Jump to content

ফরেক্স প্রতিদিন

Members
  • Content count

    78
  • Joined

  • Last visited

Everything posted by ফরেক্স প্রতিদিন

  1. এইচএসবিসি (HSBC) অ্যানালাইসিস্টদের মতে ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১২ প্রাইসের নিচে ট্রেডিংয়ের পরে, বর্তমানে ফেডকে কেন্দ্র করে ,পেয়ারটি ১.১৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে যাচ্ছে। মূল উদ্ধিতি টেকিনিক্যাল চার্ট অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১৪২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হয়েছিল এবং পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১৫। তবে ১.১২ এর কাছাকাছি একটি শক্তিশালী সাপোর্ট লেভেল রয়েছে।
  2. ব্রেক্সিটের স্থিতিশীল নিউজকে কেন্দ্র করে পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির প্রাইস বাড়ছে। এখানে আপসাইড টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলে। টেকনিক্যাল কনফ্লুয়েন্সের ইনডিকেটরে ১৫ থেকে ২০০ মিনিটের সিম্পল মুভিং এভারেজ (SMA) , এক দিনের ফিবোনেসি ৩৮.২%, ৪ থেকে ১০ ঘন্টার এসএমএ এবং ১ ঘন্টার নিন্মমূখী বলিঞ্জার ব্যান্ড অনুযায়ী, ১.৩২৬৮ এর কাছাকাছি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল রয়েছে। এক দিনের ফিবোনেসি ২৩.৬% এবং ১ থেকে ১০০ ঘন্টার এসএমএ (SMA), ১ থেকে ৫ দিনের এসএমএ, এবং এক সপ্তাহের পিবোনেসি ৩৪.২% অনুযায়ী, পরবর্তীতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.৩২২০ রয়েছে। পরবর্তীতে আরেকটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল রয়েছে, তবে রেজিস্ট্যান্স লেভেলের ‍তুলনায় সাপোর্ট লেভেলকে বেশি শক্তিশালী মনে হচ্ছে। ১৫ মিনিটের নিন্মমূখী বিবি (BB), ১ ঘন্টার মধ্যবর্তী বিবি (BB) এক সপ্তাহের ফিবোনেসি ২৩.৬% এবং পূর্ববর্তী ৫ থেকে ১৫ মিনিটের এসএমএ অনুযায়ী ১.৩২৯৯ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল। এক দিনের পিভোট পয়েন্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল ২ অনুযায়ী, পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হলো ১.৩৩৫৮। পাউন্ড/ডলার
  3. ইউরো/ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহে কমেছিল।এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলো হলো: জার্মান জিইডব্লিউ (ZEW) ইকনোমি সেন্টিমেন্ট এবং জার্মান ও ইউরোজোনের পিএমআই (PMI)। এছাড়াও বিনিয়োগকারীরা ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের রেট সেন্টিমেন্টর উপর নজর রাখবেন। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। জার্মানের মেনুফেকচারিং ডাটা ক্রমাগত কমছে, কারণ বৈশ্বিক বানিজ্য যুদ্ধের কারণে জার্মান প্রডাক্টসের চাহিদা কমেছে। জানুয়ারীতে ইন্ডস্ট্রীয়াল প্রডাকশন শতকরা ০.৮ পার্সেন্ট কমেছে। পরবর্তীতে এটা আরও কমতে পারে। তবে জুন মাসে ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন কিছুটা বেড়েছিল। ইউরোজোনের সিপিআই (CPI) অপরিবর্তনীয় ১.৫% রয়েছে, যেহেতু মুদ্রাস্ফীত (Inflation) ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ECB) টার্গেট ২ পার্সেন্টের নিচে রয়েছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার রিপোর্ট মিশ্র অবস্থায় ছিল, এটা ডলারের উপর প্রভাব ফেলেছিল। কোর রিটেইলস সেলস শতকরা ০.৯ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) তেমন ভাল অবস্থানে নেই, সিপিআই ০.২% এবং কোর সিপিআই ০.১% এসেছে। বেকারত্বের হার প্রত্যাশার থেকে বেশি বেড়েছে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইন দেওয়া হলো: ১.Trade Balance সোমবার দুপুর ০৩:০০। ইউরোজোনের ট্রেড বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে এটা এখনও পজেটিভ ট্রেন্ডে রয়েছে। জানুয়ারিতে ১৭.২ বিলিয়োন ইউরোর ট্রেড হতে পারে। ২.German ZEW Economic Sentiment মঙ্গলবার দুপুর ০৩:০০। বিনিয়োগকারী এবং অ্যানালাইসিস্টগন জার্মানীর ইকনোমিক আউটলুক সম্পর্কে কিছুটা উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেছে, যদিও রিপোর্টে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে ১৩.৪ পয়েন্ট এসেছে এবং মার্চের পূর্বাভাসে ১১.০ পয়েন্ট আশা করা হচ্ছে। ইউরোজোনে ১৬.৬ পয়েন্ট এসেছে , এটা ইউরোজোনের জন্য খুবই সামান্য এবং মার্চে ১৫.১ পয়েন্ট আশা করা হচ্ছে। ৩.German PPI বুধবার দুপুর ০১:০০। জার্মান মুদ্রাস্ফীতি জানুয়ারিতে রিবাউন্ড করেছে, এটা শতকরা ০.৪ পার্সেন্ট বেড়েছে। গত মাসে শতকরা ০.৪ পার্সেন্ট কমেছিল। অনুমান করা হচ্ছে ফেব্রুয়ারীতে ০.২% আসতে পারে। ৪.ECB Economic Bulletin বৃহস্পতিবার বিকাল ০৩:০০। ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেট ডিসিশনের দুই সপ্তাহ পরে বুলেটিন প্রকাশ করেছেন, এর ভিতরে রয়েছে ইকনোমি ডাটা এবং রেট ডিসিশন পলিসি। এছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক ইকনোমি, মুদ্রাস্ফীতি এবং পরবর্তী মনেটারী পলিসি। ৫.Flash PMIs শুক্রবার বিকাল ০৪:১৫,ফ্রান্স ০৪:৩০ এবং জার্মান ০৫:০০ তে প্রকাশ করা হযেছে। ফ্রান্সের সার্ভিস সেক্টর পিএমআই তিন মাস ধরে ক্রমাগত কমছে। তবে, ইনডিকেটর অনুযায়ী প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারীতে এটা বৃদ্ধি পেয়ে ৫০.৬% হতে পারে। মেনুফেকচারিং ডাটা দুর্বল অবস্থানে রয়েছে,বর্তমানে এটা ৫০ লেভেলের উপরে রয়েছে, তবে এটা প্রত্যাশার তুলনায় কম। তাছাড়া জার্মানীর মেনুফেকচারিং পিএমআই পয়েন্ট ভাল অবস্থানে নেই, তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পরবর্তী রিলিজেও একই অবস্থা থাকতে পারে। তবে সার্ভিস পিএমআই বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে এবং প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারীতে ৫৪.৮ পয়েন্ট আসতে পারে। ফেব্রুয়ারীতে ইউরোজোনের মেনুফেকচারিং পিএমআই পূর্বাভাস ৪৯.৬ পয়েন্ট করা হয়েছিল,তবে পূর্বাভাসের থেকে কিছু কম ৪৯.২ এসেছিল। জানুয়ারিতে সার্ভিস পিএমআই বেশ ভাল ৫২.৩ এসেছিল এবং আশা করা হচ্ছে ফেব্রুয়ারীতে ৫২.৭ পয়েন্ট আসবে। ৬.Current Account শুক্রবার দুপুর ০৩:০০। ইউরোজোন সারপ্লাস জানুয়ারিতে ১৬.২ বিলিয়ন এসেছে, তবে আশা করা হয়েছিল ২১.৪ বিলিয়ন হবে। ইনডিকেটর অনুযায়ী আশা করা হচ্ছে ১৭.৩ বিলিয়ন ইউরো বৃদ্ধি পাবে। EUR/USD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস: টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ১.১৭৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। সেপ্টেম্বরে ১.১৭২০ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। অক্টোবরের শুরুর দিকে ১.১৬২০ গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.১৫৭০। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৫১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। ফেব্রুয়ারীর শুরুর দিকে ১.১৪৩৫ নিন্ম পয়েন্ট ছিল। জানুয়ারিতে ইউরো/ডলারের জন্য ১.১৩৯০ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। পেয়ারটি প্রেসারে থাকা সেত্ত্বেও গত সপ্তাহে ১.১৩৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে এসেছিল। একই সময়ে ১.১২৯০ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ১.১২৭০ ডাবল বটোম ছিল। ২০১৮ সালের সর্বনিন্ম প্রাই‌স ছিল ১.১২১৫। ২০১৭ সালে ১.১০২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.০৯৫০। উপসংহার আমরা ধারণা করছি ইউরো/ডলারের প্রাইস কমতে পারে। বৈশ্বিক বানিজ্য যুদ্ধের ফলে ইউরোজোনের ইকনোমিতে স্থবির অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, এর প্রভাব বিশেষ করে মেনুফেকচারিং এবং রপ্তানি সেক্টরের উপর পরেছে। ব্রেক্সিট উত্তেজনা পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে সহায়তা করবে না এবং আশা করা হচ্ছে, ইউরোজোনের ইকনোমি বেশ দুর্বল অবস্থানে থাকবে। ফেডারেল রিজার্ভ এবং ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক Dovish অবস্থানে রয়েছে। আর ব্যাংকের এ অবস্থান পেয়ারটির উপর বেশ প্রভাব ফেলবে। সুতরাং পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।
