Jump to content

ফরেক্স প্রতিদিন

Members
  • Content count

    511
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    4

Everything posted by ফরেক্স প্রতিদিন

  1. আজকের ট্রেডিং সেশনে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমছে। আজ পেয়ারটি ওপেন হয়েছে ১.১২১৩ প্রাইসে । পরবর্তীতে পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমতে ছিল। তবে বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে ১২৮০ থেকে ৯০ প্রাইস। সুতরাং পেয়ারটির প্রাইস শর্ট-টার্মে বাড়তে পারে। তবে এটা স্থায়ী হবে বলে মনে হচ্ছে।
  2. পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি প্রাইস ডাউনসাইডে রয়েছে এবং পেয়ারটি ১.২৪৫০ প্রাইসের দিকে যাচ্ছে। তবে পেয়ারটি প্রাইস কমার পিছনে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিকে দায়ী করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের পদত্যাগের পর তার আসন নিয়ে বেশ কয়েকবার ভোট হয় এবং এ ভোটে জনসন এবং টোরি এগিয়ে রয়েছে। আগমীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার আকেরটি নির্বাচন হবে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং যুক্তরাজ্যের এ রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস কমছে। সুতরাং বর্তমানে পেয়ারটির ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া ভাল হবে।
  3. ইউরো/ইয়েন পেয়ারটি ১২১.০০ প্রাইসে রিবাউন্ড করার চেষ্টা করছে। অপরদিকে ইয়েনের প্রাইস কমতে শুরু করেছে। পেয়ারটি বর্তমানে ১২০.৮০/৭৫ সাপোর্ট লেভেলের দিকে যাচ্ছে। এটা ২০১৮ সালের জুন/জুলাই মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস। পেয়ারটির সেলিং প্রেসার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে পেয়ারটির সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছিল ১১৯.০০। ৫৫ দিনের এসএমএ অনুযায়ী পেয়ারটি ১২২.১৩ প্রাইসের নিচে আসতে পারে। সুতরাং পেয়ারটির ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া ভাল হবে। ইউরো/ইয়েনের প্রতিদিনের চার্ট
  4. আজকের ট্রেডিং সেশনে ইউরো/ডলারের প্রাইস কমছিল। তবে বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে এবং পেয়ারটি ১.১২৮০/৯০ প্রাইসে যেতে পারে। পেয়ারটির প্রাইস এ সপ্তাহে কমতে পারে । তবে পেয়ারটির প্রাইস বাড়লে ২১ দিনের এসএমএ অনুযায়ী পেয়ারটি গত সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইসে আসতে পারে। তবে পেয়ারটির বর্তমান অবস্থান থেকে প্রাইস বাড়তে শুরু করলে ২০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১৩১৫ প্রাইসে যেতে পারে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের চার্ট:
  5. গত সপ্তাহে ডলার/ইয়েন পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বেড়েছিল। এ সপ্তাহে জাপানের মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের টেকসই পণ্য ( Durable goods ) ও ২য় প্রান্তীকের জিডিপি রিপোর্ট রয়েছে। নিচে ডলার/ইয়েন পেয়ারটির ফান্ডামেন্টাল এবং টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। ডলার/ইয়েনের ফান্ডামেন্টাল আলোচনা জাপানের মুদ্রাস্ফীতি কিছুটা নমনীয় অবস্থানে রয়েছে। ব্যাংক অব জাপান ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ২.০% নির্ধারণ করেছেন। জুন মাসে জাপানে কোর সিপিআই ০.৬% এসেছে। এটা ২০১৭ সালের জুলাই মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস । মুদ্রাস্ফীতি কম আসার কারণে ব্যাংক অব জাপানের ইন্টারেস্ট রেট সেট করা কিছুটা কষ্টদায়ক হবে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিতে কিছুটা ধীরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জুন মাসে রিটেইলস সেলস কিছুটা কমে ০.৫% থেকে ০.৪% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.১% এর উপরে এসেছে। জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং সেক্টর ৪.৩ তে পৌঁছেছে। গত মাসে এটা আরও ভাল অবস্থানে ছিল। ফেডের হিসেব অনুযায়ী মেনুফেকচারিং সেক্টর থেকে ২১.৮ এসেছে, এটা গত নয় মাসের সর্বোচ্চ লেভেল ছিল। ডলার/ইয়েনের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস মে মাসের প্রথমার্ধে ১১১.৬৯ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১১১.১৫। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১১০.৪০। (গত সপ্তাহের সাথে সম্পর্কিত ) মে মাসের শেষের দিকে ১০৯.৭৩ আরেকটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১০৯.৩৫। জুনের মাঝামাঝিতে পেয়ারটি ১০৮৭.৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করেছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১০৯.৭৩। এটা মে মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। সপ্তাহের শেষের দিকে পেয়ারটিকে ১০৭.৫০ লেভেলে দেখা গিয়েছিল। পেয়ারটির জন্য বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১০৬.৬১। জানুয়ারির শুরুর দিকে ১০৫.৫৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১০৪.৬৫। ডলার/ইয়েনের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: শেষ কথা আমরা ধারণা করছি মার্কিন ডলার/ইয়েন পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকবে। জুলাই মাসে ফেড ইন্টারেস্ট রেট কিছুটা কমাতে পারে। তবে এটা পাউন্ডের প্রাইস তেমনভাবে কমাতে পারবেন না, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের মার্কেট সেক্টর বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ইয়েনকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সুতরাং আমাদের মনে হচ্ছে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকবে।
  6. ইউরো/ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহে কিছুটা কমেছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটির জন্য যে ইভেন্টগুলো কাজ করবে তার মধ্যে ইউরোজোনের পিএমআই রিপোর্ট এবং ইসিবির রেট সিদ্ধান্ত। সুতরাং বিনিয়োগকারীরা ইভেন্টগুলোর প্রতি বেশ ভালভাবে নজর রাখবেন। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। জার্মান ZEW এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জার্মানের ইকোনমি গত কয়েক মাসের মধ্যে বর্তমানে কিছুটা খারাপ অবস্থানে রয়েছে। জুন মাসের রিপোর্টে মাত্র ২৪.৫ পয়েন্ট এসেছে। এটা জার্মানের তুলনায় বেশ খারাপ রিপোর্ট। জার্মানের সাথে সাথে ইউরোজোনের ইকোনমিও তেমন ভাল অবস্থানে নেই। ইউরোজোন ZEW এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউরোজোনের ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট ২০.৩ এসেছে। ইউরোজোনের সিপিআই গত মাসে ১.২% ছিল। তবে বর্তমান সিপিআই ১.৩% এসেছে। তবে কোর সিপিআই কিছুটা ভাল এসেছে, গত মাসে কোর সিপিআই ০.৮% এসেছিল। বর্তমানে কোর সিপিআই ১.১% এসেছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিতে কিছুটা ধীরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জুন মাসে রিটেইলস সেলস কিছুটা কমে ০.