Jump to content

rafi2014

Members
  • Content count

    111
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    15

rafi2014 last won the day on April 1 2017

rafi2014 had the most liked content!

Community Reputation

113 Excellent

4 Followers

About rafi2014

  • Rank
    Forex in the blood
  • Birthday বুধবার 25 এপ্রি 1984

Profile Information

  • Gender
    Male
  • লোকেশন
    Chittagong

Recent Profile Visitors

3,096 profile views
  1. যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও শ্রমবাজারের অব্যাহত উন্নতি আরেক দফা সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে জোরালো করে তুলেছে। শুক্রবার এ কথাই জানালেন ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান জেনেট ইয়েলেন। খবর সিনহুয়া। শুক্রবার ওয়াইয়োমিং অঙ্গরাজ্যের জ্যাকসন হোলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকারদের এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ইয়েলেন বলেন, শ্রমবাজারের সাফল্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতি, সাম্প্রতিক মাসগুলোয় কেন্দ্রীয় তহবিলের সুদের হার আরেকবার বাড়ানোর সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করেছে। এ সময় তিনি জানান, তবে যে সব পরিসংখ্যান হাতে আসছে, তা কমিটির দৃষ্টিভঙ্গিকে নিশ্চিত করার ওপরই ফেডের সুদ হার-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে। সম্মেলনে ইয়েলেন সুদহার বৃদ্ধির নির্দিষ্ট কোনো তারিখ উল্লেখ করেননি। উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে প্রায় এক দশক পর প্রথমবার সুদের হার বৃদ্ধি করে ফেড। সে সময় সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়েছিল ফেড। তবে চলতি বছরের শুরু থেকে বৈশ্বিক অর্থনীতির মন্থরগতি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক আর্থিক ঝুঁকির কারণে ফেডের নীতিনির্ধারকরা আরেক দফা সুদের হার বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করে আসছেন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দ্রুতগতির না হলেও এটা শ্রমবাজারে আরো উন্নতি বহাল রাখতে যথেষ্ট বলে উল্লেখ করেছেন ইয়েলেন। দেশটির শ্রমবাজারে গত তিন মাসে গড়ে ১ লাখ ৯০ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।
  2. সেবা রপ্তানির অর্থ এখন থেকে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস প্রোভাইডারদের (ওপিজিএসপি) মাধ্যমে একবারে পাঁচ হাজার ডলার পর্যন্ত দেশে আনা যাবে। এ জন্য কোনো পূর্বানুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। আগে একবার লেনদেনে দুই হাজার ডলার পর্যন্ত আনা যেত। দেশের ফ্রিল্যান্সাররা যাতে তাঁদের উপার্জিত অর্থ বিদেশ থেকে সহজে সংগ্রহ করতে পারেন, সে জন্যই নতুন পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ গতকাল মঙ্গলবার এ ব্যাপারে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ওপিজিএসপি সেবা দেওয়ার জন্য ২০১১ সালের আগস্টে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে অনলাইনে ডেটা এন্ট্রি ও প্রসেসিং, বিজনেস প্রসেসিং, বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং, অফশোর তথ্যপ্রযুক্তি প্রভৃতি কাজের মাধ্যমে সেবা রপ্তানি হচ্ছে। এসব সেবা থেকে অর্জিত অর্থ এর আগে ব্যাংকব্যবস্থার মাধ্যমে আনতে হতো। এতে বিদেশের অনেক প্রতিষ্ঠান অর্থ পরিশোধে বিব্রত বোধ করত। কেননা বেশির ভাগ দেশে এ ধরনের সেবার বিপরীতে অর্থ অনলাইনে পরিশোধ করা হয়। ওপিজিএসপি সেবা দিতে আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্ট কোম্পানি অ্যালার্টপে ২০১২ সালে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো 10 August, 2016
