Jump to content

zibran

Contributor
  • Content count

    95
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    18

zibran last won the day on May 30 2017

zibran had the most liked content!

Community Reputation

127 Excellent

About zibran

  • Rank
    কন্ট্রিবিউটর
  • Birthday রবিবার 08 সেপ্টে 1991

Contact Methods

  • Yahoo
    zibranrocky@yahoo.com

Profile Information

  • Gender
    Male
  • লোকেশন
    Dhaka
  1. যখন ট্রেড নেয়ার প্রশ্ন আসে, তখন স্ক্যাল্পারদের সামনে অনেকগুলো অপশন আসে, যা একজন ট্রেডারকে সহজেই বিভ্রান্ত করে ফেলে। তাই আপনি যেই কারেন্সি পেয়ারগুলোতে ট্রেড করতে চান, সেই পেয়ারগুলোর বর্তমান মার্কেট অবস্থা ভালভাবে যাচাই করে ট্রেডের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায়ের এই পর্বে রেঞ্জ ট্রেডিং সম্পর্কে আলোচনা করা হবে এবং সাপোর্ট-রেসিসট্যান্স বিবেচনা করে কিভাবে ট্রেড নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া যায়। যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরীঃ মার্কেট যখন ফ্ল্যাট (নির্দিষ্ট এরিয়ার মধ্যে সমান) থাকে, তখন রেঞ্জ ট্রেডের জন্য উপযুক্ত মার্কেটে এন্ট্রির সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে ট্রেডারদের উচিত প্রথমে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স খুঁজে বার করা যতক্ষণ প্রাইস রেঞ্জের মাঝে থাকে ততক্ষণ রেঞ্জ ট্রেড করা সম্ভব রেঞ্জ স্ক্যাল্পিংঃ রেঞ্জ ট্রেড করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মার্কেটের সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বের করা। আগের পর্বে দেখানো হয়েছে যে কিভাবে মার্কেট রেঞ্জ বের করা যায়। যদি মার্কেটের অবস্থা বুঝা যায় তখন ট্রেড এন্ট্রি নেওয়া খুব সহজ হয়ে যায়। রেসিস্টেন্স লেভেল থেকে সেল ও সাপোর্ট লেভেল থেকে বাই এন্ট্রি। তবে ট্রেন্ডের মাঝখান থেকে ট্রেড দিলে তা কোন দিকে যাবে বোঝা যায় না, তাই প্রাইস সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্সে গিয়ে বাউন্স করলে ট্রেড এন্ট্রি নিলে ভাল হয়। তাই যতক্ষণ না প্রাইস কোন একদিকে যায় ততক্ষণ ধৈর্য ধরা উচিত। নিচের ছবিতে এই টেকনিকের কার্যকর রূপ দেখা যাচ্ছে। ক্যামেরিলিয়া পিভট পয়েন্ট দ্বারা সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স নির্ণয় করা হয়েছে। রেসিটেন্সের কাছাকাছি অর্থাৎ ০.৯০৫১ থেকে ডলার/সুইস-ফ্র্যাঙ্ক এ সেল নেওয়া যায়, আর আমরা মানি ম্যানেজমেন্ট সেটাপ অর্থাৎ স্টপ লস পরবর্তী রেসিস্টেন্স “R4” ০.৯০৬৮ এ দেওয়া হয়েছে। আর পেন্ডিং অর্ডার এর ক্ষেত্রেও এভাবে রেসিস্টেন্সে অর্ডার সেট করে রাখা যায়। টার্গেট প্রফিট সাপোর্টে বা তার কাছাকাছি সেট করা উচিত যাতে মনিটর এর সামনে না থাকলেও ট্রেড প্রফিটে ক্লোজ হয়ে যায়। প্রাইস সাপোর্টের কাছে থাকলে তা হবে বাই ট্রেড এন্ট্রি। USD/CHF এর রেঞ্জ এন্ট্রি ও টার্গেট অসিলেটর ও রেঞ্জ ট্রেডঃ অসিলেটরের সাহায্যেও মার্কেটে স্কাল্পিং করা যায় খুব সুন্দর ভাবে। যখন প্রাইস সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্সের কাছাকাছি থাকে তখন MACD, CCI RSI ইনডিকেটর দিয়ে ওভারবট বা ওভারসোল্ড বুঝে ট্রেড এন্ট্রি নিতে হয়। যেমন প্রাইস এখন সাপোর্টের কাছে ও অসিলেটরে ওভারসোল্ড পজিশনে আছে। তো পাওয়া গেল একটি বাই ট্রেড এন্ট্রি লেভেল। অসিলেটর দিয়ে ট্রেড করলে ট্রেডার মার্কেটে মোমেন্টাম খুঁজে পান ও ফলস ট্রেড থেকে সতর্ক হওয়া যায়। কিন্তু আমাদের স্টপ লস পরবর্তী সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্সে ও টার্গেট প্রফিট ও ট্রেন্ড রেঞ্জ অনুযায়ী হবে। সিসিআই ও USD/CHF এ রেঞ্জ ট্রেডিং একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার হচ্ছে ট্রেড রেঞ্জ করা যায় ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বহাল থাকে। যদি ব্রেক আউট দেখা যায় তবে তা নতুন ট্রেন্ডের শুরু হওয়ার লক্ষণ, তখন রেঞ্জ ট্রেডিং বাদ দিয়ে মার্কেট বুঝে উপযুক্ত স্ট্রেটেজি নিয়ে কাজ করতে হবে। আমার পক্ষ থেকে একটি কথা যে গত পোস্ট গুলো থেকে আমরা যা শিখেছি তা কাজে লাগিয়ে ট্রেড করে কেমন কাজে লাগছে তা শেয়ার করুন। [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ১ম পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ২য় পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৩য় পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৪র্থ পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৫ম পর্ব]
  2. স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় সিরিজের প্রথম ৩ পর্বে আমরা জেনেছি মার্কেটের অবস্থা বোঝা, স্ক্যাল্পিং করার জন্য কারেন্সি পেয়ার নির্বাচন এবং স্ক্যালিংয়ের জন্য টাইমফ্রেম কিভাবে নির্বাচন করা উচিত সে সম্পর্কে। এই লেখায় আমরা জানবো কিভাবে মার্কেটে সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স খুঁজে বের করা যায় এবং স্ক্যাল্পিংয়ে তা কাজে লাগানো যায়। একজন স্ক্যাল্পারের জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয় হচ্ছে, সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স লেভেল খুঁজে বের করার পদ্ধতি ভালভাবে রপ্ত করা। স্ক্যাল্পিং ট্রেডিংয়ে রেঞ্জকে একটি ঘরের সাথে তুলনা করলে সাপোর্ট হচ্ছে এর মেঝে, আর রেসিসট্যান্স হচ্ছে এর ছাদ। এই লেভেলগুলো প্রাইসের সীমানা হিসেবে কাজ করে যা কিনা আমরা কোন স্ক্যাল্পিং স্ট্রাটেজি ব্যবহার করবো তা বুঝতে সহায়তা করে। সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স নির্ণয়ে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা উচিতঃ সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স লেভেল হচ্ছে স্ক্যাল্পারদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এরিয়া প্রাইস একশান, পিভট পয়েন্ট, মুভিং এভ্যারেজ ইত্যাদি ব্যবহার করে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বের করা যায় সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স লেভেল খুঁজে পাবার পর, স্ট্রাটেজি অনুযায়ী ট্রেড এন্ট্রি নেয়া সহজ হয়ে যায় সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বের করার অনেক উপায় রয়েছে। এখানে বহুল ব্যবহৃত তিনটি পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলঃ প্রাইস অ্যাকশানঃ সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বের করার সবচেয়ে সাধারন উপায় হল প্রাইস অ্যাকশান। সুইং হাই ও সুইং লো বের করা খুবই সহজ। সুইং হাই হল একটি চার্টে প্রাইসের সর্বোচ্চ অবস্থানগুলো, এবং সুইং লো হল চার্টে প্রাইসের সর্বনিম্ন অবস্থানগুলো। এই সুইং হাই-গুলো ও সুইং লো-গুলো যোগ করে আমরা রেসিসট্যান্স এবং সাপোর্ট পেতে পারি। এগুলোর ওপর ভিত্তি করে চার্ট দেখে আমরা সহজেই নির্ণয় করতে পারি মার্কেটে এখন সুইং ট্রেডিংয়ের সুযোগ রয়েছে নাকি ব্রেকআউট ট্রেডিংয়ের সুযোগ রয়েছে। উপরে একটি ইউরো/ডলারের ৫ মিনিটের চার্ট দেখান হয়েছে। ওপরের সুইং হাই এবং লো গুলো যোগ করে একটি প্রাইস চ্যানেল পাওয়া গেছে। সুইং হাই-গুলো যোগ করে একটি রেসিসট্যান্স লাইন আঁকা হয়েছে, যেখানে ট্রেডাররা বাই ট্রেড থেকে বের হবার সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং সেল ট্রেড দেয়ার সুযোগ খুঁজতে পারে। এবং নিচের সুইং লো-গুলো যোগ করে সাপোর্ট লাইন আঁকা হয়েছে, যেখানে ট্রেডাররা সেল ট্রেড থেকে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং নতুন করে বাই স্ক্যাল্পিং ট্রেড নেয়ার সুযোগ খুঁজতে পারে। এতে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে মার্কেট একটি রেঞ্জের মাঝে আছে, তাই একজন ট্রেডার সহজেই তার ট্রেড ওপেন ও ক্লোজ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সাপোর্ট থেকে প্রাইস বাউন্স করলে তা বাই সিগনাল আর রেসিস্টেন্স থেকে বাউন্স করলে তা সেল সিগনাল হিসেবে ধরা যায়। পিভট পয়েন্টঃ পিভট পয়েন্টও ভালো সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্সের হিসেবে কাজ করে। কিছু ফর্মুলা অনুসরণ করে পিভট পয়েন্ট আঁকা হয় চার্টে। বিভিন্ন ধরণের পিভট পয়েন্ট রয়েছে এবং তাদের ফর্মুলাও ভিন্ন ভিন্ন। যেকোনো চার্টে খুব সহজেই পিভট পয়েন্ট নির্ণয় করা যায়। উপরের চার্টে Camarilla পিভট পয়েন্ট ব্যবহার দেখান হয়েছে। একখানে “R” ও “S” দিয়ে যথাক্রমে রেসিস্টেন্স ও সাপোর্ট লাইন বুঝান হয়েছে। R1, R2, R3, R4 দিয়ে রেসিসট্যান্স ১, রেসিসট্যান্স ২, রেসিসট্যান্স ৩, রেসিসট্যান্স ৪ বোঝান হয়েছে। অপরদিকে S1, S2, S3, S4 দিয়ে সাপোর্ট ১, সাপোর্ট ২, সাপোর্ট ৩, সাপোর্ট ৪ বোঝানো হয়। অর্থাৎ, একটি সাপোর্ট বা রেসিসট্যান্স ব্রেক হলে পরবর্তীটি নতুন সাপোর্ট বা রেসিসট্যান্স হিসেবে কাজ করবে। ওপরের ইউরো/জিবিপি চার্টে পিভট পয়েন্ট এপ্লাই করা হয়েছে। এই খানে বুঝাঁ যাচ্ছে যে প্রাইস সাপোর্ট S3 কে স্পর্শ করে বাউন্সব্যাক করেছে, তাই ট্রেডার এইখানে একটি বাই ট্রেডের সুযোগ নিতে পারে, কারন প্রাইস আবার বাউন্সব্যাক করে বাড়ার সুযোগ রয়েছে। প্রাইস যদি সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্স ব্রেক করে তবে বুঝে নিতে হবে যে ব্রেক আউট হয়েছে। আসলেই ব্রেকআউট হয়েছে কিনা সেটা বোঝার কিছু নিয়ম রয়েছে। সঞ্জয় ভাই ব্রেকআউট নাকি ফেকআউট XM এর ওয়েবিনারে এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন। পিভট পয়েন্ট নিয়েও আলাদা স্ট্রেটেজি আছে, তবে আজ ওগুলো আর আলোচনা করা হল না। মুভিং এভারেজঃ মুভিং এভারেজ ব্যবহার করেননি এমন ফরেক্স ট্রেডার খুঁজে পাওয়া কঠিন। কিন্তু খুব কম ট্রেডারই জানে যে মুভিং এভারেজ সাপোর্ট এবং রেসিস্টেন্স হিসেবেও কাজ করে। বেশিরভাগ ট্রেডার বড় টাইমফ্রেমে মুভিং এভারেজ কিন্তু ছোট টাইমফ্রেমেও বিশেষ করে ৩০ মিনিট এবং ৫ মিনিটের চার্টে মুভিং এভারেজ বেশ কার্যকর। প্রাইস যদি মুভিং এভারেজের ওপরে থাকে তবে ট্রেডার তা সাপোর্ট হিসেবে কাজ করে এবং ট্রেডাররা মার্কেট বুঝে বাইয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারে ও প্রাইস যদি মুভিং এভারেজের লাইনের নিচে ব্রেক করে নিচে নামে তবে তা নতুন রেসিস্টেন্স হিসেবে কাজ করে। তখন সেলের সুযোগ খুঁজতে পারে। বেশিরভাগ ট্রেডার এক্ষেত্রে ২০০ পিরিয়ড মুভিং এভারেজ বেশি পছন্দ করে। উপরের ছবিতে দেখা যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ান-ডলার/আমেরিকান-ডলারের ৫ মিনিটের চার্টে ২০০ মুভিং এভারেজ ব্যবহার করা হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত প্রাইস ২০০ মুভিং এভারেজের লাইনের ওপরে ছিল ততক্ষন লাইনটি সাপোর্ট হিসেবে কাজ করেছে । আর প্রাইস যখনই ২০০ মুভিং এভারেজ লাইন ক্রস করে নিচে নামলো তখন লাইনটি নতুন রেসিস্টেন্স হিসেবে কাজ করছে। [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ১ম পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ২য় পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৩য় পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৪র্থ পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৫ম পর্ব]
