Jump to content

anis ahmed

Members
  • Content count

    300
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    88

Everything posted by anis ahmed

  1. ট্রেন্ড লাইন কে সাধারণত Diagonal সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স লেভেল বলে। ট্রেন্ড ৩ রকমঃ আপট্রেন্ড (higher lows) ডাউনট্রেন্ড (lower high) সাইডওয়ে ট্রেন্ড (ranging) আপট্রেন্ডে মার্কেট ঊর্ধ্বমুখী থাকে। তাই আপনি বাই করতে পারবেন। ডাউনট্রেন্ডে মার্কেট নিম্নমুখী থাকে। তাই আপনি সেল করতে পারবেন। সাইডওয়ে ট্রেন্ডে মার্কেট একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে ঘুরতে থাকে। তাই সাইডওয়ে ট্রেন্ডে ট্রেড না করাই ভাল। ট্রেন্ড লাইন আঁকার সময় যেসব বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে............... অন্তত ২টি টপ (top) অথবা বটম (bottom) পয়েন্ট সংযুক্ত করে ট্রেন্ড লাইন আঁকতে হয়। তবে ৩টি পয়েন্ট হলে ট্রেন্ড লাইন কনফার্ম হয়। সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স লাইনের মত যতই প্রাইস ট্রেন্ড লাইনগুলোকে টেস্ট করবে, ট্রেন্ড লাইনগুলো তত শক্তিশালী হবে। জোর করে ট্রেন্ড লাইন আঁকার চেষ্টা করবেন না যদি। সেক্ষেত্রে তা ভ্যালিড ট্রেন্ড লাইন হবে না। যত খাড়াভাবে আপনি ট্রেন্ড লাইন আঁকবেন, ততই এইটি গুরুত্বহীন বা অকার্যকর হয়ে পরবে এবং তত শিগ্রই এর ভেঙ্গে পড়ার সম্ভাবনা বেশি।
  2. যারা এই প্রথম সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স সম্পর্কে পড়ছেন তারা এই পোস্ট টি পড়ে নিতে পারেন...... school%22%5Dschool%5B/url%5D%22%5Dschool%5B/url%5D%22%5Dschool%5B/url%5D%22%5Dschool%5B/url%5D%22%5Dschool%5B/url%5D/support-and-resistance"]সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স[/url]school%22%5Dschool%5B/url%5D%22%5Dschool%5B/url%5D%22%5Dschool%5B/url%5D%22%5Dschool%5B/url%5D%22%5Dschool%5B/url%5D/support-and-resistance"] [/url]। ওই পোস্ট এ সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স অনেক ভালো কিছুই বলা আছে। যারা ওই পোস্ট টি পড়েছেন তারা ও এই পোস্ট টি পড়তে পারেন। আমার এই পোস্ট এর উদ্দেশ্য হোল সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স আরও একটু আলোচনা করা। কারণ আমি বিশ্বাস করি কোন বিষয় নিয়ে যত বেশি আলোচনা হবে সেই বিষয় ততটাই আরও বেশি পরিষ্কার ও বুজতে সুবিধা হয়। সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স টেকনিক্যাল এনালাইসিস এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ফান্ডাম্যানটাল অংশ। তো প্রথমে আমরা দেখি সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স বলতে একনজরে কি বোজায়... ----- সাপোর্ট হোল সেই লেভেল যেই লেভেল এ প্রাইস একবার অথবা অনেকবার টাচ করে আবার উপরে উঠে যায়। কিন্তু ব্রেক করে না !!! ----- রেসিসটেন্স হোল সাপোর্ট এর বিপরীত। এটি হোল সেই লেভেল যে লেভেল প্রাইস একবার অথবা অনেকবার টাচ করে নিচে নেমে যায় !!! অর্থাৎ যদি প্রাইস নিচে নামতে থাকে এবং এক পর্যায়ে এসে থেমে আবার উপরের দিকে উঠতে থাকে, যেখানে থেমেছিল সেই লেভেল টাকে বলায় হয় সাপোর্ট। আবার, যদি প্রাইস উপরে উঠতে থাকে এবং এক পর্যায়ে উঠে নিচের দিকে ব্যাক করে তখন উপরের ওই লেভেল টাকে বলা হয় রেসিসটেন্স । প্রাইস যতবার ওই লেভেলগুলোকে টেস্ট করতে থাকবে (অর্থাৎ ওই লেভেল এ যাবে কিন্তু ব্রেক করবে না) ততই এই লেভেলগুলো শক্তিশালী হতে থাকবে। ভালো ট্রেডিং আইডিয়া পেতে সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স অতুলনীয় ভূমিকা পালন করে। সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স অন্যকিছু যেমন ক্যান্ডলসটীক চার্ট প্যাটার্নস এর সাথে মিক্স করে ট্রেড করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। চলুন আমারা একটা ছবি দেখে আরও ভালো আইডিয়া নেবার চেষ্টা করি... আরও একটা ছবি দেখা যাক... কি বলেন ??? উপরে দেখুন প্রাইস নিচে নেমে নীল লেভেল গুলো টেস্ট করে আবার উপরে মুভ করেছে। এইগুলো হোল সাপোর্ট। আবার দেখুন, প্রাইস লাল লেভেলগুলো টেস্ট করে নিচে ব্যাক করেছে। এইগুলো হোল রেসিসটেন্স । যখন, সাপোর্ট লেভেল টেস্ট করে প্রাইস উপরে উঠে তখন বাই ট্রেড এ এন্ট্রি দেয়া যেতে পারে। আবার যখন প্রাইস রেসিসটেন্স লেভেল টেস্ট করে নিচে ব্যাক করে তখন সেল ট্রেড এ এন্ট্রি নেয়া যেতে পারে। তবে সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স এ ভালো দক্ষতা পেতে হলে অনেক চর্চা করা প্রয়োজন। না হয় মিসলিড হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না !!! কারণ আমারা উপরের ছবিগুলোতেই দেখলাম যে সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স লেভেল ও ব্রেক করেছে। অর্থাৎ সোজা বাংলায় বলা যায়, সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স টেস্ট করতে গিয়ে প্রাইস বেচারা এই লেভেল এ বাউন্স না খেয়ে অতিক্রম করে চলে যেতে পারে !!! সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স আনব্রেকাবল নয়। এই জন্য ভালো প্র্যাকটিস করা হলে ভালো আইডিয়া পায়া যায়। সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স ট্রেডারদের ভালো এন্ট্রি নিতে অনেক অনেক সাহায্য করে। এটি যেকোনো টাইমফ্রেমেই ভালো কাজ করে। সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স হাতে আঁকা যেতে পারে। আবার কিছু ইনডিকেটর ও পাওয়া যায় যেগুলো আপনার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স লেভেল নির্দেশ করবে। আমি নিচে একটা ইনডিকেটর দিচ্ছি, যেটা থেক পিভট লাইনসহ সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স সম্পর্কে স্বয়ংক্রিয় ইঙ্গিত পেতে পারেন। সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স দিয়ে ট্রেড করার জন্য আপনি PENDING ORDER এর সাহায্য নিতে পারেন। এই জন্য এই পোস্ট টা পড়তে পারেন। PENDING ORDER সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স লেভেল ভালোভাবে চিহ্নিত করতে পারা একজন ভালো ট্রেডার এর একটি ভালো গুন। এটি টেকনিক্যাল এনালাইসিস এর খুবই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিচের ইনডিকেটর গুলো থেকে যেইটা আপনার জন্য সুবিধা মনে হয়, সেইটা ব্যাবহার করতে পারেন। BDPIPS-DailyPivots.ex4 #MTF SR.mq4
  3. আমি এই পোস্ট এ ৫ টি বদগুনের কথা উল্লেখ করবো যেগুলো একেবারে শুরু থেকে ১-১.৫ বছর অতিক্রমকারি ফরেক্স ট্রেডাররা ধারন করে থাকে। এই পোস্ট টি উদ্দেশ্যমুলক এবং এর উদ্দেশ্য এই যে এটি পড়ে এই স্টেজ এর ট্রেডাররা যেন তাদের ভুল/বদগুন গুলি সংশোধন করতে পারে। আশা করি, পোস্ট টির উদ্দেশ্য সফল হবে। :)/> ২% এর বেশী রিস্ক নেয়া মানি ম্যানেজমেন্ট ফরেক্স ট্রেডিং এর জন্য কত যে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। প্রত্যেক ট্রেডার এর ই শক্তিশালী মানি ম্যানেজমেন্ট ফলো করা উচিত। 'Never Break This Rules'। কখনো মানি ম্যানেজমেন্ট রুলস থেকে সরে আসা উচিত না। এমনকি যদি মনে হয় যে আপনার ট্রেডিং আইডিয়া অনেক শক্তিশালী এবং High Probabilities Trade Set Up, তারপরে ও ২% এর বেশী রিস্ক নেয়া ঠিক না, উচিত না এবং অবশ্যই নেয়া উচিত না। ২% রিস্ক নিলে আপনি ট্রেড করতে পারবেন ৫০ টি। অন্যদিকে ১০% রিস্ক নিলে আপনি ট্রেড করতে পারবেন মাত্র ১০ টি। এখন ভেবে দেখুন আপনি যদি ১০% রিস্ক নেন তবে আপনার এই ১০ ট্রেড এ সফল হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু, আর যদি ২% রিস্ক নেন তবে ৫০ টি ট্রেড এ সফল হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। আবার যদি ১% রিস্ক নেন, তবে ১০০ টি ট্রেড এ সফল হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। লোভী ইডিয়ট লোভ ফরেক্স ট্রেডার এর প্রধান শত্রু। আমি জানি যে একেবারে লোভহীন মানুষ, যে বলে যে তার কোন লোভ নেই, সে ও যদি ফরেক্স এ ট্রেড করতে আসে, তবে বুজতে পারবে তার কতটুকু লোভ এর মাত্রা আছে। এখানে লোভ মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। লোভ অধিকাংশ ট্রেডার এর ট্রেডিং ক্যারিয়ার এর অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী। লোভ বিসর্জন না দিতে পারলে, ঐ বেক্তি কখনোই একজন ভালো ফরেক্স ট্রেডার হতে পারবে না। এই লোভ তাকে উৎসাহিত করবে বেশি বেশি রিস্ক নেয়ার জন্য। বেশী রিস্ক নিলে এবং ট্রেড এ সফল হতে পারলে না হয় বেশী পাওয়া যাবে। কিন্তু যদি ঐ ট্রেড সফল না হয়ে ব্যর্থ হয়, তবে কিন্তু তেমন ই বড় অংকের লস হজম করতে হবে। আর লস টা যেহেতু বড় অংকের, সেহেতু হজম না হয়ে বদহজম হওয়ার সম্ভাবনাই কিন্তু বেশী। রিস্কঃরিওয়ার্ড রেসিও না মানা ট্রেডিং মানে হল রিস্ক নেয়া। যাইহোক, যদি রিস্ক নিতেই হয় তবে এমনভাবে নেয়া উচিত যে $১০ রিস্ক নিলে যেন $২০ অন্তত রিটার্ন এ পাওয়া যায়। আপনি যদি কোন বেবসায় করতে আগ্রহী হন, তবে কি আশা করবেন যে ৫ লক্ষ্য টাকা ইনভেস্ট করে সময় ও শ্রম খরচ করে ঐ ৫ লক্ষ্য টাকাই শুধু আপনার উঠে আসুক ঐ বেবসায় থেকে ? প্রপার রিস্ক রিওয়ার্ড রেসিও ফলো না করলে ৫০%-৬০% সফল সিস্টেম ও আপনাকে বিফল করে তুলবে। আর যদি প্রপার রিস্ক রিওয়ার্ড মানেন, তবে ৩০% সফল ট্রেডিং সিস্টেম ও আপনাকে সফলতার দিকে ধাবিত করবে। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস আত্মবিশ্বাস খুবই জরুরী একটা বিষয়। আত্মবিশ্বাস ছাড়া কোন মানুষ-ই জীবনে বড় ধরণের ব্যাপার দূরে থাক, ছোট ধরণেরই কিছু করতে পারে না। নিজের প্রতি নিজের আত্মবিশ্বাস না থাকলে পদে পদে পিছনে ফিরে আসতে হয়, সামনে এগুনো যায় না। কিন্তু আরেকটা ব্যাপার আছে, আত্মবিশ্বাস যখন মাত্রা ছাড়িয়ে যায়, তখন আবার বিরুপ প্রভাব থাকে। অধিকাংশ নতুন ট্রেডার এই সমস্যায় পরে। শুধু নতুন ট্রেডাররাই পরে তা কিন্তু নয়। ৮-১২ মাসের অভিজ্ঞ ট্রেডার ও এই সমস্যায় ভুগে। যখন ৭-৮ টা ট্রেড পরপর সফল হয়ে যায়, তখনি মনে হয় যে নিজে অনেক কিছু হয়ে গেছে ! অনেক বড় ধরণের ট্রেডার হয়ে গেছে। ফলাফল- আগের মতো বিবেচনা না করে পজিশন নেয়া এবং ব্যাল্যান্স জিরো করা অথবা মূল ক্যাপিটাল এর অর্ধেক এর বেশী লস করে ফেলা। অর্ধেক এর বেশী এই কারনে বলেছি যে, বড় ধরণের লস খাওয়ার আগে এই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এর প্রভাব যায় না !!! অতিরিক্ত চিন্তা-ভাবনা করা অতিরিক্ত চিন্তা-ভাবনা করা আরেকটি বদ গুন ! অনেক ট্রেডার ওভার-এনালাইজ করতে ভালোবাসে। ওভার-ট্রেড, ওভার-লিভারেজ এমনকি সেইসব নিয়ে ওভার এবং ওভার চিন্তা-ভাবনা করে যা তাদের ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে চলে আসে। চার্ট এনালাইজিং সহ সবকিছুই যে করতে হবে না তা না কিন্তু ! এইগুলো নিয়ে চিন্তা না করলে সে ট্রেডার ই বা হবে কিভাবে !!! তবে যা করা যাবে না, তা হল 'ওভার'। অর্থাৎ ওভার কোন কিছু করা যাবে না। সব কিছুরই একটা নির্দিষ্ট মাত্রা আছে, সেই মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া যাবে না। উপসংহার এ এসে বলতে চাই, উপরের বদগুনগুলো জাস্ট এড়াতে পারলেই একজন সফল ট্রেডার এর রাস্তায় আপনি হাঁটবেন। আর সেই পথ বেশী দূরে থাকবে না যখন আপনি এইগুলো বাদদিয়ে ক্রমাগত আপনার সফলতার সোপান গড়ে তুলবেন। কিছু পেতে হলে নাকি কষ্ট করতে হয়। কষ্ট করে এই বদগুনগুলো তাড়াতে হবে, যদি আপনি একজন সফল ট্রেডার হতে চান। আপনি রাজি আছেন তো কষ্ট করতে ?
