব। পেয়ারটি এই মুহূর্তে কারেকশন মুডে আছে। 1.8290 থেকে শক্তিশালী হয়ে এখন 1.9750 তে ট্রেড হচ্ছে। এই লেভেলে একটা ডাউন ট্রেন্ডলাইন টাচ করেছে। ট্রেড আইডিয়াঃ ট্রেন্ডলাইন টেস্ট করে যদি কোন প্রাইস অ্যাকশন সেল সিগন্যাল পাওয়া যায় তবে সেল নেওয়া যায়। প্রফিট টার্গেট লেভেল হবে 1.8200-1.8500 লেভেল। ট্রেড ইনভ্যালিডেশনঃ ডেইলি চার্টে যদি প্রাইস ব্রেক করে ট্রেন্ডলাইনের উপরে ক্লোজ হয় তাহলে এই সেটআপ ইনভ্যালিড হয়ে যাবে।
  2. Fundamentally USD সামনে Strong হবার সম্ভাবনা প্রবল, এক্ষেত্রে আমরা আশা করতে পারি মে ২০১৬ এর শুরুর দিক থেকে USD Strong হতে থাকবে, ফেড বলেই দিয়েছে যে এই বছর আরও দুবার তারা তাদের রেট বাড়াবে , এর উপর ভিত্তি করে আমরা আমাদের ওয়েভ আনাল্যসিস ঠিক করব। ১) USD/JPY Monthly chart এ দেখা যায়, ওয়েভ ৪ শেষ হবার পথে, শীঘ্রই ওয়েভ ৫ শুরু হবে বলে আশা করা যায়। এক্ষেত্রে , আমাদের বাই হল রিয়েল ট্রেড। সব থেকে ভাল হয়, অ্যাকাউন্ট বুঝে কয়েকটা ধাপে বাই ট্রেড নেয়া, যেটার টিপি আমরা ধরতে পারি ১২৩ , এস এল সেট করতে পারেন ১০৪.৫০, আশা করা যায় ভাল পিপ্স আসবে। ২) EUR/USD EUR/USD weekly chart এ দেখা যায় ওয়েভ ৪ ranging position এ আছে। ওয়েভ ৫ শেষ হইনাই, সেক্ষেত্রে 1.1770 এস এল দিয়ে 1.0465 TP দেয়া যেতে পারে, আর 1.0465 ভাঙ্গলে, সেটা 0.9500 ধরবে, আমাদের সেল হল এই পেয়ার এর রিয়াল ট্রেড। ৩) GBP/USD এই পেয়ার এর fundamentally অবস্থা খুব খারাপ। এটা এবছর Sell mode এ থাকবে, যদি কখনো 1.4600 এই লেভেল এ পাওয়া যাই, তাহলে ২০০ পিপ্স এস এল দিয়ে 1.3500 পর্যন্ত ওয়েট করা যেতে পারে, আমাদের সেল হল এই পেয়ার এর রিয়েল ট্রেড। ৪) NZD/USD & AUD/USD 10 বছরের back টেস্ট করে দেখা যায় যে, মে মাসের শুরু থেকে এই দুটো পেয়ার সেল মোডে থাকে , ভাল পয়েন্ট থেকে সেল দেয়াই হল ভাল কাজ, আমাদের সেল এই দুটি পেয়ার এর রিয়াল ট্রেড।
  3. প্রায় সব ফরেক্স ট্রেডারদের মনে একটা প্রশ্ন থাকে যে ট্রেড করার জন্য সবচেয়ে ভালো পেয়ার কোনগুলো এবং কোন সময়ে ট্রেড করা সেফ এবং প্রফিটেবল। আমি দুইটা আলাদা আর্টিকেলে এই দুই টপিক নিয়ে আলোচনা করব। আশা করি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের মাধ্যমে আপনাদের অনেক প্রশ্নের উত্তর পাবেন। কারেন্সি পেয়ারের প্রকারভেদঃ তিন ধরনের কারেন্সি পেয়ার আছে। সেগুলো যথাক্রমেঃ ১. মেজর পেয়ার ২. ক্রস পেয়ার ৩. এক্সোটিক পেয়ার এবার, কোন পেয়ারগুলো কোন ভাগে পরেছে এবং এগুলোর সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করব। মেজর পেয়ারঃ গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সাথে ইউ.এস.