  3. আমরা স্ক্যাল্পাররা সবচেয়ে দুশ্চিন্তায় পরি তা হল কোন পেয়ারে স্ক্যাল্পিং করা উচিত তা ঠিক করা নিয়ে। স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায়ের ২য় পোস্টে সে বিষয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি কোন কারেন্সি পেয়ারগুলো স্ক্যাল্পিংয়ের জন্য ভালো। পরবর্তী যেই সমস্যাটি আসে তা হল টাইম ফ্রেম নির্বাচন করা। ভিন্ন ভিন্ন টাইম ফ্রেম অ্যানালাইসিস করলে ভিন্ন সিগনাল পাওয়া যায়, কিন্তু কোনটি অনুসরণ করা উচিত? আনাল্যসিসের জন্য কোন টাইম ফ্রেম সেরা? চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। আপনি একা নন, চলুন একসাথে খুঁজে বের করি। টাইমফ্রেম নির্বাচন করতে গিয়ে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা উচিতঃ ট্রেডিং এর জন্য সঠিক চার্ট খুজে বের করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত অ্যানালাইসিস করার সময় একটি নির্দিষ্ট সময়সীমাকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা সবশেষে অপেক্ষাকৃত ছোট টাইম ফ্রেমে গিয়ে ট্রেড করা ভিন্ন ভিন্ন টাইম ফ্রেমে পাউন্ড/ডলার: নিচে ভিন্ন টাইমফ্রেমে পাউন্ড/ডলারের ৮টি ভিন্ন চার্ট দেয়া হল। ভিন্ন ভিন্ন চার্ট ভিন্ন ভিন্ন সিগন্যাল প্রদান করে। রেফারেন্স টাইম ফ্রেম সিলেক্ট করাঃ আপনি স্কাল্পিং করার সময় খুবই ছোট একটা মার্কেট মুভমেন্টের অংশকে টার্গেট করে ট্রেড করছেন। তাই আনাল্যসিস করার সময় যদি আপনি বাৎসরিক চার্ট নিয়ে আনাল্যসিস শুরু করেন তবে তা স্কাল্পিং ট্রেড এন্ট্রি নেওয়ার জন্য উপযুক্ত হবে না। তাই সঠিক টাইম ফ্রেম নির্বাচন করে তাতে আনাল্যসিস করে ট্রেড এন্ট্রি নিতে হবে। স্কাল্পিং এর জন্য ৭ দিনের ডাটা পর্যাপ্ত। কারন আপনি ৭ দিনের ডাটা আনাল্যসিস করে মোটামটি আপনার ট্রেন্ডের অবস্থা বা দিক ভালমত বুঝতে পারবেন। প্রথমেই রেফারেন্স টাইমফ্রেমে শর্টটার্ম ট্রেন্ড এবং সাপোর্ট-রেসিস্টেন্স খুঁজে বের করুন। আপনার ট্রেড সিগনাল খুঁজে এন্ট্রি নিন। তাই শুধু শুধু অনেক ডাটা নিয়ে আনাল্যসিস করতে গিয়ে নিজের মাথা গরম না করে একটি নির্দিষ্ট সময়ের ডাটা নিয়ে কাজ করুন, ভাল ফল পাবেন। আমার মতে মিনিট ৩০ টাইম ফ্রেম (M30) স্কাল্পিং আনাল্যসিসের জন্য পারফেক্ট। তবে আপনি ১ ঘন্টার (H1) চার্টও ব্যাবহার করতে পারেন। নিচে ছবির দিকে খেয়াল করলে আমরা সহজেই ব্যাপারটা বুঝে যাবোঃ ট্রেড নেয়ার চার্টঃ এখন আপনার আনাল্যসিসের পালা শেষ, ট্রেড ওপেন করার পালা। আনাল্যসিস শেষ হওয়ার পর অনেকেই সেই টাইম ফ্রেমেই ট্রেড করা শুরু করে দেয়, যদি ট্রেড খুঁজে পান তাহলে তো ভালই তবে আরও ছোট টাইম ফ্রেমে মুভ করলে ট্রেড নেওয়া আরও সহজ হয়ে যায়। এইখানে একটি ব্যাপার হল আপনি যদি বেশি পিপস টার্গেট করে ট্রেড এন্ট্রি নিন তবে M30 তেই ট্রেড করুন, কিন্তু ছোট ট্রেড মানে ৬-১০ পিপ্স টার্গেট হলে ছোট টাইম ফ্রেমে যেমন M5 বা M15 এ ট্রেড করলে ভাল। ট্রেড শুরু করার আগেই কিন্তু আপনার সব পরিকল্পনা করে নেওয়া উচিত, কয়টি ট্রেড করবেন? কত রিস্ক নিবেন তা পূর্বেই ঠিক করে রাখুন এতে ট্রেড এন্ট্রি নেওয়ার সময় কনফিউশান কম থাকবে। নিচে একটি চার্টে সাপোর্ট ও রেসিসট্যান্স ড্র করে ট্রেডিং দেখানো হলঃ স্ক্যাল্পিংয়ের সময় একটা কথা মনে রাখবেন, আবেগের বশবর্তী হয়ে কখনও ট্রেড করবেন না। কি মনে হল তার ওপর ট্রেড না করে অ্যানালাইসিস করে ট্রেড করার চেষ্টা করুন। লাভ-লস ২টাই যাতে পরিমিত হয়, সীমা না ছাড়িয়ে যায়। আপনি যদি পূর্ববর্তী পোস্ট গুলো না পরে থাকেন তবে নিচের লিংকে ঘুরে আসুন। [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ১ম পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ২য় পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৩য় পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৪র্থ পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৫ম পর্ব]
  4. স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় এর ১ম পর্ব এতো বেশী মানুষ ফেসবুকে শেয়ার করেছেন এবং ভালো লেগেছে বলেছেন জেনে খুব ভালো লেগেছে। স্কাল্পিং করার সময় আপনাকে অনেকগুলো ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। তেমনি একটি হচ্ছে কারেন্সি পেয়ার খুঁজে বের করা। কারন এই পেয়ার নির্বাচন করা আপনার ট্রেডিং স্ট্রাটেজির জন্য ও সঠিক ট্রেড ওপেন করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অসংখ্য কারেন্সি পেয়ার আছে। স্ক্যাল্পিংয়ের জন্য কোন পেয়ারগুলো বেছে নেয়া উচিত, কি কি বিষয় খেয়াল করা উচিত তা নিয়েই আজকের পোস্ট। যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরী ফরেক্সে স্ক্যাল্পারদের সবসময় ট্রেড নেওয়ার পূর্বে অবশ্যই মার্কেটের অবস্থা বুঝতে হবে (১ম পর্ব) স্প্রেডের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে রিকোটস ফ্রি ব্রোকার বেছে নিতে হবে অবশ্যই মার্কেট লিকুইডিটি দেখে ট্রেড নিতে হবে যাতে বেশি প্রফিট করা যায়। স্ক্যাল্পিং উপযোগী কারেন্সি পেয়ার নির্বাচন করতে হবে স্প্রেড এবং রিকোটসঃ আপনি যখনই একটি ট্রেড ওপেন করছেন, আপনার ট্রেডটি কিছুটা লসে ওপেন হচ্ছে। এটাই হচ্ছে স্প্রেড। প্রত্যেকটি ট্রেডেই কিন্তু আপনাকে বর্তমান মার্কেটের ওপর নির্ভর করে কম-বেশি স্প্রেড দিতে হচ্ছে। বেশিরভাগ ব্রোকারেই স্প্রেড ফিক্সড নয়, আমার মতে ফিক্সড স্প্রেড ব্রোকারে ট্রেড না করাই ভালো। কারণটা পড়ে বলছি। তাই যখন আপনি ট্রেড দিচ্ছেন, অবশ্যই খেয়াল করা জরুরী যে প্রতি ট্রেডে কিন্তু স্প্রেডও সমান নয়। আবার সকল পেয়ারে স্প্রেডও সমান নয়। তাই স্ক্যাল্পারদের ট্রেড দেয়ার পূর্বে প্রধান দায়িত্ব হল যেই পেয়ারে ট্রেড দিতে চাচ্ছেন তার স্প্রেড আগে চেক করা। ধরুন, EURUSD তে বর্তমান স্প্রেড ২ পিপস, আর NOKJPY তে বর্তমান স্প্রেড ৬ পিপস। তাই আপনি ট্রেড ওপেন করলে প্রথম ট্রেডটি ২ পিপস লসে ওপেন হবে, যেখানে পরের ট্রেডটি ৬ পিপস লসে ওপেন হবে। আপনার টার্গেট হয়তো হতে পারে ৭-২০ পিপস, এর মধ্যে যদি ৬ পিপস স্প্রেডেই দিয়ে দেন, তাহলে খেয়াল করে দেখুন লাভ কতটুকু কমে যাচ্ছে। তাই বেছে বেছে আপনাকে কম স্প্রেডের পেয়ার নিতে হবে। অনেকে একটা ভুল করে থাকেন যে কম স্প্রেড খুঁজতে গিয়ে খারাপ ব্রোকার পছন্দ করে বসেন। দেখা যায় কোন ব্রোকার স্প্রেড দিচ্ছে ১ পিপস, কিন্তু রিকোটস দিয়ে ঠিকই তা উসুল করে নিচ্ছে। অনেক রেগুলেশন ছাড়া ব্রোকার গ্রাহককে আকর্ষণ করার জন্য অনেক কম স্প্রেড অফার করে থাকে। অনেকেই এই ফাঁদে পরে ডিপোজিট করে পরে দেখে তারা ডেমো অ্যাকাউন্টের মত স্প্রেড রিয়েল অ্যাকাউন্টে পাচ্ছে না। কিছু ব্রোকার সত্যি সত্যিই খুব কম স্প্রেড প্রদান করে কিন্তু রিকোটসের মাধ্যমে বেশি স্প্রেড আদায় করে থাকে। ধরুন, একজন ট্রেডার ১.