Jump to content

মার্কেট আপডেট

Members
  • Content Count

    1,281
  • Joined

  • Days Won

    24

Everything posted by মার্কেট আপডেট

  1. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ০.৬১২০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে।সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬১২০,০.৬০৭০,০.০৫৯৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬২৫০,০.৬৩৩০,০.৬৪৭০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১ম টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে। আমরা ০.৬০৮০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊধর্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬০৮০,০.৫৯৮০,০.৫৮০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬২৫০,০.৬৩৩০,০.৬৪৭০ বাই এন্ট্রি: ০.৬০৮০ স্টপ লস: ০.৬০৮০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ০.৬১৯০,০.৬৪০০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১০৮.০০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১০৮.৭৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে।সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৮.০০,১০৭.৪০,১০৬.৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০8.৭৫,১০৯.১০,১০৯.৭০ টেক প্রফিট: ১০৯.১০,১০৯.৭০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১০৯.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১০৭.১০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১১০.০০ ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৭.১০,১০৬.২০,১০৪.৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.০০,১১১.০০,১১১.৬০
  2. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১.১০৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধবমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে।সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊধর্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯৩০,১.০৮৭০,১.০৮৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৫০,১.১১০০,১.১১৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.০৯০০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.১১৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে।সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯০০,১.০৮০০,১.০৬৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১১৫০,১.১২৪০,১.১৩৮০ টেক প্রফিট: ১.১২৪০,১.১৩৮০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১.২৪০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধবমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে।সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২২২০,১.২০৬০,১.১৮১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৪০০,১.২৪৮০,১.২৬৩০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট প্রত্যাশিত টেক প্রফিট ১.২৩১০ লেভেলে পৌঁছেছে।এখন আমরা পরবর্তী সুযোগের অপেক্ষা করছি। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধবমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১৯৮০,১.১৭৮০,১.১৪৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৫০০,১.২৭২০,১.৩০৩০
  3. আজকের সেশনে ইউরো/ডলার পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে - মার্চ মাসের জার্মান বেকারত্ব এবং CPI রিপোর্ট। বেকারত্ব রিপোর্ট দুপুর ০১:৫৫ এবং সিপিআই বিকাল ০৪:০০ এর দিকে রিলিজ করা হবে। মার্চে জার্মান বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়ে ২৮,০০০ এ উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইউরোজোনে সিপিআই ১.২% থেকে কমে ০.৮% আসতে পারে এবং কোর সিপিআই ১.২% এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। রিপোর্টগুলো প্রকাশের ফলে মার্কেটে প্রাইস মুভমেন্ট বাড়তে পারে। কনফ্লুয়েন্স ইনডিকেটর অনুসারে আজকের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেলগুলো আলোচনা করা হলঃ এক মাসের ৬১.৮% ‍ফিবোনাসি এবং ৫ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.০৯৭২. ২০০ ঘন্টার মুভিং অ্যাভারেজ পেয়ারটি পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.০৮৮০। অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইসে আপট্রেন্ডে থাকলে ১.১০৪৬ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ১.১০৯১।
  4. পাউন্ড/ডলারের প্রাইস পুনরায় কমতে শুরু করেছে। ব্রিটিশ জিডিপি, যুক্তরাষ্ট্রের ডাটা এবং কোভিড-১৯ আপডেট পেয়ারটিকে প্রভাবিত করতে পারে। লন্ডন সেশনে ওপেন হওয়ার পূর্বে পেয়ারটি ১.২৩৩১ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে।আজকের সেশনে ব্রিটিশ জিডিপি পেয়ারটিকে প্রভাবিত করতে পারে। আর কিছুক্ষণের মধ্যে ব্রিটিশ জিডিপি প্রকাশ করা হবে।প্রত্যাশা করা হচ্ছে, চতুর্থ প্রান্তীকে ব্রিটিশ জিডিপি অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। জিডিপি প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে আসলে পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে প্রত্যাশিত লেভেল বা তার নিচে আসলে পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.২৩০০। অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু হলে ২০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী ১.২৬৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে।
  5. AUDUSD পেয়ারটির জন্য গত সপ্তাহে বেশ কিছু ভাল নিউজ ছিল। যার ফলে পেয়ারটি ০.৬১ প্রাইস অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছিল।পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো এ সপ্তাহে তিনটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং AUDUSD পেয়ারটির টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। মার্চে অস্টেলিয়ার মেনুফেকচারিং পিএমআই ৪৯.৮ থেকে বেড়ে ৫০.১ পয়েন্ট এসেছে।অপরদিকে সার্ভিস পিএমআই ৪৮.৪ থেকে কমে ৩৯.৮ পয়েন্ট এসেছে। মার্চের রিপোর্টে যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্ব বেড়ে ৩.২ মিলিয়ন এসেছে।যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ফ্যাক্টরি এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে সরকার বন্ধ ঘোষণা করেছেন। যার ফলে দেশটিতে বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।মার্চ মাসে মেনুফেকচারিং পিএমআই ৫০.৮ থেকে কমে ৪৯.২ পয়েন্ট এনেছে।আগস্ট মাসের পরবর্তীতে প্রথমবারের মতো সেক্টরটি ৫০ পয়েন্টের নিচে এসেছে।টেকসই পণ্যের অর্ডার ( Durable Goods Order)-০.২% থেকে বেড়ে ১.২% এসেছে।তবে কোর টেকসই পণ্যের অর্ডার ( Durable Goods Order) ফেব্রুয়ারিতে ০.৯% বাড়ার প্রত্যাশা করা হলেও ০.৬% কমেছে। চতুর্থ প্রান্তীকে জিডিপি কমে ২.১% এসেছে। ১.Private Sector Credit মঙ্গলবার,ভোর ০৫:৩০। জানুয়ারিতে সেক্টরটিতে ঋণগ্রহণ ০.৩% বেড়েছে।২০১৯ সালের মার্চের পরবর্তীতে এটা সবথেকে ভাল রিপোর্ট ছিল এবারের রিপোর্টেও ০.৩% প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ২.Chinese Manufacturing PMI মঙ্গলবার,সকাল ০৭:০০।কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসের প্রভাব চীনা মেনুফেকচারিং সেক্টরকে বেশ জোরালোভাবে প্রভাবিত করেছে।ফেব্রুয়ারিতে সেক্টরটি ৫০.০ থেকে কমে ৩৫.৭ পয়েন্টে এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবারের রিপোর্টেও ৫০ পয়েন্টের ৪৪.৯ পয়েন্ট আসতে পারে। ৩.AIG Manufacturing Index মঙ্গলবার,রাত ০৩:৩০।সেক্টরটি গত চার মাস ৫০ পয়েন্টের নিচে অবস্থান করছে।জানুয়ারিতে ৪৪.৩ পয়েন্ট এসেছিল।২০১৫ সালের মে মাসের দিকে এ ধরণের পয়েন্ট দেখা গিয়েছিল।