  4. EURUSD সিগন্যাল ৬০মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) মার্কেট আপট্রেন্ডে রয়েছে। আমরা ১.১৩৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের উপরে বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.১৩১৩ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুল্লিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কে ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১৩১৩, ১.১২৯৫, ১.১২৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১৩৪৫, ১.১৩৬২, ১.১৩৯২ ট্রেডের সিগন্যাল : বাই বাই এন্ট্রি : ১.১৩৪৫ স্টপ লস : ১.১৩১৩ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট : ১.১৩৬২, ১.১৩৯২ ২৪০ মিনিট (৪ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩সপ্তাহ) মার্কেট ১.১৩৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১৪১৮। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১২১০, ১.১১৭০, ১.১১০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৩৫০, ১.১৪১৮, ১.১৫৪০ ট্রেডের সিগন্যাল : সেল GBPUSD সিগন্যাল ৬০মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) মার্কেট ১.৩৩০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.৩২০০ সাপোর্ট লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.৩৪০০। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.৩২০০, ১.৩১৪২, ১.৩০৪৬ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩৩০০, ১.৩৪০০, ১.৩৬০০ ট্রেডের সিগন্যাল : সেল টেক প্রফিট : ১.৩১৪২, ১.৩০৪৬ ২৪০মিনিট (৪ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) মার্কেটে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ওঠানামা করছে। তাই আমরা মার্কেটের স্থিতিশীল অবস্থার জন্য অপেক্ষা করছি। ট্রেন্ডের ধরণ : অপেক্ষমান সাপোর্ট লেভেল : ১.৩১১০, ১.২৯৫০, ১.২৮৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩৪৫০, ১.৩৭৪০, ১.৪২০০ ট্রেডের সিগন্যাল : অপেক্ষমান
  5. অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহে কিছুটা বেড়েছিল। বর্তমানে ট্রেডারদের রিজার্ভ ব্যাংক অফ অস্টেলিয়ার (RBA) মিনিটস এবং জবের ডাটার উপর নজর রাখা উচিত। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং অস্টেলিয়ান ডলার/ মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। বিজনেস কনফিডেন্স ফেব্রুয়ারিতে অনেক কমেছে, যার ফলে দুর্বল স্কোর মাত্র ২ পয়েন্ট এসেছে। আর এটা গত ৩ বছরের মধ্যে নিন্ম লেভেল। সুতরাং এ ধরণের দুর্বল পয়েন্ট আসতে থাকলে অস্টেলিয়ান ইকনোমি বেশ খারাপ অবস্থানে আসবে। যুক্তরাষ্ট্রের মিশ্র কনজিউমার ডাটা ডলারের প্রাইস বাড়িয়েছে। কোর রিটেইলস সেলস ৮ মাসের মধ্যে সবথেকে ভাল অবস্থানে রয়েছে, কোর রিটেইলস সেলস শতকরা ০.৯ পার্সেন্ট বেড়েছে। তবে মুদ্রাস্ফীতি(Inflation) তেমন ভাল অবস্থানে নেই, সিপিআই ০.২% এবং কোর সিপিআই ০.১% বৃদ্ধি পেয়েছে। বেকারত্বের হার প্রত্যাশার থেকে বেশি এসেছে। কানাডার মেনুফেকচারিং সেক্টর ধারাবাহিকভাবে তিনবার কমার পরে, এ সেশনে শতকরা ১.০ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইন দেওয়া হলো: ১.RBA Monetary Policy Meeting Minutes মঙ্গলবার দুপুর ০৩:৩০। রিজার্ভ ব্যাংক অফ অস্টেলিয়া মিটিং মিনিটসে তাদের পলিসি নির্ধারণ করেন। অর্থনীতি তেমন ভাল অবস্থানে না থাকা সত্ত্বেও ব্যাংক বেঞ্জমার্ক রেট শতকরা ১.৭৫ পার্সেন্ট নির্ধারণ করেছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা বেশ উদ্বিগ্ন অবস্থায় রয়েছেন,যার ফলে অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস কমতে পারে। ২.HPI মঙ্গলবার দুপুর ০৩:৩০। বর্তমানে হাউজিং মার্কেট তেমন ভাল অবস্থানে নেই। ইনডিকেটরে দেখানো হয়, পর পর তিনটি কোয়াটারে হাউজিং সেক্টরের রিপোর্ট ভাল আসেনি। ২০১৮ সালের চতুর্থ প্রান্তীকে হাউজিং সেক্টরে শতকরা ১.৯ পার্সেন্ট কমেছিল। বর্তমান অবস্থাও একই ধরনের। ৩.MI Lending Index মঙ্গলবার রাত ০৫:৩০। মেলবর্ন প্রাতিষ্ঠানিক ইকনোমি তেমন ভাল অবস্থানে নেই। তবে ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে বেশ ভাল অবস্থানে ছিল। তাহলে কি আমরা ফেব্রুয়ারী মাসের রিপোর্টে কোন ধরণের অগ্রগতি দেখতে পারবো? ৪.Employment: বৃহস্পতিবার দুপুর ০৩:৩০। চীনের ইকনোমিতে ধীরতা সত্ত্বেও অস্টেলিয়ান লেবার সেকশন কিছুটা ভাল অবস্থানে রয়েছে। ফেব্রুয়ারীতে ৩৯.১ হাজার জবের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। আর এটা তাদের অনুমান ১৫.২ হাজারের বেশি। বেকারত্বের হার শতকরা ৫.০ পার্সেন্ট। AUD/USD এর টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস: টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ০.৭৪ রাউন্ড নাম্বার থেকে শুরু করছি, এটা ডিসেম্বরের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। ০.৭৩৪০ প্রাইসকে অনুসরণ করা হয়েছিল, এটা নভেম্বরের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। সেপ্টম্বরের শেষের দিকে ০.৭৩১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরে ০.৭২৪০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেঞ্জ ছিল। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ০.৭১৬৫ নিন্ম প্রাইস ছিল। নভেম্বরের মাঝামাঝি ০.৭১৬৫ রিকভারি প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বরে ০.৭০৮৫ নিন্ম প্রাইস এবং ০.৭০ রাউন্ড নাম্বার ছিল। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ০.৬৯৭০ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। ২০১৬ এবং ২০১৭ সালে ০.৬৮২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। জানুয়ারিতে ০.৬৭৪৪ নিন্ম প্রাইস ছিল। ২০০০ সালের জানুয়ারিতে ০.৬৬৮৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেলও ০.৬৬৮৬। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি AUD/USD পেয়ারটির প্রাইস কমবে। অস্টেলিয়ান ইকনোমি দুর্বল অবস্থানে রয়েছে, অ্যানালাইসিস্টগন ধারণা করছে, রিজার্ভ ব্যাংক অফ অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট কমাতে পারে।
  6. গত সপ্তাহে পাউন্ড/ডলারের প্রাইস খুব ভালভাবেই বেড়েছিল। পেয়ারটির জন্য সপ্তাহটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলো হলো যুক্তরাজ্যের সিপিআই রিলিজ, রিটেইলস সেলস এবং পার্লামেন্টে আরেকটি ব্রেক্সিট ভোট সম্ভবনা। এছাড়াও রয়েছে যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের রেটের উপর ফোকাস। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে পার্লামেন্টে ভোট অনুষ্ঠিত হয়, যার ফলে পাউন্ডের জন্য এ সপ্তাহটি বেশ ভাল ছিল। আইনপ্রনেতারা উইথড্র বিলকে প্রত্যাহার করেন এবং ইরোপিয়ান ইউনিয়নের সাথে ব্রেক্সিট বিলম্ব করার পক্ষে ভোট দেন। পাউন্ডের প্রাইস খুব দ্রুত বেড়েছিল কারণ ব্রেক্সিট সিনারি বিলম্বিত হওয়ার কারণে মার্কেট বেশ শান্ত ছিল। পার্লামেন্ট কয়েকটি ভাগে বিভক্ত রয়েছে, যার ফলে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে একটি অস্বস্থিকর অবস্থার মধ্যে রয়েছে। ফলশ্রুতিতে একটি অস্পষ্টতা থেকে যাচ্ছে, পরবর্তীতে ব্রেক্সিট কোন দিকে যাবে। যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিট নাটকীয় অবস্থাকে অতিক্রম করেও বেশ কয়েকটি রিলিজে ভাল ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। জানুয়ারি মাসে জিডিপি রিবাউন্ড করেছ এবং জিডিপি শতকরা ০.৫ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। মেনুফেকচারিং প্রডাকশন ধারাবাহিকভাবে তিনটি পতনের পরে, জানুয়ারিতে শতকরা ০.৮ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। পাউন্ড/ডলারের প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লেভেল দেওয়া হলো: ১.Employment Report সোমবার দুপুর ০৩:৩০। অ্যানালাইসিস্টরা ধারণা করছেন, জবের হার প্রত্যাশা অনুযায়ী ঠিক থাকবে। গত দুই মাসে ওয়েজ ধীরগতিতে শতকরা ৩.৪ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আশা করা হচ্ছে, জানুয়ারীতে আরও ধীরগতি পরিলক্ষিত হতে পারে, এটা শতকরা ৩.২ পার্সেন্ট বৃদ্ধি হতে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, বেকারত্বের হার ১৩.১ হাজার থাকতে পারে। এটা তুলনামূলকভাবে গত রিলিজ ১৪.২ হাজারের কম। ২.Inflation বুধবার দুপুর ০৩:৩০। এ মাসে মুদ্রাস্ফীতি নমনীয় অবস্থায় রয়েছে। কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, জানুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতি শতকরা ১.