Jump to content

মার্কেট আপডেট

Members
  • Content count

    757
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    11

Everything posted by মার্কেট আপডেট

  1. কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনসের মতে, ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পাউন্ড/ডলারের প্রত্যাশিত ১.২৭১২ প্রাইসে যাওয়ার পথ সংকুচিত হচ্ছে।৫৫ দিনের এসএমএ অনুযায়ী কারেন জনস ১.২৭৫৩ রেজিস্ট্যান্স লেভেল নির্ধারণ করেছিলেন এবং বলেছিলেন পেয়ারটির প্রাইস বেড়ে জুন মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৭৮৪ যেতে পারে। তার মতে, বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস বাড়লেও পরবর্তীতে কমার সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.২৪০০/১.২৩৬৫ প্রাইসের কাছাকাছি আসতে পারে। পেয়ারটি শর্ট টার্মের ১.২২৩১ প্রাইসে যেতে পারে। ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পাউন্ড/ডলারের প্রত্যাশিত ১.২৭১২ প্রাইসে যাওয়ার পথ সংকুচিত হচ্ছে।
  2. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১.০৯৯০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.১০৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১.১০১৫,১.০৯৯০,১.০৯৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০৬০,১.১০৯০,১.১১৪০ টেক প্রফিট: ১.১০৯০,১.১১৪০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১.০৯৮০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯৮০,১.০৯৪০,১.০৮৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৬০,১.১১০০,১.১১৬০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট আপট্রেন্ডে রয়েছে। আমারা ১.২৭০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.২৫১০ প্রাইস লেভেল অতিক্রম করে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৫১০,১.২৪৪০,১.২৩২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৭০০,১.২৮১০,১.২৮৮০ বাই এন্ট্রি: ১.২৭০০ স্টপ লস: ১.২৫১০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৮১০,১.২৮৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৫০০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.২৭০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে ।সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৫০০,১.২৩৮০,১.২১৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৭০০,১.২৮২০,১.৩০১০ টেক প্রফিট: ১.২৮২০,১.৩০১০
  3. ৫৫ দিনের SMA অনুয়ায়ী,ইউরো/ডলার পেয়ারটি গত শুক্রবার ১.১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল অতিক্রম করেছে। বর্তমানে পেয়ারটি অক্টোবর মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১০৬০/৬৫ দিকে যাচ্ছে। ইউরো/ডলারের ঊর্ধ্বমূখী স্থায়ী হলে ৫৫ দিনের SMA অনুযায়ী,পেয়ারটি সেপ্টেম্বর মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১১০৯ এর দিকে যেতে পারে। ১০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী ১.১১৩৯ প্রাইসে আসতে পারে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের চার্ট
  4. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১.১০২০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.১০৬৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.১০০০। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০২০,১.১০০০,১.০৯৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৬৫,১.১০৮৫,১.১১২০ টেক প্রফিট: ১.১০৮৫,১.১১২০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১.০৯৮০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯৮০,১.০৯৪০,১.০৮৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১১০০,১.১১৯০,১.১২৯০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১.২৫৬০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.২৭০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.২৪৬০। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৫৬০,১.২৪৬০,১.২৩০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৭০০,১.২৭৭০,১.২৮৮০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৭৭০,১.২৮৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৫০০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৫০০,১.২৩৮০,১.২১৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৭৫০,১.৩০৯০,১.৩১৪০
  5. কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনের মতে, ইউরো/ডলারের প্রাইস বেড়ে ১.১১০০ এর দিকে যেতে পারে। গত সপ্তাহে ইউরো/ডলার পেয়ারটি চার মাসের ডাউনট্রেন্ড অতিক্রম করে ১.১০৬২ প্রাইসে উঠেছিল। বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস যদিও কমছে তবে পরবর্তীতে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জন বলেন, পেয়ারটি সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝির সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১১১০ এর কাছকাছি যেতে পারে। ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী বলেন, পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট ১.১২১৮ হতে পারে।অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু করলে ১.০৯৯০ এবং ১.০৯৪১ প্রাইসে যেতে পারে।
  6. গত সপ্তাহে ডলার/ইয়েনের প্রাইস ক্রমাগত বেড়ে ছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটির ক্ষেত্রে বিশেষ কোন ইভেন্ট নেই। তবে বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল সেলস রিপোর্টের দিকে নজর রাখবেন। USDJPY ফান্ডামেন্টাল আলোচনা জাপানের কনজিউমার ডাটা মিশ্র অবস্থানে রয়েছে। এ সেক্টরটি গত দুইবার ধরে খারাপ অবস্থানে রয়েছে। গত রিপোর্টে এ সেক্টরে শতকরা -০.২% কমেছে। তবে জাপানে পারিবারিক ব্যয় বেড়েছে। গত রিপোর্টে দেখা যায়, জাপানে পারিবারিক ব্যয় শতকরা ১.০% বেড়েছে। গত সপ্তাহে সেপ্টেম্বর মাসের ফেডারেল রিজার্ভ মিটিং ছিল,এ মিটিংয়ে ফেড ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.২৫% কমিয়েছিল। বৈশ্বিক ইকোনমি খারাপ থাকার কারণেই মূলত ফেড ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছিল। এর ফলে গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কয়েক সপ্তাহের নিচে নেমেছিল।। এছাড়াও গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কমার পিছনে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য আলোচনা ও মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট কাজ করেছিল। CME গ্রুপের মতে, অক্টোবরে ফেড ইন্টারেস্ট রেট পুনরায় কমাতে পারে। তবে এটা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি ডাটা সেপ্টেম্বরে বেশ হতাশাজনক এসেছিল। সেপ্টম্বরে এ সেক্টর প্রত্যাশিত লেভেলের বেশ নিচে এসেছিল। সেপ্টেম্বরের CPI গতবারের রিপোর্ট অনুযায়ী, অপরিবর্তনীয় ছিল। তবে Core CPI শতকরা ০.১% এসেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমির ক্ষেত্রে এটা ভাল অবস্থান নয়। এটা ফেডারেল রিজার্ভের নির্ধারিত টার্গেট শতকরা ২.০% এর অনেক কম এসেছে। USDJPY টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আমরা ১১১.