Jump to content

ফরেক্স প্রতিদিন

Members
  • Content count

    279
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    2

Everything posted by ফরেক্স প্রতিদিন

  1. গত সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস অনেক কমেছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটির জন্য তিনটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে অস্টেলিয়ান ইমপ্লোইমেন্ট ডাটা মিশ্র অবস্থায় ছিল। অস্টেলিয়ার ইকোনমিতে এপ্রিল মাসে ২৪ হাজার ৪ শত জব সৃষ্টি হয়েছে। এটা গত তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেভেল, তবে ধারণা করা হয়েছিল ১৫ হাজার ২ শত জব সৃষ্টি হবে। এবারের রিপোর্ট ধারণকৃত লেভেলের তুলনায় বেশ ভাল এসেছে। ইমপ্লোইমেন্ট রেট শতকরা ৫.২% বেড়েছে, তবে ধারণা করা হয়েছিল ৫.০% আসবে। আগস্টের পর থেকে এটা সর্বোচ্চ প্রাইস। ওয়েস্টপ্যাক কনজিউমার সেন্টিমেন্ট শতকরা ০.৬% এসেছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বানিজ্য উত্তেজনা বেড়েছে, তারপরেও মার্কিন ডলারকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন এক অপরের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছেন। তবে উভয় দেশের মধ্যে কোন বানিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। যার ফলে পেয়ারটি কিছুটা ঝুঁকির দিকে থাকবে। তারপরেও বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলার এবং জাপানী ইয়েনকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে বিবেচনা করছেন। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ২০০ বিলিয়ন পণ্যের উপর ১০ % থেকে ২৫% শুল্ক আরোপ করেছেন। এদিকে চীনও ৬০ বিলিয়ন ডলার পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছেন। সুতরাং যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বানিজ্য আলোচনা চলছে। পরবর্তীতে এ আলোচনা কতদূর যাবে সেটা দেখার বিষয়। অস্টেলিয়ান ডলার /মার্কিন ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্টে এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.RBA Monetary Policy Minutes মঙ্গলবার সকাল ০৭:৩০। এ মাসের শুরুর দিকে রিজার্ভ ব্যাংক অফ অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ১.৫০% নির্ধারণ করেছেন। তবে অস্টেলিয়ার ইকোনমি তেমন ভাল অবস্থানে নেই। ২.CB Leading Index মঙ্গলবার রাত ০৮:৩০। মার্চ মাসে এ সেক্টর থেকে ০.৫% এসেছে। তবে আমরা কি এপ্রিল মাসে আরেকটি রিবাউন্ড দেখতে পারবো? ৩.Construction Work Done বুধবার সকাল ০৭:৩০। ইনডিকেটর অনুযায়ী কনস্ট্রাকশন সেক্টর গত দুইবারের মতো এবারেও খারাপ আসতে পারে। ১ম প্রান্তীকে আনুমানিক এটা ০.১% বাড়তে পারে। অস্টেলিয়ান ডলার/ মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরের মাঝামাঝি ০.৭২৪০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেঞ্জ লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ০.৭১৯০। নভেম্বরের মাঝামাঝি এবং এ সপ্তাহের শেষের দিকে ০.৭১৬৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল ছিল। সেপ্টেম্বরে ০.৭০৮৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। এপ্রিল মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৬৯৮৮। ২০১৬ সালের শেষের দিকে এবং ২০১৭ সালের শুরুর দিকে ০.৬৮২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। জানুয়ারিতে ০.৬৭৪৪ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। ২০০ সালের জানুয়ারিতে ০.৬৬৮৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ০.৬৫৭ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল। সমাপনী মন্তব্য আমরা ধারণা করছি অস্টেলিয়ান ডলার/ মার্কিন ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমবে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য যুদ্ধ অস্টেলিয়ার ইকোনমিতে আঘাত করেছে। চীনের পণ্যের ‍উপর শুল্ক বাড়ানোর নেতিবাচক প্রভাব অস্টেলিয়ান ডলারের উপরও পড়বে। যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
  2. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা ট্রেডের ৫০% পজিশন ক্লোজ করবো এবং ১.১১৯৬ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৫০, ১.১১৩০, ১.১১০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১১৯৬, ১.১২২৫, ১.১২৫০ সেল এন্ট্রি : ১.১১৯৬ স্টপ লস : ১.১১৯৬ ট্রেডের সম্ভাবনা : নিন্ম টেক প্রফিট : ১.১১৫০, ১.১১০০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১.১১৫০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি । পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.১১০০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৫০, ১.১১০০, ১.১০৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৪০, ১.১২৬৫, ১.১৩১০ বাই এন্ট্রি : GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১.২৭৪৭ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টর সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.২৭১২ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৭১২, ১.২৬৯৪, ১.২৬৬৬ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৭৪৭, ১.২৭৬৬, ১.২৭৯৮ সেল এন্ট্রি : টেক প্রফিট : ১.২৬৯৪, ১.১৬৬৬ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৭৫৭ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টর সম্ভাবনা রয়েছে । সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৬১০, ১.২২৮৭, ১.১৮১৮ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৭৫৭, ১.২৮৬৭, ১.৩১০০ সেল এন্ট্রি :
  3. পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো নিন্মগামী অব্যাহত রেখেছে। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়েরে পর থেকে এটা সর্বনিন্ম লেভেলে রয়েছে। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলো হলো মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) এবং রিটেইলস সেলস। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। যুক্তরাজ্যের জিডিপি তেমন ভাল অবস্থানে নেই। মার্চ মাসে যুক্তরাজ্যের জিডিপি শতকরা ০.১% কমেছে। তবে ধারণা করা হয়েছিল এবারের জিডিপি ০.০% থাকবে। তবে কোয়াটারলি ইনডিকেটর অনুযায়ী, ১ম প্রান্তীকের প্রিলিমিনারি জিডিপি শতকরা ০.৫% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। ৪র্থ প্রান্তীকে ফাইনাল জিডিপি শতকরা ০.২ পার্সেন্ট এসেছিল। মার্চ মাসে মেনুফেকচারিং প্রডাকশন শতকরা ০.৯% বেড়েছে। এটা ধারণকৃত লেভেল ০.