Jump to content

মার্কেট আপডেট

Members
  • Content count

    764
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    11

মার্কেট আপডেট last won the day on October 6

মার্কেট আপডেট had the most liked content!

Community Reputation

17 Good

2 Followers

About মার্কেট আপডেট

  • Rank
    Forex in the blood
  1. আর কিছুক্ষণের মধ্যে অর্থাৎ সন্ধ্যা ০৬:৩০ যুক্তরাষ্ট্র সেপ্টেম্বর মাসের রিটেইল সেলস রিপোর্ট প্রকাশ করবেন। আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রে রিটেইল সেলস শতকরা ০.৪% বেড়েছিল। এবার রিটেইল সেলস গতবারের তুলনায় কিছুটা কমে ০.৩% আসতে পারে। অটোমোবাইল সেক্টরে শতকরা ০.২% সেল বাড়তে পারে। এটা আগস্ট মাসের তুলনায় ভাল রিপোর্ট হতে পারে। কন্টোল গ্রুপের মতে সেপ্টেম্বরে রিটেইল সেলস শতকরা ০.৩% ‍বৃদ্ধি পেতে পারে। রিটেইল সেলস প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী আসলে ইউরোর প্রাইস কমতে পারে,অপরদিকে ডলারের প্রাইস বাড়তে পারে। যোহয়ে এলাম যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলসকে কেন্দ্র করে কয়েকটি সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল নির্ধারণ করেছেন। প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী আসলে ইউরো/ডলারের প্রাইস কমতে পারে। এর ফলে পেয়ারটি ১.১০ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারটি ১.১০ সাপোর্ট লেভেলকে অতিক্রম করলে পেয়ারটির পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.০৯৪০। রিটেইল সেলস প্রত্যাশিত লেভেলেরে নিচে আসলে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। যার ফলে পেয়ারটি ১.১০৬০ প্রাইসে আসতে পারে। পেয়ারটি ১.১০৬০ প্রাইস অতিক্রম করলে, পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ১.১০৭৫।
  2. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ০.৬৭৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ০.৬৭২৫ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ০.৬৭৭০। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমুখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৭২৫,০.৬৭১০,০.৬৬৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৭৫০,০.৬৭৭০,০.৬৮০০ টেক প্রফিট: ০.৬৭১০,০.৬৬৯০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ০.৬৭২০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ০.৬৮১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ব্রেক করতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ০.৬৬৮০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৭২০,০.৬৬৮০,০.৬৬২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৮১০,০.৬৮৬০,০.৬৯৫০ টেক প্রফিট: ০.৬৮৬০,০.৬৯৫০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেটের ১০৮.৬০ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল এবং ১০৮.৬০ একটি বাই সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। সাপোর্ট লেভেল: ১০৮.০০,১০৭.৬০,১০৭.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৮.৯০,১০৯.৫৫,১১০.২০ বাই এন্ট্রি: ১৮.৬০ স্টপ লস: ১০৮.০০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১০৮.৯৫,১০৯.৫৫ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১০৮.২০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১০৬.২০,১০৭.৯০,১০৭.৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৭.৯০,১০৯.৫০,১১০.৪০
  3. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১.১০২০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০২০,১.১০০০,১.০৯৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৬০,১.১০৮০,১.১১১০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট আপট্রেন্ডে রয়েছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য ১.১০৬৫ রেজিস্ট্যান্সে লেভেলে কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.০৯৯০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে উপরে উঠলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১.০৯৯০,১.০৯৫০,১.০৮৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০৬৫,১.১১০৫,১.১১৭৫ বাই এন্ট্রি: ১.১০৬৫ স্টপ লস: ১.০৯৯০ ট্রেডের সম্ভাবনার: মাঝামারি টেক প্রফিট: ১.১১০৫,১.০৯৯০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেটের ১.২৭০০ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল এবং একই রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.