Jump to content

ফরেক্স প্রতিদিন

Members
  • Content count

    673
  • Joined

  • Last visited

  • Days Won

    8

ফরেক্স প্রতিদিন last won the day on August 30

ফরেক্স প্রতিদিন had the most liked content!

Community Reputation

13 Good

2 Followers

About ফরেক্স প্রতিদিন

  • Rank
    Forex in the blood
  1. গত দুই সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে পেয়ারটির প্রাইস বাড়ছে। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যের কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি, রিটেইল সেলস এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের রেট ডিসিশন। এখানে এ সপ্তাহে মার্কেট আউটলুক এবং GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। যুক্তরাজ্যের ইকোনমিক শক্তি গত সপ্তাহে পাউন্ডের প্রাইস বাড়াতে সহায়তা করেছিল। জুন মাসে যুক্তরাজ্যের জিডিপি অপরিবর্তনীয় ছিল। তবে জুলাই মাসে এ সেক্টরটি বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে, জুলাইয়ে ০.৩% জিডিপি বৃদ্ধি পেয়েছে। ‍গত রিলিজে মেনুফেকচারিং প্রডাকশন ০.২% কমার পর,জুলাই মাসে প্রডাকশন রিবাউন্ড করে ০.৩% এসেছে। এছাড়া ইমপ্লোইমেন্ট সেক্টর পজিটিভ অবস্থানে রয়েছে। ওয়েজ শতকরা ৪.০% বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১০ সালের পর থেকে এটা সর্বোচ্চ প্রাইস। যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট গত সপ্তাহে মিশ্র অবস্থানে ছিল। CPI শতকরা ০.১% থেকে ০.৩% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। Core CPI বেড়ে ০.৩% এসেছে, এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.২% উপরে এসেছিল। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের Retail Sales রিপোর্টের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, আগস্টে রিটেইলস সেলস ০.৭% থেকে কমে ০.৪% এসেছে। Core Retail Sales গতবারের অবস্থানে রয়েছে। মার্চ মাসের পর থেকে প্রথমবারের মতো Core Retail Sales অপরিবর্তনীয় অবস্থানে রয়েছে। GBPUSD প্রতিদিনের রেজিস্ট্যান্স এবং সাপোর্ট লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.Inflation Data বুধবার, দুপুর ০২:৩০। জুলা মাসে যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতি ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রত্যাশিত লেভেল ২.০% এর উপরে এসেছে। আগস্টে কিছুটা কমে ১.৮% আসতে পারে। কোর সিপিআই গত মাসের ১.৯% থেকে কমে ১.৮% আসতে পারে। ২.Retail Sales বৃহস্পতিবার,দুপুর ০২:৩০। জুন মাসে রিটেইল সেলস ১.০% এসেছিল। পরবর্তীতে জুলাই মাসে ১.০% থেকে কমে ০.২% এসেছে। আগস্ট মাসেও মার্কেটে এ ধরণের মন্দভাব বিরাজ করতে পারে এবং ০.২% আসতে পারে। ৩.BOE Rate Decision বৃহস্পতিবার, বিকাল ০৫:০০। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের পরবর্তী মিটিং থেকে তেমন কিছু প্রত্যাশা করা হচ্ছে না। গতবার ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.৭৫% নির্ধারণ করা হয়েছিল। এবার মনেটারী পলিসি মিটিংয়ে ভোটের মাধ্যমে কি সিদ্ধান্ত আসবে সেটা দেখার বিষয়। GBPUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: গত সপ্তাহে পাউন্ড/ডলারের প্রাইস বেড়েছিল। সুতরাং আমরা পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস থেকে শুরু করছি। আমরা ১.২৯১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। নভেম্বরের শেষের দিকে ১.২৯১০ একটি রিকভারি লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.২৭২৮। জুলাই মাসের শুরুর দিকে ১.২৬৬১ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। গত সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস ১.২৫৩৫ থেকে কমতে শরু করে। পেয়ারটি বর্তমানে ১.২৪২০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে যাচ্ছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে ১.২২ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.২০। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। গত সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস বেশ ভালই রেড়েছিল। তবে বিনিয়োগকারীরা বেক্সিট নিয়ে বেশ উদ্ধিগ্নতার মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে লন্ডন এবং ব্রুসেলসের মধ্যে কি আলোচনা হবে সেটা দেখার বিষয়।