  4. ক্যান্ডলসটীক চার্ট কি ? - কারিগরি বিশ্লেষণের(টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস) সহজ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতির জন্য ক্যান্ডলসটীক চার্ট জাপানের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং পুরনো। এটি পয়েন্ট,ফিগার এবং বার চার্ট এর চেয়েও অনেক বেশি পুরনো। ক্যান্ডলসটীক চার্টিঙ টেকনিক সুদূর পূর্বে(জাপানে বোজানো হয়েছে) ব্যাবহার হতো উৎপাদনের জন্য,এবং বিস্ময়করভাবে পশ্চিমা পৃথিবীতে অপরিচিত ছিল, যতক্ষণ না stive nison তার লেখা বই Japanese Candlestick Charting Techniques back in 1991 এ প্রকাশ করে। জাপানিজ ক্যান্ডলসটীক (ক্যান্ডল নামে ও ডাকা হয়) চার্ট বিখ্যাত কারন, লাইনগুলো মোমবাতির মতো এর শিখাসহ, টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস এর পদ্ধতির জন্য জাপানে অনেক জনপ্রিয়। পশ্চিমা বার চার্ট, পয়েন্ট এবং ফিগার চার্টের চেয়ে ও ক্যান্ডল চার্ট ১০০০ বছর পুরনো। তথাপি, বিস্ময়করভাবে,প্রায় সাম্প্রতিক পর্যন্ত, এই চার্ট পশ্চিমা পৃথিবীতে অপরিচিত রয়ে গিয়েছিল ! সারা পৃথিবীতে ক্যান্ডল চার্ট এখন সবচেয়ে আলোচিত ও সমাদৃত সিস্টেম টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস এর জন্য। এখন প্রায় প্রত্যেক টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস সফটওয়ার প্যাকেজ এবং ইন্টারনেট চার্টিঙ সার্ভিসে ক্যান্ডল চার্ট সংযুক্ত আছে। পরবর্তীতে সাদাকাল ফিগারে কিছু তথ্য দেখানো হতে পারে। তাই আগে এখন আমরা দেখবো মডার্ন চার্ট এর পিকচার। বাস্তবে বর্তমানে ক্যান্ডল সটীক চার্ট নিচের মত দেখতে হয়। এখানে EUR/USD এর পেয়ার দেখানো হয়েছে। ক্যান্ডল চার্টের সুবিধাগুলো কি কি ? ১- ক্যান্ডল চার্ট সহজে বোজা যায়। ২- ক্যান্ডল চার্টিঙ টুলস আপনাকে প্রতিযোগিতায় উতরে উঠতে সহজগিতা করবে। ৩- এইটি আপনার ক্যাপিটাল সংরক্ষন করতে হেল্প করবে। ৪- এইটি সহজ ওয়েস্টার্ন চার্টিঙ টুলসের সাথে যোগ দিতে। ৫- ক্যান্ডল চার্ট অনেক ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা যায় যেমন, স্টক, যে কোন কোন মার্কেট এ যেটিতে ওপেন, হাই, লো এবং ক্লোজ এর ব্যাপার রয়েছে। সর্বোপরি, টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস এর জন্য ক্যান্ডলসটীক চার্ট অসাধারণ, অন্যান্য চার্ট এর তুলনায়। ক্যান্ডলসটীক লাইন এর ব্যাখ্যা দৃশ্য ১(নিচে Exhibit 1) এ, ক্যান্ডল সটীক লাইন এর প্রসস্থ অংশটিকে বলা হয় রিয়েল বডি। রিয়েল বডি ট্রেডিং সেসন ওপেন এবং ক্লোজ এর মধ্যে পরিসরটি বর্ণনা করে। যদি ট্রেডিং সেসন এর ক্লোজ ওপেন এর উপরে হয় তবে রিয়েল বডি হোয়াইট থাকে এবং যদি রিয়েল বডি কাল হয় তাহলে ট্রেডিং সেসন এর ক্লোজ ওপেন এর চেয়ে লোয়ার হয়। রিয়েল বডি এর উপরের ও নিচের চিকন লাইন গুলো হোল "সেডো"। এইগুলা হোল সেশন প্রাইজ এর শেষ সীমা। রিয়েল বডি এর উপরের "সেডো" কে বলা হয় আপার সেডো এবং আপার সেডো এর সর্বউচ্চ বিন্দু হোল এই সেশনের হাই প্রাইজ। অপরদিকে, রিয়েল বডি এর নিচের "সেডো" কে বলা হয় লোয়ার সেডো এবং লোয়ার সেডো এর সর্বনিম্ম বিন্দু হোল এই সেশনের লো প্রাইজ। ক্যান্ডল লাইন যেকোনো সময় থেকে শুরু করে মাসিক, যেকোনো টাইম ফ্রেমে আঁকা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি ৬০ মিনিট ক্যান্ডল লাইন নির্দেশ করে ৬০ মিনিট পিরিয়ড এর ওপেন, ক্লোজ, হাই, এবং লো। এভাবে, একটি ডেইলি ক্যান্ডল লাইন নির্দেশ করে একটি দিনের পিরিয়ড এর ওপেন, ক্লোজ, হাই এবং লো। তেমনি, একটি সপ্তাহিক ক্যান্ডল লাইন নির্দেশ করে ওই সপ্তাহিক পিরিয়ড এর ওপেন, ক্লোজ, হাই এবং লো। লক্ষ্য করুন, exhibit 1(দৃশ্য ১) এর ডানের অংশে ক্যান্ডল এর কোন বডি নেই। এদেরকে বলা হয় ডোজি। ডোজি হোল এরকম ক্যান্ডল যাতে ওপেনিং এবং ক্লোজিং একই থাকে। ডোজি একটি মার্কেট বর্ণনা করে যেখানে চাহিদা এবং যোগানের মধ্যে ভারসাম্য থাকে। আমরা নিচের আরেকটি চার্ট উদাহরণের মাধ্যমে ডোজি এর দিকে আরও লক্ষ্য করবো। যখন ক্যান্ডল লাইন বার চার্ট এর মতো একই উপাত্ত(ডাটা) বহন করে, ক্যান্ডলসটীক এর রিয়েল বডি, ক্যান্ডল লাইন এর রিয়েল বডি এর দৈর্ঘ্য এবং সেডো একটি তৎক্ষণাৎ আলোকচিত্র বহন করে যে, যুদ্ধ ক্ষেত্রে, ষাঁড় এবং ভল্লুক এর মধ্যে কে জয় লাভ করছে। ছোট রিয়েল বডি(স্পিনিং টপস) ক্যান্ডল সটীক চার্ট এর বিভিন্ন শক্তিশালী দিকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হচ্ছে, তারা প্রায়ই বিপরীত সিগন্যাল প্রদান করবে যা প্রথাগত বার চার্টিঙ টেকনিক এ সহজলভ্য নয়। চলুন এই বিষয়টি দেখি স্পিনিং টপস এর সাথে... পূর্বে ই উল্লেখ করা হয়েছে, ক্যান্ডল চার্টের বিভিন্ন শক্তিশালী দিকের মধ্যে সবচেয়ে বিষয় হোল, তারা দ্রুত চাক্ষুষ মার্কেট এর পরিস্থিতি বহন করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি ছোট রিয়েল বডি(সাদা অথাবা কালো) একটি সময় কে নির্দেশ করে, যেটির মধ্যে ষাঁড় ও ভল্লুক একটি কঠোর সংগ্রামের মধ্যে। জাপানীরা ছোট রিয়েল বডি এর জন্য একটি ডাকনাম ব্যাবহার করে। এটি হোল "স্পিনিং টপস", কারন, তাদের মাথা, আমারা যখন শিশু ছিলাম তার সাথে সাদৃশ্য রয়েছে। এই সব রিয়েল বডি সমূহ ওয়ার্নিং দেয় যে মার্কেট তার গতি হারাতে পারে। জাপানি ভাষায় একে বলা হয়, "মার্কেট তার নিঃশ্বাস হারাচ্ছে"। একটি স্পিনিং টপস দৃশ্য ২ (Exhibit 2) এ দেখানো হয়েছে। চলুন একটি উদাহরণের দিকে লক্ষ্য করা যাক যে ক্যান্ডল চার্ট কিভাবে আপনার ক্যাপিটাল সংরক্ষন করতে আপনাকে হেল্প করবে, কারন আজকের পরিবর্তনশীল পরিবেশে একটি উপকারই খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই দৃশ্যে আমি ব্যাখ্যা করবো যে কিভাবে লং সাইড থেকে ক্যান্ডল চার্ট আপনাকে সম্ভাব্য লস ট্রেড ঠেকাতে হেল্প করবে। নিচে দুটি চার্ট আছে। প্রথম (Exhibit 3) টি বার চার্ট । এখানে, বৃত্তকার এলাকা টি তে লক্ষ্য করুন। যেহেতু, এটি ধারাবাহিকভাবে ক্লোজিং এর চেয়ে হাইয়ার তৈরি করছে, এটি একটি স্টক ক্রয় করতে বলে। একই ডাটা ব্যাবহার করে (বার চার্টে যে ডাটা ছিল) আমরা এখন একটি ক্যান্ডল চার্ট(Exhibit 4) তৈরি করবো। লক্ষ্য করুন যে, একই ডাটা দিয়ে বার চার্ট এর চেয়ে ক্যান্ডল চার্টে আমরা আলাদা দৃশ্য পাই। ক্যান্ডল চার্টে সেইম বৃত্তকার এলাকায় কিছু ছোট রিয়েল বডি দেখা যায়(জাপানিজ নাম "স্পিনিং টপস")। ছোট রিয়েল বডি(স্পিনিং টপস) পুরভাবাস দেয় যে আগের ট্রেনড এর মুহূর্তকালে হারাতে পারে। যেখানে বার চার্ট এটিকে ক্রয় করার জন্য আকর্ষণীয় করছিলো, সেখানে ক্যান্ডল চার্ট দেখায় যে এখানে ক্রয় করতে যাবার পূর্বে প্রকৃতপক্ষে সতর্কতার একটা কারন রয়েছে। ছোট রিয়েল বডি(স্পিনিং টপস) ব্যাখ্যা করে যে ষাঁড় শক্তি হারাচ্ছে। ক্যান্ডল চার্ট ব্যাবহার করে, এভাবে, একজন ট্রেডার বৃত্তকার এরিয়ায় ক্রয় করতে চাইবেনা এবং এভাবে এটি হেল্প করে লসিং ট্রেড পরিত্যাগ করতে। আরও একটু জেনে নেই আমরা, কেমন !! অপরের বেক্ষায় যদি কেউ স্পিনিং টপস না ধরতে পারেন তবে এখন দেখুন। লং আপার সেডো এবং লং লোয়ার সেডো সহ ক্যান্ডল সটীকের ছোট রিয়েল বডিকে বলা হয় স্পিনিং টপস। রিয়েল বডির রঙ যাইহোক, এটা দেখার বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার নয়। এই অবস্থা বায়ারদের ও সেলারদের মধ্যে নির্দেশ একটি সিদ্ধান্তহিন অবস্থা করে । ছোট রিয়েল বডি(রঙ যাইহোক) দেখায় যে ওপেন ও ক্লোজ এর সামান্য প্রাইস মুভমেন্ট এবং সেডো গুলো দেখায় যে বায়াররা ও সেলাররা উভয়ই প্রচুর যুদ্ধ করেছে কিন্তু কেউই সফল হয় নি। বায়াররা সফল হউয়া মানে প্রাইস উপরের দিকে মুভ করবে আর সেলাররা সফল হউয়া মানে প্রাইস নিচের দিকে মুভ করবে। যদিও সেশন টি খুব ই সামান্য পরিবর্তনে ওপেন ও ক্লোজ হয়েছিলো এবং প্রাইস অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে হাইয়ার ও লোয়ার হয়েছিলো এই সময়ে, কিন্তু বায়ার ও সেলার কেউই সফল হয় নি এবং ফলাফল স্থির। লক্ষ্য করুন, আমরা স্পিনিং টপস এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে এসে গেছি... যদি আপট্রেনড এর সময়ে স্পিনিং টপস দেখা যায়, তবে এইটি বোজায় যে, এখানে এই মুহূর্তে আর প্রচুর বায়ার নেই এবং প্রাইস বিপরীত দিকে মুভ করার একটি ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। আবার যদি ডাউনট্রেনড এর সময়ে স্পিনিং