২৭০০ বাই সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৫২০,১.২৪১০,১.২২৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৮১০,১.২৯৯০,১.৩০১০ বাই এন্ট্রি: ১.২৭০০ স্টপ লস: ১.২৫২০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৮১০,১.২৯৯০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ সপ্তাহ) মার্কেটের ১.২৭০০ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল এবং একই রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.২৭০০ বাই সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৫১০,১.২৩৮০,১.২১৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৮২০,১.৩০১০,১.৩৩০০ বাই এন্ট্রি: ১.২৭০০ স্টপ লস: ১.২৫১০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৮২০,১.৩০১০
  4. ইউরো/ডলারের প্রাইস বাড়তে শুরু করেছে এবং পেয়ারটি ১.১০৬০ প্রাইসের দিকে যাচ্ছে। পেয়ারটি ১.১০৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল অতিক্রম করলে পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ১.১১০৯। এটা সেপ্টেম্বর মাসের সর্বোচ্চ প্রাইসছিল। পেয়ারটির প্রাইস কমতে শরু করলে ২১ দিনের SMA অনুযায়ী ১.০৯৮৪ প্রাইসে আসতে পারে। EURUSD প্রতিদিনের চার্ট
  5. ইউওবি গ্রুপের অ্যানালাইসিস্টদের মতে, পরবর্তীতে অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের প্রাইস কমতে পারে/নিরপেক্ষ অবস্থান থাকতে পারে।২৪ ঘন্টার আউটলুক। গতকাল পেয়ারটি ০.৬৭৪৩ এবং ০.৬৭৮৮ প্রাইসের মধ্যে ট্রেডিং করেছিল। এটা আমাদের প্রত্যাশিত ০.৬৭৫৫/০.৬৮০৫ প্রাইসের তুলনায় অনেক কম ছিল। বর্তমানে পেয়ারটির ডাউনট্রেন্ড আরও শক্তিশালী হচ্ছে, যার ফলে আজ পেয়ারটি সর্বনিন্ম ০.৬৭২৫ প্রাইসে এসেছিল। পেয়ারটির ক্ষেত্রে পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ০.৬৭০৫। পেয়ারটির প্রাইস বাড়েতে শুরু করলে পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ০.৬৭৭০ এবং ০.৬৭৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলকে অতিক্রম করলে, পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ০.৬৭৮৫।
  6. ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পাউন্ড/ডলার গত পাঁচ মাসের সর্বোচ্চ প্রাইসে অবস্থান করছে। ব্রেক্সিট চুক্তিতে কোন ধরণের বিপর্যয় পাউন্ড/ডলারের প্রাইস তলানিতে নিয়ে আসতে পারে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে একটি খসড়া চুক্তি হচ্ছে। তবে DUP পার্টিতে কিছুটা সংশয় থাকতে পারে। ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী, পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি মে মাসের ১৩ তারিখের সর্বোচ্চ প্রাইসে অবস্থান করছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের চুক্তিকে ডমেস্টিক ইনিওনিস্ট পার্টি সাপোর্ট করলে পেয়ারটির প্রাইস আরও বাড়তে পারে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে ব্রেক্সিট নিয়ে একটি খসড়া চুক্তি হয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, উত্তর আয়ারল্যান্ডের DUP পার্টিও তাদের এ চুক্তিতে সহমত পোষণ করবেন। তবে DUP পার্টি চুক্তির বিরোধীতা করলে পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। এছাড়াও আজ যুক্তরাজ্যের CPI রিপোর্ট রয়েছে। দুপুর ০২:৩০ মিনিটে CPI রিলিজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.২৭৭০ প্রাইসের কাছাকাছি ট্রেডিং করছে। তবে CPI প্রত্যাশিত লেভেলের নিচে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা কমতে পারে ।
  7. ইউরো/ডলার ৫০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজের নিচে অবস্থান করছে। যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলস প্রত্যাশিত লেভেলের নিচে আসলে পেয়ারটি ৫০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজকে ব্রেক আউট করতে পারে। ইউরো/ডলার গতকাল ৫০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজের নিচে ক্লোজ হয়েছিল। পেয়ারটি বর্তমানে ১.১০৩০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। এটা ৫০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজের নির্ধারিত প্রাইস ১.১০৩৮ এর নিচে রয়েছে।গতকাল ইউরো/ডলারের প্রাইস কমে ১.০৯৯১ এসেছিল। পরবর্তীতে পেয়ারটি বাউন্স করে ১.১০৪৫ প্রাইসে উঠেছিল। তবে পেয়ারটি ১.১০৪৫ প্রাইসে টিকে থাকতে পারেনি এবং ১.১০৩১ প্রাইসে ক্লোজ হয়েছিল। আজ যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলস রিপোর্ট মার্কেটে মুভমেন্ট সৃষ্টি করতে পারে। সন্ধ্যা ০৬:৩০ রিটেইল সেলস রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে। আগস্ট মাসে এ সেক্টরে শতকরা ০.৪% বেড়েছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে,সেপ্টম্বর মাসে এ সেক্টরে শতকরা ০.৩% বৃদ্ধি পাবে। রিটেইলস সেলস রিপোর্ট প্রত্যাশিত লেভেলের নিচে আসলে ইউরো/ডলারের প্রাইস বাড়তে পারে। যার ফলে পেয়ারটি ৫০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজকে পুনরায় ব্রেক আউট করতে পারে। সুতরাং বিনিয়োগকারীদের যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলস রিপোর্টের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন।