  2. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেটের ১.১০৬০ একটি সাপোর্ট লেভেল এবং ১.১১১০ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল দেওয়া আছে। পেয়ারটি ১.১০৬০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০৬০,১.১০৪৪,১.১০২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১১১০,১.১১৩৮,১.১১৮৮ বাই এন্ট্রি : ১.১১১০ স্টপ লস: ১.১০৬০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট : ১.১০৮০,১.০৯২০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটের ১.১০৮০ একটি বাই সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। পেয়ারটি ১.০৯২০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ডের পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০২৫,১.০৯২০, ১.০৮০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১১৮০,১.১২৪০,১.১৩৪০ বাই এন্ট্রি: ১.১০৮০ স্টপ লস: ১.০৯২০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১১৫৫,১.১২২০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট উর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১.২৪৬০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য ১.২৫০৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.২৪২০। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৪৬০,১.২৪২০,১.২৩৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৫০৫,১.২৫৩০,১.২৫৭৫ টেক প্রফিট: ১.২৫৩০,১.২৫৭৫ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা ১.২৩৯০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি, মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেল পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৩৯০,১.২৩২০,১.২২০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৫০০,১.২৫৫০,১.২৬৩০ বাই এন্ট্রি : ১.২৩৯০ স্টপ লস: ১.২৩৯০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৪৫০,১.২৫৫০
  3. USD/JPY প্রাইস গত তিন সপ্তাহ ধরে ঊর্ধ্বমূখী অবস্থানে রয়েছে। এ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের নজর থাকবে জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের পলিসি মিটিংয়ের দিকে। USD/JPY ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস জাপানের প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে বর্তমানে কিছুটা উদ্ধিগ্নতা বিরাজ করছে। ২য় প্রান্তীকে জাপানের জিডিপি ০.৪% থেকে কমে ০.৩% এসেছে। বাৎসরিক হিসেব অনুযায়ী জিডিপি ১.৮% থেকে কমে ১.৩% এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, অক্টোবরে সরকার নতুন করে শুল্ক আরোপ করতে পারেন। এর ফলে প্রবৃদ্ধি আরো কমার সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং আগামী মাসেও জাপানী ইকোনমিতে দুর্বল অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট গত সপ্তাহে মিশ্র অবস্থানে ছিল। CPI শতকরা ০.১% থেকে ০.৩% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। Core CPI বেড়ে ০.৩% এসেছে, এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.২% উপরে এসেছিল। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের Retail Sales রিপোর্টের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, আগস্টে রিটেইলস সেলস ০.৭% থেকে কমে ০.৪% এসেছে। Core Retail Sales গতবারের অবস্থানে রয়েছে। মার্চ মাসের পর থেকে প্রথমবারের মতো Core Retail Sales অপরিবর্তনীয় অবস্থানে রয়েছে। USD/JPY টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আমরা ১০৯.৭৩ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি । এটা মে মাসের শেষের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তীতে পেয়ারটি ১০৯.৩৫ প্রাইসে এসেছিল এবং পরবর্তী লেভেল ছিল ১০৮.৭০। মে মাসের শেষের দিকে ১০৮.১০ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে ১০৭.৩০ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। গত সপ্তাহে ১০৬.৬১ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। আগস্ট মাসের শেষের দিকে ১০৫.৫৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ১০৪.৬৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেলও ১০৪.৬৫। USD/JPY প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো শেষ কথা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে USD/JPY নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে। ডলার বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে, তবে এ সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভ মিনিং থাকার কারণে ডলারের প্রাইস বাড়ার ক্ষেত্রে বাধা প্রাপ্ত হতে পারে। এছাড়াও জাপানী ইকোনমি তেমন ভাল অবস্থানে নেই,তবে বিনিয়োগকারীরা জাপান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দিকে নজর রাখবেন।