১% এর অনেক উপরে। এদিকে ব্রেক্সিট নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে পার্লামেন্টে উইড্রো চুক্তি পাশ করাতে ব্যর্থ হন। সুতরাং কোন চুক্তিতে পৌঁছানো যায়নি। যার ফলে ব্রিটিশ ইকোনমিতে খারাপ অবস্থা বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বিরোধী দলীয় নেতা জেরেমি কারবিনের সাথে মীমাংহীনভাবে আলোচনা করে যাচ্ছে। তবে ভাল কোন দিক পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এদিকে ব্রিটিশ ইমপ্লোইমেন্ট ডাটা প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা খারাপ অবস্থানে রয়েছে। ওয়েজ এ মাসের শুরুর দিকে ৩.৪% বেড়েছিল। তবে বর্তমানে ৩.২% বেড়েছে। বেকারত্বের হার ২৪.৭ হাজার কমেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ২৪.৪ হাজারের বেশি এসেছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বানিজ্য উত্তেজনা বেড়েছে, তারপরেও মার্কিন ডলারকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন এক অপরের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছেন। তবে উভয় দেশের মধ্যে কোন বানিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। যার ফলে পেয়ারটি কিছুটা ঝুঁকির দিকে থাকবে। তারপরেও বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলার এবং জাপানী ইয়েনকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে বিবেচনা করছেন। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ২০০ বিলিয়ন পণ্যের উপর ১০ % থেকে ২৫% শুল্ক আরোপ করেছেন। এদিকে চীনও ৬০ বিলিয়ন ডলার পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছেন। সুতরাং যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বানিজ্য আলোচনা চলছে। পরবর্তীতে এ আলোচনা কতদূর যাবে সেটা দেখার বিষয়। পাউন্ড/ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.CB Leanding Index সোমবার ভোর ০৫:৩০। কনফারেন্স বোর্ডের ইনডেক্স অনুযায়ী বলা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারীতে এ সেক্টরে শতকরা ০.৪% কমেছে। ২.Inflation Report Hearings মঙ্গলবার দুপুর ০২:৩০। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের গভর্নর যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি এবং ইকোনমিক আউটলুক নিয়ে কথা বলবেন। কার্নির মন্তব্যে যদি প্রত্যাশার তুলনায় হকিশ মন্তব্য আসে তাহলে পাউন্ডের প্রাইস খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। ৩.CBI Industrial Order Expectations মঙ্গলবার বিকাল ০৪:০০। এপ্রিল মাসে মেনুফেকচারিং অর্ডার কমেছে, এ সেক্টর থেকে এপ্রিল মাসে ৫ পয়েন্ট এসেছে। প্রত্যাশা করা হয়েছিল ৩ পয়েন্ট কমবে। মে মাসের রিপোর্টেও আরেকটি দুর্বল ফলাফল প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এটা আনুমানিক ৬ পয়েন্ট আসতে পারে। ৪.Inflation Data বুধবার বিকাল, ০৮:৩০। গত দুইবারের রিপোর্টে সিপিআই শতকরা ১.৯% বেড়েছে, তবে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের টার্গেট ছিল ২.০% আসতে পারে। তবে এপ্রিল মাসের রিপোর্টে শতকরা ২.২% বাড়তে পারে। ৫.Retails Sales শুক্রবার, বিকাল ০৪:০০। ফেব্রুয়ারী মাসে এ সেক্টর থেকে ০.৪% আসতে পারে এবং মার্চ মাসে এ সেক্টরে শতকরা ১.১% বেড়েছে। তবে এপ্রিলের রিপোর্টে কি হবে আমরা তার জন্য অপেক্ষা করছি। ৬.CBI Realized Sales শুক্রবার বিকাল ০৪:০০। এপ্রিল মাসে সেলস ভলিউম ১৩ পয়েন্ট এসেছে। এটা নভেম্বরের পর থেকে সর্বোচ্চ লেভেল । তবে কি আমরা মে মাসে আরেকটি পজিটিভ দিক দেখতে পারবো? পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: নভেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩১৭০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। নভেম্বরের মাঝামাঝিতে ১.৩০৭০ সর্বোচ্চ পয়েন্ট ছিল। ১.৩০ একটি রাউন্ড নাম্বার ছিল । গত সপ্তাহে ১.২৯১০ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। নভেম্বরের শেষের দিকে ১.২৮৫০ একটি রিকভারি লেভেল ছিল। জানুয়ারির প্রথমার্ধে ১.২৭২৮ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ১.২৬৬০। ২০১৭ সালের সেপ্টম্বরে ১.২৫৯০ একটি সুইং লো লেভেল ছিল। ২০১৭ সালের শুরুর দিকে ১.২৫ গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ড নাম্বার ছিল। পরবর্তী ডাউন লেভেল ছিল ১.২৪২০ এবং ১.২৩৩০। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। মে মাসে পাউন্ডের প্রাইস অনেক কমেছে এবং বিনিয়োগকারীরা বাই নেওয়ার জন্য ভাল কোন নিউজের আশা করছে। তবে ব্রেক্সিটকে নিয়ে বেশ অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হচ্ছে, তাই আমরা ধারণা করছি পাউন্ডের প্রাইস আরও কমতে পারে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছ, যার ফরে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলারকে নিরাপদ হিসেবে মনে করছেন।
  4. ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস গত সপ্তাহে কমেছিল। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলো হলো এপ্রিল মাসের সার্ভিস এবং মেনুফেকচারিং পিএমআই। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। এপ্রিল মাসে ইউরোজোনে ভোক্তাদের ব্যয় ( Consumer Spending ) ভাল এসেছে, সিপিআই ( CPI ) শতকরা ১.৭% বেড়েছে, যা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। মার্চ মাসে এ সেক্টরে শতকরা ০.৮% বেড়েছিল। এপ্রিল মাসে কোর সিপিআই ( Core CPI ) শতকরা ১.৩% বেড়েছে। যা আমাদের অনুমানকৃত লেভেল ১.২% এর উপরে এসেছে। ২০১৩ সালের মার্চ মাসের পরে এটা একটি শক্তিশালী লেভেল। ১ম প্রান্তীকে জার্মানের প্রিমিলিনারি জিডিপি (GDP) শতকরা ০.৪% বেড়েছে। এটা গত তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর। সামগ্রিকভাবে জার্মান ইকোনমি তেমন ভাল অবস্থানে নেই। এমনটি ইউরোজোনের বৃহত্তম দেশ জার্মানের ইকোনমিতে দুর্বল অবস্থা বিরাজ করছে। বৈশ্বিক বানিজ্য যুদ্ধের কারণে ইউরোজোন এবং জার্মানী পণ্যের চাহিদা কমেছে। যার ফলে ইউরোজোন এবং জার্মানের মেনুফেকচারিং সেক্টর তেমন ভাল অবস্থানে নেই। যুক্তরাষ্ট্র্য এবং চীনের মধ্যে বানিজ্য নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প চীনা পণ্যের উপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছেন। তবে চীনও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তার জবাব দেওয়া চেষ্টা করবেন। বানিজ্য যুদ্ধ সম্পর্কে বিনিয়োগকারীরা বেশ চিন্তিত, কারণ চীনের উপর শল্ক আরোপের পর যুক্তরাষ্ট্র জার্মানের অটো সেক্টরের দিকে নজর দিতে পারেন। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্টেন্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.German PPI মঙ্গলবার, দুপুর ১২:০০। প্রডাউসার প্রাইস ইনডেক্স গত দুইবারে শতকরা ০.১% কমেছে। তবে এপ্রিল মাসের রিলিজে মোটামুটি ভাল নিউজ আশা করা হচ্ছে। এটা আনুমানিক ০.৪% হতে পারে। ২.Current Account সোমবার দুপুর ০২:০০। ফেব্রুয়ারিতে অ্যাকাউন্ট সংকীর্ণ পরিসরে ২৬.৮ বিলিয়ন ইউরো বেড়েছে। তবে ধারণা করা হয়েছে ৩৩.