৩২০০০ তে একটি ট্রেড ওপেন করতে চায়। কিন্তু ব্রোকার তাকে রিকোটস প্রদান করল এবং বলল প্রাইস পরিবর্তন হয়ে গেছে। বর্তমান প্রাইস ১.৩২০৪০. তখন যদি ট্রেডার ১ পিপস স্প্রেড দিয়েও ট্রেড ওপেন করে থাকে, পরোক্ষভাবে কিন্তু সে ৫ পিপস স্প্রেড প্রদান করল। কারণ সে ট্রেড ওপেন করতে চেয়েছিল ১.৩২০০ তে। রিকোটসের কারণে তার ট্রেড পরে ওপেন হল। তাই যখন ট্রেডটি ১.৩২১০০ এ গেলো, ট্রেডারের লাভ হল ৫ পিপস। ট্রেডার হয়তো খুব খুশি হল যে স্প্রেড ১ পিপস দিয়ে ৫ পিপস প্রফিট পেলাম। কিন্তু এখানে যদি সে ভালো ব্রোকারে ২ পিপস স্প্রেডও দিতো, তবে ১.৩২১০০ এ গেলে তার লাভ থাকতো ৮ পিপস। তাই স্ক্যাল্পারদের জন্য অন্যতম সেরা শর্ত হল রিকোটসসহ ব্রোকার সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলা। রিকোটস নিয়ে আরেকটি সমস্যা কিছু ব্রোকার করে তা হল ভোলাটাইল মার্কেটে অনেক সময় যেদিকে প্রাইস যাওয়ার সুযোগ আছে, সেদিকে উদ্দেশ্য-প্রণোদিত ভাবে রিকোটস প্রদান করে। সেক্ষেত্রে আপনি দেখা যায় ট্রেড দিতে চেয়েও ট্রেড দিতে পারবেন না। সেজন্য মার্কেট এক্সিকিউশন ব্রোকার বেছে নেয়া ভালো যেগুলোতে ট্রেড এক্সিকিউশন গ্যারান্টেড থাকে। তাই আপনি কোন প্রকার রিকোটসও পাবেন না, এবং ট্রেডও নিশ্চিতভাবে ওপেন হবে। আবার কিছু ব্রোকার ফিক্সড স্প্রেড প্রদানের কথা বলে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ট্রেড ওপেন করতে দেয় না, অফ কোটস, ট্রেড কনটেক্সট বিজি ইত্যাদি মেসেজ দেখিয়ে ট্রেডারদের ট্রেড থেকে বিরত রাখে। এদের থেকেও সাবধান থাকা উচিত। এক্ষেত্রে তাহলে অনেকেই বলবেন যে তাহলে আমি আদর্শ স্প্রেড কত বেছে নিব স্ক্যাল্পিংয়ের জন্য? আমার মতে মেজর পেয়ারগুলোর জন্য ১.৮-২.৫ পিপস স্প্রেড ঠিক আছে। এর বেশি হয়ে গেলে আবার বেশি হয়ে যাবে। অনেকেই ১ পিপস খোঁজেন। এসব অমুলক স্প্রেড না খুঁজে আপনার পছন্দমত ভালো নিরাপদ ব্রোকারে ট্রেড করুন। ব্রোকার নিয়ে পেরেশানি না করে ট্রেড সিরিয়াসলি করা আমার মতে বেশী কাজের। ব্যক্তিগতভাবে আমার XM ব্রোকারটি পছন্দ। আপনার কাছে যে ব্রোকারটি ভালো মনে হয় সেটিতে ট্রেড করুন। লিকুইডিটিঃ আপনি যখন স্কাল্পিং করছেন তখন যদি মার্কেটে মুভমেন্ট না থাকে তাহলে কেমন হবে? আপনি অবশ্যই চাইবেন না যে ১০ পিপস লাভ করতে আপনার সারাটা দিন বসে থাকা লাগবে। তাহলে উপায় কি? উপায় হচ্ছে মার্কেটের লিকুইডিটি বুঝে ঐ পেয়ারে ট্রেড করা। মেজর কারেন্সি গুলোতে ভোলাটিলিটি বেশি খুঁজে পাওয়া যায়, তবে মার্কেট ঘেঁটে খুঁজে বার করে নেওয়াই ভাল। আর একটি ব্যাপার মার্কেটে নরমাল অবস্থায় ভোলাটিলিটি যা থাকে তাতে কিন্তু কোন স্লিপেজ থাকে না, কিন্তু নিউজ টাইমে আপনি কম-বেশি স্লিপেজের সম্মুখীন হবেন সব ব্রোকারে। তাই এ ব্যাপারে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমি যে পন্থা অবলম্বন করি তা হল আমি ট্রেড দেয়ার পূর্বেই টেক প্রফিট বা স্টপ লস দেই না। ট্রেড ওপেন হওয়ার পর টেক প্রফিট বা স্টপ লস সেট করি। এটা করলে যদি আপনি স্লিপেজের সম্মুখীন হনও, আপনার কোন ক্ষতি হবে না। প্রাইস গ্যাপের ফলে নতুন প্রাইসে ট্রেড ওপেন হবে, এরপর আপনি আপনার স্ট্রাটেজি অনুযায়ী টেক প্রফিট বা স্টপ লস সেট করে দিবেন। স্ক্যাল্পিংয়ের জন্য কারেন্সি পেয়ার এবং ট্রেডের সময় ২টি বাছাই করার সময়ই আপনাকে এটা লক্ষ্য রাখতে হবে যে মার্কেটে ভালো লিকুইডিটি বা ভোলাটিলিটি রয়েছে। ফলে আপনাকে একটি ট্রেড দিয়ে অনেকক্ষণ বসে থাকতে হবে না, অপরদিকে ভোলাটাইল মার্কেটে আপনি একই পেয়ারে একাধিক স্ক্যাল্পিং ট্রেড করার সুযোগ পাবেন। কারেন্সি পেয়ার সিলেকশানঃ এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটি ব্রোকার অনেকগুলো করে কারেন্সি পেয়ার সমর্থন করে ট্রেড করার জন্য। এখন কি আপনি সবগুলো পেয়ারেই স্ক্যাল্পিং করবেন? সবগুলো পেয়ার স্ক্যাল্পিং করার জন্য উপযুক্তও নয়। এজন্য বেশিরভাগ ট্রেডারদের পছন্দ হল মেজর পেয়ারগুলো। ডলারের ক্রস পেয়ারগুলোকে মেজর কারেন্সি পেয়ার বলা হল। পেয়ারগুলো হলঃ মেজর পেয়ারগুলোর রয়েছে বেশ কিছু সুবিধা যে কারণে স্ক্যাল্পারসহ সকল ট্রেডাররা এই পেয়ারগুলোতে ট্রেড করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। এই মেজর পেয়ারগুলো সবচেয়ে বেশি ট্রেড করা হয়। অন্যান্য পেয়ারগুলোর তুলনায় এই পেয়ারগুলোর স্প্রেড সব ব্রোকারেই অনেক কম। এই পেয়ারগুলোতে লিকুইডিটি বেশি থাকে। তাই স্ক্যাল্পারদের পছন্দের তালিকায় সর্বদা এই পেয়ারগুলোই থাকে। আমরা মোটামুটি স্ক্যাল্পিং ট্রেডের বেসিক বিষয়গুলো জেনে গেছি। এখন পরবর্তী পোস্টে আমি টেকনিক্যাল বিষয়গুলো নিয়ে লেখা শুরু করবো। ভালো লাগলে অবশ্যই মন্তব্য জানাবেন। আগের পোস্টটি অনেকে পরেছেন, কিন্তু পোস্টে মন্তব্য জানিয়েছেন মাত্র কয়েকজন। আশা করি যারা পড়বেন সবাই মতামত জানানোর চেষ্টা করবেন। প্রথম পর্বটি পড়ার জন্য পোস্টের নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন। এই পড়বে যেসব বিষয় তুলে ধরা হয়ছে তার সারমর্ম হলঃসঠিক পেয়ার নির্বাচন করতে হবে স্ক্যাল্পিংয়ের জন্য যেগুলোর স্প্রেড সাধারনত কম রিকোটসবিহীন ব্রোকারে ট্রেড করতে হবে এবং এভারেজ সহনীয় স্প্রেড মেজর পেয়ারগুলোতে ভোলাটাইল পেয়ার এবং ভোলাটাইল মার্কেটে স্ক্যাল্পিং লাভজনক স্ক্যাল্পিংয়ের জন্য মেজর পেয়ারগুলো সেরা [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ১ম পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ২য় পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৩য় পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৪র্থ পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৫ম পর্ব]