বর্তমানে আমরা ফেব্রুয়ারি মাসের ডাটার অপেক্ষা করছি। ৪.Building Approvals বুধবার,ভোর ০৫:৩০। জানুয়ারিতে বিল্ডিং অনুমোধন ১৫.৩% কমেছিল। যা কন্সট্রাকশন সেক্টরের জন্য নেতিবাচক। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতে ৩.১% কমতে পারে। ৫.AIG Construction Index বৃহস্পতিবার,বিকাল ০৩:৩০। ফেব্রুয়ারিতে সেক্টরটি ৪১.৩ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ৪২.৭এসেছিল।এবারের রিপোর্টে কি আসে সেটা দেখার বিষয়। ৬.Final Retail Sales শুক্রবার,ভোর ০৫:৩০।গতবারের রিপোর্টে অস্টেলিয়ান রিটেইল সেলস ০.৪% এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবারও গতবারের ০.৪% এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। AUDUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো AUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস মার্চ মাসের মাঝামাঝিতে ০.৬৪৫৬ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল।গত সপ্তাহে ০.৬৩৮০ রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করেছিল।পেয়ারটির বর্তমান রেজিস্ট্যান্স লেভেল ০.৬২৪০। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৬২৪০। পেয়ারটির ক্ষেত্রে ০.৬০০ রাউন্ড লেভেল হিসেবে কাজ করতে পারে। গত সপ্তাহে ০.৫৯২০ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল।পেয়ারটির সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ০.৫৮০০। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে AUDUSD পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্ব ইকোনমি কোভিড-১৯ এর কারণে সংকটময় সময় পার করছে।অস্টেলিয়ান কারেন্সিও এ সংকটের অর্ন্তভূক্ত। এ সংকটের মধ্যেও মার্কিন ডলার বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে সক্ষম হচ্ছে।প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।
  6. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১.১০৫০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা পেয়ারটি ১.১১৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.১০০০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊধর্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০৫০,১.১০০০,১.০৯২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১১৫০,১.১১৯০,১.১২৭০ টেক প্রফিট: ১.১১৯০,১.১২৭০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে। আমরা পরবর্তী সুযোগের অপেক্ষা করছি। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০০০,১.০৯০০,১.০৭২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২০০,১.১৩৩০,১.১৫০০ টেক প্রফিট: ১.১১১০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। ১.২৩১০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৩১০,১.২২০০,১.২০৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৫০০,১.২৫৬০,১.২৬৭০ বাই এন্ট্রি: ১.২৩১০ স্টপ লস: ১.২৩৩১০ ট্রেডের সম্ভাবনা : হাই টেক প্রফিট: ১.২৪০০,১.১৯৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। ১.১৯৮০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১৯৮০,১.১৭৮০,১.১৪৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৫০০,১.২৭২০,১.৩০৩০ বাই এন্ট্রি: ১.১৯৮০ স্টপ লস: ১.১৯৮০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২২৩০,১.২৭২০
  7. গত সপ্তাহে GBPUSD চমৎকারভাবে রিকভার করেছিল।এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো আটটি ইভেন্ট রয়েছে।এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.১০% নির্ধারণ করেছে। ব্রিটিশ মেনুফেকচারিং পিএমআই ৫১.৮ থেকে কমে ৪৮.০ পয়েন্ট এসেছে। সার্ভিস পিএমআই নাজেহাল অবস্থার মধ্যে রয়েছে। সার্ভিস পিএমআই ৫৩.৩ থেকে কমে ৩৫.৭ পয়েন্ট এসেছে।মার্চ মাসে ব্রিটিশ কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি ১.৮% থেকে কমে ১.৭% এসেছে।তবে রিটেইল সেলস ০.৯% থেকে কমে ০.৩% এসেছে। মার্চের রিপোর্টে যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্ব বেড়ে ৩.২ মিলিয়ন এসেছে।যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ফ্যাক্টরি এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে সরকার বন্ধ ঘোষণা করেছেন। যার ফলে দেশটিতে বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।মার্চ মাসে মেনুফেকচারিং পিএমআই ৫০.৮ থেকে কমে ৪৯.২ পয়েন্ট এনেছে।আগস্ট মাসের পরবর্তীতে প্রথমবারের মতো সেক্টরটি ৫০ পয়েন্টের নিচে এসেছে।টেকসই পণ্যের অর্ডার ( Durable Goods Order)-০.২% থেকে বেড়ে ১.২% এসেছে।তবে কোর টেকসই পণ্যের অর্ডার ( Durable Goods Order) ফেব্রুয়ারিতে ০.৯% বাড়ার প্রত্যাশা করা হলেও ০.৬% কমেছে। চতুর্থ প্রান্তীকে জিডিপি কমে ২.১% এসেছে। ১.Net Lending to Individuals সোমবার,দুপুর ০২:৩০। জানুয়ারিতে ক্রেডিট লেভেল ৫.৮ থেকে ৫.২ বিলিয়ন পাউন্ড এসেছিল।সেক্টরটি প্রত্যাশিত ৫.৯ বিলিয়নের বেশ নিচে এসেছিল।প্রত্যাশা করা হচ্ছে,ফেব্রুয়ারিতে ৫.১ বিলিয়ন পাউন্ড আসতে পারে। ২.Gfk Consumer Confidence সোমবার,সকাল ০৯:০১। কনজিউমার কনফিডেন্স নেগেটিভ অবস্থানে থাকলেও সেক্টরটি ধীরগতিতে ইমপ্রোভ হচ্ছে। ফেব্রুয়ারিতে কনজিউমার কনফিডেন্স -৯ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে -৭ পয়েন্ট এসেছিল। ২০১৮ সালের আগস্টের পরবর্তীতে এটা সর্বোচ্চ লেভেল ছিল।অ্যানালাইসিস্টদের মতে, মার্চে কনজিউমার কনফিডেন্স কমে -১৪ পয়েন্ট আসতে পারে। ৩.Current Account মঙ্গলবার,দুপুর ০২:৩০। ৩য় প্রান্তীকে ব্রিটিশ কারেন্ট ব্যালেন্সের ঘাটতি বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে ২য় প্রান্তীকে ঘাটতি ১৫.২ বিলিয়ন থেকে কিছুটা কমে ১৫.২ বিলিয়ন পাউন্ড এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, চতুর্থ প্রান্তীকে ঘাটতি কমে -৭.০ বিলিয়ন আসতে পারে। ৪.Final GDP মঙ্গলবার,দুপুর ০২:৩০। তৃতীয় প্রান্তীকে ব্রিটিশ জিডিপি ০.২% থেকে বেড়ে ০.৪% এসেছিল।ধারণা করা হচ্ছে, চতুর্থ প্রান্তীকে জিডিপি অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। ৫.BRC Shop Price Index মঙ্গলবার,সকাল ০৮:০১।সেক্টরটি গত নয় মাসের মতো ক্রমাগত খারাপ করছে।ফেব্রুয়ারিতে সেক্টরটিতে ০.৬% কমেছে। যা গত ৫ মাসের সর্বনিন্ম স্তর। মার্চ মাসের রিপোর্টে কি আসে সেটা দেখার বিষয়। ৬.Final Manufacturing PMI বুধবার,দুপুর ০২:৩০। ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটিশ ফাইনাল মেনুফেকচারিং পিএমআই বেশ ভাল অবস্থানে ছিল।ফেব্রুয়ারিতে পিএমআই ৫১.৭ পয়েন্ট এসেছে। এপ্রিলের পরবর্তীতে এটা সর্বোচ্চ লেভেল ছিল।মার্চে রিবাউন্ড দেখতে পারবো কিনা সেটা দেখার বিষয়। ৭.Construction PMI বৃহস্পতিবার,দুপুর ০২:৩০। ফেব্রুয়ারিতে কন্সট্রাকশন পিএমআই অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়ে ৫২.৬ এসেছিল।যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ৪৯.০ পয়েন্ট। এপ্রিলের পরবর্তীতে এটা সর্বোচ্চ লেভেল ছিল। বর্তমানে আমরা মার্চ মাসের রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। ৮.Final Service PMI শুক্রবার,দুপুর ০২:৩০। সেক্টরটি গত দুই মাস ক্রমাগত ৫০ পয়েন্টের উপরে এসেছে। ফেব্রুয়ারিতে ৫৩.৯ থেকে কমে ৫৩.২ পয়েন্ট এসেছে।মার্চ মাসে সার্ভিস পিএমআই ৩৪.৭ পয়েন্ট আসতে পারে। GBPUSD প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লাইনগুলো দেওয়া হলো GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস মার্চের শুরুর দিকে ১.২৮২০ রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করেছিল।পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.২৭২৮। ‍পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.২৬১৬। পরবর্তীতে ১.২৫৩৫ রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করেছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারটি ১.২৪২০ প্রাইসকে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়। পেয়ারটির বর্তমান রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.২৪২০। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.২৩৩০। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেলগুলো হতে পারে ১.২০৮০ এবং ১.২০০০। শেষ কথা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে GBPUSD পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। গত সপ্তাহে মার্কিন বেকারত্বের হার অপ্রত্যাশিতভাবে বাড়ার কারণে পাউন্ড ভাল অবস্থান তৈরি করেছিল।সংকট সময় বিনিয়োগকারীদের কাছে মার্কিন ডলার নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।
