Jump to content
  • Announcements

    • তানভীর™

      বিডিপিপসের নতুন ভার্সনে সবাইকে স্বাগতম   বৃহস্পতিবার 18 জানু 2018

      বিডিপিপসের নতুন ভার্সনে সবাইকে স্বাগতম। বিডিপিপসে বেশ কিছু নতুন পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং নতুন করে আপডেট করা হয়েছে। ফোরাম ব্যবহার করতে গিয়ে কোন নতুন সমস্যায় পরলে মডারেটরদের অবহিত করুন। এবং এখন থেকে ফোরামে ডিসপ্লে নেম পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে। যে ইউজারনেম দিয়ে লগিন করছেন, সেই ইউজারনেমই ফোরামে দেখানো হবে। তাই ইউজারনেম/ডিসপ্লে নেম আপনার অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে আপডেট করে নিতে পারেন।

shopnil

Moderators
  • Content count

    323
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    69

shopnil last won the day on January 19

shopnil had the most liked content!

Community Reputation

515 Excellent

About shopnil

  • Rank
    মডারেটর

Profile Information

  • Gender
    Male
  • লোকেশন
    ঢাকা
  • Interests
    ফরেক্স, MQL প্রোগ্রামিং
  1. http://www.atelor.fr/

  2. একসময় জার্মানি, ফ্রান্সে, ইতালিরও নিজস্ব মুদ্রা ছিল। ফরেক্স ট্রেডারদের ট্রেড করার মত অনেক কারেন্সি পেয়ারও ছিল। তারপর ইউরো এল। দেশগুলোর নিজস্ব কারেন্সিগুলো বাতিল হল, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো চাইলেই ইচ্ছেমত কারেন্সি ছাপাবার ক্ষমতা হারাল। ইউরোপের বনেদি দেশগুলোর বনেদি কারেন্সি ইউরো খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় কারেন্সিতে পরিনত হল। EUR/USD হয়ে উঠল ফরেক্সের সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার। আপনি সবসময় EUR/USD ট্রেড করেন। কিন্তু, ইউরো সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন? জানেনকি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত হওয়ার পরেও কেন ডেনমার্ক, পোল্যান্ড ইউরো ব্যবহার করে না? জানেনকি ইউরোর দরপতনের উত্থান পতনের পেছনে প্রধান কারনগুলো কি কি? ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ২৭ টি দেশের মধ্যে (ব্রেক্সিটের কারনে UK কে বাদ দিয়ে ধরে) ১৯ টি দেশের প্রধান কারেন্সি হচ্ছে ইউরো। এই ১৯ টি দেশের তালিকা একটু পরে দিচ্ছি, তবে কয়েকটি বাদে গুরুত্বপূর্ন সবগুলো দেশই ইউরো ব্যবহার করে। যেমন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ড, স্পেন ইত্যাদি। এই সবগুলো দেশেরই আগে নিজস্ব কারেন্সি ছিল। তবে, ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারী ইউরো প্রচলনের পরে ইউভুক্ত এই দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করা শুরু করে। ইউভুক্ত যে দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করে, তাদেরকে একত্রে ইউরোজোন বলে ডাকা হয়। যে ১৯ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, সাইপ্রাস, এস্টোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুইনিয়া, লুক্সেম্বার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন যে ৮ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে নাঃ বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, হাঙ্গেরি, পোলান্ড, রোমেনিয়া ও সুইডেন এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, এই ৮ টি দেশ কেন ইউরো ব্যবহার করে না? UK কে ধরলে যা আগে ৯ ছিল। ১৯৯২ সালের Maastricht Treaty অনুযায়ী সকল ইউ সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ইউরো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু, সে সময়েই ডেনমার্ক ও ইউকে বিশেষ অব্যাহতি লাভ করে। আর বাকি ৭ টি দেশই এর পরে ইউতে যোগ দেয়। সাধারণত ইউতে যোগ দেয়ার পর প্রথম ২ বছর দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পর্যবেক্ষন করে ইউরো ব্যবহার চালু করার কথা। কিন্তু, ইউ এখন পর্যন্ত এই দেশগুলোকে ইউরো ব্যবহারে বাধ্য করার জন্য তেমন একটা চাপ দেয়নি। