Jump to content

মার্কেট আপডেট

Members
  • Content count

    862
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    11

Everything posted by মার্কেট আপডেট

  1. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে। মার্কেটে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে খুব তাড়াতাড়ি ট্রেন্ডগুলো পরিবর্তন হচ্ছে।তাই মার্কেট শান্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভাল হবে। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০১০,১.০৯৯০,১.০৯৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৬০,১.১০৮০,১.১১১০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১.১০৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯৭০,১.০৯৫০,১.০৯৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৪০,১.১০৭০,১.১১১০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১.২৮৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৮৭০,১.২৮৫০,১.২৮২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৮৯০,১.২৯১০,১.২৯৪০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১.২৯০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। পরবর্তী ‍গুররুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.২৯৭০ ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৭৬০,১.২৬৯০,১.২৫৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল:১.২৯০০,১.২৯৭০,১.৩০৭০
  2. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১ম টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৭৯০,০.৬৭৭০,০.৬৭৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৮৩০,০.৬৮৫০,০.৬৮৮০ সেল এন্ট্রি: ০.৬৮৩০ স্টপ লস: ০.৬৮৩০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ০.৬৮১৫,০.৬৭৯০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১ম টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৭৮০,০.৬৭৪০,০.৬৬৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৮৬০,০.৬৯০০,০.৬৯৬০ সেল এন্ট্রি: ০.৬৮৬০ স্টপ লস: ০.৬৮৬০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ০.৬৮৩০,০.৬৭৮০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১ম টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। সাপোর্ট লেভেল: ১০৮.৪০,১০৮.২০,১০৭.৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৮.৮৫,১০৯.১০,১০৯.৪০ সেল এন্ট্রি: ১০৮.৮৫ স্টপ লস: ১০৮.৮৫ টেক প্রফিট: ১০৮.৭০,১০৮.৪০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১০৯.১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৮.৫০,১০৮.১০,১০৭.৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.১০,১০৯.৫০,১১০.১০
  3. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেটের ১.০৯৯৫ একটি সাপোর্ট লেভেল এবং ১.০৯৯৫-তে সেল এন্ট্রি দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.০৯৮৫,১.০৯৭০,১.০৯৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০১০,১.১০২৫,১.১০৫০ সেল এন্ট্রি: ১.০৯৯৫ স্টপ লস: ১.১০১০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.০৯৮৫,১.০৯৭০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) পেয়ারটি ১.১০৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.০৯৭০,১.০৯৫০,১.০৯৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০৪০,১.১০৭০,১.১১১০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১.২৮১০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে এবং ১.২৮১০ প্রাইসে সেল এন্ট্রি নেওয়া যেতে পারে। ১.২৮৭০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে উপরে উঠলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৮১০,১.২৭৮০,১.২৭২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৮৭০,১.২৯০০,১.২৯৫০ বাই এন্ট্রি: ১.২৯০০ স্টপ লস: ১.২৮৭০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৭৮০,১.২৭২০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) পেয়ারটি ১.২৯০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৭৬০,১.২৬৯০,১.২৫৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৯০০,১.২৯৭০,১.৩০৭০
  4. USDJPY পেয়ারটি গত আট দিনের সর্বনিন্ম প্রাইসের দিকে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ার পর পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমতে থাকে। বর্তমানেও পেয়ারটি ডাউনসাইড অবস্থানে রয়েছে। আজকের ট্রেডিং সেশনে পেয়ারটি ১০৭.৭০ প্রাইসের কাছাকাছি ট্রেডিং করছে। ১৪ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারটি পরবর্তীতে ১০৮.৫০ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। ২০০ দিনের SMA এবং ৩৮.২% ফিবোনাসি অনুযায়ী পেয়ারটি পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১০৮.৩০। পেয়ারটির ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হলে ৬১.৮% ফিবোনাসি অনুযায়ী ১০৮.০০ প্রাইসে আসতে পারে। অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু করলে ১০৯.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারটির আপট্রেন্ড দীর্ঘস্থায়ী হলে ১০৯.৩০ প্রাইসে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। USDJPY চার ঘন্টার চার্ট