  8. EURUSD-এর জন্য গত সপ্তাহটি বেশ ভাল ছিল।যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস বেড়ে ১.০৬৯১ থেকে ১.১১৪৬-তে উঠেছিল। ইউরো/ডলারকে প্রভাবিত করার মতো এ সপ্তাহে আটটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং EURUSD এর টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে প্রকাশিত মার্চ মাসের ইউরোজোনের সার্ভিস পিএমআই তেমন ভাল আসেনি।জার্মান এবং ফ্রান্স সার্ভিস পিএমআই ৩৪.৫ ও ২৯.০ পয়েন্ট এসেছে। সমগ্র ইউরোজোন পিএমআই ২৮.৪ এসেছে।সার্ভিস পিএমআই রিপোর্টগুলো প্রত্যাশিত পয়েন্টের নিচে এসেছে।ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চে মেনুফেকচারিং পিএমআই ভাল অবস্থানে থাকলেও ৫০ পয়েন্টের নিচে ছিল। মার্চের রিপোর্টে যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্ব বেড়ে ৩.২ মিলিয়ন এসেছে।যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ফ্যাক্টরি এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে সরকার বন্ধ ঘোষণা করেছেন। যার ফলে দেশটিতে বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।মার্চ মাসে মেনুফেকচারিং পিএমআই ৫০.৮ থেকে কমে ৪৯.২ পয়েন্ট এনেছে।আগস্ট মাসের পরবর্তীতে প্রথমবারের মতো সেক্টরটি ৫০ পয়েন্টের নিচে এসেছে।টেকসই পণ্যের অর্ডার ( Durable Goods Order)-০.২% থেকে বেড়ে ১.২% এসেছে।তবে কোর টেকসই পণ্যের অর্ডার ( Durable Goods Order) ফেব্রুয়ারিতে ০.৯% বাড়ার প্রত্যাশা করা হলেও ০.৬% কমেছে। চতুর্থ প্রান্তীকে জিডিপি কমে ২.১% এসেছে। ১.German Preliminary CPI ফেব্রুয়ারিতে জার্মান CPI প্রত্যাশা অনুযায়ী ০.৪% বেড়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, মার্চে অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। ২.Spanish Flash CPI সোমবার,দুপুর ০২:০০। ইউরোজোনের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিক দেশ স্পেনে ফেব্রুয়ারিতে CPI ১.১% থেকে কমে ০.৮% এসেছিল।প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্চেও স্পেন CPI ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখে ০.৬% আসতে পারে। ৩.French Consumer Spending মঙ্গলবার,১২:৪৫।জানুয়ারিতে জনজিউমার স্পেনডিং ১.১% কমেছিল।ধারণা করা হচ্ছে, এবারও সেক্টরটি ডাউনট্রেন্ডে থেকে -০.৭% আসতে পারে। ৪.Eurozone Inflation মঙ্গলবার,বিকাল ০৩:০০।গতবারের রিপোর্টে ইউরোজোন সিপিআই ১.২% এসেছিল।প্রত্যাশা করা হচ্ছে,এবার ০.৮% আসতে পারে। ৫.German Retail Sales বুধবার,দুপুর ১:০০।ডিসেম্বরে জার্মান রিটেইল সেলস ৩.৩% কমলেও জানুয়ারিতে ০.৯% বেড়েছিল।ফেব্রুয়ারিতে ছোট ধরণের একটি আপট্রেন্ড দেখা যেতে পারে। যা ০.২% হতে পারে। ৬.Manufacturing PMIs বুধবার,স্পেন দুপুর ০২:১৫,ইতালি ০২:৪৫,ফ্রান্স ০২:৫০ জার্মান ০৫:৫৫ এবং ইউরোজোন ০৩:০০।ফ্রান্স এবং জার্মান পিএমআই ৪২.৯ ও ৪৫.৭ পয়েন্ট এসেছিল।ইউরোজোন মেনুফেকচারিং পিএমআই ৪২.৯ পয়েন্ট এসেছিল।রিপোর্টগুলো প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছিল।প্রত্যাশা করা হচ্ছে,এবারও একই ধরণের আসতে পারে। ৭.Services PMIs বুধবার,স্পেন দুপুর ০২:১৫,ইতালি ০২:৪৫,ফ্রান্স ০২:৫০ জার্মান ০৫:৫৫ এবং ইউরোজোন ০৩:০০।মার্চ মাসের রিপোর্টে জার্মান, ফ্রান্স এবং ইউরোজোন সার্ভিস পিএমআই কমে যথাক্রমে ৩৪.৫,২৯.০ এবং ২৮.৪ পয়েন্ট এসেছিল। রিপোর্টগুলো প্রত্যাশিত লেভেলের নিচে এসেছিল। ধারণা করা হচ্ছে,এবারও একই ধরণের ফলাফর আসতে পারে। ৮.Eurozone Retail Sales শুক্রবার,বিকাল ০৩:০০। ইউরোজোন রিটেইল সেলস ডিসেম্বরে ১.৬% কমলেও জানুয়ারিতে ০.৬% বেড়েছিল।অ্যানালাইসিস্টগণ ধারণা করছেন, আপকামিন রিলিজে ছোট একটি আপট্রেন্ড দেখা যেতে পারে। যা আনুমানিক ০.১% হতে পারে। EURUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস মার্চ মাসের মাঝামাঝিতে পেয়ারটি ১.১৪৩৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্ট করেছিল। পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১২৯০ এবং ১.১৩০০ একটি রাউন্ড নাম্বার ছিল।পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১২১৫।পেয়ারটির বর্তমান রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১১১৯। সাপোর্ট লেভেলগুলো হতে পারে ১.১০২৫,১.০৯০০ এবং ১.০৮২৫।পেয়ারটির সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.০৮২৫। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে EURUSD পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বব্যাপী বর্তমান সংকটকালে মার্কিন ডলার বিনিয়োগকারীদের নিকট বেশ পছন্দনীয় হয়েছে।যদিও গত সপ্তাহে বেকারত্বের কারণে কারেন্সিটি কিছুটা দুর্বল অবস্থানে ছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এ সপ্তাহে পুনরায় পজিটিভে আসতে পারে।
  9. গত সপ্তাহে USDCAD পেয়ারটির প্রাইস কমেছিল। এ সপ্তাহে কানাডিয়ান জিডিপিসহ তিনটি ইভেন্ট পেয়ারটিকে প্রভাবিত করতে পারে।এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং USDCAD পেয়ারটির টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে ব্যাংক অব কানাডা জরুরী মিটিংয়ের আয়োজন করেন এবং ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নীতি অনুসরণ করে ইন্টারেস্ট রেট ০.৭৫% থেকে কমিয়ে ০.২৫% এনেছে। গত সপ্তাহের রিপোর্টে যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্ব বেড়ে ৩.২ মিলিয়ন এসেছে।যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ফ্যাক্টরি এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে সরকার বন্ধ ঘোষণা করেছেন। যার ফলে দেশটিতে বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।মার্চ মাসে মেনুফেকচারিং পিএমআই ৫০.৮ থেকে কমে ৪৯.২ পয়েন্ট এনেছে।আগস্ট মাসের পরবর্তীতে প্রথমবারের মতো সেক্টরটি ৫০ পয়েন্টের নিচে এসেছে।টেকসই পণ্যের অর্ডার ( Durable Goods Order)-০.২% থেকে বেড়ে ১.২% এসেছে।তবে কোর টেকসই পণ্যের অর্ডার ( Durable Goods Order) ফেব্রুয়ারিতে ০.৯% বাড়ার প্রত্যাশা করা হলেও ০.৬% কমেছে। চতুর্থ প্রান্তীকে জিডিপি কমে ২.১% এসেছে। ১.GDP মঙ্গলবার,সন্ধ্যা ০৬:৩০। ডিসেম্বরে কানাডিয়ান জিডিপি বেড়ে ০.৩% এসেছিল।এপ্রিলের পরবর্তীতে জিডিপি সবথেকে ভাল ছিল। তবে জানুয়ারির রিপোর্টে আপট্রেন্ড দেখা যাবে কিনা সেটা দেখার বিষয়। ২.Raw Materials Price Index মঙ্গলবার,সন্ধ্যা ০৬:৩০।ডিসেম্বরে মেটারিয়াল প্রাইস ২.৮% বাড়লেও জানুয়ারিতে অপ্রত্যাশিতভাবে ২.২% কমেছিল। বর্তমানে আমরা ফেব্রুয়ারি মৃাসের ডাটার অপেক্ষা করছি। ৩.Manufacturing PMI বুধবার,সন্ধ্যা ০৭:৩০।ফেব্রুয়ারিতে মেনুফেকচারিং পিএমআই বেড়ে ৫১.৮ পয়েন্ট এসেছে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির পরবর্তীতে এটা সবথেকে ভাল রিপোর্ট ছিল।তবে মার্চ মাসের রিপোর্টে কি আসে সেটা দেখার বিষয়। USDCAD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো USDCAD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আমরা ১.৪৩১০ রেজিস্ট্যান্স থেকে শুরু করছি। গত সপ্তাহে পেয়ারটির ক্ষেত্রে ১.৪১৫৯ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স ছিল।পেয়ারটির বর্তমান রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.৪০১৯। পেয়ারটির ক্ষেত্রে ১.৩৯০০ রাউন্ড সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে। মার্চ মাসের মাঝামাঝিতে ১.৩৭৫৭ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। পেয়ারটির সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.৩৬৬০। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে USDCAD পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত সপ্তাহে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস বেড়েছিল।কোভিড-১৯ এর কারণে তেলের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।এর প্রভাব কানাডিয়ান কারেন্সিকে প্রভাবিত করতে পারে।প্রত্যাশা করা হচ্ছে,এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে।
