Jump to content

মার্কেট আপডেট

Members
  • Content count

    1,061
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    21

Everything posted by মার্কেট আপডেট

  1. পেয়ারটি ১.৩০০০ প্রাইসের উপরে ট্রেডিং করছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য চুক্তির স্বাক্ষরতা নিয়ে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে মার্কিন ডলার দুর্বল হচ্ছে, অপরদিকে পাউন্ডের প্রাইস বাড়ছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.৩০০০ প্রাইসের উপরে ট্রেডিং করছে। ২০০ ঘন্টার SMA অনুযায়ী, পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ১.৩১০০। পেয়ারটির আপট্রেন্ড অব্যাহত থাকলে ১.৩১৬৫ থেকে ৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে। অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু হলে ১.২৯৯০ থেকে ৮৫ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারটি ১.২৯৯০-৮৫ সাপোর্ট লেভেল অতিক্রম করতে সক্ষম হলে ১.২৯০০ লেভেলে আসতে পারে। সন্ধ্যা ০৭:৩০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলস রিপোর্টের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। রিপোর্টটিকে কেন্দ্র করে মার্কেটে মুভমেন্ট বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
  2. আজ সন্ধ্যা ০৬:৩০ মি: ইসিবি ইভেন্ট রয়েছে। মিনিংয়ে ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গর্ভনর ক্রিস্টিন লেগার্ড আলোচনা করবেন। ইউরোজোনের পরবর্তী ইকোনমিক পদক্ষেপগুলো কি হবে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। মিটিংয়ে ডভিশ মন্তব্য করা হলে পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে পজিটিভ মন্তব্য করা হলে পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও আজ সন্ধ্যা ০৭:৩০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলস রিপোর্ট রয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে,এবার রিটেইল সেলস প্রত্যাশার তুলনায় ভাল আসতে পারে। নভেম্বরে রিটেইল সেলস শতকরা ০.২% বেড়েছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরে শতকরা ০.৩% বাড়তে পারে। নভেম্বরে কোর রিটেইলস সেলস শতকরা ০.১% বেড়েছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরে বেড়ে ০.৫% আসতে পারে। ইউরো/ডলার পেয়ারটির ক্ষেত্রে আজকের মূল ইভেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলস রিপোর্ট। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ইভেন্টটি ভাল আসতে পারে। যার ফলে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরোর প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে মার্কেটে মুভমেন্ট সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারটি বর্তমানে ১.১১৫৮ প্রাইসে অবস্থান করছে। ইউরো/ডলার আপট্রেন্ড অব্যাহত থাকলে পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ১.১১৬৫। পেয়ারটির আপট্রেন্ড দীর্ঘস্থায়ী হলে যথাক্রমে ১.১২০৫,১.১২৩০ এবং ১.১২৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে। অপরদিকে পেয়ারটি ডাউনট্রেন্ডে আসলে ১.১১৪৫ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। ১.১১৬৫ সাপোর্ট লেভেলকে অতিক্রম করতে সক্ষম হলে পরবর্তীতে ১.১১২৫ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেলগুলো হতে পারে যথাক্রমে ১.১১০৫ এবং ১.১০৮৫ সাপোর্ট লেভেলে।
  3. EURUSD সিগন্যাল পেয়ারটির ১.১১৪০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.১১৬৩ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১১৪০, ১.১১২৫, ১.১১০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১১৬৩, ১.১১৭৫, ১.১১৯৬ টেক প্রফিট: ১.১১৭৫,১.১১৯৬ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেটের ১.১১৫০ বাই এন্ট্রি দেওয়া হয়েছে। পেয়ারটি ১.১১০০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১.১১০০,১.১০৭০,১.১০২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১১৭০,১.১২১০,১.১২৭০ বাই এন্ট্রি: ১.১১৫০ স্টপ লস: ১.১১০০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১১৭০,১.১২১০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১.৩০২০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.৩০২০,১.২৯৯০,১.২৯৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.৩০৭০,১.৩১০০,১.৩১৪০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) মার্কেট ১.৩০৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.২৯৫০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.৩১৪০। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৯৫০,১.২৮৯০,১.২৭৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.৩০৭০,১.৩১৪০,১.৩২৭০ টেক প্রফিট: ১.২৮৯০,১.২৭৯০
  4. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ০.৬৮৯০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ০.৬৯২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারবো। সেক্ষত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৯০,০.৬৮৮০,০.৬৮৬৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৯২০,০.৬৯৩০,০.৬৯৪৫ টেক প্রফিট: ০.৬৯৩০,০.৬৯৪৫ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট আপট্রেন্ডে রয়েছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য ০.৬৯২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের উপর কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। পেয়ারটি ০.৬৮৭৫ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে উপরে উঠলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৭৫,০.৬৮৫০,০.৬৮১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৯২০,০.৬৯৪৫,০.৬৯৮৫ বাই এন্ট্রি: ০.৬৯২০ স্টপ লস: ০.৬৯৮৫ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ০.৬৯৪৫,০.৬৯৮৫ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১১০.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১০৯.৭৮ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১১০.১৫। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৯.৭৮,১০৯.৬৫,১০৯.৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১১০.০০,১১০.১৫,১১০.৩৫ টেক প্রফিট: ১০৯.৬৫,১০৯.৪৫ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা পরবর্তী সুযোগের অপেক্ষা করছি।পেয়ারটি ১০৯.৫০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি ন্ন্মিমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৯.৫০,১০৯.১০,১০৮.৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১১০.২০,১১০.৫০,১১১.১০