৫% থেকে ০.৪% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.১% এর উপরে এসেছে। জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং সেক্টর ৪.৩ তে পৌঁছেছে। গত মাসে এটা আরও ভাল অবস্থানে ছিল। ফেডের হিসেব অনুযায়ী মেনুফেকচারিং সেক্টর থেকে ২১.৮ এসেছে, এটা গত নয় মাসের সর্বোচ্চ লেভেল ছিল। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.PMIs বৃহস্পতিবার, ফ্রান্স দুপুর ০১:১৫, জার্মান ০১:৩০ এবং ইউরোজোন ০২:০০। ফ্রান্স সার্ভিস পিএমআই ক্রমাগত ভাল করছে, জুন মাসের রিপোর্টে সার্ভিস পিএমআই ৫৩.১ পয়েন্ট এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ৫২.৭ এর উপরে এসেছে। ফ্রান্স মেনুফেকচারিং পিএমআই জুন মাসে ৫২.০ এসেছে। তবে এটা গত বারের তুলনায় কিছুটা খারাপ অবস্থানে রয়েছে। জার্মান সার্ভিস পিএমআই ৫৫.৬ পয়েন্ট এসেছে। এটাও প্রত্যাশিত লেভেল ৫৫.৩ পয়েন্টের উপরে এসেছে। জুন মাসের রিপোর্টে ৫৫.৩ পয়েন্ট আশা করা হচ্ছে। তবে জার্মানের মেনুফেকচারিং সেক্টর ক্রমাগত খারাপ অবস্থানে রয়েছে। মে মাসের রিপোর্টে ৪৫.৪ পয়েন্ট এসেছিল। এটা প্রত্যাশিত পয়েন্ট ৪৪.৬ অতিক্রম করেছিল। জুন মাসের রিপোর্টে ৪৫.১ পয়েন্ট আশা করা হচ্ছে। গত বারের রিপোর্টে ইউরোজোনের মেনুফেকচারিং পিএমআই ৪৭.৮ পয়েন্ট এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জুন মাসের এ সেক্টর থেকে ৪৭.৬ পয়েন্ট আসতে পারে। মে মাসে সার্ভিস পিএমআই ৫৩.৪ পয়েন্ট এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জুন মাসে ইউরোজোনের সার্ভিস পিএমআই ৫৩.৩ পয়েন্ট আসতে পারে। ২.Monetary Data বুধবার, দুপুর ০২:০০। এ বার মানি সরবরাহের ডাটা বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে। এটা গত তিন বারের মত ভাল অবস্থানে রয়েছে। মে মাসে এ সেক্টরে শতকরা ৪.৫% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ৪.৬% এর উপরে এসেছে। তবে জুন মাসে মে মাসের তুলনায় কিছুটা খারাপ আসতে পারে, এটা আনুমানিক ৪.৬% আসতে পারে। মে মাসে প্রাইভেট লোন ৩.৩% বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে ঐ মাসে ধারণা করা হয়েছিল ৩.৫%। জুন মাসে প্রাইভেট লোন ৩.২% আসতে পারে। ৩.Spanish Unemployment Rate বৃহস্পতিবার, দুপুর ০১:০০। ইউরোজোনের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ স্পেনে ২০১৮ সালের চতুর্থ প্রান্তীকে বেকারত্বের হার শতকরা ১৪.৭% বেড়েছিল। ২০১৯ সালের ১ম প্রান্তীকেও একই ধরণের ফলাফল আশা করা হচ্ছে। এটা আনুমানিক ১৩.৭% হতে পারে। ৪.German ifo Business Climate বৃহস্পতিবার, দুপুর ০২:০০। এ সেক্টরটি গত তিনবার ধরে খারাপ অবস্থানে রয়েছে। জুন মাসে এ সেক্টর ৯৭.৪ রয়েছে। জুলাই মাসেও একই ধরণের রিপোর্ট প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এটা আনুমানিক ৯৭.১ পয়েন্ট আসতে পারে। ৫.ECB Rate Decision বৃহস্পতিবার, বিকাল ০৫:৪৫। ইসিবি ইন্টারেস্ট রেট নির্ধারণ করবেন। আমরা আশা করছি, এটা ০.০০% হতে পারে। অর্থাৎ আগের রেট অনুযায়ী হতে পারে। সুতরাং বিনিয়োগকারীদের সকলের চোখ থাকবে মারিও দ্রাঘির কনফারেন্সের দিকে। ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস: অক্টোবেরের শুরুর দিকে ১.১৬২০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.১৫৭০। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৫১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে ১.১৪৩৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৩৯০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ১.১২৭০ একটি ডাবল বটোম লেভেল ছিল। ঐ সপ্তাহে ১.১২১৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। এটা গত সপ্তাহের সাপোর্ট লেভেল ছিল। ২০১৭ সালের মে মাসে ১.১০২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল এবং পরবর্তী লেভেল ছিল ১.০৯৫০। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.০৮২৯। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি ইউরো/ডলার পেয়ারটি প্রাইস আরও কমতে পারে। এ সপ্তাহে ইসিবি মিটিং ইউরোর উপর বেশ গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। তবে এ মিটিং থেকে মারিও দ্রাঘির Dovish কোন মন্তব্য আসলে ইউরোর প্রাইস আরও কমতে পারে। সুতরাং আমরা ধারণা করছি, ইউরো/ডলারের প্রাইস এ সপ্তাহে আরও কমতে পারে।
  7. গত সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বেড়েছিল। তবে পেয়ারটির ক্ষেত্রে সপ্তাহের শেষের দিকে বেশি ভোলাটিলিটি দেখা গিয়েছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটির জন্য একটি মাত্র ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। এ বছর দ্বিতীয় প্রান্তীকে চীনে ইকোনমিক প্রবৃদ্ধি বাৎসরিক ৬.২% বেড়েছে, এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। তবে গত দুই বারের রিপোর্ট এর থেকেও ভাল এসেছিল। গত দুইবারের রিপোর্টে ৬.৪% এর কাছাকাছি এসেছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্য যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ চীনের উপর প্রভাব ফেলছে। যার ফলে চনী প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৭% যেতে পারেনি। অথচ গত বছরের প্রবৃদ্ধি ছিল ৭%। গত তিনবার অস্টেলিয়ার জব সেকশন ভাল অবস্থানে থাকার পর, এবার কিছুটা খারাপ এসেছে। গত মাসে ০.৫ হাজার জব তৈরি হয়েছে। অস্টেলিয়ায় বেকারত্বের হার ৫.২% তে রয়েছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিতে কিছুটা ধীরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জুন মাসে রিটেইলস সেলস কিছুটা কমে ০.৫% থেকে ০.৪% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.১% এর উপরে এসেছে। জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং সেক্টর ৪.৩ তে পৌঁছেছে। গত মাসে এটা আরও ভাল অবস্থানে ছিল। ফেড হিসেব অনুযায়ী মেনুফেকচারিং সেক্টর থেকে ২১.৮ এসেছে, এটা গত নয় মাসের সর্বোচ্চ লেভেল ছিল। অস্টেলিয়ান ডলার/ মার্কিন ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.CB Leading Index মঙ্গলবার, রাত ০৮:৩০। এপ্রিল মাসে এ সেক্টর শতকরা ০.১% বৃদ্ধি পেয়েছিল। এখন আমরা জুন মাসের রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ডিসেম্বরের ০.৭৩৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ০.৭৩১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরের মাঝামাঝিতে ০.৭২৪০ একটি আলাদা রেঞ্জ ছিল। এপ্রিলের শুরুর দিকে ০.৭১১৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। (গত সপ্তাহে উল্লেখিত ) সেপ্টেম্বরের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৭০৮৫। গত সপ্তাহে ০.৭০২২ একটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল ছিল। এপ্রিল মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৬৯৮৮। জুনের শেষের দিকে ০.৬৯৪০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। মে মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৬৮৬৪। জানুয়ারি মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৬৭৪৪। ২০০০ সালের জানুয়ারিতে ০.৬৬৮৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। গত দুইবার রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছে। যার ফলে অস্টেলিয়ান ডলারের থেকে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা কমেছে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বানিজ্য যুদ্ধ চলার কারণে চীনের ইকোনমিতে কিছুটা মন্দাভাব বিরাজ করছে। অস্টেলিয়া যেহেতু চীনের সবথেকে বড় বানিজ্য পার্টনার তাই চীনের মন্দাভাব কিছুটা অস্টেলিয়ার ইকোনমিতে পরছে। সুতরাং আমরা ধারণা করছি এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।