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বা ইউ গঠনের সময় বড় দেশগুলোর, বিশেষ করে জার্মানি ও ফ্রান্সের একটা গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এই দুটো দেশ, বিশেষ করে জার্মানি বিশ্বের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশ ছিল। অর্থনীতি খুব শক্তিশালী হওয়ায় স্বভাবতই জার্মানির কারেন্সি ডয়েচে মার্ক ছিল অনেক শক্তিশালী, যেটা রপ্তানীকারক যেকোন দেশের জন্য সমস্যা। কেননা, তাতে পণ্যের মূল্য বেড়ে যায় কারেন্সির উচ্চ মূল্যের কারনে। আবার, একার পক্ষে জার্মানি বা ফ্রান্স কারো পক্ষেই সম্ভব না ডলার বা পাউন্ডের মত জনপ্রিয় করা নিজেদের কারেন্সিকে, যেটা বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করার জন্য খুবই জরুরি। তাই, তাদের মাথায় এল যে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সবগুলো দেশের জন্য যদি একটি কারেন্সি চালু করা যায়, তাহলে এক ঢিলে কয়েকটি পাখি মারা যাবে। প্রথমত, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে অনেক তুলনামুলক দুর্বল দেশও থাকবে। যেহেতু, সবগুলো দেশের একটাই কারেন্সি থাকবে, তারমানে হচ্ছে সবগুলো দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির উপর ইউরোর মূল্যমান নির্ভর করবে। সেক্ষেত্রে, জার্মানির অর্থনীতি খুব শক্তিশালী পর্যায়ে চলে গেলেও, ইউরো ততটা শক্তিশালী হবে না। ফলে, রপ্তানীতে জার্মানি একটা অদ্ভুত সুবিধা লাভ করবে, শক্তিশালী কারেন্সি কিন্তু দুর্বল অর্থনীতি। আবার, ইউরো জার্মানির কারেন্সি থেকে দুর্বল হলেও ইউভুক্ত দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলোর কারেন্সি থেকে শক্তিশালী হবে। একই কারেন্সিতে পুরো ইউরোপজুরে ব্যবসা হলে, স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলো জার্মান বা ফ্রান্সের কোম্পানিগুলোর সাথে প্রোডাক্টের গুনগতমানে পেরে উঠবে না, আবার চাইলেও নিজেদের কারেন্সিকে দুর্বল করে পন্যের মূল্য কমাতে পারবে না। ফলে, আস্তে আস্তে জার্মানি বা ফ্রান্স ইউ এর সামগ্রিক অর্থনীতি দখল করে নেবে। আরও সুবিধা আছে,, জার্মানি নিজে একা চাইলে অন্য কোন দেশ তার সাথে ডয়েচে মার্কে ট্রেড করবে না, কিন্তু, যদি ইউভুক্ত এতগুলো দেশ যদি বলে যে, আমার সাথে ব্যবসা বানিজ্য করতে হলে ইউরোতেই করতে হবে, ডলারে বা পাউন্ডে না, তখন তা করতে অন্য দেশগুলো বাধ্য। শুধু বুদ্ধি করে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে হবে। তাহলেই, নিজেদের সুবিধামত ব্যবসা বানিজ্য করা যাবে। তাছাড়া, ইউ এর ছোট বড় সবগুলো দেশেরই একটা অভিন্ন সুবিধা ছিল যে, এর ফলে আর দেশগুলোর বার বার কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করার ঝামেলা পোহাতে হবে না। ইউরোপের মধ্যে আগে থেকেই দেশগুলো নিজেদের মধ্যে অনেক বেশি ব্যবসা বানিজ্য করত। এক কারেন্সি ব্যবহার করলে ইউরোপের ভেতরে ব্যবসা বানিজ্য আরো দ্রুত, সহজতর ও নিরাপদ হবে। কেননা, ইউরোর দাম যতই বাড়ুক কমুক না কেন, ইউরোপের ভেতর তো তার প্রভাব তেমন পড়বে না। ইউরোপের ভেতরের কোন কোম্পানি তার পণ্যের উৎপাদনের জন্য কাচামাল ইউরোপের ভেতর থেকেই বেশি কিনবে। কেননা, বাইরে থেকে কিনলে কারেন্সি এক্সচেঞ্জের ব্যয় ও ঝামেলা যেমন আছে, তেমনি কারেন্সিগুলোর ক্রমাগত উত্থান পতনের জন্যে কাচামালের দামও ক্রমাগত উঠানামা করবে। যেটা ইউরোজোনের মধ্যে মোটামুটি সবসময় স্থিতিশীল থাকবে। বলা বাহুল্য, এই পরিকল্পনা পুরোপুরি কাজে দেয়। আর এজন্যেই জার্মানি, চীনের এই বিশাল উত্থানের পরেও আজও বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানীকারক দেশ এবং খুবই শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অর্থনীতির অধিকারী। ফ্রান্স তার পরিকল্পনামত সাফল্য না পেলেও, ইউরোর সুবিধামত ঠিকই ভোগ করছে ইউরোর দুর্বল মূল্যমানের কারনে। অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ইতালি, গ্রীস। বিশেষ করে, গ্রীসের জনগণ ইউরোর উপর ত্যক্ত বিরক্ত ও নিজেদের অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে চাইছে। অন্য সব কারেন্সির তুলনায় ইউরোর উত্থান পতনের পেছনে তাই শুধুমাত্র একটি দেশ নয়, ইউরোজোনের সবগুলো দেশেরই ভুমিকা আছে। আর তাই, ইউরো ট্রেড করতে হলে আপনাকে শুধু জার্মানি বা ফ্রান্স নয়, সবগুলো দেশের অর্থনীতির হালচালের উপরই কমবেশি খেয়াল রাখতে হবে। ইউরোজোনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইসিবির উপর নজর রাখতে হবে। তবে, অসুবিধা যেমন আছে, সুবিধাও আছে। অনেক ফরেক্স ট্রেডার ইউরো শুধু সেল করেন যখন ইউরো শক্তিশালী হয়, কখনো বাই করেন না। কেননা, ইউরো তখনই শক্তিশালী হয়, যখন ইউরোজোনের সামগ্রিক অর্থনীতি ভালো থাকে। আর দুর্বল হওয়ার জন্য শুধুমাত্র একটি সদস্যরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বিপর্যস্ততাই যথেষ্ট। তাই, অভিজ্ঞ ফরেক্স ট্রেডার মাত্রই বুঝেন যে, ইউরো খুব শক্তিশালী হওয়া