  5. যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য আলোচনার আশাবাদকে কেন্দ্র করে USDJPY পেয়ারটির প্রাইস আপট্রেন্ডে রয়েছে। পেয়ারটির বর্তমান ফোকাস যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলস রিপোর্ট। USDJPY গতকাল ডাউনট্রেন্ডে থাকলেও আজ পেয়ারটি আপট্রেন্ডে রয়েছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১১০.০০ প্রাইসের নিচে অবস্থান করছে। আজ সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলস রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, গতবারের রিপোর্টের তুলনায় এবার রিটেইল সেলস রিপোর্ট ভাল হতে পারে। এর ফলে USDJPY পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে পেয়ারটি ১১০.০০ প্রাইসকে অতিক্রম করতে পারে। পেয়ারটির ক্ষেত্রে বর্তমানে ১০৯.৮২ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করতে পারে। পেয়ারটি ১০৯.৮২ প্রাইসকে অতিক্রম করতে সক্ষম হলে পেয়ারটি প্রাইস আরও কমতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলসকে কেন্দ্র করে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটির আপটেন্ডে থাকতে পারে। সুতরাং পেয়ারটির ক্ষেত্রে বাই এন্ট্রি নেওয়া যেতে পারে
  6. কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনের মতে, ইউরো/ডলার সীমিত পরিসরে রিকভারের চেষ্টা করছে। গতকাল ইউরো/ডলার সর্বোচ্চ ১.১১৬২ প্রাইসে উঠলেও পরবর্তীতে পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.১১২৫-তে এসেছিল। আজকের সেশনে পেয়ারটি ১.১১২৫ প্রাইসে ওপেন হয়েছে। তবে পেয়ারটির প্রাইস বেড়ে ১.১১৫৪ তে- অবস্থান করছে। সেক্ষেত্রে ১.১১৯০ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করেতে পারে। তবে পেয়ারটি ১.১১৯০ প্রাইসকে অতিক্রম করতে সক্ষম হলে পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ১.১২৪০। অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইস কমলে ১.১১৪০ গুরুত্বপূর্ একটি সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করতে পারে। পেয়ারটি ১.১১৪০ এর নিচে নামলে পেয়ারটির ডাউনট্রেন্ড বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে এবং ১.১১৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে যেতে পারে। সুতরাং ট্রেডারদের ১.১১৯০ রেজিস্ট্যান্স এবং ১.১১৪০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। কারণ লেভেল দুটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
  7. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১.১১২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখীভাবে প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে।সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১2০,১.১১০০,১.১০৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১১৫০,১.১১৭০,১.১২০০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে।আমরা ১.১০৮০ সাপোর্ট লেভেলে সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি।পেয়ারটি ১.১১৫০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে উপরে উঠলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে।সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০৮০,১.১০৪৫,১.০৯৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১১৫০,১.১১৭০,১.১২১০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১.৩০০০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখীভাবে প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে।সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.৩০০০,১.২৯৬০,১.২৯০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩০৬০,১.৩১০০,১.৩১৬০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটের পরবর্তী সুযোগের অপেক্ষা করা ভাল হবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৮১০,১.২৯০০,১.২৮১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.৩০৭০,১.৩১৪০,১.৩২৭০
  8. ইউরো/ডলার আজ সারাদিন ১.১১৪০ প্রাইসের নিচে ট্রেডিং করছে। ৫৫ দিনের SMA অনুযায়ী, পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.১০৯৩ হতে পারে। ২০০ দিনের SMA অনুযায়ী, পেয়ারটি আজ ১.১১৪০ প্রাইসের কাছকাছি অবস্থান করছিল। বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের CPI রিপোর্টকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস কমতে বা বাড়তে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটি ১.১১৮৬ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। তবে বর্তমানে ১.১১৪০ শক্তিশালী একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করছে। পেয়ারটি ১.১১৮৬ রেজিস্ট্যান্স লেভেলকে অতিক্রম করতে সক্ষম হলে পরবর্তীতে ১.১২৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে। অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু হলে ৫৫ দিনের SMA অনুযায়ী, ১.১০৯০ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। ইউরো/ডলারের ডেইলি চার্ট