৮% কমেছে। ফেব্রুয়ারীতেও একই অবস্থা আশা করা হচ্ছে। গত রিলিজে কোর সিপিআই ১.৯% ছিল এবং ফেব্রুয়ারীতেও একই ধরণের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। রিটেইলস প্রাইস ইনডেক্স জানুয়ারিতে শতকরা ২.৫% কমেছে এবং প্রত্যাশা করা হচ্ছে ফেব্রুয়ারীতেও কোন পরিবর্তন হবে না। ৩.CBI Industrial Order Expectations বুধবার বিকাল ০৫:০০। জানুয়ারিতে সিবিআই ইন্ডাস্ট্রীয়াল অর্ডার কিছুটা কমার পরে, ফেব্রুয়ারীতে বেশ ভাল একটি রিবাউন্ড হয়েছে, এর পরিমান ৬ পয়েন্ট। অনুমান করা হচ্ছে, মার্চে ৫ পয়েন্ট আসতে পারে। ৪.Retails Sales বৃহস্পতিবার বিকাল ০৩:৩০। প্রত্যাশা অনুযায়ী জানুয়ারিতে রিটেইলস সেলস শতকরা ১.০% বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ফেব্রুয়ারীতে শতকরা ০.৪ পার্সেন্ট কমেছে। ৫.Public Dector Net Borrowing বৃহস্পতিবার দুপুর ০৩:৩০। জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যের জিডিপি ১৫.৮ বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্চে মাত্র ০.৩ বিলিয়ন জিডিপি বৃদ্ধি পেতে পারে। ৬.BOE Decision বৃহস্পতিবার বিকাল ০৪:০০। ইংল্যান্ড ব্যাংক জানুয়ারিতে বেঞ্জমার্ক রেট শতকরা ০.৭৫ পার্সেন্ট করেছে এবং QE প্রোগ্রাম বাজায় রাখার জন্য ৪৩৫ পাউন্ড নির্ধারণ করেছেন। মনেটারী পলিসি কমিটি (MPC) এর সমাধান করার জন্য পূর্বে ভোট দিয়েছিলেন এবং এ ভোট গ্রহণের পদ্ধতি পুনরায় আবারও হতে পারে। যদি মনেটারী পলিসি মিটংয়ে Dovish সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে এটা পাউন্ডের জন্য বেশ খারাপ হতে পারে। পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি গত সপ্তাহে বেশ ভাল প্রাইসে ছিল, তাই আমরা উপর লেভেল থেকে শুরু করছি। এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত ১.৩৭১০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল। ২০১৭ সালের শেষের দিকে ১.৩৬১৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস এবং ১.৩৫ রাউন্ড নাম্বার ছিল। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ড নাম্বার ছিল ১.৩৪। জুনের শেষের দিকে ১.৩৩১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। জুলাইয়ের শেষের দিকে ১.৩৩৭৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল এবং ১.৩৩০০ রাউন্ড নাম্বারকে অনসরণ করা হয়েছিল।( গত সপ্তাহে উল্লেখিত) এটা এ সপ্তাহের দুর্বল রেজিস্ট্যান্স লাইন। জানুয়ারিতে পাউন্ডের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.৩২১৭। নভেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩১৭০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল এবং নভেম্বরের মাঝামাঝি ১.৩০৭০ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ১.৩০০০ প্রাইস পেয়ারটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝিতে ১.২৯১০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল। উপসংহার আমরা ধারণা করছি, পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকবে। পাউন্ডের প্রাইস গত সপ্তাহে বেশ ভাল ছিল, তবে পরবর্তীতেও কি বৃদ্ধির গতি অব্যাহত থাকবে? বিনিয়োগকারীরা ব্রেক্সিটের দিকে বেশ ভালভাবে নজর রাখছেন, তবে লন্ডন এবং ব্রুসেলস উভয় একটি নিরপেক্ষ ব্রেক্সিট চাচ্ছে। আশা করা হচ্ছে উভয় কারেন্সি মার্কেটে একই ধরণের ধরণের প্রভাব বিস্তার করবে। ব্রেক্সিটের অনিশ্চয়তার কারণে ব্রিটিশ ইকনোমি বেশ নীরব ভূমিকা পালন করছে।
  7. ব্রেক্সিট নতুন নাটকীয় মাত্রায় পৌঁছেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।এ সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হলো ফেড ডিসিশন, এছাড়াও অন্যান্য ইভেন্টগুলোও রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। ১.UK Jobs Report মঙ্গলবার দুপুর ০৩:৩০। যুক্তরাজ্যে বেকারত্বের হার ক্রমাগত কমছে এবং তার সাথে ওয়েজ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডিসেম্বরের পূর্বে বেশ ভাল একটি অর্জন হয়েছিল, এটা শতকরা ৩.৪ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে সেলারির দিকে সকলের ফোকাস থাকবে। বেকারত্বের হার শতকরা ৪ পার্সেন্ট এসেছে। ক্লাইমেন্ট কাউন্ট চেঞ্জের জানুয়ারি মাসের রিপোর্টে দেখানো হয়, উদ্বেগজনকভাবে ১৪.২ হাজার বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি পরিসংখ্যান বলা হয়, ফেব্রুয়ারী মাসেও এ অবস্থা থাকতে পারে, তবে আশা করা হচ্ছে ওয়েজ ডাটা বৃদ্ধি পাবে। ২.US Housing Data মঙ্গলবার বিকাল ০৪:৩০। সরকারের শার্টডাউনের কারণে হাউজিং ডাটা বেশ কয়েকটা রিলিজে নাজেহাল অবস্থার মধ্যে রয়েছে। জানুয়ারি মাসের পরিসংখ্যানে অল্প কিছু বৃদ্ধি দেখানো হয়েছে, এখানে বাৎসরিক ১.৩৫ মিলিয়ন বিল্ডিং নিমার্ণের পারমিশন দেওয়া হয়। যদিও হাউজিং সেক্টর শুরুর দিকে বেশ ভাল অবস্থানে ছিল,পরবর্তীতে কিছুটা নমনীয় অবস্থা পরিলক্ষিত হয়। তবে যাই হোক না কেন বর্তমানে হাউজিং সেক্টর স্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে রয়েছে। ৩.UK Inflation বুধবার দুপুর ০৩:৩০। জানুয়ারিতে কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (CPI) এর রিপোর্টে শীথিলতা পরিলক্ষিত হয়, এতে বাৎসরিক ১.৮% গতিতে বৃদ্ধি হয়েছিল। যেখানে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের নির্ধারিত টার্গেট ছিল শতকরা ২ পার্সেন্ট। কোর সিপিআই এসেছে ১.৯% এবং রিটেইলস প্রাইস ইনডেক্স(RPI) শতকরা ২.৫ পার্সেন্ট বৃদ্ধি হয়েছে।এখন আমরা ফেব্রুয়ারী মাসের পরিসংখ্যানের অপেক্ষা করবো। ৪.Fed Decision বুধবার, ডিসিশন নেওয়া হয় রাত ১১ এবং সংবাদ সম্মেলন করা হয় রাত ১১:৩০।ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক জানুয়ারির Dovish অবস্থান পরিবর্তন করেছেন এবং ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানোর ক্ষেত্রে ধৈর্যশীল হওয়ার কথা বলেছেন। ফেড প্রত্যাশা করছে বর্তমানে ইন্টারেস্ট অপরীবর্তনীয় থাকবে। তবে, এ বছরের পরবর্তীতে রেট বাড়ানো হবে কিনা তা আমরা এখনো জানি না। তবে, এখন যে কোন ধরণের পরিবর্তন ডলারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৫.New Zealand GDP বৃহস্পতিবার রাত ০১:৪৫। নিউজিল্যান্ড ইকনোমি ২০১৮ সালের তৃতীয় প্রান্তীকে মাত্র ০.৩% বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে দ্বিতীয় প্রান্তীকে ১% বৃদ্ধি পেয়েছে। আশা করা হচ্ছে ২০১৮ সালের চতুর্থ প্রান্তীকে তেমন ভাল জিডিপি বৃদ্ধি হবে না, যেহেতু অন্যান্য দেশগুলোর প্রবৃদ্ধিও ভাল অবস্থানে নেই। ৬.Australian Jobs Report বৃহস্পতিবার রাত ১২:০০। অস্টেলিয়ান লেবার মার্কেট রিপোর্ট বেশ ভাল অবস্থা প্রকাশ করেছে। জানুয়ারিতে ৩৯.১ হাজার জব বৃদ্ধি পেয়েছে, এটা পূর্বের রিপোর্টের তুলনায় বেশ ভাল। বেকারত্বের হার নিন্ম লেভেলে রয়েছে, এর পরিমান শতকরা ৫ পার্সেন্ট। ৭.Swiss rate decision বৃহস্পতিবার রাত ১২:৩০। সুইজারল্যান্ডের জাতীয় ব্যাংক প্রতি কোয়াটারে রেট ডিসিশন নেয়, এবারে ব্যাংকটি ইন্টারেস্ট রেট ০.৭৫% কমিয়েছে। এটা ২০১৫ সালের ইউরো/সুইস ফ্রাঙ্কের অবস্থানকে নির্দেশ করছে। আশা করা হচ্ছে, গর্ভনর থমাস জরডান এবং তার কলীগরা বর্তমানে কোন ধরণের পলিসি চেঞ্জ করবেন না। ৮.UK Rate Decision বৃহস্পতিবার বিকাল ০৪:০০। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড ব্রেক্সিটের স্বচ্ছ অবস্থার জন্য অপেক্ষা করছে। যুক্তরাজ্যের ইকনোমি বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে এবং গর্ভনর মার্ক কার্নি বলেছেন, ইন্টারেস্ট রেট বাড়াবেন এবং তাদের মুদ্রাস্ফীতিও সীমিত রয়েছে। তবে যদি ব্রেক্সিটকে কেন্দ্র করে অনিশ্চয়তা বাড়ে, তাহলে এ পলিসি পরিবর্তন হতে পারে। তবে ব্রেক্সিটের এই খারাপ অবস্থা ইকনোমিকে নমনীয় করে তুলতে পারে। ৯.Canadian Inflation and Retails Sales শুক্রবার বিকাল ০৪:৩০। কানাডা মুদ্রাস্ফীতি এবং রিটেইলস সেলস উভয় পরিসংখ্যান এক সাথে প্রকাশ করেছে। ব্যাংক অফ কানাডা ধারণা করেছিল, জানুয়ারিতে সিপিআই(CPI) শতকরা ০.১ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পাবে এবং তেলের প্রাইস কিছুটা কমবে। তবে, কোর সিপিআই ০.১% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অন্যান্য কোর যেমন কমন কোর সিপিআই (১.৯%), মিডিয়া সিপিআই ( ১.৮%) এবং মিডিয়া সিপিআই (১.৯%) তে ক্লোজ হয়, টার্গেট করা হয়েছিল শতকরা ২ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পাবে। রিটেইলস সেলস জানুয়ারিতে হতাশাজনক হয়েছে , এটা ডিসেম্বরে ০.১% এবং কোর সিপিআই ০.৫% কমেছে। ১০.US Existing Home Sales শুক্রবার সন্ধ্যা ০৭:০০। হাউজিং সেলস কিছুটা রিবাউন্ড করেছে, সেকেন্ড হ্যান্ড বাড়ি বাৎসরিক ৪.৯৪ বিলিয়ন কমেছে।