৬২ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। এটা এপ্রিল মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১১০.৬২। মে মাসের শেষের দিকে ১০৯.৭৩ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। মে মাসে পেয়ারটি ১০৯.৩৫ প্রাইসের কাছকাছি ক্লোজ হয়। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১০৮.৭০। পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল ১০৮.১০। পরবর্তীতে ১০৭.৩০ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করে ছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১০৬.৬১। আগস্ট মাসের শেষের দিকে ১০৫.৫৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১০৪.৬৫। USDJPY প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে USDJPY পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগস্টের শেষের দিকে, ইয়েনের বিপরীতে মার্কিন ডলারের প্রাইস এক সপ্তাহে মতো কমেছিল। পরবর্তীতে পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত বাড়তে থাকে। ফরেক্স বিশেজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে।
  7. ইউরো/ডলারের প্রাইস গত দুই সপ্তাহ বেড়ে ছিল। তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির অবস্থান কি হতে পারে,তা ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো। এ সপ্তাহে যে ইভেন্টগুলো ইউরো/ডলারকে প্রভাবিত করতে পারে তার মধ্যে অন্যতম হলো জার্মান ZEW ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট এবং ইউরোজোন মুদ্রাস্ফীতি। নিচে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসগুলো আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে আগস্ট মাসের জার্মান মেনুফেকচারিং ডাটা প্রকাশিত হয়েছে। আগস্ট মাসের মেনুফেকচারিং ডাটা তেমন ভাল অবস্থানে ছিল না। ফ্যাক্টরি অর্ডার গত চার মাসে তিন বারের মতো খারাপ এসেছে। আগস্ট মাসের রিপোর্টে ফ্যাক্টরি অর্ডার শতকরা ০.৬% কমেছে। তবে ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন ভাল অবস্থানে ছিল, এ সেক্টরটি ধারাবাহিকভাবে গত দুইবার খারাপ করার এ বার শতকরা ০.৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। গতবার জার্মান CPI শতকরা ০.২% কমার পর, এ বার ০.০% অপরিবর্তনীয় রয়েছে। গত সপ্তাহে সেপ্টেম্বর মাসের ফেডারেল রিজার্ভ মিটিং ছিল,এ মিটিংয়ে ফেড ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.২৫% কমিয়েছিল। বৈশ্বিক ইকোনমি খারাপ থাকার কারণেই মূলত ফেড ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছিল। এর ফলে গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কয়েক সপ্তাহের নিচে নেমেছিল।। এছাড়াও গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কমার পিছনে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য আলোচনা ও মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট কাজ করেছিল। CME গ্রুপের মতে, অক্টোবরে ফেড ইন্টারেস্ট রেট পুনরায় কমাতে পারে। তবে এটা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি ডাটা সেপ্টেম্বরে বেশ হতাশাজনক এসেছিল। সেপ্টম্বরে এ সেক্টর প্রত্যাশিত লেভেলের বেশ নিচে এসেছিল। সেপ্টেম্বরের CPI গতবারের রিপোর্ট অনুযায়ী, অপরিবর্তনীয় ছিল। তবে Core CPI শতকরা ০.১% এসেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমির ক্ষেত্রে এটা ভাল অবস্থান নয়। এটা ফেডারেল রিজার্ভের নির্ধারিত টার্গেট শতকরা ২.০% এর অনেক কম এসেছে। ১.Industrial Production সোমবার, বিকাল ০৩:০০। মেনুফেকচারিং সেক্টর গত ছয় রিলিজে মধ্যে মাত্র একবার ভাল করেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে,আগস্ট মাসে এ সেক্টরে শতকরা ০.৩% বৃদ্ধি পেতে পারে। ২.French Final CPI মঙ্গলবার, দুপুর ১২:৪৫। আগস্ট মাসে ইউরোজোনের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ ফ্রান্সের CPI শতকরা ০.৫% বেড়েছিল। বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশা করছেন, সেপ্টেম্বরের রিলিজে কিছুটা কমে ০.৩% আসতে পারে। ৩.German ZEW Economic Sentiment মঙ্গলবার, বিকাল ০৩:০০। ইকোনমি পর্যলোচনা করে দেখা যাচ্ছে, এবারও জার্মানের এ সেক্টরটি খারাপ অবস্থানে থাকতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে,অক্টোবরে এ সেক্টর থেকে -২৭.০ পয়েন্ট আসতে পারে। ইউরোজোন ডাটাও দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। যার ফলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবার ইউরোজোন থেকে -২৬.৭ পয়েন্ট আসতে পারে। ৪.Eurozone Inflation বুধবার,বিকাল ০৩:০০। ইউরোজোন CPI গত দুই মাসে ১.০% এর কাছাকাছি ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরে শতকরা ০.৯% আসতে পারে। এটা ইসিবির নির্ধারিত টার্গেট ২.০% এর অনেক কম। EURUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো আমরা ১.১৩৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১৩৪৫। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে ১.১২৯ গুরুত্বপূর্ণ একটিরেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১২১৫। সেপ্টেম্বরের ২৩ তারিখে ১.১০২৫ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তীতে ১.০৯৫০ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করে ছিল। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে ১.০৮২৯ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.০৬৯০। শেষ কথা ফরেক্স বিষেজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে EURUSD পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। ইউরোজোন ইকোনমি ক্রমাগত খারাপ করছে। যার ফলে পেয়ারটি গত কয়েক সপ্তাহ ১.১০ প্রাইসের নিচে ট্রেডিং করেছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারটি যদিও ১.১০ প্রাইসের উপরে উঠে ছিল। বৈশ্বিক চাহিদা কম থাকায়, জার্মান মেনুফেকচারিং সেক্টরের চাহিদা ক্রমাগত কমছে। যার ফলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পেয়ারটির প্রাইস পুনরায় কমতে পারে।
  8. গত সপ্তাহের শুরুর দিকে পেয়ারটির প্রাইস বাড়লেও পরবর্তীতে কমতে শুরু করে। সেপ্টেম্বরের পর থেকে প্রথম বারের মতো পেয়ারটির প্রাইস এত কমেছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং USDCAD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে কানাডিয়ান ডাটাগুলো বেশ শক্তিশালী ছিল। যার ফলে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস বেড়েছিল। অপরদিকে মার্কিন ডলারের প্রাইস কমেছিল। আগস্ট মাসে কানাডায় বিল্ডিং অনুমোধন বেড়ে শতকরা ৬.১% এসেছে। গত দুইবার ধরে এ সেক্টরটি ভাল অবস্থানে রয়েছে। গত সপ্তাহের শেষের দিকে কানাডার ইমপ্লোইমেন্ট ডাটা অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়েছিল। সেপ্টেম্বরে কানাডায় ৫৩ হাজার ৭ শত জব তৈরি হয়েছে। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, মাত্র ১১ হাজার ২শত। সেপ্টেম্বরে বেকারত্বের হার ৫.৭% থেকে কমে ৫.৫% এসেছে। এর ফলে গত সপ্তাহে মার্কিন ডলারের বিপরীতে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস বেড়েছিল। গত সপ্তাহে সেপ্টেম্বর মাসের ফেডারেল রিজার্ভ মিটিং ছিল,এ মিটিংয়ে ফেড ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.