  9. পাউন্ড/ডলার ১.৩০ প্রাইসের নিচে অবস্থান করছে। পেয়ারটির প্রাইস কমার পিছনে ব্রিটিশ জিডিপি এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ডভিশ মন্তব্য কাজ করছে। পেয়ারটির বর্তমান অপেক্ষা যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের CPI ডাটা। আজ সন্ধ্যা ৭:৩০ যুক্তরাষ্ট্রের CPI ডাটা রিলিজ করা হবে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবারের ডাটা গতবারের থেকে খারাপ হতে পারে। ডাটা প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে বা নিচে আসলে মার্কেটে মুভমেন্ট বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়াও আগমীকাল ব্রিটিশ CPI ডাটা রিলিজ করা হবে। তবে ব্রিটিশ CPI গতবারের ১.৫% এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে কিছু সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইন দেওয়া হলো। পেয়ারটি বর্তমানে ১.৩০০০ প্রাইসের নিচে অবস্থান করছে। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.২৯৫০। পেয়ারটি ১.২৯৫০ প্রাইসকে অতিক্রমের পরবর্তীতে ১.২৯০০ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারটির রিকভার শরু হলে ১.৩০১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ১.৩০৪৫। পেয়ারটি ১.৩০৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলকে অতিক্রম করতে সক্ষম হলে ১.৩০৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে।
  10. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ০.৬৯১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ০.৬৮৮৪ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ০.৬৯২০। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৮৪,০৬৮৭১,০.৬৮৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৯১০,০.৬৯২০,০.৬৯৩৫ টেক প্রফিট: ০.৬৮৭১,০.৬৮৫০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ০.৬৮৮৪ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ০.৬৯২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সেক্ষত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৮৪,০.৬৮৪৫,০.৬৮০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৯২০,০.৬৯৪০,০.৬৯৭৫ টেক প্রফিট: ০.৬৮৭১,০.৬৮৫০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১০৯.৮০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসেমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৯.৮০,১০৯.৬০,১০৯.৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১১০.৩০,১১০.৫০,১১০.৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা পরবর্তী সুযোগের অপেক্ষা করছি। পেয়ারটি ১০৯.৫০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি ন্ন্মিমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৯.৫০,১০৯.১০,১০৮.৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১১০.৭০,১১.০০,১১১.৫০
  11. EURUSD সিগন্যাল মার্কেটের ১.১১৩৫ এ বাই সিগন্যাল এবং ১.১১৩৫-তে একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল দেওয়া হয়েছে। ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১১১০,১.১০৯০,১.১০৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১১৫০,১.১১৭০,১.১২০০ বাই এন্ট্রি: ১.১১৩৫ স্টপ লস: ১.১১১০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১১৫০,১.১১৭০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১.১১৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.১০৮০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১২০০। সাপোর্ট লেভেল: ১.১০৮০,১.১০৪৫,১.০৯৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১১৬০,১.১২০০,১.১২৬০ টেক প্রফিট: ১.১০৪৫,১.০৯৯০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১ম টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে। আমরা ১.৩০৮০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১২৬০,১.২৯৩০,১.২৮৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.৩০৯৫,১.৩১৫০,১.৩২৩০ সেল এন্ট্রি: ১.৩০৮০ স্টপ লস: ১.৩০৮০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৯৭০,১.২৮৯০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে। আমরা ১.৩০৪০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৯৬০,১.২৮৮০,১.২৬৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.৩২১০,১.৩২৯০,১.৩৪০০ সেল এন্ট্রি: ১.৩০৪০ স্টপ লস: ১.৩০৪০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৯৬০,১.২৮৮০
  12. কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমে ডিসেম্বর মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.২৯০৮-তে আসতে পারে। পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.২৯০৮। পেয়ারটির ডাউনট্রেন্ড বৃদ্ধি পেলে,পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.২৮১১। বর্তমানে পেয়ারটি ১.২৯৬৭ প্রাইসে অবস্থান করছে। পেয়ারটির বর্তমান অবস্থান থেকে প্রাইস বাড়তে শুরু হলে ১.৩২৮৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে।
  13. ডলার/ইয়েন পেয়ারটির প্রাইস গত দুই সপ্তাহ বাড়ছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১১০.০০ প্রাইসের উপরে অবস্থান করছে। নিচে পেয়ারটির কয়েকটি সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইন দেওয়া হলো। এক দিনের চার্টে ২৩.৬% ফিবোনাসি এবং কনফ্লুয়েন্স ইনডিকেটর অনুযায়ী, পেয়ারটির প্রাইস বর্তমান অবস্থান থেকে কমতে শুরু হলে ১০৯.৮২ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারটি ১০৯.৮২ প্রাইসকে অতিক্রম করতে সক্ষম হলে এক মাসের চার্টে ৬১.৮% ফিবোনাসি অনুযায়ী, পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১০৯.৩২। অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু হলে এক মাসের চার্টে ১৬১.৮% ফিবোনাসি অনুযায়ী ১১০.৬৩ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