  5. জার্মান GDP আজ দুপুর ০১:০০ জার্মান তৃতীয় প্রান্তীকের GDP রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে। জুন মাসে দ্বিতীয় প্রান্তীকের GDP রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছিল। ঐ রিপোর্টে দেখা গিয়েছিল জিডিপি শতকরা ০.১% কমেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবারও শতকরা ০.১% কমতে পারে। ‍ যেভাবে প্রভাবিত হতে পারে EURUSD গত কয়েকবারের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, জার্মান মেনুফেকচারিং সেক্টর ক্রমাগত খারাপ করছে। সাধারণত কোন দেশের জিডিপি নির্ভর করে সে দেশের মেনুফেকচারিং এবং সার্ভিস সেক্টরের উপর। যেহেতু জার্মান মেনুফেকচারিং সেক্টর গত কয়েকবারের রিপোর্টে তেমন ভাল অবস্থানে ছিল না। তাই প্রত্যাশা করা হচ্ছে, গতবারের মতো তৃতীয় প্রান্তীকের জিডিপি শতকরা ০.১% কমতে পারে। জার্মান জিডিপি প্রত্যাশিত লেভেল বা তার নিচে আসলে পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.০৯৯১ প্রাইসে আসতে পারে। তবে পেয়ারটির সেলিং প্রেসার শক্তিশালী হলে ১.০৯৫০ প্রাইসে আসতে পারে। জার্মান জিডিপি প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে আসলে, পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে পেয়ারটির প্রাইস বেড়ে ১.১০৪০/৫৬ প্রাইসে আসতে পারে। ১০০ দিনের DMA অনুযায়ী,পেয়ারটির পরবর্তী পদক্ষেপ হতে পারে ১.১১০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে।
  6. ফরেক্স বিশেষজ্ঞদল ইউওবি গ্রুপের মতে, ইউরো/ডলারের প্রাইস কমে ১.০৯৭০-তে আসতে পারে। আজকের সেশনে ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১০০০ সাপোর্ট লেভেলকে অতিক্রম করলেও পরবর্তীতে বেড়ে ১.১০১৯ প্রাইসে এসেছিল। ইউরোজোন ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে আসার কারণে পেয়ারটি ১.১০১৯ প্রাইসে এসেছিল। আজ যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি ইভেন্ট রয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ইভেন্টগুলো ভাল আসতে পারে। সুতরাং ইভেন্টগুলো প্রত্যাশিত লেভেল বা তার উপরে আসলে ডলারের প্রাইস বাড়তে পারে অপরদিকে ইউরোর প্রাইস কমতে পারে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.১০১০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে পেয়ারটির ক্ষেত্রে পুনরায় ১.১০০০ একটি শক্তিশালী সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে পেয়ারটি ১.১০০০ প্রাইসকে অতিক্রম করলে ১.০৯৭০ প্রাইসে আসতে পারে। সুতরাং ট্রেডারদের ইভেন্টগুলোর প্রতি নজর রাখা পয়োজন। অপরদিকে ইভেন্টগুলো প্রত্যাশিত লেভেলের নিচে আসলে পেয়ারটির ক্ষেত্রে ১.১০৪৫ একটি শক্তিশালী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করতে পারে।
  7. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ০.৬৮৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ০.৬৮৩০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৩০,০.৬৮১৫,০.৬৭৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৮৬০,০.৬৮৭৫,০.৬৯০০ টেক প্রফিট: ০.৬৮১৫,০.৬৭৯০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেটের ০.৬৮৬০ একটি সাপোর্ট লেভেল এবং ০.৬৮৬০ একটি সেল সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮১০,০.৬৭৮০,০.৬৭২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৮৬০,০.৬৯০০,০.৬৯৬০ সেল এন্ট্রি: ০.৬৮৬০ স্টপ লস: ০.৬৮৬০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ০.৬৮৩০,০.৬৭৮০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১০৯.২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১০৮.৮৫ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১০৯.৪০। সাপোর্ট লেভেল: ১০৮.৮৫,১০৮.৭০,১০৮.৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.২০,১০৯.৪০,১০৯.৭০ টেক প্রফিট: ১০৮.৭০,১০৮.৪৫ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১০৮.৯০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১০৯.৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৮.৮০,১০৮.৫০,১০৭.৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.৫০,১৯.৮৫,১১০.৪৫ টেক প্রফিট: ১০৯.৮৫,১১০.৪৫
  8. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেটের ১.১০১৫ একটি সাপোর্ট লেভেল এবং ১.১০১৫-তে সেল সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১০০০,১.০৯৭৫,১.০৯৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০৪৫,১.১০৬৫,১.১১০০ সেল এন্ট্রি: ১.১০১৫ স্টপ লস: ১.১০৪৫ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১০০০,১.০৯৭৫ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) পেয়ারটি ১.১০৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.০৯৭০,১.০৯৫০,১.০৯৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০৪০,১.১০৭০,১.১১১০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট আপট্রেন্ডে রয়েছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য ১.২৯০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.২৮১০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৮১০,১.২৭৮০,১.২৭২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৯০০,১.২৯৫০,১.৩০৩০ বাই এন্ট্রি: ১.২৯০০ স্টপ লস: ১.২৮১০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৯৫০,১.৩০৩০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) পেয়ারটি ১.২৯০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৭৬০,১.২৬৯০,১.২৫৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৯০০,১.২৯৭০,১.৩০৭০
  9. পেয়ারটি দু’সপ্তাহের নিন্ম প্রাইসে অবস্থান করছে। গতকালের ট্রাম্পের বক্তব্য পেয়ারটিকে হিট করেছে। বর্তমানে পেয়ারটি ট্রেড নিউজ,যুক্তরাষ্ট্রের ডাটা এবং জেরেমি পাওয়েলের কনফারেন্সের অপেক্ষা করছে। গতকাল ট্রাম্পের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বিরাজমান বানিজ্য চুক্তি সম্পর্কে নতুন কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। যার ফলে বানিজ্য আলোচনা স্থবির অবস্থানে রয়েছে। যেহেতু চীনের সব থেকে বড় বানিজ্য পার্টনার অস্টেলিয়া। তাই এর প্রভাব অস্টেলিয়ান ডলারকে প্রভাবিত করছে। এছাড়াও গত কয়েকদিন মার্কিন ডলারের বিরুদ্ধে অস্টেলিয়ান ডলার তেমন ভাল সুবিধা করতে পারেনি। আজ যুক্তরাষ্ট্রের CPI ডাটা এবং ফেড চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েলের বিবৃতিকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস আরও কমতে পারে। তবে রিপোর্টগুলো ডভিশ আসলে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। এছাড়াও আগমীকাল ভোর ০৪:৩০ মিনিটে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়ার মনেটারী পলিসি রিপোর্ট রয়েছে। ইভেন্টটি অস্টেলিয়ান ডলারের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং ট্রেডারদের এ ইভেন্টের প্রতি নজর রাখা প্রয়োজন।