  5. স্ক্যাল্পিং ট্রেড নিয়ে সবারই আগ্রহ অনেক। সাধারনত ছোট ট্রেডগুলো যেগুলো স্বল্প সময়ের জন্য করা হয় এবং টার্গেট থাকে ৫-২০ পিপস লাভ করা, সেসব ট্রেডগুলোকেই স্ক্যাল্পিং ট্রেড বলা হয়। অনেকেই ভাবে এই অল্প সময়ে ট্রেড করার জন্য মার্কেটের সাহায্য নেওয়া সম্ভব নয়, তাই অনেকেই আন্দাজেই স্ক্যাল্পিং করে থাকেন। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললে তুলনামূলক নিরাপদভাবে স্ক্যাল্পিং ট্রেড করা সম্ভব। স্ক্যাল্পিং নিয়ে ধারাবাহিক কয়েকটি লেখার এটি প্রথম পর্ব। আশা করি সবার কাজে লাগবে। ট্রেড এন্ট্রি নেওয়ার পয়েন্ট ফরেক্সে স্ক্যাল্পারদের সবসময় ট্রেড নেওয়ার পূর্বে অবশ্যই মার্কেটের অবস্থা বুঝতে হবে মার্কেটের অবস্থা তিন ভাগে ভাগ করা যায়ঃ ট্রেন্ডিং মার্কেট,রেঞ্জিং মার্কেট ও ব্রেকআউট মার্কেট মার্কেটের অবস্থা বুঝার পর ট্রেডার অবস্থা অনুযায়ী সঠিক স্ট্রাটেজি বেছে নিয়ে ট্রেড করতে হবে মার্কেটের পরিবেশ প্রতিদিন ট্রেড এন্ট্রি নেওয়ার পূর্বেই যাচাই করে নিতে হবে। কারন যেকোন কারনে মার্কেটের পরিবেশ ভিন্ন হতে পারে যা বর্তমান স্ট্রাটেজির জন্য সঠিক নয়, তাই মার্কেট বুঝেও আমাদের ট্রেডিং স্ট্রেটিজিপরিবর্তন করতে হতে পারে। আর যদি দেখা যায় আপনার স্ট্রাটেজি মূলত রেঞ্জিং মার্কেটের জন্য, কিন্তু এখন ব্রেকআউট হবার সম্ভাবনা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ভিন্ন স্ট্রাটেজিতে ট্রেড করতে হবে, বা সেই পেয়ারটি ট্রেড করা থেকে বিরত থাকতে হবে। মার্কেটের অবস্থা মূলত তিন ভাগে ভাগ করা যায়, ট্রেন্ডিং মার্কেট,রেঞ্জিং মার্কেট ও ব্রেকআউট মার্কেট। এই ব্যাপারটা আমরা মার্কেটের চার্ট দেখে ও টেকনিক্যাল আনাল্যসিস এর মাধ্যমে বের করে নিতে পারি। কারন মার্কেটের পরিবেশই বলে দেয় মার্কেট কোন অবস্থানে রয়েছে। প্রাইস রেঞ্জঃ প্রথমেই আমাদের যেটা করতে হবে তা হল ট্রেডিং রেঞ্জ খুঁজে বের করা। মার্কেটে রেঞ্জ খুঁজে পাওয়া যায় ঠিক তখনি যখন প্রাইস একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে বিচরণ করে থাকে। এ ধরণের মার্কেটকে মূলত সাইডওয়ে মার্কেট বলা হয়। এবং ট্রেডাররা সাইডওয়ে মার্কেটকে স্ক্যাল্পিংয়ের স্বর্গ হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। যদিও এই সময় মার্কেট কোন নির্দিষ্ট দিক নির্দেশ করে না, কিন্তু এই রেঞ্জের মাঝে স্কাল্পিং এর সিগনাল খুঁজে পাওয়া যায়। একটি চ্যানেলের মধ্যে যখন প্রাইস ঘোরাফেরা করে, তখন সেই পরিস্থিতিতে স্ক্যাল্পিং করা সহজ হয়ে যায়। রেঞ্জ নির্ণয় করার জন্য প্রধান কাজ হল সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স চার্টে খুঁজে বের করা। রেসিস্টেন্স ও সাপোর্ট লেভেল বের করার জন্য কেন্ডেলের হাই-লো গুলো যোগ করেই বের করা যায়। সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বের করা আমাদের স্ট্রাটেজির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তাই এটি ভাল করে আঁকতে হবে। গতকালের ওয়েবিনারে সঞ্জয় ভাই বলেছেন সম্ভবত এই মাসের শেষে সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স নিয়ে ওয়েবিনারগুলো আবার রিপিট করা হবে। তখন অবশ্যই জয়েন করবেন সবাই আশা করি। রেঞ্জের মাঝে স্ক্যাল্পাররা খুব ভাল ট্রেড নিতে পারে, যেমন প্রাইস যখন সাপোর্টের কাছাকাছি তখন বাই ও যখন রেসিস্টেন্সের কাছাকাছি তখন সেল এন্ট্রি নিবে। স্ট্রেটেজিক ব্রেকআউটঃ ব্রেক আউট হচ্ছে প্রাইস যখন রেঞ্জ লেভেল ক্রস করে বাইরে চলে যায়, এবং নতুন সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্স লেভেল তৈরি করে। মার্কেট যখন রেঞ্জিং মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসে, তখন সাধারণত ব্রেকআউট হয়ে থাকে। যখন সাপোর্ট ব্রেক করে তখন তা পরবর্তী সেটআপের জন্য রেসিস্টেন্স হিসেবে কাজ করে, অনুরূপ রেসিস্টেন্স ব্রেক করলে তা পরবর্তী সেটআপের জন্য সাপোর্ট হিসেবে কাজ করে। ব্রেক আউটে ট্রেড করার জন্য আগে শিউর হয়ে নেওয়া উচিত। অনেক সময় মার্কেটে ফলস ব্রেক আউট দেখা যায় যা দেখে ট্রেড এন্ট্রি নিলে লস হবার সম্ভাবনা থাকে। কিছুদিন আগে XM এর ব্রেকআউট নাকি ফেকআউট ওয়েবিনারে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। অনেক ট্রেডারই ব্রেকআউট ট্রেডিংয়ের জন্য পেন্ডিং অর্ডার ব্যবহার করে থাকেন। সেই ক্ষেত্রে হঠাৎ করে যদি সাপোর্ট বা রেসিসট্যান্স লেভেল ব্রেক হয়ে যায়, তাহলে আপনার পেন্ডিং অর্ডার অনুযায়ী বাই বা সেল ট্রেড এক্সিকিউট হবে। ট্রেন্ডিং মার্কেটঃ ব্রেকআউট মানেই সাধারণত তা নতুন একটি ট্রেন্ডের শুরু। সাধারণত ফরেক্সে প্রাইস একটি নির্দিষ্ট দিকেই মুভমেন্ট করে থাকে আর তাই হল ট্রেন্ড। এটি যেহেতু একমুখী তাই এই ক্ষেত্রে স্কাল্পিং এ বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। বলা হয়ে থাকে ট্রেন্ড হল আপনার ফ্রেন্ড। এবং ট্রেন্ডিং মার্কেটে ট্রেন্ডের বিপরিতে ট্রেড করা বোকামি। যদিও অনেকে স্ক্যাল্পিং পছন্দ করেন না। তবে ট্রেন্ডিং মার্কেটে