  14. গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং পিএমআইকে কেন্দ্র করে পাউন্ড/ডলারের প্রাইস কমেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের CPI ডাটাকে কেন্দ্র করে পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু করেছে। পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি ১.২৯৮০ প্রাইসের নিচে অবস্থান করছে। পেয়ারটি ১.৩০০০ প্রাইসে রিকভারের চেষ্টা করছে। আজ যুক্তরাষ্ট্রের সিপিআই ডাটাকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সিপিআই ০.৩% এবং কোর সিপিআই ০.২% এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবার সেক্টরটি আরও দুর্বল হতে পারে। ডিসেম্বরে সিপিআই ০.২% এবং কোর সিপিআই ০.২% অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। এর ফলে পাউন্ড/ডলারের প্রাইস বেড়ে ১.৩০০০ আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
  15. ইউরো/ডলারের প্রাইস বেড়ে ১.১১৪০ এর উপরে যেতে পারে। ট্রেডারদের বর্তমান ফোকাস যুক্তরাষ্ট্রের CPI রিপোর্টের দিকে। আজ সন্ধ্যা ০৭:৩০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের CPI ডাটা প্রকাশ করা হবে। গতবারের রিপোর্টে যুক্তরাষ্ট্রের সিপিআই শতকরা ০.৩% এসেছিল এবং কোর সিপিআই ০.২% এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরের রিপোর্টে সিপিআই কমে ০.২% আসতে পারে এবং কোর সিপিআই ০.২% অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। বর্তমানে ইউরো/ডলারের প্রাইস বেড়ে ১.১১৪০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিপিআই এর দুর্বলতাকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস আরও কমতে পারে। পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.১১৫০ এবং পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.১০৮৫।
  16. AUDUSD পেয়ারটির প্রাইস গত দুই সপ্তাহের মত ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে। এ সপ্তাহের পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো দু’টি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং AUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। মধ্য প্রাচ্যের উত্তেজনা অস্টেলিয়ান ডলারের উপর প্রভাব ফেলেছে। তবে শুক্রবার পেয়ারটি কিছুটা রিকভার করেছে। অস্টেলিয়ার বিল্ডিং অনুমোধন শতকরা ১১.৮% বেড়েছে। ফেব্রুয়ারির পর এটা সর্বোচ্চ লেভেল। রিটেইল সেলস প্রত্যাশিত ০.৫% থেকে বেড়ে ০.৯% এসেছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিজনেস সেক্টর ভাল অবস্থানে রয়েছে। সার্ভিস পিএমআই ৫৩.৯থেকে বেড়ে ৫৫.০ পয়েন্টে এসেছে।ডিসেম্বর মাসে এমপ্লোয়মেন্ট রিপোর্ট বেশ হতাশাজনক এসেছে। এমপ্লোয়মেন্ট ২ লক্ষ ৬৬ হাজার থেকে কমে এবার ১ লক্ষ ৪৫ হাজার এসেছে। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, ডিসেম্বরে ১ লক্ষ ৬২ হাজার আসবে। তবে ওয়েজ(বেতন) ০.৩% থেকে কমে ০.১% এসেছে। বেকারত্বের হার শতকরা ৩.৫% -এ অপরিবর্তনীয় রয়েছে। AUDUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.MI Inflation Gauge মঙ্গলবার,ভোর ০৫:০০। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, নভেম্বরে মুদ্রাস্ফীতি অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। ২.Chinese GDP শুক্রবার,সকাল ০৮:০০। ২০১৮ সালের শুরু থেকে চীনের ইকোনমি স্থবিরতার মধ্যে রয়েছে। বানিজ্য যুদ্ধের কারণে ২০১৯ সালের তৃতীয় প্রান্তীকে চীনের জিডিপি শতকরা ৬.০% এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, চতুর্থ প্রান্তীকে সেক্টরটি অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। AUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো আমরা ০.৭৩৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ০.৭২৫০। এপ্রিলের শুরুর দিকে ০.৭১৬৫ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল।জুলাই মাসে ০.৭০৮৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারটির ক্ষেত্রে ০.৬৯৬০ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৬৮৮৫। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ০.৬৭৪৪। ২০০৯ সালের মার্চ মাসে ০.৬৬২৭ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল।সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেলও ০৬৬২৭। শেষ কথা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে AUDUSD পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের বিপরীতমূখী অবস্থান মার্কিন ডলারের প্রাইস কমাতে সহায়তা করতে পারে। সেক্ষত্রে সুতরাং এ সপ্তাহে AUDUSD পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  17. USDCAD পেয়ারটি ছয় সপ্তাহের মধ্যে গত সপ্তাহে আপট্রেন্ডে ছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো তিনটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং USDCAD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহের রিপোর্টে কানাডার কন্সট্রাকশন সেক্টর প্রত্যাশিত লেভেলের নিচে এসেছিল। যদিও প্রত্যাশা করা হয়েছিল কানাডায়া বাড়ি নির্মান ২ লক্ষ ১২ হাজার শুরু হবে। রিপোর্টে দেখায় যায় ১ লক্ষ ৯৭ হাজার শুরু হয়েছে। বিল্ডিং অনুমোধন শতকরা ২.৪% কমেছে। যদিও প্রত্যাশা করা হয়েছিল শতকরা ১.০% বাড়বে। তবে কানাডার এমপ্লোয়মেন্ট রিপোর্ট ভাল অবস্থানে ছিল। ডিসেম্বরে কানাডায় ৩৫ হাজার ২শত জব তৈরি হয়েছে। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ৭১ হাজার ২ কমবে। বেকারত্বের হার ৫.৯% থেকে কমে ৫.৬% এসেছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিজনেস সেক্টর ভাল অবস্থানে রয়েছে। সার্ভিস পিএমআই ৫৩.৯থেকে বেড়ে ৫৫.০ পয়েন্টে এসেছে।ডিসেম্বর মাসে এমপ্লোয়মেন্ট রিপোর্ট বেশ হতাশাজনক এসেছে। এমপ্লোয়মেন্ট ২ লক্ষ ৬৬ হাজার থেকে কমে এবার ১ লক্ষ ৪৫ হাজার এসেছে। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, ডিসেম্বরে ১ লক্ষ ৬২ হাজার আসবে। তবে ওয়েজ(বেতন) ০.৩% থেকে কমে ০.১% এসেছে। বেকারত্বের হার শতকরা ৩.৫% -এ অপরিবর্তনীয় রয়েছে। USDCAD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.BoC Buisness Outlook Survey সোমবার, রাত ০৯:০০। ট্রেডারদের ইভেন্টির প্রতি নজর রাখা প্রয়োজন। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের বিজনেস আউটলুককে কেন্দ্র করে মার্কেটে মুভমেন্ট বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ২.ADP Nonfarm Employment Change বৃহস্পতিবার,সন্ধ্যা ০৭:৩০। গত ছয়বারের রিপোর্টে সেক্টরটি ক্রমাগত খারাপ করেছিল। তবে নভেম্বরে রিবাউন্ড করে ৩০ হাজার ৯০০ এসেছে। বর্তমানে আমরা ডিসেম্বর মাসের রিলিজের অপেক্ষা করছি। ৩.Foreign Securities Purchases শুক্রবার, সন্ধ্যা ০৭:৩০। কানাডিয়ান সিকিউরিটি স্কোর অক্টোবরে ১১ বিলিয়ন ৩২ হাজার কানাডিয়ান ডলার এসেছে। সেখানে এক মাস আগে মাত্র ৪ বিলিয়ন ৭৬ হাজার এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, নভেম্বরেও সেক্টরটি আপট্রেন্ডে থাকতে পারে এবং ১২ বিলিয়ন ৩২ হাজার আসতে পারে। USDCAD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো নিচে দেওয়া হলো ১.৩৪৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। ২০১৯ সালের জুন মাসে এটা শক্তিশালী একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরববর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.৩৩৮৫। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩৩০০ একটি রাউন্ড নাম্বার ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.৩২৬৫। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ১.৩১৫০ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারটি ১.৩১০০ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.৩০৪৮। ২০১৮ সালেল মে মাসে ১.২৭৩০ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। পেয়ারটির সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.২৬৩০। শেষ কথা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে মার্কিন ডলারের প্রাইস কমতে পারে। সুতরাং এ সপ্তাহে পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে।
  18. গত সপ্তাহে USDJPY পেয়ারটির প্রাইস বেড়েছিল। এ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের নজর থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি এবং রিটেইল সেলস রিপোর্টের দিকে। USDJPY ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস যুক্তরাষ্ট্রের বিজনেস কর্মতৎপরতা ক্রমাগত বাড়ছে। সার্ভিস পিএমআই ৫৩.৯থেকে বেড়ে ৫৫.০ পয়েন্ট এসেছে।ডিসেম্বর মাসে এমপ্লোয়মেন্ট রিপোর্ট বেশ হতাশাজনক এসেছে। এমপ্লোয়মেন্ট ২ লক্ষ ৬৬ হাজার থেকে কমে এবার ১ লক্ষ ৪৫ হাজার এসেছে। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, ডিসেম্বরে ১ লক্ষ ৬২ হাজার আসবে। তবে ওয়েজ(বেতন) ০.৩% থেকে কমে ০.১% এসেছে। বেকারত্বের হার শতকরা ৩.৫% -এ অপরিবর্তনীয় রয়েছে। জাপান কনজিউমার কনফিডেন্স তেমন ভাল অবস্থানে নেই। গত সপ্তাহে দেখা যায়, সেক্টরটি থেকে ৩৯.১ পয়েন্ট এসেছিল। তবে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ৩৯.৬ পয়েন্ট আসবে। হাউজিং ব্যয় গত দুই বারের রিপোর্টে খারাপ এসেছে। এবারের রিপোর্টে সেক্টরটি -০.২% কমেছে। USDJPY টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আমরা ১১৩.১৫ রেজিস্ট্যান্স থেকে শুরু করছি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ১১২.৭৩ রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল।পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১১২.২৫। ২০১৯ সালের এপ্রিলে ১১১.৬২ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১১০.৬২। বর্তমানে ১০৯.৩৫ দুর্বল একটি সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করতে পারে। পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১০৮.৭০ এবং ১০৮.১০। ২০১৯ সালের অক্টোবরের শুরুর দিকে ১০৭.৩০ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। আগস্ট মাসের শেষের দিকে ১০৫.৫৫ গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। পেয়ারটির সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেলও এটা। USDJPY প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো শেষ কথা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে USDJPY পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মিজেল অ্যাটাকের ফলে মধ্য প্রাচ্যে অস্থিরতা বিরাজ করছে। উত্তেজনা বাড়লে মার্কিন ডলারের উপর প্রভাব পড়তে পারে। যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
  19. গত সপ্তাহে পাউন্ড/ডলারের প্রাইস কমলেও সপ্তাহের শেষের দিকে পেয়ারটির প্রাইস অপরিবর্তনীয় ছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো সাতটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের সার্ভিস পিএমআই ৫০.০ পয়েন্টে অপরিবর্তনীয় ছিল। হাউজিং সেক্টরও কিছুটা ভাল অবস্থানে ছিল। Halifax HPI গত দশ মাসের সর্বোচ্চ অবস্থান ১.৭% এসেছিল। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিজনেস সেক্টর ভাল অবস্থানে রয়েছে। সার্ভিস পিএমআই ৫৩.৯থেকে বেড়ে ৫৫.০ পয়েন্টে এসেছে।ডিসেম্বর মাসে এমপ্লোয়মেন্ট রিপোর্ট বেশ হতাশাজনক এসেছে। এমপ্লোয়মেন্ট ২ লক্ষ ৬৬ হাজার থেকে কমে এবার ১ লক্ষ ৪৫ হাজার এসেছে। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, ডিসেম্বরে ১ লক্ষ ৬২ হাজার আসবে। তবে ওয়েজ(বেতন) ০.৩% থেকে কমে ০.১% এসেছে। বেকারত্বের হার শতকরা ৩.৫% -এ অপরিবর্তনীয় রয়েছে। GBPUSD প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.GDP সোমবার, বিকাল ০৩:৩০। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে গত তিনবারের রিপোর্টে ব্রিটিশ জিডিপি তেমন ভাল অবস্থানে ছিল না। অক্টোবরে ব্রিটিশ জিডিপি শতকরা ০.