Jump to content

আরিয়ান

Members
  • Content count

    267
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    8

আরিয়ান last won the day on July 11 2017

আরিয়ান had the most liked content!

Community Reputation

145 Excellent

About আরিয়ান

  • Rank
    Forex in the blood

Contact Methods

  • AIM
    Ariyan Ariyan

Profile Information

  • Gender
    Male
  1. ভাই জনপ্রিয় শেয়ারগুলো ট্রেড করার ইচ্ছা আমার অনেকদিন থেকে। গুগল, ফেসবুক এগুলোর দাম সবসময়ই বাড়ে, তবে কিছুদিন আগে ফেসবুক অনেক কমলো জুকারবার্গের কথায়। আমি এগুলো নিয়ে ডেমো করছি। তবে এদের ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস কিভাবে করলে ভালো হবে সে সম্পর্কে আরও দিকনির্দেশনা চাচ্ছি।
  2. লেখাটা খুবই ভাল লাগলো স্বপ্নিল ভাই। এতদিন ধরে ট্রেড করি, ডলার, ইউরো, পাউন্ডের জীবনবৃত্তান্ত জানতাম না। বিশেষ করে ঐ দেশগুলো কেন ইউরো ব্যবহার করে না তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। এমন লেখা নিয়মিত চাই।
  3. ছোটবেলায় বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে কে না পছন্দ করেন। গ্রামে গেলে এখনও মাছ ধরার জন্য বড়শি আর কেঁচো নিয়ে ছুটে যাই। সম্প্রতি আমি নায়াল ফুলারের একটি লেখা পড়লাম যে দক্ষ মাছ শিকারীদের কাছ থেকে ফরেক্স ট্রেডারদের শেখার কি কি রয়েছে। পড়ে আমার কাছে মনে হল একজন প্রফেশনাল ট্রেডার আর দক্ষ মাছ শিকারির মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। ২ পেশার মানুষকেই একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করতে হয়। যেহুতু বিডিপিপস থেকেই আমার ফরেক্স শেখা, তাই সবার সাথে লেখাটির মূল ধারনাটি শেয়ার করার ইচ্ছে হল। অনেক বিষয়ই আমি বোঝার সুবিধার্তে বেশ পরিবর্তন এবং সংযোজন করেছি। কিভাবে একজন দক্ষ মাছশিকারি ধৈর্য আর বুদ্ধিমত্তা নিয়ে মাছ শিকার করেন, তা যদি আমরা আয়ত্ব করতে পারি, তাহলে ফরেক্স মার্কেট থেকেও কিভাবে দক্ষতার সাথে পিপস শিকার করতে হয় তা আমরা শিখতে পারবো। কেন ট্রেডার আর মাছশিকারির মধ্যে মিল রয়েছে? আপনি হয়তো ভাবছেন যে কোথায় একজন মাছধরার লোক, আর কোথায় আমি ফরেক্স ট্রেডার। মিল এলো কোথা থেকে? প্রশ্ন আসাই স্বাভাবিক। কিন্তু একটু ভাবলেই দেখা যায় যে আমরা যেভাবে কাজ করি, তার মুল বিষয়গুলো কিন্তু একই। আমরা গ্রামগঞ্জে শখে বড়শি নিয়ে মাছ ধরতে যাই। পানির মধ্যে বড়শি পেলে বশে থাকি। কিন্তু বিদেশে, বিশেষ করে আমেরিকায়, মাছ ধরাটা সাপ্তাহিক ছুটিতে বেশ প্রিয় একটি কাজ, বিশেষ করে একটু বয়স্ক মানুষদের। শুধু বড়শি ফেলে রাখলেই মাঝে মাঝে মাছ ওঠে বটে, কিন্তু অনুকুল প্রতিকুল পরিবেশে মাছ ধরতে হলে আপনাকে অনেক কিছু জানতে হবে। যেমন বিভিন্ন পানিতে মাছের আচরন একেক রকম। পুকুরে মাছ ধরতে হয় একভাবে, লেক, নদী, সমুদ্রে আবার ভিন্নভাবে মাছ ধরতে হয়। বিভিন্ন মাছ আবার পানির বিভিন্ন স্তরে মাস করে। কিছু মাছ পানির ওপরদিকে বাস করে, কিছু মাছ মধ্যেভাগে, আবার কিছু মাছ একদম গভীর পানিতে থাকে। এখন আপনি যদি কোন মাছ কোন জায়গায় থাকে তাই না জানেন, তবে রুই মাছ ধরতে গিয়ে পুঁটি মাছ ধরে নিয়ে আসবেন। পুকুরে ইলিশ মাছের জন্য সারাদিন বড়শি ফেলে রাখলে কিন্তু কোন কাজ হবে না, আপনাকে যেতে হবে নদীতে। ফরেক্স ট্রেডিংয়ের ব্যাপারেও এই কথাটি খাটে। আমাদের মার্কেট বুঝতে হবে খুব ভালো করে। কোন পেয়ার কোন মার্কেট সেশনে ভালো কাজ করে আমাদের জানতে হবে। সিডনী সেশনে কেন ইউরো বেশি মুভমেন্ট করছে না আক্ষেপ না করে বুঝতে হবে কোন ট্রেডিং সেশনে কোন কারেন্সিগুলো বেশি মুকভেন্ট করে, কেন করে। কোন নিউজগুলো কোন পেয়ারগুলোতে বেশি প্রভাব ফেলে, কেন ফেলে। একজন দক্ষ মাছশিকারি যেমন প্রতিনিয়ত নিত্য-নতুন মাছ ধরার পদ্ধতি শিখে নিজেকে আরও দক্ষ শিকারি করে গড়ে তোলে। ঠিক তেমনি একজন ফরেক্স ট্রেডারকেও নিজেকে আরও দক্ষ করতে হবে প্রতিনয়ত। মাছ শিকারি কিন্তু মাছ ধরার অনেক পদ্ধতি জানে, কিন্তু সে অবস্থা বুঝে কিভাবে বড়শি ফেললে, কিভাবে টোপ দিলে তার টার্গেট করা মাছ উঠতে পারে, তা অবলম্বন করে। ট্রেডারদেরও একই কাজ করতে হবে। সবচেয়ে মুল কথা একজন দক্ষ মাছশিকারি যা করে, তা সম্পূর্ণ বুঝেই করে, এবং তার ফলাফলও তার আশানুরুপ হয়। তাই একজন ট্রেডার তার আশানুরুপ ফল পেতে হলে বুঝে শুনে ট্রেডের বড়শি ফেলতে হবে। মাছশিকারির যেভাবে পানিকে বোঝার চেস্টা করে, সেভাবে মার্কেটকে বুঝুনঃ বড়শি ফেলার আগেই শিকারি বিবেচনা করে সে কোন পানিতে শিকার করছে। কোন মাছ ধরতে চায়। সে অনুযায়ী পদ্ধতি হবে একেকরকম। প্রথমেই সে পানির অবস্থা যাচাই করে। ঢেউ কোন দিকে যাচ্ছে, সূর্যের তাপ কি রকম, কারণ সূর্যের তাপ বেশি থাকলে তা পানিকে উষ্ণ করে দিবে, যা মাছকে প্রভাবিত করে। একজন দক্ষ শিকারি বলতে পারে দিনের কখন শিকার করা সবচেয়ে ভালো, এবং নদী বা পুকুরের কোন জায়গায় বড়শি ফেললে সহজে মাছ উঠবে। পানির গভীরতা কেমন, কি রকম মাছ এখানে পাওয়া যায়, আবহাওয়া এরকম অনেক বিষয় বিবেচনা করেই তারা মাছ ধরেন। সাধারন একজন মানুষ হলে কি করতো? সে এসব কিছু চিন্তা না করেই কোন এক জায়গায় সারাদিন বড়শি ফেলে বসে থাকতো, কিন্তু মাছ পেত না। আমরা অনেক ট্রেডাররাও কিন্তু ঠিক এমনই করছি। ভুল জায়গায় বড়শি ফেলে সারাদিন বসে থাকছি, দিনশেষে হয়তো ভাগ্যগুনে পুঁটি মাছ জুটছে। একজন ট্রেডার হিসেবে মার্কেটের গতিবিধি বোঝা হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মার্কেট না বুঝে কোন বড়শি ফেলাই চলবে না। একটি বইয়ের মত করে মার্কেটকে বোঝার চেস্টা করতে হবে যে আপনি জানেন আগের পৃষ্ঠায় কি হয়েছে, তাহলেই আপনি বর্তমান পৃষ্ঠার কাহিনী ভালোভাবে বুঝবেন। বুঝে শুনে বড়শি ফেলতে পারলে শুধু ফরেক্স মার্কেট না, সবজায়গায় জেতা সম্ভব। দক্ষ মাছশিকারিরা স্নাইপারদের মতঃ আপনি যদি স্নাইপারদের নিয়ে কোন মুভি দেখে থাকেন, তবে ইতিমধ্যেই স্নাইপাররা আপনার অনেক পছন্দের একটি ক্যারেক্টার। মিলিটারিতে এই স্নাইপার খুনে যোদ্ধাদের দেখানো হয়। অনেক দূর থেকে টার্গেট সেট করে ঘন্টার পর ঘন্টা তারা বসে থাকে। ১-২ কিলোমিটার দূর থেকেও প্রায় নিখুতভাবে শিকারকে খুন করতে পারে তারা। বন্দুক প্রস্তুত করে তাক করে বসে থাকে তারা কখন টার্গেট তার নাগালে আসবে। রেঞ্জের মধ্যে আসলেই শিকার নিমিশেই খতম। বিষয়টি কিন্তু সময় সাপেক্ষ। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিশানা ব্যর্থ হয়না। প্রতিটি স্নাইপারের রয়েছে নিজস্ব স্টাইল। মাছ শিকারিরাও এর ব্যতিক্রম নয়। ট্রেডারদেরও এর ব্যতিক্রম হওয়া উচিত না। মার্কেটে বন্ধুক তাক করে বসে থাকতে হবে। ভালো প্রফিটের সুযোগ আসলেই কেবল গুলি করতে হবে। টার্গেট যদি নিশানার বাইরে থাকে, হাজার গুলি করলেও যেমন লাগবেনা, তেমনি অযথা আন্দাজে ট্রেড করলেও দক্ষ ট্রেডার হয়ে ওঠা যাবে না। থাকতে হবে নিজস্ব ট্রেডিং পদ্ধতি। সেই পদ্ধতিকে ঝালাই করে দিনে দিনে আরও ভালো করে তুলতে হবে। কিছুদিন