  8. গত সপ্তাহে ইউরো/ডলারের প্রাইস কিছুটা কমেছিল। আবার কিছুটা বেড়েছিল। সুতরাং গত সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস বেড়েছিল নাকি কমেছিল এ সম্পর্কে জানতে হলে গত সপ্তাহের ট্রেডিংয়ের গড় জানতে হবে। তাই প্রথমেই আমরা গত সপ্তাহে পেয়ারটি কি পরিমান মুভমেন্ট করেছিল তা জানবো। গত সপ্তাহের প্রথমদিন অর্থাৎ সোমবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২৬৮ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২৫৭ প্রাইসে। সুতরাং সোমবার পেয়ারটি ১১ পিপসের মত কমেছিল। মঙ্গলবারের ট্রেডিং সেশনের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, মঙ্গলবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২৬৩ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২০৮ প্রাইসে। সুতরাং মঙ্গলবার পেয়ারটি ৫৫ পিপসেরম মতো কমেছে। বুধবারের ট্রেডিং সেশনের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, বুধবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২০৮ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২২৩ প্রাইসে। সুতরাং বুধবার গত কয়েক দিনের ট্রেডিং সেশন থেকে কিছুটা ভিন্ন ছিল। ঐ দিন পেয়ারটি ১৫ পিপসের মত বেড়েছে। বৃহস্পতিবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২২৩ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২৭৪ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির প্রাইস ৫১ পিপসের মত বেড়েছে। গত সপ্তাহের শেষের দিন অর্থাৎ শুক্রবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২৭৫ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২১৮ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটি ৫৮ পিপসের মত কমেছে। গত সপ্তাহের ট্রেডিং সেশন পর্যালোচনা করলে দেখা যাচ্ছে, গত সপ্তাহে পেয়ারটি মোট ৬৬ পিপসের মত বেড়েছিল এবং ২৪৮ পিপসের মত কমেছিল । সুতরাং গত সপ্তাহে পেয়ারটি ১৮২ পিপসের মত কমেছে। গত সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার পেয়ারটি সবথেকে বেশি ৫৮ পিপসের মত কমেছে। বুধবার সব থেকে বেশি অর্থাৎ ৫১ পিপসের মত বড়েছে। সুতরাং গত সপ্তাহে পেয়ারটি বিয়ারিশ অবস্থানে ছিল। তবে আগামী সপ্তাহে পেয়ারটি বিয়ারিশ অবস্থানে থাকবে নাকি বুলিশ অবস্থানে থাকবে। এ ব্যাপারে পরবর্তীতে একটি আর্টিকেল প্রকাশ করা হবে । আর্টিকেলে পেয়ারটি সম্পর্কে সম্ভাব্য কিছু দিক দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে পেয়ারটি বুলিশ অবস্থানে থাকবে নাকি বিয়ারিশ অবস্থানে থাকবে। সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবো।
  9. গত কয়েকদিন যদিও স্বর্ণের দাম কমছিল। তবে বর্তমানে স্বর্ণের প্রাইস বাড়তে পারে। ফান্ডামেন্টাল দিকগুলো বেশ ভাল মনে হচ্ছে। তাই আমরা ধারণা করছি এ সপ্তাহে স্বর্ণের প্রাইস বাড়তে পারে। ফেডের ভাইস চেয়ারম্যান জন উইলিয়াম যদিও ইকোনমি নিয়ে Dovish মন্তব্য করেছেন। তবে এটা স্বর্ণের প্রাইস কমাতে তেমন গুরুত্ব বহন করবে না বলে মনে হচ্ছে। তবে পরবর্তীতে জুলাই মাসে FOMC মিটিং অনুযায়ী, স্বর্ণের প্রাইস কমতে বা বাড়তে পারে। তাই আমরা ধারণা করছি শর্ট-টার্মে স্বর্ণের প্রাইস বাড়তে পারে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য উত্তেজনা অমীমাংসীতভাবে ক্রমাগত চলছে। এ উত্তেজনা ক্রমাগত অন্যান্য দেশগুলোতেও ছাড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের উত্তেজনাপূর্ণ ইভেন্টগুলো বিশ্বের অন্যান্য দেশের উপর প্রভাব ফেলছে। সুতরাং স্বর্ণের প্রাইস অল্প সময়ের জন্য কিছুটা বাড়তে পারে।
  10. গত সপ্তাহে মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলার পেয়ারটি অল্প কিছু মুভমেন্ট করেছিল। জুলাই মাসে পেয়ারটি প্রায় শান্ত অবস্থানেই ছিল। এ সপ্তাহে কানাডিয়ান ডলারকে প্রভাবিত করার মত একটি ইভেন্ট রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইভেন্টগুলো দ্বারা পেয়ারটি প্রভাবিত হতে পারে। নিচে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। মে মাসে কানাডিয়ান মুদ্রাস্ফীতি শতকরা ০.২ কমেছে। এটা গত ছয় মাসে প্রথমবারের মত খারাপ এসেছে। এর ফলে ব্যাংক অব কানাডা আগামী কয়েক মাস ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানোর চিন্তা থেকে অব্যাহতি থাকতে পারে। গতবারের রিপোর্টে কোর সিপিআই শতকরা ০.৪% এসেছিল। তবে এবার কোর সিপিআই বাড়েনি এবং কমেনি সমান অবস্থানে রয়েছে। মে মাসে মেনুফেকচারিং সেলস মোটামুটি ভাল অবস্থানে রয়েছে। এ মাসে মেনুফেকচারিং সেলস ১.৬% বেড়েছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। জুন মাসে কানাডায় ৩০ হাজার ৪০০ নতুন জব তৈরি হয়েছে। এ সপ্তাহে কানাডার কনজিউমার ডাটা খারাপ অবস্থানে রয়েছে। এটা কানাডিয়ান ডলারের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। কোর রিটেইল সেলস শতকরা ০.৩% কমেছে। এটাও ধারণাকৃত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। রিটেইল সেলস ০.১% কমেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.৩% অনুযায়ী আসেনি। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিতে কিছুটা ধীরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জুন মাসে রিটেইলস সেলস কিছুটা কমে ০.৫% থেকে ০.৪% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.১% এর উপরে এসেছে। জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং সেক্টর ৪.৩ তে পৌঁছেছে। গত মাসে এটা আরও ভাল অবস্থানে ছিল। ফেড হিসেব অনুযায়ী মেনুফেকচারিং সেক্টর থেকে ২১.৮ এসেছে, এটা গত নয় মাসের সর্বোচ্চ লেভেল ছিল। মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.Wholesale Sales সোমবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। এপ্রিল মাসে কানাডায় পাইকারি সেলস শতকরা ১.৭% বেড়েছে। এটা ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসের শক্তিশালী লেভেলকে নির্দেশ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মে মাসের রিপোর্টে ০.৮% আসতে পারে। মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো নিচ থেকে উপরে দেওয়া হলো: আমরা ১.৩৪৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.