  10. ইউরো/ডলার গত চার সপ্তাহের সর্বনিন্ম প্রাইসে অবস্থান করছে। মার্কেটে ইউরোজোন ডাটা, যুক্তরাষ্ট্রের CPI এবং ফেড পেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েলের কনফারেন্স মুভমেন্ট সৃষ্টি করতে পারে। ইউরোপিয়ান সেশন ওপেন হওয়ার পূর্বে ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১০ প্রাইসের উপরে অবস্থান করছে। পেয়ারটির জন্য ১.১০০০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করছে। গতকাল ডলারের প্রাইস বেড়েছিল এবং প্রত্যাশা করা হয়েছিল, ট্রাম্পের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ডলারের প্রাইস আরও বাড়তে পারে। তবে তার বক্তব্য মার্কেটে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। বর্তমানে ডলার ৯৮.৩০ প্রাইসে অবস্থান করছে। আজ যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি ইভেন্ট রয়েছে,ইভেন্টগুলো প্রত্যাশিত লেভেল বা তার উপরে আসলে পেয়ারটি গত চার সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ৯৮.৪২ –কে অতিক্রম করতে পারে। ইউরোপিয়ান সেশনে ৫-DMA অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১০২৫ প্রাইসের দিকে যেতে পারে। আজ রাত ০৭:৩০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের CPI ডাটা প্রকাশ করা হবে এবং প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের CPI ০.০% থেকে বেড়ে ০.৩% আসতে পারে। যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস আরও কমতে পারে এবং অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.০৯৯১ আসতে পারে। এছাড়াও আজ রাত ১০.০০ ফেড চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েলের কনফারেন্স রয়েছে, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি এবং ফেডের মনেটারী পলিসি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। পাওয়েলের আলোচনা থেকে ডভিশ সিদ্ধান্ত বা ইকোনমি সম্পর্কে নেতিবাচক বিষয় আসলে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। ভাল নিউজ আসলে পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
  11. যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ইভেন্টগুলো পেয়ারটিকে বিয়ারিশ অবস্থানে রেখেছে। মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যের এমপ্লয়মেন্ট ডাটা মিশ্র অবস্থানে রয়েছে। যুক্তরাজ্যের এমপ্লয়মেন্ট ডাটা মিশ্র অবস্থানে থাকার কারণে পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু করেছে। এছাড়াও যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ইভেন্টগুলো পেয়ারটিকে ডাউনট্রেন্ডে রাখছে। এবারের রিপোর্টে যুক্তরাজ্যের প্রত্যাশিত ২১ হাজার ৩০০ জব থেকে বেড়ে ৩৩ হাজার এসেছে। তবে বেকারত্বে হার প্রত্যাশিত ৩.৯% থেকে কমে ৩.৮% এসেছে। ওয়েজ(বেতন) মাসিক হিসেব অনুযায়ী, প্রত্যাশিত ৩.৮% থেকে কমে ৩.৬% এবং বাৎসরিক হিসেব অনুযায়ী,৩.৮% থেকে কমে ৩.৬% এসেছে। যার ফলে আজ ডলারের বিরুদ্ধে পাউন্ড তেমন শক্তিশালী হতে পারেনি। পেয়ারটি বর্তমানে ১.২৮৮০ প্রাইসে ট্রেডিং করছে। পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ১.২৯০০ এবং ১.২৯৭০। পেয়ারটির ডাউনট্রেন্ড স্থায়ী হলে পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.২৮০০। পেয়ারটি ১.২৮০০ প্রাইসকে অতিক্রম করলে, পরবর্তীতে ১.২৭৬৫ এবং ১.২৭০০ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে।
  12. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ০.৬৮৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ০.৬৮৩০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৩০,০.৬৮১৫,০.৬৭৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৮৭০,০.৬৮৮৫,০.৬৯১৫ টেক প্রফিট: ০.৬৮১৫,০.৬৭৯০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেটের ০.৬৮৬০ একটি সাপোর্ট লেভেল এবং ০.৬৮৬০ একটি সেল সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৩০,০.৬৭৮০,০.৬৭০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৯১৫,০.৬৯৬০,০.৭০৩০ বাই এন্ট্রি: ০.৬৮৬০ স্টপ লস: ০.৬৯১৫ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ০.৬৮৩০,০.৬৭৮০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১০৯.১০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১০৯.১০,১০৮.৯০,১০৮.৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.৫০,১০৯.৮০,১১০.৪০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১০৮.৯০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১০৯.৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৮.৯০,১০৮.৬০,১০৮.১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.৫০,১০৯.৮০,১১০.৪০ টেক প্রফিট: ১০৯.৮০,১১০.৪০
  13. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১.১০৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের ব্রেক করতে পারে। পেয়ারটি ১.১০২৫ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১০২৫,১.১০১০,১.০৯৮৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০৪৫,১.১০৫৫,১.১০৭০ সেল এন্ট্রি: ১.১০৪৫ স্টপ লস: ১.১০২৫ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১০৫৫,১.১০৭০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) পেয়ারটি ১.১০৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১০০০,১.০৯৭০,১.০৯২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০৮০,১.১১১০,১.১১৬০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১.২৮৪০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.২৯০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.২৮১০। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৮৪০,১.২৮১০,১.২৭৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৯০০,১.২৯৩০,১.২৯৮০ টেক প্রফিট: ১.২৯৩০,১.২৯৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) মার্কেট ১.২৯০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.২৯৭০। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৭৬০,১.২৬৯০,১.২৫৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৯০০,১.২৯৭০,১.৩০৭০