২৫% কমিয়েছিল। বৈশ্বিক ইকোনমি খারাপ থাকার কারণেই মূলত ফেড ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছিল। এর ফলে গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কয়েক সপ্তাহের নিচে নেমেছিল।। এছাড়াও গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কমার পিছনে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য আলোচনা ও মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট কাজ করেছিল। CME গ্রুপের মতে, অক্টোবরে ফেড ইন্টারেস্ট রেট পুনরায় কমাতে পারে। তবে এটা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি ডাটা সেপ্টেম্বরে বেশ হতাশাজনক এসেছিল। সেপ্টম্বরে এ সেক্টর প্রত্যাশিত লেভেলের বেশ নিচে এসেছিল। সেপ্টেম্বরের CPI গতবারের রিপোর্ট অনুযায়ী, অপরিবর্তনীয় ছিল। তবে Core CPI শতকরা ০.১% এসেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমির ক্ষেত্রে এটা ভাল অবস্থান নয়। এটা ফেডারেল রিজার্ভের নির্ধারিত টার্গেট শতকরা ২.০% এর অনেক কম এসেছে। ১.Inflation Data বুধবার, সন্ধ্যা ০৬:২০। গত তিন মাসে কানাডার CPI দুইবারের মতো খারাপ করেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরেও এ সেক্টটি দুর্বল অবস্থানে থাকতে পারে এবং আনুমানিক ০.৩% আসতে পারে। ২.Manufacturing Sales বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। মেনুফেকচারিং সেক্টর তেমন ভাল অবস্থানে নেই। এ সেক্টরটি ধারাবাহিকভাবে গত দুইবার খারাপ করেছে। জুলাইতে এ সেক্টর থেকে ১.৩% এসেছিল। তবে এবারের রিপোর্টে আমরা রিবাউন্ড দেখতে পারবো কিনা সেটা দেখার বিষয়। ৩.ADP Nonfarm Employment Change বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। আগস্টে এ সেক্টরটি মোটামুটি ভাল অবস্থানে ছিল। আগস্টে এ সেক্টরে ৪৯ হাজার ৩ শত জব তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে আমরা সেপ্টেম্বরের ডাটার জন্য অপেক্ষা করছি। USDCAD পেয়ারটির প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইগুলো দেওয়া হলো USDCAD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো আমরা ১.৩৫৬৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে ১.৩৪৪৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.৩৩৮৫। সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩৩৫০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। গত সপ্তাহে ১.৩১৭৫ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। গত সপ্তাহের শেষের দিকে ১.৩১২৫ আরেকটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। অক্টোবরে ১.২৯১৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.২৮৩০। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে USDCAD পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং এবং মুদ্রাস্ফীতি সেক্টরের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিতে কিছুটা মন্দাভাব বিরাজ করছে। তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, খুব তাড়াতাড়ি যুক্তরাষ্ট্র এ মন্দাভাব কাটিয়ে উঠতে পারে। এদিকে কানাডার ইকোনমির দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, আগামী সপ্তাহে তেলের প্রাইস কমতে পারে। তেলের দাম করলে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমতে পারে। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের মন্দাভাব আগামী সপ্তাহেও বিরাজ করতে পারে।
  9. পাউন্ড/ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহে বেড়েছিল। জানুয়ারির পর প্রথম বারের মতো পেয়ারটির প্রাইস এতবেশি বেড়েছে।পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলো হলো যুক্তরাজ্যের ইমপ্লোইমেন্ট, সিপিআই এবং রিটেইল সেলস রিপোর্ট। নিচে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের ইকোনমিক ডাটাগুলো নমনীয় ছিল। প্রত্যাশা করা হয়েছিল, গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের জিডিপি অপরিবর্তনীয় থাকবে। কিন্তু অপরিবর্তনীয় থাকার পরিবর্তে জিডিপি শতকরা ০.১% কমেছিল। গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা ইকোনমিক দুর্বলতা এবং ব্রেক্সিট চুক্তির দিকে নজর রেখেছিল। মূলত গত সপ্তাহে পাউন্ডের প্রাইস বৃদ্ধির পিছনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকারের আলোচনা কাজ করেছিল। তদের আলোচনাটি ছিল গঠনমূলক এবং উৎপাদনশীল। যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস বেশ ভালভাবেই বেড়েছিল। গত সপ্তাহে সেপ্টেম্বর মাসের ফেডারেল রিজার্ভ মিটিং ছিল,এ মিটিংয়ে ফেড ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.২৫% কমিয়েছিল। বৈশ্বিক ইকোনমি খারাপ থাকার কারণেই মূলত ফেড ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছিল। এর ফলে গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কয়েক সপ্তাহের নিচে নেমেছিল।। এছাড়াও গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কমার পিছনে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য আলোচনা ও মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট কাজ করেছিল। CME গ্রুপের মতে, অক্টোবরে ফেড ইন্টারেস্ট রেট পুনরায় কমাতে পারে। তবে এটা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি ডাটা সেপ্টেম্বরে বেশ হতাশাজনক এসেছিল। সেপ্টম্বরে এ সেক্টর প্রত্যাশিত লেভেলের বেশ নিচে এসেছিল। সেপ্টেম্বরের CPI গতবারের রিপোর্ট অনুযায়ী, অপরিবর্তনীয় ছিল। তবে Core CPI শতকরা ০.১% এসেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমির ক্ষেত্রে এটা ভাল অবস্থান নয়। এটা ফেডারেল রিজার্ভের নির্ধারিত টার্গেট শতকরা ২.০% এর অনেক কম এসেছে। ১.Employment Data মঙ্গলবার,দুপুর ০২:৩০। জুলাই মাসে যুক্তরাজ্যে বেতন (ওয়েজ) শতকরা ৪.০% বৃদ্ধি পেয়েছিল। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ৩.৭% এর উপরে এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগস্ট মাসেও বেতন(ওয়েজ) শতকরা ৪.০% বাড়তে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, বেকারত্বের হার গতবারের ২৮.২ হাজার থেকে কমে ২১.৩ হাজার আসতে পারে। সুতরাং এবারের রিপোর্টে বেকারত্বের হার শতকরা ৩.৪% থাকতে পারে। ২.Inflation Data বুধবার,দুপুর ০২:৩০। জুলাই মাসে যুক্তরাজ্যে CPI শতকরা ২.১% এসেছিল। কিন্তু আগস্ট মাসে CPI ২.১% থেকে কমে ১.৭% এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরে CPI শতকরা ১.৮% আসতে পারে। Core CPI গতবারের ১.৫% থেকে বেড়ে ১.৭% আসতে পারে। ৩.Retail Sales বৃহস্পতিবার, দুপুর ০২:৩০। আগস্ট মাসে রিটেইল সেলস শতকরা ০.২% কমেছিল। মে মাসের পর প্রথমবারের মতো এ সেক্টরটি খারাপ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে,সেপ্টেম্বরেও মন্দাভাব বিরাজ করতে পারে এবং ০.১% আসতে পারে। ৪.BoE Credit Conditions Survey বৃহস্পতিবার, ‍দুপুর ০২:৩০। ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সাধারণত কোয়াটারলি রিপোর্ট বের করে থাকেন। এটা আগামী তিন মাসের জন্য কাজ করবে। সুতরাং ট্রেডারদের ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের পরিসংখ্যানের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। ৫.CB Leading Index শুক্রবার,সন্ধ্যা ০৭:৩০। জুলাই মাসে এ সেক্টর থেকে ০.