২ বিলিয়ন ইউরো বাড়বে। তবে আশা করা হচ্ছে, মার্চ মাসেও ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত থাকবে। এটা আনুমানিক ২৪.২ বিলিয়ন ইউরো হতে পারে। ৩.Consumer Confidence মঙ্গলবার রাত ০৮:০০। ইকোনমিক আউটলুক পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, ইউরোজোনের কনজিউমার বেশ হতাশাজনক অবস্থানে রয়েছে। এপ্রিল মাসে কনজিউমার কনফিডেন্স থেকে ৮ পয়েন্ট এসেছে। আশা করা হচ্ছে, মার্চ মাসের রিপোর্টেও এর কোন পরিবর্তন হবে না। ৪.German Final GDP বৃহস্পতিবার দুপুর ১২:০০। আশা করা হচ্ছে, জার্মান ফানাল জিডিপি শতকরা ০.৪% বাড়বে। এটা এ মাসের শুরুর রিপোর্ট অনুযায়ী হবে । ৫.PMIs বৃহস্পতিবার, ফ্রান্স দুপুর ০১:১৫, জার্মান ০১:৩০, ইউরোজোন ০২:০০। এপ্রিল মাসে ফ্রান্স পিএমআই ৫০.৫ পয়েন্ট এসেছে। আশা করা হচ্ছে, মে মাসে ৫০.৭ পয়েন্ট আসতে পারে। মেনুফেকচারিং পিএমআই গত দুইবার ৫০ পয়েন্টের নিচে থাকার পরে এবারে ৫০.১ পয়েন্ট এসেছে। তারপরেও এটা তেমন ভাল অবস্থান নয়। জার্মান সার্ভিস পিএমআই কিছুটা ভাল আসতে পারে, এ সেক্টর থেকে আনুমানিক ৫৫.২ পয়েন্ট আসতে পারে। মেনুফেকচারিং সেক্টর তেমন ভাল অবস্থানে নেই, এটা আনুমানিক ৪৫.৯ পয়েন্ট আসতে পারে। ইউরোজোনের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা পরিলক্ষিত হচ্ছে, ইউরোজোনের মেনুফেকাচারিং পিএমআই ৪৮.২ পয়েন্ট আসতে পারে। তবে সার্ভিস পিএমআই ৫৩.০ পয়েন্ট আসতে পারে। ৬.German Ifo Business Climate বৃহস্পতিবার, দুপুর ০২:০০। এপ্রিল মাসে এ সেক্টরে ধারণাকৃত লেভেল ৯৯.৭ থেকে ৯৯.২ পয়েন্ট এসেছে। তারপরেও এটা ভাল অবস্থানে রয়েছে। তবে আশা করা হচ্ছে, মার্চ মাসেও এ রিপোর্টের কোন পরিবর্তন হবে না। ৭.ECB Monetary Policy Meeting Accounts বৃহস্পতিবার, বিকাল ০৫:৩০। এপ্রিল মাসের মিনিট মিটিং থেকে কি পলিসি আসতে পারে, সেটা দেখার বিষয়। তবে ইসিবি ২০২০ সালের আগে ইন্টারেস্ট রেট বাড়াবেন কিনা। এ মিটিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানা যাবে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্টেন্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: EUR/USD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: অক্টোবরের মাঝামাঝিতে ১.১৫৭০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৫১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। ফেব্রুয়ারীর শুরুর দিকে ১.১৪৩৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৩৯০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.১৩৪৫। ১.১২৯০ রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ১.১২৭০ একটি ডাবল বটোম লেভেল ছিল। ১.১২১৫ একটি দুর্বল সাপোর্ট লেভেল ছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.১১১৯ গত সপ্তাহের সাথে সম্পর্কিত। ২০১৭ সালের মে মাসে ১.১০২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.০৯৫০। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.০৮৭০। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.০৮২০। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি ইউরো/ডলার পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বানিজ্য যুদ্ধের কারণে ইউরোর প্রাইস কিছুটা বেড়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিও মোটামুটি ভাল অবস্থানে রয়েছে। যার কারণে ইউরো/ডলার পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে।
  5. গত সপ্তাহের পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির ট্রেডিং সেশনের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, গত সপ্তাহের প্রথমদিন অর্থাৎ সোমবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.২৭১৯৬ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.২৭২০৩ প্রাইসে। সুতরাং ঐদিন পেয়ারটি বেশ ভালভাবেই কমেছে। তারপর মঙ্গলবার থেকে পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমতে শুরু করে এবং সর্বশেষ বৃহস্পতিবার পেয়ারটির প্রাইস ১.২৭১৩০ তে ক্লোজ হয়। আমরা গত সপ্তাহের ট্রেডিং সেশনের দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারছি। পেয়ারটির ১.২৭১৩০ প্রাইস থেকে কমে ১.২৭১৩০ তে ক্লোজ হয়। সুতরাং গত সপ্তাহে পেয়ারটি ডাউনট্রেন্ডে ছিল। তাই আমরা পেয়ারটির নিরপেক্ষ অবস্থানকে সমর্থন করছি। কারণ যেহেতু পেয়ারটি গত সপ্তাহের ৬ দিন ধরে কমছে। তাই পেয়ারটির প্রাইস বাড়তেও পারে। এছাড়াও যেহেতু যুক্তরাজ্যে ব্রেক্সিট নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে। তবে এটা নিয়ে কোন সমোঝতায় পৌঁছাবে কিনা, সেটা নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না। আর যদি এ অনিশ্চয়তা বিরাজ করে তাহলে পেয়ারটির প্রাইস আরও কমতে পারে। তাই আমরা পেয়ারটি সম্পর্কে নিরপেক্ষ অবস্থানকে সমর্থন করছি। তবে ব্রেক্সিট আলোচনার যদি কোন উন্নতি হয়, তাহেল পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। পাউন্ড/ডলারের ফান্ডামেন্টাল এবং টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস নিয়ে, আগামীকাল চলতি সপ্তাহের GBP/USD ফরেক্স মার্কেট আপডেট ( ২০ থেকে ২৪ মে) নামে একটি আর্টিকেল প্রকাশ করা হবে। এ আর্টিকেলটিতে বিস্তারিত বর্ণনা করা হবে।
  6. আমরা গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে অর্থাৎ ৬ তারিখের ট্রেডিং সেশনের দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পাচ্ছি, ঐ সপ্তাহের প্রথম দিকে পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমছিল। ঐ সপ্তাহের প্রথমদিন অর্থাৎ সোমবার পেয়ারটি ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৫৯৩ প্রাইসে। তারপরে ঐ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমতে থাকে এবং বুধবার ১.১১৫৬১ প্রাইসে ক্লোজ হয়েছিল। ঐ সপ্তাহে পেয়ারটি ৩২ পিপসের মতো কমেছিল। বৃহস্পতিবার পেয়ারটি ১.১১৫৫০ প্রাইসে ওপেন হয় এবং তারপর থেকে পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত বাড়তে থাকে। গত সপ্তাহের বুধবার পর্যন্ত পেয়ারটির প্রাইস বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে। বুধবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৫৬৮ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৫৭৭ প্রাইসে। ঐ দিনের ট্রেডিং শেসন পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, ঐ দিন পেয়ারটি ৯ পিপসের মতো বেড়েছিল। তারপর থেকে পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.১১৫৭৫ তে এসেছে এবং শুক্রবার পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.১১৫৬২ প্রাইসে এসে ক্লোজ হয়। আমরা যদি লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পারবো, পেয়ারটি ৬ থেকে ৮ তারিখ পর্যন্ত ক্রমাগত কমছিল। তার পর ৯ তারিখ থেকে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু করে এবং ১৫ তারিখ পর্যন্ত পেয়ারটির প্রাইস বৃদ্ধি অব্যাহত ছিল। তারপরে ১৬ তারিখ পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু করে এবং ১৭ তারিখ অর্থাৎ গত সপ্তাহের শেষের দিন বৃহস্পতিবারও পেয়ারটির প্রাইস কমা অব্যাহত ছিল। তাই আমরা ধারণা করছি, পেয়ারটি আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকেও কিছু কমতে পারে। হয়তবা পরবর্তীতে পেয়ারটি বৃদ্ধি পেতে পারে। তাছাড়াও আমরা যদি ইউরোপের দিকে লক্ষ্য করি, তাহলে দেখতে পারবো ইউরোপের ইকোনমিও তেমন ভাল অবস্থানে নেই। যার ফলে ইউরোর প্রাইস কমতে পারে। ইউরো/ডলারের পরবর্তী অবস্থান জানার জন্য, চলতি সপ্তাহের ইউরো/ডলার ফরেক্স মার্কেট আপডেট আর্টিকেলটি অনুসরণ করতে পারেন। আর কিছু ক্ষণের মধ্যে এই আর্টিকেলটি প্রকাশ করা হবে।