  4. EURUSD প্রাইস গত দুই সপ্তাহ ধরে কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। পেয়ারটির জন্য এ সপ্তাহে চারটি ইভেন্ট রয়েছে। তবে বিশেষভাবে বিনিয়োগকারীদের ফোকাস থাকবে জার্মান জিইডব্লিউ ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট (ZEW Economic Sentiment)- এর দিকে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে ইসিবি (ECB) পলিসি মিটিং করেছিল। ইসিবির চেয়ারম্যান হিসেবে মারিও দ্রাঘির সর্বশেষ মিটিং ছিল এটি। IMF প্রধান ক্রিস্টিন লেগার্ড মারিও দ্রাঘির কাছ থেকে ইসিবির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে চলেছেন। মিটিংয়ে আইনপ্রণেতারা ইন্টারেস্ট রেট ০.৫০% থেকে কমিয়ে ০.৪০% এনেছিল। জার্মান ফাইনাল CPI বেশ হতাশাজনক এসেছে। আগস্ট মাসে CPI মাত্র ০.২% এসেছে। জানুয়ারির পর থেকে CPI সেক্টরে প্রথমবারের মতো ধস । যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট গত সপ্তাহে মিশ্র অবস্থানে ছিল। CPI শতকরা ০.১% থেকে ০.৩% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। Core CPI বেড়ে ০.৩% এসেছে, এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.২% উপরে এসেছিল। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের Retail Sales রিপোর্টের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, আগস্টে রিটেইলস সেলস ০.৭% থেকে কমে ০.৪% এসেছে। Core Retail Sales গতবারের অবস্থানে রয়েছে। মার্চ মাসের পর থেকে প্রথমবারের মতো Core Retail Sales অপরিবর্তনীয় অবস্থানে রয়েছে। EURUSD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.German ZEW Economic Sentiment মঙ্গলবার,বিকাল ০৩:০০। এ সেক্টরটি মার্কেটের বর্তমান অবস্থানকে আরও গতিশীল করতে পারে। আগস্ট মাসে এ সেক্টর থেকে ৪৪.১ পয়েন্ট এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরের রিপোর্টেও আরো একটি মন্দাভাব পরিলক্ষিত হতে পারে এবং এ বারের রিপোর্টে ৩৮.০ পয়েন্ট আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ২.Eurozone Inflation Data বুধবার,দুপুর ০৩:০০। ইউরোজোন সর্বশেষ আগস্ট মাসে CPI ডাটা রিলিজ করেছিল। আগস্ট মাসের রিপোর্টে দেখা গিয়েছিল, CPI শতকরা ১.০% এবং Core CPI ০.৯% বৃদ্ধি পেয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারের রিপোর্টও আগস্টের মতো আসতে পারে। ৩.Current Account বৃহস্পতিবার, দুপুর ০২:০০। জুলাই মাসের রিপোর্টে দেখা গিয়েছিল, ইউরোজোনের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ২৯.৭ বিলিয়ন থেকে কমে ১৮.৪ বিলিয়নে এসেছিল। এটি এ বছরের সর্বনিন্ম লেভেল। তবে এবারের রিপোর্টে কি আসবে সেটা দেখার বিষয়। ৪.Consumer Confidence শুক্রবার,রাত ০৮:০০। কনজিউমার কনফিডেন্স তেমন ভাল অবস্থানে নেই। তবে গতবারের তুলনায় এবার সেক্টরটি ভাল করার সম্ভাবনা রয়েছে। EURUSD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: ইউরো/ডলারের জন্য জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৩৯০ একটি শক্তিশালী প্রাইস ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১৩৪৫। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ১.১২৯০ একটি শক্তিশালী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ১.১২৭০ একটি ডাবল বটোম লেভেল ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.১২১৫। গত সপ্তাহে ১.১১১৯ একটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল ছিল। গত সপ্তাহে ১.১০২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.০৯২৫। ২০১৭ সালের এপ্রিলে ১.০৮২৯ গুরুত্বপূর্ণ একটি সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.০৬৯০। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে EURUSD প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোজোনের বানিজ্য যুদ্ধের কারণে বৈশ্বির ইকোনমিতে কিছুটা মন্দাভাব বিরাজ করছে। সে কারণে ইউরোজোনের মেনুফেকচারিং সেক্টরের উৎপাদন কম হচ্ছে। এছাড়াও ব্রেক্সিটের কিছু প্রভাব ইউরোজোনের উপর পড়ছে। সুতরাং এ সপ্তাহেও পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