  14. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের জয়ের সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে প্রাইস বাড়তে শুরু করেছে পাউন্ড/ডলারের। কনফ্লুয়েন্স ইনডিকেটর, ৬১.৮% ফিকোনাসি অনুযায়ী পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ১.২৮৮০। পেয়ারটি ১.২৮৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলকে অতিক্রম করলে পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে এ মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.৩০১৩। পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু করলে ৩৮.২% ফিবোনাসি এবং ১০০ ঘন্টার মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১.২৮৪০ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারটি ১.২৮৪০ সাপোর্ট লেভেলকে অতিক্রম করলে। ১৬১.৮% ফিবোনাসি অনুযায়ী,পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.২৭৭০। পাউন্ড/ডলার
  15. যু্ক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য আলোচনা নিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির কারণে ডলার কিছুটা দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। পেয়ারটির ক্ষেত্রে আজকের মূল ফোকাস ব্রিটিশ জব রিপোর্ট এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কনফারেন্স। যুক্তরাজ্যের রাজনীতি কিছুটা শান্ত অবস্থানে থাকার কারণে লন্ডন সেশন ওপেনের পূর্বে পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু করেছে। আজ দুপুর ০৩:৩০ মিনিটে যুক্তরাজ্যের এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, গতবারের তুলনায় এবারের রিপোর্ট ভাল আসতে পারে। সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যের ইকোনমিতে ২১ হাজার ১০০ জব তৈরি হয়েছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, অক্টোবরে বেড়ে ২৪ হাজার ২০০ আসতে পারে। বেকারত্বের হার শতকরা ৩.৯% অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। এর ফলে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। আজ রাতে প্রেসিডেন্ডে ট্রাম্পের কনফারেন্স রয়েছে। এ কনফারেন্সে তিনি চীন এবং যুক্তরাজ্যের বানিজ্য আলোচনার ব্যাপারে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেন। যার ফলে মার্কেটে মুভমেন্ট সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং বিনিয়োগকারীদের ট্রাম্পের কনফারেন্সের দিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। পেয়ারটি বর্তমানে ১.২৮৫৬ প্রাইসে অবস্থান করছে। ২১ দিনের এসএমএ অনুযায়ী,পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে ১.২৮৭৫। পেয়ারটি ১.২৮৭৫ প্রাইসকে অতিক্রম করলে পরবর্তী টার্গেট হতে পারে ১.২৯৪৫। পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু হলে ১.২৭৭০ প্রাইসে আসতে পারে। ২০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী, পেয়ারটি ডাউনট্রেন্ডে স্থায় হলে ১.২৭০০ প্রাইসে আসতে পারে।
  16. ইউরো/ডলার পেয়ারটি ধীরগতিতে রিকভার করছে। যুক্তরাষ্ট- চীনের বানিজ্য চুক্তির দুর্দশা এবং হংকং বিক্ষোভ মার্কেটে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। ট্রাম্পের কনফারেন্সের পূর্বে জার্মান ZEW পরিসংখ্যানের ফলে ইউরোর প্রাইস বাড়তে পারে। ইউরোপিয়ান সেশন ওপেন হওয়ার পূর্বে ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১০৩০ প্রাইসের উপরে ট্রেডিং করছে। জার্মান ZEW পরিসংখ্যানকে কেন্দ্র করে পেয়ারটি ১.১০৫০ প্রাইসের দিকে যেতে পারে। গত সপ্তাহে ডলার শক্তিশালী হওয়ার কারণে ইউরোর প্রাইস বেশ ভালভাবেই কমেছিল। যু্ক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য চুক্তি সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার কারণে ডলারের প্রাইস কিছুটা কমেছে,অপরদিকে ইউরোর প্রাইস বাড়েছে। যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস বেড়ে ১.১০৩০ এর উপরে অবস্থান করছে। ইউরোজোন ইকোনমি যেহেতু তেমন ভাল অবস্থানে নেই। যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস সাময়িক সময়ের জন্য বাড়লেও পরবর্তীতে কমার সম্ভাবনা রয়েছে। গতবারের রিপোর্টে জার্মান ZEW ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট কমে -২২.৮ পয়েন্ট এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, গতবারের থেকে এবার কিছুটা ভাল হয়ে -১৩.০ আসতে পারে। যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস বেড়ে ১.১০৫০ এর কাছাকাছি যেতে পারে। আজ রাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্পের কনফারেন্স রয়েছে। তার কনফারেন্সকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির মুভমেন্ট বাড়তে পারে। সুতরাং আজকের ইভেন্টগুলো মধে এটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
  17. গত সপ্তাহে AUDUSD পেয়ারটির প্রাইস কমেছিল। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে এ ধরণের প্রাইস দেখা গিয়েছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো অস্টেলিয়ার বেশ কিছু ইভেন্ট রয়েছে। ইভেন্টগুলোর মধ্যে কনজিউমার কনফিডন্স এবং এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং AUDUSD পেয়ারটির টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসগুলো আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে প্রকাশিত সেপ্টেম্বর মাসে অস্টেলিয়ায় রিটেইল সেলস শতকরা ০.২% এসেছে। এছাড়াও রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.৭৫% নির্ধারণ করেছে। মে মাসের পর থেকে এখন পর্যন্ত ব্যাংক তিনবার ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছে। এর ফলে গত সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কমেছিল। অ্যানালাইসিস্টগন ধারণা করছে, ২০২০ সালের আগে ব্যাংক ইন্টারেস্ট রেট না কমালে অস্টেলিয়ান ডলার আরও শক্তিশালী হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভিস সেক্টরের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে,এ সেক্টরটি প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে এসেছে।যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভিস পিএমআই ৫৪.৭ পয়েন্ট এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ৫৩.৫ পয়েন্টের উপরে এসেছে। তবে UoM কনজিউমার সেন্টিমেন্ট প্রত্যাশিত ৯৭.০ থেকে কমে ৯৫.৭ পয়েন্ট এসেছে।এছাড়াও গত সপ্তাহে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্যের অগ্রগতি মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে সহায়তা করেছিল। ১.Chinese New Loans সোমবার,বিকাল ৫ থেকে ৬। সেপ্টেম্বর মাসে জাপান ব্যাংকে ১৬৯০ বিলিয়ন লোন বেড়েছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, অক্টোবরে ৮০০ বিলিয়ন লোন আসতে পারে। ২.NAB Business Confidence বুধবার,ভোর ০৫:৩০। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া গত তিনবার ইন্টারেস্ট রেট কমানোর কারণে বিজনেস কনফিডেন্স খারাপ অবস্থানে রয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, অক্টোবর মাসেও এ সেক্টরটি খারাপ অবস্থানে থাকতে পারে। ৩.Westpac Consumer Sentiment মঙ্গলবার,রাত ০৪:৩০। কনজিউমার কনফিডেন্স তেমন ভাল অবস্থানে নেই। অক্টোবরে কনজিউমার কনফিডেন্স শতকরা ৫.৫% কমেছিল। সেপ্টেম্বরে সেক্টরটি কেমন আসে, সেটা দেখার বিষয়। ৪.Wage Price Index বুধবার, ভোর ০৫:৩০। অস্টেলিয়ার ওয়েজ (বেতন) ধীরগতিতে বাড়ছে। ২য় কোয়াটারে ওয়েজ শতকরা ০.৬% বেড়েছিল। এটা গত কোয়াটার ০.৫% এর তুলনায় বেড়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ৩য় প্রান্তীকে ওয়েজ শতকরা ০.৫% বাড়তে পারে। ৫.MI Inflation Expectations শুক্রবার,ভোর ০৫:০০। আগস্ট মাসে এ সেক্টরে শতকরা ৩.১% বেড়েছিল। আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে বেড়ে ৩.৬% এসেছিল। সুতরাং প্রত্যাশা করা হচ্ছে, অক্টোবরে এ সেক্টরটি আপট্রেন্ডে থাকতে পারে। ৬.Employment Data বৃহস্পতিবার,ভোর ০৫:৩০। আগস্ট মাসে অস্টেলিয়ার ইকোনমিতে ৩৪ হাজার ৭০০ জব যোগ হয়েছিল। সেখান থেকে কমে সেপ্টেম্বরে ১৪ হাজার ৭০০ এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, অক্টোবরে ১৬ হাজার ২০০ আসতে পারে। বেকারত্বের হার ৫.৩% থেকে কমে ৫.২% এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে,এবারও বেকারত্বের হার গতবারের মতো থাকতে পারে। AUDUSD পেয়ারটির প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো AUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো আমরা ০.৭২৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। এপ্রিলের শুরুর দিকে ০.৭১৬৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। জুলাই মাসে ০.৭০৮৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ০.৭০২২। পরবর্তীতে পেয়ারটি ০.৬৯৮৮ রেজিস্ট্রান্স লেভেল থেকে ৭০ লেভেলের দিকে যান। গত সপ্তাহে ০.৬৮৬৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ০.৬৭৪৪। অক্টোবরের শুরুর দিকে পেয়ারটি ০.৬৬৮৬ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করেছিল। ২০০৯ সালের মার্চ মাসে ০.৬৬২৭ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৬৫৩২। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট কমানোর কারণে অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও ইকোনমিক অস্থিরতার কারণে বিজনেস এবং কনজিউমার সেক্টর উদ্ধিগ্নতা বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন একটি চুক্তিতে পৌঁছালে মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে পারে।
  18. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ০.৬৮৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৩০,০.৬৮১০,০.৬৭৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৮৭০,০.৬৮৯০,০.৬৯২০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেটের ০.৬৮৬০ একটি সাপোর্ট লেভেল এবং ০.৬৮৬০ একটি সেল সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৩০,০.৬৭৮০,০.৬৭০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৯১৫,০.৬৯৬০,০.৭০৩০ বাই এন্ট্রি: ০.৬৮৬০ স্টপ লস: ০.৬৯১৫ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ০.৬৮৩০,০.৬৭৮০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১৯.২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১০৮.৮০,১০৮.৬০,১০৮.৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.২০,১০৯.৪০,১০৯.৭০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১০৮.৬০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১০৯.৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৮.৭০,১০৮.৪০,১০৭.৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.৫০,১০৯.৮০,১১০.৪০ টেক প্রফিট: ১০৯.৮০,১১০.৪০
  19. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১ম টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১০১০,১.০৯৯০,১.০৯৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০৬০,১.১০৮০,১.১১১০ সেল এন্ট্রি: ১.১০৬০ স্টপ লস: ১.১০৬০ ট্রেডের সম্ভাবনা: হাই টেক প্রফিট: ১.১০৪০,১.১০১০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) পেয়ারটি ১.১০৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১০০০,১.০৯৭০,১.০৯২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০৮০,১.১১১০,১.১১৬০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১.২৮২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.২৭৬০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৭৬০,১.২৭৪০,১.২৭১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৮২০,১.২৮৫০,১.২৯০০ টেক প্রফিট: ১.২৭৪০,১.২৭১০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) পেয়ারটি ১.২৮৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৭৬০,১.২৭১০,১.২৬৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৮৫০,১.২৯০০,১.২৯৭০