মানেই হচ্ছে ইউরো সেল করার আর প্রফিট করার সময় চলে এসেছে। আর এটাই ফরেক্স ট্রেডারদের মাঝে ইউরোর এত জনপ্রিয়তার প্রধান রহস্য, এর স্থিতিশীলতা। ইউরো গঠনের ইতিহাস থেকেই বুঝতে পারছেন যে, এর পেছনের প্রধান উদ্যোক্তা জার্মানি বা ফ্রান্স কখনোই চাবেনা ইউরো খুব শক্তিশালী হোক। আর এটাও চাবেনা যে খুব বেশি দুর্বলও হয়ে পড়ুক। তাই, পাউন্ড বা ইয়েনের মত অস্বাভাবিক উত্থান পতন ইউরোর কমই হয়। এতগুলো দেশের অর্থনীতির খবর রাখার ঝামেলা, নাকি ইউরোর এই অদ্ভুত স্থিতিশীলতা, কোনটি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ন? আপনার সুবিধা অনুসারে এখন আপনি নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন, আপনি ইউরো ট্রেড করবেন কি না! কোন কোন ঘটনা বা ইভেন্টের কারনে ইউরো বা এর সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার EUR/USD সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়, তা নিয়ে আলোচনা করব আরেকদিন। আপনি নিয়মিত ইউরো ট্রেড করে থাকলে আরো পড়ুনঃ ECB – ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক কি? ফরেক্স মার্কেটে ইসিবির প্রভাবই বা কি?
  3. ফরেক্স মার্কেটে যদি আপনি দীর্ঘদিন ধরে ট্রেড করে থাকেন, তবে সম্ভবত আপনার সবচেয়ে লাভের এবং লসের ট্রেডটি পাউন্ডের কোন পেয়ারের। হ্যাঁ, পাউন্ড হল সবচেয়ে ভোলাটাইল কারেন্সিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। ঐতিহাসিক ভাবেও পাউড কারেন্সিটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ অবস্থান দখল করে আছে। ফরেক্স ট্রেড করতে হলে শুধু প্রাইস কোনদিকে বাড়ছে বা কমছে তা জানাই শুধু গুরুত্বপূর্ণ নয়, সাথে সাথে আপনি যে দুটি কারেন্সি বা মুদ্রা নিয়ে ট্রেড করছেন, সেগুলো সম্পর্কে জানাও বেশ জরুরী। গত আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে ডলার আদ্যোপান্ত নিয়ে। আজকের লেখায় আমরা জানবো পাউন্ড কি, পাউন্ড সম্পর্কে বিস্তারিত এবং কি কি বিষয় পাউন্ডকে প্রভাবিত করে। পাউন্ড কি? পৃথিবীতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মুদ্রা হচ্ছে ব্রিটিশ পাউন্ড। ব্রিটিশ পাউন্ডকে “পাউন্ড স্টারলিং” ও বলা হয়। পাউন্ড বিশ্বের চতূর্থ সর্বোচ্চ ট্রেড হওয়া মুদ্রা এবং তৃতীয় বৃহত্তম রিজার্ভ কারেন্সি। এর পূর্ণরুপ Great Britain Pound বা সংক্ষেপে GBP নামে পরিচিত। পাউন্ড সংশ্লিষ্ট কারেন্সি পেয়ারগুলোকে আমরা GBP/XXX অথবা XXX/GBP এভাবে দেখতে পাই। আসুন, পাউন্ড সম্পর্কে আরো জানি অর্থনীতির ইতিহাসে পাউন্ডের গুরুত্ব রয়েছে অনেক। একটা সময় ছিলো যখন পাউন্ডই ছিলো বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুদ্রা। কিন্তু বর্তমান মার্কেটের আন্তর্জাতিক ট্রেড এবং অ্যাকাউন্ট বিবেচনায় পাউন্ডের সেই অবস্থান দখল করেছে মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ এবং ব্রিটিশ সম্রাজ্য ভেঙ্গে পড়ার ফলশ্রুতিতে ১৯৪০ সালে পাউন্ড তার শ্রেষ্ঠত্ব হারায়। এরপর ধাপে ধাপে পাউন্ড বিভিন্ন সময় অর্থনৈতিক দুরাবস্থায় পড়ে। হেজ ফান্ড এবং কারেন্সি এক্সচেঞ্জের ইতিহাসেও পাউন্ড গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রেখেছে। ১৯৯০ সালে বৃটেন ইউরোপিয়ান এক্সচেঞ্জ রেট মেকানিজমে যোগ দেয় এই প্রত্যাশায় যে এটি এক্সচেঞ্জ রেটের সমস্ত অনিশ্চয়তা দূর করতে সক্ষম হবে এবং একটি মাত্র কারেন্সি ব্যবহারের পথ সুগম করবে। দুর্ভাগ্যবশত এই পদ্ধতির মাধ্যমে আশানুরূপ সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়নি এবং পাউন্ড বিভিন্ন দিক থেকে চাপের মুখে পড়ে। এ সময়ে বিখ্যাত কারেন্সি বিশেষজ্ঞ জর্জ সরোস বলেন যে পাউন্ডের এই রেট টিকবে না এবং অনেকেই তখন বিপুলভাবে পাউন্ড শর্ট করেন। এবং পাউন্ডও ইতিমধ্যে এই সিস্টেম থেকে বেরিয়ে আসে যা Black Wednesday নামে পরিচিত। জর্জ সরোস একাই ১ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমান লাভ করেন সেই ঘটনার কারণে। সম্প্রতি ব্রেক্সিটের কারনেও পাউন্ড বিপুলভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। ফরেক্স মার্কেটের সকল গুরুত্বপূর্ণ কারেন্সির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে তাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তেমনি পাউন্ড মূলত নিয়ন্ত্রিত হয় ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক - ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের মাধ্যমে। মুদ্রাস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রন