টপস দেখা যায়, তবে এইটি বোজায় যে, এখানে এই মুহূর্তে আর প্রচুর সেলার নেই এবং প্রাইস বিপরীত দিকে মুভ করার একটি ভালো সম্ভাবনার রয়েছে। মারুবজু নামটাই কেমন যেন লাগছে তাই না !!! নাম যাইহোক, চলুন আগে জেন নেই মারুবজু কি ও কাকে বলে এবং কিভাবে চিনবো, এবং এই মহাশয় কে দেখলে ইনি কি উদ্দেশ্য নিয়ে সামনে এসেছেন !!! জানতে চাইলে পড়তে শুরু করুন। মারুবজু মানে হোল কোন সেডো ছাড়া ক্যান্ডল সটীক এর রিয়েল বডি। সেডো কি মনে আছে তো !!! মনে না থাকলে পোস্ট এর প্রথমে চোখ বুলিয়ে নিন। এর হাইয়ার ও লোয়ার প্রাইস, ওপেন এবং ক্লোজ এর মতো সেইম থাকে। অর্থাৎ ওপেন এবং ক্লোজ ও সেইম থাকে। তবে এখানে এর রঙ এর উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। আমরা মনে করে নিবো যে আমাদের চার্টে বুলিস বোজাতে সাদা ও বিয়ারিস বোজাতে কালো রঙ ব্যাবহার করেছি। অবশ্য উপরের ব্যাপার গুলো ও এভাবে বোজানো হয়েছে। না বুজলে আবার মিলিয়ে নিন। তো এখন দেখুন মারুবজু এর পিকচার। ইনিকে মাজে মাজেই চার্টে দেখা যায় তাই না !!! একটি সাদা মারুবজু অর্থাৎ সেডো ছাড়া একটি বড় সাদা রিয়েল বডি। এইটি বোজায় যে ওপেন প্রাইস লো প্রাইস এর সমান এবং ক্লোজ প্রাইস হাই প্রাইস এর সমান। যদি এই অবস্থায় এইটি দেখায় তবে এইটি খুব বুলিস ক্যান্ডল এবং এইটি দেখায় যে বায়াররা পুরো সেশনে কন্ট্রোলে ছিল। বায়াররা কন্ট্রোলে ছিল মানে প্রাইস বায়ারদের কন্ট্রোলে এবং আপ ছিল। এইটি সাধারণত প্রাইস বুলিস হউয়ার প্রথম অংশ এবং একে বলা হয় বুলিস রিভারসাল প্যাটার্ন। আবার একটি কালো মারুবজু মানে সেডো ছাড়া একটি বড় কালো রিয়েল বডি। এইটি বোজায় যে ওপেন প্রাইস হাই প্রাইস এর সমান এবং ক্লোজ প্রাইস লো প্রাইস এর সমান। যদি এই অবস্থায় এইটি দেখায় তবে এইটি খুব বিয়ারিস ক্যান্ডল এবং এইটি বোজায় যে সেলাররা পুরো প্রাইস একশনের সময় পুরো সেশনে কন্ট্রোলে ছিল। এইটি সাধারণত বিয়ারিস নিয়মিত হতে পারে এরকম বোজায়। একে বলা হয় বিয়ারিস রিভারসাল প্যাটার্ন। ডোজি অনেকেই ডোজি ও স্পিনিং টপস এর ব্যাপারটা এক করে ফেলে। তাই ডোজি সম্পর্কে এখন ভালো করে জেনে নিন। ডোজি এর হোল এমন ক্যান্ডল সটীক যার ওপেন এবং লো প্রাইস সেইম থাকে এবং তাদের বডি খুবই ছোট থাকে, একচুয়াল্লি বডি দেখা যায় না বললেই চলে, শুধু একটা সমান্তরাল রেখার মতো অনেক টা মনে হয়। ডোজির খুব ছোট বডি থাকবে যা চিকন লাইন এর মতো সম্মুখে উপস্থিত হবে। ডোজি এইটা সাধারণত নির্দেশ করে যে, বায়ার ও সেলারদের মধ্যে কঠিন যুদ্ধ হয়েছে এবং ফলাফল অসিদ্ধান্তহিন অবস্থায় আছে। এই সেশন টাইমে প্রাইস ওপেন প্রাইস এর উপরে ও নিচে মুভ করে, কিন্তু ওপেন প্রাইস এর খুব কাছে বা ওপেন প্রাইসে ক্লোজ হয়। বায়াররা ও সেলারা কেউই সফল হয় না এবং ফলাফল এককথায় ড্র। চার ধরণের স্পেশাল ডোজি রয়েছে। আপার ও লোয়ার সেডো এর দৈর্ঘ্য এর মাধ্যমে তাদের পার্থক্ষ করা যায় এবং ক্যান্ডল সটীক ক্রস,ইনভারটেড ক্রস, বা প্লাস সাইন আর মতো দেখায়। ডোজি শব্দটি সিঙ্গুলার এবং প্লুরাল উভয়ই রেফার করে। যখন আপনার চার্টে একটি ডোজি গঠন হয়, তখন এর আগের ক্যান্ডলসটীকের প্রতি লক্ষ্য করুন। যদি একটি লং সাদা বডি ক্যান্ডলসটীকের সিরিজের পর একটি ডোজি দেখা যায়, তখন এই ডোজি টি নির্দেশ করে যে বায়াররা ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পরছে। প্রাইস বৃদ্ধি কণ্টীনিউ করার জন্য আরও বায়ার দরকার কিন্তু এখানে আর বেশি বায়ার নেই !!! তখন সেলাররা সুযোগ খুজে এবং প্রাইস নিচের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। যেহেতু বায়ারদের শক্তি কমে গেছে, তাই সেলাররা সাধারণত সফল হয়। আবার, যদি একটি লং কালো বডির সিরিজের পর একটি ডোজি গঠিত হয় বা আসে তবে এইটি নির্দেশ করে যে সেলাররা ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পরেছে এবং প্রাইস নিচে নামানো বা হ্রাস কণ্টীনিউ করার জন্য এখানে এই মুহূর্তে আর বেশি সংখ্যক সেলার নেই, কিন্তু আরও প্রাইস হ্রাস করার জন্য আরও সেলার প্রয়োজন !!! এই মুহূর্তে বায়াররা সেলারদের এই দুর্বলতার সুযোগটাকে কাজে লাগাতে চায়। এবং যেহেতু সেলারদের শক্তি কমে গেছে তাই অপেক্ষাকৃত সবল বায়ারদের সাথে তারা পেরে উঠতে পারে না। ফলাফল ? সাধারণত বায়াররা এই ক্ষেত্রে সফল হয়। কারণ তো জানা ই রয়েছে, বিপরীত পক্ষ দুর্বল হলে, এবং সবল পক্ষের জয় অনেকটা সুনিশ্চিত, তাই না ? যখন হ্রাস শুরু হয়েছে, সেলারদের অপর্যাপ্ততার জন্য, কনফার্ম রিভারসাল এর জন্য বায়ারদের বায়িং শক্তি আবশ্যক । ========================================================================== বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ-- ক্যান্ডলসটীক চার্ট প্যাটার্ন রিভারসাল অথবা কণ্টীনিউ এর হিন্টস দেয়। কিন্তু এটা এই বোজায় না যে এইটা যে ইঙ্গিত দিয়েছে, তা নিশ্চিত ঘটবে !!! সুতরাং আরও জানা ও বিশ্লেষণ প্রয়োজন। আপনাকে অবশ্যই মার্কেট কন্ডিশন বিবেচনা করতে হবে এবং এও বিবেচনা করতে হবে যে প্রাইস একশন আপনাকে কি বলছে।অন্যান্য টুলস এর সাথে ক্যান্ডলসটীক বিবেচনা করে ট্রেড করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। অন্যান্য টুলস হতে পারে, ট্রেনড লাইন, ফিবনেসি, সাপোর্ট এবং রেসিসটেন্স। ইনডিকেটর ইউজ করা যেতে পারে, মুবিং এভারেজ, এমএসিডি। যেই টুলস ই ইউজ করেন না কেন, ভেবেচিন্তে ট্রেড করাটাই যুক্তিযুক্ত ও জ্ঞানীর কাজ হবে। ক্যান্ডল সটীক চার্ট এর পুরো পোস্টমর্টেম করা হবে এখানে। সত্যি ! মাজে মাজে বিডি পিপ্স এর স্ট্যাটাস লক্ষ্য রাখলেই হবে যদি আপনি ক্যান্ডল সটীক চার্ট এর এই আপডেট মিস না করতে চান। নতুন কনটেন্ট যোগ হলে আমি স্ট্যাটাস এর মাধ্যমে জানিয়ে দিবো। কিচ্ছু মিস হওয়ার চান্স নেই ! পরবর্তীতে ক্রমাগত ক্যান্ডল চার্ট সম্পর্কে আরও লিখা আসবে এই পোস্টে। আপনি ক্যান্ডল চার্ট সম্পর্কে যা জানেন তা এখানে পোস্ট করতে পারেন সকলের কথা চিন্তা করে।
  5. Catch that Trend ! ট্রেডাররা সাধারনত প্রাইস ধরার জন্য Moving averages ব্যাবহার করে থাকেন। যাইহোক, অন্য দুটি জনপ্রিয় ইনডিকেটর, The Moving average convergence/ Diverence(MACD) এবং The Average Directional Index(ADX) ট্রেডারদের সুধু ট্রেনড গতি ধরতেই সাহজ্জ করেনা, কিন্তু ট্রেনড কতটা শক্তিশালী টা বুজতে ও সাহায্য করে। MACD তৈরি করেন Gerald Appel, এটি একটি মোমেনটাম ইনডিকেটর যা প্রায় ই প্রাইস এর গতিপত বা গতি নির্দেশ করে যে প্রাইস এর(MACD) ট্রিগার লাইন এবং জিরো লাইন এর উপরে বা নিচে উঠানামা করছে কিনা। ADX সম্পর্কে জানতে তানভীর ভাইয়ের এই পোস্ট টি দেখতে পারেন http://bdpips.com/topic/2759-adx/ এখন নিচের চার্ট টি দেখুন... ইনডিকেটর দুটি ট্রেনড এর গতি ও শক্তি প্রকাশ করছে। চিত্রের ব্যাখ্যা ঃ- ADX ইনডিকেটর উপরে উঠে যখন এটি একটি উন্নত ট্রেনড ধরে, কিন্তু এই ট্রেনড গতি নির্দেশ করে না। MACD যোগ করেনা। এখন, ট্রেনড এর গতিটি দেখতে সহজ হয়েছে। তিন প্যাটার্ন তিনটি পৃথক এবং মুনাফাযোগ্য প্যাটার্ন মাঝে মাঝে দেখা যায়। এইসব প্যাটার্ন টপস এবং বোটম ডিটেক্ট করে না, কিন্তু ট্রেডারদের একটি ট্রেনড নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। যেসব ট্রেডাররা শর্টার টার্ম ট্রেড করতে পছন্দ করেন তাদের জন্য এগুলো স্পেসালি উপকারি। কনফারমিং প্যাটার্ন ঃ- যখন প্রাইস ADX এবং MACD এ দুটাই একসাথে উঠা নামা করে অর্থাৎ মিল থাকে তখন কনফারমিং প্যাটার্ন হয়। যখন দুটো ইনডিকেটরেই প্রাইস একসাথে উঠে, তারা আপ- ট্রেনডিঙ্গ প্রাইস মুভমেন্ট শনাক্ত করে জেতি বুলিশ ট্রেডারদের জন্য লং সাইড ট্রেডের সুযোগ নির্দেশ করে। সবচেয়ে শক্তিশালী এবং আদর্শ ট্রেডিং কনফিগারেশন সংঘটিত হয় যখন ADX লাইন উপরে উটতে শুরু করে এবং MACD লাইন ও এর ট্রিগার ও জিরো লাইন এর উপরে উঠে। কোন লেবেল থেক ADX উতচে এটা কোন ব্যাপার না। কনফারমিং প্যাটার্ন এ প্রাইস এর গতি নিচের দিকে পরিবর্তিত হয়, তখন ADX ও MACD উভয়ই একটি সম্ভাব্য ট্রেনড পরিবর্তন শনাক্ত করে। নিচের দৃশ্যে দেখুন এই প্যাটার্ন... চিত্রের ব্যাখ্যা ঃ- যখন ADX এবং MACD প্রাইস একই সাথে উঠে বা নামে, এটি কনফারমিং চার্ট তৈরি করে। একটি আপ-ট্রেনড প্রোগ্রেসে থাকে যখন দুটি ইনডিকেটর ই একসাথে উঠে। ডাইভারজিং প্যাটার্ন ঃ- ডাইভারজিং প্যাটার্ন ডাউন-ট্রেনডিঙ্গ প্রাইস মুভমেন্ট শনাক্ত করে। ADX