ট্রেন্ডের দিকে স্ক্যাল্পিং করা নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হয়। সুইং হাই এবং সুইং লো চিহ্নিত করার মাধ্যমে আপনি আপনি মার্কেটে নতুন ট্রেন্ডের শুরু হয়েছে কিনা তা সহজে বুঝতে পারবেন। টেন্ড খুঁজে বের করার জন্য কত গুলো ছোট ছোট মুভমেন্টের হাই বা লো-গুলোকে যোগ করলে তাতে সহজে ট্রেন্ডের দিক বোঝা যায়। ট্রেন্ড যদি হাইয়ার হাই বা হাইয়ার লো তৈরি করে তবে আপট্রেন্ড ও বাই এন্ট্রির সিগন্যাল। আর লোয়ার লো বা লোয়ার হাই তৈরি করলে তা সেল সিগনাল স্কাল্পিং এর জন্য। আশা করি এটি আপনাদের ট্রেন্ডের ধরন খুঁজে বের করতে ও মার্কেটের পরিবেশ বুঝতে সাহায্য করবে। ট্রেন্ড বুঝে সঠিক এন্ট্রি নিলে ট্রেডে জেতার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। অন্যথায় লস হবেই। আশা করি এখন থেকে স্কাল্পিং ট্রেড নেওয়ার আগে বিষয় গুলো আমরা খেয়াল করব। পরবর্তী লেখায় স্ক্যাল্পিংয়ে কারেন্সি পেয়ার নির্বাচন সম্পর্কে লেখা হবে। [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ১ম পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ২য় পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৩য় পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৪র্থ পর্ব] [স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৫ম পর্ব]
  6. আসলে ওদের কারনেই যত সমস্যা :fire: ভাই আপনার প্রশাসন কে জানাতে যাবার কোন দরকার নাই, উল্টা আপনি হেনেস্তা হতে পারেন। তবে বন্ধু বান্ধবদের যথা সম্ভব সতর্ক করে দিবেন ।
  7. ফরেক্স নিয়ে অনেক কথা শুনা যাচ্ছে আজকাল, আচ্ছা ফরেক্স কি ভয়ংকর, ফরেক্স কি ক্যান্সার নাকি অন্য কিছু ??আসলে নতুন অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে যাচ্ছে এই ভ্রমজালে। প্রথমেই বলি ফরেক্স হালাল নাকি হারাম, সুদ মানেই হারাম তাই ফরেক্সে সোয়াপ নিলে হারাম অন্যথায় নয়, শেয়ার মার্কেটে দুটি ধাপ, প্রাইমারি আর সেকেন্ডারি, ফরেক্স শেয়ার মার্কেটের সেকেন্ডারি স্টেজের মত শুধু পার্থক্য আমরা শেয়ার মার্কেটে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করি আর ফরেক্স মার্কেটে লেনদেন করি বিভিন্ন দেশের কারেন্সি, এই ব্যাপারে আর বিস্তারিত কিছু বলব না কারন শুরু করলে শেষ করা যাবে না। যে ব্যাপার গুলো খুবই অবাক করা ব্যাপার সেগুলো হল, মানুষ বারবার ফোন করে জানতে চায়, বাংলাদেশে কি ফরেক্স বন্ধ হয়ে যাবে? ফরেক্স করলে কি ধরে নিয়ে যাবে? ভাই আপনারা জীবন বাজি রেখে ফরেক্স করছেন? আরে বাবা এই যুগে অনেক কিছুই অসম্ভব বলা যায়, ফেসবুক নাকি সরকার বন্ধ করে দিয়েছিল, আমি ২০০৮ সাল থেকে ফেসবুক চালাই, কোনদিন ফেসবুক বন্ধ পাইনি, আর মেটাট্রেডার তো বন্ধ করা আর কঠিন। তাই ফরেক্স বাংলাদেশে বন্ধ হবে না এতটুকু বলতে পারি, তবে হা আলতু-ফালতু ব্রোকার এ ডিপোজিট করলে ও ব্রোকার বন্ধ হলে তার জন্য কিন্তু আপনি দায়ী, কারন রেগুলেটেড ব্রোকার ছাড়া অন্য ব্রোকারে ট্রেড করেবেন না। সঠিক ভাবে ব্রোকার নির্বাচন করুন। অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিন। আর সবার প্রিয় বিডিপিপ্সতো আছেই :q: ফরেক্স করলেই ধরে নিয়ে যাবে?? যতসব ফালতু কথা। কেন ধরবে, আপনি কি সবাইকে বলে বেড়ান যে আপনি ফরেক্স করেন?বলে বেড়ান যে আপনি কোটি কোটি টাকা ইনকাম করছেন ফরেক্স এ ট্রেড করে?? তা হলে তো ধরা খাবেনই। আপনার শুত্রু ও কিন্তু বসে নেই, আর আমরা বাঙালিরা তো আর এক কাঠি সরস। নিজে যথা সম্ভব বাশ খাওয়া থেকে বেছে থাকতে পছন্দ করলেও অন্যকে বাশ দিতে খুবই ভালবাসি, অন্যের ভাল দেখলে দিনটাই যেন মাটি হয়ে যায়। ফরেক্স করুন তবে ঢোল পিটিয়ে বেড়াবার কোন দরকার নেই, এতে ক্ষতিই বেশি হবে :no: ফরেক্স শিখার বেলায় কার হাত পা না ধরে নিজে একটু ক্ষত করে বিডিপিপ্স কিংবা বেবি পিপ্স এর আর্টিকেল গুলো পড়ুন। একবার নয় প্রয়োজনে তিন বার পড়ুন অনেক ধারনা পরিষ্কার হবে। তারপরও প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞ কেউ থেকে পরামর্শ নিন, অবশ্যই কাউকে দিন-রাত না মেনে জালিয়ে নয়। তার কাছ থেকে সময় নিয়ে ফোন দিন। এতে সে ও যেমন আপনাকে সময় দিতে পারবে আপনিও ভালভাবে ভুঝতে পারবেন। সময় কেউ দিতে না পারলে বার বার ফোন দিয়ে বিরক্ত না করে গ্রুপে কিংবা বিডিপিপ্স এ পোস্ট দিন জানতে চেয়ে, অবশ্যই আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন :end: সবশেষে বলব ডলার বেচা কেনা নিয়ে প্রতারণা,এটা বর্তমানে অনেক হচ্ছে। ভেবে চিনতে লেনদেন করুন। আচ্ছা ফেইস টু ফেইস ডলার বাই-সেল করলে তো এই সমস্যা তৈরি হয় না। আর তা যদি না পারেন তবে পরিচিত কারো কাছে সেল করুন। আর আপনার এলাকায় কি কোন ফরেক্স ট্রেডার নেই? ফরেক্স ট্রেডার, ফ্রিলান্সার, গেইমার অনেক এরই তো ডলার প্রয়োজন হয়,যোগাযোগ রাখুন। আপনারই কাজে আসবে। কথা গুলো বললাম অনেক রাগ করেই।তবে আশা করি কাউকে আঘাত করিনি। ঠাণ্ডা মাথায় ভেবেচিন্তে কাজ করলে অবশ্যই ফলাফল ভাল হবে। অনেকেই ফরেক্সে লোভ করে, কিংবা না শিখে ট্রেড করে সব হারিয়ে এখন ফরেক্স এর দুর্নাম করার পিছনে লেগেছে।ফরেক্স একটি বিজনেস,এটি জুয়া নয়। আপনি মেধা, অর্থ সময় কাটিয়ে অনেক উন্নতি করতে পারবেন আবার বেশি লোভ করে সব হারাতেও পারেন। তাই কারো কথা না শুনে কিংবা কারো মন্ত্রণায় প্ররোচিত না হয়ে ফরেক্স শিখুন ভালভাবে ও অনেক অনেক প্রফিট করুন। তবে আমাদের সাথে পিপ্স কামানোর আনন্দ শেয়ার করতে কিন্তু ভুলবেন না। :pipslove:
  8. স্ট্রাটেজি টা সিম্পল ও নিউবিদের জন্য ভাল তবে আমার কাছে আন্দাজ নির্ভর মনে হয়েছে, চার্টে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স লাইন একে নিলে আরও ভাল হত, আর RSI(14) জাতীয় কোন ইনডিকেটর যোগ করেলে ভাল হবে...