  8. কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পাউন্ড/ডলারের প্রত্যাশিত ১.২৭১২ প্রাইসে যাওয়ার পথ সংকুচিত হচ্ছে।৫৫ দিনের এসএমএ অনুযায়ী কারেন জনস ১.২৭৫৩ রেজিস্ট্যান্স লেভেল নির্ধারণ করেছিলেন এবং বলেছিলেন পেয়ারটির প্রাইস বেড়ে জুন মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৭৮৪ যেতে পারে। তার মতে, বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস বাড়লেও পরবর্তীতে কমার সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.২৪০০/১.২৩৬৫ প্রাইসের কাছাকাছি আসতে পারে। পেয়ারটি শর্ট টার্মের ১.২২৩১ প্রাইসে যেতে পারে। ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পাউন্ড/ডলারের প্রত্যাশিত ১.২৭১২ প্রাইসে যাওয়ার পথ সংকুচিত হচ্ছে।
  9. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১.০৯৯০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.১০৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১.১০১৫,১.০৯৯০,১.০৯৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০৬০,১.১০৯০,১.১১৪০ টেক প্রফিট: ১.১০৯০,১.১১৪০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১.০৯৮০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯৮০,১.০৯৪০,১.০৮৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৬০,১.১১০০,১.১১৬০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট আপট্রেন্ডে রয়েছে। আমারা ১.২৭০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.২৫১০ প্রাইস লেভেল অতিক্রম করে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৫১০,১.২৪৪০,১.২৩২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৭০০,১.২৮১০,১.২৮৮০ বাই এন্ট্রি: ১.২৭০০ স্টপ লস: ১.২৫১০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৮১০,১.২৮৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৫০০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.২৭০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে ।সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৫০০,১.২৩৮০,১.২১৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৭০০,১.২৮২০,১.৩০১০ টেক প্রফিট: ১.২৮২০,১.৩০১০
  10. ৫৫ দিনের SMA অনুয়ায়ী,ইউরো/ডলার পেয়ারটি গত শুক্রবার ১.১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল অতিক্রম করেছে। বর্তমানে পেয়ারটি অক্টোবর মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১০৬০/৬৫ দিকে যাচ্ছে। ইউরো/ডলারের ঊর্ধ্বমূখী স্থায়ী হলে ৫৫ দিনের SMA অনুযায়ী,পেয়ারটি সেপ্টেম্বর মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১১০৯ এর দিকে যেতে পারে। ১০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী ১.১১৩৯ প্রাইসে আসতে পারে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের চার্ট
  11. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১.১০২০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.১০৬৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.১০০০। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০২০,১.১০০০,১.০৯৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৬৫,১.১০৮৫,১.১১২০ টেক প্রফিট: ১.১০৮৫,১.১১২০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১.০৯৮০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯৮০,১.০৯৪০,১.০৮৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১১০০,১.১১৯০,১.১২৯০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১.২৫৬০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.২৭০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.২৪৬০। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৫৬০,১.২৪৬০,১.২৩০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৭০০,১.২৭৭০,১.২৮৮০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৭৭০,১.২৮৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৫০০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৫০০,১.২৩৮০,১.২১৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৭৫০,১.৩০৯০,১.৩১৪০