  20. গত সপ্তাহে ডলার/ইয়েন পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বেড়েছিল। তবে এ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের নজর থাকবে তৃতীয় প্রান্তীকের GDP রিপোর্টের দিকে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে,এবার জিডিপি শতকরা ০.২% আসতে পারে। USDJPY ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস সেপ্টেম্বরে জাপানী পরিবারের ব্যয় শতকরা ৯.৫% বেড়েছে। সুতরাং অক্টোবরে জাপানী কনজিউমার সেক্টরটি বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে। তবে এটা যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমির তুলনায় তেমন ভাল অবস্থানে নেই,যেটা ইয়েনকে শক্তিশালী করতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভিস সেক্টরের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে,এ সেক্টরটি প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে এসেছে।যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভিস পিএমআই ৫৪.৭ পয়েন্ট এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ৫৩.৫ পয়েন্টের উপরে এসেছে। তবে UoM কনজিউমার সেন্টিমেন্ট প্রত্যাশিত ৯৭.০ থেকে কমে ৯৫.৭ পয়েন্ট এসেছে।এছাড়াও গত সপ্তাহে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্যের অগ্রগতি মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে সহায়তা করেছিল। USDJPY টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আমরা ১১২.২৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। এপ্রিল মাসে ১১১.৬২ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১১০.৬২। মে মাসের শেষের দিকে ১০৯.৭৩ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১০৯.৩৫। ১০৮.৭৩ একটি সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১০৮.১০। অক্টোবরের শুরুর দিকে ১০৭.৩০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১০৬.৬১। আগস্ট মাসের শেষের দিকে ১০৫.৫৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেলও ১০৫.৫৫। USDJPY প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লাইনগুলো দেওয়া হলো শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। বৈশ্বিক ইকোনমিক দু্র্বলতা জামানের রপ্তানী এবং মেনুফেকচারিং সেক্টরের উপর প্রভাব ফেলছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন একটি সমঝোতায় পৌঁছাবে। যার ফলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে পারে এবং ইয়েনের প্রাইস কমতে পারে। সুতরাং প্রত্যাশা করা হচ্ছে এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে।
  21. গত সপ্তাহে পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা কমেছিল। পেয়ারটির প্রাইস কমার পিছনে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ডভিশ অবস্থানসহ আরও কয়েকটি ইভেন্ট কাজ করেছিল। এ সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের জিডিপি এবং মুদ্রাস্ফীতি পেয়ারটিকে প্রভাবিত করতে পারে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসগুলো আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে ব্রিটিশ পিএমআই রিপোর্টগুলো তেমন ভাল আসেনি। কন্সট্রাকশন পিএমআই ৪৪.২ পয়েন্ট এসেছিল। সার্ভিস পিএমআই কিছুটা বেড়ে ৫০.০ পয়েন্ট এসেছে। ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.৭৫% নির্ধারণ করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেটে আর কোন পরিবর্তন করতে না পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভিস সেক্টরের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে,এ সেক্টরটি প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে এসেছে।যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভিস পিএমআই ৫৪.৭ পয়েন্ট এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ৫৩.৫ পয়েন্টের উপরে এসেছে। তবে UoM কনজিউমার সেন্টিমেন্ট প্রত্যাশিত ৯৭.০ থেকে কমে ৯৫.৭ পয়েন্ট এসেছে।এছাড়াও গত সপ্তাহে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্যের অগ্রগতি মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে সহায়তা করেছিল। ১.Preliminary GDP সোমবার,দুপুর ০৩:৩০। দ্বিতীয় কোয়াটারে যুক্তরাজ্যে জিডিপি শতকরা ০.২% কমেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ৩য় প্রান্তীকে বেড়ে ০.২% এর উপরে আসতে পারে। ২.Manufacturing Production সোমবার ০৩:৩০। আগস্ট মাসে মেনুফেকচারিং প্রডাকশন শতকরা ০.৭% কমেছিল। এটা প্রত্যাশিত লেভেলের সাথে ০.১% যোগ হয়েছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বর মাসেও এ সেক্টরটি খারাপ করতে পারে এবং শতকরা ০.২% কমতে পারে। ৩.UK Jobs Report মঙ্গলবার,দুপুর ০৩:৩০। ‍যুক্তরাজ্যের ওয়েজ (বেতন) গত কয়েকবার ভাল অবস্থানে থাকলেও, আগস্ট মাসে ৪.০% থেকে কমে ৩.৮% এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবারের রিপোর্টে এর কোন পরিবর্তন হবে না। সেপ্টেম্বর মাসের রিপোর্টে যুক্তরাজ্যে ২১ হাজার ১০০ বেকারত্ব প্রকাশিত হয়েছে। এটা গত ৮ মাসের মধ্যে সবথেকে খারাপ রিপোর্ট। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, অক্টোবরে ২৪ হাজার ২০০ আসতে পারে। সুতরাং এবার বেকারত্বের হার ৩.৯% থাকতে পারে। ৪.UK Inflation বুধবার,বিকাল ০৩:৩০। সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যে CPI শতকরা ১.৭% অপরিবর্তনীয় ছিল। এটা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের নির্ধারিত টার্গেট শতকরা ২.০% এর নিচে ছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবারের রিলিজে গত রিপোর্টের থেকে কিছুটা কমে ১.৬% আসতে পারে। ৫.Retail Sales বৃহস্পতিবার,দুপুর ০৩:৩০। সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলস অপরিবর্তনীয় ছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, অক্টোবরে এ সেক্টর থেকে শতকরা ০.২% বাড়তে পারে। ৬.CB Lending Index বৃহস্পতিবার,রাত ০৮:৩০। আগস্ট মাসে এ সেক্টর থেকে শতকরা ০.