  9. ভাই বুঝে ট্রেড করুন, নিউজ ট্রেড ম্যানি-ম্যানেজমেন্ট মেনে করলে লস কম হবার সম্ভাবনা থাকে
  10. ইউরো/ডলার গত সপ্তাহে রেঞ্জের মধ্যে থেকেই বেড়েছে. তবে কি এটা ব্রেক আউটের লক্ষণ? জার্মান ইকনোমিক সেন্টিমেন্টাল ও PMI নিউজগুলো এই সপ্তাহে প্রধান আকর্ষণ। চলুন দেখে নেই ইউরো/ডলারের এই সপ্তাহ কেমন যেতে পারে। ফ্রান্সের জিডিপির ব্যাপক উন্নয়ন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারনে ইউরোপের মন্দা খুব দ্রুতই কাটিয়ে উঠছে, এটি ইসিবির জন্য বড়ই সুসংবাদ। ওপরদিকে আমেরিকার বৈরি আওহাওয়াও ইউরো/ডলারকে বুলিশ করার জন্য কিছুটা দায়ী। এই সপ্তাহের EURO এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিউজ Eurogroup Meetings: সোমবার সারা দিন ধরে এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। ,ইউরোজোনের সব অর্থনৈতিক মন্ত্রীরা অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যাপারে আলোচনা করার জন্য একত্রিত হবেন। মিটিং ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিতঃ ForexFactory Current Account: মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩.০০ টায় এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। ইউরোজোন একাউন্টের জমা হওয়ার লেভেল গত নভেম্বরে বেড় গত সাত মাসের মাঝে সর্বোচ্চ ২৩.৫ বিলিয়ন এ দাঁড়ায় যদিও ইকনমিক এক্সপার্টরা কম আশা করেছিলেন। তবে আশা করা হচ্ছে এই বার এই সংখ্যা কমে ১৯.৮ বিলিয়ন ইউরোতে গিয়ে দাড়াতে পারে। বিস্তারিতঃ ForexFactory German ZEW Economic Sentiment: মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ৪.০০ টায় এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। এই মাসে জার্মান জেড ই ডাব্লিও ইকনোমিক সেন্টিমেন্টাল আরও ভাল অর্থাৎ -৬১.৩ এর কাছাকাছি হওয়ার ব্যাপারে সবাই আশাবাদী। বিস্তারিতঃ ForexFactory ECOFIN Meetings: মঙ্গলবার সারাদিন ধরে এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। ইকনোমিক ও ফিন্যান্সিয়াল এফ্যেয়ার কাউন্সিলরা ইউরো গ্রুপ মিটিং এর পর একত্রিত হবেন। এই কাউন্সিলে বাজেটের ব্যাপারে আলোচনা ও ডিসিশান নেওয়া ও ইউরো ইকোনমিক পলিসি নির্ধারণ করা হবে। এছাড়াও মূলধন সংক্রান্ত ব্যাপার ও তৃতীয় বিশ্বের দেশ সমূহের সাথে সমন্ধ্যের ব্যাপারে আলোচনা করা হবে। বিস্তারিতঃ ForexFactory German PPI: বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১ এ এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। জার্মান ম্যানুফ্রাকচার আউটপুট প্রাইস গত ডিসেম্বরে ০.১% বেড়েছে। এবার ০.৩% বাড়বে বলে ধারনা করা হচ্ছে। বিস্তারিতঃ ForexFactory French CPI: বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১.৪৫ এ এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। ফ্রেঞ্চ কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স গত ডিসেম্বরে ০.৩% বেড়েছে। যদিও বাৎসরিক হিসেবে ইকোনমিস্টরা ০.৪% এর মত একটি বৃদ্ধি আশা করেছেন কিন্তু এবার সিপিআই ০.৩% কমবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। বিস্তারিতঃ ForexFactory Flash manufacturing and services PMIs: , বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় ফ্রেঞ্চ ও ২.৩০ এ জার্মান ফ্ল্যাশ ম্যানুফ্রাকচার অ্যান্ড সার্ভিস পিএমআই নিউজটি প্রকাশিত হবে। ইউরোপিয়ান ম্যানুফ্রাকচার ও সার্ভিস বিশেষ আকর্ষণ ফিরে পেয়েছে ইউরোর ব্যাপক উন্নতির কারনে। বিস্তারিতঃ French Flash Manufacturing PMI (দুপুর ২;০০) French Flash Services PMI (দুপুর ২;০০) German Flash Manufacturing PMI (দুপুর ২;৩০) German Flash Services PMI (দুপুর ২;৩০) Consumer Confidence: বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯.০০টায় এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। ইউরোপের কনজিউমার কনফিডেন্স জানুয়ারি মাসে আশাতীত ভাল হয়ে -১১.৭ এ এসেছে যা পূর্বে ১৩.৫ ছিল। ইউরো জোনের ম্যানুফ্রাকচার আউটপুটের উন্নতি এটাই প্রমান করে যে ইউরোতে ব্যাপক উন্নতি হচ্ছে। কনজিউমার কনফিডেন্স এই বার -১১ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিস্তারিতঃ ForexFactory G20 Meetings: শুক্রবার সারাদিন এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। জি২০ ফিন্যান্স মন্ত্রী ও সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক গভর্নররা অস্ট্রিলিয়ার সিডনিতে একত্রিত হবেন। প্রধানমন্ত্রী টনি আব্বট বলেন যে অস্ট্রিলিয়ার ২০১৪ এর চেয়ারম্যানশিপ ইকনোমিক দ্রুত উন্নতি ও ভবিষ্যতের শেয়ারে মার্কেটের নির্ধারণী হিসেবে কাজ করবে। বিস্তারিতঃ ForexFactory EU Economic Forecasts: শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ৪.০০টায় এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। ২০১২ সাল হতে ইউরোপিয়ান কমিশন তিনটি ম্যাকরো ইকোনমিক ফরকাস্ট করে বছরে - winter, spring এবং autumn. এই ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছিল ইউরোপের অর্থনৈতিক দুরাবস্থাপন্ন দেশগুলোর সাহায্যার্থে। এটি ইউরো জোনের মেম্বারদের ফিন্যান্সিয়াল অবস্থা ও যে সব দেশ ইউরোজোনে যুক্ত হওয়ার জন্য প্রার্থী তাদের ব্যাপারে পর্যালোচনা করা হয়। গত নভেম্বরে প্রকাশিত রেজাল্টে ইউরোর উন্নতি প্রকাশ পায়।এটি ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিতঃ ForexFactory এই সপ্তাহের USD এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিউজ Building Permits: বুধবার বাংলাদেশ সময় দুপুর সন্ধ্যা ৭টায় এই নিউজটি প্রকাশিত হবে।এই নিউজ দ্বারা পূর্বের মাসে নতুন গৃহ তৈরির অনুমোদন সংখ্যা প্রকাশ করা হয়। এইবার এর ফলাফল ০.৯৮ আসবে ধারনা করা হচ্ছে। বিস্তারিতঃ ForexFactory PPI m/m: বুধবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। এই নিউজে তৈরিকৃত দ্রব্যাদির মূল্য ও সেবা প্রদানের মূল্য প্রকাশ করা হয়। এটি দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে তাই এটি গুরুত্বপূর্ণ নিউজ। এইবার এর ফলাফল বেড়ে ০.