ডলার মিলে যে কারেন্সি পেয়ার হয় তাকেই মেজর পেয়ার হিসেবে গণ্য করা হয়। (নিচে প্রত্যেক পেয়ারের নিক নেম পাশে ব্র্যাকেটের মধ্যে দেওয়া আছে।) আমরা গোল্ড এবং সিল্ভারকে মেজর পেয়ার হিসেবে গণ্য করব কারণ এগুলো ইউ.এস.ডলারের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। EURUSD – ইউরো বনাম ইউ.এস.ডলার (ফাইবার) GBPUSD – ব্রিটিশ পাউন্ড বনাম ইউ.এস.ডলার (ক্যাবল) AUDUSD – অস্ট্রেলিয়ান ডলার বনাম ইউ.এস.ডলার (অসি) NZDUSD – নিউজল্যান্ড ডলার বনাম ইউ.এস.ডলার (কিউয়ি) USDJPY – ইউ.এস.ডলার বনাম জাপানিজ ইয়েন (দা ইয়েন) USDCHF – ইউ.এস.ডলার বনাম সুইস ফ্র্যাঙ্ক (সুইসি) USDCAD – ইউ.এস.ডলার বনাম কানাডিয়ান ডলার (লুনি) XAUUSD – গোল্ড XAGUSD – সিলভার এগুলোই হচ্ছে ফরেক্সের মেজর পেয়ার। ক্রস পেয়ারে যাওয়ার আগে মেজর পেয়ার নিয়ে আমরা আরও কিছু আলোচনা করব। প্রথমে, বেশিরভাগ মেজর পেয়ারগুলো একটি আরেকটির সাথে কো-রিলেটেড। মানে এদের মুভমেন্ট সাধারণত একই রকম হয়। যেমন, EURUSD এবং GBPUSD এর ট্রেন্ড সাধারণত একদিকেই থাকে। EURUSD থেকে GBPUSD ‘র ভোলাটিলিটি বেশী থাকে, কিন্তু EURUSD যদি আপ অথবা ডাউন ট্রেন্ডে থাকে তাহলে অবশ্যই GBPUSD একই ট্রেন্ডে থাকে। একে বলা হয় পজিটিভ কো-রিলেশন। আবার, USDCHF পেয়ারের সাথে EURUSD ‘র নেগেটিভ কো-রিলেশন আছে। USDCHF এর ট্রেন্ড আপ হলে EURUSD এর ট্রেন্ড ডাউন হয়। এখন, এই কো-রিলেশন আমাদের ট্রেডের ক্ষেত্রে কি সুবিধা দিবে? আপনি ট্রেড নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে পারবেন। যেমন, আপনি EURUSD তে কোন ট্রেড নেওয়ার সময় GBPUSD পেয়ারও দেখে নিতে পারেন। তারমানে এই না যে আপনি EURUSD এবং GBPUSD দুইটাতেই ট্রেড খুলবেন। কারণ এতে আপনার রিস্ক ডাবল হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং আপনি এই পেয়ারের যেকোন একটাতে ট্রেড নেওয়ার সময় অন্যটিও দেখে নেবেন। এর ফলে উক্ত ট্রেডে আপনার টিপি হিট করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। যদি দুইটা পেয়ারেই একসাথে প্রাইস অ্যাকশন সেটআপ পান তাহলে এদের মধ্যে বেষ্ট একটা নির্বাচন করে ট্রেড খুলবেন। একইভাবে যদি আপনি EURUSD তে বাই এবং USDCHF এ সেল দেন তাহলেও কিন্তু আপনার রিস্ক বেড়ে যাচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি CHF রিলেটেড সব পেয়ার এড়িয়ে চলি তাই আমি EURUSD এবং GBPUSD পেয়ারেই জোর বেশী দেই। ফরেক্সের সবচেয়ে বেশী ট্রেড হওয়া পেয়ার হচ্ছে EURUSD যার ফলে অন্য যেকোন পেয়ারের চাইতে EURUSD তে ভলিউম বেশী থাকে। পুরো ফরেক্সের ২৮% ভলিউমই EURUSD পেয়ারে থাকে, এর পরে হচ্ছে USDJPY যা কিনা ১৭% এবং GBPUSD ১৪% ভলিউম নিয়ে থাকে। কমোডিটি