২% এসেছিল। তবে আগস্ট মাসের আরেকটি রিবাউন্ড দেখতে পারবো কিনা সেটা দেখার বিষয়। GBPUSD প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লাইনগুলো দেওয়া হলো GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ১.৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.২৯১০। মে মাসের মাঝামাঝিতে ১.২৮৫০ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ১.২৭২৮ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। জুলাইয়ের শুরুর দিকে ১.২৬১৬ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। গত সপ্তাহে ১.২৫৩৫ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.২৪২০। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ১.২৩৩০ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে ১.২২ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.২২। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে GBPUSD পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সাথে যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিট চুক্তি কার্যকর করার শেষ সময় অক্টোবরের শেষের দিকে। সুতরাং ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে এ সপ্তাহে পেয়ারটি মুভমেন্ট বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চুক্তি কার্যকর করার কোন ঘোষণা আসলে পাউন্ডের প্রাইস আরও বাড়তে পারে। সুতরাং এ সপ্তাহে পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে।
  10. গত সপ্তাহে AUDUSD পেয়ারটির প্রাইস বেড়েছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো, পাচঁটি ইভেন্ট রয়েছে। এর মধ্যে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়ার মিটিং মিনিটস এবং ইমপ্লোইমেন্ট ডাটা অন্যতম। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবংAUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে অস্টেলিয়ার NAB বিজনেস সেক্টর বেশ খারাপ অবস্থানে ছিল। এটা গত পাচঁ মাসের সবথেকে খারাপ রিপোর্ট ছিল। গত সপ্তাহে অস্টেলিয়ার ওয়েস্টপ্যাক কনজিউমার সেন্টিমেন্ট তেমন ভাল অবস্থানে ছিল না। গত সপ্তাহে এ সেক্টরে শতকরা ৫.৫% কমেছে। এটা গত চার মাসে তৃতীয় বারের মতো খারাপ করেছে। গত সপ্তাহে সেপ্টেম্বর মাসের ফেডারেল রিজার্ভ মিটিং ছিল,এ মিটিংয়ে ফেড ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.২৫% কমিয়েছিল। বৈশ্বিক ইকোনমি খারাপ থাকার কারণেই মূলত ফেড ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছিল। এর ফলে গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কয়েক সপ্তাহের নিচে এসেছিল।। এছাড়াও গত সপ্তাহে ডলারের প্রাইস কমার পিছনে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য আলোচনা ও মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট কাজ করেছিল। CME গ্রুপের মতে, অক্টোবরে ফেড ইন্টারেস্ট রেট পুনরায় কমাতে পারে। তবে এটা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি ডাটা সেপ্টেম্বরে বেশ হতাশাজনক এসেছিল। সেপ্টম্বরে এ সেক্টর প্রত্যাশিত লেভেলের বেশ নিচে এসেছিল। সেপ্টেম্বরের CPI গতবারের রিপোর্ট অনুযায়ী, অপরিবর্তনীয় ছিল। তবে Core CPI শতকরা ০.১% এসেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমির ক্ষেত্রে এটা ভাল অবস্থান নয়। এটা ফেডারেল রিজার্ভের নির্ধারিত টার্গেট শতকরা ২.০% এর অনেক কম এসেছে। ১.RBA Monetary Policy Meeting Minutes মঙ্গলবার, ভোর ০৫:৩০। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া জুন মাসের পর থেকে তৃতীয় বারের মতো ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছে। এ বারের মটিংয়ে ব্যাংক ইন্টারেস্ট রেট কমানোর বিষয় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। এ আলোচনা থেকে কোন ধরণের ডভিশ মন্তব্য আসলে অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস পুনরায় কমতে পারে। সুতরাং অস্টেলিয়ান ডলারের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। ২.MI Leading Index মঙ্গলবার, ভোর ০৪:৩০। এপ্রিলের পর থেকে প্রথম বারের মতো,অক্টোবরে মেল বোর্ন লেডিং ইনডেক্স ভাল এসেছে। তবে সেপ্টম্বরের রিপোর্টে এ ধরণের আরেকটি রিবাউন্ড দেখা যাবে কিনা সেটা দেখার বিষয়। ৩.Chinese New Loans মঙ্গলবার। আগস্ট মাসে চীন নতুন ব্যাংক গুলোকে ১২১০ বিলিয়ন ইউয়ান লোন দিয়েছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরে গত বারের থেকে আরও বাড়তে পারে এবং আনুমানিক ১৩৫০ বিলিয়ন ইউয়ান হতে পারে। ৪.Employment Data বৃহস্পতিবার, ভোর ০৫:৩০। গত দুই মাস অস্টেলিয়ার লেবার মার্কেট বেশ ভাল অবস্থানে ছিল। গত দুই মাসের অস্টেলিয়ায় ৭৫ হাজার জব তৈরি হয়েছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, অস্টেলিয়ার ইকোনমিতে সেপ্টেম্বরে আরও ১৫ হাজার ৩ শত জব যোগ হতে পারে। গত বারের রিপোর্টে অস্টেলিয়ায় বেকারত্বের হার ছিল শতকরা ৫.৩%। ৫.Chinese GDP শুক্রবার,সকাল ০৮:০০। চীনা ইকোনমি ক্রমাগত খারাপ করছে এবং তৃতীয় প্রান্তীকে জিডিপি শতকরা ৬.২% এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ডাউনট্রেন্ড অব্যাহত থাকবে। এবার চীরা জিডিপি শতকরা ৬.১% আসতে পারে। AUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ০.৭১৬৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। এপ্রিলের শুরুর দিকে এটা গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। সেপ্টেম্বরে পেয়ারটির সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৭০৮৫ এবং পরবর্তী প্রাইস ছিল ০.৭০২২। এপ্রিলে ০.৬৯৮৮ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে ০.৬৮৬৫ গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। গত সপ্তাহে ০.৬৮২৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তীতে ০.৬৭৪৪ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। ২০০০ সালের জানুয়ারিতে ০.৬৬৮৬ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। ২০০৯ সালের মার্চ মাসে ০.৬৬২৭ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল।পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ০.৬৫৩২। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ০.৬৪৫৬। AUDUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রিজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো শেষ কথা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে AUDUSD পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া ইকোনমিকে সচল করার জন্য যদিও গত সপ্তাহে ইন্টারেস্ট কমিয়ে ছিল। তবে ইকোনমি এখনও তেমন সচল হয়নি। বৈশ্বিক ইকোনমিতে স্থিতিশীলতা বিরাজ করার কারণে অস্টেলিয়ার মেনুফেকচারিং এবং রপ্তানি সেক্টর খারাপ করছে। এর প্রভাব অস্টেলিয়ান ডলারের উপর পড়তে পারে।