  8. হাউস অব কমনন্সের স্পিকার জন বেরকো আর্টিকেল ৫০ এর বর্ধিতকরণের জন্য প্রাথমিকভাবে ভোটের জন্য চারটি সংশোধনী নির্বাচন করেছেন। পাউন্ড/ডলার ১.৩২০৭ প্রাইস থেকে ১.৩২৬০ প্রাইসের দিকে যাচ্ছে। ভোলাটিলিটি এখনও ভাল অবস্থানে রয়েছে। পেয়ারটি ১.৩৩৩৫ ক্যাবলের দিকে যেতে পারে। ভোটের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে রাত ১২:০০। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে মন্ত্রীদের নিয়ে সন্ধ্যা ০৭:৩০ মিটিং করবেন।
  9. EURUSD সিগন্যাল ৬০মিনিট (১ঘন্টার)চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) মার্কেট ১.১৩০০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.১৩৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ভেঙ্গে উপরে উঠলে ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.১২৭৬। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কে ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১৩০০, ১.১২৭৬, ১.১২৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১৩৪০, ১.১৩৫৭, ১.১৩৮৭ ট্রেডের সিগন্যাল : বাই টেক প্রফিট : ১.১৩৫৭, ১.১৩৮৭ ২৪০ মিনিট(৪ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩সপ্তাহ) মার্কেট ১.১৩৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি।পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১৪১৮। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কে ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১২১০, ১.১১৭০, ১.১১০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৩৫০, ১.১৪১৮, ১.১৫৪০ ট্রেডের সিগন্যাল : সেল GBPUSD সিগন্যাল ৬০মিনিট(১ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা ৫০% পজিশন ক্লোজ করবো এবং ১.৩১৫০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.৩১৫০, ১.৩০০০, ১.২৮৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩৪৬০, ১.৩৭৩০,১.৩৪০০ ট্রেডের সিগন্যাল : বাই বাই এন্ট্রি : ১.৩১৫০ স্টপ লস : ১.৩১৫০ ট্রেডের ধরণ : মাঝারি টেক প্রফিট : ১.৩২৬০, ১.৩৪৬০ ২৪০মিনিট (৪ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) মার্কেট একটি রেঞ্জে রয়েছে। আমরা পরবর্তী ডিরেকশনের জন্য অপেক্ষা করছি। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৯৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩৩৮৩ ট্রেডের সিগন্যাল : অপেক্ষমান।
  10. পেয়ারটির প্রাইস ১.১৩৪০ কাছাকাছি থেকে কমতে শুরু করেছে, যার ফলে পেয়ারটির সেল বেড়ে গিয়েছে। বর্তমানে নিন্মমূখী প্রাইস থেকে ডলার রিবাউন্ডের দিকে যাচ্ছে। ব্রেক্সিট ভোটের পরে আজকের দিনে গুরুত্ব পাচ্ছে ফ্রান্স এবং জার্মানের ফাইনাল সিপিআই। ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১৩৪০ প্রাইসের কাছাকাছি সেল প্রেসারে রয়েছে এবং আজ ইউরোপিয়ান সেশন শুরুর পূর্বে পেয়ারটি ১.১৩১০ প্রাইস পর্যন্ত নামতে পারে। ইউরো/ডলারের দৃষ্টিভঙ্গি এবং ব্রেক্সিট গত সপ্তাহে ১.১১৮০ লেভেল থেকে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে থাকে এবং গতকাল পেয়ারটি এ সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১৩৪০ থেকে পুনরায় কমতে শুরু করেছে। ব্রেক্সিটের অগ্রগতি হওয়ায় ব্রিটিশ পাউন্ডের প্রাইস পজিটিভ মোমেন্টামে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে,ফেব্রুয়ারী মাসের ফ্রান্স এবং জার্মান ফাইনাল সিপিআই(CPI) রিপোর্ট নিউ হোম সেলসের পূর্বে প্রকাশ করা হবে। এ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে পেয়ারটির পরবর্তী প্রাইস আরও কমতে বা বাড়তে পারে। আরটিকেল ৫০কে সম্প্রসারিত করে, আজ সন্ধ্যায় হাউজ অফ কমনে আরেকটি ব্রেক্সিট ভোটের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আর এটা পেয়ারটির জন্য মাসের বাকি দিনগুলোর আলোচনার বিষয় হতে পারে।
  11. EURUSD সিগন্যাল ৬০মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা ৫০% তে পজিশন ক্লোজ করবো না এবং টেক প্রফিট লেভেল ১.১২৪৫ তে স্টপ লস নেব। মার্কেটের কন্ডিশন অনুযায়ী বোজা যাচ্ছে মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কে ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১২৫০, ১.১২২০, ১.১১৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১৩০৫, ১.১৩২৫, ১.১৩৫৫ ট্রেডের সিগন্যাল : বাই বাই এন্ট্রি : ১.১২৪৫ স্টপ লস : ১.১২৪৫ ট্রেডের সম্ভাবনা : মিডিয়াম টেক প্রফিট : ১.১২৫৯, ১.১৩০৫ ২৪০ মিনিট(৪ঘন্টার)চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩সপ্তাহ) মার্কেট ১.১৩০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি।পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১৩৭০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৭০, ১.১০২০, ১.০৭৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৩০০, ১.১৩৭০, ১.১৪৭০ ট্রেডের সিগন্যাল : সেল GBPUSD সিগন্যাল ৬০মিনিট(১ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) মার্কেটে ১.৩০০০ তে একটি সাপোর্ট লেভেল রয়েছে। ১.৩১৫০ তে একটি বাই সিগন্যাল দেয়া হয়েছে। ১.৩০০০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে ওপরে উঠলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.৩০০০, ১.২৯২০, ১.২৭৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩২৬০, ১.৩৪৬০, ১.৩৭৩০ ট্রেডের সিগন্যাল : বাই বাই এন্ট্রি : ১.৩১৫০, ১.৩০০০ ট্রেডের ধরণ : মাঝারি টেক প্রফিট : ১.৩২৬০, ১.৩৪৬০ ২৪০মিনিট (৪ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) মার্কেট একটি রেঞ্জে রয়েছে। আমরা পরবর্তী ডিরেকশনের জন্য অপেক্ষা করছি ট্রেন্ডের ধরণ : অপেক্ষমান। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৯৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩৩৫০ ট্রেডের সিগন্যাল : অপেক্ষমান।
  12. ইউরো/ডলার পেয়ারটি গতকাল ১.১৩০০ প্রাইসে টেস্ট করেছিল, যদিও এর পরে আবার কমতে শুরু করেছে। ২১ দিনের এসএমএ ১.১৩১১১ এর আগে ১০ দিনের এসএমএ ১.১২৯২ পেয়ারটির প্রাইস বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করেছে। ৫ মাসের রেজিস্ট্যান্স লাইনের নিচে পিপলাইন রয়েছে এবং ১.১৪৩৩ তে প্রাইস পুনরূদ্বার হতে পারে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের চার্ট
  13. একটি হিসাব অনুযায়ী, পাউন্ডের ঝুঁকি রিভার্সেল করেছে এবং ব্রিটিশ কারেন্সি অর্থাৎ পাউন্ড ডিসেম্বর থেকে সর্বনিন্ম প্রাইসে পৌঁছেছে। বিনিয়োগকারীরা ব্রেক্সিট অনিশ্চয়তার কারণে পাউন্ড/ডলারের সেল বন্ধ রেখেছে। পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি বর্তমানে ১.৭ প্রাইসের কাছাকাছি ট্রেডিং করছে এবং এ রকমের প্রাইস সর্বশেষ ডিসেম্বরের মাঝামাঝি দেখা গিয়েছিল।
  14. আজকের সেশনে ইউরো/ডলারের প্রাইস বেড়েছে। বর্তমানে পেয়ারটি ১.১২৭৭ প্রাইসের কাছাকাছি ট্রেডিং করছে। আজকে জার্মানী বা ইউরোজনের তেমন কোন ইভেন্ট নেই। যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি(Inlfation)রিপোর্ট প্রত্যাশার তুলনায় বেশ নমনীয়,সিপিআই(CPI)ও কোর সিপিআই(Core CPI)প্রজেক্ট থেকে শতকরা ০.২ । বুধবার ইউরোজোন ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডিউরেবল পণ্যের অর্ডারের রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে। গত সপ্তাহে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের(ECB) Dovish রেট স্টেটমেন্টের কারণে ইউরোর প্রাইস কমেছিল,তবে খুব তাড়াতাড়ি ইউরোর প্রাইস পুনরায় রিকভার করেছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নন ফার্ম পে-রোলসের রিপোর্ট খারাপ হওয়ার কারণে বিনিয়োগকারীদের মনোভাব ডলারের দিক থেকে সরে গিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইকনোমিতে ফেব্রুয়ারী মাসে মাত্র ২০ হাজার জবের সৃষ্টি হয়। যেখানে অনুমান করা হয়েছিল ১লক্ষ ৮০হাজার জব হবে। এমনকি যদি কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি(Consumer Inflation) রিপোর্ট হতাশাজনক হয়,তাহলে ইউরোর প্রাইস বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি(Inflation) ফেডারেল রিজার্ভের নির্ধারিত টার্গেটের শতকরা দুই শতাংশের নিচে রয়েছে, যার কারণে ফেড Dovish অবস্থানে রয়েছে এবং ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তীত রেখেছে। জার্মান মেনুফেকচারিং সেক্টর ক্রমাগত হতাশাজনক রিপোর্ট প্রকাশ করছে। জানুয়ারিতে ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন শতকরা ০.