  12. কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনের মতে, ইউরো/ডলারের প্রাইস বেড়ে ১.১১০০ এর দিকে যেতে পারে। গত সপ্তাহে ইউরো/ডলার পেয়ারটি চার মাসের ডাউনট্রেন্ড অতিক্রম করে ১.১০৬২ প্রাইসে উঠেছিল। বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস যদিও কমছে তবে পরবর্তীতে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জন বলেন, পেয়ারটি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝির সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১১১০ এর কাছকাছি যেতে পারে। ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী বলেন, পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট ১.১২১৮ হতে পারে।অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু করলে ১.০৯৯০ এবং ১.০৯৪১ প্রাইসে যেতে পারে।
  13. গত সপ্তাহে ডলার/ইয়েনের প্রাইস ক্রমাগত বেড়ে ছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটির ক্ষেত্রে বিশেষ কোন ইভেন্ট নেই। তবে বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলস রিপোর্টের দিকে নজর রাখবেন। USDJPY ফান্ডামেন্টাল আলোচনা জাপানের কনজিউমার ডাটা মিশ্র অবস্থানে রয়েছে। এ সেক্টরটি গত দুইবার ধরে খারাপ অবস্থানে রয়েছে। গত রিপোর্টে এ সেক্টরে শতকরা -০.২% কমেছে। তবে জাপানে পারিবারিক ব্যয় বেড়েছে। গত রিপোর্টে দেখা যায়, জাপানে পারিবারিক ব্যয় শতকরা ১.০% বেড়েছে। গত সপ্তাহে সেপ্টেম্বর মাসের ফেডারেল রিজার্ভ মিটিং ছিল,এ মিটিংয়ে ফেড ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.২৫% কমিয়েছিল। বৈশ্বিক ইকোনমি খারাপ থাকার কারণেই মূলত ফেড ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছিল। এর ফলে গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কয়েক সপ্তাহের নিচে নেমেছিল।। এছাড়াও গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কমার পিছনে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য আলোচনা ও মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট কাজ করেছিল। CME গ্রুপের মতে, অক্টোবরে ফেড ইন্টারেস্ট রেট পুনরায় কমাতে পারে। তবে এটা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি ডাটা সেপ্টেম্বরে বেশ হতাশাজনক এসেছিল। সেপ্টম্বরে এ সেক্টর প্রত্যাশিত লেভেলের বেশ নিচে এসেছিল। সেপ্টেম্বরের CPI গতবারের রিপোর্ট অনুযায়ী, অপরিবর্তনীয় ছিল। তবে Core CPI শতকরা ০.১% এসেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমির ক্ষেত্রে এটা ভাল অবস্থান নয়। এটা ফেডারেল রিজার্ভের নির্ধারিত টার্গেট শতকরা ২.০% এর অনেক কম এসেছে। USDJPY টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আমরা ১১১.৬২ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। এটা এপ্রিল মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১১০.৬২। মে মাসের শেষের দিকে ১০৯.৭৩ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। মে মাসে পেয়ারটি ১০৯.৩৫ প্রাইসের কাছকাছি ক্লোজ হয়। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১০৮.৭০। পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল ১০৮.১০। পরবর্তীতে ১০৭.৩০ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করে ছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১০৬.৬১। আগস্ট মাসের শেষের দিকে ১০৫.৫৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১০৪.৬৫। USDJPY প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে USDJPY পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগস্টের শেষের দিকে, ইয়েনের বিপরীতে মার্কিন ডলারের প্রাইস এক সপ্তাহে মতো কমেছিল। পরবর্তীতে পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত বাড়তে থাকে। ফরেক্স বিশেজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে।