সব কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডও সর্বদা চেষ্টা করে যাচ্ছে মুদ্রাস্ফীতির হার ২% এ বজায় রাখতে। যে বিষয়গুলো পাউন্ডকে প্রভাবিত করে যেই সাধারন অর্থনৈতিক বিষয়গুলো ডলারকে প্রভাবিত করে, সেগুলোর বেশিরভাগই অন্যান্য কারেন্সিগুলোকেও প্রভাবিত করে। পাউন্ডও এর ব্যাতিক্রম নয়। ট্রেডিংয়ের জন্য ট্রেডাররা পাউন্ডের অর্থনৈতিক ডাটা বা রিপোর্টগুলকে খুব গুরুত্বের সাথে নেয়। সুদের হার বা ইন্টারেস্ট রেটের পরিবর্তন, জিডিপি, রিটেইল সেলস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশন, মুদ্রাস্ফিতি এবং ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্টগুলো এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হয়। এছাড়া Employment রিপোর্টগুলো যেমন কি পরিমান নতুন চাকরী হচ্ছে, বেকারত্বের হার ইত্যাদি রিপোর্টগুলোও মার্কেটে প্রভাব ফেলে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বক্তব্য মার্কেটে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। পাউন্ড ট্রেডিং করার সময় এ সকল বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে। রিজার্ভ কারেন্সির দিক থেকে পাউন্ডের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। বর্তমানেও বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী কারেন্সি হিসেবে পাউন্ড মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে। জনসংখ্যা এবং আকারের দিক থেকে খুব বড় না হলেও ব্রিটেন বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর একটি এবং বিশ্ব নেতৃত্বের দিক থেকেও অন্যতম। ভোলাটাইল কারেন্সি হিসেবে পরিচিত হলেও ডলারের শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে পাউন্ডের অবস্থান নিঃসন্দেহে সুদৃঢ়। পরবর্তীতে আমরা আলোচনা করবো কোন ৫ ধরনের নিউজ পাউন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে।
  4. এরকম কোন ক্যালকুলেটরের কথা জানা নেই। তবে, আপনি চাইলে একটি ডেমো অ্যাকাউন্ট খুলে তা http://myfxbook.com এ কানেক্ট করে রাখতে পারেন।
  5. ধরুন, আপনি মাছের ব্যবসা করবেন। এখন, কি মাছ চাষ করবেন, তা সম্পর্কেই যদি ভালোমত না জানেন, তাহলে কি কখনও লাভ করতে পারবেন? তাহলে, ফরেক্স ট্রেডিং করতে গিয়ে যদি ডলার, ইউরো বা পাউন্ডসহ প্রধান কারেন্সিগুলো সম্পর্কে ভালো করে না জানেন, তাহলে তো সেই মাছের ব্যবসার মতই লস খাবেন। কারন, প্রতিটি কারেন্সিরই কিছু নির্দিস্ট বৈশিষ্ট রয়েছে, প্রত্যেকটি কারন্সি অন্যগুলো থেকে অনন্য। কারেন্সিগুলোর সাথে যত বেশি পরিচিত হবেন, যত বেশি জানবেন, ততই ফরেক্স মার্কেটের অবাক করা অপ্রত্যাশিত মার্কেট মুভমেন্টগুলো আস্তে আস্তে আপনি আগে থেকেই অনুমান করতে পারবেন। বিডিপিপসে ইতিমধ্যেই প্রধান সব কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ে আলাদাভাবে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এবার আলোচনা করা হবে প্রধান কারেন্সিগুলো নিয়ে। আর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত আর জনপ্রিয় কারন্সি যেহেতু ডলার, তাই ডলার সম্পর্কে প্রত্যেক নতুন ফরেক্স ট্রেডারের যা যা জানা উচিত তাই নিয়ে এই পোস্টে আলোচনা করা হয়েছে। ডলার কি? ডলার কি সেটাতো আমরা সবাই জানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কারেন্সি বা মুদ্রা। মজার বিষয় হচ্ছে, অনেকগুলো দেশের কারেন্সির নামের মধ্যে কিন্তু ডলার আছে, যেমনঃ অস্ট্রেলিয়ান ডলার, নিউজিল্যান্ড ডলার, কানাডিয়ান ডলার। তাহলে, আমেরিকার কারেন্সির নাম আমেরিকান ডলার না হয়ে শুধু ডলার হল কেন? মজার একটা প্রশ্ন, উত্তরটা কি আপনার জানা আছে? আসুন, ডলার সম্পর্কে আরো জানি ফরেক্স মার্কেটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা কোনটি, এ প্রশ্নটি যদি করা হয়, তবে তার উত্তর হবে ডলার। ডলার বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুদ্রা। বিশ্ব মার্কেটে যত মুদ্রা লেনদেন করা হয় তার কিন্তু প্রায় অর্ধেকই হয় ডলারের মাধ্যমে।