লাইন উপরে উঠে কারন এটি একটি ট্রেনড পেয়েছে। কিন্তু MACD লাইন নিচে নামে কারন এটি নির্দেশ করে এই উন্নত ট্রেনড এর গতিটি ডাউন। এর মিরর-ইমেজ গঠন একে একটি চাক্ষুশভাবে বুজতে পারতে সহজ প্যাটার্নে তৈরি করে । যারা বিয়ারিশ ট্রেডার, এবং যারা স্টক(অথবা অন্য কিছু) বিক্রি করতে চায়, তাদ্র জন্য এটি একটি ভালো প্যাটার্ন। (এই অবস্থায়) যেসব ট্রেডার একটি লং পজিশন ট্রেড ইন্টার করতে চায় তাদেরকে এটি সাবধান করে এবং পরবর্তীতে আরও অনুকূল সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে বলে। যখন ADX লাইন উপরে থাকে এবং MACD লাইন এর ট্রিগার লাইন ও জিরো লাইন এর নিচে নামতে থাকে তখন এই শক্তিশালী প্যাটার্ন টি ঘটে। নিচের চিত্রে দেখুন... চিত্রের ব্যাখ্যা ঃ- যখন এডিএক্স উপরে উঠে কিন্তু এমএসিডি নিচে নামে। কনভারজিং প্যাটার্ন ঃ- এই প্যাটার্নের একটি উচ্চ প্রবনতা রয়েছে জেতি একটি অযৌক্তিক পতনের পর আসে। ADX নিচে নামতে শুরু করে এবং আবরতিত হয় ও তাৎপর্যপূর্ণভাবে দেখায় যে ট্রেনড টির শক্তি দুর্বল হয়েছে। ঠিক একই সময়ে MACD জেতি তার জিরো লাইনের নিচে রয়েছে, সে তার জিরো লাইন এর উপরে উঠতে শুরু করে। দৃশ্যগত পতন হতে থাকা ADX এবং উঠতে থাকা MACD প্রত্যেকে একই বিন্দুর দিকে ছুটছে বলে মনে হয়। নিচের দৃশ্য টি দেখুন... একটি ট্রেডিং এর উদাহরণ নিচের দৃশ্য টি দেখুন(ফিগার ৫) এরিয়া A চিহ্নিত করা হয়েছে পতন হিসেবে, যা ডাইভারজিং প্যাটার্ন, যা একটি কনভারজিং প্যাটার্ন দ্বারা ফলো করা হয়েছিলো প্রাইস বৃদ্ধি হিসেবে এরিয়া B এর মধ্যে। ওই কনভারজিং প্যাটার্ন কনফারমিং প্যাটার্ন এর একটি নতুন পথ দিএচিল( এরিয়া C)। প্রাইস নতুনভাবে অন্য দশ পয়েন্টে শুরু করলো, একটি নতুন কনফারমিং প্যাটার্ন উপস্থিত হোল (এরিয়া D তে দেখুন), যেটি পতন টি প্রতিচ্ছবি করলো, আপ-সাইটে রিভারসিং হউয়ার পূর্বে যা একটি পুরবের প্রাইস গ্যাপ ফিল আপ করলো। আপনি কি এই চার ধরণের যে কোন একটি এরিয়ার দ্বারা উপকৃত হতে পারতেন (যা ADX ও MACD শনাক্ত করেছিলো) ? ভাবুন...। মূল----------------------------- Barbara Star, Ph.D., Barbara Star is a former vice-president of the Market Analysts of Southern California. She is a frequent contributor to the magazine, Technical Analysis of Stocks and Commodities.A former university professor, Dr. Star provides individual instruction and consultation to those interested in learning technical analysis. Her email address is star4070@aol.com """"""""""""""""""""""আমি জানিনা এই ইমেইল থেকে তিনি রিপ্লাই করেন কিনা।"""""""""""""""""""""""""""""""
  6. ফরেক্স এ ট্রেডিং এর জন্য আপনার ম্যাক্রো ইকোনোমিকস এর উপর ভাল আইডিয়া থাকা প্রয়োজন। এতে করে আপনি ফান্ডাম্যানটাল ব্যাপারগুলো ভালো বুজবেন। আমি এখানে ম্যাক্রো ইকোনোমিকস এর প্রাথমিক আলোচনা করছি। ভালো লাগলে জানাবেন, ভবিষ্যতে তাহলে আরও কিছু পোস্ট করতে পারি ম্যাক্রো ইকোনোমিকস এর উপরে। আড় ভালো না লাগলে ও জানাবেন, তাহলে এইটাই প্রথম ও শেষ পোস্ট হবে ম্যাক্রো ইকোনোমিকস এর উপরে। --------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- ম্যাক্রো ইকোনোমিকস কি ? অর্থনীতির যে শাখায় একটি দেশের সামগ্রিক অর্থ বেবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ম্যাক্রো ইকোনোমিকস বলে। এক কথায় শেষ !! মাইক্রো ইকোনোমিকস এ বেক্তিগত চাহিদা, হিসাব নিকেশ ইত্যাদি প্রকাশ পেলেও ম্যাক্রো ইকোনোমিকস এ পুরো অবকাঠামোগত অর্থনৈতিক টার্মস গুলো উঠে আসে। অর্থাৎ, অর্থনীতির সতন্র ধারা গুলো খণ্ড খণ্ড বা এককাবে বিশ্লেষণ না করে, পুরো সামগ্রিকভাবে দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করা হয়। আর এই জন্যই বোধহয় বাংলায় এর নাম হয়েছে, সামসটিক অর্থনীতি। ম্যাক্রো ইকোনোমিকস কি কি বিষয়ের উপরে গুরুত্ব দেয় মূলত বা এর উদ্দেশ্য কি কি ? এর মূল উদ্দেশ্য হোল, দেশের মোট উৎপাদন শীর্ষে নিয়ে যাওয়া, নিয়োগের হার বৃদ্ধি, অনিচ্ছাকৃত বেকারত্বের হার হ্রাস, মূলস্থর স্থিতিশীল রাখা, বাণিজ্যিক লেনদেন অনুকূলে অ্যানা ইত্যাদি ইত্যাদি। কিভাবে ম্যাক্রো ইকোনোমিকস এই গুলো করে ? উপরোক্ত উদ্দেশ্যসমূহ হাছিল করার জন্য, ম্যাক্রো ইকোনোমিকস এ দুই ধরণের নীতি অবলম্বন করা হয়, কেননা এইটা ও অর্থনীতির একটা শাখা, নীতি তো আসবেই। মজা করলাম। দুই ধরণের নীতি দুই ধরণের নীতি হোল...... ১. মানিটারি পলিসি ২. ফিস্কেল পলিসি ম্যাক্রো ইকোনোমিকস এর হাতিয়ারগুলো কি কি ? উপরোক্ত নীতি সুমুহের আবার নিজস্ব কিছু হাতিয়ার রয়েছে। আমরা নিচে দেখি... মানিটারি পলিসিঃ এই নীতির হাতিয়ারগুলো একনজরে দেখুন... ক. মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ খ. খোলা বাজার কার্যক্রম গ. রিজার্ভের হার নিয়ন্ত্রন ঘ. ব্যাংক হার এছাড়া ও সরকারের পক্ষে সেন্ট্রাল ব্যাংক আরো কিছু হাতিয়ার ব্যাবহার করে, যেইগুলোকে গুণগত হাতিয়ার বলা হয়। যেমন, নৈতিক চাপ, ঋণদান নিষিদ্ধকরন, ঋণের রেসনিং ইত্যাদি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ফিস্কেল পলিসিঃ এইনিতির হাতিয়ারগুলো ও এক নজরে দেখে নিন ... ক. সরকারি খরচ খ. কর গ. ভর্তুকি ঘ. সরকারি ঋণ ঙ. বাধ্যতামূলক সঞ্চয় দেখুন তো নির্দিষ্ট কারেন্সির দেশে উপরোক্ত হাতিয়ারগুলোর পিরিয়ডিকেল পরিবর্তনে আপনার চার্টে ওই কারন্সি পেয়ারের প্রাইস এর উঠানামা হয় কিনা ?? যদি হয়, তবে ম্যাক্রো ইকোনোমিকস নিয়ে একটু হলে ও স্টাডি করুন। ফান্ডাম্যানটাল টার্মস গুলো বুজতে সুবিধা হবে।
  7. পোস্ট টা তানভীর ভাই এর শুরু করার কথা ছিল। উনি বেক্তিগত কাজে বিজি থাকায় আমি শুরু করলাম। আমরা জানি যে আমাদের একটা স্কুল আছে, যে স্কুল নতুনভাবে প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে এবং হবে এই প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। আমি দ্বিধাহীন কণ্ঠে বলতে পারি যে, বাংলায় এর চেয়ে সমৃদ্ধ রিসোর্স আর কোথাও নেই। আমরা বিডি পিপ্স ফোরামবাসি অতিতে ও বর্তমানে ফোরামে অনেক অবদান রেখেছি এবং রেখে যাচ্ছি । এই অবদান রাখার উপর ভর করেই বিডি পিপ্স স্কুল সামনে এগিয়ে যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। তবে অতিতে আমার দেখেছি যে তানভীর ভাই ও আরও কিছু ভাই শুধু একা কাজ করে স্কুল কে এতোদূর পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন। এবার আর ওনারা একা না, আমরা ও যুক্ত হতে চাই, কি বলেন ??? বেবি পিপ্স বাংলা করার মিসন শুরু হবে। কথায় আছে, দশের লাঠি একের বোঝা। আমরা যারা আছি, সবাই যদি হাত দেই, এবং যতটা সম্ভব বেবি পিপ্স স্কুল বাংলায় করতে পারি, তবে আমাদের এই প্রিয় স্কুল অনেকটাই স্বয়ং সমৃদ্ধ হবে বলে আমার বিশ্বাস। আমরা একেক জন একেক জায়গায় থাকি। কাউকে দেখিনি। কিন্তু আমাদের মাঝে হয়ে গেছে একটি শক্তিশালী বন্ধনের মতো সম্পর্ক। আমরা একে অপরের ভাই, বন্ধু হয়ে গেছি। এই ফোরাম আমাদের মাঝে এই সম্পর্ক তৈরি করে দিয়েছে। এইটা আমাদের নিজস্ব এলাকার মতো হয়ে গেছে। আমাদের জন্য একটা প্লাটফর্ম হয়ে গেছে, যেই প্লাটফর্মে আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন,ঠিক ই এসে একে অপরের সাথে কথা বলতে পারি ! আমাদের এই ফোরামবাসিদের মাঝে কতটুকু একতা আছে, কতটুকু ভালোবাসা আছে তা পরীক্ষা দেয়ার, তা দেখানোর সময় এসেছে এবার। কারণ একতা না থাকলে কোন বড় কাজ এগিয়ে নেয়া এবং ঠিকভাবে শেষ করা যায় না। বেবি পিপ্স স্কুল বাংলায় করা তেমন ই একটি বড় ধরণের কাজ। কিন্তু সবাই মিলে ধরলে কিছুই না। আরেকটা কথা, অনেকেই বলেন যে, বিডি পিপ্স school"]স্কুলে[/url], এইটা নেই,বা ওই টা নেই, এই কনটেন্ট কম আছে, আরও বেশি হলে ভালো হত। তাই, এবার সবাই, বেবি পিপ্স স্কুল এর কনটেন্ট এর একটা লিস্ট দিবেন। যাতে, বোঝা যায় যে, আমরা আসলে কি কি চাচ্ছি। কারণ, এইটা আমাদের ফোরাম। তাই, আমাদের পছন্দের টপিক থাকা জরুরী। সুতরাং, আপনারা এই থ্রেডে আপনাদের যার যার পছন্দের টপিক এর একটা লিস্ট বিচার-বিবেচনা করে পোস্ট করুন। আর, সবাই, এই মিসনে অংশীদার হবেন, কেননা, আপনাদের অংশগ্রহণ ছাড়া এই প্রোজেক্ট এগিয়ে নেয়া সম্ভব না। ----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- যদি লক্ষ্য থাকে অটুট, বিশ্বাস হৃদয়ে..... হবে,হবেই দেখা,দেখা হবে বিজয়ে......