৮ নেমে এসেছে। এটা প্রত্যাশার তুলনায় কম। ইনডিকেটরে দেখানো হয়, ২০১৮ সালের দ্বিতীয়ার্ধে দুইবার প্রডাকশন বেড়েছিল এবং ২০১৯ সালের শুরুর দিকে প্রডাকশন নিন্মগামী। গত সপ্তাহে ফ্যাক্টরি অর্ডার শতকরা ২.৬ কমেছে, এটা তৃতীয়বারের মতো কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য যুদ্ধ বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির উপর প্রভাব ফেলেছে, যার ফলে জার্মানী পণ্যের রপ্তানী চাহিদা কমেছে এবং মেনুফেকচারিং সেক্টরের উপর প্রভাব পড়েছে। ইউরোজোনের মেনুফেকচারিং সেক্টরও ভাল অবস্থানে নেই এবং এর নেগেটিভ ট্রেন্ড ক্রমাগত অব্যাহত থাকতে পারে, যদি না চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বানিজ্য আলোচনার উন্নতি না হয়।
  15. পেয়ারটি এ সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইস ১.১২৬০/৭০ ব্যান্ডের কাছাকাছি অবস্থান করছে। কোন ধরণের ডিরেকশন ছাড়াই ডলার ৯৭ হ্যান্ডেলের কাছাকাছি ট্রেড করছে। ব্রেক্সিট ভোটের পরে আজকের দিনে গুরুত্ব পাচ্ছে ইউএস সিপিআই ডাটা রিলিজ। এ সপ্তাহের প্রথমার্ধে ইউরো বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে এবং ইউরো/ডলার পেয়ারটি এখন ১.১২৬০/৭০ প্রাইসের দিকে রিবাউন্ড করেছে। ইউরো/ডলার পেয়ারটি ব্রেক্সিট ভোটের প্রতিক্ষায় গত সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে ইউরো/ডলার ১.১১৮০ প্রাইসে অবস্থান করেছিল, তারপর পেয়ারটি এই সংকটময় অবস্থাকে পাশ কাটিয়ে ১.১২০০ প্রাইসে আসে, যার ফলে পুনরায় ডলারের সেল বৃদ্ধি পায়। তবে পেয়ারটি তার প্রাইস বৃদ্ধির দ্বারা অব্যাহত রাখতে পারবেন কি না , তা দেখার বিষয় কারণ পরবর্তী সপ্তাহে ব্রেক্সিট চুক্তির সময় বৃদ্ধি পেতে পারে, যার ফলে ইউরোর ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। হাউস অফ কমন প্রধানমন্ত্রী মের ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন পদত্যাগের প্রস্তাবের উপর আগামীকাল ভোট দিবেন। এ ঘটনাগুলো ছাড়াও বিনিয়োগকারীরা ফেব্রুয়ারী মাসের ইউএসের মদ্রস্ফীতি (Inflation) এবং সিপিআই(CPI) পরিসংখ্যানের উপর নজর রাখবেন।
  16. EURUSD সিগন্যাল ৬০মিনিট (১ঘন্টার )চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা ৫০% তে পজিশন ক্লোজ করবো এবং টেক প্রফিট লেভেল ১.১২৪৫ তে স্টপ লস নেব। মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কে ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.১২৪৫, ১.১২২০, ১.১১৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১২৮০, ১.১৩০০, ১.১৩৩০ ট্রেডের সিগন্যাল : বাই সেল এন্ট্রি : ১.১২৪৫ স্টপ লস : ১.১২৪৫ ট্রেডের সম্ভাবনা : মিডিয়াম টেক প্রফিট : ১.১২৫৯, ১.১৩৮০ ২৪০ মিনিট (৪ঘন্টার)চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩সপ্তাহ) পেয়ারটি ১.১৩০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে । সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ :মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৭০, ১.১০২০, ১.০৭৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৩০০, ১.১৩৭০, ১.১৪৭০ ট্রেডের সিগন্যাল : সেল GBPUSD সিগন্যাল ৬০মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) পেয়ারটি ১.৩১৫০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে । সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.৩১৫০, ১.৩০৮০, ১.২৯৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩৩০০, ১.৩৩৫০, ১.৩৪৩০ ট্রেডের সিগন্যাল : বাই ২৪০মিনিট (৪ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) মার্কেট ১.৩৩০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.৩৩৯০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.৩০৩০, ১.২৯৫০, ১.২৮৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩৩০০, ১.৩৩৯০, ১.৩৫৩০ ট্রেডের সিগন্যাল : সেল
  17. গত সপ্তাহে ইউএসডি/ইয়েন পেয়ারটির প্রাইস রিভার্স করেছে, জানুয়ারি মাসের পর প্রথমবারের মত পেয়ারটির প্রাইস বেড়েছে। মূল ইভেন্ট হলো ব্যাংক অফ জাপান (BoJ) এবং বিনিয়োগকারীরা মোনিটারি পলিসি পরিবর্তনের দিকে নজর রাখবেন। ইউএসের মূল ইভেন্টগুলো রিটেইলস সেলস এবং কনসিউমার ইনফ্লেশন রিপোর্ট। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ডলার/ ইয়েনের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস দেওয়া হলো। জাপানি জিডিপি চতুর্থ কোয়াটারে রিবাউন্ড করেছে এবং জিডিপি ০.৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, তৃতীয় কোয়াটারে ০.৬% জিডিপি কমেছিল। ফেব্রুয়ারী মাসে ইউএসের নন ফার্ম পে রোলস রিপোর্টে প্রকাশ করেন, ১৮০ হাজার জবের পরিবর্তে মাত্র ২০ হাজার নতুন জব ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। আর এ খারাপ অবস্থা প্রকাশের পরে, শুক্রবার ইয়েনের প্রাইস বেড়েছিল। ডলার/ইয়েনের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস ২০১৭ সালের প্রথমার্ধে ১১৫.৫৫ সর্বচ্চ পয়েন্ট ছিল এবং অক্টোবরের শুরুর দিকে ১১৪.৬০ আপসাইড টার্গেট নির্ধারণ করা হয়। নভেম্বরে ১১৪.২৫ সর্বচ্চ প্রাইস ছিল এবং ১১৪ একটি রাউন্ড নাম্বার ছিল। নভেম্বরে ১১৩.৮০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল। জুলাই মাসের পূর্বে ১১৩.১৫ সর্বচ্চ প্রাইস ছিল। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে ১১২.২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করে ছিল এবং ১১২ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল ছিল। অক্টোবরে ১১২.৭৩ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে ১১২.২৫ আরেকটি সাপোর্ট লেভেল ছিল এবং ১১২ গুরত্বপূর্ণ একটি প্রাইস ছিল। ১১১.১৫ সপ্তাহব্যাপী একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছে, তবে পেয়ারটি শুক্রবারে ব্রেক হয়। জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে ১০৯.৩৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল ছিল। গ্রীষ্মকালের শুরুর দিকে ১০৮.৭০ গুরুত্বপূর্ণ লেভেল ছিল এবং মে মাসের ১০৮.১০ লো পয়েন্ট ছিল। ডলার /ইয়েনের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইন দেওয়া হলো: সমাপনী মন্তব্য আমরা ধারণা করছি ডলার/ইয়েন পেয়ারটির প্রাইস কমবে। ইউএস এবং চীনের ঝুঁকিপূর্ণ সেন্টিমেন্ট বৃদ্ধির কারণে, বিনিয়োগকারীরা ইয়েনকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে পছন্দ করতে পারে। ব্যাংক অফ জাপান ইন্টারেস্ট রেট পরিবর্তন করতে পারে । আর এটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়াও, চীনের চলমান অর্থনৈতিক ধীরতা জাপানি অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে, কারণ চীন এবং জাপান পরস্পর ট্রেডিং পার্টনার।