বাংলাদেশ আমেরিকার থেকে কিছু কিনবে? ডলারে কিনতে হবে। কিছু বিক্রি করবে? তাও, সেই ডলারেই বিক্রি করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র বাদ দিন, ভারতের সাথে কেনাকাটা করতেও ডলারই ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশের টাকা বা ভারটের রুপি না। কেন? ডলার বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে একমাত্র স্বীকৃত মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আপনি আপনার চারিপাশে তাকালেই ডলারের প্রভাব দেখতে পাবেন। ধরুন আপনি বাংলাদেশ থেকে ভ্রমন করতে ইন্ডিয়া অথবা নেপাল যাবেন। আপনি কিন্তু সরাসরি ইন্ডিয়ান বা নেপালি রুপি নিতে পারবেন না। আপনাকে বাংলাদেশ থেকে ডলার কিনে নিয়ে যেতে হবে। তারপর সে দেশে গিয়ে ঐ দেশের মুদ্রায় রুপান্তর করতে হবে। এভাবে আপনি যে দেশেই যান না কেন, ডলার কারেন্সিটি সর্বজন স্বীকৃত। তাছাড়া বিশ্বের অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সে কারণে স্বাভাবিকভাবেই ডলারও মার্কেটে প্রায় সবসময় শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে থাকে। ডলারের এত বুহুল ব্যবহারের পেছনে শুধু অর্থনীতিক শক্তিই না, রাজনৈতিক প্রভাবও আছে। আর সেকারনেই চীনের অর্থনীতি এখন যুক্তরাষ্ট্রের মতই শক্তিশালী হলেও ইউয়ান কিন্তু কোথাও সেভাবে ব্যবহৃত হয় না। আর একারনেই ডলার অনন্য। তবে ডলারের অবস্থান আগে এতটা শক্তিশালী ছিলো না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পূর্ববর্তী সময়ে ব্রিটিশ পাউন্ডের অবস্থান খুব শক্তিশালী ছিল। তবে ব্রিটিশ পরাশক্তি দুর্বল হওয়ার সাথে সাথে যুদ্ধ পরবর্তী অর্থনৈতিক অবস্থা ডলারের উপর নির্ভরশীল হতে থাকে এবং পরবর্তী সময়ে ধারাবাহিকভাবে ডলারের গুরুত্ব বাড়তে থাকে। যে বিষয়গুলো ডলারকে প্রভাবিত করে ফরেক্স মার্কেটে এক্সচেঞ্জ রেট বা বিনিময়ের হার ভবিষ্যতে কোনদিকে যাবে তা ধারনা করার জন্য অনেকভাবেই অ্যানালাইসিস করা হয়। এগুলো সুদের হার, প্রাইস লেভেল ইত্যাদি আরও অনেক কিছুর ভিত্তিতে অ্যানালাইসিস করা হয়। এ বিষয়গুলো মার্কেটে সরাসরি প্রভাব না ফেললেও, ট্রেডাররা এ বিষয়গুলোকে বিবেচনা করে থাকে ট্রেডের সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়। তাই মার্কেটে এই বিষয়গুলো ভালো প্রভাব ফেলে। অন্যভাবে বলতে গেলে, ফরেক্স মার্কেটে কারেন্সিগুলো আর দশটা পণ্যের মতই আচরন করে। ডিমান্ড এবং সাপ্লাইয়ের ব্যাপারগুলো প্রাইস বাড়তে-কমতে প্রভাব ফেলে। বিশ্বব্যাপী ডলার কেন্দ্রীক ব্যবসায়িক লেনদেনগুলোই প্রধানত ডলারের চাহিদা নিয়ন্ত্রন করে, যেহুতু ব্যবসায়িরা ডলারের মাধ্যমেই তাদের ব্যবসার লেনদেনগুলো করে থাকে। অর্থনৈতিক বিভিন্ন ডাটার মাধ্যমেও মুদ্রার বিনিময় হার প্রভাবিত হয়। প্রতিনিয়তই দেশের অর্থনীতি সংক্রান্ত বিভিন্ন রিপোর্ট, স্ট্যাটিস্টিক্স,ডাটা প্রকাশিত হয় যা দেশের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা বোঝা যায়। এই ডাটাগুলোর ফলাফল আমেরিকার অর্থনীতির ইতিবাচক বা নেতিবাচক যেই অবস্থা নির্দেশ করে, তার কারনেও ডলার প্রভাবিত হয়। তাই ট্রেডারদের এ ধরনের নিউজ, ডাটা, রিপোর্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে যেমন - NFP (নন ফার্ম পে রোল রিপোর্ট), বেকারত্ব হারের রিপোর্ট, জিডিপি, ট্রেড ব্যালেন্স, মুদ্রাস্ফিতি ইত্যাদি। এ ধরনের বিষয়গুলো সম্পর্কে ট্রেডাররা ইন্টারনেটে যথেষ্ট পরিমান তথ্য এবং অ্যানালাইসিস পেতে পারে যা তাদের ট্রেডিং করতে আরও সহায়তা করবে। এছাড়া কেন কোন নির্দিষ্ট ডাটার ফলাফল ভাল বা খারাপ আসলো, ভবিষ্যতে কেমন হতে পারে, এসব সম্পর্কেও ট্রেডাররা এসব অনুসরন করলে জানতে পারবে। ২০১১ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতীক স্বচ্ছলতা এবং ক্রমগত ঋণ এবং বাজেট ঘাটতির ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য প্রদানের অক্ষমতার কারনে মার্কিন ডলারের উপর কিছুটা প্রভাব পড়ে। কংগ্রেস তখন সুষম বাজেট এবং ঋণ কমানোর ব্যাপারে যথেষ্ট গুরুত্ব প্রদান করে, তবে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন খাতে অত্যাধিক খরচ এবং বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানকে তরান্বিত করার জন্য অর্থের সহজ নীতিমালা ডলারকে দুর্বল করে ফেলে। সে সময়ে গোল্ড অনেক শক্তিশালী হয়। বিশ্বের ভালো-মন্দ নানা ঘটনার দ্বারাও মার্কিন ডলার প্রভাবিত হয়ে থাকে। আমরা অতীত ইতিহাসের দিকে লক্ষ করলে দেখতে পাই , বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিরাজমান নানা বিশৃঙ্খলা যেমন, যুদ্ধ, রাজনৈতীক বা অর্থনৈতীক অস্থিরতা মার্কিন ডলারকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা পালন করে। অপরপক্ষে, বিশ্বের অবস্থা যখন শান্তিপূর্ণ থাকে তখন ট্রেডাররা আমেরিকার অর্থনীতির অবস্থা আরও ভালোভাবে পর্যবেক্ষন করে এবং প্রয়োজনে তারা ডলারের বিকল্প মুদ্রার দিকে ধাবিত হয়।
  6. অাইনজীবী (Lawyer)