১% ছিল। প্রত্যাশা করা হয়েছিল, নভেম্বরে ০.০% অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। তবে রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, নভেম্বরে জিডিপি শতকরা -০.৩% কমেছে। ২.Manufacturing Production সোমবার,বিকাল ০৩:৩০। ক্রমাগত দুই মাস সেক্টরটি খারাপ করার পরবর্তীতে অক্টোবরে ০.২% -এ উন্নতি হয়েছে। প্রত্যাশা করা হয়েছে নভেম্বরে -০.৩% আসতে পারে। তবে রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, নভেম্বরে শতকরা -০.৭% কমেছে। যা প্রত্যাশিত লেভেলের থেকে খারাপ এসেছে। ৩.Inflation Data বুধবার, বিকাল ০৩:৩০। নভেম্বরে কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি শতকরা ১.৫% এসেছিল। মুদ্রাস্ফীতি ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের নির্ধারিত টার্গেটের ২% নিচে এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরেও মুদ্রাস্ফীতি ১.৫% অপবিরর্তনীয় থাকতে পারে। ৪.CB Leading Index বুধবার,রাত ১২:৩০। অক্টোবরে কনজিউমার বোর্ড ইনডেক্স কমে ০.৪% এসেছিল। বর্তমানে আমরা নভেম্বর মাসের ডাটার অপেক্ষা করছি। ৫.BoE Credit Conditions Survey বৃহস্পতিবার,বিকাল ০৩:৩০। কোয়ারলি রিপোর্ট থেকে সাধারণত কনজিউমার এবং বিজনেস সেক্টরের ডিটেইলস জানা যায়। বর্তমানে প্রাইভেট সেক্টরের ঋণ বেড়েছে। ইকোনমির জন্য এটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ । সুতরাং ট্রেডারদের ইভেন্টটির প্রতি খেয়াল রাখা প্রয়োজন। ৬.RICS House Price Balance বৃহস্পতিবার,ভোর ০৫:০১। হাইজিং মার্কেট দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। নভেম্বরের রিপোর্টে দেখা যায় রিপোর্ট ভাল হওয়ার পরিবর্তে কমেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরে শতকরা ৫% কমতে পারে। ৭.Retail Sales শুক্রবার, বিকাল ০৩:৩০। গত দুই মাসের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, সেক্টরটি খারাপ অবস্থানে রয়েছে। নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের রিটেইল সেলস শতকরা -০.৬% কমেছিল। তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরে সেক্টরটি রিবাউন্ড করতে পারে এবং ০.৮% আসতে পারে। GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে আলোচনা করা হলো। আমরা ১.৩৫০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। পরবর্তীতে ১.৩৩৩৭ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল্ ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে পেয়ারটির জন্য ১.৩৩০০ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ১.৩১৭০। পাউন্ড/ডলারের জন্য বর্তমানে ১.৩০০০ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করছে। পেয়ারটির বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.২৯১০। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে ১.২৯১০ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স সাপোর্ট লেভেল ছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.২৮৫০। অক্টোবরের মাঝামাঝিতে পেয়ারটি ১.২৭২৮ সাপোর্ট লেভেলে এসেছিল। পেয়ারটির সর্বশেষ সাপোর্ট লেভল ১.২৬১৬। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে GBPUSD পেয়ারটির ‍প্রাইস কমতে পারে। নতুন বছর পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি ট্রেডিং ডাউনট্রেন্ডের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে। ব্রিটিশ ইকোনমিক দুর্বলতা এবং ব্রেক্সিট অনিশ্চয়তা পেয়ারটির প্রাইস কমাতে সহায়তা করছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস আরও কমতে পারে।
  20. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১ম টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে। আমরা ০.৬৮৮৫ প্রফিট লেভেলে স্টপলস নেব। আশা করছি পেয়ারটি খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৯০১,০.৬৮৮২,০.৬৮৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৯২৫,০.৬৯৭০,০.৭০৩০ সেল এন্ট্রি: ০.৬৮৮৫ স্টপ লস: ০.৬৮৮৫ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ০.৬৯০০,০.৬৯২৫ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে।আমরা ০.৬৮৮৫ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি পেয়ারটি খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৮৪,০.৬৮৪৫,০.৬৮০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৯২৫,০.৬৯৭০,০.৭০৩০ বাই এন্ট্রি: ০.৬৮৮৫ স্টপ লস: ০.৬৮৮৫ টেক প্রফিট: ০.৬৯০০,০.৬৯২৫ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) ১০৯.৫৭ প্রাইসে বাই এন্ট্রি এবং ১০৯.৫৭ – তে একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল দেওয়া হয়েছে।সেক্ষত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৯.৩৫,১০৯.১০,১০৮.৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.৭০,১০৯.৯০,১১০.২০ বাই এন্ট্রি: ১০৯.৫৭ স্টপ লস: ১০৯.৩৫ ট্রেডের সম্ভাবনা: ১০৯.৭০,১০৯.৯০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১০৯.০০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসেমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৯.০০,১০৮.৬০,১০৮.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.৭০,১১০.২০,১১১.০০