  11. গত সপ্তাহে ফেডের পরবর্তী রেট ডিসিশন সম্পর্কে আগাম কিছু তথ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বানিজ্য আলোচনা মার্কেটে মুভমেন্ট তৈরি করেছিল এ সপ্তাহে মার্কেটে মুভমেন্ট তৈরি করার ক্ষেত্রে চলমান ব্রেক্সিট আলোচনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার ডাটা প্রভাব ফেলতে পারে। নিচে চলতি সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টগুলো সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো। ১.German ZEW Economic Sentiment মঙ্গলবার, দুপুর ০৩:০০। প্রতি মাসে ৩০০ অ্যানালাইসিস্ট এবং বিনিয়োগকারীরা মিলে জার্মানের ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেন। নীতিনির্ধারকরা এটা গুরুত্বের সাথেই দেখে থাকেন। গত কয়েক মাস এ সেক্টরে স্থবিরতা পরিলক্ষিত হলেও, সেপ্টেম্বরে বেড়ে ২২.৫ এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, অক্টোবরেও একই ধরণের রেজাল্ট আসতে পারে। ২.UK Inflation বুধবার,দুপুর ০২:৩০। গত কয়েক মাস যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি ব্যাংক নির্ধারিত টার্গেট ২% এর আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছে। আগস্ট মাসের রিপোর্টেও একই অবস্থা পরিলক্ষিত হয়, আগস্ট মাসে বাৎসরিক মুদ্রাস্ফীতি কমে শতকরা ১.৭% এসেছিল। তবে যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি এভাবে আসতে থাকলে,ব্যাংক ব্রেক্সিটের নমনীয়তার দিক বিবেচনা করে ইন্টারেস্ট রেট বাড়াতে পারে। সুতরাং ট্রেডারদের এ ইভেন্টের প্রতি নজর রাখা প্রয়োজন। ৩.US Retail Sales বুধবার,সন্ধ্যা ০৬:৩০। আগস্ট মাসের রিটেইল সেলস রিপোর্টের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আগস্ট মাসে রিটেইল সেলস শতকরা ০.৪% বৃদ্ধি পেয়ে ছিল। তবে কোর রিটেইল সেলস আগের অবস্থানে অপরিবর্তনীয় ছিল। এবারের রিপোর্টেও একই অবস্থা পরিলক্ষিত হতে পারে, যা ডলারকে প্রভাবিত করতে পারে। ৪.Australian Employment বৃহস্পতিবার, ভোর ০৫:৩০। গত কয়েক মাস ধরে অস্টেলিয়ার এ সেক্টরটি ভাল অবস্থানে রয়েছে। আগস্ট মাসে অস্টেলিয়ায় ৩৪ হাজার ৭ শত জব তৈরি হয়েছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরেও একই ধরণের রেজাল্ট আসতে পারে। আগস্টে বেকারত্বের হার শতকরা ৫.৩% ছিল। ধারণা করা হচ্ছে,এবারও বেকারত্বের হার ৫.৩% এর কাছাকাছি থাকতে পারে। ৫.EU Summit on Brexit বৃহস্পতিবার, শুক্রবার। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতারা বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার সামিটে একত্রিত হবেন এবং সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টগুলো আলোচনা করবেন। এদিকে যুক্তরাজ্য কর্তৃক ব্রেক্সিটের সময়সীমার মাত্র দু’সপ্তাহ বাকি। সুতরাং এ আলোচনায় বেক্সিট ইস্যুর সাথে জড়িত আয়ারল্যান্ড এবং উত্তর আয়ার‌ল্যান্ডের আলোচনা হতে পারে। সুতরাং এ সপ্তাহে এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। ৬.Chinese GDP শুক্রবার,সকাল ১০:০০। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ চীন এ সপ্তাহে জিডিপি প্রকাশ করবেন। বাংসরিক হিসেবে অনুযায়ী গতবার চীনের জিডিপি শতকরা ৬.২% আসতে পারে। তবে এ বারের রিপোর্টে কি আসতে পারে সেটা দেখার বিষয়।
  12. ইউরো/ডলার পেয়ারটি গত কয়েক সপ্তাহ ডাউনট্রেন্ডে ছিল।তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু করেছে । বিশেষ করে আজ পেয়ারটির প্রাইস সবথেকে বেশি বেড়েছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.১০৪৫ প্রাইসকে অতিক্রম করে গত তিন সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১০৮৬ এর দিকে যাচ্ছে। তবে আজ পেয়ারটি প্রাইস বাড়ার পিছনে বেশ কয়েকটি ইভেন্ট কাজ করেছে।বিকাল ০৪:০০ দিকে ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান মারিও দ্রাঘির কনফারেন্স ছিল।এ কনফারেন্সে তিনি ইউরোজোনের ইকোনমি স্থবিরতার বেশ কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছন এবং তিনি বলেনে ইউরোজোন খুব তাড়াতাড়ি ইকোনমিক স্থবিরতা কাটিয়ে উঠবে। এছাড়াও তিনি ইউরোজোনের ইকোনমি পর্যবেক্ষণের বেশ কয়েকটি দিক আলোচনা করেছেন। আজ ইউরোর প্রাইস বৃদ্ধিতে সবথেকে বেশি সহায়তা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডাটাগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ ডাটা মার্কিন ডলারের বিপরীতে কাজ করেছে।আর কিছুক্ষণের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মেশিগান কনজিউমার সেন্টিমেন্ট ডাটা রিলিজ হতে যাচ্ছে।গত রিলিজে এ সেক্টর থেকে ৯৩.২ পয়েন্ট এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবারের রিলিজে ৯২.০ পয়েন্ট আসতে পারে। সুতরাং এ ডাটাটি মার্কেটে মুভমেন্ট বৃদ্ধি করতে পারে।
  13. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ০.৬৭৫৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ০.৬৭৭৫। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমুখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৭০০,০.৬৬৭০,০.৬৬২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৭২৫,০.৬৭৭৫,০.৬৮০৫ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ০.৬৭০০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ০.৬৭৭৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৭০০,০.৬৬৭০,০.৬৫২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৭৭৫, ০.৬৮১০,০.৬৮৭০ টেক প্রফিট: ০.৬৮১০,০.৬৮৭০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১০৭.৩০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১০৭.৩০,১০৭.০০,১০৬.৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৭.৮০,১০৮.১০,১০৮.৬০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেটের ১০৭.৫০একটি বাই সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। ১০৬.৮০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১০৬.৮০,১০৫.৩০,১০৪.৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৭.৮৫,১০৮.৫০,১০৯.৫০ বাই এন্ট্রি: ১০৭.৫০ স্টপ লস: ১০৬.৮০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১০৭.৮৫,১০৮.৫০
  14. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেটের ১.০৯৯০ একটি বাই এন্ট্রি দেওয়া হয়েছে।১.০৯৭০ প্রাইস ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯৭০,১.০৯৫০,১.০৯২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০০০,১.১০২৫,১.১০৫৫ বাই এন্ট্রি: ১.০৯৯০ স্টপ লস: ১.০৯৭০ টেক প্রফিট: ১.১০০০,১.১০২৫ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১.০৯৫০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯৫০,১.০৯১০,১.০৮৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০০০,১.১০৫০,১.১১৩০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে। আমারা ১.২১৯০ সাপোর্ট লেভেলে সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.২২৯০ প্রাইস লেভেল অতিক্রম করে উপরে উঠলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২১৯০,১.২১৪০,১.২০৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২২৯০,১.২৩৪০,১.২৪৪০ সেল এন্ট্রি: ১.২১৯০ স্টপ লস: ১.২২৯০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২১৪০,১.২০৪০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৩০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২১০০,১.২০২০,১.১৯০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৩০০,১.২৩৮০,১.২৫০০