  3. নাসিম ভাই অনেক দিন পর আপনাকে বিডিপিপসে দেখে ভালো লাগেলো। আপনার মূল্যবান পোস্টগুলো বিডিপিপসকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে। নতুন পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
  4. :ful: HAPPY NEW YEAR :dancing: ALL BD PIPS MEMBER :balance: আগামী বছরের বাজেটে ব্যয়সংকোচন ও জ্বালানি ভর্তুকি কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। তেল রফতানিকারকদের মধ্যে শীর্ষস্থানে থাকা দেশটির এ ধরনের পরিকল্পনার পরিপ্রেক্ষিতে ধারণা করা হচ্ছে তেলের দরপতনের অধ্যায় আরো দীর্ঘমেয়াদি হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি আরবের এবারের বাজেটকে এ ধরনের একটি সময়ের প্রস্তুতি হিসেবে ধরে নেয়া যায়। খবর রয়টার্স। ওপেকের এ শক্তিশালী দেশটি নিজেদের তেল ব্যবসার কৌশল পরিবর্তনের কোনো আভাস দেয়নি। বরং নিজেদের মার্কেট শেয়ার ধরে রাখতে তেলের সস্তা বাজার সহ্য করে নেয়ার মনোভাব প্রকাশ করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সরবরাহ না কমিয়ে তেলের বাজারে ভারসাম্য ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করার কৌশল গ্রহণ করেছে সৌদি আরব। নিজেদের আর্থিক খাতে নেতিবাচক প্রভাব সত্ত্বেও এ ভূমিকায় অটল থাকবে দেশটি। সৌদি অ্যারামকোর চেয়ারম্যান খালিদ আল-ফালিহ জানিয়েছেন, আমাদের ধারণা আগামী বছরের কোনো একটা সময় থেকে তেলের বাজারে ভারসাম্য আসতে থাকবে। কারণ আমরা দেখতে পাচ্ছি এরই মধ্যে সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেড়েছে এবং মজুদও কমে আসছে। ফলে বাজারে ভারসাম্য না আসা পর্যন্ত সৌদি আরব অপেক্ষা করবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, তেলের বাজারে আরো লম্বা সময় দরপতন অব্যাহত থাকবে, এমন ধারণা থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে সৌদি আরব। ফলে তেল রাজস্বের ঘাটতি পুষিয়ে নিতে ব্যয়সংকোচন, জ্বালানি ভর্তুকি হ্রাস এবং কর ও বেসরকারীকরণের মাধ্যমে আয় বাড়াতে চাইছে দেশটি। জ্বালানি বাজার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এনার্জি এসপেক্টসের তেল-বিষয়ক প্রধান বিশ্লেষক অমৃতা সেন বলেন, তেল উত্তোলনের দিক থেকে আমরা সৌদি আরবের নীতিমালায় কোনো পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না। বরং তাদের বাজেটের এ পরিবর্তিত রূপ দেখে মনে হচ্ছে তেলের আরো দরপতনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। বাজেট ঘোষণার পর সৌদির শেয়ারে দরপতন: চলতি বছর সৌদি আরব ৯৮ বিলিয়ন ডলার বাজেট ঘাটতিতে থাকবে, এ ধরনের ঘোষণার পর রিয়াদের প্রধান প্রধান শেয়ারসূচকে গত মঙ্গলবার দরপতন লক্ষ করা গেছে। এর মধ্যে তাদাওয়াল অল-শেয়ারস ইনডেক্সটিতে (টিএএসআই) দিনের লেনদেন শুরুর কয়েক মিনিট পরই ৩ দশমিক ১ শতাংশ দরপতন হয়েছে। অবশ্য কিছুক্ষণ পরই তা খানিকটা চাঙ্গা হয়ে ওঠে। [[[[“আল্লাহর রহমতে সবার 2016 সালের ট্রেডিং সফল হোক...... প্রফিটের খাতা ভারী হোক সবার এই কামনা রইলো।”]]]]
  5. হা..হা.. হা..বাংলা পিপ ভাই সরকার যদি তাই করে তবে বিশ্বের ধনীরা আপনার প্রোফাইলের ইমেজের মতো কম্পিউটারের না ভেঙ্গে প্রেসিডেন্টের মাথা ভাঙ্গবে!!!!!!!!!!!!!!!!