  7. গত সপ্তাহে মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কিছুটা বেড়েছিল। এ সপ্তাহে মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের উপর প্রভাব বিস্তার করার মতো তেমন কোন ইভেন্ট নেই। তবে রিটেইলস সেলস কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং মার্কিন ডলার/কনাডিয়ান ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। কানাডিয়ান সিপিআই গত দুইবার বৃদ্ধি পাওয়ার পরে, এবারে ০.৪% এসেছে। গত ৪ মাসে কোর সিপিআই অপরিবর্তনীয় ০.০% তে রয়েছে। তবে মেনুফেকচারিং সেক্টর মোটামুটি ভাল অবস্থানে রয়েছে, মেনুফেকচারিং সেক্টর শতকরা ২.১% বেড়েছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ১.৫% এর উপরে এসেছে। এ রিপোর্টটি ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসের শক্তিশালী রিপোর্টকে নির্দেশ করছে। কানাডিয়ান ইকোনমিতে যেহেতু ৬৭.৭ হাজার জবের সৃষ্টি হয়েছে। তাই আশা করা হচ্ছে, এপ্রিল মাসে ননফার্ম পে-রোলস ভাল আসতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য উত্তেজনাকের কেন্দ্র করে বৈশ্বিক মার্কেট বেশ উত্তেজনার মধ্যে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন একে অপরের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছে। যার ফলে বানিজ্য ‍চুক্তি নিয়ে যে সমঝোতার কথা ছিল তা নিরাস হয়ে গেল। এর ফলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিকে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলার এবং জাপানী ইয়েনক কিছুটা নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে মনে করছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্যের ‍উপর ১০% থেকে ২৫% শুল্ক আরোপ করেছে। এটা গত এক সপ্তাহে আগের ঘটনা, যার ফলে মার্কেটে বেশ উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে চীন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ বিলিয়ন পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি আলোচনা চলছে, বিনিয়োগকারীরা এখন পরবর্তী শুল্ক যুদ্ধের দিকে নজর রাখবেন। মার্কিন ডলার/ কানাডিয়ান ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.Retail Sales Data বুধবার সন্ধ্যা ০৬:৩০। গত তিন মাস রিটেইলস সেরস রিপোর্ট খারাপ আসার পরে ,ফেব্রুয়ারীতে রিটেইলস সেলস শতকরা ০.৪% বেড়েছে। ফেব্রুয়ারিতে কোর রিটেইলস সেলস শতকরা ০.৬% বেড়েছে। এটা ধারণাকৃত লেভেল ০.২% এর ‍উপরে এসেছে। তবে মার্চ মাসের রিপোর্টে কি আমরা আরেকটি ভাল ফলাফল দেখতে পারবো ? ২.Wholesale Sale বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ০৬:৩০। ফেব্রুয়ারীতে হোল সেলস রিপোর্ট তেমন ভাল আসেনি, এ মাসেএই সেক্টর থেকে ০.৩% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.১% কে খুব সহজেই অতিক্রম করেছে। ৩.Corporate Profits বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ০৭:৩০। প্রথম প্রান্তীকে কর্পোরেট প্রফিট শতকরা ৩.৯% কমেছে। গত তিননবার ভাল অবস্থানে থাকার পরে পেয়ারটি এ বারের রিপোর্টে খারাপ এসেছে। মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে ১.৩৯১৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। ২০১৭ সালের মে মাসে ১.৩৭৫৭ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। ডিসেম্বরে মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.৩৬৬০। ২০১৭ সালের জুন মাসে ১.৩৫৪৭ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। (গত সপ্তাহে উল্লেখিত ) এটা এ সপ্তাহের দুর্বল সাপোর্ট লেভেল হতে পারে। পরবর্তী লেভেল ১.৩৩৮৫ এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১৩৩৫০ লেভেলে। নভেম্বরের মাঝামাঝিতে ১.৩২৬৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। মার্চে এটা সাপোর্ট লেভেল ছিল। নভেম্বরের শেষের দিকে ১.৩১৭৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.৩১২৫। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলার পেয়ারটির প্রাইস বাড়বে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য উত্তেজনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে মার্কিন ডলারের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে কানাডার ইকোনমিক অবস্থা তেমন ভাল নেই। যার ফলে মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  8. যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য যুদ্ধের মন্দা অবস্থার পরে এখন মার্কেট কোন দিকে যাবে সেটা দেখার বিষয়। এ সপ্তাহে মার্কেটে যে ইভেন্টগুলো প্রভাব ফেলবে তার মধ্যে রয়েছে। এফওএমসি (FOMC) মিনিটস, যুক্তরাষ্ট্রের টেকসই পণ্যের ( Durable goods) অর্ডার এবং এছাড়াও আরও কিছু ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট ওভারভিউ আলোচনা করা হলো। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের পরে চীনের পাল্টা জবাব। যার ফলে স্টক মার্কেট খারাপ অবস্থানে রয়েছে এবং বিনিয়োগকারীরা ইয়েনকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে দেখছেন। বেক্সিট সম্পর্কে ক্রস-পার্টির আলোচনা পাউন্ডের উপর বেশ প্রভাব ফেলছে এবং মার্কেটে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। যার ফলে পাউন্ডের প্রাইস ক্রমাগত কমছে। ১.Australian elections শনিবার। অস্টেলিয়ার নির্বাচনে লিবারেল ন্যাশনাল পাটি জয় লাভ করেছেন এবং তারা স্কট মরিসনকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচন করেছেন। তবে তার শাসনকে কেন্দ্র করে মার্কেট কোন দিকে পরিচালিত হবে সেটা দেখার বিষয়। আশা করা হচ্ছে, মার্কে স্থিতিশীল অবস্থায় থাকবে। ২.UK Inflation বুধবার দুপুর ০২:৩০। বর্তমানে কনজিউমার প্রাইস তেমন ভাল অবস্থানে নেই, যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি বাৎসরিক শতকরা ১.৯ পার্সেন্ট কমেছে। মার্চ মাসে কোর সিপিআই ( Core CPI ) ১.৮% এসেছে। যে কোন ধরণের মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির ফলে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট বাড়াতে পারে। তবে এখন মুল উত্তেজনা হলো ব্রেক্সিট নিয়ে পূর্ণ সামাধান। ৩.FOMC Meeting minutes বুধবার রাত ১২:০০। ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক মে মাসে ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তনীয় রেখেছে। তবে বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশা করেছিল, ফেডারেল রিজার্ভ ইন্টারেস্ট রেট কমাবে কিন্তু এর বিপরীত হয়েছে। ফেড চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েল ইকোনমিক ভাল দিকগুলো তুলে ধরে জোর দিয়ে বলেছেন, লো মুদ্রাস্ফীতি অস্থায়ী। জব রিপোর্ট তুলনামূলকভাবে ভাল অবস্থানে রয়েছে। ৪.Euro-zone PMIs বৃহস্পতিবার ফ্রান্স দুপুর ০১:১৫, জার্মান ০১:৩০ এবং ইউরোজোন ০২:০০ প্রকাশ করা হয়েছে। মার্কিটের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউরোজোনের পিএমআই মোটামুটি ভাল অবস্থানে রয়েছে। তবে জার্মানের মেনুফেকচারিং সেক্টর মিশ্র অবস্থানে রয়েছে। এ সেক্টর থেকে মার্চ মাসে ৪৪.৪ পয়েন্ট এসেছে। তবে ইউরোজোনের ইকোনমিক যন্ত্র হিসেবে পরিচিত জার্মানের জন্য এটা তেমন ভাল পয়েন্ট নয়। ৫০ পয়েন্টের নিচে থাকলেই এটা খারাপ অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে সার্ভিস সেক্টর ভাল অবস্থানে রয়েছে। এ সেক্টর থেকে ৫২.৮ পয়েন্ট এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। ৫.ECB Meeting minutes বৃহস্পতিবার বিকাল ০৫:৩০। ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তনীয় রেখেছেন। এটা মার্কেটকে নিন্মমূখী অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে কিছু ইকোনমিক ইনডিকেটর মার্কেটের ভাল অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য যুদ্ধে, ব্রেক্সিট এবং অন্যান্য বিষয়গুলো কারণে মার্কেটে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। ৬.European elections রবি থেকে বৃহস্পতিবার। যুক্তরাজ্যসহ ইউরোজোনের ২৮ টি দেশ ইউরোপিয়ান নতুন পার্লামেন্ট গঠন করার জন্য ভোট দিবেন। এট মার্কেটের ‍উপর বেশ প্রভাব ফেলবে। তবে নির্বাচনের আগে ইউরোপে বেশ উত্তেজনা বিরাজ করতে পারে। এটি ইউরোর উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আমরা পরবর্তী অবস্থানের দিকে নজর রাখবো। ৭.UK retail Sales শুক্রবা দুপুর ০২:৩০। যুক্তরাজ্যে মার্চ মাসে রিটেইলস সেলস শতকরা ১.১ পার্সেন্ট বেড়েছে। এপ্রিল মাসে এই অবস্থার কিছু পরিবর্তন হতে পারে। তবে ব্রেক্সিটের আলোচনার কারণে মার্কেটে যে কোন পরিবর্তন আসতে পারে। ৮.US Durable goods orders শুক্রবার সন্ধ্যা ০৬:৩০। যুক্তরাষ্ট্রের ডিউরেবল পণ্যের অর্ডার বেশ পিছিয়ে পরেছে। তবে আমরা আশা করছি, এ বছরের দ্বিতীয় কোয়াটারের এপ্রিল মাসের রিপোর্ট কিছুটা বৃদ্ধি পাবে। মার্চ মাসে কোর অর্ডার এসেছে শতকরা ২.৭% । এটা গত বারের তুলনায় মাত্র ০.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে।
  9. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেটের ১.১২২৫ তে একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল দেওয়া হয়েছে এবং ১.১১৯৬ তে একটি সেল সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। ১.১২২৫ প্রোইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৫০,১.১১৩০,১.১১০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২২৫, ১.১২৪৫,১.১২৭০ বাই এন্ট্রি : ১.১১৯৮ স্টপ লস : ১.১২২৫ ট্রেডের সম্ভাবনা: নিন্মমানের টেক প্রফিট: ১.১১৫০,১.১২৭০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১.১১৫০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.১১০০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৫০, ১.১১০০,১.১০৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৪০,১.১২৮৫,১.১৩১০ বাই এন্ট্রি : GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা ৫০% পজিশন ক্লোজ করবো এবং ১.২৮২৫ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৭৩৮, ১.২৭০০, ১.২৬৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৮২৫, ১.২৮৬০, ১.২৯৩০ সেল এন্ট্রি: ১.২৮২৫, স্টপ লস : ১.২৮২৫ ট্রেডের সম্ভাবনা : সর্বোচ্চ টেক প্রফিট : ১.২৭৯২, ১.২৭৩৮ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৮৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে । সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৭২০, ১.২৬৯০, ১.২৬৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৮৮০, ১.২৯৩০, ১.৩০৩০ সেল এন্ট্রি :
  10. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ০.৬৯৩৮ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ০.৬৮৯৫, ০.৬৮৬০, ০.৬৮০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ০.৬৯৩৮, ০.৬৯৬০, ০.৬৯৯৯ সেল এন্ট্রি : ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ০.৬৯৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ০.৬৮৯০, ০.৬৮৪৬, ০.৬৭২৪ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ০.৬৯৬০, ০.৭০১৮, ০.৭০৯০ সেল এন্ট্রি : USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১০৯.১৪ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একট ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। ১০৯.৬৯ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বিয়ারিশ অবস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১০৯.০৩, ১০৮.৫৪, ১০৭.৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১০৯.৭৭, ১১০.৪১, ১১১.২৭ সেল এন্ট্রি : ১০৯.১৪ স্টপ লস : ১০৯.৬৯ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট : ১০৮.৪১, ১০৮.২৭ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১০৯.৮৮রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একট ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১০৯.০৩ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক করতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১০৯.০৩, ১০৮.৫৪, ১০৭.৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১০৯.৭৭, ১১০.৪১, ১১১.২৭ সেল এন্ট্রি : ১০৯.০৩ স্টপ লস : ১০৯.৭৭ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট : ১০৮.৫৪, ১০৭.৮০