৩৩৮৫। জুনের মাঝামাঝিতে ১.৩৩৫০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.৩২৬৫। নভেম্বরের শেষের দিকে ১.৩১৭৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। নভেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩১২৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। গত সপ্তাহে ১.৩০৪৮ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.২৯১৬। অক্টোবরের শুরুর দিকে ১.২৮৩১ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল এবং পরবর্তী লেভেল ছিল ১.২৭২৯। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.২৬৫৪। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে। জুলাই মাসে বলতে গেলে পেয়ারটি বেশ অলস অবস্থাতে ছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটির জন্য তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নেই। যার ফলে পেয়ারটির ক্ষেত্রে একই অবস্থা পরিলক্ষিত হতে পারে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি বেশ ভাল করছে,যার ফলে ডলারের প্রাইস বাড়ছে। আমরা এ সপ্তাহে পেয়ারটির ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ধারণা পোষন করছি।
  11. পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত আজ কমছে। গত কয়েক ঘন্টায় পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমছিল। তবে বর্তমানে ইংল্যান্ড ব্যাংকের গর্ভনর জেরেমির বক্তব্যকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু করেছে। আমরা আশাবাদী পেয়ারটির প্রাইস আরও কিছুক্ষণ বাড়তে পারে। তবে জেরেমির বক্তব্যের পর পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। জেরেমি তার বক্তব্যে যুক্তরাজ্যের ইকোনমি নিয়ে কথা বলবেন। যুক্তরাজ্যের ইকোনমি যেহেতু খারাপ অবস্থানে রয়েছে। তাই আমরা আশাবাদী, তিনি তার বক্তব্যে Dovish মন্তব্য করবেন। যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস আরও কমতে পারে। তবে সামরিক সময়ের জন্য পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বাড়তে পারে।
  12. ইউরো/ডলার পেয়ারটি গত ৪ দিনের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১২৪০ এর নিচে অবস্থান করছে। জার্মান ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট জুলাই মাসে বেশ খারাপ এসেছে। পেয়ারটির জন্য পরবর্তী ইভেন্ট হবে রিটেইল সেলস এবং ফেডের সংলাপ। ইউরো/ডলার পেয়ারটি সেলিং প্রেসারে রয়েছে এবং পেয়ারটির গত কয়েক দিনের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১২৩০ এর দিকে যাচ্ছে। ইউরো/ডলারের প্রাইস কমার কারণ: জার্মান ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট জুলাই মাসে বেশ খারাপ এসেছে। ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট ২৪.৫ পয়েন্ট কমেছে। ধারণা করা হয়েছিল, অল্প কিছু কমবে কিন্তু ধারণার থেকে বেশি কমেছে। ইকোনমি খারাপ থাকার কারণে পেয়ারটির প্রাইস কমছে। পেয়ারটির ক্ষেত্রে পরবর্তী ইভেন্ট রয়েছে ফেডের বক্তব্য। এছাড়াও রয়েছে রিটেইল সেলস রিপোর্ট। বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস কমছে। তবে পরবর্তী ইভেন্টগুলোকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে পারে। তবে সেটা সঠিকভাবে বলা সম্ভব হচ্চে।
  13. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ১.১২৫০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.১২৮৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ব্রেক করতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.১২৩০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১২৫০, ১.১২৩০, ১.১২০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৮৫, ১.১৩০৫, ১.১৩৩৫ বাই এন্ট্রি : টেক প্রফিট: ১.১৩০৫, ১.১৩৩৫ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটের ১.১২৯০ তে একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল এবং ১.১২৪০ সেল সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। ১.১২৯০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৯০, ১.১১৪০, ১.১০৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৯০, ১.১৩২০, ১.১৩৬০ সেল এন্ট্রি : ১.১২৪০, ১.১২৯০ স্টপ লস : ১.১২৯০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট : ১.১১৪০, ১.১০৫০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১.২৫৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৪৮০, ১.২৪৬০, ১.২৪৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৫৪০, ১.২৫৬০, ১.২৫৯০ বাই এন্ট্রি: ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটের ১.২৫৭০ তে একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল এবং ১.২৫০০ সেল সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। ১.২৫৭০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৪৩০, ১.২৩৬০, ১.২২২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৫৭০, ১.২৬৫০, ১.২৭৭০ সেল এন্ট্রি: ১.২৪৩০ স্টপ লস : ১.২৫৭০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট : ১.২৩৬০, ১.২২২০
  14. ইউরো/ডলার পেয়ারটির সেলিং প্রেসার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ৫৫ দিনের এসএমএ অনুযায়ী পেয়ারটির পরবর্তী চ্যালেঞ্জ ১.১২৪৩ প্রাইস। পেয়ারটির নিন্মমূখী অবস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পেয়ারটি এ মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১১৯৩ এর দিকে যাচ্ছে। ২০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী, পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে ১.১৩২১। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের চার্ট
  15. কমার্জ ব্যাংক অ্যানালাইসিস্ট কারেন জনস বলেছেন, ইউরো/ডলার পেয়ারটি গতকাল বেশ ধীরগতিতে কমতে থাকে। আজ যদি পেয়ারটির এ অবস্থান স্থায়ী হয়, তাহলে পেয়ারটি জুন এবং মার্চ মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১১৮১/৭৬ দিকে যেতে পারে। মূল উদ্ধিতি ২০০ দিনের মুভিং এভারেজ অনুযায়ী পেয়ারটি জুন মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৩২২/৪৮ দিকে যেতে পারে। পেয়ারটির ঊর্ধ্বমূখী অবস্থান স্থায়ী হলে, ৫৫ দিনের মুভিং এভারেজ অনুযায়ী পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে ১.১৩৯৪/১.১৪১২। পেয়ারটির ঊর্ধ্বমূখী অবস্থান অব্যাহত থাকলে পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে জুন মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৪১২। পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে ২০১৯ সালের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৫৭০। পেয়ারটির ঊধ্বমূখী অবস্থান দীর্ঘ স্থায়ী হলে পেয়ারটি ২০১৮ সালের সেপ্টম্বরে সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৮১৫/৫৪।