  6. আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) চীনা মুদ্রা ইউয়ানকে আপাতত সংস্থার কারেন্সি বাস্কেটে অন্তর্ভুক্ত করছে না। বৈদেশিক লেনদেনে মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চীন গত বছর ইউয়ানকে কারেন্সি বাস্কেটে অন্তর্ভুক্তির অনুরোধ জানিয়েছিল। খবর ব্লুমবার্গ। আইএমএফের কারেন্সি বাস্কেট বর্তমানে মার্কিন ডলার, ইউরো, ব্রিটিশ পাউন্ড ও জাপানি ইয়েনকে স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) মর্যাদা দিয়ে থাকে। সম্প্রতি এক সভায় সংস্থার নীতিনির্ধারকরা বাস্কেটের বর্তমান গঠনের সময়কাল আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী নয় মাসের জন্য সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফলে আগামী অক্টোবরের আগে আইএমএফের কারেন্সি বাস্কেটে ইউয়ানের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা নেই। বুধবার প্রকাশিত আইএমএফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নভেম্বরে সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের বৈঠককে সামনে রেখে বিদ্যমান ভ্যালুয়েশন বাস্কেটের মেয়াদ সীমিত সময়ের জন্য বৃদ্ধি করাটাই যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে। আইএমএফ বলেছে, এতে এসডিআর-সংক্রান্ত কার্যক্রমের মসৃণ ধারাবাহিকতা রক্ষা হলো এবং পঞ্জিকাবর্ষের শেষে এসে বাস্কেটে পরিবর্তনের ব্যাপারে এসডিআর ব্যবহারকারীদের মতামতও বিবেচনায় নেয়া হলো।
  7. চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে উদীয়মান দেশগুলো থেকে আনুমানিক ২৬০ মিলিয়ন ডলার পুঁজি অন্যত্র সরে গেছে। মূলত চীনা অর্থনীতির শ্লথতার কারণে পুঁজির অপসারণ ঘটেছে। সব মিলিয়ে চলতি বছর উদীয়মান দেশগুলো মোট ৫৪০ বিলিয়ন ডলার পুঁজি হারাতে পারে। এতে ২০১৫ সালে এসব দেশে মোট পুঁজির আগমন ২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটকাল থেকেও কম হবে। ক্যাপিটাল ইকোনমিকস ও ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স এ আভাস দিয়েছে। খবর স্ট্রেইট টাইমস ও আরটি। ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের মতে, বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে উদীয়মান দেশগুলো থেকে পুঁজি প্রত্যাহারের পরিমাণ সাত বছর আগের বৈশ্বিক সংকটকেও ছাড়িয়ে গেছে। ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের সিনিয়র এমার্জিং মার্কেটস ইকোনমিস্ট উইলিয়াম জ্যাকসন বলেন, এসব দেশ থেকে পুঁজির যে বহির্মুখী ঢল, তাতে চীনের অংশই বেশি। তবে এ নিয়ে খুব বেশি উদ্বেগের কিছু নেই। কারণ ব্যাপারটি এমন নয় যে বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে দল বেঁধে পালাচ্ছে। চীন থেকে অপসৃত পুঁজির ধরনে বোঝা যাচ্ছে, মূলত রফতানিকারকরাই বৈদেশিক মুদ্রা কিনছে এবং দেশের বাইরের পাওনাদারদের কাছে দেনা পরিশোধ করছে। ক্যাপিটাল ইকোনমিকস জানায়, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পুঁজি অপসারণ সত্ত্বেও উদীয়মান দেশগুলোয় বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে অন্তর্মুখী পুঁজির প্রবাহ কম ছিল না। সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারের অন্যান্য সংকটকালের চেয়েও এ সময় বেশি বিনিয়োগ এসেছে। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে উদীয়মান দেশগুলোয় ৬০ বিলিয়ন ডলার নতুন বিনিয়োগ এসেছে। পূর্ববর্তী প্রান্তিকে এমন বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। স্যাক্সো ক্যাপিটাল মার্কেটসের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্রধান অ্যাডাম রেনল্ডস বলেন, উদীয়মান বাজারগুলো বর্তমানে বছরের প্রথমার্ধের চেয়ে ভালো মূল্য ধারণ করায় ওই অঞ্চল থেকে প্রত্যাহার হওয়া কিছু পুঁজি নতুন করে আবার ফিরে গেছে। ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স জানিয়েছে, চলতি বছর মোট ৫৪০ বিলিয়ন ডলার পুঁজি উদীয়মান দেশগুলো থেকে প্রত্যাহার করা হবে। এই পুঁজি প্রত্যাহারের ফলে মন্দার কোনো আশঙ্কা নাকচ করে দিয়েছে ব্যাংক অব আমেরিকা প্রাইভেট ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট। সর্বশেষ সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে ব্যাংকটি বলেছে, উদীয়মান দেশগুলোর অর্থনীতি এখন বাইরের যেকোনো পরিবর্তনের ধকল সামলাতে আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্ষম। চলতি হিসাবে সংহত অবস্থা, ১৯৯৭ সালের চেয়ে অন্তত ১০ গুণ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা মজুত, ভাসমান বিনিময় হার এবং অতি বিনিয়োগের কোনো ছাপ না থাকায় উদীয়মান দেশগুলো এখন ভালো অবস্থায় রয়েছে। ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স বলেছে, উদীয়মান দেশগুলোর অর্থনীতি গড়পড়তাভাবে শ্লথ হলেও ভারত ও ফিলিপাইনের মতো এশিয়ার প্রধান দেশগুলো ভালো পারফর্ম করছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, শিল্প খাতের গতিমন্দা নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও মূলত অর্থ, বীমা, খুচরা বিক্রি ও স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত সেবাকাজই এসব দেশের মোট প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে। এদিকে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বছরের প্রথম আট মাসে চীন থেকে মোট ৫৩০ বিলিয়ন ডলার পুঁজি বেরিয়ে গেছে। কংগ্রেসে উপস্থাপিত অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে মন্ত্রণালয় জানায়, আগস্টে শেয়ারবাজার ধসের দিনগুলোয় চীন থেকে ২০০ বিলিয়ন ডলার অন্যত্র সরে গেছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথমার্ধে চীন থেকে ২৫০ বিলিয়ন ডলার পুঁজি অপসৃত হয়েছে, যেখানে গত বছর স্থানান্তরিত হয়েছিল ২৬ বিলিয়ন ডলার।
  8. ১৯টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত ইউরো অঞ্চলে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্যবসায়িক বিনিয়োগের হার ২২ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে। পাশাপাশি গৃহস্থালি সঞ্চয়ের হার ১২ দশমিক ৮ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে। সোমবার প্রকাশিত ইউরোস্ট্যাটের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। খবর সিনহুয়া। ইইউয়ের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাট জানিয়েছে, বছরের প্রথম প্রান্তিকে ব্যবসায়িক বিনিয়োগের হার ছিল ২২ শতাংশ, যা দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় দশমিক ৩ শতাংশ কম। অবশ্য উভয় প্রান্তিকেই ব্যবসায়িক লভ্যাংশের হার ৪০ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে। এদিকে ইইউ অঞ্চলে গৃহস্থালি সঞ্চয় ও বিনিয়োগের হার অনেকটা আগের মতোই রয়েছে। সঞ্চয়ের হার প্রথম প্রান্তিকের ১২ দশমিক ৭ শতাংশের চেয়ে দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১২ দশমিক ৮ শতাংশ হয়েছে। সঞ্চয় সামান্য বাড়লেও বিনিয়োগ ততটাই কমেছে। গৃহস্থালি বিনিয়োগের হার প্রথম প্রান্তিকের ৮ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ হয়েছে।