কারেন্সি যেসব দেশ কাঁচামাল রপ্তানি’র উপর খুব বেশী পরিমাণ নির্ভর করে ওই দেশের কারেন্সিগুলোকে কমোডিটি কারেন্সি বলা হয়। যেমন, অস্ট্রেলিয়ান ডলার, কানাডিয়ান ডলার এবং নিউজল্যান্ড ডলার। গোল্ড এবং সিলভার হল আসল কমোডিটি তাই এদেরও কমোডিটি কারেন্সি বলে। কমোডিটিস কারেন্সি পেয়ারগুলোর মধ্যে ট্রেডের জন্য সবচেয়ে ভালো হচ্ছে AUDUSD, NZDUSD, GOLD এবং SILVER. আমি মূলত USDCAD পেয়ার এড়িয়ে চলি কারণ এই পেয়ার অনেক ফলস সিগন্যাল দেয়। ক্রস পেয়ারঃ ক্রস পেয়ার হচ্ছে যে পেয়ারগুলো USD ‘র সাথে যুক্ত নেই। যেমনঃ AUDCAD – Australian dollar vs. the Canadian dollar AUDCHF – Australian dollar vs. the Swiss franc AUDJPY – Australian dollar vs. the Japanese yen AUDNZD – Aussie dollar vs. the New Zealand dollar CADJPY – Canadian dollar vs. the Japanese yen CHFJPY – Swiss franc vs. the Japanese yen EURAUD – Euro vs. the Australian dollar EURCAD – Euro vs. the Canadian dollar EURCHF – Euro vs. the Swiss franc EURGBP – Euro vs. the British pound EURJPY – Euro vs. the Japanese yen EURNZD – Euro vs. the New Zealand dollar GBPAUD – British pound vs. the Australian dollar GBPCHF – British pound vs. the Swiss franc GBPJPY – British pound vs. the Japanese yen NZDJPY – New Zealand dollar vs. the Japanese yen আমি সব ক্রস পেয়ারে ট্রেড করা সাপোর্ট করি না। মূলত ক্রস পেয়ারের মধ্যে আমি EURJPY, GBPJPY, AUDJPY এবং NZDJPY তে ট্রেড করে থাকি। এক্সোটিক পেয়ারঃ এক্সোটিক পেয়ার হচ্ছে উন্নয়নশীল ও উঠতি দেশগুলো’র কারেন্সি। যেমনঃ USD/TRY – U.S. dollar vs. the Turkish lira EUR/TRY – Euro vs. the Turkish lira USD/ZAR – U.S. dollar vs. the South African rand USD/MXN – U.S. dollar vs. the Mexican peso USD/BRL – U.S. dollar vs. the Brazilian real USDPLN – U.S. dollar vs. the Polish Zloty EURPLN – Euro vs. the Polish Zloty আমি কখনোই এক্সোটিক পেয়ারে ট্রেড করি না কারণ এইসব পেয়ারে মেজর এবং ক্রস পেয়ারের চেয়ে লিকুইডিটি অনেক কম থাকে। তারমানে এক্সোটিক পেয়ারে ট্রেড করা খুবই রিস্কি। অবশেষে দেখলাম যে, ফরেক্স ট্রেডের জন্য সবচেয়ে ভালো হচ্ছে মেজর পেয়ার এবং ক্রসের কিছু নির্দিষ্ট পেয়ার। আমি আপনাদের সাজেস্ট করব শুধুমাত্র EURUSD, GBPUSD, AUDUSD, NZDUSD, USDJPY, EURJPY, GBPJPY, AUDJPY, XAGUSD, এবং XAUUSD তে ট্রেড করার। পূর্বে প্রকাশিতঃ http://goo.gl/F0uX4o