  16. গত সপ্তাহ পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির জন্য বেশ ভাল ছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস বেশ ভালই বেড়েছিল। তবে এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। গত সপ্তাহের শেষের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.২৫২৩ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.২৫৭৬ প্রাইসে। সুতরাং ঐ দিন পেয়ারটি ৫৩ পিপসের মত বেড়েছিল। গতকালের ট্রেডিং সেশনের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, গতকাল পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.২৫৪৯ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.২৫১৪ প্রাইসে। সুতরাং গতকাল পেয়ারটি ৩৫ পিপসের মত কমেছে। আজ পেয়ারটি ওপেন হয়েছে ১.২৫১৩ প্রাইসে এবং বর্তমানে পেয়ারটি ১.২৫০০ প্রাইসের কিছু নিচে রয়েছে। সুতরাং এখন পর্যন্ত পেয়ারটি ১৩ পিপসের মত কমেছে। বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস কমছে। সুতরাং পেয়ারটির ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া ভাল হবে।
  17. গত সপ্তাহের শেষের দিকে পেয়ারটির প্রাইস বেড়েছিল। গতকাল পেয়ারটির প্রাইস কমেছে। তবে আজ পেয়ারটির অবস্থান কি হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করা হলো। শুরুতেই পেয়ারটির গতকালের ট্রেডিং সেশনের দিকে মনোযোগ দেওয়া যাক। গতকাল পেয়ারটি ১.১২৬৮ প্রাইসে ওপেন হয়েছিল এবং ১.১২৫৬ প্রাইসে ক্লোজ হয়েছিল। গতকাল পেয়ারটি ১২ পিপসের মত কমেছে। তবে আজ পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শুরু করেছে। তবে তা কতক্ষণ স্থায়ী হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। আজ পেয়ারটি ওপেন হয়েছে ১.১২৫৬ প্রাইসে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.১২৫৯ প্রাইসে অবস্থান করছে। সুতরাং পেয়ারটি এখন পর্যন্ত ০৩ পিপসের মত বেড়েছে। আজ পেয়ারটির ক্ষেত্রে যে ইভেন্টগুলো কাজ করবে। তার মধ্যে অন্যতম হলো ইউরোপিয়ান কমিশন ভোট। এ ক্ষেত্রে পেয়ারটির প্রাইস বর্তমানে বাড়লেও পরবর্তীতে ভোটকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। সুতরাং পেয়ারটির ক্ষেত্রে অল্প সময়ের জন্য বাই এন্ট্রি নেওয়া ভাল হবে।
  18. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ১.১২৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা পেয়ারটি ১.১২৩৫ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১৩০০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১২৩৫, ১.১২১৫, ১.১১৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৮০, ১.১৩০০, ১.১৩৩০ সেল এন্ট্রি : টেক প্রফিট : ১.১২১৫, ১.১১৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটের ১.১২৯০ তে একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল এবং ১.১২৪০ তে সেল পজিশন দেওয়া হয়েছে। ১.১২৯০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৯০, ১.১১৪০, ১.১০৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৯০, ১.১৩২০, ১.১৩৬০ বাই এন্ট্রি : ১.১২৪০ স্টপ লস : ১.১২৯০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১১৪০, ১.১০৫০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেটের ১.২৫৭০ তে একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল এবং ১.২৫৭০ তে বাই পজিশন দেওয়া আছে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৫১০, ১.২৪৬০, ১.২৪০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৬১০, ১.২৬৭০, ১.২৭৫০ বাই এন্ট্রি : ১.২৫৭০ স্টপ লস : ১.২৫১০ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট : ১.২৬১০, ১.২৬৭০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১.২৬০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.২৪৩০ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.২৬৮০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৪৩০, ১.২৩৬০, ১.২২২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৬০০, ১.২৬৮০, ১.২৮০০ সেল এন্ট্রি : টেক প্রফিট : ১.২৩৬০, ১.২২২০
  19. ইউরো/ডলার পেয়ারটি বুলিশ অবস্থানে রয়েছে এবং পেয়ারটির প্রাইস আরও বাড়তে পারে। আমাদের পছন্দ পেয়ারটি ঊর্ধ্বমূখী অবস্থানে রয়েছে, পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট ১.১২৮৫ এবং ১.১৩০৫ হতে পারে। বিকল্প পদ্ধতি তবে পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু করলে টার্গেট হবে ১.১২৫৫। পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে ১.১২৪০ এবং ১.১২২৫ প্রাইস। মন্তব্য RSI ইনডিকেটর অনুযায়ী, পেয়ারটির ক্ষেত্রে ৫০ পিপস নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে। পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি ১.১২৫৮ প্রাইসের উপরে ট্রেডিং করছে। পিভট: ১.২৫৫৮ আমাদের পছন্দ পেয়ারটি বর্তমানে ১.২৫৫৮ প্রাইসের ‍উপরে ট্রেডিং করছে। তবে পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হবে ১.২৫৯০ও ১.২৬১৫। বিকল্প পদ্ধতি পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুর করলে পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে ১.২৫২০ ও ১.২৪৯০। মন্তব্য পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা বেশি। ডলার/ইয়েন পিভট : ১০৭.৮০ আমাদের পছন্দ পেয়ারটি ১০৭.৮০ প্রাইস থেকে বাড়তে শুরু করলে, পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হবে ১০৮.২৫ ও ১০৮.৪৫। বিকল্প পদ্ধতি ১০৭.৮০ প্রাইস থেকে পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু করলে পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হবে ১০৭.৫৫ ও ১০৭.৩৫। মন্তব্য পেয়ারটি দ্রুত মুভমেন্ট করতে পারে।
  20. ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১১৯০ প্রাইস থেকে বাড়তে শুরু করেছে এবং ২১ দিনের এসএমএ অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১২৮০/৮৫ প্রাইসে আসতে পারে। ২০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী, পেয়ারটি ১.১৩২৩ প্রাইসে আসতে পারে এবং পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে এ মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৪২০। ২০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী, পেয়ারটি আপসাইড অবস্থান থেকে কমতে শুরু করলে, পেয়ারটির পরবর্তী অবস্থান হতে পারে ১.১১৮১/৭৬। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের চার্ট