  9. জ্বালানির স্বল্পমূল্যের কারণে সদ্যসমাপ্ত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতি শূন্য থাকবে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন। তাদের মতে, মূল্যস্ফীতির এ অবস্থা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ওপর সুদের হার বাড়াতে চাপ সৃষ্টি করবে। খবর গার্ডিয়ান। বিশ্ববাজারে তেল, খাদ্যসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের নিম্ন মূল্যের কারণে ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতির হার শূন্য অথবা তার কাছাকাছি রয়েছে। অথচ ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ২ শতাংশ। অনেক বিশ্লেষক এ নিম্ন মূল্যস্ফীতিকে যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক দুর্দশার নির্দেশক বলে উল্লেখ করেছেন। তবে মজুরি বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে নিম্ন মূল্যস্ফীতি ব্রিটেনের পরিবারগুলোর বাজেটে চাপ কমিয়েছে। গত মাসে মজুরি বৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ১ শতাংশ ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের মতামত জরিপ করে রয়টার্স দেখেছে, সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতি শূন্যেই স্থিত থাকবে। কয়েকজন অর্থনীতিবিদ মূল্যস্ফীতি সামান্য বাড়তে পারে বলে মন্তব্য করলেও অধিকাংশই মনে করেন, মূল্যস্ফীতি আরো কমে নেতিবাচক পর্যায়ে যেতে পারে। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলেও ব্রিটেনে মূল্যস্ফীতি নেতিবাচক স্তরে গিয়েছিল। ফলে ৫০ বছরে প্রথমবারের মতো সে দেশে দ্রব্যমূল্যের দাম কমেছিল। মূল্যস্ফীতি কমাতে পেট্রল ও ডিজেলের দাম যেমন প্রভাব ফেলছে, তেমনি ব্রিটিশ গ্যাসের ৫ শতাংশ জ্বালানি মূল্যহ্রাসও অবদান রেখেছে। ইনভেসটেকের অর্থনীতিবিদ ভিক্টোরিয়া ক্লার্ক বলেন, আমরা ধারণা করছি, মূল্যস্ফীতির হার আবারো শূন্যেই থাকবে। তবে স্কশিয়াব্যাংকের অর্থনীতিবিদ অ্যালান ক্লার্ক মনে করেন, সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি কমে মাইনাস শূন্য দশমিক ১ শতাংশে পড়বে। এজন্য তিনি তেল, গ্যাস, পানীয় ও খাদ্যের নিম্ন মূল্যকে দায়ী করছেন। তিনি বলেন, আমরা ধারণা করছি, সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি আবারো নেতিবাচক পর্যায়ে যাবে। আইএনজি ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটসের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ জেমস নাইটলি বলেন, মূল্যস্ফীতির এ হার ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের নীতিনির্ধারকদের সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে।
  10. ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (ইআইবি) প্রধান ওয়ার্নার হোইয়ার বলেছেন, কার্বন নিগর্মন পরীক্ষায় জালিয়াতি করার কাজে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে নেয়া ঋণের অর্থ ভক্সওয়াগন ব্যবহার করেছে কিনা, তা তারা পরীক্ষা করে দেখবে। আর এমনটা ঘটলে প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ঋণের অর্থ ফেরত চাওয়া হবে। অন্যদিকে চীনের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা জানিয়েছে, তারা ভক্সওয়াগনের ত্রুটিযুক্ত গাড়ির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে। খবর রয়টার্স। ওয়ার্নার হোইয়ার বলেন, ভক্সওয়াগনের বিরুদ্ধে ইআইবিও ব্যবস্থা নিতে পারে, কারণ আমাদের দেয়া ঋণের বিপরীতে পরিবেশ শর্ত পূরণের বিষয়ও রয়েছে। ইউরোপের সবচেয়ে বড় গাড়ি নির্মাতা ভক্সওয়াগন স্বীকার করেছে তারা কার্বন নির্গমন পরীক্ষা ফাঁকি দেয়ার জন্য তাদের ডিজেলচালিত গাড়িতে একটি বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করেছে। ১৯৯০ সালের পর থেকে ভক্সওয়াগনকে ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ইউরো (৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার) ঋণ দিয়েছে ইআইবি। অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে নিম্ন কার্বন নির্গমন করে, এমন ইঞ্জিন তৈরি এবং দক্ষিণ আমেরিকায় কারখানা প্রতিষ্ঠার জন্য ঋণ দেয়া হয়েছে। দেয়া ঋণের মধ্যে এখনো প্রায় ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ইউরো অনাদায়ী। ওয়ার্নার হোইয়ার বলেন, নেয়া ঋণ ভক্সওয়াগন কী কাজে ব্যবহার করেছে, তা জানতে তারা বিশদ তদন্ত চালাবে। তিনি জানান, তদন্তে যদি দেখা যায়, যে কারণ দেখিয়ে ঋণ নেয়া হয়েছে, তার বহির্ভূত অন্য কাজে ঋণের অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে, তবে তারা ঋণ ফেরত দেয়ার দাবি জানাবে। হোইয়ার আরো জানান, ভক্সওয়াগনের এ ঘটনায় তিনি খুব হতাশ। এ কেলেঙ্কারি গাড়ি নির্মাতাটির সঙ্গে ইআইবির সম্পর্কের বড় ধরনের ক্ষতি করেছে। এদিকে চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কোয়ালিটি সুপারভিশন, ইন্সপেকশন অ্যান্ড কোয়ারেনটাইন (একিউএসআইকিউ) জানিয়েছে, তারা শিগগিরই ভক্সওয়াগনের ত্রুটি খুঁজে বের করবে। এদিকে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, তারাও খুব শিগগিরই ভক্সওয়াগনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে। চীন বিশ্বের সর্ববৃহত্ গাড়ি বাজার। যদিও বাজারটিতে ডিজেলচালিত গাড়ি কম বিক্রি হয়, তবুও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভক্সওয়াগন কেলেঙ্কারি চীনা গ্রাহকদের গাড়ি কেনার সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাব ফেলবে।
  11. ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারকরা চলতি বছরের শেষ নাগাদ সুদের হার বৃদ্ধি করতে ইচ্ছুক। তবে ফেডের ভাইস চেয়ারম্যান স্ট্যানলি ফিশার বলেছেন, সুদের হার বৃদ্ধির বিষয়টি এখনো প্রত্যাশা মাত্র, নিশ্চিত কিছু নয়। বিশ্ব অর্থনীতির পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে এ সম্ভাবনায় আগে থেকে সরব হয়ে উঠেছে চীন। চীনা অর্থমন্ত্রী লু জিউই বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতির অবস্থা বিবেচনায় এখনই যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার বৃদ্ধি উচিত হবে না। খবর রয়টার্স। এক সাক্ষাত্কারে স্ট্যানলি ফিশার বলেন, আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির ওপর বিশ্ব অর্থনীতির প্রভাব বেশি পড়ছে। চীনসহ অন্যান্য উদীয়মান দেশের অর্থনৈতিক শ্লথগতি আমলে নিয়ে সেপ্টেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধি থেকে সরে আসে ফেড। প্রায় সবাই ধারণা করেছিল সেপ্টেম্বরে সুদের হার বাড়াতে যাচ্ছে ফেড। অন্যদিকে চীনা অর্থমন্ত্রী লু বলেন, বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতিতে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তার জন্য উন্নত অর্থনীতিগুলো দায়ী। কেননা এ অর্থনীতিগুলোর শ্লথগতি পুনরুদ্ধার যথেষ্ট চাহিদা তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে। তিনি বলেন, এখনই সুদের হার বৃদ্ধির পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র নেই।