  15. কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনের মতে, পাউন্ড/ডলারের প্রাইস কমতে পারে এবং ৬১.৮% ফিবোনাসি অনুযায়ী, পেয়ারটি ১.২১৯৬ প্রাইসের দিকে রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারটির ক্ষেত্রে ১.২৩৮৫/১.২৪১৩ রেজিস্ট্যান্স লেভেল নির্ধারণ করা হয়েছিল। যেহেতু পেয়ারটির ডাউনট্রেন্ডে রয়েছে, সুতরাং পেয়ারটি ১.২১৯৬ প্রাইসে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারটি ১.২১৯৬ প্রাসের নিচে আসলে পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.২০৯১/১৫। অপরদিকে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু করলে,পেয়ারটি ১.২৪১৩ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে যেতে পারে। পেয়ারটি ১.২৪১৩ রেজিস্ট্যান্স লেভেলকে অতিক্রম করলে ২০ সেপ্টেম্বরের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.২৫৮২ দিকে যেতে পারে। ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী পেয়ারটি গত সাত মাসের সর্বোচ্চ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.২৬১২ আসতে পারে। কমার্জব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনের মতে,পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.২১৯৬ প্রাইসে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
  16. ফরেক্স বিশেষজ্ঞ দল ইউওবি, আজকের ট্রেডিং সেশনে পাউন্ড/ডলার কোন দিকে যেতে পারে, তার একটি সামারি প্রকাশ করেছেন। গতকাল পেয়ারটি সর্বোচ্চ ১.২২৯২ প্রাইসে এসেছিল। পরবর্তীতে পেয়ারটির প্রাইস কমতে থাকে এবং পেয়ারটি ১.২২০১ প্রাইসে ক্লোজ হয়। আজকের ট্রেডিং সেশনে পেয়ারটি ১.২২০০ প্রাইসকে অতিক্রম করলে পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল হতে পারে ১.২১৮০।আজ পেয়ারটির রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ১.২২৫০ এবং ১.২২৭৫। ইউওবি গ্রপের মতে, আজ পেয়ারটি সর্বোচ্চ ১.২২৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে।
  17. জার্মান ট্রেডকে কেন্দ্র করে ইউরো/ডলার সর্বোচ্চ প্রাইস বাড়ছে। আজকের ইভেন্টগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ইসিবি (ECB) মিনিটস এবং যুক্তরাষ্ট্রের মাসিক মুদ্রাস্ফীতি ডাটা। ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রত্যাশার তুলনায় কম ডভিশ অবস্থানে থাকলে ইউরো/ডলার পেয়ারটি লাভের সাথে দিনটি শেষ করতে পারে। ২১ দিনের মুর্ভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী, ইউরো/ডলার ১.০৯৮৭ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। আর কিছুক্ষণ পর অর্থাৎ দুপুর ১২:০০ দিকে জার্মান ট্রেড ব্যালেন্ড রিপোর্ট প্রকাশিত হবে। গত কয়েক বার ধরে এ সেক্টরটি বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে, জুলাই মাসে জার্মানে ২০.২ বিলিয়ন ইউরো অতিরিক্ত ছিল। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ১৮.৮ বিলিয়নের উপরে ছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগস্ট মাসে ১৯.৪ বিলিয়ন ইউরো থাকতে পারে। যার ফলে ইউরোর প্রাইস বাড়তে শুরু করেছে। জার্মান ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্ট প্রত্যাশিত লেভেল বা তার বেশি আসলে ইউরো/ডলারের প্রাইস বেড়ে ১.১০০০ এর কাছাকাছি যেতে পারে। তবে পেয়ারটি ১.১০০০ প্রাইসকে অতিক্রম করলে পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে ১.১০২০। অপর দিকে রিপোর্ট প্রত্যাশিত লেভেলের নিচে আসলে পেয়ারটির প্রাইস কমে পারে।
  18. গত কয়েকদিন পেয়ারটি ১.০৯৪০ থেকে ১.১০০০ প্রাইসের মধ্যে ওঠানামা করছে। তবে পেয়ারটি গত তিন থেকে চারদিন ধরে ১.১০০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। তবে পেয়ারটি ১.১০০০ প্রাইসকে অতিক্রম করতে পারেনি। আজকের ট্রেডিং সেশনের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, আজ পেয়ারটির ওপেন হয়েছিল ১.০৯৫৩ প্রাইসে এবং বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস বেড়ে ১.০৯৭৭ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। আজ রাত রাত ০৮:০০ ফেড চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েলের কনফারেন্স রয়েছে। জেরেমি পাওয়েল যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি সম্পর্কে কোন ধরণের ডভিশ মন্তব্য করলে ইউরো/ডলারের প্রাইস বাড়তে পারে এবং পেয়ারটির প্রাইস বেড়ে ১.১০২০ এর কাছাকাছি আসতে পারে। তবে পাওয়েল ইকোনমি সম্পর্কে ভাল কোন নিউজ দিলে ইউরো/ডলারের প্রাইস কমে ১.০৯০ সাপোর্ট লেভেলে আসতে পারে। এছাড়াও আজ রাত ১২:০০ FOMC মিটিং রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ এবার ইন্টারেস্ট রেট কমাবে নাকি বাড়াবে এ মিটিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানা যাবে। আজকের জন্য ফরেক্স মার্কেটে এটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। সুতরাং বিনিয়োগকারীদের FOMC ইভেন্টের দিকে নজর রাখা অত্যন্ত জরুরী।
  19. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ০.৬৭৫০রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ০.৬৭২০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ০.৬৭৭৭। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমুখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৭২০, ০.৬৭১০, ০.৬৬৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৭৫০,০.৬৭৭০,০.৬৮০০ টেক প্রফিট: ০.৬৭১০,০.৬৬৯০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ০.৬৭২০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ০.৬৭৭৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ০.৬৬৭০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৭২০,০.৬৬৭০,০.৬৫৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৭৭৫, ০.৬৮০০,০.৬৮৪৫ টেক প্রফিট: ০.৬৭১০,০.৬৬৯০ USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১০৭.০০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি ।পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১০৭.৭০। সাপোর্ট লেভেল: ১০৭.০০,১০৬.৭০,১০৬.২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৭.৫০,১০৭.৯০,১০৮.৪০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। পেয়ারটি ১০৭.৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সুবিধা করয়েছে বা ১০৬.৪০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল: ১০৬.৪০,১০৫.৯০,১০৪.৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৭.৪০,১০৭.৮০,১০৮.৫০ টেক প্রফিট: ১০৫.৯০,১০৪.৯০