  10. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে।আমরা ০.৫৮৫০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৫৮৫০,০.৫৮০০,০.০৫৭০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬১৯০,০.৬২৪০,০.৬৪০০ বাই এন্ট্রি: ০.৫৮৫০ স্টপ লস: ০.৫৮৫০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ০.৬১০০,০.৬২৪০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেটের ০.৬০৮০ বাই এন্ট্রি এবং ০.৬০৮০ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊধর্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৫৮৬০,০.৫৭৬০,০.৫৫৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬১৯০০,০.৬৪০০,০.৬৬৫০ বাই এন্ট্রি: ০.৬০৮০ স্টপ লস: ০.৫৮৬০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ০.৬১৯০,০.৬৪০০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১০৯.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা পেয়ারটি ১০৮.২০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১০৯.৫০। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৮.২০,১০৭.৮০,১০৭.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.৫০,১০৯.৫০,১১০.৩০ টেক প্রফিট: ১০৭.৮০,১০৭.০০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে।১০৯.৬০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৬.৪০,১০৫.০০,১০৩.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.৬০,১১১.০০,১০৩.৩০
  11. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। ১.০৮৯০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊধর্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৮৯০,১.০৮০০,১.০৬৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১১১০,১.১২০০,১.১৩৫০ বাই এন্ট্রি: ১.০৮৯০ স্টপ লস: ১.০৮৯০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১.০৯৭০,১.১১১০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। ১.০৮৯০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৮৯০,১.০৮০০,১.০৬৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১১১০,১.১২১০,১.১৩৭০ সেল এন্ট্রি: ১.০৮৯০ স্টপ লস: ১.০৮৯০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.০৯৭০,১.১১১০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১.২১৩০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.২৩১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে।সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২১৩০,১.২০৩০,১.১৮৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৩১০,১.২৩৭০,১.২৪৮০ টেক প্রফিট: ১.২৩৭০,১.২৪৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। ১.১৯৮০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১৯৮০,১.১৭৮০,১.১৪৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৪০০,১.২৭২০,১.৩২০০ বাই এন্ট্রি: ১.১৯৮০ স্টপ লস: ১.১৯৮০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২২৩০,১.২৭২০
  12. এশিয়া সেশনে ইউরো/ডলার ১.০৯০০ প্রাইসের উপর উঠেছিল। এশিয়া সেশনে ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.০৯৩৪ প্রাইসে উঠেছিল।মাত্র দুই সপ্তাহ আগে পেয়ারটি ১.১৪৩৫ প্রাইসে উঠলেও পরবর্তীতে ১.০৬৩৫ প্রাইসে নেমেছিল। তবে মার্কিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে প্রাইস বাড়ছে। আজকের সেশনে করোনাভাইরাস আপডেট এবং যুক্তরাষ্ট্রের বেকারত্বের রিপোর্ট পেয়ারটিকে প্রভাবিত করতে পারে।বি কে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ক্যাথি লিয়নের মতে, এবারের রিপোর্টে যুক্তরাষ্ট্রে ১.৫ মিলিয়নের মতো বেকারত্ব বাড়তে পারে। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে ১,০০০ হাজার বেকার ছিল। তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্চে বেড়ে ২ লক্ষ ৮১ হাজার আসতে পারে।ক্যাথি লিয়নের মতে, বেকারত্ব ২-৩ মিলিয়নে আসলে ইউরো/ডলার পেয়ারটির আপট্রেন্ড বৃদ্ধি পেতে পারে।৫০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১০০০ প্রাইসের উপরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের আজকের রিপোর্টগুলোর মধ্যে অন্যতম চতুর্থ প্রান্তীকের GDP রিপোর্ট।প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জিডিপি ২.১% এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। রিপোর্টগুলো সন্ধ্যা ০৬:৩০ মিনিটে প্রকাশ করা হবে।সুতরাং ট্রেডারদের ইভেন্টগুলো দিকে নজর রাখা প্রয়োজন।
  13. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট আপট্রেন্ডে রয়েছে।বাই পজিশন নেওয়ার জন্য ১.০৮৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। পেয়ারটি ১.০৭৪০ প্রাইস লেভেলে ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊধর্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৭৪০,১.০৬৯০,১.০৬০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.০৮৯০,১.০৯৭০,১.১১১০ বাই এন্ট্রি: ১.০৮৫০ স্টপ লস: ১.০৭৪০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১.০৯৭০,১.১১১০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটের ১.০৭৪০ সেল এন্ট্রি এবং ১.০৭৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল দেওয়া হয়েছে। পেয়ারটি ১.০৮৯০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে উপরে উঠলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৬৩০,১.০৫০০,১.০২৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.০৮৯০,১.০৯৭০,১.১১১০ সেল এন্ট্রি: ১.০৭৪০ স্টপ লস: ১.০৮৯০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.০৫০০,১.০২৭০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেটে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। ট্রেন্ডগুলো খুব দ্রুত ওঠানামা করছে। মার্কেট শান্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভাল হবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১৬০০,১.১৪৪০,১.১১৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৯৩০,১.২০৪০,১.২১৯০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.১৯৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধবমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। তবে পেয়ারটি ১.১৪০০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১৪০০,১.১০৯০,১.০৬০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১৯৫০,১.২১৮০,১.২৫৯০ বাই এন্ট্রি: ১.১৯৫০ স্টপ লস: ১.১৪০০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২১৮০,১.২৫৯০