  11. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১.১২৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টর সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৮০, ১.১১৫০, ১.১১০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৩০, ১.১২৬০, ১.১২৮০ সেল এন্ট্রি : ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১.১১৭৫ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.১২৬৩ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.১১৪০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৭৫, ১.১১৪০, ১.১০৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৬৩, ১.১৩১৫, ১.১৪০১ বাই এন্ট্রি : টেক প্রফিট : ১.১৩১৫, ১.১৪০১ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে। আমরা ১.২৮২৫ সাপোর্ট লেভেলে সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.২৮৮০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বিয়ারিশ অবস্থান পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৮২৫, ১.২৭৯২, ১.২৭৩৮ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৮৮০, ১.২৯১০, ১.২৯৫০ সেল এন্ট্রি : ১.২৮২৫ স্টপ লস : ১.২৮৮০ ট্রেডের সম্ভাবনা : সর্বোচ্চ টেক প্রফিট : ১.২৭৯২, ১.২৮৩৮ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৯১৬ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টর সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৮২৫, ১.২৭০৫, ১.২৪৯৪ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৯১৬, ১.২৯৬৬, ১.৩০৪৭ সেল এন্ট্রি :
  12. ইউরো/ডলার পেয়ারটি এ সপ্তাহের নিন্ম প্রাইস ১.১১৮০ থেকে রিবাউন্ড করেছে। তারপর পেয়ারটি ১.১২০০ প্রাইসে উঠেছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.১২০০ প্রাইসের উপরে ট্রেডিং করছে। ৫৫ দিনের এসএমএ অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১২৬০/৭০ প্রাইসে অবস্থান করছে। পরবর্তীতে পেয়ারটির সেলিং অবস্থান অব্যাহত থাকতে পারে। গত কয়েক মাসে যাবত ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১২৮৭ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের নিচে ট্রেডিং করতে পারে এবং পেয়ারটি সর্বনিন্ম ১.১১০০ প্রাইসে আসতে পারে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের চার্ট
  13. ইউরো/ইয়েনের প্রাইস কমছে এবং এটা ১২২.০০ প্রাইসের কাছাকাছি রয়েছে। ইউরোপিয়ান ইকোনমি দুর্বল হওয়ার কারণে ইউরোর প্রাইস কমছে। পেয়ারটি গত কয়েকমাস যাবত ১২৫.৯২ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে বাড়তে শুরু করেছিল। তবে আশা করা হচ্ছে, এবারে পেয়ারটির নিন্মমূখী অবস্থান শক্তিশালী হতে পারে। ১০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী পেয়ারটি ১২৩.২৪ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে কিছুটা বুলিশ অবস্থা বিরাজ করতে পারে। ২১ দিনের এসএমএ অনুযায়ী ১২৪.২১ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে বুলিশ অবস্থান থাকতে পারে। ইউরো/ইয়েনের প্রতিদিনের চার্ট
  14. পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমছে, যার ফলে পেয়ারটির সেলিং প্রেসার বাড়ছে। পেয়ারটি গত তিন মাসের সর্বনিন্ম প্রাইসে আসতে পারে। বৈশ্বিক ইকোনমিক প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে উদ্বিগ্নতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে চীনের ইকোনমিক সেক্টরে। তবে মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়ছে। এদিকে ব্রেক্সিটের কারণে পাউন্ড বেশ খারাপ অবস্থানে রয়েছে। ব্রেক্সিট নিয়ে এখনও অস্থিরতা বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের মাসিক রিটেইল সেলস এবং ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন যুক্তরাজ্যের তুলনায় ভাল অবস্থানে রয়েছে। তাই ডলারের প্রাইস ক্রমাগত বাড়ছে। অপরদিকে পাউন্ডের প্রাইস ক্রমাগত কমছে। আমরা ধারণা করছি পাউন্ডের প্রাইস আরও কমতে পারে। এছাড়াও সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, পেয়ারটির প্রাইস গত তিন মাসের সর্বনিন্ম প্রাইসের দিকে যাচ্ছে।
  15. গতকাল ইউরোর অবস্থান তেমন ভাল ছিল না। গতকাল ইউরোপিয়ান মার্কেটে ৩ হাজার কন্ট্রাকস কমেছে। এছাড়াও ১৭ হাজার ৫০০ ভলিউম বেড়েছে। ইউরো/ডলার পেয়ারটি ন্মিমূখী অবস্থানে রয়েছে, পেয়ারটি ১.১২০০ প্রাইসের দিকে রয়েছে ইউরোপিয়ান ইকোনমি ভাল অবস্থানে না থাকার কারণে ইউরো/ডলার পেয়ারটি এ সপ্তাহের সর্বনিন্ম লেভেল ১.১১৮০/৭৫ এর দিকে যেতে পারে। সুতরাং পেয়ারটির সেলিং প্রেসার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  16. পাউন্ডের মার্কেট অবস্থান ভাল যাচ্ছে না। গত সুই সপ্তাহ ধরে পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমছে। এ সপ্তাহের প্রথমদিন অর্থাৎ সোমবারে পেয়ারটির দিকে লক্ষ্য করলে আমরা দেখতে পারছি। সোমবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.২৯৯৫ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.২৯৫৬ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির সর্বোচ্চ ১.৩০৪০ প্রাইস উঠেছিল এবং সর্বনিন্ম ১.২৯৪০ প্রাইসে নেমেছিল। গতকালের ট্রেডিং সেশনের দিকে লক্ষ্য করলে আমরা দেখতে পারছি। গতকাল পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.২৯০৩৩ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.২৮৪০ প্রাইসে। গতকাল পেয়ারটি সর্বোচ্চ ১.২৯২২ প্রাইসে এবং সর্বনিন্ম ১.২৮২৫ প্রাইসে নেমেছিল। গতকাল পেয়ারটির প্রাইস কমেছিল ৬৩ পিপসের মতো। আজ বৃহস্পতিবারের ট্রেডিং সেশনের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, পেয়ারটি ওপেন হয়েছে ১.২৮৪৫ প্রাইসে। এখন পর্যন্ত পেয়ারটির সর্বোচ্চ লেভেল এসেছে ১.২৮৫১ এবং সর্বনিন্ম লেভেল এসেছিল ১.২৮৪০ প্রাইস। সুতরাং এ সপ্তাহের প্রথমদিন সোমবার থেকে গতকালের ট্রেডিংয়ের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি ২৫০ পিপসের মতো কমেছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.২৮৪৭ প্রাইসে অবস্থান করছে। বর্তমানে পেয়ারটি ঊর্ধ্বমূখী অবস্থানে রয়েছে।
  17. সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত ইউরো/ডলারের প্রাইস ক্রমাগত কমছে।সোমবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২৩১ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২২০ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১২৬২ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১২২০। গতকাল অর্থাৎ বুধবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২০২ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৯৯ প্রাইসে। বুধবার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১২২৪ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১১৭৭। সুতরাং গতকাল পেয়ারটি ৩ পিপসের মতো কমেছিল। সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত পেয়ারটি ২৯ পিপসের মতো কমেছে। তবে আজ বৃহস্পতিবার পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু করেছে। আজ পেয়ারটি ওপেন হয়েছে ১.১২০০ প্রাইসে। এখন পর্যন্ত পেয়ারটি সর্বোচ্চ ১.১২১০ প্রাইসে উঠেছে এবং সর্বনিন্ম ১.১১৯৯ প্রাইসে নেমেছে।বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস বাড়ছে। তাই আশা করছি, পেয়ারটির প্রাইস আরও কিছুক্ষণ বাড়বে। আজ ইতালি এবং জার্মানের বন্ড রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে। আশা করা হচ্ছে, ইতালি এবং জার্মানের বন্ড বাড়বে। যার ফলে পরবর্তীতে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। তাই আমাদের পরবর্তী রিপোর্টের দিকে নজর রাখা উচিত।