  8. আমরা পাঁচ বন্ধু গ্রামের এক কলেজে পড়তাম । প্রাইমারী স্কুল থেকে আমাদের বন্ধুত্ব শুরু । সেটা এখনো আছে ! যাইহোক, আমারা নিয়মিত আড্ডা মারতাম, ঘুরতাম, লুকিয়ে লুকিয়ে সিগারেট খেতাম (কলেজে এসে)। খুব ই মজায় কাটছিল আমাদের দিনগুলি। ওহ, আমাদের নাম বলতে তো ভুলে গেছি ! আমি সবুজ, আর আমার বাকি চার বন্ধুর নাম ছিল সাইফুল, সেলিম, রুবেল ও তানিম। তো দিন কেটে যাচ্ছিল। প্রথম বর্ষ পরীক্ষা দিয়ে আমরা দ্বিতীয় বর্ষে গেলাম । আর নতুন এক ব্যাচ ডুকলো মানে ভর্তি হোল আমাদের কলেজে। তো আমরা মেয়েদের দিকে লক্ষ্য রাখতাম একটু বেশি । কারন তো জানেন ই ! এভাবে আমরা চার বন্ধু মজা করছি ! ভাবছেন চার কেন ? হুম চার। আরেকজন মজা না, পুরো প্রেমে ডুব মারলেন। প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিল তিশা । খুবই মেধাবি ছিল সে। নিয়মিত ক্লাস আর পড়াশোনা এই নিয়েই সারাক্ষণ বিজি থাকতো ।তবে গ্রামে তো মেয়েদের পরাশনার দাম একটু কম ই ছিল। তার বাবার ইচ্ছা ছিল ইন্টারমিডিয়েট পাস করিয়েই বিয়ে দিয়ে দিবেন। এইটা অবশ্য সে জানত না। কিন্তু অনেক স্বপ্ন দেখত। স্বপ্ন দেখা ফ্রি তো তাই মনে হয় !!! প্রেম কে সব সময় পাস কাটিয়ে চলতো। কিন্তু কলেজে এসে আর নিস্তার পায়নি। আর জানেন ই তো প্রেমের ক্ষেত্রে কি হয় । কোথায় থেকে কিভাবে কি জানি হয়ে যায় ! তো আমাদের যে বন্ধু টি এই তিশার প্রেমে ডুব দিয়েছিলো তার নাম ছিল তানিম। সেও অনেক মেধাবী ছাত্র ছিল। আমাদের ক্লাসে সেই ছিল প্রথম স্থান অধিকারী। আমাদের এই বন্ধুটি পড়াশোনার বাইরে আর তেমন কিছু বুজত না । তবে আমাদের সাথে আড্ডা ফুর্তি করতো অনেক । প্রান চাঞ্চল্লতায় ভরপুর ছিল । তার বাবার স্বপ্ন ছিল ছেলেকে অনেক শিক্ষিত করবেন ।কিন্তু কি হোল সেই স্বপ্নের ? আমি সংক্ষেপে ঘটনা শেষ করার চেষ্টা করি কেমন । আপনারা বিজি শহরের ইজি(!!!!!) মানুষ। আপনাদের সময়ের অনেক দাম আছে। আপনাদের বেশি সময় নষ্ট করতে চাইনা। তো ঘটনায় ফিরে আসি। তানিম এর তিশার সাথে প্রেম হউয়ার পর কলেজে আমরা চার বন্ধুই আড্ডা মারি । তানিম তিশার সাথে সময় কাটায় । কখনো কলেজের পাশের পুকুর পারে। কখনো বা কলেজের পাস দিয়ে যাওয়া রাস্তায় , কখনো বা মাঠে । আমরা আর তাকে কলজে কাছে পাই না আড্ডা দেওয়ার জন্য। আর কলেজ এর পরে পেলে ও সে শুধু মোবাইল এ তিশার সাথে কথা বলাতেই বিজি থাকে । আমদের চুপ থাকতে হয় । এতে নাকি তার কথা বলায় ডিস্টার্ব হয় । আসতে আসতে এই জন্য আমরাও তাকে আর সহজে আমাদের আড্ডা তে ডাকি না। কারন সে এলে আমাদের যে চুপ থাকতে হয়। আর চুপ করে যে তার মোবাইলে কথা বলা শুনবো তার উপায় ও নেই। মানে জানেন ই তো প্রেমিক প্রেমিকার কথা শুনা কতটা বিরিক্তিকর । যার সাথে কথা বলছে তার কাছে মধুর মতো লাগে, কিন্তু যে বাইরে বসে তাদের কথা শুনে তার কাছে বিরক্তি লাগে। যাইহোক, এভাবে আমরা কলেজ জীবন শেষ করলাম। ঢাকায় চলে আসি আমি, সেলিম ও রুবেল ভার্সিটি তে ভর্তি হবার জন্য। তো ভর্তি কোচিং এ ভর্তি হলাম । এই তিন জন কিন্তু এক সাথে থাকিনা। যার যার সুবিধা মতো যায়গায় উঠেছি আমরা। আমি খালার বাসায় উত্তরায়। রুবেল যাত্রাবাড়ীতে , সেলিম ধানমণ্ডিতে। পরে সেলিম চার মাসের মাথায় অ্যামেরিকায় পরতে চলে যায়। ঢাকায় শুধু রুবেল আর আমি।মোবাইলে মাঝে মাজে কথা হয় আমাদের। দেখা হয় না। আর বাকি দুই বন্ধুর মধ্যে সাইফুল বাড়িতেই রয়ে গেছে। বিদেশ নাকি যাবে । তানিম তিশার সাথে প্রেম করে পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট করে । ফেইল না । কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট পাইনি বলে আবার পরীক্ষা দিবে সে । তা ছাড়া ঢাকায় চলে এলে তিশার সাথে ও তার দেখা হউয়া মিস হয় । এই জন্য তার বাবাকে বলে কয়ে আবার পরীক্ষা দেবার বাহানায় গ্রামেই রয়ে গেলো । আগেই বলেছি, তার প্রেমের শুরু হউয়ার পর থেকে সে ক্রমাগত আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছিল। তো সাইফুল আর তানিম একই গ্রামের ছিল ।তাই মাঝে মাঝে ওর কাছে তানিমের খবর পেতাম। ঢাকায় এসে গ্রামে আর তেমন যাওয়া হয় না । প্রথম প্রথম যেতাম ঘন ঘন । কিন্তু ভার্সিটি তে ভর্তি হবার পর আর যাওয়া হয় নি। ধীরে ধীরে সবার সাথে যোগাযোগ কমে যেতে লাগলো।ঢাকা আসার এক বছরের মাথায় তানিমের মোবাইল বন্ধ পাই ।তার আর খবর পাই না । সাইফুলের টাও একই অবস্থা। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে এবার প্রায় ১ বছর পর(কলেজ জীবন শেষ করার দুই বছর) পর বাড়িতে এলাম আমরা দুই জন ই। ঈদের পর দিন সবাই একসাথে হলাম। সাইফুলকে লোক মারফত খবর দিয়ে আনালাম । সে নাম্বার চেঞ্জ করেছে। তিন বন্ধু একসাথে হউয়ার পর কৌশলাদি বিনিময় করলাম। সাইফুল কে অনেক বকা ঝকা দিলাম নাম্বের বন্ধ থাকায়। তাকে বললাম তানিমের নাম্বারটাও তো বন্ধ । তোকে না বলে পাঠিয়ে ছিলাম তাকেও সাথে করে নিয়ে আসতি ? সে কই ? একটু পরে আসবে নাকি ? তানিমের কথা বলায় সাইফুল চুপ হয়ে রইলো । রুবেল বলল কিরে চুপ করে আছিস কেন ? সাইফুল কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, তোরা কিছু জানিস না !! আমরা বল্লম তুই তো জানিস ই তার নাম্বার বন্ধ পাচ্ছি একবচর যাবত । নতুন নাম্বার টাও আমাদের দেই নি । সাইফুল বলল কেন দেই নাই আমি বলি শুন । তিশা আর তানিম তো এক সাথে পরে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে। পাস করার পর তিশার বাবা তিশার বিয়ে ঠিক করে অন্য এক ছেলের সাথে। তিশা তানিমের কথা তার বাবাকে বলে ।তার বাবা তাকে জানিয়ে দেয় যে ওই ছেলে মাত্র ইন্টারমিডিয়েট পাস করেছে। তার প্রতিষ্ঠিত হতে অনেক সময় লাগবে । এত দিন আমি তোমার বিয়ে না দিয়ে রাখবো না । পরে তিশার অমতেই বিয়ে ঠিক ঠাক হয়ে যায় । তিশার বাবা তিশকে ঘরে আটকে রাখেন এবং তার মোবাইল নিয়ে নেন। তিশার আর তানিমের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় ।তানিমের গ্রাম থেকে তিশার গ্রাম আরও সাত গ্রাম পরে । তিশা অনেক কষ্ট করে তানিম কে খবর পাঠায় । কিন্তু খবরবাহক তিশার বাবার হাতে ধরা পরে যায়। এই জন্য তিশার বাবা তিশার বিয়ে নির্ধারিত সময় থেকে আরও এগিয়ে নিয়ে আসেন । এদিকে তানিম তিশার নাম্বার বন্ধ পেয়ে তার বাড়িতে চলে আসলে তিশার বাড়ির লোকজন তাকে তাড়িয়ে দেয় ।তিশা তা জানতে পেরে বিয়ের আগের রাতে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ধরা খেয়ে যায় । পরে শেষ রাতের দিকে আত্মহত্যা করে প্রেমের মান বজায় রাখতে । এইদিকে ওই দিন বেলা ১ টার দিকে তানিমের নাম্বারে কল আসে । কল করে তিশার এক বান্ধবি। তাকে এই খবর জানায় সে । তানিম তো তিশার সাথে কথা ও দেখা না করতে পেরে এমনিতেই আধাপাগলের মতো আছে । যখন তিশার মৃত্যুর খবর পেল তখন দৌরে গেলো তিশাদের বাড়িতে । সাথে আমাকে নিয়ে যায়। বেলা তখন ৪ টা। লাস দাফন করা হয়ে গেছে ঘণ্টা খানেক আগে । তিশাদের বাড়িতে পৌঁছে দেখি শুনশান নীরবতা। তিশার বাবা ঘরের বাইরে এক কনায় একটা চেয়ারে বসে আছে ।আর কিছু লোক ছড়িয়ে ছিটিয়ে । তানিম কে দেখা মাত্র তিশার বাবা দৌরে এল। চিৎকার করে বলতে লাগলো, বাবা আমার ভুল হয়ে গেছে। নিজের ভুলে আমি নিজের মেয়েকে হারিয়েছি । তানিম চুপ করে মাটির দিকে তাকিয়ে রইলো । তিশার বাবা কেঁদে চললেন । তানিম তখনো চুপ। আমি তানিমের কাঁধে হাত রাখলাম সান্ত্বনা দেবার জন্য । কিন্তু তানিম চুপ । টার চোখ দুটিতে তে যেন খরা লেগেছে। এত শুষ্ক ।এভাবে মিনিট ১৫ এর মতো পার হোল। একটু পরে তানিম বলল আমি টার কবর দেখতে চাই। আমি আপনার কথা বিশ্বাস করিনা। তিশাদের বাড়ির একটা ১৫-১৬ বছরের ছেলে তানিম কে বলল আসেন আমার সাথে,আমি নিয়ে যাচ্ছি । আমরা গেলাম ওই ছেলেটির পিছু পিছু। কিছুক্ষণ হাঁটার পর একটু দূরে গ্রামের প্রধান কবরস্থান দেখতে পেলাম । ওখানে যাওয়ার পর দেখি একটা নতুন কবর । বুজতে কষ্ট হয় না এইটাই তিশার কবর । ছেলেটি ওই কবরের পাশে গিয়ে বলল, এই যে এইটা, এইটা আমার আপুর কবর । তানিম কবরের পাশে গিয়ে দাড়ায়। বিড়বিড় করে কি যেন বলে ।কান পেতে শুনি ও বলছে, ভালই তো স্বার্থপর তুমি । বলেছিলে ককহ্ন আমায় একা ফেলে যাবে না ।আর আজ ? একাই চলে গেলে ! আকস্মিক ও কবরের পাশের কৃষ্ণচূড়া গাছের দিকে তাকায় । লাল ফুলে ছেয়ে আছে সেই গাছ । তানিম দৌরে গিয়ে গাছে উঠে । একটু উঠার পর পরে যায় । আবার উঠে । আমরা বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করি ।কিন্তু সে মরিয়া হয়ে গাছে উঠে । ফুলে ছেয়ে আছে এরকমএকটা কৃষ্ণচূড়ার ডাল ভেঙ্গে নিয়ে আসে । এনে তিশার কবরের পাশে এসে দাড়ায় আর বলে তিশা দেখ, এই যে তোমার প্রিয় ফুল। আমি নিয়ে এসেছি । নেও, নিবে না ! এই তিশা। এই! এবার দেখি তানিম কাঁদতে শুরু করে দিয়েছে । আমি বাঁধা দিলাম না। বললাম না কোন সান্ত্বনার বানি । আমাদের সাথের ছেলেটা সান্ত্বনা দিতে গেলে তাকে আমি ডেকে নিয়ে এলাম । আমরা একটু দূরে সরে এলাম । ও কাঁদুক। কেঁদে হালকা হউক ।পরে আমরা চলে আসি । তানিম কে জোর করে নিয়ে আসতে হয় ।সে আসতে চায়না । এর ১৩ দিন পর তানিম ও আত্মহত্যা করে মারা যায় । সাইফুল এর কাছে তানিমের এই ঘটনা শুনে আমি আর রুবেল স্তব্দ হয়ে বসে থাকি । সূর্য অস্ত যেতে থাকে । এক সময় ডুবে যায় । যেভাবে ডুবে গিয়েছিলো আমাদের বন্ধুটি।সূর্য পরেরর দিন ঠিক ই উঠবে । কিন্তু উঠবে না আমাদের বন্ধুটি ।