  18. EURUSD সিগন্যাল ৬০মিনিট ( ১ঘন্টার )চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) মার্কেটে ১.১২৪৫ তে একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল রয়েছে। ১.১২২২ তে একটি সেল সিগন্যাল দেয়া হয়েছে। ১.১২৪৫ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে ওপরে উঠলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে।সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন্স নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ :মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২২২২, ১.১১৪০, ১.১০৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.১২৪৫, ১.১২৫৯, ১.১৩০২ ট্রেডের সিগন্যাল : সেল সেল এন্ট্রি : ১.২২২২ স্টপ লস : ১.১২৪৫ ট্রেডের সম্ভাবনা : মিডিয়াম টেক প্রফিট : ১.১১৪০, ১.১০৯০ ২৪০ মিনিট (৪ঘন্টার)চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩সপ্তাহ) পেয়ারটি ১.১২৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে । তবে ১.১১৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছাড়িয়ে গেলে দাম আরও বাড়বে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন্স নেওয়া যেতে পারে । ট্রেন্ডের ধরণ :মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৭০, ১.১১৩০, ১.১০৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৭০, ১.১৩৩০, ১.১৪২০ ট্রেডের সিগন্যাল : সেল টেক প্রফিট : ১.১১৩০, ১.১০৭০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগন্যাল (পরবর্তী ৩দিন) পেয়ারটি ১.৩০৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে । তবে ১.২৯৫৮ সোপোর্ট লেভেল ছাড়িয়ে গেলে দাম আরও কমতে পারে। সেক্ষেত্রে সেল পজিশন্স নেওয়া যেতে পারে । ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৯৫৮, ১.২৯৩৪, ১.২৮৯৪ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩০৫০, ১.৩১০০, ১.৩১৯০ ট্রেডের সিগন্যাল : সেল টেক প্রফিট : ১.২৯৩৪, ১.২৮৯৪ ২৪০মিনিট (৪ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩দিন ) পেয়ারটি ১.৩০৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূূখী প্রাইস ‍রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে । সেক্ষেত্রে সেল পজিশন্স নেওয়া যেতে পারে । ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৯০০, ১.২৮৪০, ১.২০০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩০৫০, ১.৩১৩০, ১.৩৩০০ ট্রেডের সিগন্যাল : বাই
  19. গত সপ্তাহে ইউরো/ডলারের প্রাইস কমা অব্যাহত ছিল। বিনিয়োগকারীরা জার্মানী এবং ইউরোজনের মেনুফেকচারিং ও মুদ্রাস্ফীতি ডাটার উপর বেশ ভালভাবে নজর রাখবেন। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেগেটিভ বার্তা বিনিয়োগকারীদের মনপূত হয়নি, সেহেতু এর ফলে ইউরোর প্রাইস অনেক কমেছে। ইসিবি আরও বলেন, ২০২০ সালের আগে ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানো হবে না । তবে এ মিটিংয়ের আগে ইসিবি বলে ছিল, ২০১৯ সালের শেষের দিকে ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানো হতে পারে। ইসিবি ইউরোজনের অর্থনৈতিক স্থবিরতার কথা স্বীকার করেছে,যার ফলে ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইউরোজনের ব্যাংকগুলোকে দীর্ঘ মেয়াদী লোন দেওয়ার ঘোষনা দিয়েছেন। তবে এর আগের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল ২০১৯ সালের জিডিপি ১.৭% থেকে কমে ১.১% তে আসতে পারে। ব্যাংক গুলোকে দীর্ঘ মেয়াদী লোন দেওয়ার কারণে, অর্থনৈতিক স্থবির অবস্থার কিছুটা লাঘব হবে। মারিও দ্রাঘি ব্যাংকের নেগেটিভ অবস্থানের উপর সংবাদ সম্মেলন করেন, এতে তিনি বলেন ডাউনসাইড ঝুঁকি ডাউনসাইড পয়েন্টের নির্দেশ করেছে, ‍যদিও একটি মন্দাভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। শুক্রবারে ইউএসের জব রিপোর্ট মিশ্র অবস্থানে ছিল। নন ফার্ম পে রোলস রিপোর্টে বেশ খারাপ অবস্থা প্রকাশ করেছে, এতে জব ২০ হাজারে নিমজ্জিত হয়। তবে পূর্বাভাসে আশা করা হয়েছিল, জব ১৮০ হাজার হবে। তবে ওয়েজ(Wage) প্রবৃদ্ধি বেশ ভাল অবস্থানে ছিল, এর পরিমাণ ০.৪% ছিল। এটা তাদের অনুমান ০.৩% এর উপরে ছিল। যার ফলে ইউরোর প্রাইস সপ্তাহের শেষের দিকে কিছুটা বেড়েছিল। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইন দেওয়া হলো: ১.German Industrial Production সোমবার দুপুর ০১:০০। জার্মান মেনুফেকচারিং সেক্টর বেশ নাজেহাল অবস্থার মধ্যে রয়েছে। জার্মান ইন্ডাস্ট্রীয়াল মেনুফেকচারিং প্রডাকশন টানা তিন বারের মত খারাপ অবস্থানে রয়েছে। তাবে জানুয়ারিতে একটি রিবাইন্ড আশা করা হচ্ছে, এর পরিমাণ ০.৫% হতে পারে। ২.French Final Private payrolls সোমবার দুপুর ০৩:৩০। গত দুই কোয়াটারে সফল হওয়ার পরে, এবারে প্রাইভেট পে রলস আগের থেকে কিছুটা কমে ০.১% তে এসেছে। তবে অনুমান করা হয়েছিল ০.২% হবে। তবে চতুর্থ প্রান্তীকে আরও একটি ভাল অবস্থান আশা করা হচ্ছে, এর পরিমাণ ০.১% হতে পারে। ৩.Eurozone Industrial Production বুধবার বিকাল ০৪:০০। ইউরোজন ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন বেশ দুর্বল অবস্থানে রয়েছে, এটা চার মাসে তিন বারের মত কমেছে। তবে জানুয়ারিতে মার্কেট কিছুটা শক্তিশালী হতে পারে। এর পরিমাণ ১.০% হতে পারে। ৪.German CPI বৃহস্পতিবার দুপুর ০১:০০। পূর্বাভাস অনুযায়ী জানুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতি ০.৮% তে কমেছে। এটা ২০১৭ সালের পর থেকে প্রথম বারের মত এত হ্রাস হয়েছে। তবে ইনডিকেটর অনুযায়ী ফেব্রুয়ারীতে রিবাউন্ড আশা করা হচ্ছে , এর পরিমাণ ০.৫% হতে পারে। ৫.French CPI বৃহস্পতিবার দুপুর ০১:৪৫। ফ্রান্স কনসিউমার মুদ্রাস্ফীতি বেশ দুর্বল অবস্থানে রয়েছে, সেপ্টেম্বরের পরে মাত্র একবার মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছিল। জানুয়ারিতে সিপিআই ০.৪% এসেছে এবং ফেব্রুয়ারিতেও ভাল আশা করা হচ্ছে না। ৬.Eurozone CPI Data শুক্রবার দুপুর ০৩:০০। ইউরোজন সিপিআই ফেব্রুয়ারী মাসের রিলিজে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। আশা করা হচ্ছে সিপিআই ১.৪% থেকে ১.৫% বৃদ্ধি পাবে। কোর সিপিআই নিন্মমূখীভাবে ১.১% থেকে ১.০% হতে পারে। যেহেতু ইউরোজনে অর্থনীতিতে ধীরতা বিরাজ করছে,তাই ইসিবির টার্গেট ২.০% এর নিচে হতে পারে। EUR/USD এর টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো অক্টোবরের শুরুর দিকে ১.১৬২০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল ১.১৫৭০। জানুয়ারির শেষের দিক ১.১৫১৫ সর্বচ্চ প্রাইস ছিল। ফেব্রুয়ারীর শুরুর দিকে ১.১৪৩৫ লো প্রাইস ছিল। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৩৯০ প্রাইসটি বেশ কিছুদিন ধরে স্থায়ী ছিল। জানুয়ারির মাঝামঝি ১.১৩৪৫ লো প্রাইস ছিল। ১.১২৯০ বেশ কিছু সময় লো পয়েন্ট ছিল। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ১.১২৭০ ডাবল বটোম ছিল। ২০১৭ সালের মে মাসে ১.১০২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল । বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.০৮৭০। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমবে। ইউরোজনের ইকনোমিতে স্থবিরতা বিরাজ করছে, এমনকি ইউরোজনের অর্থনৈতিক যন্ত্র হিসেবে পরিচিত জার্মানের ইকনোমিও বেশ দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। ইসিবিও খুব তাড়াতাড়ি ইন্টারেস্ট রেট বাড়াবে না বলে মনে হচ্ছে, তাই ইউরো বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ আকর্ষন করতে পারছে না, এমনটি ফেডের নেগেটিভ বার্তা মার্কেটের উপর প্রভাব ফেলেছে।
  20. গত সপ্তাহে পাউন্ড/ডলারের প্রাইস পুনরায় ১.৪% তে কমেছিল। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলো হলো: জিডিপি এবং মেনুফেকচারিং প্রডাকশন। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। পিএমআই হলো ব্রিটিশ ইকনোমি শক্তি পরিমাপের মূল মিটার। গত সপ্তাহের পিএমআই রিলিজ বেশ দুর্বল ছিল, বিশেষ করে কনস্ট্রাকশন এবং সার্ভিস সেক্টরের পয়েন্ট বেশ দুর্বল ছিল। কনস্ট্রাকশন পিএমআই ৪৯.৫ পয়েন্ট এসেছে,যা ৫০ লেভেলের নিচে ছিল। প্রথমবারের মত ফেব্রুয়ারী মাসের পয়েন্ট ২০১৮ সালের মার্চ মাসের দিকে নির্দেশ করছে। পিএমআই নমনীয় হওয়ার পিছনে ব্রেক্সিট অস্থিরতাকে দায়ী করা হচ্ছে। সার্ভিস পিএমআই ৫১.৩ পয়েন্ট এসেছে, যার ফলে সার্ভিস ইন্ড্রাস্ট্রীতে স্থিরতাভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফেব্রুয়ারী মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ইমপ্লোইমেন্ট ডাটা মিক্সড ছিল । ননফার্ম পয়রালসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইমপ্লোইমেন্ট মাত্র ২০ হাজার এসেছে, যেখানে ১৮০ হাজার অনুমান করা হয়েছিল। তবে , ওয়েজ প্রবৃদ্ধি বেশ ভাল হয়েছে , এর পরিমান ০.৪% এর উপরে, যেখানে ধারণা করা হয়েছিল ০.৩% আসবে। পাউন্ড/ডলারের প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লাইন দেওয়া হলো: ১.Consumer Inflation Expectations সোমবার ।কনসিউমার মুদ্রাস্ফীতি বেশ ভালই এসেছে। ডিসেম্বরে কনসিউমার মুদ্রাস্ফীতি ৩.২% এসেছে , এটা ৫ বছরেরও অধিক সময়ের মধ্যে সর্বচ্চ লেভেল। ২.GDP মঙ্গলবার দুপুর ০৩:৩০।ডিসেম্বরের রিলিজে ইকনোমি ০.৪% কমেছে, যেখানে অনুমান করা হয়েছিল ০.০% হবে। তাহলে আমরা কি জানুয়ারি মাসের রিলিজে রিবাউন্স দেখতে পাবো? ৩.Manufacturing Production মঙ্গলবার দুপুর ০৩:৩০। মেনুফেকচারিং সেক্টর বেশ চাপের মধ্যে রয়েছে এবং মেনুফেকচারিং প্রডাকশনও বেশ নাজেহাল অবস্থার মধ্যে রয়েছে, গত ছয়বারের রিলিজের মধ্যে পাঁচ বার এর উৎপাদন কম হয়েছে। ডিসেম্বরের ০.