  5. AUD/USD পেয়ারটির প্রাইস গত দুই সপ্তাহ ধরে বাড়ছে। এ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা নজর রাখবেন রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়ার মিটিং মিনিট এবং ইমপ্লোইমেন্ট রিপোর্টের দিকে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং AUD/USD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত দুই সপ্তাহ অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস ক্রমাগত বেড়েছিল। আগস্ট মাসে অস্টেলিয়ার NAB বিজনেস কনফিডেন্স ১ পয়েন্ট এসেছে। এটা গত চার মাসের সর্বনিন্ম লেভেলে এসেছে। Westpac Consumer Sentiment জুলাই মাসে ১.৭% এসেছে। এটা গত চার মাসের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো খারাপ অবস্থান। যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট গত সপ্তাহে মিশ্র অবস্থানে ছিল। CPI শতকরা ০.১% থেকে ০.৩% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। Core CPI বেড়ে ০.৩% এসেছে, এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.২% উপরে এসেছিল। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের Retail Sales রিপোর্টের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, আগস্টে রিটেইলস সেলস ০.৭% থেকে কমে ০.৪% এসেছে। Core Retail Sales গতবারের অবস্থানে রয়েছে। মার্চ মাসের পর থেকে প্রথমবারের মতো Core Retail Sales অপরিবর্তনীয় অবস্থানে রয়েছে। AUD/USD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.RBA Monetary Policy Meeting Minutes মঙ্গলবার,সকাল ১:৩০। অস্টেলিয়ান রিজার্ভ ব্যাংকের এ সপ্তাহে পলিসি মিটিং রয়েছে। সেপ্টম্বরে অস্টেলিয়ার ইকোনমি ভাল অবস্থানে রয়েছে। গত মাসে অস্টেলিয়ার ইকোনমি তেমন ভাল ছিল না। তাই ধারণা করা হচ্ছে, এ মিটিংয়ে ব্যাংক ইন্টারেস্ট রেট কমাবে না বাড়াবে সেটা মিটিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানা যাবে। ২.HPI মঙ্গলবার, সকাল ০৭:৩০। পঞ্চম কোয়াটারের মতো ধারাবাহিকভাবে এ সেক্টরটি খারাপ করছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এ বছরের দ্বিতীয় কোয়াটারে আরেকটি মন্দাভাব পরিলক্ষিত হতে পারে। এটা আনুমানিক ১.০% আসতে পারে। ৩.CB Leading Index মঙ্গলবার, রাত ০৮:৩০। জুন মাসে এ সেক্টরটি শতকরা ১.৩% বেড়েছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জুলাই মাসে শতকরা ০.১% বাড়তে পারে। ৪.MI Leading Index বুধবার, ভোর ০৫:৩০। জুলাই মাসে এ সেক্টরটি শতকরা ০.১% কমেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগস্ট মাসে ০.১% বা এর বেশি কমতে পারে। ৫.Employment Data বৃহস্পতিবার, ভোর ০৫:৩০। জুলাই মাসে অস্টেলিয়ায় ৪১ হাজার ১ জব তৈরি হয়েছিল। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ১৪ হাজার ২ এর অধিক ছিল। যার ফলে গত সপ্তাহে অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস বেড়েছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে,আগস্ট মাসেও এ ধরণের আরেকটি ভাল রিপোর্ট আসতে পারে। এটা আনুমানিক ১৫ হাজার ২ হতে পারে। জুলাই মাসে বেকারত্বের হার শতকরা ৫.২% রয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগস্ট মাসের রিপোর্টেও এর পরিবর্তন হবে না। AUD/USD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আমরা ০.৭২৩৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। এপ্রিলের শুরুর দিকে ০.৭১৬৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। সেপ্টেম্বরে সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৭০৮৫ এবং পরবর্তী প্রাইস ছিল ০.৭৯২২। এপ্রিল মাসে সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৬৯৮৮। গত সপ্তাহে ০.৬৮৬৫ আরেকটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। পেয়ারটির জন্য গত সপ্তাহে ০.৬৮২৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল এবং পরবর্তী লেভেল ছিল ০.৬৭৪৪। ২০০০ সালের জানুয়ারিতে ০.৬৬৮৬ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। ২০০৯ সালের মার্চ মাসে ০.৬৬২৭ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ০.৬৪৫৬। শেষ কথা ফরেক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে AUD/USD পেয়ারটির প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট রুহানির মধ্যকার উত্তেজনা মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোতে প্রভাব বিস্তার করার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে চীনা ইকোনমিতেও কিছুটা মন্দাভাব বিরাজ করছে। যার প্রভাব অস্টেলিয়ার ইকোনমিতে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  6. USDCAD পেয়ারটির প্রাইস গত সপ্তাহে কিছুটা বেড়েছিল। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে কানাডিয়ান মুদ্রাস্ফীতি এবং রিটেইল সেলস রিপোর্ট। এ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের বিশেষ নজর থাকবে ফেডারেল রিজার্ভের রেট ডিসিশনের দিকে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং USD/CAD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের ফোকাস ছিল কানাডার কন্সট্রাকশন ডাটার দিকে। গত সপ্তাহে কানাডায় ২ লক্ষ ২৭ হাজার বাড়ি নির্মাণের অনুমোধন পেয়েছে। এটা খুব সহজেই প্রত্যাশিত ২ লক্ষ ১৩ হাজারকে অতিক্রম করেছে। গত রিপোর্টে খারাপ আসার পর এ সপ্তাহে বিল্ডিং অনুমোধন শতকরা ৩.০% বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট গত সপ্তাহে মিশ্র অবস্থানে ছিল। CPI শতকরা ০.১% থেকে ০.৩% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। Core CPI বেড়ে ০.৩% এসেছে, এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.২% উপরে এসেছিল। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের Retail Sales রিপোর্টের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, আগস্টে রিটেইলস সেলস ০.৭% থেকে কমে ০.৪% এসেছে। Core Retail Sales গতবারের অবস্থানে রয়েছে। মার্চ মাসের পর থেকে প্রথমবারের মতো Core Retail Sales অপরিবর্তনীয় অবস্থানে রয়েছে। USD/CAD প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.Foreign Securities Purchases সোমবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। জুলাই মাসের আগে এ সেক্টরে ১০.২০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে জুলাই মাসে মাত্র ৩.৯ বিলিয়ন এসেছে। বর্তমানে আমরা আগস্ট মাসের রিপোর্টে কি আসতে পারে তার অপেক্ষা করছি। ২.Manufacturing Sales মঙ্গলবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। গত তিন মাসে মেনুফেকচারিং সেক্টর দুই বারের মতো কমেছে। গত ছয় মাসের মধ্যে জুন মাসে শতকরা ১.২% কমেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ বারের সেক্টরেও মন্দাভাব বিরাজ করতে পারে এবং কমে ০.৩% আসতে পারে। ৩.Inflation বুধবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। জুলাই মাসে CPI বেড়ে ০.৫% এসেছিল। এটা খুব সহজেই প্রত্যাশিত লেভেল ০.১% অতিক্রম করেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগস্ট মাসে ০.৩% বাড়তে পারে। জুলাই মাসে Core CPI শতকরা ০.৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আাগস্ট মাসে Core CPI সেক্টরে শক্তিশালী রিপোর্ট দেখতে পারবো কিনা সেটা দেখার বিষয়। ৪.ADP Nonfarm Employment Change বৃহস্পতিবার,সন্ধ্যা ০৬:৩০। জুলাই মাসে NEP রিপোর্ট অনুযায়ী, ৮১ হাজার ১ জব বৃদ্ধি পেয়েছে। আগস্ট মাসের রিপোর্টেও এ ধরণের ফলাফল আসতে পারে। ৫.Retail Sales বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। জুন মাসে রিটেইল সেলস রিপোর্ট তেমন ভাল অবস্থানে ছিল না। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.৩% এর নিচে এসেছিল। বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশা করছেন, জুলাই মাসে এ সেক্টর রিবাউন্ড করতে পারে এবং এটা আনুমানিক ০.২% আসতে পারে। কোর রিটেইল সেলস মে মাসের ০.৩% থেকে বেড়ে জুন মাসে ০.৯% এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, জুলাই মাসেও ০.২% আসতে পারে। USD/CAD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আমরা ১.৩৬৩০ রিজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি এবং পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.৩৫৬৫। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে ১.৩৪৪৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.৩৩৮৫। পরবর্তীতে ১.৩৩৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে এসেছিল। গত সপ্তাহের শেষের দিকে ১.৩১২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। পরবর্তীতে ১.৩০৪৮ একটি রাউন্ড নাম্বার ছিল। অক্টোবরে ১.২৯১৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.২৮৩০। শেষ কথা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সপ্তাহে USD/CAD প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য অস্থিরতা মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোতে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। যার ফলে কানাডিয়ান ডলারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  7. ব্রেক্সিট কার্যক্রম যেহেতু শেষ পর্যায়ে, তাই গত সপ্তাহে ব্রিটিশ পাউন্ডের প্রাইস বেড়েছিল। এদিকে ইসিবি (ECB) রেট ডিসিশনকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার ইউরোর প্রাইস বেশ ভালভাবেই কমেছিল। তবে মারিও দ্রাঘির পজিটিভ মন্তব্যের কারণে ইউরো পুনরায় রিকভার করতে শুরু করেছিল। এ সপ্তাহে মার্কেটের গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ফেডারেল রিজার্ভ ইভেন্ট । এছাড়াও রয়েছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড এবং ব্যাংক অব জাপানের রেট ইভেন্ট। এখানে এ সপ্তাহে মার্কেটে প্রভাব ফেলার মত কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট আলোচনা করা হলো। প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প চীনের সাথে একটি অস্থায়ী চুক্তির বিবেচনা করছেন। এ চুক্তিটি মার্কেটে স্থায়ী চুক্তির মতই প্রভাব ফেলতে পারে। গত সপ্তাহে মার্কিন ডলার এবং জাপানী ইয়েনের প্রাইস তুলনামূলকভাবে কিছুটা কমেছিল এবং অন্যান্য কারেন্সিগুলোর প্রাইস বেড়েছিল। তবে ব্রেক্সিট এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাউন্ড সবথেকে ভাল অবস্থানে ছিল। গত সপ্তাহে ইসিবি (ECB) ইভেন্টকে কেন্দ্র করে ইউরো/ডলার একটি ডাবল বটোম তৈরি করেছিল। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ডাটা ভাল অবস্থানে ছিল। মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছিল, রিটেইল সেলস মিশ্র অবস্থানে ছিল এবং কনজিউমার সেন্টিমেন্ট রিকভার করেছিল। ১.Chinese Industrial Production সোমবার, সকাল ০৮:০০। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ চীনের ইকোনমি বর্তমানে তেমন ভাল গতিতে চলছে না। জুলাই মাসে ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন শতকরা ৪.৮% বেড়েছে। আগস্ট মাসে এ সেক্টরটিতে শতকরা ৫.২% বৃদ্ধি পেতে পারে। ২.German ZEW Economic Sentiment মঙ্গলবার, দুপুর ০৩:০০। ৩০০ বিনিয়োগকারী এবং অ্যানালাইসিস্টদের মতে, আগস্ট মাসে এ সেক্টরটি খারাপ অবস্থানে ছিল এবং ৪৪.১ পয়েন্ট এসেছিল। এর ফলে কিছুটা হতাশার সৃষ্টি হয়। সেপ্টম্বর মাসেও এ সেক্টরটির খারাপ অবস্থান বৃদ্ধি পেতে পারে এবং ৩৮ পয়েন্ট আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ৩.UK Inflation Figures বুধবার,দুপুর ০২:৩০। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রত্যাশিত মুদ্রাস্ফীতি ২% ছিল। জুলাই মাসে এ সেক্টরটি বৃদ্ধি পেয়ে শতকরা ২.১% এসেছিল। আগস্ট মাসের রিপোর্টে কি আসবে সেটা দেখার বিষয়। ৪.Fed Decision বুধবার,রাত ১২:০০। ফেডারেল রিজার্ভ দ্বিতীবারের মতো ইন্টারেস্ট রেট কমাতে পারে। এ ইভেন্টটি মার্কেটে বেশ ভোলাটিলিটি সৃষ্টি করতে পারে। যার ফলে ডলারের প্রাইস কমার সম্ভাবনা রয়েছে । জেরেমি পাওয়েলের কনফারেন্সও মার্কের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হিসেবে কাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং এ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের নজর থাকবে ফেডারেল রিজার্ভের দিকে। ৫.New Zealand GDP বুধবার, সকাল ০৬:৪৫। প্রথম কোয়াটারে নিউজিল্যান্ডে শতকরা ০.৬% জিডিপি বেড়েছিল। দ্বিতীয় কোয়াটারেও ০.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বর্তমানে রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউজিল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট বেসিক পয়েন্ট থেকে শতকরা ৫০ কমিয়েছে। যার ফলে এ বার জিডিপি কি আসতে পারে সেটা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। ৬.Australian Jobs Report বৃহস্পতিবার,সকাল ০৭:৩০। জুলাই মাসের পূর্বে অস্টেলিয়ায় ৪ লক্ষ ১১ হাজার জব বৃদ্ধি পেয়েছিল। আগস্ট মাসে ১ লক্ষ ৫২ হাজার জব বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, বেকারত্বের হার শতকরা ৫.২% অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। ৭.Japanese Rate Decision বৃহস্পতিবার। এ সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টগুলোর মধ্যে একটি হলো ব্যাংক অব জাপানের রেট ডিসিশন। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ব্যাংক অব জাপান ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.২০% থেকে কমিয়ে ০.১০% নির্ধারণ করতে পারে। ৮.UK Rate Decision বৃহস্পতিবার,বিকাল ০৫:০০। বেক্সিট কার্যকারীতার সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট বাড়তে পারে। এছাড়াও ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ০.৭৫% অপরিবর্তনীয় রাখতে পারে। ব্যাংক যদি ইন্টারেস্ট রেট বাড়ায় তাহলে পাউন্ডের প্রাইস খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাবে এবং ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তনীয় রাখলে পাউন্ডের প্রাইস কমতে পারে।