  21. গত সপ্তাহে ডলার/ইয়েনের প্রাইস বেড়েছিল। তবে এ সপ্তাহে ইয়েনের ক্ষেত্রে একটি মাত্র ইভেন্ট রয়েছে। অতএব এ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের নজর থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের ইভেন্টগুলোর দিকে। এ সপ্তাহের ‍গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হলো: রিটেইল সেলস । তবে আশা করা হচ্ছে, জুন মাসে রিটেইলস সেলস কিছুটা খারাপা আসতে পারে। এটা আনুমানিক ০.২% আসতে পারে এবং কোর রিটেইল সেলস ০.১% আসতে পারে। ডলার/ইয়েনের ফান্ডমেন্টাল আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েল গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রের ইকোনমি নিয়ে Dovish মন্তব্য করেছেন। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমেছিল এবং মার্কেট ইকুউটি বৃদ্ধি পেয়ছিল। এ কনফারেন্সে পাওয়েল মুদ্রাস্ফীতি কম হওয়া এবং বৈশ্বিক ইকোনমি নিয়ে উদ্ধিগ্নতা প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও পাওয়েল বলেন, আশা করা হচ্ছে, জুলাইম মাসে ইন্টারেস্ট রেট কমানো হবে। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমতে পারে। অপর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতির দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, জুন মাসে সিপিআই ০.১% তে অপরিবর্তনীয় রয়েছে। ডলার/ইয়েনের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস মে মাসের মাঝামাঝিতে ১১১.৬৯ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল এবং পরবর্তী প্রাইস ছিল ১১১.১৫। ১১০.৪০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। (গত সপ্তাহের সাথে সম্পর্কিত) মে মাসে ১০৯.৭৩ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল এবং পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১০৯.৩৫। জুনের মাঝামাঝি ১০৮.৭০ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারটি ১০৮.১০ প্রাইসে এসেছিল। এটা মে মাসের শেষের দিকে একটি সুইং লো লেভেল ছিল। ১০৭.৫০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। এপ্রিলের শুরুর দিকে ১০৬.৬১ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। জানুয়ারির শুরুর দিকে ১০৫.৫৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। সর্বশেষ এবং বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১০৪.৬৫। ডলার/ ইয়েনের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইন: শেষ কথা আমরা ধারণা করছি, ডলার/ইয়েন পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। জুলাই মাসে ফেড ইন্টারেস্ট রেট কমাবেন। যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইয়েনকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
  22. গত সপ্তাহে পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি অল্প কিছু মুভমেন্ট করেছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটির জন্য যে ইভেন্টগুলো রয়েছে, তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো জব ডাটা, মুদ্রাস্ফীতি এবং কনজিউমার ব্যয় রিপোর্ট। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। মে মাসের রিপোর্টে জিডিপি বেশ ভাল এসেছে। গত দুইবার এ সেক্টরটি বেশ খারাপ অবস্থানে ছিল। তবে বর্তমানে জিডিপি রিবাউন্ড করেছে এবং ০.৩% এসেছে। এদিকে এপ্রিল মাসে মেনুফেকচারিং সেক্টরে শতকরা ৩.৯% কমেছিল। তবে মে মাসের রিপোর্টে শতকরা ১.৪% বেড়েছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জুন মাসে ২.২% আসতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েল গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রের ইকোনমি নিয়ে Dovish মন্তব্য করেছেন। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমেছিল এবং মার্কেট ইকুউটি বৃদ্ধি পেয়ছিল। এ কনফারেন্সে পাওয়েল মুদ্রাস্ফীতি কম হওয়া এবং বৈশ্বিক ইকোনমি নিয়ে উদ্ধিগ্নতা প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও পাওয়েল বলেন, আশা করা হচ্ছে, জুলাইম মাসে ইন্টারেস্ট রেট কমানো হবে। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমতে পারে। অপর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতির দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, জুন মাসে সিপিআই ০.১% তে অপরিবর্তনীয় রয়েছে। পাউন্ড/ডলারের প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.UK Jobs Report মঙ্গলবার, দুপুর ০২:৩০। মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার ২৩ হাজার ২০০ কমেছে। জুন মাসেও একই ধরণের অবস্থা পরিলক্ষিত হতে পারে, এটা আনুমানিক ১৮ হাজার ৯০০ হতে পারে। এপ্রিলে ওয়েজ কমেছে ৩.১% । এটা গত ৭ মাসের সর্বনিন্ম লেভেল। তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মে মাসেও এর কোন পরিবর্তন হবে না। ২.UK Inflation বুধবার, দুপুর ০২:৩০। যুক্তরাজ্যের সিপিআই ২ পার্সেন্ট এসেছে, এটা ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের নির্ধারিত টার্গেট অনুযায়ী এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জুন মাসের রিপোর্টেও একই ধরণের রেজাল্ট আসবে। জুন মাসে কোর সিপিআই ১.৮% বেড়েছে। এটা গতবারের রিপোর্ট ১.৭% এর উপরে এসেছে। ৩.Retail Sales বৃহস্পতিবার, দুপুর ০২:৩০। রিটেইল সেলস সেক্টরটি মার্চ মাসের পর থেকে ভাল অবস্থানে নেই। এটা ক্রমাগত খারাপ করছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জুন মাসের রিপোর্টে ০.৩% আসতে পারে। ৪.Public Sector Net Borrowing শুক্রবার, মে মাসে এ সেক্টরে ৪.৫ বিলিয়ন পাউন্ড ঘাটতি ছিল। তবে ধারণা করা হয়েছিল, ৩.৩ বিলিয়ন হবে। আশা করা হচ্ছে, জুন মাসের রিপোর্টে ৩.৪ বিলিয়ন পাউন্ড ঘাটতি হতে পারে। পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যার অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ১.২৯১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। এটা মে মাসের মাঝামাঝিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। নভেম্বরের শেষের দিকে পেয়ারটি ১.২৮৫০ প্রাইসে রিকভার করার চেষ্টা করেছিল। গত সপ্তাহে ১.২৭২৮ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল এবং পরবর্তী প্রাইস ছিল ১.২৬৬০। ( গত সপ্তাহের সাথে সম্পর্কিত) গত সপ্তাহে ১.২৫৯০ একটি দুর্বল রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছির। এটা ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে একটি সুইং লো লেভেল ছিল। ১.২৫ একটি রাউন্ড নাম্বার ছিল এবং পরবর্তী লেভেল ছিল ১.২৪২০। ২০১৭ সালের মার্চ মাসে ১.২৩৩০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ড নাম্বার ছিল ১.২২ এবং এটা ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকবে। ব্রিটিশ ইকোনমি মোটামুটি ভাল করছে, তবে ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে কিছুটা অস্থিরতা বিরাজ করছে। এদিকে ফেড জুলাই মাসের মিটিংয়ে ইন্টারেস্ট রেট কমাতে পারে। যার ফলে ডলারের প্রাইসও কিছুটা কমতে পারে। সুতরাং এ সপ্তাহে পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে।