    That's a real good news. Bdpips is missing you! I wish you the best for your career! And also, Happy Trading!!
  7. পূর্বে আমরা বিডিপিপসে বিখ্যাত প্রাইস অ্যাকশন ট্রেডার নায়াল ফুলারের ইন্টার্ভিউ এবং তার কিছু লেখা প্রকাশ করেছিলাম। ট্রেডাররা সেই লেখাগুলো খুব পছন্দ করেছিল। তাই নায়াল ফুলারের আরেকটি লেখা বাংলায় রুপান্তর করা হল। আশা করছি সবার ভালো লাগবে। বাংলা অনুবাদটি আপনাদের সুবিধার্থে কিছুটা পরিমার্জিত ও সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। অনুবাদে সহায়তা করেছেন নাসা। Nial Fuller Collection: প্রফিটেবল ট্রেডেররা কি করে? ৯৯% সময়ে তারা কিছুই করে না অধিকাংশ ট্রেডাররাই ফরেক্স মার্কেটে সুবিধা করতে না পেরে আর্থিক ভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ঠিক কী কারণে এমনটা হয়? উত্তরটা খুব সহজ। তারা খুব বেশি ভাবে, খুব বেশি কাজ করে, চার্টের দিকে খুব বেশি তাকায়, খুব বেশি রিস্ক নেয় এবং খুব বেশি বেশি … (আপনিই বলুন, আর কি কি হতে পারে?) হাস্যকর হলেও সত্য যে, সবচেয়ে সফল ট্রেডার এবং বিনিয়োগকারীগণ প্রকৃতপক্ষে তাদের বেশীরভাগ সময় কিছুই করেনা। বরং তারা ৯৯% সময়ই ব্যয় করেন ট্রেড করার বদলে মার্কেটের সার্বিক অবস্থা বিচার বিশ্লেষণে এবং অপেক্ষায় থাকেন সবচেয়ে ভালো সুযোগের। তারা কখনোই বাজারের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা না করে কোন ট্রেড করেননা। বরং ট্রেড ওপেন করা বা ম্যানেজ করার ক্ষেত্রে তারা মাত্র ১% সময় ব্যয় করেন। আপনার বেলায় কি হয়? আপনি কি উল্টোটা করেন? অর্থাৎ, ৯৯% সময় ব্যয় করেন ট্রেড করার পেছনে আর ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে পারেন মাত্র ১% সময়? আপনি যদি আমার “স্নাইপার ট্রেডিং এপ্রোচ” বা “কুমিরের থেকে যেভাবে আমরা ট্রেডিং শিখতে পারি”, এই আর্টিকেলগুলো পড়ে থাকেন, তাহলে জানেন যে আমি কম ট্রেড করি কিন্তু হাই প্রবাবেলিটি ট্রেড (যে ট্রেড গুলোতে জেতার সুযোগ অনেক বেশি) করি। তো ট্রেড করার ক্ষেত্রে আপনিও কেন আমার মত করে ট্রেড করতে পারেন? নিচের অংশটা পড়লেই বুঝতে পারবেনঃ “শিকার” ধরার জন্য আপনাকে অনেক অপেক্ষা করতে হবে ব্যবসায় সফল হওয়ার ক্ষেত্রে কুমিরের কাছে আমাদের অনেক কিছু শিখার আছে। সে ঘন ঘন শিকার করেনা, কিন্তু যেগুলোই করে দৃঢ় প্রত্যয়ে এবং নিখুঁতভাবে করে। কুমিরের এই শিকার নীতি আ্মাদের শেখায় কীভাবে ব্যবসায় সফল হওয়া যায়। সুতরাং, চুড়ান্ত সফলতা অর্জনে কেন আপনি এই নীতি অনুসরণ করে অগ্রসর হবেন না! একটি কুমির যেমন তার শিকার ধরার জন্য অনেক সময় ব্যয় করে শিকারকে অনুসরন করে, ঠিক তেমনই একজন লাভবান ট্রেডার তার অধিকাংশ সময় ব্যয় করে ভালো ট্রেডিং অপরটুনিটিগুলোকে অনুসরন করতে। “শিকার” শব্দটি অপেক্ষা বা ধৈর্যধারনের সাথে ওতপ্রতভাবে জড়িত। আপনাকে ব্যবসায় করতে হবে একজন দক্ষ শিকারির মত, এবং সেটা অবশ্যই অন্যের হাতে শিকার হওয়ার জন্য নয়। বাংলায় যেটাকে আমরা বলতে পারি, আপনাকে ঝোপ বুঝে কোপ মারা জানতে হবে। আপনি কখনই চাইবেন না নিজেকে অন্য ট্রেডারদের শিকার বানাতে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে আপনি অন্যের শিকার না হয়ে একজন দক্ষ শিকারি হবেন? খুব সহজ! আপনাকে অবশ্যই, অবশ্যই এবং অবশ্যই ধৈর্য ধরতে হবে, ধৈর্যধারন করা শিখতে হবে। এজন্য আপনাকে “hurry up and wait” নীতি অবলম্বন করতে হবে। এর মানে হচ্ছে, অপেক্ষা করতে আপনার কোন সমস্যা নেই। কারন আপনি ভালোকরেই জানেন যে এতে আপনার নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ আসবে এবং আপনার এই গুন এর কারনেই আপনি মার্কেটে লাভ ও করতে পারবেন বেশি। ভালো ট্রেডিং সেটাপের জন্য আমার কয়েক দিন, সপ্তাহ বা মাস অপেক্ষা করতেও কোন আপত্তি নেই। কারনটা খুবই স্বাভাবিক। কারন, আমি জানিই যে বেশি বেশি ট্রেড করলেই মার্কেটে লস করতে হবে। বরং কম ট্রেডই পারবে আপনাকে প্রফিটেবল করতে। সময়ের সাথে সাথে এবং মার্কেটে যখন অভিজ্ঞতা বাড়ে, তখন প্রত্যেক ট্রেডারই এটা বুঝতে পারে। উদাহরণঃ ওয়ারেন বাফেট – যিনি কোন কিছু করা না, কোন কিছু না করার ওস্তাদ ওয়ারেন বাফেট ছিলেন এরকম একজন ব্যবসায়ী। আমি যখন কাউকে