  8. ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইন্টারেস্ট রেট ০.৬০% থেকে ০.৪০% কমিয়েছে। ইন্টারেস্ট রেট কমানোর প্রভাব ইতিমধ্যে মার্কেটে পড়তে শুরু করেছে। গত পাঁচ মিনিট আগে পেয়ারটি ১.১০২৪ প্রাইসের কাছাকাছি ছিল। বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু করেছে এবং পেয়ারটি বর্তমানে ১.০৯৬৫ প্রাইসে অবস্থান করছে। পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.০৯৫৫ প্রাইসে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তারপর পুনরায় পেয়ারটি কিছুটা রিভার্সেল করতে পারে।
  9. ফরেক্স বিশেষজ্ঞ UOB গ্রুপের মতে অস্টেলিয়ান ডলারের প্রাইস বাড়ছে এবং পেয়ারটি ০.৭৯ প্রাইসকে অতিক্রম করতে পারে। পেয়ারটি গতকালের ০.৬৮৪৯ প্রাইসকে অতিক্রম করে ০.৬৮৮৫ প্রাইসে এসেছিল। আজও পেয়ারটি বুলিশ অবস্থানে রয়েছে। UOB গ্রুপের মতে আজ পেয়ারটির প্রাইস বেড়ে ০.৭৯১০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে আসতে পারে। পেয়ারটির সাপোর্ট লেভেল ০.৬৮৮৫ এবং ০.৬৮২৫ নির্ধারণ করা হয়েছে।
  10. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেটের ০.৬৮৭৫ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল এবং ০.৬৮৭৫ বাই সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৫০,০.৬৮২০,০.৬৭৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৮৯০,০.৬৯২০,০.৬৯৭০ বাই এন্ট্রি: ০.৬৮৭৫ স্টপ লস: ০.৬৮৫০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ০.৬৮৯০, ০.৬৯২০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ০.৬৮৫০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৫০,০.৬৮২০,০.৬৭৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৯০০,০.৬৯৩০,০.৬৯৮০ বাই এন্ট্রি: USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। সাপোর্ট লেভেল: ১০৭.৮০,১০৭.৫০,১০৭.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৮.২০,১০৮.৫০,১০৯.০০ বাই এন্ট্রি: ১০৭.২০ স্টপ লস: ১০৭.৮০ ট্রেডের সম্ভাবনা: হাই টেক প্রফিট: ১০৭.৬০,১০৮.২০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা ১০৭.৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি,মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১০৭.৬০,১০৭.০০,১০৬.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১০৮.২০,১০৮.৮০,১০৯.৮০ বাই এন্ট্রি: ১০৬.০০ স্টপ লস: ১০৭.৬০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১০৭.২০, ১০৮.২০
  11. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা ১.১০৩০ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি,মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯৮০,১.০৯৬০,১.০৯৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৩০,১.১০৫০,১.১০৮০ সেল এন্ট্রি : ১.১০৩০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট : ১.১০১০,১.০৯৬০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.১০৫০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সুবিধা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.০৯৭০,১.০৯২০,১.০৮৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৫০,১.১১০০,১.১১৮০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট উর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেটের ১.২৩০৫ একটি সাপোর্ট লেবেল দেওয়া হয়েছে। পেয়ারটি ১.২৩৮৫ প্রাইস অতিক্রম করলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৩০৫,১.২২৬৫,১.২২০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৩৮৫,১.২৪৩০,১.২৫০০ বাই এন্ট্রি : ১.২৩০৫ স্টপ লস : ১.২৩৮৫ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট : ১.২২৬৫,১.২২০০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২২৩০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২২৩০,১.২১১০,১.১৯৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৪৫০,১.২৫৭০,১.২৭৪০ বাই এন্ট্রি :
  12. গতকাল ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১০৪২ প্রাইসে ওপেন হয়েছিল এবং পরবর্তীতে পেয়ারটির প্রাইস বেড়ে সর্বোচ্চ ১.১০৫৫ প্রাইসে উঠেছিল। গতকাল পেয়ারটি সর্বনিন্ম ১.০৯৮৪ প্রাইসে নেমেছিল এবং ট্রেডিং সেশনের শেষের দিকে ১.১০ প্রাইসে ক্লোজ হয়েছিল। গতকাল ECB ইভেন্টকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস কমেছিল। বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। তবে পেয়ারটির বুলিশ অবস্থান তেমন শক্তিশালী নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে পেয়ারটির পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১০৮৫ এবং ১.১১১৪ নির্ধারণ করা হয়েছে। পেয়ারটির ঊর্ধ্বমূখী অবস্থান স্থায়ী হলে ৫৫ দিনের SMA অনুযায়ী ১.১১৪৬/৬৩ প্রাইসে আসতে পারে। পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু হলে পেয়ারটি গতকালের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.০৯৮৫ আসতে পারে। পেয়ারটির নিন্মগামী অবস্থান স্থায়ী হলে পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে ২০১৯ সালের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.০৯২৬। EUR/USD আজকের চার্ট