এভাবে, কিছুদিন ওভাবে ট্রেড করলেই বরং হারিয়ে যেতে হবে একসময়। ধৈর্যশীল হতে হবেঃ মাছই ধরুন, আর ট্রেডই করুন, ধৈর্যের কোন বিকল্প নেই। দক্ষ মাছশিকারি বড়শি ফেলে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে। মাছ ফাদ ভেবে প্রথম কয়েকবার এড়িয়ে যায়, কিন্তু লোভ করে একবার ঠিকই বড়শিতে কামড় দিয়ে বসে। আমি ছোটবেলায় যখন মাছ ধরতে যেতাম, একটু পরপরই বড়শি তুলে দেখতাম মাছ আটকালো কিনা। কিন্তু মাছ আটকালে বড়শি এমনিতেই নড়ে উঠবে। দক্ষ মাছশিকারি অপেক্ষা করবে মাছ কখন নিজে এসে ধরা দেয়। তার জন্য সময় বেশি লাগলেও সে ধৈর্যহারা হবে না। মার্কেটে ট্রেডের সুযোগ খুজতে গেলে তেমনি আমাদের ধৈর্যহারা হলে চলবেনা মোটেও। ভুল কাজ করার থেকে কাজটি না করাই ভালো। আপনার মতমত কম ঝুঁকির ট্রেডটি পেতে দেরি হলেও আপনি অপেক্ষা করুন। ভালো লাভ হলে তখন অপেক্ষার কষ্ট দূর হয়ে যাবে, যেমনি অনেক অপেক্ষার পর শিকারি ভালো মাছ পেলে তার অপেক্ষার সব কষ্ট দূর হয়ে যায়। বিজয়ীদের মত মানসিকতা গড়ে তুলতে হবেঃ একজন দক্ষ মাছশিকারিও যে প্রতিদিন মাছ পাবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। এমন অনেক সময় আসবে যে সে সবকিছু ঠিকভাবে করলেও মাছ তাকে ধরা দেবে না। এরকম দিন আসবেই, এগুলো পেশারই অংশ। একজন দক্ষ শিকারির বৈশিষ্ট্য এটাই যে সে তার ব্যর্থতা মেনে নিতে পারবে, এবং কাউকে অযথা দোষারোপ করবে না। অতীত নিয়ে না ভেবে পরেরদিন কিভাবে ভালো করা যায় সেই চেস্টা করতে হবে। ফরেক্স ট্রেডারদের জন্যেও বিষয়টি খাটে। কোনদিন ভালো ট্রেডের সুযোগ পেলে, কিংবা ভালো ভাবে মার্কেট বোঝার পরও ভাগ্যদোষে লস হয়ে গেলে তা মেনে নিতে হবে। কিভাবে সেই লস পুষিয়ে নেয় যায়, সেই চেস্টা করতে হবে। সবসময় বিশ্বাস করতে হবে আমি পারবো, আমি সবকিছু মেনে চলবো। তবেই শুধুমাত্র পারা যাবে। আপনার মধ্যে যদি হেরে যাওয়ার মানসিকতা চলে আসে, তবে আর কেউ আপনাকে জেতাতে পারবে না। শেষ কথাঃ আপনি যদি আপনার সকল বড়শি, টোপ নিয়ে নৌকা নিয়ে পানিতে নেমে পড়েন, আর সব সহ ডুবে যান, তবে ভবিষ্যতে কিভাবে শিকার করবেন? পরবর্তী দিন আবার শিকার করার জন্য আবার আপনার বড়শি আর টোপের প্রয়োজন হবে। কিন্তু এই বিষয়টিই অনেক ট্রেডার বুঝতে পারে না। তারা একটি ট্রেডেই এতো বেশি ঝুঁকি নিয়ে ফেলে, এবং পুরো অ্যাকাউন্ট উড়িয়ে দেয়। ফরেক্স মার্কেটে বহুল প্রচলিত একটি কথা হল, যদি আপনার অ্যাকাউন্টই জিরো হয়ে যায়, তবে আপনি ট্রেড করবেন কি দিয়ে? তাই ফরেক্স করতে গেলেও সবসময় আপনার বড়শি আর টোপ বাচিয়েই ট্রেড করতে হবে। আপনি যদি খুব বেশি ঝুঁকি নেন, আপনার ক্যাপিটাল মানির সিংহভাগ হারিয়ে বসেন, তবে আপনি দীর্ঘসময় টিকেও থাকতে পারবেন না, বড় লাভও করতে পারবেন না। তাই ট্রেড করার সময় দক্ষ মাছশিকারিদের মত উদাহরণগুলো যদি আমরা মাথায় রাখি, তবেই প্রতিক্ষেত্রে আমরা নিজেদের প্রশ্ন করতে পারবো যে, যা করছি তা ঠিক করছি তো? ভুল হচ্ছে না তো? আরও ভালো করতে হলে আর কি করা জরুরী? আর এ বিষয়গুলো যদি আমরা অনুসরন করতে পারি, তবে আমরা সফল হবোই। দক্ষ মাছশিকারির উদাহরণ আমার ট্রেডিং নিয়ে চিন্তা-ভাবনাই বদলে দিয়েছে। আশা করছি আপনাদেরও কাজে লাগবে। কষ্ট করে বিশাল লেখাটি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
  4. যদিও আরও আগেই চালু করা দরকার ছিল। but better late than never. আশা করি সবার জন্য হেল্পফুল হবে। ভালো উদ্যোগ।
  5. Skrill to Bank Account(Required Time)