  18. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ০.৬৯৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ০.৬৯১০, ০.৬৮৭০, ০.৬৮৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ০.৬৯৪০, ০.৬৯৬০, ০.৬৯৯৯ সেল এন্ট্রি : ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ০.৬৯৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ০.৬৯০৬, ০.৬৮৩৬, ০.৬৭২৪ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ০.৬৯৬০, ০.৭০১৮, ০.৭০৯০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১০৯.৪২ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একট ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১০৯.৭৭ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক করতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১০৯.৪২, ১০৯.১৬, ১০৮.৭৯ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১০৯.৭৭, ১০৯.৯৬, ১১০.২৯ বাই এন্ট্রি : টেক প্রফিট : ১০৯.৯৬, ১১০.২৯ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১০৯.৮৮রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একট ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১০৯.০৩ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক করতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১০৯.০৩, ১০৮.৫৮, ১০৭.৮৯ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১০৯.৮৮, ১১০.৪১, ১১১.২৭ সেল এন্ট্রি : টেক প্রফিট : ১০৮.৫৮, ১০৭.৮৯
  19. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১.১২১৬ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টর সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৮৪, ১.১১৪৮, ১.১১১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২১৬, ১.১২২৫, ১.১২৪০ সেল এন্ট্রি : ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.১১৯০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টর সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.১২১৬ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৯০, ১.১১৪৮, ১.১১১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২১৬, ১.১২২৫, ১.১২৪০ বাই এন্ট্রি : টেক প্রফিট : ১.১২৯০, ১.১৩৩৫ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা পজিশনের ৫০% ক্লোজ করবো এবং মার্কেটের পরবর্তী সুযোগগুলোর ব্যবহার করবো। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৮৫০, ১.২৭৯০, ১.২৭৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৯২০, ১.২৯৬০, ১.৩০৪০ সেল এন্ট্রি : ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি/সর্বোচ্চ টেক প্রফিট : ১.২৯৬০, ১.২৯১০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৯৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টর সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৮৪০, ১.২৭২০, ১.২৬২৯ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৯৭০, ১.৩০৫০, ১.৩২০০ সেল এন্ট্রি :
  20. পেয়ারটি ১.১২০০ প্রাইসের কাছাকাছি রয়েছে ।পেয়ারটির প্রাইস আরও কমতে পারে। যার ফলে পেয়ারটির সেলিং প্রেসার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৫৫ দিনের এসএমএ অনুযায়ী পেয়ারটি সর্বোচ্চ রেজিস্ট্যান্স লাইন ১.১২৬০/৭০ আসতে পারে। পেয়ারটি তার ঊর্ধ্বমূখী অবস্থানে বেশিক্ষণ স্থায়ী হবে না বলে মনে হচ্ছে। আরেকটু বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, ইউরো/ডলার পেয়ারটি কয়েক মাস যাবত ১.১২৯৯ রেজিস্ট্যান্স লাইনের নিচে অবস্থান করছে। ২০১৯ সালে পেয়ারটি সর্বনিন্ম ১.১১০০ প্রাইসের কাছাকাছি আসতে পারে। ই্‌উরো/ডলারের প্রতিদিনের চার্ট
  21. জার্মান জিডিপিকে কেন্দ্র করে পেয়ারটি তার আপসাইড অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছে। গত প্রান্তীকে জার্মান জিডিপি ০.৪% এসেছিল। জার্মান ডাটাকে কেন্দ্র করে ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১২০০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ইউরো/ডলারের অবস্থান জানুয়ারী থেকে মার্চ মাসের রিলিজে অর্থাৎ প্রথম কোয়াটারে জিডিপি শতকরা ০.৪% বেড়েছিল। এটা তেমন ভাল অবস্থান ছিল না। তবে পরবর্তী রিপোর্টে মার্কেটের অবস্থান কি হবে সেটা দেখার বিষয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এবারের রিপোর্ট থেকেও তেমন ভাল ফলাফল আসবে না। এর ফলে ইউরো/ডলারের প্রাইস আরও কমতে পারে। আজ যদি যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য উত্তেজনা নুতন করে বৃদ্ধি পায়, তাহলে ইউরো/ডলারের প্রাইস কমতে পারে। এটা ইউরোর জন্য ভাল অবস্থান হতে পারে। তাই আজ সকলের চোখ থাকবে জার্মান জিডিপির দিকে। তবে আশা করা হচ্ছে, রিটেইল সেলসের তেমন কোন উন্নতি হবে না। যার ফলে ইউরোর প্রাইস কমতে পারে।
  22. পাউন্ড/ডলারের প্রাইসের দিকে তাকালে দেখতে পারছি গত ৮ দিন ধরে পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমছে।তবে আজ পেয়ারটির অবস্থান কোথায় হবে, সেটা দেখার বিষয়। তাই আমরা গত কয়েকদিনের মার্কেটের অবস্থান নিয়ে আলোচনা করবো। যার মাধ্যমে আজকের মার্কেটের অবস্থান সম্পর্কে আমরা কিছু জানতে পারবো। এপ্রিল মাসের ৩ তারিখ পেয়ারটির প্রাইস ভাল অবস্থানে ছিল। তারপর থেকে পেয়ারটির প্রাই্স ক্রমাগত কমতে থাকে। তাই আমাদের প্রথমেই জানা দরকার ৩ তারিখ পেয়ারটির প্রাইস কি অবস্থানে ছিল। ৩ তারিখ অর্থাৎ শুক্রবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.৩০২৬ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.৩১৭১ প্রাইসে। শুক্রবার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.৩১৭৬ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.২৯৮৮। ঐ দিন পেয়ারটি ৪৫ পিপসের মতো বেড়েছিল। আমরা গত ৩ তারিখের প্রাইস সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পেলাম। এখন এ সপ্তাহে পেয়ারটির অবস্থান সম্পর্কে জানবো। গত সপ্তাহের শেষদিন অর্থাৎ শুক্রবার পেয়ারটি ডজি অবস্থানে ছিল। ঐ দিন পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.৩০০৩ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.৩০০৩ প্রাইসে। তবে শুক্রবার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস এসেছিল ১.৩০৩৫ এবং সর্বনিন্ম এসেছিল ১.২৯৬৬। শুক্রবার দিন শেষে পেয়ারটির প্রাইস বাড়েনি। পেয়ারটি যে স্থানে ওপেন হয়েছিল, আবার সে স্থানেই ক্লোজ হয়েছে। এ সপ্তাহের প্রথমদিন অর্থাৎ সোমবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.