  14. ইউরো/ডলারের প্রাইস গত দুই সপ্তাহ বেড়ে ছিল। তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির অবস্থান কি হতে পারে,তা ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো। এ সপ্তাহে যে ইভেন্টগুলো ইউরো/ডলারকে প্রভাবিত করতে পারে তার মধ্যে অন্যতম হলো জার্মান ZEW ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট এবং ইউরোজোন মুদ্রাস্ফীতি। নিচে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসগুলো আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে আগস্ট মাসের জার্মান মেনুফেকচারিং ডাটা প্রকাশিত হয়েছে। আগস্ট মাসের মেনুফেকচারিং ডাটা তেমন ভাল অবস্থানে ছিল না। ফ্যাক্টরি অর্ডার গত চার মাসে তিন বারের মতো খারাপ এসেছে। আগস্ট মাসের রিপোর্টে ফ্যাক্টরি অর্ডার শতকরা ০.৬% কমেছে। তবে ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন ভাল অবস্থানে ছিল, এ সেক্টরটি ধারাবাহিকভাবে গত দুইবার খারাপ করার এ বার শতকরা ০.৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। গতবার জার্মান CPI শতকরা ০.২% কমার পর, এ বার ০.০% অপরিবর্তনীয় রয়েছে। গত সপ্তাহে সেপ্টেম্বর মাসের ফেডারেল রিজার্ভ মিটিং ছিল,এ মিটিংয়ে ফেড ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.২৫% কমিয়েছিল। বৈশ্বিক ইকোনমি খারাপ থাকার কারণেই মূলত ফেড ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছিল। এর ফলে গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কয়েক সপ্তাহের নিচে নেমেছিল।। এছাড়াও গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কমার পিছনে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য আলোচনা ও মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট কাজ করেছিল। CME গ্রুপের মতে, অক্টোবরে ফেড ইন্টারেস্ট রেট পুনরায় কমাতে পারে। তবে এটা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি ডাটা সেপ্টেম্বরে বেশ হতাশাজনক এসেছিল। সেপ্টম্বরে এ সেক্টর প্রত্যাশিত লেভেলের বেশ নিচে এসেছিল। সেপ্টেম্বরের CPI গতবারের রিপোর্ট অনুযায়ী, অপরিবর্তনীয় ছিল। তবে Core CPI শতকরা ০.১% এসেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমির ক্ষেত্রে এটা ভাল অবস্থান নয়। এটা ফেডারেল রিজার্ভের নির্ধারিত টার্গেট শতকরা ২.০% এর অনেক কম এসেছে। ১.Industrial Production সোমবার, বিকাল ০৩:০০। মেনুফেকচারিং সেক্টর গত ছয় রিলিজে মধ্যে মাত্র একবার ভাল করেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে,আগস্ট মাসে এ সেক্টরে শতকরা ০.৩% বৃদ্ধি পেতে পারে। ২.French Final CPI মঙ্গলবার, দুপুর ১২:৪৫। আগস্ট মাসে ইউরোজোনের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ ফ্রান্সের CPI শতকরা ০.৫% বেড়েছিল। বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশা করছেন, সেপ্টেম্বরের রিলিজে কিছুটা কমে ০.৩% আসতে পারে। ৩.German ZEW Economic Sentiment মঙ্গলবার, বিকাল ০৩:০০। ইকোনমি পর্যলোচনা করে দেখা যাচ্ছে, এবারও জার্মানের এ সেক্টরটি খারাপ অবস্থানে থাকতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে,অক্টোবরে এ সেক্টর থেকে -২৭.০ পয়েন্ট আসতে পারে। ইউরোজোন ডাটাও দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। যার ফলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবার ইউরোজোন থেকে -২৬.৭ পয়েন্ট আসতে পারে। ৪.Eurozone Inflation বুধবার,বিকাল ০৩:০০। ইউরোজোন CPI গত দুই মাসে ১.০% এর কাছাকাছি ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরে শতকরা ০.৯% আসতে পারে। এটা ইসিবির নির্ধারিত টার্গেট ২.০% এর অনেক কম। EURUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো আমরা ১.১৩৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১৩৪৫। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে ১.১২৯ গুরুত্বপূর্ণ একটিরেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১২১৫। সেপ্টেম্বরের ২৩ তারিখে ১.১০২৫ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তীতে ১.০৯৫০ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করে ছিল। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে ১.০৮২৯ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.০৬৯০। শেষ কথা ফরেক্স বিষেজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে EURUSD পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। ইউরোজোন ইকোনমি ক্রমাগত খারাপ করছে। যার ফলে পেয়ারটি গত কয়েক সপ্তাহ ১.১০ প্রাইসের নিচে ট্রেডিং করেছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারটি যদিও ১.১০ প্রাইসের উপরে উঠে ছিল। বৈশ্বিক চাহিদা কম থাকায়, জার্মান মেনুফেকচারিং সেক্টরের চাহিদা ক্রমাগত কমছে। যার ফলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটির প্রাইস পুনরায় কমতে পারে।