  14. এশিয়ান সেশনে ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.০৮ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ট্রেডারদের আকর্ষণ ইউরোজোন পিএমআই রিপোর্ট। মার্কিন ডলারের দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস বেড়ে ১.০৮০০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে।আজকের সেশনে এখন পর্যন্ত পেয়ারটি সর্বনিন্ম ১.০৭২২ এবং সর্বোচ্চ ১.০৮২২ প্রাইসে উঠেছিল।বর্তমানে পেয়ারটি আপট্রেন্ডে রয়েছে।আপট্রেন্ড কতোটা স্থায়ী হবে সেটা দেখার বিষয়। সোমবার গভীর রাতে মার্কিন সিনেট এবং ট্রাম্পের প্রশাসন করোনাভাইরাসের ব্যয় নিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। সম্ভবত মার্কিন ডলারকে বিয়ারিশ অবস্থানে আনার জন্য এটা উল্লেখযোগ্য কারণ হতে পারে। ইউরোজোনের আজকের ইভেন্টগুলোর মধ্যে অন্যতম মার্চ মাসের মেনুফেকচারিং এবং সার্ভিস পিএমআই রিপোর্ট।রিপোর্টগুলো দুপুর ০২:০০ থেকে ০৩:০০ এর মধ্যে রিলিজ হবে। মেনুফেকচারিং এবং সার্ভিস পিএমআই রিপোর্ট ফেব্রুয়ারিতে ইউরোজোন সার্ভিস পিএমআই কিছুটা ভাল অবস্থানে থাকলেও মেনুফেকচারিং পিএমআই তেমন ভাল অবস্থানে ছিল না।কোভিড-১৯ এর কারণে ইউরোজোন মেনুফেকচারিং এবং সার্ভিস সেক্টর গতবারের থেকে খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মার্চ মাসের রিপোর্টে ফ্রান্স মেনুফেকচারিং পিএমআই ৪৯.৮ থেকে কমে ৪০.০ এবং সার্ভিস পিএমআই ৫২.৫ থেকে ৪১.৫ পয়েন্ট আসতে পারে। জার্মান মেনুফেকচারিং এবং সার্ভিস পিএমআই ৪৮.০ ও ৫২.৫ থেকে কমে যথাক্রমে ৪০.০, ৪২.৫ আসতে পারে। এছাড়াও মেনুফেকচারিং এবং সার্ভিস পিএমআই যথাক্রমে ৩৯.০ ,৩৮.৪ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আজকের সেশনে মার্কেটের গতিবিধি অরেকাংশে নির্ভর করছে ইউরোজোন মেনুফেকচারিং এবং সার্ভিস পিএমআই রিপোর্টের উপর। সুতরাং ট্রেডারদের বর্তমান নজর পিএমআই রিপোর্টের দিকে। কোভিড-১৯ এর কারণে মার্চ মাসের রিপোর্টে ইউরোজোন এবং জার্মান মেনুফেকচারিং পিএমআই প্রত্যাশিত লেভেলের বেশ নিচে আসলে ইউরো/ডলার পেয়ারটির ডাউনট্রেন্ড গতিশীল হতে পারে।বি কে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ক্যাথি লিয়নের মতে, ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.০৫০০ প্রাইসে আসতে পারে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.০৮০০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারটির বর্তমান রেজিস্ট্যান্স লেভেল এশিয়ান সেশনের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.০৮২২ এবং সাপোর্ট লেভেল সর্বনিন্ম প্রাইস ১.০৭২২।ধারণা করা হচ্ছে, এশিয়ান সেশনে পেয়ারটি ১.০৭৩৫ থেকে ১.০৮৩০ প্রাইসে ট্রেডিং করার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে পিএমআই রিপোর্টকে কেন্দ্র করে ইউরোপিয়ান সেশনে বড় ধরণের মুভমেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  15. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ০.৫৮২০ প্রাইসকে অতিক্রম করেছে। বর্তমানে আমরা পরবর্তী সুযোগের অপেক্ষা করছি। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৫৬৬০,০.৫৪৬০,০.৫১৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৫৯৮০,০.৬১০০,০.৬২৪০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ০.৫৯৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৫৫০০,০.৫৩৮০,০.৫২১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৫৯৬০,০.৬২৪০,০.৬৬৮০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১০৯.২৫ সাপোর্ট লেভেলে অতিক্রম করলে সেল এন্ট্রি নেওয়া যেতে পারে।১১১.৫০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে উপরে উঠলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১০৯.২৫,১০৮.০০,১০৬.৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১১১.৫০,১১২.৫০,১১৪.৫০ সেল এন্ট্রি: ১০৯.২৫ স্টপ লস: ১১১.৫০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১০৮.০০,১০৬.৩০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১ম টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৯.২৫,১০৮.০০,১০৬.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১১১.৬০,১১২.৫০,১১৩.৯০ বাই এন্ট্রি: ১০৮.৫০ স্টপ লস: ১০৯.৩০ ট্রেডের সম্ভাবনা: হাই টেক প্রফিট: ১১০.৫০,১১৩.৯০
  16. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১.০৮৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.০৬৩০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৬৩০,১.০৫৬০,১.০৪৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.০৮৩০,১.০৯৫০,১.১১৪০ টেক প্রফিট: ১.০৫৬০,১.০৪৩০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.০৮৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.০৬৩০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৬৩০,১.০৫৫০,১.০৪২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.০৮৪০,১.০৯৭০,১.১১৭০ টেক প্রফিট: ১.০৫৫০,১.০৪২০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেটে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। ট্রেন্ডগুলো খুব দ্রুত ওঠানামা করছে। মার্কেট শান্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভাল হবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে সাপোর্ট লেভেল : ১.১৫৭০,১.১৩৫০,১.১০০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৮১০,১.২০০০,১.২২৩০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে। ১.১৪০০ সাপোর্ট লেভেলে সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। পেয়ারটি ১.১৯৫০ প্রাইস ভেঙ্গে উপরে উঠলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১৪০০,১.১০৯০,১.০৬০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১৯৫০,১.২১৮০,১.২৫৯০
  17. GBPUSD কয়েক সপ্তাহ ডাউনট্রেন্ডে থাকলেও গত দুই সপ্তাহে ডাউনট্রেন্ডের প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়েছে। যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.১৪০০ –তে এসেছিল।এ সপ্তাহে ব্রিটিশ মুদ্রাস্ফীতি (CPI) , রিটেইল সেলস এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের রেট ডিসিশন পেয়ারটিকে প্রভাবিত করতে পারে।নিচে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। বৃহস্পতিবার জরুরী মিটিংয়ে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.১০% নির্ধারণ করেছে। পলিসিমেকারগণ বন্ড কর্মসূচি ৪৩৫ বিলিয়ন থেকে বাড়িয়ে ৬৪৫ বিলিয়ন পাউন্ডে এনেছেন। এক সপ্তাহ আগেও ব্যাংক ইন্টারেস্ট রেট ০.৭৫% থেকে কমিয়ে ০.২৫% নিয়ে এসেছিল।জানুয়ারিতে ব্রিটিশ কর্মচারীদের বেতন ৩.০% থেকে ৩.১% বেড়েছে।এদিকে বেকার লোকদের সংখ্যা ৫ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ১৭ হাজার ৩০০ এসেছে। বেকারের সংখ্যা প্রত্যাশিত ৬ হাজার ২০০ এর বেশ উপরে এসেছে। সুতরাং বেকারত্বের হার শতকরা ৩.৮% থেকে বেড়ে ৩.৯% হয়েছে। ফেডারেল রিজার্ভ ইন্টারেস্ট রেট কমানোর ফলে মার্কিন ডলারের প্রাইস কমেছিল। পরের সপ্তাহে ব্যাংক ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ঋণ দিবে এমন প্রত্যাশাকে কেন্দ্র করে মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং সেক্টরে -২১.৫ পয়েন্ট কমেছে। সেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ৫.১ পয়েন্ট বাড়বে। কোর রিটেইল সেলস -০.৫% কমার ধারণা করা হলেও ০.৪% কমেছে। ১.Manufacturing PMI মঙ্গলবার,বিকাল ০৩:৩০। ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ মেনুফেকচারিং পিএমআই কিছুটা বেড়ে ৫১.৭ পয়েন্ট এসেছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসের কারণে মার্চ মাসে মেনুফেকচারিং পিএমআই ৫০ পয়েন্টের নিচে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্চ মাসে ৪৫.৭ পয়েন্ট আসতে পারে। ২.Service PMI মঙ্গলবার,বিকাল ০৩:৩০। ফেব্রুয়ারিতে সার্ভিস পিএমআই ৫৩.