৫% এসেছিল। বর্তমানে আমরা সেপ্টেম্বর মাসের রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। GBPUSD প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লাইনগুলো দেওয়া হলো GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো আমরা ১.৩১৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। ২০১৮ সালের নভেম্বরে ১.৩০৭০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। অক্টোবরের মাঝামাঝিতে ১.৩০০০ একটি রাউন্ড নাম্বার ছিল। পরবর্তী রাউন্ড নাম্বার ছিল ১.২৯১০। পরবর্তীতে ১.২৮৫০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। অক্টোবরের মাঝামাঝিতে ১.২৭২৮ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.২৬১৬। অক্টোবরের মাঝামাঝিতে ১.২৫৩৫ একটি শক্তিশালী সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.২৪২০। শেষ কথা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। ডিসেম্বরের নির্বাচন এবং ব্রেক্সিটের কারণে বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা কম। এ সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের যে কোন দুর্বল ইভেন্ট পাউন্ডের প্রাইস কমাতে সহায়তা করতে পারে।
  22. গত সপ্তাহে ইউরো/ডলারের প্রাইস বেশ ভালভাবেই কমেছিল।আগস্ট মাসের শেষের দিকে পেয়ারটিকে এ ধরণের প্রাইসে দেখা গিয়েছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো ছয়টি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসগুলো আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে ইউরোজোন মেনুফেকচারিং এবং সার্ভিস পিএমআই প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী আসলেও, মেনুফেকচারিং পিএমআই ৫০ পয়েন্টের নিচে ছিল। তবে সার্ভিস পিএমআই ৫০ পয়েন্টের উপরে এসেছিল। এবারের রিপোর্টে জার্মান মেনুফেকচারিং পিএমআই ৪২.১ পয়েন্ট এসেছে। গতবারের তুলনায় এটা ভাল এসেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভিস সেক্টরের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে,এ সেক্টরটি প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে এসেছে।যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভিস পিএমআই ৫৪.৭ পয়েন্ট এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ৫৩.৫ পয়েন্টের উপরে এসেছে। তবে UoM কনজিউমার সেন্টিমেন্ট প্রত্যাশিত ৯৭.০ থেকে কমে ৯৫.৭ পয়েন্ট এসেছে।এছাড়াও গত সপ্তাহে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্যের অগ্রগতি মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে সহায়তা করেছিল। ১.German ZEW Economic Sentiment মঙ্গলবার,বিকাল ০৪:০০। জার্মান ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট তেমন ভাল অবস্থানে নেই। অক্টোবর মাসে এ সেক্টরে ২২.৫ পয়েন্ট কমেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, নভেম্বর মাসে গতবারের তুলনায় কিছুটা কমে ১৩.২ পয়েন্ট আসতে পারে। সমগ্র ইউরোজোন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ সেক্টরে গতবারের -২৩.৫ পয়েন্ট থেকে কমে -১১.৫ পয়েন্ট আসতে পারে। ২.German Final CPI বুধবার,দুপুর ০১:০০। জার্মান CPI কিছুটা নমনীয় অবস্থানে রয়েছে। তাই আশা করা হচ্ছে, অক্টোবরে এ সেক্টরটি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ০.১% আসতে পারে। ৩.Eurozone Industrial Production বুধবার,বিকাল ০৪:০০। ইউরোজোন মেনুফেকচারিং সেক্টর তেমন ভাল অবস্থানে নেই। যার ফলে এ সেক্টরটিও গত তিনবারের রিপোর্টে দু’বার খারাপ করেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরের রিপোর্টেও একই অবস্থা বিরাজ করতে পারে এবং শতকরা ০.২% কমতে পারে। ৪.German Preliminary GDP বৃহস্পতিবার, দুপুর ০১:০০। জার্মান জিডিপি ২য় প্রান্তীকে কমে শতকরা ০.১% এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ৩য় প্রান্তীকেও ০.১% আসতে পারে। রিপোর্টটি ইউরোর উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। যার ফলে ইউরোর প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ৫.Eurozone Flash GDP বৃহস্পতিবার,বিকাল ০৪:০০। এবারের রিপোর্টে ইউরোজোন জিডিপি শতকরা ০.২% আসতে পারে। ৬.Eurozone Final CPI শুক্রবার,বিকাল ০৪:০০। ইউরোজোন CPI তেমন ভাল অবস্থানে নেই। সেপ্টেম্বরে এ সেক্টরটি ০.৮% থেকে কমে ০.৭% আসতে পারে। EURUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৩০০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১৩৪৫। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে ১.১২৯০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যাসন্স লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১২১৫। গত সপ্তাহে পেয়ারটি ১.১১১৯ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে কিছুটা স্থায়ী হতে চেয়েছিল। পরবর্তীতে ১০২৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে পৌঁছেছিল। পেয়ারটির ক্ষেত্রে পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ১.০৯৫০। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে ১.০৮২৯গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.০৬৯০। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে। সাপ্তাহিক চার্টের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, গত কয়েক সপ্তাহ উরোর প্রাইস বাড়ছে এবং কমছে। তবে ইউরোজোন ইকোনমির তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক ফেড ইন্টারেস্ট রেট কমানোর কারণে ডলার কিছুটা দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। সুতরাং এ সপ্তাহে পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে।