ট্রেড করা শেখাই, তখন যে উদাহরণগুলো দেই, তার মধ্যে সবচেয়ে পছন্দের হচ্ছে কিভাবে একজন স্নাইপার এর মতো ট্রেড করতে হবে। একজন মেশিনগানধারী তো সামনে যা পায়, তাতেই গুলি করতে থাকে। কিন্তু, একজন স্নাইপার অপেক্ষা করতে থাকে এবং যেনতেন শিকারকে গুলি না করে তার পুর্বনির্ধারিত শিকারকেই গুলি করে। ঠিক সেভাবেই আমিও সবচেয়ে ভালো সুযোগের জন্য কোন তাড়াহুড়া ছাড়াই অপেক্ষা করি। আচ্ছা, কোনটা ভালো? বেশি সময় নস্ট করে বেশি ট্রেড করে বেশি দ্রুত অনেক বেশি আয় করতে গিয়ে সব হারিয়ে বসে থাকা, নাকি কম সময় নস্ট করে কম ট্রেড করে প্রফিট করা? ‘The greatest investor ever’, ওয়ারেন বাফেটকে চেনেন তো? অবাক হওয়ার কিছু নেই, ঠিক এভাবেই তিনিও নিজের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ম্যানেজ করে থাকেন। একবার চিন্তা করে দেখেন তো, কীভাবে তিনি তার বিলিয়ন ডলার এর উপযুক্ত ব্যবহার করেন? তিনি নিশ্চয় প্রতিদিন এবং ঘন ঘন বিনিয়োগ করেন না! অপনি ওয়ারেন বাফেটকে নিয়ে লেখা কোন বই বা তাকে নিয়ে বানানো কোন সাম্প্রতিক প্রতিবেদন (যেমন, Becoming Warren Buffet) দেখলে তার সম্বন্ধে একটা ধারণা পাবেন। প্রকৃতপক্ষে, তার মত হতে হলে আপনাকে অসীম ধৈর্যশীল এবং বিনিয়োগের ব্যপারে দূরদর্শী হতে হবে। ওয়ারেন বাফেট মার্কেটে ট্রানজেকশনের ক্ষেত্রে শুধু ধৈর্যশীল এবং দূরদর্শীই নন, বরং তিনি এমনভাবেই তৈরী হন যে, যখন তিনি ট্রেডে নামবেন, তার সবটুকু মেধা এবং পরিশ্রম দিয়েই নামবেন। এমনকি, মাঝে মাঝে তিনি আস্ত একটা কোম্পানিই কিনে ফেলেন! তারমানে, তিনি নিজেও কম ট্রেড কিন্তু হাই প্রবাবেলিটি বিনিয়োগে বিশ্বাসী। বলার অপেক্ষা রাখে্না, ট্রেডার হিসেবে সফল হতে হলে ওয়ারেন বাফেট থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। জিম রগার্সের একটি বিখ্যাত উদ্ধিতি দেইঃ “আস্মি ততক্ষন বসে থাকি, যতক্ষন পর্যন্ত না অর্থ নিজে আমার কাছে আসে। এর আগ পর্যন্ত আমি নিজ থেকে কিছুই করি না। যেসব মানুষ মার্কেটে লস করে, তারা বলে যে, আমি তো মার্কেটে লস করে ফেলেছি, এই লস আমাকে কাভার করতে হবে। না, এমনটা করবেন না। শুধু বসে থাকুন, যতক্ষন না ভালো কিছু পাচ্ছেন" দেখলেন? অধিকাংশ সময়ে প্রফিটেবল ট্রেডাররা এবং বিনিয়োগকারীরা নিজে থেকে কিছুই, কিছুই করে না। মানে, আমি বলতে চাচ্ছি, তারা ট্রেড করে না অধিকাংশ সময়ে। অবশ্যই তারা চুপচাপ বসে থাকে না, মার্কেট রিসার্চ বা এনালাইসিস করে। কিন্তু, এটাকে আমি ট্রেড করা বলবা না, বরং শিকারকে অনুসরণ করা বলব। তো আপনি শিকার হবেন, নাই শিকারী হবেন?
  8. প্রতি ট্রেডে ২% রিস্ক নেয়া খুব বড় কোন রিস্ক নেওয়া নয়। তবে, আপনার ক্ষেত্রে হয়ত টেনশন কাজ করছে এই জন্যে যে, ২% রিস্ক এ হয়ত আপনাকে বেশ কয়েক ডলার রিস্ক নিতে হচ্ছে। প্রতি ট্রেডে ২% করে আপনাকে কত ডলার রিস্ক নিতে হচ্ছে?
  9. মোবারাক হোসেনের সাথে আমার কখনো দেখা কিংবা কথা হয়নি। কিন্তু, প্রতিদিন শত শত মোবারাক হোসেন যে এভাবে প্রতারিত হচ্ছেন, সেটা শতভাগ সত্য।
  10. এই নামেতো কোন ব্রোকার নেই। রূপক অর্থে Friendsforex নামটি ব্যবহার করা হয়েছে। কোন ব্রোকারের নাম ব্যবহার করিনি সরাসরি, কারন এরকম ব্রোকার একটা না, অসংখ্য রয়েছে।
  11. বিশ্বের প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অদ্ভুত এবং মজার কেন্দ্রীয় ব্যাংক হচ্ছে সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (সংক্ষেপে SNB)। সাধারনত বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মালিক দেশগুলোর সরকার তথা জনগণ হলেও SNB এর ৪০ শতাংশ মালিকানাই বেসরকারিভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির হাতে। শুধু তাই নয়, এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং স্টক মার্কেটেও অন্তর্ভুক্ত। তার থেকেও মজার ব্যাপার হল, বিশ্বের অন্য দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শেয়ারের মালিক হতে পারেন আপনিও, কেননা বিদেশীরাও কিনতে পারে SNB এর শেয়ার। এরকম অদ্ভুত কেন্দ্রীয় ব্যাংক আছে বলেই সুইস ব্যাংকগুলো সারা বিশ্বের কালো টাকা জমা রাখার ভান্ডারে পরিনত হতে পেড়েছে। কেননা, সুইজারল্যান্ডের মনেটারি পলিসি বা আর্থিক নীতি