  4. ২০০১ থেকে ২০১১ পর্যন্ত গোল্ড পুরোপুরি আপট্রেন্ডে ছিল। এই সময়ে গোল্ড প্রতি আউন্স ২৪৮ ডলার থেকে বেড়ে ১৯২১ ডলার হয়েছিল। ২০১১ সাল থেকে গোল্ড ডাউনট্রেন্ডে আছে। এই মুহূর্তে প্রতি আউন্স গোল্ডের বিনিময় মূল্য হচ্ছে ১১৫০ ডলার। আমরা গোল্ডের বিগ পিকচার দেখলে খুবই মজার একটা জিনিস পাবো। ২০১৪ সালের নভেম্বর থেকে গোল্ডের প্রাইস মুভমেন্ট যদি ট্রেন্ডলাইন দিয়ে আঁকলে আমরা symmetrical triangle পাবো। Triangle টি এই বছরের জুলাই মাসে ব্রেকআউট করেছে। প্রাইস এখন triangle এর রিটেস্ট লেভেলের কাছাকাছি। উইকলি চার্ট ডেইলি চার্ট এটা তো গেল টেকনিক্যাল এনালাইসিস। এবার দেখি ওয়েভ কি বলে। যদিও আমি ওয়েভ সম্পর্কে খুব বেশী জানি না। তারপরেও চেষ্টা করছি ওয়েভ দিয়ে মুভমেন্ট আন্দাজ করার। ভুল হলে ধরিয়ে দিবেন। এলিয়ট ওয়েভে দেখা যাচ্ছে প্রাইস ১ এবং ৩ ইম্পালসিভ ওয়েভ তৈরি করেছে। এখন কারেক্টিভ ওয়েভ ৪ তৈরি করছে। 1162.35 লেভেল ব্রেক করলে ওয়েভ ইনভ্যালিড হয়ে যাবে। সম্ভাবনা আছে 1150-1156 লেভেল থেকে মার্কেট পুলব্যাক করতে পারে। যেটা কিনা ওয়েভ ৫ এর মুভমেন্ট হবে। নিচের চিত্রটি দেখুন। ট্রেড আইডিয়াঃ ডেইলি চার্টে যদি ১১৫৫-১১৫৭ লেভেলে বিয়ারিশ প্রাইস অ্যাকশন দেখলে সেল এন্ট্রি নেওয়া যায়। সোর্সঃ www.mahbub-fx.com
  5. আমার খুব পছন্দের একটি পেয়ার GBPNZD। এই পেয়ারটি ২০১৫ সালের এপ্রিল থেকে আপট্রেন্ড শুরু করেছে। এই পেয়ারের বিগ পিকচার দেখলে আমরা দেখতে পাবো মান্থলি চার্টে ইনভারস হেড এন্ড শোল্ডারস প্যাটার্ন তৈরি করেছিল। পরবর্তীতে নেকলাইন ব্রেক করে উপরের দিকে খুব শার্প র‍্যালি দিয়েছে। এতে করে পেয়ারটি ৪৫০০+ পিপ্সের মুভমেন্ট হয়েছে। পেয়ারটি বর্তমানে অ্যাসেন্ডিং ট্রায়াঙেল প্যাটার্ন তৈরি করেছে। নিচের চিত্র দেখুনঃ ডেইলি চার্ট H4 চার্ট অ্যাসেন্ডিং ট্রায়াঙেল বেশীর ভাগ সময় উপরের দিকে ব্রেকআউট করে। তারমানে বায়াররা মার্কেটের কন্ট্রোল নিয়ে নেয়। কিন্তু মাঝে মাঝে তার ব্যতিক্রমও ঘটে। তখন নিচের দিকে ব্রেকআউট হয়, সেলাররা মার্কেটের কন্ট্রোল নিয়ে নেয়। এর জন্য সেফ ট্রেড হচ্ছে যেকোন একদিকে ব্রেকআউট এবং রিটেস্টের পর ট্রেড ট্রিগার করা। ট্রেড আইডিয়াঃ যদি উপরের হরিজোন্টাল রেসিস্ট্যান্স ব্রেক করে তাহলে রিটেস্টে বুলিশ প্রাইস অ্যাকশন দেখে বাই এন্ট্রি নিব। আমার টেক প্রফিট টার্গেট থাকবে 2.4470 এবং 2.4840 অন্যদিকে যদি নিচের দিকে ব্রেকআউট করে তাহলে রিটেস্টে বিয়ারিশ প্রাইস অ্যাকশন দেখে সেল এন্ট্রি নিব। আমাদের ইনিশিয়াল সাপোর্ট লেভেল 2.3350। আমাদের টার্গেট লেভেল থাকবে 2.2700 ফরেক্সে সাফল্যের মূলমন্ত্র হচ্ছে মানি ম্যানেজমেন্ট। তাই প্রত্যেক ট্রেডে মানি ম্যানেজমেন্ট ফলো করতে হবে। সোর্সঃ www.mahbub-fx.com