  9. এখানে আমি যেইগুলো জানি, ফরেক্স শব্দের বাংলা অর্থ শেয়ার করছি। আপনারা যে গুলো জানেন, শেয়ার করবেন, সেই আশা রইলো। Long - ক্রয় করা- Buy Short- বিক্রয় করা-Sell Bullish- আপট্রেনড, আপট্রেনডে থাকা ট্রেড, ঊর্ধ্বমুখী Bearish-ডাউন ট্রেনড, ডাউন ট্রেনডে থাকা ট্রেড, নিম্মমুখি Indicator- যা মার্কেট সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে, যা ভবিষ্যৎ বানী করে, যা অর্থনীতির অবস্থা সম্পর্কে ইঙ্গিত দেয়, মুদ্রাস্ফীতি, সুদ, এবং অন্যান্য সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে। Chart- চার্ট হোল আগের প্রাইস একশন যা গ্রাফের মাধ্যমে চোখের সামনে উপস্থিত করে। Commodity- পণ্য, যেমন, খাদ্য, মেটাল প্রভৃতি। Expert Adviser- রোবট প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রেড করতে পারে। Pips- দশমিকের পরে ৪থ সংখ্যার প্রতি এক একক পরিবর্তন বা মুভমেন্টকে PIP বা পিপ বলে। Pipettes- কিছু কিছু ব্রোকারে প্রাইস দশমিকের পরে ৫ ডিজিট থাকে। যেমনঃ ১.৪২৫৬১. এই পঞ্চম ডিজিট তাই হল পিপেটিস। Lot- একসাথে কতগুলো শেয়ারের সমষ্টি। সাধারণত ১০০ ইউনিটের সমষ্টি কে বুজায়। তবে ১০০০০ ও ১০০০০০ ইউনিটের লট ও রয়েছে। ব্রোকার অনুযায়ী ইউনিটের পার্থক্য হয়। Loss- মনে হয় না অর্থ বলতে হবে ! খেলে টের পাবেন ! Profit- এইটাও পেলে টের পাবেন ! Long-term- অধিক সময়। সাধারনত, বন্ডের ক্ষেত্রে বোজায়, ১০ বছরের অধিক সময়। Leverage- মূল ব্যালেন্সের অতিরিক্ত নিয়ে ট্রেড ওপেন করলে, অতিরিক্ত যে সুবিধা পাওয়া যায় তাকে লিভারেজ বলে। Margin- লিভারজের মতো। কতটুকু লিভারেজ ব্যাবহার করা হয়েছে তা মারজিন এর রেশিও দ্বারা বোজা যায়। Spread- ব্রোকারের কমিশন। ট্রেড ওপেন করলেই দেখা যায় ট্রেডটি কিছুটা লসে ওপেন হয়েছে। এটাকেই স্প্রেড বলে। ফরেক্স ব্রোকারে একটি ট্রেড ওপেন করার জন্য এই ফি, কমিশন বা চার্জ হিসেবে ব্রোকার কেটে নেয়। Ask Rat- যে রেটে বিক্রির জন্য অফার করা হয়। Bid Rate- যে রেটে একজন ট্রেডার কোন কারেন্সি ক্রয়ের জন্য ইচ্ছা করে। Base Currency- যে কারেন্সি দিয়ে একজন ট্রেডার তার ফরেক্স আকাউনট সংরক্ষণ করে। সাধারণত অ্যামেরিকান ডলার বিশ্ব জুড়ে বেইস কারেন্সি হিসেবে বেবহারিত হয়। Broker- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যে বা যারা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যস্থকারবারি হিসেবে কাজ করে এবং সার্ভিস চার্জ নেয়। Chartist- কোন ব্যাক্তি, যে চার্ট ও গ্রাফ ব্যাবহার করে, ট্রেনড খুজে পেতে পূর্বের ডাটা ব্যাখ্যা করে, এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য মুভমেন্ট সম্পর্কে ভবিষ্যতবাণী করতে পারে। এদেরকে টেকনিক্যাল ট্রেডার ও বলা হয়। Choice Market- যে মার্কেটে স্প্রেড নেই। এক প্রাইজেই সকল বায় এবং সেল সংঘটিত হয়। Commission Fee- ট্রান্সজেক্সন খরচ, যা ব্রোকার কেটে নেয়। Currency Rate- কোন কারেন্সি একচেঞ্জ করার সময় মূল্য পরিবর্তনের সম্ভাব্যতা। US Prime Rate- যে রেটে অ্যামেরিকান ব্যাংকগুলো তাদের প্রাইম কর্পোরেট কাস্টমারদের লোন দেয়। বিভিন্ন কারেন্সির নিক নেম গুলো জেনে নিতে পারেন নিচের পিকচারটি থেকে... পরবর্তীতে ক্রমাগত আরও শব্দের অর্থ যোগ করা হবে। আপনাদের মতামত পেলে চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। তাই মতামত জানান।
  10. আমি এই থ্রেড টায় মুবিং এভারেজ সম্পর্কে বেবি পিপ্স, অন্যান্য রিসোর্স ও আমার নিজস্ব ধারণা, অভিজ্ঞতার আঙ্গিকে মুবিং এভারেজ সম্পর্কে লিখবো বিডি পিপ্স স্কুল এর জন্য। দেখি কত টুকু এগিয়ে নেয়া যায় সবার প্রিয় ইনডিকেটর মুবিং এভারেজ কে।কিছু কথা হয়তো মডিফাই করে নিতে হতে পারে বা বাদ দিতে হতে পারে, কারণ একটু সাহিত্য সাহিত্য ভাব আনলে লিখায়, বোজার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়, আর এই ক্ষেত্রে দেখা যায়, কিছু অপ্রাসঙ্গিক কথা ও চলে আসতে পারে !! কারণ আমি চাই, পোস্ট টা আনন্দদায়ক উপায়ে সবার বোধগম্য করা। এর আগে মুবিং এভারেজ সম্পর্কে একটা পোস্ট করেছিলাম। ওইটা ছিল হালকার উপর ঝাপসা ! এবার মনে হয়, ভারির উপর ..................আপনারা বুজে নিন। তো চলে যাই, পোস্ট এ ............... মুবিং এভারেজ-নামেই যার পরিচয় ! মুবিং এভারেজ কি ? মুবিং এভারেজ হোল একটা স্পেসিফিক সময়ের প্রাইস একশন বের করার উপায়। মুবিং এভারেজ যদি আমরা ক্লোজিং প্রাইসের উপর এপ্লাই করি, তবে আমরা একটি কারেন্সি পেয়ার এর শেষ X নাম্বার পিরিয়ড এর ক্লোজিং প্রাইস এর এভারেজ নিচ্ছি। সোজা না ??? আচ্ছা আবার একটু দেখি, মুবিং এভারেজ ইনডিকেটর হোল সবচেয়ে বেশি ও কমনলি বেবহারিত ইনডিকেটর। ইনডিকেটর ক্যাটাগরি এর মধ্যে এর অবস্থান ট্রেনড ইনডিকেটরে। অর্থাৎ ট্রেনড বোজার ক্ষেত্রে ট্রেডাররা এইটি ব্যাবহার করে থাকেন। এইটি ব্যাবহার করা ও অনেক সহজ। এটি সেট করা অনেক সহজ ও সহজেই ব্যাখ্যা করা যায়। সাধারণভাবে বলা যায়, মুবিং এভারেজ একটা নিদিষ্ট সময়ের প্রাইস উঠা নামার একটা গড় মাত্রা দেয়। মার্কেট ট্রেনড ও ট্রেনডেন্সি, প্রাইস একশন সম্পর্কে অনেক তথ্য পেতে এইটি সাহায্য করে। এখনো ক্লিয়ার না ? অন্যান্য ইনডিকেটর এর মতো মুবিং এভারেজ ও ভবিষ্যৎ প্রাইস ফরকাস্ট করার জন্য সাহায্য পেতে বেবহারিত হয়। আগে ছবি দেখে নেয়া যেতে পারে। কি দেখা যায় ? লম্বা দরির মতো (নাকি সুতো বা রেখার মতো ?) যাইহোক, যেইগুলো উপরের চিত্রে ক্যান্ডল সটীক গুলোর উপরে লাল, সবুজ ইত্যাদি বিভিন্ন রঙ্গে দেখা যাচ্ছে এইগুলো ই মুবিং এভারেজ। এইগুলোর দিকে তাকিয়ে আপনি নিজেই মার্কেট এর সম্ভাব্য পথ খুজে নিতে পারবেন। উপরের চিত্রে দেখা জাছে একটা গেছে এক এলাকা দিয়ে, তো আরেকটা আরেক এলাকায় !! এর কারণ হচ্ছে এর বিভিন্ন সেটিং আছে, যেইগুলো নিয়ে আমরা পরে(বেশি পরে না) আলোচনা করবো। তো আশা করি এতক্ষণে মুবিং এভারেজ বেটা(নাকি বেটি !!!) কে চিনে ফেলেছেন । বিশ্বের বেশিরভাগ ট্রেডার তাদের ট্রেডিঙ্গ কৌশল মুবিং এভারেজ দিয়ে তৈরি করে। মুবিং এভারেজ ব্যাবহার করে কি কি তথ্য পেতে পারেন এর দ্বারা ...... মুবিং এভারেজের স্পষ্ট সিমপ্লি ব্যাবহার ছাড়া ও আরও অনেক কাজ করে। ফরেক্স মার্কেটে মুভিং এভারেজ যেইভাবে ব্যাবহারীতো হয়... . --- প্রাইস ডাইরেকসন= আপ, ডাউন এবং সাইড ওয়ে ট্রেনড বুজতে। --- প্রাইস অবস্থান= ট্রেডিং নির্দেশ.................................. মুভিং এভারেজের উপরে হলে- buy মুভিং এভারেজের নিচে হলে- sell --- সাপোর্ট এবং রেজিসটেন্স লেভেল এর প্রাইস বুজতে। এই গেলো বেসিক আইডিয়া, আশা করি এই পোস্ট শেষ করে আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কি মুবিং এভারেজ কি মাথায় ইউজ করা হয়, নাকি খাওয়া হয় !! আমরা এইবার আরেকটা ছবি দেখে মুবিং এভারেজ এর গভীরে ডুকে যাই, কি বলেন ? ----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- Post will be continued লিখা সম্পর্কে কারো কোন মতামত বা সাজেশন থাকলে দিতে পারেন। যেমন, এইভাবে না, আরও একটু ক্লিয়ার করেন, বা আপনার যে কারণে মনঃপুত হয় নি,।