তো SNB ই নির্ধারন করে। ১৯০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ব্যাংকটি সুইস সরকারের মালিকানাধীন নয়। ব্যাংকটির ৪৫ শতাংশ মালিকানা সুইস কান্টনগুলোর (সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন প্রদেশ), ১৫ শতাংশ মালিকানা বিভিন্ন ক্যান্টনের ব্যাংকগুলোর এবং বাকি ৪০ শতাংশ বিভিন্ন ব্যক্তির মালিকানাধীন। প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই (১৯০৭), SNB সুইজারল্যান্ডের প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জে (SIX Swiss Exchange) তালিকাভুক্ত। বর্তমানে এই স্টক এক্সচেঞ্জে SNB এর শেয়ার কেনাবেচা হয় SNBN নামে, যার প্রতিটি শেয়ারের মূল্য বর্তমানে ১৯৩৩ সুইস ফ্রাংক। সাম্প্রতিককালে SNB সবচেয়ে আলোচনায় আসে ইউরোপ্রতি সুইস ফ্রাংকের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করে দিয়ে। ২০১১ সালে ব্যাংকটি প্রজ্ঞাপন জারি করে যে, ১ সুইস ফ্রাংকে সর্বোচ্চ ১.২০ ইউরো পাওয়া যাবে। সুইস ফ্রাংকের মূল্য এর বেশি হতে পারবে না। ফলে, ব্যাপক মূল্যপতন ঘটে তখন সুইস ফ্রাংকের। তবে, ২০১৫ সালের জানুয়ারী মাসে ব্যাংকটি এই আদেশ প্রত্যাহার করে নেয়। SNB এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য SNB এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অন্যান্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মতই। এখানে কোন পার্থক্য নেই। সংবিধান অনুসারে, SNB এর প্রধান কাজ হচ্ছে সুইস অর্থনীতি ও জনসাধারনের উন্নয়নের জন্য একটি কার্যকর আর্থিক নীতি প্রণয়ন করা। এছাড়াও ব্যাংকটির অন্যান্য কার্যক্রম এর মধ্যে রয়েছে বাজারে অর্থ সরবরাহ ও বিতরণ, ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে অর্থ স্থানান্তেরর ব্যবস্থা করা, কারেন্সি রিজার্ভ থেকে বিনিয়োগ করা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখা, বিভিন্ন ধরনের অর্থ নৈতিক গবেষণা ও সমীক্ষা চালানো ইত্যাদি। এছাড়াও সুইজারল্যান্ডের কারেন্সি সুইস ফ্রাংকের ব্যাংকনোট ইস্যু করাও SNB এর কাজ। যেহেতু কেন্দ্রীয় ব্যাংকটিতে প্রাইভেট শেয়ারহোল্ডার আছে, তাই প্রতি বছর এপ্রিল মাসে ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডারদের সাধারন মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ব্যাংকটির নিজস্ব কাউন্সিলও রয়েছে, যা গঠিত ১১ জন সদস্য নিয়ে। এই ১১ জনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট সহ ছয় জনই নিয়োগপ্রাপ্ত সুইস ফেডারের কাউন্সিল তথা সরকার কত্রিক, যাতে ব্যাংকটির আর্থিক নীতিতে সুইস জনগণের স্বার্থরক্ষা হয়। বাকি ৫ জন নিয়োগ পান শেয়ারহোল্ডারদের মিটিং এর মাধ্যমে। এছাড়াও চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং আরও একজন সদস্য নিয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট SNB এর নিজস্ব গভর্নিং বোর্ডও রয়েছে। এই বোর্ডই ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনার প্রধান দায়িত্ব পালন করে। ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল থেকে SNB এর প্রেসিডেন্ট এবং এর গভর্নিং বডির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন থমাস জর্ডান, যিনি ইউনিভার্সিটি অফ বার্নের প্রাক্তন অধ্যাপক ছিলেন। উল্লেখ্য, BOE এর মত SNB এরও বিপুল গোল্ড রিজার্ভ রয়েছে, যার পরিমান ১১৪৫ টনের মত এবং যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৩০ বিলিয়ন ফ্রাংক। এক নজরে সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক হেডকোয়ার্টারঃ সুইজারল্যান্ডের বার্ন এবং জুরিখ প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৬ জানুয়ারী, ১৯০৬ চেয়ারম্যানঃ থমাস জর্ডান অন্যান্যঃ সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, সুইস ফ্রাংকের ইস্যুকারী ওয়েবসাইটঃ www.snb.ch
  12. Help Required

    নেটেলারের সাপোর্টে যোগাযোগ করেন। ওরা সঠিক কারন বলতে পারবে। আপনার ক্ষেত্রে সন্দেহজনক ট্রানজেকশন মনে করে অ্যাকাউন্ট ডিজেবল করতে পারে।
  13. কিসের উপর ভিত্তি করে সেল করতে চাচ্ছেন?

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×