  20. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১.০৯৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.০৯৪০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে।পরবর্তী গুতরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.০৯৯০। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.০৯৪০,১.০৯২৫,১.০৯০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.০৯৭০,১.০৯৯০,১.১০২০ টেক প্রফিট: ১.০৯২৫,১.০৯০০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১.১.০৯৩০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি।পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.০৯৯০। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.০৯৩০,১.০৮৮০,১.০৮০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১০০০,১.১০৫০,১.১১৩০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আশা করছি, মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২২০০, ১.২১৭০, ১.২১২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২২৭০,১.২৩০০,১.২৩৫০ সেল এন্ট্রি: ১.২২৭০ স্টপ লস: ১.২২৭০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২২৩৫,১.২১৭০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৩০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২১০০,১.২০২০,১.১৯০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৩০০,১.২৩৮০,১.২৫০০
  21. ইউরো/ডলার গত কয়েক দিনের রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১০০০ এর দিকে যাচ্ছে। পেয়ারটি ১.১০ প্রাইসে এসে পুনরায় বিয়ারিশ ট্রেন্ডে আসতে পারে। ইউরোজোন মার্কেট বিবেচনা করে ধারণা করা হচ্ছে, ইউরো/ ডলার পেয়ারটি ১.১০০০ প্রাইসের কাছাকাছি গিয়ে পুনরায় পুলব্যাক করতে পারে। ‍তবে ফেড ইভেন্টকে কেন্দ্র করে পুনরায় পেয়ারটির প্রাইস বাড়তেও পারে। পেয়ারটি ১.১০০০ প্রাইসকে অতিক্রম করলে, পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হতে পারে ১.১০১৪। ইউরো/ডলারের আজকের চার্ট
  22. ইউরো/ডলারের প্রাইস বাড়তে শুরু করেছে। আজকে দিনের মূল ইভেন্ট ফেড মিটিং মিনিটস। গতকাল পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.০৯৪০ এসেছিল। আজ পেয়ারটি ১.০৯৪০ প্রাইস থেকে বেড়ে ১.০৯৫৫ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। গতকাল ফেডের চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েল বলেন,আগস্ট মাস পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যালেন্স শীট সঙ্কুচিত ছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, বর্তমানে সম্প্রসারি হবে। যার ফলে পেয়ারটি গতকাল ২০০ ঘন্টার মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী ১.০৯৪৭ প্রাইসকে অতিক্রম করে ১.০৯৪০ প্রাইসে চলে আসে। আজকের মূল ইভেন্ট ফেড মিনিটস সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে ফেডারেল রিজার্ভ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পুনরায় আজ রাত ১২:০০ ফেডারেল রিজার্ভ মিটিং শিডিউল নির্ধারণ করা হয়। সেপ্টেম্বরে ফেডারেল রিজার্ভ ইন্টারেস্ট রেট কমিয়ে ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি বর্তমানে বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে। যার ফলে ফেড পুনরায় ইন্টারেস্ট রেট কমাবে কিনা, সে ব্যাপারে একটি সংশয় কাজ করছে। আজকের মিটিং থেকে ফেডারেল রিজার্ভ কোন ধরণের ডভিশ মন্তব্য না করলে,মার্কিন ডলারের প্রাইস বাড়তে পারে। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি ভাল করছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে, পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.০৮৭৯ এর কাছাকাছি আসতে পারে। ফেড থেকে ডভিশ মন্তব্য আসলে পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং ফেড মিটিংয়ের পূর্ব পর্যন্ত পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। ২১ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ অনুযায়ী, পেয়ারটি ১.০৯৮৮ এর কাছাকাছি যেতে পারে।
  23. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেটের ১.০৯৬০ একটি সাপোর্ট লেভেল এবং ১.০৯৭৫ একটি বাই সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। ১.০৯৬০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯৬০,১.০৯৫০,১.০৯৩৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০০০,১.১০২০,১.১০৫০ বাই এন্ট্রি: ১.০৯৭৫ স্টপ লস: ১.০৯৬০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১০২০,১.১০৫০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১.১০০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১০৫০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯২০,১.০৮৭০,১.০৮০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০০০,১.১০৫০,১.১১৩০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ১.২২৭০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পেয়ারটি ১.২৩৪০ প্রাইস অতিক্রম করলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২২৭০,১.২২৩৫,১.২১৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৩৪০,১.২৩৭৫,১.২৪৩০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৪০০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টর সুবিধা রয়েছ। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২২২০,১.২১২০.১.২০০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৪০০,১.২৫০০,১.২৬৩০
  24. গত সপ্তাহে EURUSD পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বেড়েছিল, কিন্তু পেয়ারটি ১.১০ প্রাইসকে অতিক্রম করতে পারেনি। এ সপ্তাহে জার্মান মুদ্রাস্ফীতি, সার্ভিস এবং মেনুফেকচারিং পিএমআই পেয়ারটির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস গুলো আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে জার্মান এবং ইউরোজোনের মেনুফেকচারিং পিএমআই ৫০ পয়েন্টের নিচে এসেছিল। ইউরোজোন ইকোনমির জন্য এটা ভাল নিউজ ছিল না। গত সপ্তাহে জার্মান মেনুফেকচারিং পিএমআই থেকে ৪১.৭ পয়েন্ট এসেছিল। ইউরোজোন CPI শতকরা ০.৯% এসেছিল, এটা ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টার্গেট কৃত লেভেল ২% এর বেশ নিচে ছিল। এদিকে জার্মান এবং ইউরোজোনের সার্ভিস সেক্টর ৫০ পয়েন্টের উপরে ছিল। জার্মান এবং ইউরোজোনের সার্ভিস সেক্টর থেকে যথাক্রমে ৫১.৪ ও ৫১.৬ পয়েন্ট এসেছিল। সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ISM মেনুফেকচারিং পিএমআই দ্বিতীয় মাসের মতো খারাপ এসেছে। সার্ভিস পিএমআই কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ৫২.৬ পয়েন্ট এসেছে। ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে এ ধরণের রিপোর্ট এসেছিল। ইমপ্লোইমেন্ট ডাটা হতাশাজনক এসেছিল। এ বারের রিপোর্টে ননফার্ম পে-রোলস ১ লক্ষ ৩৬ হাজার এসেছিল। তবে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ১ লক্ষ ৪৫ হাজার আসবে। বেতন (ওয়েজ) শতকরা ০.৪% অপরিবর্তনীয় ছিল। বেকারত্বের হার শতকরা ৩.৫% এসেছিল। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ৩.৭% এর নিচে ছিল। EURUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.Geramany Factory Orders সোমবার,দুপুর ১২:০০। জুলাই মাসে জার্মান ফ্যাক্টরি অর্ডার ২.৭% এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগস্ট মাসে শতকরা ০.৪% আসতে পারে। ২.Sentix Investor Confidence সোমবার, দুপুর ০২:৩০। ইউরোজোনের এ সেক্টরটিও তেমন ভাল অবস্থানে নেই। সেপ্টেম্বরে এ সেক্টর থেকে ১১.১ এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে,অক্টোবরে কিছুটা বেড়ে ১২.