৬% আস্তে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। বিস্তারিতঃ ForexFactory FOMC Meeting Minutes: বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। যেহেতু এফওএমসি এর সাথে ইন্টারেস্টের হারের সম্পর্ক রয়েছে তাই মার্কেটে এর ব্যাপক প্রভাব লখ্য করা যায়। বিস্তারিতঃ ForexFactory Unemployment Claims: বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। এই নিউজ দ্বারা গত সপ্তাহে কতজন আনএমপ্লয়মেন্ট ভাতার জন্য নথিভুক্ত হয়েছে তার হিসেব প্রকাশ করা হয়। এই সপ্তাহে 335K (৩৩৫০০০) আশা করা হচ্ছে। এর কম আসলে কারেন্সি শক্তিশালী হবে। বিস্তারিতঃ ForexFactory Existing Home Sales: শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। গত মাসে কতসংখ্যক বাড়ি বিক্রি হয়েছে তার মাসিক হিসাব এই নিউজে প্রকাশ করা হয়। সাধারণত পরবর্তী মাসের ২০ তারিখের পর এই নিউজ আসে। এই বার এর পরিমাণ ৪.৭৩ মিলিয়ন আসবে বলে ধারনা করা হচ্ছে যা পূর্ববর্তী মাসের চাইতে কম। বিস্তারিতঃ ForexFactory সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ অত্যাধিক ঝুঁকি নিয়ে নিউজ ট্রেড করা অসংখ্য ট্রেডিং অ্যাকাউন্টের অকাল মৃত্যুর অন্যতম কারণ।
  11. এটা এক ধরণের টেকনিক্যাল ট্রেডিং স্ট্রাটেজি। যেহুতু আমরা ০০ লেভেলকে টার্গেট করে ট্রেড করবো, তাই এটা কোন চার্ট, টাইম বা সেশনের ওপর নির্ভর করবে না। হাই ইম্প্যাক্ট নিউজের সময় ট্রেড না করাই ভালো। আমি মূলত EURUSD, GBPUSD, AUDUSD এই ৩টি পেয়ার ট্রেড করি এই নিয়মে। অন্যান্য পেয়ার টেস্ট করে দেখা হয়নি।
  12. ইউরো/ডলার গত সপ্তাহে পজিটিভ ছিল, মারিও দ্রাঘির বক্তব্য এবং আপট্রেন্ডে ফিরে যাওয়া গত সপ্তাহের উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল। নতুন সপ্তাহে ইসিবি প্রেসিডেন্ট মার্কেট সম্পর্কে বানী প্রকাশ করবে ও কিছু ইম্পরট্যান্ট জিডিপি রেজাল্ট রয়েছে। চলুন দেখে নেই আগামী সপ্তাহে কি কি গুরুত্বপূর্ণ নিউজ রয়েছে। ইসিবি রেট অপরিবর্তিত অবস্থানে রেখেছে এবং মারিও দ্রাঘি এ সম্পর্কে নীরব বক্ত্যব্য দিয়েছেন। এখন দেখার বিষয় হল মার্চ মাসে কি ফলাফল আসে ও তার উপর ভিত্তি করে পরিবর্তন হতে পারে। ফ্রেঞ্চ ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশান (French Industrial Production): সোমবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টায় এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। ফ্রেঞ্চ ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টর বেড়ে ১.৩% দাঁড়ায় নভেম্বরে যা কিনা অক্টবরে ০.৫% ছিল। বাৎসরিক হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশান নভেম্বরে ১.৫% এ দাঁড়ায় পূর্বের রেজাল্ট হতে ১.৬% বেশি।এই বার ফ্রেঞ্চ ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশান -০.১% হবে আশা করা হচ্ছে। বিস্তারিতঃ ForexFactory ইতালিয়ান ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশান (Italian Industrial Production): সোমবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। ইতালিয়ান ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশান পূর্ববর্তী নভেম্বরের তুলনায় গত নভেম্বরে ১.৪% বেড়ে যায়। আনাল্যসিস এক্সপার্টরা ধারনা করছেন যে ২০১৪ সালে রপ্তানি হবে ইতালির উন্নতির হাতিয়ার। যদিও ইতালি শেষ মেশ উন্নতি করতে শুরু করছে কিন্তু তার হার খুবই কম ও এই বার ইতালিয়ান ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশান এর ফলাফল অপরিবর্তিত থাকবে। বিস্তারিতঃ ForexFactory সিন্টিক্স ইনভেস্টর কনফিডেন্স (Sentix investor confidence): সোমবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩.৩০ মিনিটে এই রিপোর্টটি প্রকাশিত হবে। এনালিস্টরা ইউরোজোনের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে খুবই আশাবাদী হয়ে উঠে যখন জানুয়ারিতে ১১.৯ রিলিজ হয় যা কিনা গত ডিসেম্বরে ৮ ছিল। তবে এই সপ্তাহে ১০.৩ আসবে বলে ধারণে করা হচ্ছে। বিস্তারিতঃ ForexFactory ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশন (Industrial Production): বুধবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ৪টায় এই নিউজটি প্রকাশিত হবে। ইউরো Industrial Production নভেম্বরে ১.৮% এ উন্নীত হয় যদিও আশা ছিল তা ১.৬% হবে। বাৎসরিক হিসাবে নভেম্বরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশান ৩.০% বেড়েছে, এইবার তা -০.২% আশা করা হচ্ছে। বিস্তারিতঃ ForexFactory মারিও দ্রাঘির বক্তব্য (Mario Draghi speaks): বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯.৩০ টায় মারিও দ্রাঘি ব্রাসেলসে তার বক্ত্যব্য রাখবেন ইসিবির ডিসিশান ও মুদ্রাস্ফীতির ব্যাপারে। মার্কেটে অনেক ভলাটাইলিটি আশা করা হচ্ছে। বিস্তারিতঃ ForexFactory ইসিবি মাসিক বুলেটিন (ECB Monthly Bulletin): বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় এই রিপোর্টটি প্রকাশিত হবে। জানুয়ারি মাসের ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের মাসিক বুলাটিন হতে বুঝা গিয়েছিল যে ইউরোর ধীর মুদ্রাস্ফীতি আস্তে আস্তে সময়ের সাথে সাথে বাড়বে। তবে ইসিবি এই ব্যাপারে এবিস্তারিতঃ ForexFactoryকটি পলিসি অনুসরণ করবে যতদিন ইউরোজোনের উন্নতির স্বার্থে প্রয়োজন। বিস্তারিতঃ ForexFactory প্রিলিমিনারি জিডিপি ডাটা (Preliminary GDP data): ইউরোজোনের জিডিপি খুবই ধীর গতিতে বাড়ছে যা কিনা প্রমান করে যে ইউরোজোন এখনও তার আনিমপ্লয়মেন্ট সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। আশা করা হচ্ছে যে এইবার ইউরোজোনের জিডিপি ০.২%, ফ্রেঞ্চের ০.২%, জার্মানির ০.৩% ও ইতালির ০.১% বাড়বে। বিস্তারিতঃ French Prelim GDP q/q German Prelim GDP q/q Italian Prelim GDP q/q ফ্রেঞ্চ নন-ফার্ম পেরোল (French Non-Farm Payrolls): শুক্রুবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১.৪৫ এ এই নিউজটি প্রকাশিত হবে।ফ্রেঞ্চ নন-ফার্ম পেরোল তৃতীয় ত্রৈমাসিকে কমেছে এবং ফলাফল এনালিস্টদের অনুমানেই এসেছে। সার্ভিস সেক্টরে তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ৫৩০০ বেড়েছে ও এইবার ফ্রেঞ্চ নন-ফার্ম পেরোল -০.১% আসবে বলে আশা করা যায়। বিস্তারিতঃ ForexFactory ইউরো/ডলারের সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স সহ ডেইলি চার্টঃ সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ অত্যাধিক ঝুঁকি নিয়ে নিউজ ট্রেড করা অসংখ্য ট্রেডিং অ্যাকাউন্টের অকাল মৃত্যুর অন্যতম কারণ।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×