২ পয়েন্ট এসেছিল। তবে মার্চ মাসে কমে ৪৫.০ পয়েন্ট আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ৩.CBI Industrial Order Expectations বৃহস্পতিবার,বিকাল ০৫:০০। ফেব্রুয়ারিতে ইন্ডাস্ট্রীয়াল অর্ডার-২২ থেকে বেড়ে -১৮ তে এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্চ মাসের রিপোর্টে -৩৮ পয়েন্ট আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ৪.Inflation বুধবার,বিকাল ০৩:৩০।জানুয়ারিতে ব্রিটিশ কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি (CPI) অপ্রত্যাশিতভাবে ১.৮% এসেছিল। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ১.৬% আসবে। ধারণা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতে ১.৬% আসতে পারে। কোর মুদ্রাস্ফীতি (Core CPI) জানুয়ারিতে প্রত্যাশিত ১.৫% থেকে বেড়ে ১.৬% এসেছিল।প্রত্যাশা করা হচ্ছে,ফেব্রুয়ারিতে ১.৫% আসতে পারে। ৫.CBI Realized Sales বুধবার,বিকাল ০৫:০০। ফেব্রুয়ারিতে সেলস ১ পয়েন্ট বাড়লেও মার্চে -১৫ পয়েন্ট কমতে পারে। ৬.Retail sales বৃহস্পতিবার,বিকাল ০৩:৩০। ব্রিটিশ রিটেইল সেলস ধারাবাহিকভাবে তিন মাস খারাপ করলেও জানুয়ারিতে ০.৯% বেড়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতে ০.২% আসতে পারে। ৭.BoE Rate Decision বৃহস্পতিবার,সন্ধ্যা ০৬:০০। এ সপ্তাহে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের রেট ডিসিশন রয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবারও ব্যাংক ডভিশ অবস্থানে থাকবে। GBPUSD প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লাইনগুলো দেওয়া হলো GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আমরা ১.১৯৪৪ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। পরবর্তীতে পেয়ারটি ১.১৮ রাউন্ড লেভেলকে অনুসরণ করেছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারটি ১.১৬৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলকে টেস্ট করেছিল। পেয়ারটির বর্তমান রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১৬৮০। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.১৫৫০। পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেলগুলো হতে পারে ১.১৫০০ এবং ১.১৪৫০। পেয়ারটির সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.১৩০০। শেষ কথা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে GBPUSD পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা সৃষ্টি করেছে। ব্রিটিশ ইকোনমিও এর বাহিরে নয়। যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রনের বাহিরে চলে যাচ্ছে। এদিকে মার্কিন ডলার বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়।ফলশ্রুতিতে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন কারেন্সিকে নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহেও পেয়ারটির ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত থাকতে পারে।
  18. গত সপ্তাহে ইউরো/ডলারের প্রাইস কমে ১.০৬৩৭-তে এসেছিল। যা গত কয়েক বছরের সর্বনিন্ম প্রাইস। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো পাঁচটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। জার্মান ইনভেস্টর সেন্টিমেন্ট মার্চ মাসে ৪৯.৫ থেকে ৫৮.২ পয়েন্ট কমেছে এবং ইউরোজোন সেন্টিমেন্ট ৪৯.৫ কমেছে। ফেব্রুয়ারি মাসের রিপোর্টে ইউরোজোন CPI ১.২% এসেছে। জার্মান Ifo বিজনেস ক্লাইমেট ৯৬.০ থেকে ৮৭.৭ পয়েন্ট এসেছে। ফেডারেল রিজার্ভ ইন্টারেস্ট রেট কমানোর ফলে মার্কিন ডলারের প্রাইস কমেছিল। পরের সপ্তাহে ব্যাংক ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ঋণ দিবে এমন প্রত্যাশাকে কেন্দ্র করে মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং সেক্টরে -২১.৫ পয়েন্ট কমেছে। সেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ৫.১ পয়েন্ট বাড়বে। কোর রিটেইল সেলস -০.৫% কমার ধারণা করা হলেও ০.৪% কমেছে। ১.Eurozone Consumer Confidence সোমবার, রাত ০৯:০০। ইউরোজোন ইকোনমিতে স্থবিরতা বিরাজ করার কারণে কনজিউমার কনফিডেন্স নেগেটিভ অবস্থানে রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে ইউরোজোন কনজিউমার কনফিডেন্স কিছুটা পরিবর্তন হয়ে -৭ পয়েন্ট কমেছে।ধারণা করা হচ্ছে, মার্চ মাসে -১৪ পয়েন্ট কমতে পারে। ২.PMIs মঙ্গলবার। ফ্রান্স দুপুর ০২:২৫,জার্মান ০২:৩০ এবং ইউরোজোন ০৩:০০। ফেব্রুয়ারিতে ইউরোজোন সার্ভিস পিএমআই কিছুটা ভাল অবস্থানে থাকলেও মেনুফেকচারিং পিএমআই তেমন ভাল অবস্থানে ছিল না।কোভিড-১৯ এর কারণে ইউরোজোন মেনুফেকচারিং এবং সার্ভিস সেক্টর গতবারের থেকে খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মার্চ মাসের রিপোর্টে ফ্রান্স মেনুফেকচারিং পিএমআই ৪৯.৮ থেকে কমে ৪০.০ এবং সার্ভিস পিএমআই ৫২.৫ থেকে ৪১.৫ পয়েন্ট আসতে পারে। জার্মান মেনুফেকচারিং এবং সার্ভিস পিএমআই ৪৮.০ ও ৫২.৫ থেকে কমে যথাক্রমে ৪০.০, ৪২.৫ আসতে পারে। এছাড়াও মেনুফেকচারিং এবং সার্ভিস পিএমআই যথাক্রমে ৩৯.০ ,৩৮.৪ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ৩.German Final Ifo Business Climate বুধবার,বিকাল ০৩:০০। ফেব্রুয়ারিতে সেক্টরটি থেকে ৯৬.১ পয়েন্ট এসেছিল। যা প্রত্যাশিত ৯৫.০ পয়েন্টকে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছিল। ২০০৯ সালের পরবর্তীতে প্রথমবারের মতো সেক্টরটি ৯০ পয়েন্টের উপরে এসেছে। তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্চ মাসের রিপোর্টে কিছুটা কমে ৮৭.৯ পয়েন্ট আসতে পারে। ৪.German Gfk Consumer Climate বৃহস্পতিবার,দুপুর ০২:০০।জার্মান কনজিউমার কনফিডেন্স ধীর গতিতে চলছে। যার ফলে সেক্টরটি থেকে ৯.৮ পয়েন্ট এসেছে। অ্যানালাইসিস্টগণ ধারণা করছেন, এবারের রিপোর্টে আরও কমে ৮.২ পয়েন্ট আসতে পারে। ৫.Eurozone Monetary Data বৃহস্পতিবার,বিকাল ০৩:০০। জানুয়ারিতে ইউরোজোনে ইউরো সরবরাহ ৫.০% থেকে ৫.২% বেড়েছে। বাৎসরিক হিসেবে প্রাইভেট লোন দ্বিতীয় বারের মতো ৩.৭% বেড়েছে। বর্তমানে ফেব্রুয়ারি মাসের ডাটার অপেক্ষা করছি। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ইউরো সরবরাহ ৫.২% এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে এবং প্রাইভেট লোন বেড়ে ৩.৮% আসতে পারে। EURUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আমরা ১.১১১৯ রেজিস্ট্যান্স থেকে শুরু করছি।গত সপ্তাহে ১.০৯২৫ রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করেছিল। ২০১৭ সালের এপ্রিলে ১.০৮২৯ রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করেছিল। পরবর্তীতে ১.০৭ রাউন্ড হিসেবে কাজ করেছিল। পেয়ারটির বর্তমান রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.০৮০০। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.০৬২০ এবং পরবর্তী সাপোর্ট লেভেলগুলো হতে পারে যথাক্রমে ১.০৬২০,১.০৬ এবং ১.০৫। পেয়ারটির সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ধরা হলো ১.০৪। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে EURUSD পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। করোনাভাইরাস ইউরোজোন ইকোনমির উপরে চেপে বসেছে। যার ফলে ইউরোর প্রাইস ক্রমাগত কমছে।সুতরাং এ সপ্তাহেও পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