  23. গত সপ্তাহের শুরুর দিকে ইউরো/ডলারের প্রাইস কমেছিল। তবে শেষের দিকে পেয়ারটির প্রাইস বেড়েছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটির জন্য যে ইভেন্ট রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কনফিডেন্স এবং মুদ্রাস্ফীতি ডাটা। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। ইউরোপিয়ান কমিশন ইউরোজোনের প্রবৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে একটি পূর্বাভাস প্রকাশ করেছেন। ইউরোপিয়ান কমিশন বলেছেন, ২০১৯ সালে প্রবৃদ্ধি শতকরা ১.২% কমতে পারে। তবে ২০১৮ সালে প্রবৃদ্ধি ১.৯% কমেছিল। ইউরোপিয়ান কমিশন বলেছেন, ২০১৮ সালে মুদ্রাস্ফীতি ১.৪% এসেছিল। তবে ২০১৯ সালে ১.৩% আসতে পারে। ২০১৮ সালে জার্মান ইকোনমিক প্রবৃদ্ধি শতকরা ১.৪% বৃদ্ধি পেয়েছিল। ইউরোপিয়ান কমিশন প্রত্যাশা করছেন, ২০১৯ সালে জার্মান ইকোনমিক প্রবৃদ্ধি শতকরা ০.৫% কমতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েল গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রের ইকোনমি নিয়ে Dovish মন্তব্য করেছেন। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমেছিল এবং মার্কেট ইকুউটি বৃদ্ধি পেয়ছিল। এ কনফারেন্সে পাওয়েল মুদ্রাস্ফীতি কম হওয়া এবং বৈশ্বিক ইকোনমি নিয়ে উদ্ধিগ্নতা প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও পাওয়েল বলেন, আশা করা হচ্ছে, জুলাইম মাসে ইন্টারেস্ট রেট কমানো হবে। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমতে পারে। অপর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতির দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, জুন মাসে সিপিআই ০.১% তে অপরিবর্তনীয় রয়েছে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.German ZEW Economic Sentiment মঙ্গলবার,দুপুর ০৩:০০। জুন মাসে এ সেক্টরে প্রত্যাশার তুলনায় কম এসেছে। প্রত্যাশা করা হয়েছিল ৫.৭ পয়েন্ট কমবে। তার পরবর্তীতে ২১.১ পয়েন্ট কমেছে। জুলাই মাসের রিপোর্টেও দুর্বল পয়েন্ট আশা করা হচ্ছে। এটা আনুমানিক ২২.১ পয়েন্ট আসতে হবে। ২.Eurozone Inflation বুধবার, দুপুর ০৩:০০। জুন মাসে ইউরোজোনের মুদ্রাস্ফীতি ১.২% এসেছে এবং কোর সিপিআই ১.১% এসেছিল। প্রথম প্রান্তীকে মুদ্রস্ফীতি একই ধরণের আশা করা হচ্ছে। ৩.German PPI শুক্রবার, দুপুর ১২:০০। জার্মান এ সেক্টরটি গত চার মাস ধরে বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে। তবে জুন মাসে কিছুটা খারাপ আসতে পারে, এটা আনুমানিক ০.১% হতে পারে। ৪.Current Account শুক্রবার, দুপুর ০২:০০। এপ্রিল মাসে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স ২০.৯ বিলিয়ন ঘাটতি ছিল। এটা গত ৪ মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস। মে মাসে প্রত্যাশা করা হচ্ছে ২১.১ বিলিয়ন হতে পারে। ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: অক্টোবরের শুরুর দিকে ১.১৬২০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল এবং পরবর্তী লেভেল ছিল ১.১৫৭০। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৫১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। ফেব্রুয়ারীর শুরুর দিকে ১.১৪৩৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৩৯০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। এ সপ্তাহের শুরুর দিকে পেয়ারটি ১.১৩৪৫ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক করেছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.১২৯০। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে পেয়ারটির জন্য ডাবল বটোম লেভেল ছিল ১.১২৭০। গত সপ্তাহের শেষের দিকে পেয়ারটি এ লেভেরে টেস্ট করেছিল। জুন মাসের মাঝামাঝিতে ১.১২১৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। মে মাসের শেষের দিকে ১.১১১৯ একটি গুপরুত্ব সাপোর্ট লেভেল ছিল। ( গত সপ্তাহের সাথে সম্পর্কিত ) ২০১৭ সালের মে মাসে ১.১০২৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল এবং পরবর্তী প্রাইস ছিল ১.০৯৫০। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.০৮২৯। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি ইউরো/ডলার পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকবে। ইউরোজোনে ইকোনমি তেমন ভাল অবস্থায় নেই, যার ফরে এর প্রভাব ইউরোর উপর পরবে। এদিকে ফেড জুলাই মিটিংয়ে ইন্টারেস্ট রেট কমাতে পারে। এর ফলে ডলারের ‍উপর কিছুটা ঝামেলা আসবে। সুতরাং এ সপ্তাহে পেয়ারটি সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
  24. অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহে কিছুটা বেড়েছিল। এ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা চীনা জিডিপি এবং অস্টেলিয়ান জব রিপোর্টের দিকে নজর রাখবেন। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। অস্টেলিয়ান কনফিডেন্স নাম্বার গত সপ্তাহে বেশ খারাপ অবস্থানে ছিল। তারপরও অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস বেড়েছিল। গতবার বিজনেস কনফিডেন্স ৭ পয়েন্ট ছিল, তবে জুন মাসে বিজনেস কনফিডেন্স ২ পয়েন্ট এসেছে। ওয়েস্টপ্যাক কনজিউমার সেন্টিমেন্ট শতকরা ৪.১% কমেছে,এটা গত ৪ মাসের সর্বনিন্ম লেভেল। ‍ এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েল গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রের ইকোনমি নিয়ে Dovish মন্তব্য করেছেন। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমেছিল এবং মার্কেট ইকুউটি বৃদ্ধি পেয়ছিল। এ কনফারেন্সে পাওয়েল মুদ্রাস্ফীতি কম হওয়া এবং বৈশ্বিক ইকোনমি নিয়ে উদ্ধিগ্নতা প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও পাওয়েল বলেন, আশা করা হচ্ছে, জুলাইম মাসে ইন্টারেস্ট রেট কমানো হবে। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমতে পারে। অপর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতির দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, জুন মাসে সিপিআই ০.১% তে অপরিবর্তনীয় রয়েছে। অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.Chinese GDP সোমবার, সকাল ০৮:০০। চীনা জিডিপি অস্টেলিয়ার মার্কেটের ‍উপর প্রভাব বিস্তার করবে, কারণ চীনের সবথেকে বড় বানিজ্য পার্টনার অস্টেলিয়া। প্রথম কোয়াটারে চীনে শতকরা ৬.৪% প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে,২য় প্রান্তীকেও শতকরা ৬.২% আসতে পারে। ২.RBA Monetary Policy Meeting Minutes মঙ্গলবার,সকাল ০৭:৩০। জুন এবং জুলাই মাসে ইন্টারেস্ট রেট কমানোকে কেন্দ্র করে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া বেশ ব্যস্ত সময়ের মধ্যে রয়েছে। অস্টেলিয়ান ডলারের জন্য এটা তেমন ভাল নিউজ নয়। এর ফলে অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস কমতে পারে। ৩.MI Leading Index বুধবার,ভোর ০৫:৩০। এ সেক্টরটি খারাপ অবস্থানে রয়েছে। গত দুই বার এ সেক্টর থেকে ০.১% এসেছিল। এখন আমরা জুন মাসের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছি। ৪.Australian jobs report বৃহস্পতিবার, ভোর ০৬:৩০। জুন মাসে অস্টেলিয়ার জব রিপোর্ট বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছিল। এ মাসে অস্টেলিয়ায় ৪২ হাজার ৩০০ জব তৈরি হয়েছে। বেকারত্বের হার শতকরা ৫.২% তে অপরিবর্তনীয় রয়েছে। অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ০.