  21. EURUSD সিগন্যাল পেয়ারটি ১.১১১৬ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১১৬,১.১১০৫,১.১০৮৮ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১১৩৩,১.১১৬২,১.১২০৭ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১.১১৩৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.১০৮৫ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১২০০। সাপোর্ট লেভেল: ১.১০৮৫,১.১০৩০,১.০৯৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১১৩৫,১.১২০০,১.১২৬০ টেক প্রফিট: ১.১০৩০,১.০৯৭০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেটের ১.৩০৮০ সেল এন্ট্রি এবং ১.৩০৯৫ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল দেওয়া হয়েছে।১.৩০৯৫ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.৩০১০,১.২৯৭০,১.২৮৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.৩০৯৫,১.৩১৫০,১.৩২৩০ সেল এন্ট্রি: ১.৩০৮০ স্টপ লস: ১.৩০৯৫। ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৯৭০,১.২৮৯০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) মার্কেটের ১.৩০৪০ সেল এন্ট্রি দেওয়া হয়েছে।১.৩২১০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৯৬০,১.২৮০০,১.২৫৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.৩২১০,১.৩২৯০,১.৩৪০০ সেল এন্ট্রি: ১.৩০৪০ স্টপ লস: ১.৩২১০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৯৬০,১.২৮০০
  22. গত সপ্তাহে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা কমেছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো পাঁচটি ইভেন্ট রয়েছে। ইভেন্টগুলোর মধ্যে ট্রেডারদের বিশেষ নজর থাকতে পারে জার্মান এবং ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্টের দিকে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে জার্মান রিটেইল সেলস রিপোর্ট প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। রিপোর্টে নভেম্বরে রিটেইল সেলস শতকরা ২.১% বেড়েছে। গত পাঁচ মাসের মধ্যে এটা সর্বোচ্চ লেভেল। ইউরোজোন এবং জার্মান সার্ভিস পিএমআই প্রত্যাশিত লেভেল থেকে বেড়ে যথাক্রমে ৫২.৪ এবং ৫২.৮ পয়েন্ট এসেছে। প্রত্যাশা করা হয়েছিল, এবারের রিপোর্টে জার্মান মুদ্রাস্ফীতি ১.০% আসতে পারে । বাস্তবে প্রত্যাশিত লেভেল থেকে বেড়ে ১.৩% এসেছে। তবে মেনুফেকচারিং এবং ফ্যাক্টরি অর্ডার কিছুটা খারাপ অবস্থানে ছিল। ফ্যাক্টরি অর্ডার দ্বিতীয়বারের মতো করে ১.৩% এসেছে। অপরদিকে ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন গত দুইবার খারাপ করার পর, এবার শতকরা ১.১% বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিজনেস কর্মতৎপরতা ক্রমাগত বাড়ছে। সার্ভিস পিএমআই ৫৩.৯থেকে বেড়ে ৫৫.০ পয়েন্টে এসেছে।ডিসেম্বর মাসে এমপ্লোয়মেন্ট রিপোর্ট বেশ হতাশাজনক এসেছে। এমপ্লোয়মেন্ট ২ লক্ষ ৬৬ হাজার থেকে কমে এবার ১ লক্ষ ৪৫ হাজার এসেছে। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, ডিসেম্বরে ১ লক্ষ ৬২ হাজার আসবে। তবে ওয়েজ(বেতন) ০.৩% থেকে কমে ০.১% এসেছে। বেকারত্বের হার শতকরা ৩.৫% -এ অপরিবর্তনীয় রয়েছে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.French Final CPI বুধবার,দুপুর ১২:৪৫। ফ্রান্স ইউরোজোনের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইকোনমিক দেশ। নভেম্বরে দেশটিতে CPI বেড়ে ০.১% এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরেও CPI ভাল অবস্থানে থাকবে এবং শতকরা ০.৪% আসতে পারে। ২.Industrial Production বুধবার,বিকাল ০৪:০০। অক্টোবরে ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন শতকরা ০.৫% কমেছিল এবং এটা প্রত্যাশা অনুযায়ী এসেছিল। এর পিছনে ইউরোজোনের মেনুফেকচারিং সেক্টরের দুর্বলতাকে কাজ করছে। অ্যানালাইসিস্টগণ প্রত্যাশা করছেন, নভেম্বর মাসে সেক্টরটি ভাল করতে পারে এবং শতকরা ০.৩% আসতে পারে। ৩.German Final CPI বৃহস্পতিবার, দুপুর ০১:০০। নভেম্বরে জার্মান মুদ্রাস্ফীতি কমে শতকরা ০.৮% এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরে শতকরা ০.৫% বাড়তে পারে। ৪.ECB Monetary Policy Meeting Accounts বৃহস্পতিবার,সন্ধ্যা ০৬:৩০। এবারের মিটিংয়ে ইসিবি প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লেগার্ড কিছু দিক-নির্দেশনা দেবেন। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এর ফলে ইউরোর গতি-বিধি পরিবর্তন হতে পারে। ৫.Inflation Data শুক্রবার,বিকাল ০৪:০০। ডিসেম্বরে ইউরোজোন মুদ্রাস্ফীতি দ্বিতীয় মাসের মতো ১.০% থেকে বেড়ে ১.৩% এসেছে। বর্তমানে ফাইনাল রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো। আমরা ১.১৫১৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে এটা সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। জুনে ১.১৩৯০ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। জুলাই মাসের শুরুর দিকে পেয়ারটি ১.১২১৫ রিজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্ট করেছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১২১৫। বর্তমানে আমার ১.১১১৯ সাপোর্ট লেভেলের অপেক্ষা করছি। গত সপ্তাহে পেয়ারটি ১.১০২৫ সাপোর্ট লেভেলে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা গেলেও পরবর্তীতে ১.১০২৫ সাপোর্ট লেভেলে যেতে পারেনি। সেক্ষেত্রে ১.১০২৫ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে যথাক্রমে ১.১০০০ এবং ১.০৯২৫। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে ১.০৮২৯ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেলও ১.০৮২৯। শেষ কথা অ্যানালাইসিস্টদের মতে, এ সপ্তাহে EURUSD পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে। ডিসেম্বরে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস বাড়লেও জানুয়ারিতে কিছুটা ডাউনট্রেন্ডে ছিল। ইউরোজোন ইকোনমি মেনুফেকচারিং সেক্টরের মন্দা এবং নিন্ম মুদ্রাস্ফীতিকে কেন্দ্র করে দুর্বল অবস্থানে কয়েছে। এ সপ্তাহে ডলারের বিপরীতে ইউরো কিছুটা শক্ত অবস্থানে থাকতে পারে। যার ফলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটি নরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে।