৯ আসতে পারে। ৩.German Industrial Production মঙ্গলবার,দুপুর ১২:০০। গত চার মাস ধরে এ সেক্টরে স্থবিরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগস্টে ০.২% আসতে পারে। ৪.French Trade Balance মঙ্গলবার, দুপুর ১২:৪৫। জুলাই মাসের ফ্রান্সে ৪.৬১ বিলিয়ন ইউরো ঘাটতি ছিল। তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগস্ট মাসের রিলিজে ঘাটতি কিছুটা কমে ৪.২৩ বিলিয়নে আসতে পারে। ৫.German Trade Balance বৃহস্পতিবার, দুপুর ১২:০০। জার্মানের এ সেক্টরটি বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে, জুলাই মাসে জার্মানে ২০.২ বিলিয়ন ইউরো অতিরিক্ত ছিল। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ১৮.৮ বিলিয়নের উপরে ছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগস্ট মাসে ১৯.৪ বিলিয়ন ইউরো থাকতে পারে। ৬.ECB Minutes বৃহস্পতিবার, বিকাল ০৫:৩০। এ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের নজর থাকবে, ইসিবি ইভেন্টের দিকে। এ মিটিংয়ে ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেপ্টেম্বরের মিটিংয়ের বিস্তারিত আলোচনা করবেন। তবে ইসিবির কোন ধরণের ডভিশ ডিসিশন ইউরোর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ৭.German Final CPI শুক্রবার, দুপুর ১২:০০। জার্মান কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি আগস্ট মাসে মাত্র ০.২% এসেছিল। চলতি বছর এ সেক্টর দ্বিতীয় বারের মতো খারাপ করেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরে জার্মান CPI গতবারের মতো অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ১.১৩৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১৩৪৫। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে ১.১২৯০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ১.১২৭০ ডাবল বটোম লেভেল ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১২১৫। গত সপ্তাহে ১.১১১৯ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। ২৩ সেপ্টেম্বর ১.০৮২৯ একটি রিজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। ২০১৭ সালের এপ্রিলে ১.০৮২৯ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.০৬৯০। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে EURUSD পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস বাড়লেও বর্তমানে ইউরো দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। বৈশ্বিক ইকোনমিতে স্থবিরতা বিরাজ করার কারণে জার্মানের মেনুফেকচারিং সেক্টরে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ইউরোর প্রাইস কমার পিছনে জার্মান মেনুফেকচারিং সেক্টরের প্রভাব প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছেন, এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।
  25. গত সপ্তাহে পেয়ারটি ০.৬৭ প্রাইসের নিচে নামলেও পরবর্তীতে কিছুটা রিকভার করেছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটিকে প্রভাবিত করার মতো পাঁচটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং AUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া গত চার মাসে তিন বারের মতো ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছে। গত সপ্তাহে ইন্টারেস্ট রেট কমানোর ফলে পেয়ারটির প্রাইস কমে ছিল। তবে পরবর্তীতে পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বেড়ে ছিল। অস্টেলিয়ায় বিল্ডিং অনুমোধন ধারাবাহিক ভাবে তৃতীয় বারের মতো কমেছে। গত সপ্তাহে বিল্ডিং অনুমোধন কমে শতকরা ১.১% এসেছিল। রিটেইল সেলস শতকরা ০.৪% বাড়লেও প্রত্যাশিত লেভেল ০.৫% এর নিচে ছিল। সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ISM মেনুফেকচারিং পিএমআই দ্বিতীয় মাসের মতো খারাপ এসেছে। সার্ভিস পিএমআই কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ৫২.৬ পয়েন্ট এসেছে। ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে এ ধরণের রিপোর্ট এসেছিল। ইমপ্লোইমেন্ট ডাটা হতাশাজনক এসেছিল। এ বারের রিপোর্টে ননফার্ম পে-রোলস ১ লক্ষ ৩৬ হাজার এসেছে। তবে প্রত্যাশা করা হয়েছিল ১ লক্ষ ৪৫ হাজার আসবে। বেতন (ওয়েজ) শতকরা ০.৪% অপরিবর্তনীয় ছিল। বেকারত্বের হার শতকরা ৩.৫% এসেছিল। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ৩.৭% এর নিচে ছিল। ১.AIG Construction Index সোমবার,রাত ০৩:৩০। কন্সট্রাকশন সেক্টর গত কয়েক বার খারাপ আসলেও, সেপ্টেম্বরে ৪৪.৬ পয়েন্ট এসেছে। এটা গত ৫ মাসের সর্বোচ্চ পয়েন্ট। ২.NAB Business Confidence বুধবার,ভোর ০৫:৩০। অস্টেলিয়ার ন্যাশনাল ব্যাংকের বিজনেস কনফিডেন্স সেপ্টেম্বরে ১ পয়েন্ট এসেছে। এটা গত ৪ মাসের সর্বনিন্ম লেভেল। গত কয়েক মাসে বেশ কয়েক বার রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছে। এদিকে অস্টেলিয়ার ন্যাশনাল ব্যাংকগুলো ইকোনমি নিয়ে বেশ উদ্ধিগ্নতা প্রকাশ করেছেন। তবে এ বারের রিপোর্টে আমরা রিবাউন্ড দেখতে পারবো কিনা সেটা দেখার বিষয়। ৩.Westpac Consumer Sentiment মঙ্গলবার, ভোর ০৫:৩০। সেপ্টেম্বরে কনজিউমার সেন্টিমেন্ট বেশ খারাপ অবস্থানে ছিল। এ সেক্টর থেকে সেপ্টেম্বরে শতকরা ১.৭% এসেছিল। গত তিন মাসে এ সেক্টর দ্বিতীয় বারের মতো খারাপ এসেছে। এ বারের রিপোর্টেও মন্দাভাব পরিলক্ষিত হতে পারে,যার ফলে অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস কমতে পারে। ৪.MI Inflation Expectations শুক্রবার, ভোর ০৪:০০। আগস্ট মাসে অস্টেলিয়ার মুদ্রাস্ফীতি শতকরা ৩.১% কমেছে। ২০১৪ সালের পর প্রথম বারের মতো এ সেক্টরটি খারাপ করেছে। ৫.Chinese New Loans বৃহস্পতিবার,বিকাল ০৪:০০। আগস্ট মাসে চীনা ব্যাংকগুলো ১.২১ ট্রিলিয়ন লোন সরবরাহ করেছিল। এটা জুলাই মাসের তুলনায় বেশি ছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টম্বরেও আপট্রেন্ড অব্যাহত থাকবে। এটা আনুমানিক ১.৩৫ ট্রিলিয়ন ইয়েনের মতো হতে পারে। AUDUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো AUDUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো আমরা ০.৭১৬৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। এপ্রিলের শুরুর দিকে এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। সেপ্টেম্বরে ০.৭০২২ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। পরবর্তীতে ০.৭০২২ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে ০.৬৮৬৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। গত সপ্তাহে ০.৬৮২৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তীতে ০.৬৭৪৪ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। ২০০০ সালের জানুয়ারিতে ০.৬৬৮৬ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। ২০০৯ সালের মার্চ মাসে ০.৬৬২৭ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ০.৬৫৩২। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ০.৬৪৫৬। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া ইকোনমি গতিশীল করার জন্য গত চার মাসে তিনবারের মতো ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছে। অস্টেলিয়ার ইকোনমিক স্থবিরতা বিশেষ করে মেনুফেকচারিং এবং রপ্তানি সেক্টরের উপর প্রভাব ফেলেছে। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×