  11. মুবিং এভারেজ মুবিং এভারেজ ইনডিকেটর হোল সবচেয়ে বেশি ও কমনলি বেবহারিত ইনডিকেটর। ইনডিকেটর ক্যাটাগরি এর মধ্যে এর অবস্থান ট্রেনড ইনডিকেটরে। অর্থাৎ ট্রেনড এর ক্ষেত্রে ট্রেডাররা এইটি ব্যাবহার করে থাকেন। এইটি ব্যাবহার করা ও অনেক সহজ। এটি সেট করা অনেক সহজ ও সহজেই ব্যাখ্যা করা যায়। সাধারণভাবে বলা যায়, মুবিং এভারেজ একটা নিদিষ্ট সময়ের প্রাইস উঠা নামার একটা গড় মাত্রা দেয়। মার্কেট ট্রেনড ও ট্রেনডেন্সি, প্রাইস তথ্য সম্পর্কে অনেক তথ্য পেতে এইটি সাহায্য করে। যাইহোক, মূল কথায় আসি... মুবিং এভারেজ ব্যাবহার করার নিয়ম ও কি কি তথ্য পেতে পারেন এর দ্বারা মুবিং এভারেজের স্পষ্ট সিমপ্লি ব্যাবহার ছাড়া ও আরও অনেক কাজ করে। ফরেক্স মার্কেটে মুভিং এভারেজ যেইভাবে ব্যাবহারীতো হয়... . --- প্রাইস ডাইরেকসন= আপ, ডাউন এবং সাইড ওয়ে ট্রেনড বুজতে। --- প্রাইস অবস্থান= ট্রেডিং নির্দেশ.................................. মুভিং এভারেজের উপরে হলে- buy মুভিং এভারেজের নিচে হলে- sell --- সাপোর্ট এবং রেজিসটেন্স লেভেল এর প্রাইস বুজতে। মুবিং এভারেজের প্রকারভেদ তিন ধরণের মুভিং এভারেজ রয়েছে। নিচে তিন ধরণের মুবিং এভারেজের কার্যকারিতা সংক্ষেপে দিলাম। SMA - Simple Moving Average = এই টি একটি নির্দিষ্ট পিরিয়ডের প্রাইস এর গড় মাত্রা প্রকাশ করে। EMA - Exponential Moving Average = এইটি সিম্পল মুভিং এভারেজের চেয়ে আরও দ্রুত কাজ করে। রিসেন্ট ডাটা সমুহকে গুরুত্ব দেয়। সিম্পল এভারেজের চেয়ে দ্রুত প্রাইস পরিবর্তন সনাক্ত করে। WMA - Weighted Moving Average = পূর্বের ডাটা এর চেয়ে বর্তমান ডাটা সমূহকে বেশি গুরুত্ব দেয়। কিভাবে এই তিন ধরণের মুবিং এভারেজ সেটিং সিলেক্ট করবেন ? নিচের চিত্রটি দেখেন....তারপর মেটা ট্রেডারে ইনডিকেটর যোগ করার নিয়ম দেখে মুবিং এভারেজ সেটিং এ যেয়ে নিচের চিত্রের মতো সিলেক্ট করে নিন। যে সমস্ত কমন সেটিং মুবিং এভারেজ এ বেবহারিত হয়। 200 EMA and 200 SMA 100 SMA 50 SMA 34 SMA 20 EMA and 20 SMA 10 EMA and 10 SMA উপরের গুলো সাধারণত ব্যাবহার করা হয়। আপনি ট্রাই করে আপনার জন্য উপযুক্ত সেটিং বেছে নিন। মেটা ট্রেডারে মুবিং এভারেজ যোগ করার নিয়ম--- মেটা ট্রেডার থেকে যান -> insert -> indicators -> trend -> moving average আরও জানতে নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন... [media=''] [/media] মুবিং এভারেজ এর পোস্ট আর না বারিয়ে এখানে ই শেষ করে দিলাম। লেংদি পোস্ট কমপ্লিট করতে সময় লাগে। হয়তো কয়েকদিন ও লাগতে পারে। অনেকের ই এইটা সহ্য হয় না, বুজতে পারছি। তাই এখানেই শেষ করে দিলাম। Carry Forward, Happy Learning And Trading
  12. আমি এই থ্রেড টা ওপেন করেছি এই উদ্দেশ্যে যে আপনাদের ট্রেডিং অভিজ্ঞতা থেকে আমার/আমাদের মিস্টেকগুলো শুধরিয়ে নিবো। যারা যারা এই থ্রেডে অংশগ্রহণ করতে চান, তারা নিজ দায়িত্বে আপনাদের ট্রেডিং কন্ডিশন এই থ্রেডে বর্ণনা করতে পারেন। এতে আমরা পারস্পারিক আলোচনার মাধ্যমে একে অন্য জনের মিস্টেকগুলো ধরিয়ে দেবার চেষ্টা করবো। এতে করে আমাদের ট্রেডগুলো আরও জীবন্ত ও ভুলমুক্ত হবার সম্ভাবনা বেশি। আমরা সবাই ছাত্র। সুতরাং লজ্জা পাবার ও কিছু নেই। আমরা যদি এই থ্রেড টা কে সাফল্যমণ্ডিত করতে পারি, তবে আমাদের ট্রেডগুলোকে ও অনেক টা করতে পারবো। কারন টা মনে হয় বলার প্রয়োজন নেই। যে কোন বুদ্ধিমান মানুষ ই ধরতে পারবে। নিয়মাবলীঃ --- আপনার ট্রেড এর এন্ট্রি দেবার পিকচার দিবেন। --- আপনি কেন এন্ট্রি নিলেন, তার ব্যাখ্যা দিবেন। --- প্রাইস কতটুকু বাড়তে বা কমতে পারে তা বলবেন। এবং কেন আপনি আশা করছেন যে প্রাইস অতটুকু বাড়বে বা কমবে। --- মানি ম্যানেজমেন্ট কতটুকু মেনেছেন তা উল্লেখ করবেন। --- আপনার রিস্কঃরিওয়ার্ড রেশিও কত তাও উল্লেখ করবেন। --- আপনার ট্রেড এর সর্বশেষ রেজাল্ট। অর্থাৎ লাভ/লস(পিপ্স) আমার বিশ্বাস, আমরা এইভাবে এগুতে পারলে আরও ভালো ট্রেডিং করতে পারবো। সবাই এগিয়ে আসলে, আমরা ভালো পরামর্শ পাবো।
  13. And Almost Finished the last trade! Kindly Check avobe images also.
  14. আপনি চেষ্টা করে যান, আনুষঙ্গিক সাহায্য লাগলে বিডিপিপ্স তো আছেই। তবে বদগুন দূর করে সদ্গুন নিয়ে আসটা সম্পূর্ণ নিজের উপর নির্ভর করে। শুভ কামনা রইলো। হাল না ছেড়ে সামনে এগিয়ে যান শক্ত পদক্ষেপে। মাথার চুল এখনই ছিঁড়ে শেষ করে ফেইলেন না, এমনেতেই ট্রেডিং করতে করতে ঝড়ে যাবে ! :P/> আর, পিচ্চিরা সবসময় ই একটু বেশিই ডিস্টার্ব করে, এই জন্য তাদের ও বেশি মাইর, বকা খাইতে হয় !!! আবার আদর ও তারা বেশি পায়। তাদের উপর ই অনেকটা বিষয় নির্ভর করে যে, মাইর খাবে নাকি আদর পাবে, তাই না ? বস, আপনার হাসির শব্দে তো বিডি পিপ্স চমকাইয়া গেছে !! একটু আস্তে আস্তে ......... :P/> আমার তো মনে হয়, অলরেডি পড়ে ফেলেছেন! :)/> আসলে ভাই, আমি ও বিডি পিপ্স কে অনেক মিস করি। একটা সময় ছিল.........এখন আল্লাহ্‌র রহমতে বিডিপিপ্স অনেকটা শক্তিশালী হয়েছে। ভালো ভালো কন্ট্রিবিউটাররা অবদান রেখে যাচ্ছেন। দেখে খুব ভালো লাগে। আমি আছি, এবং ইনশাল্লাহ থাকবো......যতদিন বিডিপিপ্স আর আমি বেঁচে থাকি। দয়া করে আমার উপর রাগ কইরেন না ভাই। আমি আছি, এইতো আপনাদের আশেপাশেই... :)/>
  15. ধন্যবাদ তানভির ভাই আপনার স্বাগতম বার্তার জন্য। হুম, সত্যি কথা বলেছেন। আসলে এক মাসে কোটিপতি হয়ে যাবার প্রচেষ্টাই একদিনে ফকির করে দেয়! যাইহোক, মার্কেট এ সবসময় সুযোগ আসবে, হয় দুই ঘণ্টা আগে অথবা ৪ দিন পরে। একজন ফরেক্স ট্রেডার যখন ধৈর্য ধরে পরবর্তী সুযোগটার জন্য অপেক্ষা করতে পারবে, তখনি তার ট্রেড এ সফলতার মাত্রা যোগ হতে শুরু করবে। এইখেত্রে, বিড়াল এর ইঁদুর ধরার ব্যাপার টা মাথায় রাখলে ভালো হয়। সালাম নিলাম। মনে করা থেকে কর্মে পরিণত করার দিকে মনোযোগ দেন, তাহলে আরও ভালো হবে। এই রিস্ক রেশিও টা আমি ফিক্সড রাখতে পছন্দ করি। কারণ, লস খাওয়া ট্রেড এ যদি আমি রিস্ক রেশিও ব্যাবহার করি ৩% আর প্রফিটেবল ট্রেড গুলোতে ১% তাহলে কিন্তু প্রবলেম আছে! আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো। শুভেচ্ছা রইলো আমিরুল ভাই। এক বছর পূর্ণ করলেন, আমরা বিডি পিপ্স এর মেম্বাররা তো মিষ্টি পাওনা হয়ে গেলাম আপনার কাছে, কবে খাওয়াবেন ? একেকটা প্রবলেমগুলোকে প্রথমে বিশ্লেষণ করেন, তারপর সেইগুলোর একটাকে ধরে সেইটার সল্যুশন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে কিছু স্টাডি করেন। এর পর প্র্যাকটিস করে নিজের মধ্যে নিয়ে আসেন। আত্মবিশ্বাস সবসময় জরুরী একটা বিষয়। তবে মাত্রাতিরিক্ত যেকোনো কিছুই ক্ষতিকর। মার্কেট এ আপনার আজীবন প্রফিটেবল উপস্থিতির জন্য শুভ কামনা রইলো। এগিয়ে যান।
  16. আমরা আসলে এই আলোচনাটা আরও বড় করতে পারি। সবাই সবার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসুন। তাহলে ভালো একটা আলোচনা এবং আমরা যারা এই লেভেলে আছি, তাদের জন্য কিছু শিক্ষণীয় বিষয় বের হয়ে আসতে পারে, যা অনেকেরই উপকার করতে পারে।
  17. ধন্যবাদ স্বপ্নিল ভাই, শিগ্রই নিয়মিত হচ্ছি
  18. --------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
  19. প্রকৃত অর্থেই আপনি ফরেক্স শিখতে চান ? ফরেক্সে ট্রেড এর মাধ্যমে উপার্জন করতে চান ? যদি উত্তর হ্যাঁ হয় তবে মিলিয়ে দেখুন তো এই গুন গুলো আপনার মধ্যে আছে কিনা ! --- ধৈর্য --- অদ্ধাবসায় করার ক্ষমতা --- চিন্তা করার ক্ষমতা --- কোন বিষয় ভালোভাবে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা --- পরিশ্রম করার মন-মানসিকতা ও সামর্থ্য --- ত্যাগ করার ক্ষমতা --- লোভ সামলানোর ক্ষমতা --- কোন বিষয়ে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা --- নিজের ক্ষতি মেনে নেওয়ার ক্ষমতা --- অপরকে সহযোগিতার মনোভাব আসুন আমরা কিছু বিষয় আলোচনার মাধ্যমে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করি। আপনারাও প্রয়োজনে কিছু অ্যাড করুণ যদি কিছু মিস হয়ে থাকে। আপনাকে ট্রেড এ নামতে মিনিমাম ৬-৮ মাস ধৈর্য ধরে ট্রেড শিখতে হবে। হয়তো ২-৩ মাসের মাথায় আপনার মনে হবে, বাহ! আমি ভালই তো পারি। রিয়েল এ নেমে যাই! এর সাজেশন হবে, না! কেন ? প্রথমেই বলেছি আপনাকে ধৈর্য ধরে ৬-৮ মাস শিখতে হবে। প্রচুর প্র্যাকটিস আর অদ্ধাবসায় করতে হবে। ৬-৮ মাসে যে আপনি পরিপূর্ণ ট্রেডার হয়ে যাবেন তা কিন্তু না। আপনার পরিপূর্ণ ট্রেডার হতে মিনিমাম ২-৪ বছর লাগতে পারে। কিন্তু ৬-৮ মাসের মাথায় আপনি কিছু কিছু প্রফিট ইনকাম করার ক্ষমতা পাবেন। অর্থাৎ আপনার যোগ্যতা হবে। প্রচুর জুক্তি-বিস্লেসনমূলক চিন্তা-ভাবনা করে ট্রেড করতে হবে। এবং ট্রেড এর অবস্থা আপনি বিভিন্ন এঙ্গেলে বিশ্লেষণ করে তারপর ট্রেড করবেন। আর এইগুলো আপনি