  12. যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ক্রমেই উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই চলতি বছরই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) স্বল্পমেয়াদে সুদের হার বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে পারেন চেয়ারম্যান জ্যানেট ইয়েলেন। সম্প্রতি এমনটিই জানিয়েছেন ফেডের সানফ্রান্সিসকো শাখার প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস। খবর ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। ফেড চেয়ারের অন্যতম সহযোগী উইলিয়ামসের তথ্য অনুযায়ী, সুদের হার বাড়ানোর আগে এ মুহূর্তে ফেডের অর্থনীতি সম্পর্কিত আর কোনো নতুন তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন নেই। এ রকম কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের দোরগোড়ায় থাকলে খুব বেশি তথ্যের দরকার হয় না। এ বছর আরো দুটি নীতিনির্ধারণী বৈঠক করবে ফেড; ২৭-২৮ অক্টোবর ও ১৫-১৬ ডিসেম্বর। তবে বিশেষজ্ঞরা পোষণ করছেন ভিন্ন মত। তাদের মতে, সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ফেড চলতি মাসের বৈঠকে বাড়াবে না। সাত বছর ধরে একই সুদের হার বহাল রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২৭-২৮ অক্টোবরের বৈঠক কেন্দ্র করে কোনো সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেননি জ্যানেট ইয়েলেন। তাই এ মাসেই সুদের হার বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়ে খানিকটা সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। তবে ফেড ইচ্ছে করলে যেকোনো সময়ই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করতে পারে। উইলিয়ামস মন্তব্যে প্রতিধ্বনিত হয়েছে ইয়েলেনেরই বিবৃতি, যা সাধারণত নীতিনির্ধারকরা কোনো বৈঠকে প্রদান করে থাকেন। তিনি ফেডের নীতিনির্ধারণী সভার একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তাই তার মতামতকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। রিচমন্ড ফেডের প্রেসিডেন্ট জেফরি ল্যাকার ওয়লা স্ট্রিট জার্নালকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে সম্প্রতি জানিয়েছেন, চলতি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরো নতুন তথ্য পেতে পারে। এসব তথ্য নেতিবাচক হলে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কম থাকবে। গত মাসের বৈঠক স্মরণ করেই ল্যাকার ফেডের মুদ্রানীতি শিথিলের বিষয়ে খানিকটা সন্দিহান। সেপ্টেম্বরেই সুদের হার বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিলেন তিনি। কিন্তু তা হয়নি। কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্য নয় সদস্য সুদের হার বাড়ানোর বিপক্ষে মত দেন। তাদের মতে, এখন সুদের হার স্থিতিশীল রাখা উচিত। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথে। চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ ও মার্কিন ডলারের বিপরীতে প্রায় সব মুদ্রার মানই নিম্নমুখী। এ অবস্থায় সুদের হার বাড়ানো উচিত মনে হয়নি তাদের। অন্যদিকে, গত মাসের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন সবাই। এর ওপরও নির্ভর করবে সুদের হার বৃদ্ধি। প্রতি মাসেই উল্লেখযোগ্য কিছু কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা উইলিয়ামসের। আগস্টে বেকারত্বের হার ছিল ৫ দশমিক ১ শতাংশ। উইলিয়ামস এ বিষয়ে বলেন, শ্রম বাজারের ক্রমাগত উন্নতি হলে অর্থনীতিও উন্নত হচ্ছে বলে ধরে নেয়া হয়। স্থিতিশীলতার দিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সেপ্টেম্বরে এক লাখ থেকে দেড় লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, এমনটিই মনে করছেন তিনি।
  13. @Student of forex ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ণ লেখা শেষ হলে চার্ট প্যাটার্ণ সম্পর্কে লিখব ইনশাল্লাহ। ভাই সময় করে উঠতে পারিনা। তাই ধারাবাহিকভাবে লেখাও হয়না। চেষ্টা চালিয়ে যাবো।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×