    2-4 din lage generally
  6. লং টার্ম ট্রেডিংই ভাল। স্ক্যাল্পিং করে লস করা ট্রেডারের সংখ্যাই বেশি। আর লং টার্ম ট্রেডিংয়ের পাশাপাশি প্রায় সব ট্রেডারই ভাল সুযোগ পেলে স্ক্যাল্পিং করেন। সবসময় স্ক্যাল্পিং করার সুজগ খুজলে তো ভুল ট্রেড নেবার সুজগই বেশি থাকবে
  7. আপনি যে EXNESS LIMITED (VC) এ ট্রেড করছেন তা রেগুলেটেড নয়। তাদের সাইপ্রাসের রেগুলেশন রয়েছে, কিন্তু তা EXNESS (CY) LTD এর জন্য যাতে ট্রেড করতে হলে আপনাকে ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ডিপোজিট করতে হবে। আমাদের দেশে সবাই ট্রেড করে EXNESS LIMITED (VC) এর আন্ডারে। রেগুলেশনের কোন বেনিফিট তো পাবেনই না, বরং এক্সনেস ফালতু রিকোটস দিয়ে ভরিয়ে রাখে। অন্য নাম থেকে ডিপোজিট করলেও দেয়ার কথা, আগে দিত। এখন দেয় কিনা জানা নেই। রেগুলেশন না থাকায় দেয়ায় বাধা থাকার কথা না।
  8. Low spread broker