৭% পয়েন্ট , আনুমানিক পয়েন্ট ০.২% এর তুলনায় খারাপ ছিল। ৪.Parliament Brexit Vote মঙ্গলবার । পারলামেন্ট সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী মের প্রত্যাহার চুক্তিতে দ্বিতীয়বারের মত ভোট দেবেন। চুক্তি যদি বাতিল হয়, তাহলে পারলামেন্টে দুটি বিষয়ের উপর ভোট হবে: একটি চুক্তিবিহীন সিনারি এর উপর এবং আরেকটি ৫০ আর্টিকেল প্রসারিত করবে, যা ব্রেক্সিট প্রত্যাহারকে বিলম্ব করবে। ৫.Annual Budget Release বুধবার। চ্যান্সেলর অফ এক্সকোয়ার ফিলিপ হ্যামন্ড নতুন ইউকে বাজেট উপস্থাপন করবেন। আর এ ইভেন্টটি স্পিরিং এসস্টেমেন্ট হিসেবে পরিচিত। এর মাধ্যমে নতুন ইকনোমি পূর্ভাবাস নির্ধারণ করা হবে। ৬.RICS House Price Balance বৃহস্পতিবার ভোর ০৫:০১। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে হাউজের প্রাইস কমছে। জানুয়ারির পরিসংখ্যানে প্রাইস ২২% কমেছে। এটা ২০১২ সালের সর্বচ্চ লেভেল ছিল। সুতরাং হাউসিং সেক্টর বেশ দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। ৭.CB Leading Index শুক্রবার সন্ধ্যা ০৭:০০। সাতটি ইনডিকেটরের যৌগিক বিশ্লেষণে, ডিসেম্বরে লেডিং ০.৫% কমেছে। আমরা এখন ২০১৯ সালের প্রথম পরিসংখ্যানের অপেক্ষা করছি। পাউন্ড/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস শুক্রবার পাউন্ড ১.৩ রাউন্ডে টেস্টিং করেছে এবং সপ্তাহের শেষের দিকে ১.৩০১৫ এসেছে। ( গত সপ্তাহে উল্লেখ করা হয়) টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ১.৩৪৭০ লেভেল থেকে শুরু করছি, যেটা জুন মাসের শুরুর দিকে সর্বচ্চ প্রাইস ছিল। ১.৩৪ প্রাইস সাপোর্ট হিসেবে কাজ করেছে। জুনের শেষের দিকে ১.৩৩১৫ সর্বচ্চ প্রাইস ছিল। জুলাই মাসে সর্বচ্চ প্রাইস ছিল ১.৩৩৭৫। সেপ্টেম্বরে সর্বচ্চ এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল ১.৩৩০০। জানুয়ারির শেষের দিকে সর্বচ্চ প্রাইস ছিল ১.৩২১৭। নভেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩১৭০ সর্বচ্চ প্রাইস ছিল। নভেম্বরের মাঝামাঝি ১.৩০৭০ সর্বচ্চ প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩০০০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। নভেম্বরে সর্বচ্চ প্রাইস ছিল ১.২৯১০ এবং এটা শেষ সপ্তাহে সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। নভেম্বরের শেষের দিকে ১.২৮৫০ একটি রিকভারি প্রাইস ছিল। জানুয়ারির প্রথময়ার্ধে ১.২৭২৮ একটি কার্যকরী লেভেল ছিল। সর্বশেষ ফাইনাল বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.২৬১৬। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি পাউন্ড/ ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমবে। ইকনোমি মিশ্র অবস্থার মধ্যে কয়েছে এবং এতে অনিশ্চয়তা থেকে যাচ্ছে, যেহেতু ব্রিটেন এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ব্রেক্সিটকে নিয়ে একে অপরে উপর বিতর্ক করছে। পরবর্তী সপ্তাহে পারলামেন্টে অনেক ড্রামা হবে এবং যদি মের প্রত্যাহার চুক্তির ভোট পিছিয়ে যায়, তাহলে খুব দ্রুত পাউন্ডের প্রাইস কমতে পারে।
  21. গত সপ্তাহে মার্কিন ডলার/ কানাডিয়ান ডলার দ্বিতীয়বারের মত প্রাইস বৃদ্ধি অব্যহত রেখেছে, পেয়ারটির প্রাইস ১ পার্সেন্ট পর্যন্ত বেড়েছে। এ সপ্তাহের দুইটি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। কানাডিয়ান ব্যাংক ইনটারেস্ট রেট ১.৭৫% রির্ধারণ করেছে এবং এটা অক্টোবরের রেটকে নির্দেশ করেছে।এ রেট এস্টেটমেন্ট নীতিবাচক প্রভাব ফেলবে,যা কানাডিয়ান ডলারকে প্রভাবিত করবে। কানাডিয়ান ব্যাংক বলেছেন যে অর্থনীতিতে উদ্দীপনার প্রয়োজন হবে এবং ভবিষ্যতে রেট সম্পর্কে "অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি" হবে। ব্যাংকের নীতিনির্ধারকেরা বলছেন ইকনোমি ধীরতার দিকে যাচ্ছে। কানাডার ব্যাংক বলেছেন মার্কেটে শীথিলতা থাকলে ভবিষ্যতে রেট বাড়ানো হবে না এবং যদি মার্কেটে ধীরতা চলতে থাকে তাহলে পরবর্তীতে রেট কমানো হতে পারে। কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশের ইমপ্লোইমেন্ট সংখ্যা আলাদা। কানাডায় ৫৫.৯ হাজার ইমপ্লোইমেন্ট যোগ হয়েছে। অনুমান করা হয়েছিল ০.৬ হাজারে হবে। ইউএসের ননফার্ম পয়রালসের রিপোর্ট অনুযায়ী ইমপ্লোইমেন্ট ২০ হাজারে নিমজ্জিত হয়। অনুমান করা হয়েছিল ১৮০ হাজার। ওয়েজ ০.৪%তে উন্নতি হয় ,এটা তাদের অনুমান ০.৩% এর উপরে ছিল। সপ্তাহের শেষের দিকে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কিছুটা বেড়েছিল। মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইন দেওয়া হলো: ১.HPI বৃহস্পতিবার ভোর ০৫:৩০। নিউ হাউজিং প্রাইস পাচঁবার ধারাবাহিকভাবে বাড়ার পরে, বর্তমানে ০.০০% তে রয়েছে রয়েছে। ২.Manufacturing Sales শুক্রবার সন্ধ্যা ০৬:৩০। বিশ্ব বানিজ্য যুদ্ধের কারণে মেনুফেকচারিং সেলস গত পাচঁ রিলিজে চারবার কমেছে। পরবর্ত ী সপ্তাহে রিলিজ কানাডিয়ান ডলারের প্রাইসকে আরও কমাতে পারে। মার্কিন ডলার/ কনাডিয়ান ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলার ১.৩৪৪৫ রিসিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্ট করেছিল। (গত সপ্তাহে উল্লেখ করা হয়) টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: ২০১৭ সালের মে মাসে ১.৩৭৫৭ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। ডিসেম্বরে ১.৩৬৬০ সর্বচ্চ প্রাইস ছিল। ২০১৭ সালের জুন মাসে ১.৩৫৪৭ গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩৪৪৫ সর্বচ্চ প্রাইস ছিল। মে মাসে ১.৩৩৪৫ সর্বচ্চ প্রাইস ছিল। একই সময়ে ১.৩৩৫০ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। নভেম্বরের মাঝামাঝিতে ১.৩২৬৫ সর্বচ্চ প্রাইস ছিল। এ সপ্তাহের মাঝামাঝি ১.৩২২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। নভেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩১৭৫ লো পয়েন্ট ছিল। এ মাসের শুরুর দিকে ১.৩০৪৮ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছে। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি মার্কিন ডলার/ কানাডিয়ান ডলার পেয়ারটির প্রাইস বাড়বে। আমরা আশা করছি কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস আরও কমতে পারে, কারণ গত দুইবার পেয়ারটির প্রাইস ধারাবাহিকভাবে কমেছে। কানাডিয়ান ব্যাংকের বিবৃতি নেগেটিভ অবস্থানে রয়েছে, যার ফলে বিনিয়োগকারিরা কানাডার ইকনোমি সম্পর্কে কিছুটা উদ্ধিগ্ন থাকবেন। অপরদিকে , ইউএস এবং চীনের বানিজ্য যুদ্ধ আরও উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং কানাডিয়ার কারেন্সি উন্নতি হতে পারে।
  22. গত সপ্তাহে অস্টেলিয়ান ডলারের জন্য উল্লেখযোগ্য কোন ইভেন্ট ছিল না,পেয়ারটির প্রাইস রাউন্ড নাম্বার ৭০ এর উপরে ছিল।এ সপ্তাহে তিনটি ইভেন্ট রয়েছে।এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। অস্টেলিয়ান রিজার্ভ ব্যাংক প্রত্যাশা অনুযায়ী ইনটারেস্ট রেট ১.৫০% নির্ধারণ করেছে। চতুর্থ প্রান্তীকে জিডিপি হতাশাজনক ছিল, চতুর্থ প্রান্তীক থেকে জিডিপি মাত্র ০.২% এসেছে, আর এটা ২০১৬ সালের সর্বনিন্ম লেভেল ছিল। রিটেইলস সেলসও বেশ দুর্বল অবস্থানে ছিল, এখান থেকে ০.১% এসেছে,তবে আশা করা হয়েছিল ০.৩% আসবে। ইউএসের ননফার্ম পয়রালসের রিপোর্টে ২০ হাজার কমেছে, এটা তাদের প্রত্যাশা ১৮০ হাজারের তুলনায় অনেক খারাপ। তবে ওয়েজের ক্ষেত্রে ভাল নিউজ রয়েছে, এখান থেকে প্রবৃদ্ধি ০.৪% এসেছে, এটা তাদের অনুমান ০.৩% এর উপরে ছিল। অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.NAB Business Confidence মঙ্গলবার ভোর ০৬:৩০। অস্টেলিয়ান জাতীয় ব্যাংকের হিসেব অনুযায়ী, অক্টোবর থেকে তাদের বিজনেস কনফিডেন্স ধীরগতিতে চলছে। জানুয়ারিতে কনফিডেন্স ৪ এর উপরে ছিল এবং এক মাসে আগে ৩ এর উপরে ছিল। ২.Westpac Consumer Sentiment বুধবার ভোর ০৫:৩০। ইনডিকেটর অনুযায়ী এটা বেশ শক্তিশালী রয়েছে। কনসিউমার কনফিডেন্স জানুয়ারিতে ৪.৭% কমার পরে, ফেব্রুয়ারীতে ৪.৩% তে রিবাউন্স হয়। ৩.MI Inflation Expectations শুক্রবার ভোর ০৫:০০। প্রত্যাশা অনুযায়ী মুদ্রাস্ফীতি ডেটা বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে। ইনডিকেটর অনুযায়ী জানুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতি ৩.