  15. গত সপ্তাহের শুরুর দিকে পেয়ারটির প্রাইস বাড়লেও পরবর্তীতে কমতে শুরু করে। সেপ্টেম্বরের পর থেকে প্রথম বারের মতো পেয়ারটির প্রাইস এত কমেছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং USDCAD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে কানাডিয়ান ডাটাগুলো বেশ শক্তিশালী ছিল। যার ফলে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস বেড়েছিল। অপরদিকে মার্কিন ডলারের প্রাইস কমেছিল। আগস্ট মাসে কানাডায় বিল্ডিং অনুমোধন বেড়ে শতকরা ৬.১% এসেছে। গত দুইবার ধরে এ সেক্টরটি ভাল অবস্থানে রয়েছে। গত সপ্তাহের শেষের দিকে কানাডার ইমপ্লোইমেন্ট ডাটা অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়েছিল। সেপ্টেম্বরে কানাডায় ৫৩ হাজার ৭ শত জব তৈরি হয়েছে। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, মাত্র ১১ হাজার ২শত। সেপ্টেম্বরে বেকারত্বের হার ৫.৭% থেকে কমে ৫.৫% এসেছে। এর ফলে গত সপ্তাহে মার্কিন ডলারের বিপরীতে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস বেড়েছিল। গত সপ্তাহে সেপ্টেম্বর মাসের ফেডারেল রিজার্ভ মিটিং ছিল,এ মিটিংয়ে ফেড ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.২৫% কমিয়েছিল। বৈশ্বিক ইকোনমি খারাপ থাকার কারণেই মূলত ফেড ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছিল। এর ফলে গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কয়েক সপ্তাহের নিচে নেমেছিল।। এছাড়াও গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কমার পিছনে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য আলোচনা ও মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট কাজ করেছিল। CME গ্রুপের মতে, অক্টোবরে ফেড ইন্টারেস্ট রেট পুনরায় কমাতে পারে। তবে এটা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি ডাটা সেপ্টেম্বরে বেশ হতাশাজনক এসেছিল। সেপ্টম্বরে এ সেক্টর প্রত্যাশিত লেভেলের বেশ নিচে এসেছিল। সেপ্টেম্বরের CPI গতবারের রিপোর্ট অনুযায়ী, অপরিবর্তনীয় ছিল। তবে Core CPI শতকরা ০.১% এসেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমির ক্ষেত্রে এটা ভাল অবস্থান নয়। এটা ফেডারেল রিজার্ভের নির্ধারিত টার্গেট শতকরা ২.০% এর অনেক কম এসেছে। ১.Inflation Data বুধবার, সন্ধ্যা ০৬:২০। গত তিন মাসে কানাডার CPI দুইবারের মতো খারাপ করেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরেও এ সেক্টটি দুর্বল অবস্থানে থাকতে পারে এবং আনুমানিক ০.৩% আসতে পারে। ২.Manufacturing Sales বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। মেনুফেকচারিং সেক্টর তেমন ভাল অবস্থানে নেই। এ সেক্টরটি ধারাবাহিকভাবে গত দুইবার খারাপ করেছে। জুলাইতে এ সেক্টর থেকে ১.৩% এসেছিল। তবে এবারের রিপোর্টে আমরা রিবাউন্ড দেখতে পারবো কিনা সেটা দেখার বিষয়। ৩.ADP Nonfarm Employment Change বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। আগস্টে এ সেক্টরটি মোটামুটি ভাল অবস্থানে ছিল। আগস্টে এ সেক্টরে ৪৯ হাজার ৩ শত জব তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে আমরা সেপ্টেম্বরের ডাটার জন্য অপেক্ষা করছি। USDCAD পেয়ারটির প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইগুলো দেওয়া হলো USDCAD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো আমরা ১.৩৫৬৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে ১.৩৪৪৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.৩৩৮৫। সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩৩৫০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। গত সপ্তাহে ১.৩১৭৫ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। গত সপ্তাহের শেষের দিকে ১.৩১২৫ আরেকটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। অক্টোবরে ১.২৯১৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.২৮৩০। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে USDCAD পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং এবং মুদ্রাস্ফীতি সেক্টরের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিতে কিছুটা মন্দাভাব বিরাজ করছে। তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, খুব তাড়াতাড়ি যুক্তরাষ্ট্র এ মন্দাভাব কাটিয়ে উঠতে পারে। এদিকে কানাডার ইকোনমির দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, আগামী সপ্তাহে তেলের প্রাইস কমতে পারে। তেলের দাম করলে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমতে পারে। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের মন্দাভাব আগামী সপ্তাহেও বিরাজ করতে পারে।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×