    we all look for low spread broker. most of low spread brokers are bad. they just attract traders with low spreads. go for standard spread brokers. at least they will not manipulate data.
  9. ইহা ডলারের বর্তমান অবস্থা। তবে কতদিন থাকে সেটাই দেখার বিষয়
  10. আমিও মেজর পেয়ারে ট্রেড করতেই সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। এর মূল ৩টি কারন হলঃ মেজর পেয়ারগুলোর স্প্রেড কম ডেইলি প্রাইস মুভমেন্ট - এভারেজ এই পেয়ারগুলো সম্পর্কে অনেক বেশি ইকোনমিক নিউজ পাওয়া যায়
  11. Spike: মার্কেটে গুরুত্বপূর্ণ কোন নিউজ রিলিজ হলে অনেকসময় তার প্রভাবে স্পাইক হতে পারে। দ্রুত প্রাইস বেড়ে বা কমে আবার দ্রুত আগের পর্যায়ে বা কাছাকাছি নেমে আসাকে স্পাইক বলে। বেশিরভাগ সময় স্পাইক হয় ট্রেডাররা নিউজের কোন ফলাফল আশা করলে এবং ফলাফল তার প্রতিকূল হলে। যেমন - ধরুন NFP নিউজ রিলিজ হলে যার ফল 170K আসবে বলে সবাই ধারনা করছে। এর বেশি আসলে ডলার শক্তিশালী হবে তাই EURUSD এর প্রাইস কমতে পারে। তো ট্রেডাররা ভাবলো কমবেই তো, তাই নিউজ বের হওয়ার ২-১ মিনিট আগেই বেশি লাভ নেওয়ার জন্য সেল ট্রেড দিয়ে বসলো। ফলে দেখা গেল প্রাইস হুট করে ৪০ পিপস বেড়ে গেলো। কিন্তু নিউজ রিলিজ হওয়ার পর দেখা গেলো ফলাফল বিপরীত এসেছে। ফলে ট্রেডাররা তারাতারি সেল ট্রেড থেকে বের হয়ে আসলো এবং আবার বাই দিল। মার্কেট আবার পূর্বের পর্যায়ে বা কাছাকাছি কম-বেশি জায়গায় চলে আসলো। এছাড়া আরও কিছু কারনে স্পাইক হতে পারে। সুবিধা-অসুবিধা বলতে হঠাৎ স্পাইকে আপনার টেক প্রফিট বা স্টপ লস হিট হতে পারে। মনে রাখা জরুরী কিছু ব্রোকার ফেইক স্পাইক দেয় যেমন octafx. fbs ইত্যাদি। এক্সনেসেও দেখেছি কেউ কেউ মাঝে মাঝে ফেক স্পাইকের অভিযোগ করেছে। তাই স্পাইক দেখলে অন্য ব্রোকারের মেটাট্রেডারের সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন। তবে ভাল ব্রোকারগুলোতে এমন হয় না। অনেক সময় কোন লিকুইডিটি প্রভাইডারের ভুল ফিডের কারণে ভুল স্পাইক আসতে পারে। সেই ক্ষেত্রে ভাল ব্রোকাররা দায় শিকার করে ক্ষতিপূরণ দেয়। একবার XM এ এরকম হয়েছিল লিকুইডিটি প্রভাইডারের ভুল ফিডের কারণে এবং তাদের অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার আমাকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করে এবং সেই স্পাইকের কারণে আমার যেই লস হয়েছিল তা আমার অ্যাকাউন্টে ফেরত দিয়ে দেয়। Slippage: ফরেক্স মার্কেটে সবসময় প্রাইস ১ পিপ্স করে পরিবর্তন হয় না। যেমন - ১.১১০০ > ১.১১০১ > ১.১১০২ > ১.১১০৩ এভাবে সবসময় হয় না। হাই ভোল্টেজ নিউজ রিলিজ হলে অনেক সময় প্রাইস জাম্প করে। যেমন - ১.১১০১ থেকে প্রাইস জাম্প করে ১.১১২০ এ চলে যেতে পারে। এটাই স্লিপেজ। সব ফরেক্স ব্রোকারেই স্লিপেজ থাকে। কোন ব্রোকার যদি বলে তাদের স্লিপেজ নেই, তবে সেটা ভুল। তারা ম্যানুয়ালি ডাটা কন্ট্রোল করছে। ব্রোকার তাদের অনেকগুলো লিকুইডিটি প্রভাইডারের মধ্যে থেকে সবচেয়ে কম প্রাইস আপনাকে দেয়ার চেষ্টা করে। সব লিকিউডিটি প্রভাইডারের কাছেও যদি সেই প্রাইস available না থাকে তবে স্লিপেজ হয়। বেশিরভাগ সময় হাই ভোল্টেজ নিউজ, মার্কেট ওপেনিং, ক্লোজিং এরকম সময়ে স্লিপেজ হয়। স্লিপেজ ৪০-৫০ পিপসও হতে পারে। আপনার নতুন ট্রেড, ট্রেড ক্লোজিং, স্টপ লস, টেক প্রফিট সবসময় স্লিপেজ হলে পরবর্তী available প্রাইসে execute হবে। যেমন ধরুন প্রাইস ১.১১০০ এ ছিল। আপনি ১.১১১০ এ ট্রেড দিয়েছেন বাই। মার্কেটে স্লিপেজ হয়ে প্রাইস ১.১১৩০ এ চলে গেলো। তাহলে আপনার ট্রেডটি ১.১১৩০ তে গিয়ে ওপেন হবে। সেভাবে টেক প্রফিট দিলেও বেশি লাভ সহ পরবর্তী available প্রাইসে গিয়ে বন্ধ হবে। স্টপ লসও বেশি লস নিয়ে পরবর্তী available প্রাইসে গিয়ে বন্ধ হবে। এগুলোই স্লিপেজের সুবিধা-অসুবিধা।
  12. Fake candle