  23. গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের নন-ফার্ম পেরোলস মার্টেকে প্রভাব ফেলেছিল। এ সপ্তাহে কনজিউমার ডাটার দিকে ট্রেডারদের নজর থাকবে এবং চীনা জিডিপিও মার্কেটে প্রভাব ফেলতে পারে।সপ্ততাহের প্রধান ইভেন্টগুলো আলোচনা করা হলো। গত কয়েক সপ্তাহ যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে ‍উত্তেজনা বাড়লেও বর্তমানে উভয় দেশ শান্ত অবস্থানে রয়েছে।পরবর্তীতে তাদের অবস্থান কি হবে সেটা এখন বলা যাচ্ছে না।যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বানিজ্য চুক্তি অগ্রগতির দিকে। এ সপ্তাহে চীনের ভাইস প্রিমিয়ার লিউ বানিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করার জন্য ওয়াশিংটনে আসছেন।গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের নন-ফার্ম পেরোলস রিপোর্ট প্রত্যাশিত লেভেল থেকে কমে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার এসেছে এবং ওয়েজ বাৎসরিক ২.৯% বেড়েছিল। গত সপ্তাহের অন্যান্য ইভেন্টগুলো প্রত্যাশিত লেভেল বা তার উপরে এসেছিল। যার ফলে মার্কিন ডলার আপট্রেন্ড বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিল। ১.UK GDP সোমবার, বিকাল ০৩:৩০।২০১৯ সালের অক্টোবরের পূর্বে যুক্তরাজ্য অর্থনীতি মন্দা কাটিয়েও উঠলেও অক্টোবরে অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা গিয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, নভেম্বরেও এ ধরণের রিপোর্ট আসতে পারে। ২.US Inflation মঙ্গলবার,সন্ধ্যা ০৭:৩০। ফেডারেল রিজার্ভ যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। এটা বিশ্বব্যাপী মন্দার অন্যতম একটি লক্ষণ। যদিও ডিসেম্বরে Core CPI শতকরা ২.৩% এবং CPI শতকরা ০.২% আসতে পারে। ৩.UK Inflation বুধবার,বিকাল ০৩:৩০।২০১৯ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ সিপিআই শতকরা ১.৫% কমেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরেও একই ধরণের রিপোর্ট আসতে পারে। তবে কোর সিপিআই শতকরা ১.৭% আসতে পারে। ৪.US Retail Sales বৃহস্পতিবার,সন্ধ্যা ০৭:৩০।নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলস শতকরা ০.২% এবং কোর রিটেইল সেলস ০.১% বেড়েছিল।তবে ডিসেম্বরে সেক্টরটি ভাল করতে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, রিটেইল সেলস ০.৩% এবং কোর রিটেইল সেলস ০.৫% আসতে পারে। ৫.Chinese GDP শুক্রবার, সকাল ০৮:০০। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ চীনের ইকোনমি সম্পর্কে নির্ভুল ধারণা করা কঠিন।কারণ ক্ষমতাসীন দলের ইচ্ছার উপর অনেকাংশে এট নির্ভর করে।প্রত্যাশা করা হয়েছিল, তৃতীয় প্রান্তিকে জিডিপি শতকরা ৬.১% আসতে পারে। তবে প্রত্যাশিত লেভেল থেকে কমে ৬% এসেছিল। সুতরাং ট্রেডারদের ইভেন্টির প্রতি নজর রাখা প্রয়োজন। ৬.US Consumer Confidence শুক্রবার,রাত ০৯:০০।প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার ৯৯.৩ থেকে বেড়ে ৯৯.৪ পয়েন্ট আসতে পারে। ট্রেডারদের ইভেন্টটির প্রতি নজর রাখা প্রয়োজন।
  24. EURUSD সিগন্যাল মার্কেট ১ম টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে।আশা করছি, মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১০৮০,১.১০৬০,১.১০৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১১৩০,১.১১৫০,১.১১৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১.১১৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১.১০৭০,১.১০৩০,১.০৯৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১১৬০,১.১২০০,১.১২৬০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১.৩১৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.৩০৮০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে।সেক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.৩০৮০,১.৩০৪৫,১.২৯৮৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.৩১৫০,১.৩২০০,১.৩২৩০ টেক প্রফিট: ১.৩০৪৫,১.২৯৮৫ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে। ১.৩০৪০ সাপোর্ট লেভেলে আমরা সেল সিগন্যাল নেব। ১.৩২১০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে উপরে উঠলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.৩০৪০,১.২৯৬০,১.২৮০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.৩২১০,১.৩২৯০,১.৩৪০০ সেল এন্ট্রি: ১.৩০৪০ স্টপ লস: ১.৩২১০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৯৬০,১.২৮০০
  25. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য ০.৬৮৪৮ সাপোর্ট লেভেলে কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি।পেয়ারটি ০.৬৮৮৫ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে উপরে উঠলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া হলো। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৪৮,০.৬৮৩০,০.৬৮০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৮৮৫,০.৬৯০৫,০.৬৯৪০ সেল এন্ট্রি: ০.৬৮৪৮ স্টপ লস: ০.৬৮৮৫ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ০.৬৮৩০,০.৬৮০০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ০.৬৯০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ০.৬৮৪৮ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সেক্ষত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৪৮,০.৬৮৩০,০.৬৮০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৯০০,০.৬৯৩০,০.৬৯৮০ টেক প্রফিট: ০.৬৮৩০,০.৬৮০০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১০৮.৮০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখীভাবে প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৮.৮০,১০৮.৬০,১০৮.৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.৫০,১০৯.৭০,১১০.০০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা পরবর্তী সুযোগের অপেক্ষা করছি।পেয়ারটি ১০৮.৬০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি ন্ন্মিমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৮.৬০,১০৮.০০,১০৭.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৯.৭০,১১০.২০,১১১.০০

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×