  6. AUDNZD পেয়ারটি ইনভারস হেড এন্ড শোল্ডারস প্যাটার্ন তৈরি করেছে। সাথে ১.১৩০০ কি লেভেল টেস্ট করছে। যদি এই লেভেল ব্রেক করে তাহলে আমরা এই পেয়ারে বাই দিব। কিন্তু ব্রেকের সাথে সাথেই এন্ট্রি নিব না। ১.১৩০০ লেভেল আমরা লিমিট অর্ডার দিয়ে রাখতে পারি। সবচেয়ে বেস্ট হবে যদি ১.১৩০০ লেভেলে পিনবার বা বুলিশ প্রাইস একশন দেখে এন্ট্রি নেই। বিস্তারিত সবকিছুই ভিডিওতে দেওয়া আছে। https://www.youtube.com/watch?v=9tSvVmR6SVo Source: www.mahbub-fx.com
  7. বিডিপিপ্সে এইটা আমার প্রথম ট্রেড আইডিয়া শেয়ার করতে জাচ্ছি। এখন থেকে মাঝে মাঝে আমার নিজস্ব পছন্দের ট্রেড সেটাপ শেয়ার করব। কেউ অন্ধভাবে আমার ট্রেড ফলো করবেন না। যদি আপনাদের লজিকের সাথে মিলে তবেই ট্রেড করবেন। আজকে EURCAD পেয়ারের ট্রেড সেটআপ দেখাব। এই পেয়ারের D1 চার্ট ইনভারস হেড এন্ড শোল্ডার তৈরি করেছে। ইনভারস হেড এন্ড শোল্ডারের নেকলাইন এই মাসের ২ তারিখ ব্রেক করে। তখন থেকেই পেয়ারটি নজরে রেখছি যে কখন ব্রোকেন নেকলাইন টেস্ট করবে। গত সপ্তাহের শেষ দিন পেয়ারটি নেকলাইন টেস্ট করে এবং নেকলাইন টাচ করে একটা পিনবার তৈরি করে। দেখে নেই বুলিশ পিনবারের কি কি যোগ্যতা আছে এর মধ্যেঃ ১. পিনবারের পূর্বের দুইটা ক্যান্ডেল বিয়ারিশ। ২. পিনবারের বডি পূর্বের ক্যান্ডেলের মধ্যেই ক্লোজ হয়েছে। ৩. বডির ২-৩ গুন লম্বা এর লেজ। তারপরেও আমি বলবো এইটা ভ্যালিড পিনবার না। কারণ ভ্যালিড পিনবারের আরও অনেক ক্রাইটেরিয়া থাকে। এবার এই পেয়ারের আরেকটি সেটআপ দেখি H4 টাইম ফ্রেমে। এখানে পেয়ারটি বুলিশ ফ্লাগ তৈরি করেছে। নিচের চিত্র দেখুনঃ এই পেয়ারে আরেকটা সেটআপ আছে যেটা হল ABCD। এইটা নিয়ে এখন আলোচনা করব না। আচ্ছা এখন দেখি প্রাইস কোন পর্যন্ত মুভ করতে পারে। আমাদের প্রাইমারি ট্রেড সেটআপ হল ইনভারস হেড এন্ড শোল্ডার। যখন মার্কেটে এরকম চার্ট প্যাটার্ন তৈরি হয় তখন সাধারণত নেকলাইন থেকে হেড এর দূরত্ব যতটুকু ততটুকু পর্যন্ত টিপি লেভেল ধরা হয়। সেই হিসেবে ১.৪৪৭০ প্রাইস পর্যন্ত যেতে পারে। আমার এন্ট্রি হবে পিনবারের ৫০% রিটেস্টে ১.৩৮২০ লেভেলে। এবং আমার টিপি হবে দুইটা। একটা হচ্ছে ১.৪০৮০ রেজিস্ট্যান্সে এবং শেষ টিপি হবে ১.৪৪৭০ তে। যদি ধরে রাখতে পারেন তাহলে পাক্কা ৬৫০ পিপ্স পাবেন আশা করি। আজকে আর না। আমি এক্সপার্ট ট্রেডার না। তাই ভুল ত্রুটি হতেই পারে। তাই আপনারা নিজ রিস্কে ট্রেড করবেন। কোনকিছু জানতে চাইলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ।