  23. গত সপ্তাহে USDCAD পেয়ারটির প্রাইস বেড়েছিল।এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো কানাডিয়ান একটি ইভেন্ট রয়েছে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি এবং রিটেইল সেলস মার্কেটে মুভমেন্ট সৃষ্টি করতে পারে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং USDCAD পেয়ারটির টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। শুক্রবার অক্টোবর মাসের কানাডিয়ান এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্ট রিলিজ হয়েছিল। রিপোর্টটি বেশ হতাশাজনক ছিল। কানাডিয়ান এমপ্লয়মেন্ট কমে ১ হাজার ৮০০ এসেছে। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ১৪ হাজার ৭০০ আসবে।দেশটিতে বেকারত্বের হার শতকরা ৫.৫% রয়েছে। গত সপ্তাহে কানাডার কন্সট্রাকশন সেক্টরও তেমন ভাল অবস্থানে ছিল না। কানাডায় বিল্ডিং অনুমোধন কমে শতকরা ৬.৫% এসেছে। এটা গত ৪ মাসের সর্বনিন্ম লেভেল। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল শতকরা ১.৯% কমতে পারে। এর ফলে শুক্রবার ডানাডিয়ান ডলারের প্রাইস সবথেকে বেশি কমেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভিস সেক্টরের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে,এ সেক্টরটি প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে এসেছে।যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভিস পিএমআই ৫৪.৭ পয়েন্ট এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ৫৩.৫ পয়েন্টের উপরে এসেছে। তবে UoM কনজিউমার সেন্টিমেন্ট প্রত্যাশিত ৯৭.০ পয়েন্ট থেকে কমে ৯৫.৭ পয়েন্ট এসেছে।এছাড়াও গত সপ্তাহে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্যের অগ্রগতি মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে সহায়তা করেছিল। ১.Foreign Securities Purchases মঙ্গলবার,সন্ধ্যা ০৭:৩০। গত দুই মাস এ সেক্টরটি খারাপ অবস্থানে থাকলেও আগস্টে বেড়ে ৪.৯৯ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার এসেছে।যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ১.৮০ ‍বিলিয় কমবে।সেপ্টেম্বরের রিপোর্টে এ ধরণের আরেকটি শক্তিশালী লেভেল দেখতে পারবো কিনা সেটা দেখার বিষয়। USDCAD পেয়ারটির প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো USDCAD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো আমরা ১.৩৫৬৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে ১.৩৪৪৫ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল।পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.৩৩৮৫। সেপ্টেম্বরের ‍শুরুর দিকে ১.৩৩৩০ গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। পরবর্তীতে ১.৩১৫০ একটি সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। গত সপ্তাহে ১.৩১০০ একটি সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে ১.২৯১৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.২৮৩০। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে USDCAD পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন বানিজ্য চুক্তিতে আসবে। যার ফলে এ সপ্তাহে ডলারের প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বানিজ্য অগ্রগতিতে বাধা পরিলক্ষিত হলে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস বাড়তে পারে।
  24. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছ। আশা করছি খুতড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০১০,১.০৯৬০,১.০৯৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৬০,১.১০৮০,১.১১১০ সেল এন্ট্রি: ১.১০৬০ স্টপ লস: ১.০৬০ ট্রেডের সম্ভাবনা:মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১০৪০,১.১০১০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১.১০৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১.১০০০,১.০৯৬০,১.০৯০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০৯০,১.১১২০,১.১২৮০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১.২৮৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৭৯০,১.২৭৬০,১.২৭১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৮৪০,১.২৮৭০,১.২৯১০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। তাই মার্কেট শান্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভাল হবে। ট্রেন্ডের ধরণ: নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৭৮০,১.২৭২০,১.২৬০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৯০০,১.২৯৬০,১.৩০৬০
  25. ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গর্ভনর কার্নির নেতিবাচক মন্তব্য পাউন্ডের প্রাইস কমাতে সহায়তা করছে। বানিজ্য আলোচনার প্রত্যাশাকে কেন্দ্র করে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হচ্ছে। গতকাল পেয়ারটি ১.২৮২৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে হিট করে পুনরায় প্রাইস বাড়তে শুরু করেছিল। তবে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মনেটারী পলিসি ডিসিশনের কারণে আজ পেয়ারটি ১.২৮০০ প্রাইসের কিছু উপরে অবস্থান করছে। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মনেটারী পলিসি মিটিংয়ে MPC দু’জন সদস্য ইন্টারেস্ট রেট কমানোর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এছাড়াও ব্যাংকের গর্ভনর কার্নি বৈশ্বিক ইকোনমিক ডাউনট্রেন্ড এবং ব্রেক্সিট নিয়ে উত্তেজনা এবং হতাশা প্রকাশ করেছেন। ব্যাংকের এ ধরণের Dovish অবস্থানের কারণে গতকাল পেয়ারটি প্রাইস কয়েকদিনের তুলনায় বেশ ভালই কমেছিল। এদিকে যুক্তরাজ্য এবং চীনের বানিজ্যের ক্ষেত্রে পজিটিভ অবস্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যার ফলে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের আজকের ইভেন্টগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো প্রিলিমিনারি মেশিগান কনজিউমার সেন্টিমেন্ট। রিপোর্টটি রাত ০৯:০০ টায় প্রকাশিত হবে। গতবার এ সেক্টর থেকে ৯৫.৫ পয়েন্ট এসেছিল। যুক্তরাজ্যের ইকোনমির জন্য এটা বেশ ভাল ছিল। এবারের রিপোর্ট থেকে ৯৫.৯ পয়েন্ট আসতে পারে, যা গতবারে থেকে আরও ভাল। তাই প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আজ মার্কিন ডলারের বিরুদ্ধে পাউন্ড এবং ইউরো দুর্বল অবস্থানে থাকতে পারে। তবে আজ দুপুরের দিকে ইউরোজোনের বেশ কয়েকটি ইভেন্ট রয়েছে। এ ইভেন্টগুলোকে কেন্দ্র করে ইউরোর প্রাইস কিছুটা বাড়লে পরবর্তীতে কমতে পারে।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×