৭% তে উন্নতি হয়। আগের মাসে মুদ্রাস্ফীতি ৩.৫% এসেছিল। অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অস্টেলিয়ান ডলার / মার্কিন ডলারের প্রাইস এ সপ্তাহে বেশ কম ছিল এবং পেয়ারটি ০.৭০৮৫ সাপোর্ট লেভেলের নিচে ব্রেক করেছে। (গত সপ্তাহে উল্লেখ করা হয়) টেকনিক্যাল লাইনগুলো ‍উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা রাউন্ড নাম্বার ০.৭৪ থেকে শুরু করছি, এটা ডিসেম্বরের সর্বচ্চ প্রাইস ছিল। নভেম্বরের শেষের দিকে ০.৭৩৪০ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ০.৭৩১৫ সর্বচ্চ প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ০.৭২৪০। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ০.৭১৯০ লো প্রাইস ছিল। নভেম্বরের মাঝামাঝি ০.৭১৬৫ লো প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বরে ০.৭০৮৫ লো পয়েন্ট এবং ০.৭০ রাউন্ড নাম্বার ছিল। ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে ০.৬৯৭০ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। ২০১৬ এবং ২০১৭ সালের শেষের দিকে ০.৬৮২৫ পেয়ারটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। জানুয়ারি মাসে ০.৬৭৪৪ লো প্রাইস ছিল। ২০০০ সালের জানুয়ারিতে ০.৬৬৮৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল এবং বর্তমান সাপোর্ট লেভেলও ০.৬৬৮৬। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি অস্ট্রেলিয়ান ডলার/ মার্কিন ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমবে। অস্টেলিয়ান ইকনোমি দুর্বল অবস্থানে রয়েছে, অ্যানালাইসিস্টরা ধারণা করছেন, খুব তাড়াতাড়ি যদি বিষয়টির উন্নতি হলে অস্টেলিয়ান রিজার্ভ ব্যাংক ইনটারেস্ট রেট কমাবে। ইউএস এবং চীনের বানিজ্য আলোচনার কারণে চীনের ইকনোমিতে ধীরগতা চলছে। এর প্রভাব অস্টেলিয়ান প্রবৃদ্ধির উপর পরবে, যেহেতু চীন অস্টেলিয়ার সবথেকে বড় ট্রেডিং পার্টনার।
  23. মার্চ মাসে ডলারের জন্য বেশ কিছু ভাল এবং খারাপ উভয় নিউজ ছিল। তবে, পরবর্তীতেও কি এরকম অবস্থা থাকবে? এ সপ্তাহে ইউএসের শীর্ষ স্থানীয় চারটি ইভেন্ট রয়েছে , তবে ইউকের ব্রেক্সিট ভোট অপহরণ নিয়ে কিছুটা ভীতি রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলারকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে দেখছেন এবং আইএসএম নন মেনুফেকচারিং এ মাসে ৫৯.৭ পয়েন্ট এসেছে। এনইপি বেশ কয়েক মাস ভাল অবস্থানে থাকার পরে, এ মাসে হতাশাজনকভাবে মাত্র ২০ হাজার জব ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে, তবে ওয়েজ প্রবৃদ্ধি ক্রমাগত বাড়ছে। চীনের সাথে বানিজ্য আলোচনার উন্নিতি হলেও , আমরা এখন পর্যন্ত চুক্তির কোন রূপ রেখা দেখতে পারছি না। ব্রেক্সিট আলোচনা ব্রাসেলসে চলছে, তবে এর সফলতার এখনও দেখা মেলেনি। ইউকে আইনগতভাবে চুক্তিকে পরিবর্তন করতে চাচ্ছে, আর ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ‍শুধু ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। কানাডা ব্যাংক নেগেটিভ মোডে রয়েছে, যার ফলে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমের দিকে। এছাড়াও অস্টেলিয়া দুর্বল জিডিপির কারণে ভোগান্তিতে রয়েছে। আর অস্টেলিয়ান এ ভোগান্তি চীনের টার্গেটকৃত প্রবৃদ্ধি ৬ থেকে ৬.৫% এর উপর প্রভাব ফেলেছে। ১.Us Fed’s powell talks শুক্রবার ভোর ০৫:০০। ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান পাওয়েল প্রথমে ক্যালিফোর্নিয়া এবং তারপরে ওয়াশিংটন ডিসিতে বক্তব্য রাখেন, এতে তিনি জব রিপোর্ট ভাল অবস্থানে থাকার কথা বলেছেন। তিনি আগামী রেট ডিসিশনের ইঙ্গিত দেয়। ২.US Retails Sales সরকারের শাট ডা্উনের কারণে সোমবার বিকাল ০৫:৩০ ইউএস রিটেইলস সেলসের ডাটা প্রকাশ হয় । ডিসেম্বরের পরিসংখ্যানে কিছুটা কম আসে: রিটেইলস সেলস ১.২% , কোর সেলস ১.৮% এবং কন্ট্রোল গ্রুপে ১.৭% এসেছে। নিসন্দেহে বলা যায়, এটা একটি খারাপ ডাটা। চতুর্থ প্রান্তিকে কনসিউমার জিডিপি কিছুটা ভাল অবস্থানে দেখা গিয়েছিল। তবে বর্তমানেও এটা বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে, বর্তমানে কন্ট্রোল গ্রুপ ০.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারিতে ডাটা ১.৮% বৃদ্ধি পেয়েছিল। ৩.UK GDP মঙ্গলবার বিকাল ০৩:৩০। ২০১৯ সালে প্রথম বারের মতো, ইউকে জানুয়ারি মাসের জিডিপি ডাটা রিলিজ করবেন। ডিসেম্বরে চতুর্থ প্রান্তীকে জিডিপি কমে ০.৪% এসেছে। তবে, বর্তমানে ইউকে মাসিক জিডিপি কিছুটা বেড়েছে। ২০১৮ সালের শেষের দিকে মেনুফেকচারিং কমার পরে বর্তমানে ০.৭% বেড়েছে। ৪.UK Votes on Brexit মঙ্গল,বুধ এবং বৃহস্পতিবার। ইউকে সরকার ১২ মার্চ ব্রেক্সিট চুক্তিতে ভোটের জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন এবং আশা করা হচ্ছে আবারও এটা ব্যর্থ হবে। এ ব্রেক্সিট ভোট ১৩ মার্চ হতে পারে, এটা নির্ভর করছে পারলামেন্টের রিজেক্টিং ফলাফলের উপর। সর্বশেষ ভোট ১৫ মার্চ হতে পারে, পারলামেন্ট তখন সরকারকে একটি সম্প্রসারণের নির্দেশ দিতে পারে, সম্ভবত এটা তিন মাস হতে পারে। ব্রেক্সিটের বিলম্বতার কারণে এটা পাউন্ডের প্রাইস বাড়াবে এবং কিছুদিন পরে পুনরায় এটা আগের অবস্থানে ফিরে আসতে পারে। ৫.US Inflation মঙ্গলবর বিকাল ০৩:৩০। জানুয়ারিতে ইউএসের মুদ্রাস্ফীতি কিছুটা ধীরগতির ছিল। এ মাসে ১.৬% বেড়েছে এবং কোর সিপিআই ২.২% এসেছে। ফেব্রুয়ারিতে ২.১% এসেছিল। ফেডকে কেন্দ্র করে যে কোন ধরণের প্রভাব পরিলক্ষিত হতে পারে। ৬.Chines Industrial Production বৃহস্পতিবার বিকাল ০৬:০০। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইকনোমি দেশ চীনে কিছুটা ‍ধীরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে, জিডিপি পূর্ভাবাস তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে। ইন্ডস্ট্রীয়াল আউটপুট জানুয়ারিতে ৫.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। তার পর থেকে এটা কমতে শুরু করে। এখন পর্যন্ত এটা বিদ্যমান। ৭.Japanese Rate decision শুক্রবার দুপুরের দিকে। জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলমান নিন্মগতির মুদ্রাস্ফীতির প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে নেগেটিভ মন্তব্য করেন। টোকিও ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান উন্নত বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিবাদী কেন্দ্রীয় ব্যাংক রয়ে যায়। ৮.US Consumer Sentiment শুক্রবার রাত ০৮:০০। কনসিউমার সেন্টিমেন্ট ২০১৮ সালের সর্বচ্চ লেভেলে পৌঁছানোর পরে বর্তমানে আবার কমে গিয়েছে। মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক পরিসংখ্যান রিপোর্ট অনুযায়ী, জানুয়ারির ফাইনাল রিপোর্ট ৯৩.৮ পয়েন্ট বেড়েছিল।
  24. পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ১.১৩০০ কে অতিক্রম করেছে EMU ইকনোমি চতুর্থ কোয়াটারে ১.১% বৃদ্ধি পেয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ইসিবি ইন্টারেস্ট রেট এবং ফরওয়ার্ড গাইডেন্স নিয়ে সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত রাখবে ইসিবির দিকেই ইউরো/ডলারের মনোযোগ EUR/USD পেয়ারটির প্রাইস গত কয়েকবার ধারাবাহিকভাবে কমার পরে কিছুটা বেড়েছে। ১.১৩০০ প্রাইসের কাছাকাছি একটি ডজি ক্যান্ডেল তৈরি হওয়ায় নতুন করে পেয়ারটি বাই করার প্রতি ট্রেডাররা আগ্রহী হয় পেয়ারটি মঙ্গলবারে নিন্ম লেভেল ১.১২৯০/৪৫ এর কাছাকাছি রিবাউন্স করেছে। তবে, আজকের ডাটা রিলিজগুলো বিনিয়োগকারীদের খুব একটা মনোযোগ আকর্ষণ করেনি, যেখানে জব/চাকরির পরিবর্তন (employment change) চতুর্থ প্রান্তীকে বার্ষিক ১.৩% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ইউরোজোনের ইকনোমি ১.১% (বাৎসরিক) বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসিবির ইভেন্ট ঘনিয়ে আসায় বিনিয়োগকারীরা নজর রাখবেন দ্রাঘির সংবাদ সম্মেলনের উপর।
  25. বুধবার পেয়ারটি ১.১৩০০ সাপোর্ট লেভেলকে অতিক্রম করেছিল, যদিও ঐ দিনের পরে পেয়ারটির প্রাইস পুনরায় কিছুটা বেড়েছিল, তবে বর্তমানে পেয়ারটি স্থির অবস্থায় রয়েছে। ওয়াইটিডি(YTD) তে ২০১৮ সালের নভেম্বরের শেষের দিকে নিন্ম লেভেল ১.১২৩০ এর কাছাকাছি দেখানো হয়েছে। তবে চার্টে, ইউরো/ডলার পেয়ারটিকে গত পাচঁ মাসের রেজিস্ট্যান্স লাইন ১.১৪৫০ এর নিচে দেখানো হয়েছে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের চার্ট

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×