    আমিও XM এ ট্রেড করি। কিন্তু আমার কম্পিউটারে আয়রনের MT4 ইন্সটল করা ছিল। দেখলাম XM আর আয়রনের ক্যান্ডেল একই। আবার Fxarena'র টা চেক করলাম, একই দেখতে পেলাম। তারমানে FBS ফেক স্পাইক দিয়েছে। এর আগেও আমি শুনেছি FBS এ ফেইক স্পাইকের কথা। আয়রনের স্ক্রিনশট দিলাম।
  13. এটা অনেক পুরনো বিজ্ঞাপন। মাঝে দিয়ে কিছু ফরেক্স ট্রেনিং সেন্টার ১০০% লাভের লোভ দেখিয়ে মানুষকে ট্রেনিং করাতো আর ফান্ড নিত ম্যানেজ করার জন্য। তাই এ ধরনের সতর্ক বার্তা। আর ফরেক্সে আমরা যেভাবে ই-কারেন্সি দিয়ে ডিপোজিট-উইথড্র করি, তাতে সরাসরি কোন বৈদেশিক মুদ্রার লেন্দেন হচ্ছে না। আপনি তো আর ডলারের নোট বিক্রি করছেন না। মতিঝিল গেলে দেখবেন রাস্তায় দালালরা ডলার-ইউরো বিক্রি করছে, কিন্তু হায় তাদের জন্য কোন নোটিশ নেই। ১৯৪৭ সালের নিয়ম অনুজায়ী আপনি বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত কেউ ব্যাতিত কার কাছ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কিনতে পারবেন না, তাই বলা হয়েছে নোটিশে। ফরেক্স নিষিদ্ধ করা তো সম্ভব নয়।
  14. আপনি তো ফরেক্স ব্রোকার থেকে সরাসরি ব্যাংকে উইথড্র দিবেন না। প্রথমে স্ক্রিল বা নেটেলারে নিয়ে তারপর ব্যাংকে উইথড্র দিবেন। স্ক্রিল বা নেটেলার থেকে ব্র্যাক ব্যাংকে উইথড্র দেয়া সবচেয়ে ভালো এবং ঝামেলামুক্ত। আমিও ব্র্যাক ব্যাংক ব্যবহার করি।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×