৭৩৪০ রেজিস্ট্যান্স রেভেল থেকে শুরু করছি, এপ্রিলের শুরুর দিকে এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ০.৭৩১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরের মাঝামাঝি ০.৭২৪০ একটি আলাদা রেঞ্জ ছিল। এপ্রিলের শুরুর দিকে ০.৭১৬৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। ( গত সপ্তাহে উল্লেখিত ) সেপ্টেম্বরে ০.৭০৮৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। গ গত সপ্তাহে পেয়ারটি ০.৭০২২ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্ট করেছিল এবং পেয়ারটির প্রাইস এ স্থান থেকে কমতে শুরু করেছে। গত সপ্তাহে পেয়ারটি ০.৬৯৮৮ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক করেছিল। এখন আমরা এপ্রিলের জন্য। জুনের শেষের দিকে ০.৬৯৪০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। মে মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৬৮৬৪। জানুয়ারি মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৬৭৪৪। ২০০০ সালের পূর্বে ০.৬৬৮৬ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমবে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের শুল্ক যুদ্ধ চীনের ইকোনমির উপর প্রভাব বিস্তার করছে। এছাড়াও চীনের জিডিপি খারাপ আসার কারণে অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস কমবে। এদিকে রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ১.০% নির্ধারণ করবেন। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং এ সপ্তাহে অস্টেলিয়ান ডলারের বিপরীতে মার্কিন ডলারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
  25. মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলার পেয়ারটি জুলাই মাসে কিছুটা শান্ত অবস্থানে রয়েছিল। তবে গত সপ্তাহের শেষের দিকে পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা কমেছিল। এটা অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ের নিন্ম প্রাইসকে নির্দেশ করেছে। তবে এ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা কানাডিয়ান মুদ্রাস্ফীতি এবং রিটেইলস সেলস রিপোর্টের দিকে নজর রাখবেন। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। এবার ব্যাংক অব কানাডা থেকে আশ্চর্যজনক তেমন কোন রিপোর্ট আসেনি। তবে ব্যাংক বেঞ্জমার্ক রেট শতকরা ১.৭৫% নির্ধারণ করেছে। পরবর্তীতে ব্যাংক অব কানাডা ইন্টারেস্ট রেট বাড়াবেন, নাকি কমাবেন সেটা এখনও স্পষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। ২০১৯ সালে ব্যাংক অব কানাডা থেকে প্রবৃদ্ধি ২.১% থেকে ১.৯% আসতে পারে। এর ফরে ইন্টারেস্ট রেট বর্তমানে বাড়ানো হবে কিনা, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। এছাড়াও মে মাসের রিপোর্টে বিল্ডিং নির্মাণের অনুমোধন শতকরা ১৩% কমেছে। মে মাসের আগের রিপোর্টে শতকরা ১৪.৭% বেড়েছিল। তবে কানাডায় হাউজিং নির্মান ২ লক্ষ ৪৬ হাজার বেড়েছে। এটা বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে এবং এ রিপোর্ট ২০১৭ সালের নভেম্বরের শক্তিশালী রিপোর্টকে নির্দেশ করছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরেমি পাওয়েল গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রের ইকোনমি নিয়ে Dovish মন্তব্য করেছেন। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমেছিল এবং মার্কেট ইকুউটি বৃদ্ধি পেয়ছিল। এ কনফারেন্সে পাওয়েল মুদ্রাস্ফীতি কম হওয়া এবং বৈশ্বিক ইকোনমি নিয়ে উদ্ধিগ্নতা প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও পাওয়েল বলেন, আশা করা হচ্ছে, জুলাইম মাসে ইন্টারেস্ট রেট কমানো হবে। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমতে পারে। অপর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতির দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, জুন মাসে সিপিআই ০.১% তে অপরিবর্তনীয় রয়েছে। মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.Foreign Securities Purchases মঙ্গলবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। কানাডিয়ান ইকোনমি তেমন ভাল অবস্থানে নেই। এপ্রিল মাসে কানাডিয়ান ইকোনমিতে ১২ হাজার ৮০০ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার ঘাটতি হয়েছে। সুতরাং আমরা মে মাসের রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। ২.Inflation বুধবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, মে মাসে সিপিআই শতকরা ০.৪% এসেছে। কোর সিপিআই শতকরা ০.৪% বেড়েছে। আশা করা হচ্ছে, জনু মাসে মুদ্রাস্ফীতি শতকরা ২.০% আসতে পারে। ৩.Manufacturing Sales বুধবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। মে মাসে মেনুফেকচারিং সেক্টর বেশ হতাশাজনক এসেছে। মে মাসে মনুফেকচারিং সেক্টর শতকরা ০.৬% কমেছে। যেখানে আমরা ধারণা করেছিলাম ০.৬% বাড়বে, সেখানে ০.৬% কমেছে। ৪.ADP Nonfarm Employment Change বৃহস্পতিবার,সন্ধ্যা ০৬:৩০। এ সেক্টরটি গত চারবার বেশ ভাল অবস্থানে ছিল। মে মাসে কানাডিয়ান ইকোনমিতে ১৬ হাজার জব সৃষ্টি হয়েছে। তবে জনু মাসের রিপোর্টে কি আরেকটি রিবাউন্ড দেখতে পারবো? ৫.Retail Sales Data শুক্রবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। বর্তমান মাসে রিটেইল সেলস এবং কোর রিটেইল সেলস উভয় সেকশন খারাপ অবস্থানে রয়েছে। এপ্রিল মাসে রিটেইল সেলস শতকরা ০.১% কমেছে। তবে গতবার ছিল ১.১%। কোর রিটেইল সেলস এপ্রিলে ০.১% কমেছে। তবে মে মাসের রিপোর্টে কি আমরা রিবাউন্ড দেখতে পারবো? মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস: টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ১.৩৪৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.৩৩৮৫। জুনের মাঝামাঝি ১.৩৩৫০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.৩২৬৫। নভেম্বরের শেষের দিকে ১.৩১৭৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সুইং লো লেভেল ছিল। নভেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩১২৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। গত সপ্তাহে ১.৩০৪৮ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। (গত সপ্তাহের সাথে সম্পর্কিত)। পরবর্তী লেভেল ১.২৯১৬। অক্টোবরের শুরুর দিকে ১.২৮৩১ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.২৭২৯। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.২৬৫৪। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলার নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকবে। জুলাই মাসে ফেড ইন্টারেস্ট রেট কমাতে পারে। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে চলমান বানিজ্য উত্তেজনা কানাডার ইকোনমিতে প্রভাব ফেলবে। যার ফলে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইসও কমতে পারে। সুতরাং পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাবে।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×