  19. গত সপ্তাহে AUDUSD পেয়ারটি ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো তিনটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং AUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট ০.৫০% থেকে কমিয়ে ০.২৫% এনেছে। পেয়ারটির প্রাইস কমার পিছনে এটা অন্যতম একটি কারণ ছিল। জানুয়ারিতে অস্টেলিয়ার রিটেইল সেলস ০.৩% কমলেও ফেব্রুয়ারিতে ০.৪% বেড়েছে। এদিকে জানুয়ারিতে অস্টেলিয়ার ইকোনমিতে ১৩ হাজার ৫০০ জব যোগ হয়েছিল। তবে ফেব্রুয়ারীর রিপোর্টে ২৬ হাজার ৭০০ হয়েছে। বেকারত্বের হার ৫.৩% থেকে কমে ৫.১% এসেছে। ফেডারেল রিজার্ভ ইন্টারেস্ট রেট কমানোর ফলে মার্কিন ডলারের প্রাইস কমেছিল। পরের সপ্তাহে ব্যাংক ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ঋণ দিবে এমন প্রত্যাশাকে কেন্দ্র করে মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং সেক্টরে -২১.৫ পয়েন্ট কমেছে। সেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ৫.১ পয়েন্ট বাড়বে। কোর রিটেইল সেলস -০.৫% কমার ধারণা করা হলেও ০.৪% কমেছে। AUDUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.Flash Manufacturing PMI সোমবার,রাত ০৩:০০। অস্টেলিয়ার মেনুফেকচারিং সেক্টর গত পাঁচ মাস ৫০ পয়েন্টের নিচে রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে মেনুফেকচারিং পিএমআই ৪৯.১ থেকে বেড়ে ৪৯.৮ পয়েন্ট এসেছে। বর্তমানে আমরা মার্চ মাসের ডাটার অপেক্ষা করছি। ২.Flash Services PMI সোমবার,রাত ০২:০০। ফেব্রুয়ারিতে অস্টেলিয়ার সার্ভিস পিএমআই ৪৮.৯ থেকে কমে ৪৮.৪ পয়েন্ট এসেছে। তবে মার্চ মাসের রিপোর্টে কি আসে সেটা দেখার বিষয়। ৩.CB Leading Index বুধবার,রাত ০৮:৩০। ডিসেম্বরে সেক্টরটি অপরিবর্তনীয় রয়েছে। বর্তমানে আমরা জানুয়ারি মাসের রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। AUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ০.৬১৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। পরবর্তীতে ০.৬০০০ একটি রাউন্ড নাম্বার ছিল। গত সপ্তাহে ০.৫৯০০ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৫৮০০। পেয়ারটির পরবর্তী এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ০.৫৭১০, ০.৫৭০০ এবং ০.৫৫৮০। শেষ কথা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে AUDUSD পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার নাম। এর ফলে বিশ্ব ইকোনমি সর্বোচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের নজর মার্কিন ডলারের দিকে। এ সপ্তাহের পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
  20. গত সপ্তাহটি USDCAD পেয়ারটির জন্য বেশ ভাল ছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো একটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং USDCAD পেয়ারটির টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। কানাডিয়ান মেনুফেকচারিং সেলস ধারাবাহিকভাবে গত পাঁচ মাস খারাপ করেছে। জানুয়ারিতে এ সেক্টর থেকে শতকরা -০.২% কমেছে। গত কয়েক মাসের তুলনায় রিপোর্টটি কিছুটা ভাল ছিল। কানাডার কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি (CPI) ফেব্রুয়ারিতে ০.৩% থেকে বেড়ে ০.৪% এসেছে। Core CPI ০.৪% থেকে বেড়ে ০.৭% এসেছে। রিটেইল সেলস রিপোর্ট মিশ্র অবস্থানে ছিল। জানুয়ারিতে কোর রিটেইল সেলস ০.১% কমেছে। ফেডারেল রিজার্ভ ইন্টারেস্ট রেট কমানোর ফলে মার্কিন ডলারের প্রাইস কমেছিল। পরের সপ্তাহে ব্যাংক ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ঋণ দিবে এমন প্রত্যাশাকে কেন্দ্র করে মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং সেক্টরে -২১.৫ পয়েন্ট কমেছে। সেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ৫.১ পয়েন্ট বাড়বে। কোর রিটেইল সেলস -০.৫% কমার ধারণা করা হলেও ০.৪% কমেছে। ১.Wholesale Sales সোমবার,সন্ধ্যা ০৬:৩০। একটি দেশের হোল সেলসের মাধ্যমে ভোক্তাদের ব্যয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। গত দু’বার সেক্টরটি ধারাবাহিকভাবে খারাপ করলেও ডিসেম্বরে প্রত্যাশিত ০.৫% থেকে বেড়ে ০.৯% এসেছে। বর্তমানে আমরা জানুয়ারি মাসের রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। USDCAD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো USDCAD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আমরা গত সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৪৭৫৪ থেকে শুরু করছি। ২০০০ সালের মে মাসে পেয়ারটিকে এ ধরণের অবস্থানে দেখা গিয়েছিল। পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.৪৫৮৪। ২০০০ সালের এপ্রিলে ১.৪৪৮০ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারটি ১.৪৩১০ প্রাইসে টেস্ট করেছিল। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.৪৩১০। পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.৪১৫৯। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে এটা গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.৪০০। USDCAD এর সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.৪০০। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে USDCAD পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ইকোনমিক মার্কেটে তেমন কোন অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে না। যার ফলে ধারণা করা হচ্ছে, এ সপ্তাহেও কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
  21. USDCAD পেয়ারটি গত ৩৮ মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস অতিক্রম করেছে। বায়ারদের বর্তমান টার্গেট ২০১৬ সালের সর্বোচ্চ প্রাইস। USDCAD পেয়ারটি ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসের শেষের দিকের সর্বোচ্চ প্রাইসের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে ১.৪২০০ প্রাইসের কাছাকাছি ট্রেডিং করছে। বায়ারদের বর্তমান টার্গেট ২০১৬ সালের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৪৬৯০। পেয়ারটি ১.৪৬৯০ প্রাইস অতিক্রম করতে সক্ষম হলে আপট্রেন্ড আরও শক্তিশাল হতে পারে। আজকের সেশনে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসের কানাডিয়ান CPI রিপোর্ট। রিপোর্টটি সন্ধ্যা ০৬:৩০ এর দিকে রিলিজ হবে। জানুয়ারিতে CPI ০.৩% এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে,ফেব্রুয়ারিতে কিছুটা বেড়ে ০.৪% আসতে পারে। তবে বাৎসরিক CPI ১.৮% এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। সিপিআই প্রত্যাশিত লেভেল বা তার উপরে আসলে পেয়ারটি কিছুটা ডাউনট্রেন্ডে আসতে পারে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.৪২৫০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.৪১৩০। পেয়ারটি ১.৪১৩০ সাপোর্ট লেভেল অতিক্রম করতে সক্ষম হলে পরবর্তীতে ১.৪০২০ এবং ১.৪০০০ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু হলে ১.৪২৭৭ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হবে ২০১৬ সালের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৪৬৯০। USDCAD চার ঘন্টার চার্ট
  22. ক্যাথি লিয়নের মতে, এ মাসে পেয়ারটি ১.০৫ প্রাইসে আসতে পারে। ইউরোর ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। লন্ডন সেশন ওপেন হওয়ার পূর্বে পেয়ারটি ১.১০৩০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। গতকাল ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১১৮০ প্রাইস থেকে কমে ১.০৯৫০ প্রাইসে এসেছিল। ২০১৮ সালের ১৪ জুন এ ধরণের ডাউনট্রেন্ডে দেখা গিয়েছিল। গতকাল ইউরোর প্রাইস কমার পিছনে মার্কিন ডলারের শক্ত অবস্থান এবং জার্মান ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট কাজ করেছিল। ফেব্রুয়ারিতে জার্মান ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট ৮.৭ পয়েন্ট বাড়লেও মার্চে ৪৯.৫ পয়েন্ট কমেছে। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল মার্চ মাসে ২৯.৭ পয়েন্ট কমবে। সুতরাং প্রত্যাশিত লেভেলর নিচে আসার কারণে পেয়ারটির প্রাইস কমেছিল। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইভেন্টগুলো ভাল অবস্থানে ছিল। আজকের ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউরোজোন ফাইনাল CPI রিপোর্ট। গত রিপোর্টের মতো এবারও CPI ১.২% এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে Core CPI রিপোর্টও ১.২% এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। CPI রিপোর্ট প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে আসলে পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে প্রত্যাশিত লেভেলে বা তার নিচে আসলে পেয়ারটির ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। বি কে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ক্যাথি লিয়েন বলেন,করোনাভাইরাসের ফলে ইউরোজোন ইকোনমি ক্রমাগত খারাপ করছে। বিশেষ করে ইউরোজোনের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি জার্মান করোনাভাইরাসের প্রভাবে বর্ডার,স্কুল, পাবলিক প্লেস এবং অতি প্রয়োজনীয় দোকান ব্যতীত সকর কিছু বন্ধ ঘোষণা করেছে। ক্যাথি লিয়নের মতে, এর ফলে ইউরোজোন ইকোনমি আরও অস্থিতিশীল হতে পারে । ইউরোজোনে এ ধরণের অবস্থা চলমান থাকলে পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.৫ –তে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস বাড়লেও পরবর্তীতে পুনরায় ডাউনট্রেন্ডে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
  23. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেটের ১.১২০০বাই এন্ট্রি দেওয়া হয়েছে।১.১০৮০ প্রাইস ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০৮০,১.১০১০,১.০৯১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৪০,১.১৩০০,১.১৩৮০ বাই এন্ট্রি: ১.১২০০ স্টপ লস: ১.১০৮০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১২৭০,১.১৩৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.১২৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.১০৫০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০৫০,১.০৯৫০,১.০৭৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৫০,১.১৩৫০,১.১৫০০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেটের ১.২২৫০ সেল এন্ট্রি দেওয়া হয়েছে।১.২২৫০ সাপোর্ট লেভেল দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২১৫০,১.১৯৮০,১.১৬৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৪২০,১.২৫৫০,১.২৭৩০ সেল এন্ট্রি: ১.২২৫০ স্টপ লস: ১.২৪৫০ ট্রেডের সম্ভাবনা: হাই টেক প্রফিট: ১.২১৫০,১.১৯৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৫০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২১৫০,১.১৯৮০,১.১৬৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৫০০,১.২৬৪০,১.২৮৫০
  24. ২০১৯ সালের অক্টোবরে পাউন্ড/ডলার পেয়ারটিকে বর্তমান প্রাইসে দেখা গিয়েছিল। বিসিসি (BCC) এর মতে, ব্রিটিশ জিডিপি দুর্বল আসার সম্ভবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের করোনাভাইরাস সম্পর্কিত আলোচনায় চ্যান্সেলর রিশি সুনাক যোগ দেবেন এবং আলোচনা থেকে ব্রিটিশ ইকোনমি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য আসতে পারে। ব্রিটিশ জব ডাটা মার্কেটে প্রভাব ফেলতে পারে। আজকের সেশনে পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত রেখেছে এবং ১.২২৫০ প্রাইসের নিচে ট্রেডিং করছে। ২০১৯ সালের অক্টোবরে পেয়ারটি ১.২৩ প্রাইসের নিচে এসেছিল। পেয়ারটির প্রাইস কমার পিছনে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) কাজ করছে। গতকাল ২৪ ঘন্টার মধ্যে যুক্তরাজ্যে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফরে ইকোনমিক স্থিবিরতা ক্রমাগত বাড়ছে এবং পাউন্ডের প্রাইস কমছে। ব্রিটিশ চেম্বারস অব কমার্সের (BCC)অর্থনীতি বিভাগের প্রধান সুরেন থিরু বলেন, কারোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিশ্বব্যাপী আর্থিন সংকটের কারণে ব্রিটিশ জিডিপি বৃদ্ধির সম্ভাবনা খুবই কম। নিউজটি পাউন্ডের প্রাইস কমার দিক নির্দেশা দিচ্ছে। বিকাল ৩:৩০ মিনিটে ফেব্রুযারি মাসের জব রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে। জানুয়ারিতে ব্রিটিশ ইকোনমিতে ৫ হাজার ৫০০ জব এসেছিল। ফেব্রুয়ারির রিপোর্টে কিছুটা বেড়ে ৬ হাজার ২০০ আসতে পারে।এছাড়াও আজকে ইভেন্টগুলো মধ্যে রয়েছে জানুয়ারি মাসের বেকারত্বের হার । প্রত্যাশা করা হচ্ছে, বেকারত্বের হার ৩.৮% এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.২২৩০।পেয়ারটি ১.২২৩০ সাপোর্ট লেভেলকে অতিক্রম করতে সক্ষম হলে পরবর্তীতে ১.২২০০ এবং ২১৪০ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু হলে ১.২৪২৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে।
  25. গত সপ্তাহে AUDUSD পেয়ারটি ডাউনট্রেন্ডে ছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো চারটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং AUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। ফেব্রুয়ারিতে অস্টেলিয়ার বিজনেস সেন্টিমেন্ট -৪ পয়েন্ট কমেছিল। জানুয়ারিতেও সেক্টরটি ডাউনট্রেন্ডে (-১) ছিল। মার্চ মাসে অস্টেলিয়ার কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ২.৩% থেকে বেড়ে ৩.৪% এসেছে। করোনাভাইরাস মার্কিন ইকোনমির উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প যুক্তরাজ্য ব্যতীত ইউরোপের সকল দেশে ৩০ দিনের জন্য ভ্রমণ স্থগিত করেছে। যার ফলে মার্কিন ডলার কিছুটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ফেব্রুয়ারি মাসের মুদ্রাস্ফীতি (CPI) ০.১% এবং Core CPI ০.২% এসেছে। ফেব্রুয়ারিতে কনজিউমার কনফিডেন্স ১০০.৯ থেকে কমে ৯৫.৯ পয়েন্ট এসেছে। AUDUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.RBA Monetary Policy Meeting Minutes মঙ্গলবার,ভোর ০৫:৩০। ব্যাংক অব অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট ০.৭৫% থেকে কমিয়ে ০.৫০% এনেছে। এবারের মিনিংয়ে কি ডিসিশন আসে সেটা দেখার বিষয়। ২.House Price Index মঙ্গলবার,ভোর ০৫:৩০। অস্টেলিয়ার এ সেক্টরটি গত ছয়বার ক্রমাগত খারাপ করলেও তৃতীয় প্রান্তীকে বেড়ে ২.৪% এসেছে। সেক্টরটি খুব সহজেই প্রত্যাশিত ০.৫% লেভেল অতিক্রম করেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ৪র্থ প্রান্তীকেও সেক্টরটি আপট্রেন্ডে থাকতে পারে এবং ৪.৫% আসতে পারে। ৩.MI Leading Index মঙ্গলবার, ভোর ০৪:৩০। গতবারের রিপোর্টে এ সেক্টর থেকে ০.১% এসেছিল। বর্তমানে আমরা ফেব্রুয়ারি মাসের রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। ৪.Employment Reports বৃহস্পতিবার,ভোর ০৪:৩০। জানুয়ারিতে অস্টেলিয়ার এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্ট ২৮ হাজার ৯০০ থেকে কমে ১৩ হাজার ৫০০ এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতেও সেক্টরটির ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত থাকতে পারে এবং ৮ হাজার ৫০০ আসতে পারে এবং বেকারত্বের হার ৫.৩% এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। AUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো আমরা ০.৬৫৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ০.৬৪৫৬। গত সপ্তাহে ০.৬৩৮০ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। ২০০৯ সালে ০.৬৩৮০ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ০.৬২৪০। গত সপ্তাহে পেয়ারটি ০.৬১৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্ট করেছিল। পেয়ারটির ক্ষেত্রে ০.৬০০০ একটি রাউন্ড লেভেল হতে পারে। পেয়ারটির সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ০.৫৮২০। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে AUDUSD পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। করোনাভাইরাস ক্রমাগত বিশ্ব ইকোনমিকে প্রভাবিত করছে। বিশেষ করে চীনা ইকোনমিকে। অস্টেলিয়া যেহেতু চীনের সবথেকে বড় ট্রেডিং পার্টনার সেহেতু ইকোনমিক মন্দা অস্টেলিয়ার ইকোনমিতে প্রভাব ফেলবে।
×
×
  • Create New...