  13. ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১০৫০ প্রাইস থেকে কমতে শুরু করেছে এবং পেয়ারটি তার ডাউনটার্ম অব্যাহত রেখেছে । যার ফলে পেয়ারটির প্রাইস কমে ক্রমাগত ১.১০ প্রাইসের দিকে যাচ্ছে। ইসিবি ইভেন্টকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুরু করেছে। ১০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী, পেয়ারটি ১.১০২০ প্রাইসের দিকে যেতে পারে এবং পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হবে ১.০৯২৫ প্রাইস। এমনকি ইসিবি ইভেন্টকে কেন্দ্র করে পেয়ারটি ২০১৭ সালের মে মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.০৮৩৫-৩০ প্রাইসেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং পেয়ারটি এখন সেলিং প্রেসারে রয়েছে এবং তাই সেল এন্ট্রি নেওয়া যেতে পারে।
  14. AUDUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেটের ০.৬৮৭৫ একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল এবং ০.৬৮৭৫ একটি সাপোর্ট লেভেল দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৫০,০.৬৮২০,০.৬৭৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৮৯০,০.৬৯২০,০.৬৯৭০ বাই এন্ট্রি : ০.৬৮৭৫ স্টপ লস : ০.৬৮৫০ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট : ০.৬৯৯০,০.৬৯২০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ০.৬৮৫০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ০.৬৮৫০,০.৬৮২০,০.৬৭৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ০.৬৯০০,০.৬৯৩০,০.৬৯৮০ বাই এন্ট্রি: USDJPY সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। সাপোর্ট লেভেল : ১০৭.২০,১০৬.৯০,১০৬.৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১০৮.২০,১০৮.৫০,১০৯.০০ বাই এন্ট্রি : ১০৭.২০ স্টপ লস: ১০৭.২০ ট্রেডের সম্ভাবনা : হাই টেক প্রফিট: ১০৭.৬০,১০৮.২০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগন্যাল ( পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১০৬.৭০,১০৬.০০,১০৫.০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১০৮.২০,১০৮.৮০,১০৯.৮০ বাই এন্ট্রি : ১০৬.০০ স্টপ লস : ১০৫.৭০ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট: ১০৭.২০, ১০৮.২০
  15. EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেট আপট্রেন্ডে রয়েছে। আমরা ১.১০৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.১০৩০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০৩০,১.১০১০,১.০৯৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৭০,১.১০৯০,১.১১২০ বাই এন্ট্রি : ১.১০৭০ স্টপ লস: ১.১০৩০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট : ১.১০৯০,১.১১২০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটের ১.১০৭০ প্রাইসে একটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল দেওয়া হয়েছে। তবে ১.১০১০ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১০১০,১.০৯৬০,১.০৮৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১০৯০,১.১১৩০,১.১১৯০ সেল এন্ট্রি: ১.১০৯০ স্টপ লস: ১.১০১০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১০৯০,১.১১৯০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট উর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। মার্কেট ১.২২৫০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি বা ১.২৩৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেবেল ১.২২০০। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৩০৫,১.২২৬৫,১.২২০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৩৮৫,১.২৪৩০,১.২৫০০ বাই এন্ট্রি : ১.২৩৮৫ স্টপ লস : ১.২৩০৫ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৪৩০,১.২৫০০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২২৩০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২২৩০,১.২১১০,১.১৯৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৪৫০,১.২৫৭০,১.২৭৪০ বাই এন্ট্রি :

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×