২৯৯৫ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.২৯৫৬ প্রাইসে। সোমবার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.৩০৪ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১৯৪০। সোমবার পেয়ারটি ৩৯ পিপসের মতো কমেছিল। মঙ্গলবারের ট্রেডিং সেশনের দিকে লক্ষ্য করলে আমরা দেখতে পাচ্ছি, মঙ্গলবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.২৯৫৫ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.২৯০২ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস এসেছিল ১.২৯৭০ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছিল ১.২৯০২। ঐ দিন পেয়ারটি ৫৩ পিপসের মতো কমেছে। আজকের ট্রেডিং সেশনের দিকে দেখা যাচ্ছে, পেয়ারটি ওপেন হয়েছে ১.২৯০৩ প্রাইসে। এখন পর্যন্ত পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস এসেছে ১.২৯১৫ এবং সর্বনিন্ম প্রাইসে এসেছে ১.২৯০৩। বর্তমানে পেয়ারটি অবস্থান করছে ১.২৯০৭ প্রাইসের কাছাকাছি। এ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল সোমবারে ১.৩০৪ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছে মঙ্গলবারে ১.২৯০২। আমরা ধারণা করছি পেয়ারটির প্রাইস আজও কমতে পারে। কারণ যুক্তরাজ্যে বেক্সিট নিয়ে এখনও দৌড়ঝাপ চলছে,তবে এ অবস্থান ‍উন্নতি এখনও আশা করা হচ্ছে না। এ দিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের অবস্থান টিকিয়ে রাখার চ্যালেঞ্জ। তাই আমরা ধারণা করছি, পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। তবে যুক্তরাজ্যের ফান্ডামেন্টালে কোন ধরণের উন্নতি হলে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে।
  23. সোমবার পেয়ারটির অবস্থান মোটামুটি ভাল অবস্থানে ছিল। সোমবারের পর থেকে পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমতে থাকে। তবে আজ পেয়ারটির অবস্থান কি হতে পারে,তা আমরা গত কয়েকদিনের মার্কেট মুভমেন্টর মাধ্যমে জানতে পারবো। গত সপ্তাহের শেষ দিন অর্থাৎ শুক্রবারের দিকে লক্ষ্য করলে আমরা দেখতে পাচ্ছি, শুক্রবার পেয়ারটির ওপেন হয়েছিল ১.১২১১ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২৩৩ প্রাইসে। শুক্রবার পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বেড়েছিল। শুক্রবার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১২৫৩ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১২১২। সুতরাং দেখা যাচ্ছে শুক্রবার দিন শেষে পেয়ারটির প্রাইস ২২ পিপসের মতো বেড়েছিল। এই সপ্তাহের প্রথমদিন অর্থাৎ সোমবার পেয়ারটি ওপেন হয় ১.১২৩১ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয় ১.১২২০ প্রাইসে। সোমবার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস উঠেছিল ১.১২৬২ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছিল ১.১২২০। সুতরাং সোমবারের সারাদিনের ট্রেডিং পর্যালোচনা করে দেখা যায়। ঐ দিন পেয়ারটির প্রাইস ১১ পিপসের মতো কমেছিল। মঙ্গলবারে পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২২০ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২০৩ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১২৪৩ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১২০০। সুতরাং মঙ্গলবার পেয়ারটির প্রাইস ১৭ পিপসের মতো কমেছিল। আজকে পেয়ারটি ওপেন হয় ১.১২০২ প্রাইসে। আজকের সেশনে এখন পর্যন্ত পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস উঠেছে ১.১২০৮ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস নেমেছে ১.১২০০। বর্তমানে পেয়ারটি ১.১২০৬ প্রাইসে অবস্থান করছে। সোমবার থেকে বুধবার এই কয়েকদিনের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল সোমবারে ১.১২৩১ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল মঙ্গলবার ১.১২০০। আজ জার্মান জিডিপি (GDP) ডাটা প্রকাশ করা হবে। আশা করা হচ্ছে, জিডিপি শতকরা ০.৪% আসতে পারে। প্রত্যাশা অনুযায়ী জিডিপি ভাল আসলে আজ পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। তবে জার্মান রিপোর্ট খারাপ আসলে পেয়ারটির প্রাইস আরও খারাপ আসতে পারে। তাই বিনিয়োগকারীরা জার্মান জিডিপি রিপোর্টের দিকে নজর রাখবেন।
  24. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১.১২২১ প্রাইসের দিকে যাচ্ছে। আমরা পরবর্তী সুযোগ গুলোর দিকে তাকিয়ে আছি। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১২২০, ১.১১৮০, ১.১১৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৬০, ১.১২৯০, ১.১৩৯০ বাই এন্ট্রি : ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.১১৯০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.১২৬৩ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৯০, ১.১১৪০, ১.১০৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৬৩, ১.১২৯০, ১.১৩৩৫ বাই এন্ট্রি : টেক প্রফিট : ১.১২৯০, ১.১৩৩৫ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা ৫০% পজিশন ক্লোজ করবো এবং ১.২৯৯৪ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৯১০, ১.২৮৪০, ১.২৭৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৯৯৪, ১.৩০৫০, ১.৩১০০ সেল এন্ট্রি: ১.২৯৯৪ স্টপ লস : ১.২৯৯৪ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট : ১.২৯৬০, ১.২৯১০ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট : ১.২৯৭১ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.৩০০৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে । সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৮৪০, ১.২৭২০, ১.২৬৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩০০৫, ১.৩১০০, ১.৩২০০ সেল এন্ট্রি :
  25. শুক্রবার ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১২২০ প্রাইসে ক্লোজ হয়েছিল এবং আজ পেয়ারটি ১.১২২৪ প্রাইসে ওপেন হয়েছে। এখানে দেখা যাচ্ছে পেয়ারটি ৪ পিপস ঊর্ধ্বগতিতে ওপেন হয়েছে। শুক্রবার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১২২০ এবং আজকে এখন অবধি পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১২৪০ এসেছে। পেয়ারটি এখন অবধি ২০ পিপস মুভমেন্ট করেছে। শুক্রবা পেয়ারটির সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছিল ১.১২২০ এবং আজকে এখন পর্যন্ত পেয়ারটির সর্বনিন্ম ১.১২১৭ প্রাইসে নেমেছে। যদিও শুক্রবারের তুলনায় আজ পেয়ারটির সর্বনিন্ম লেভেল ভারী ছিল। তবে পরবর্তীতে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু করেছে। পেয়ারটি বর্তমানে ১.১২৩৭ প্রাইসে অবস্তান করছে। আজ পেয়ারটির প্রাইস আরও বাড়তে পারে। কারণ চীন যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের বন্ড রিপোর্ট খারাপ এসেছে, যার ফলে ডলারের প্রাইস কমছে। সুতরাং ইউরোর প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×