  8. ২০১৪ সালের জুন থেকে EURUSD পেয়ারের পতনকাল শুরু হয়। মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের অর্থনৈতিক অবস্থা চাঙ্গা হওয়ার পর থেকেই এই পেয়ার বিয়ারিশ মুডে চলে গিয়েছে। অন্যদিকে ঋণে জর্জরিত ইউরোপকে নিয়ে কেউই ভরসা পাচ্ছে না। তাই ধারণা করা যাচ্ছে এই পেয়ারের আরও পতন আমরা পাবো। টেকনিক্যালি এই পেয়ারের মান্থলি চার্টে ট্রায়াঙ্গেলের সাপোর্ট বিগ ক্যান্ডেল দিয়ে ব্রেকআউট হয়েছে। তাই আশা করা যাচ্ছে ব্রোকেন সাপোর্ট টেস্ট করার পর আবারো নিচে নামতে থাকবে প্রাইস। টার্গেট প্রাইস ১.১৭০০
  9. ফরেক্সে আমার বয়স একেবারেই কম। এতদিন মার্কেট মেকার ব্রোকারে ট্রেড করতাম। কিছু সমস্যার জন্য ব্রোকার চেঞ্জ করে ECN অ্যাকাউন্ট করতে যাচ্ছি। FXCC তে ECN অ্যাকাউন্ট করেছি। কিন্তু ECN অ্যাকাউন্টে আমি কি কি সুবিধা পাবো পুরোপুরি ক্লিয়ার না। কিছু জিনিস জানতে পেরেছি। যেমন- - ব্রোকার আমার ট্রেডের বিপরীতে ট্রেড ওপেন করবে না - ব্যাংক বা বড় ফিনানশিয়াল প্রতিষ্ঠানের সাথে ডিরেক্ট ট্রেড করতে পারব। (এই ব্যপারটা নিয়ে আমি ক্লিয়ার না) এ ছাড়াও অন্যান্য কি কি সুবিধা পাবো জানতে ইচ্ছুক।
  10. key S/R level নিয়ে কয়েকদিন ধরেই একটা জিনিস মাথায় ঘুরতেছিল। আপনার পোস্টটা এই সময় খুবই উপকারী ভূমিকা পালন করেছে। ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্টের জন্য।
  11. আই সোয়ার, মনে মনে ঠিক এরকম একটি পোস্ট খুজছিলাম। অনেক ধন্যবাদ।
  12. সুইং ট্রেডিং এ সবারই কম বেশী আগ্রহ থাকে। আমার স্বল্প বিদ্যায় জানি যে সুইং আপট্রেন্ড হায়ার হাই তৈরি করতে করতে যায়। আবার ডাউনট্রেন্ড লোয়ার লো তৈরি করতে করতে যায়। ট্রেন্ড লাইন আঁকার মাধ্যমে এইটা আরও ক্লিয়ার পাওয়া যায়। ট্রেন্ড লাইন যতবার টাচ করবে ওই ট্রেন্ড তত শক্তিশালী হবে। আমার সমস্যা হচ্ছে, হায়ার হাই, লোয়ার লো দেখেও ঠিক মত বুঝতে পারি না যে আসলেই এটা সুইং ট্রেড নাকি। অপরপক্ষে, মনে হয় সুইং ট্রেডিং এ প্রাইস রিট্রেস লেভেলে গেলে এন্ট্রি দিতে হয়। বুঝলাম। কিন্তু ট্রেড ক্লোজ করবো কোথায়? মানে সুইং ট্রেডিং এ সাপোর্ট/রেসিস্টেন্স লেভেল বের করবো কিভাবে? ট্রেন্ড লাইনটাই মনে হয় সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করে, আপট্রেন্ডের সময়। কিন্তু রেসিস্টেন্স লেভেল কিভাবে পাবো? নাসিম ভাই, তানভীর ভাই সহ অন্যান্য এক্সপার্ট ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
  13. যতটুকু জেনেছি যে, পিভট পয়েন্ট দ্বারা ট্রেন্ড, সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স লেভেল বের করা হয়। পিভট পয়েন্ট ক্যালকুলেটর দিয়ে বের করে ট্রেড করেছি। কিন্তু কিভাবে বুঝবো আমি যেই সাপোর্ট/রেসিস্টেন্স লেভেল বের করলাম ওইটা কতটুকু শক্তিশালী? এইটা কি এরকম যে, সাপোর্ট/রেসিস্টেন্স লেভেল বার বার টাচ করলে ওই লেভেল অনেক স্ট্রং হয়? পিভট পয়েন্টে কি ফলস সিগন্যাল হয়?

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×