প্রথমে অনেক দিন আপনার ডেমো এ/সি তে টেস্ট করে নিবেন । ডেমো ১০০% ফুল ফিল সাকসেস হবার পর ও আরও কিছু দিন ডেমো করুণ। তারপর রিয়েল এ কনভার্ট হতে পারেন । অনেক সময় ভালো লাভ এর ট্রেড হাত ছানি দিতে পারে। কিন্তু আপাত দৃষ্টিতে তা, কিন্তু প্রকৃত অর্থে তা না। সেই ক্ষেত্রে আপনাকে লোভ সামলানোর ক্ষমতা থাকতে হবে । স্কেল্পিং করলে হয়তো ঠিক আছে। কিন্তু যদি লং টার্মে ট্রেড করতে যান তবে ভেবে চিন্তে যাবেন। সমসময় যে প্রফিট করবেন তা না । যদি কোন ট্রেড ভুল হয়ে থাকে এবং লস এর শিখার হন তবে সে লস মানসিকভাবে ও ফাইনেন্সিয়াল ভাবে মেনে নেওয়ার ক্ষমতা যেন আপনার থাকে সেই দিকে নজর দিবেন। অপরকে সহযোগিতার মাধ্যমে আপনার ট্রেড আরও বেশি সফল হবার সম্ভাবনা বেশি। কিভাবে ? আপনি যখন অপরকে যে বিষয়ে বোজাবেন সে বিষয় এ আপনারও ততটা জ্ঞান অর্জন করতে হবে। আর যাকে বুজাবেন সে আপনাকে প্রশ্ন করতে পারে। এমন প্রশ্ন ও করতে পারে হয়তো যার উত্তর আপনার জানা নেই। আপনাকে প্রশ্নের উত্তর খুজতে হবে, এবং পেলে আপনারও জানা হয়ে গেলো। তার উপর, সকলের দৃষ্টিভঙ্গি এক না। আপনি যে দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা একটি বিষয় দেখছেন অপরজন হয়তো অন্য ভাবে দেখছেন । তো এভাবে পারস্পারিক আলোচনা ও বোজানোর মাধ্যমে অনেক কিছু ই নোতুন ভাবে শিখা যায়। আর অপরকে সাহায্য করে আপনি অনেক দোয়া পাবেন, যা পরবর্তীতে আপনার একধরণের পুজি হয়ে থাকবে। প্রচুর পরিশ্রম করার ক্ষমতা থাকতে হবে। পরিশ্রম করে শিখলে সে শিখা সহজে মন থেকে যায় না। আপনি যদি ট্রেড ভালোভাবে না শিখেই রিয়েল ট্রেড এ নেমে যেতে চান, তবে আমার অনুরধ থাকবে টাকাটা এভাবে নষ্ট না করে কোন দরিদ্র মানুষ অথবা দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দিয়ে দেন। তাতে অনেকেরই উপরকার হবে। এমনকি আপনার ও। আমার কথায় হয়তো ভুল থাকতে পারে। যদি থাকে ধরিয়ে দিবেন, আমি শুধরিয়ে নেবো । আমিও নোতুন লার্নার । আমি মনে করি পারস্পারিক আলোচনার মাধ্যমে অনেক কিছুই শিখা ও শিখানো যায়। -------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- যদি লক্ষ্য থাকে অটুট, বিশ্বাস হৃদয়ে।। হবে, হবেই দেখা, দেখা হবে বিজয়ে ।।
  20. আগে কতো লস করতে পারবেন সেই দিকে নজর দেন, কতো প্রফিট হবে তা না। নিয়ম মেনে ট্রেড করে গেলে কোন মাসে হয়তো ৭%-৮% আবার কোন মাসে হয়তো ১০%-১২% ও আসতে পারে। এইটা না দেখে, আপনার প্রত্যেকটি ট্রেড সঠিকভাবে নেয়ার চেষ্টা করেন। কেন পজিশন নিলেন বা ক্লোজ করলেন এইসব ব্যাপারগুলো দেখেন। অভিজ্ঞতার উপরে কিচ্ছু নাইরে ভাই। অভিজ্ঞতা বাড়ান। রিয়েলে গেলে বুজতে পারবেন আপনার ভিতরে লোভ,ভয় এইসব কেমন কাজ করে। তবে ৪-৬ মাস সিরিয়াসলি ডেমো করার পর রিয়েলে অল্প ব্যালেন্স নিয়ে স্টার্ট মারেন। যদি রিয়েল স্টার্ট মারার ৪ মাস পরে দেখেন যে আপনি ৩০%+ প্রফিটে আছেন, তখন ব্যালেন্স বাড়ানোর চিন্তা করতে পারেন। মনে রাখবেন একজন অভিজ্ঞ ট্রেডার হতে গেলে অনেক বছরের অভিজ্ঞতা ও নিরলস সাধনা লাগে। এক বছর কিচ্ছু না। তারপর ও রিয়েল করতে পারেন। তবে ২-৩ বছর পর্যন্ত ট্রেড এ মানি এর চেয়ে অভিজ্ঞতা নামক 'হানি' এর দিকে বেশি লক্ষ দিবেন। এরপর কি করতে হবে, আর বলার প্রয়োজন নাই, কারন সামনের স্টেপ আপনার তখন জানা থাকবে। বেষ্ট অফ লাক। ----------------------------------------- বিঃ দ্রঃ অনেক কে বলতে দেখলাম মাসে ১০০% বা ৫০% এবং কেউ কেউ আরও বেশি উৎসাহী ২০০% আশা করছে এক মাসে ! প্রাইস একশন ছাড়া অন্য সিস্টেম একদিন না একদিন আপনাকে প্রফিট এনে দিতে বিফল হউয়া শুরু করবে। একজন ফরেক্স ট্রেডার এর স্বপ্ন লংটার্ম এর জন্য ট্রেডার হওয়া। বলতে সমস্যা নেই, আসলে সারা জীবনের জন্য ট্রেডার হওয়া। কোন সিস্টেম এক বছর পরে ফেইল মারতে থাকলে, ওইটা দিয়ে সারা জীবনের ট্রেডার হওয়ার আশা ফিল আপ হবে না, বলা বাহুল্য।
  21. নিঃসন্দেহ ভালো একটি সচেতনেতামুলক পোস্ট। তবে আমার মনে হয় কিছুটা দেরী হয়ে গেছে পোস্টটি বিডিপিপ্স এ আসার জন্য। এই পোস্ট আরও অনেক আগেই বিডিপিপ্স এ প্রয়োজন ছিল বলে আমি মনে করি। তবে আরও পরে এলে হয়তো আরও ক্ষতি হয়ে যেতো। যাক, সেদিক থেকে অন্তত কিছু মানুষ রক্ষা পাবে এখন। ধন্যবাদ রইলো।
  22. Just realize and make proper answer for yourself !!!!! Then act like your answer. ------------------------------------------------------------------------------------- 1. Was the loss of money worth all the emotional pain and financial heartache ? 2. If you had the opportunity to do that trade or investment again, what would you do differently ? 3. What is the biggest loss you have personally taken in the market ? 4. If you have never traded in the market, what is the biggest loss you have taken as an investor or in business ? 5. What was your emotional experience during this event ? 6. What went through your head and your heart during this event ? 7. Were you in emotianal control or was your destructive ego in control ? 8. Was it worth it ? 9. What did you learn from this experience ? if nothing, then I am sad to inform you that you will probably repeat it in the future. 10. What new disciplines have you now implemented when you invest or trade to protect yourself against losses ? ----------------------------------------------------Jared Martinez
  23. এই প্রশ্ন গুলি নিজেকে করুন। তার আগে গত একমাসের ট্রেড এর রেজাল্ট এর খুঁটিনাটি মাথায় আনুন। প্রফিট হলে কি কারনে হল আর লস হলে কি কারনে হল কারন গুলি বের করার চেষ্টা করুন। তারপর, এই প্রশ্নগুলির সত্তিকারের উত্তর বের করুন, আপনার নিজের এক্সপেরিএন্স থেকে। দেখেন, আপনি কয়টা মানেন আর কয়টা এতো দিন না মেনে এসেছিলেন। যেগুলো মানেন নাই, সেইগুলো নিজের মধ্যে আনার চেষ্টা করেন। যেইগুলা মানতেন, প্রশ্নগুলির অনুপাতে সঠিক ছিল, সেইগুলো ও সাথে রাখুন। যেইগুলো, আপনি ভুল মনে করতেন বা ইগো অথবা ইমোসন এর উপর জোর দিয়ে করতেন, সেই গুলিকে নিজের ভিতর থেকে ধ্বংস করার চেষ্টা করুন। ট্রেডিং জার্নাল ব্যাবহার করুন। আর তাতে প্রতি ট্রেড এর খুঁটিনাটি এবং ঐ সময় আপনার মানসিক অবস্থা এইসব ও লিখে রাখুন। আশা করি এইবার বুজেছেন
  24. ইন্টারনেট এ ফরেক্স এর ভালো রিসোর্স এর সাইট এর আসলেই অভাব আছে। বাংলায় তো দুর্ভিক্ষ এর মতো অভাব। আর ইংরেজি ভাষাতেও অভাব আছে। আরেকটা ব্যাপার হল, সেই সাইকেল চালাতে গিয়ে দুই বন্ধুর গল্পের মতো। একজন সরাসরি সাইকেল নিয়ে প্র্যাকটিস করছিলো আর অন্য দিকে আরেকজন 'কিভাবে সাইকেল চালানো যায়' এই রকম নামের বই পড়েছিলো। Symmetrical Triangle চার্ট প্যাটার্ন কে যদি কেহ ট্রেনড কনটিনিউসন প্যাটার্ন বলে থাকে তবে ভুল বলেছে। আমরা জানি এসসেন্ডিং এবং ডিসসেন্ডিং ট্রায়িঙ্গল চার্ট প্যাটার্ন রিভারসাল প্যাটার্ন। কিন্তু অনেক সময় এরা ও ট্রেনড কনটিনিউসন প্যাটার্ন হিসেবে কাজ করে। শুধু তো চার্ট নয়, আরও কিছু ব্যাপার হিসাবে আনতে হয়, আরও কিছু ব্যাপার নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে হয়। যাইহোক, আমার জানামতে Symmetrical চার্ট প্যাটার্ন কে ক্যান্ডলসটীক এর স্পিনিং টপ এর মতো লাগে। মানে মার্কেট যে কোন একদিকে ব্রেকআউট ঘটবে। ট্রেনড এর বিপরীতে এই প্যাটার্ন দিয়ে আমি নিজেও অনেক খেলেছি। সুবিধামতো জায়গায় পজিসন ক্লোজ করে দিতে হয়েছে। কেননা, ট্রেনড এর বিপরীতে ট্রেড করা পুরাই রিস্কি! ----------------------------------------------------------------------- এই অংশটা নাসিম ভাইয়ের জন্য। আপনি আপাতত এই তিনটা দেখতে পারেন। www.babypips.com www.stockcharts.com www.investopedia.com -------------------------------------------------------------------- কিছু symmetrical triangle চার্ট প্যাটার্ন এর ট্রেনড রিভারসাল ছবি দিলাম। ====================================================== এই প্যাটার্ন দিয়ে ট্রেড এর সিস্টেম, ------------------------------------------------------------------------------------------- আমার এই পোস্ট এর মাধ্যমে কারো উপকার হউয়ার পরিবর্তে যদি মনে কষ্ট থেকে থাকে তবে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×