Jump to content

ফরেক্স প্রতিদিন

Members
  • Content count

    90
  • Joined

  • Last visited

Community Reputation

1 Neutral

1 Follower

About ফরেক্স প্রতিদিন

  • Rank
    Forex in the blood
  1. এফওএমসি (FOMC) কে কেন্দ্র করে ইউরো/ডলার ১.১৪৫০ প্রাইসে এসেছিল, তবে বর্তমানে পেয়ারটি রিভার্স করেছে। গত পাচঁ মাসের রেজিস্ট্যান্স লাইন ১.১৪১৬ তে আজ পেয়ারটি পৌঁছেছে। তবে বর্তমানে পেয়ারটি এ লেভেল থেকে সরে যাচ্ছে। ২০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী ১.১৫০০ এর আগে ১.১৪৮১ একটি গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল।
  2. EROUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট আপট্রেন্ডে রয়েছে। আমরা ১.১৪৪৮ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের উপরে বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.১৪০৯ ‍প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুল্লিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১৪০৯, ১.১৩৮৫, ১.১৩৩৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৪৪৮, ১.১৪৭০, ১.১৫১৩ বাই এন্ট্রি : ১.১৪৪৮ স্টপ লস : ১.১৪০৯ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট : ১.১৪৭০, ১.১৫১৩ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.১৩৭০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি ন্মিমূখী প্রাইস ‍রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে । সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন্ নেওয়া যেতে পারে । ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১৩৭০, ১.১৩৩০, ১.১২৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৪৫০, ১.১৪৯০, ১.১৫৪০ বাই এন্ট্রি : GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে শক্তিশালী। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য ১.৩১৪১ সোপোর্ট লেভেলের নিচে কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.৩২৫৫ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.৩১৪১, ১.৩০৮০, ১.২৯৭৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩২৫৫, ১.৩৩০০, ১.৩৪৫০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। খুব তাড়াতাড়ি ট্রেন্ড পরিবর্তন হচ্ছে, তাই আমরা মার্কেট স্থির হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি স্থির হবে। ট্রেন্ডের ধরণ : অপেক্ষমান সাপোর্ট লেভেল : ১.৩১১০, ১.২৯৫০, ১.২৮৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩৪৫০, ১.৩৭৪০, ১.৪২০০
  3. ফেডের Dovish অবস্থানের কারণে পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির প্রাইস যে ভাবে বাড়ার ধারণ করা হয়েছিল, তবে ব্রেক্সিটের অস্থিতিকর অবস্থার জন্য সে রকমের বাড়তে পারেনি। তবে টেকনিক্যাল কনফ্লুয়েন্স ইনডিকেটরে ১৫ থেকে ১০০ মিনিটের সিম্পল মুভিং এভারেজ (SMA) , ১ থেকে ১০ ঘন্টার এসএমএ, এক মাসের ফিবোনেসি ২৩.৪% এবং ১৫ মিনিটের বলিঞ্জার ব্যান্ডে দেখানো হচ্ছে পেয়ারটি ১.৩২১৭ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে যেতে পারে। একমাসের ফিবোনেসি ৩৮.২% , এক দিনের সাপোর্ট লেভেল ১ এবং এক সপ্তাহের ফিবোনেসি ৬১.৪% অনুযায়ী পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.৩১৩৫। এক সপ্তাহের ফিবোনেসি ২৩.৬% অনুযায়ী ১.৩২৮৬ এর উপরে রেজিস্ট্যান্স লেভেল সাপোর্ট লেভেলের তুলনায় দুর্বল। এক দিনের পিভোট পয়েন্ট R2 অনুযায়ী , পাউন্ডের জন্য পরবর্তী সর্বোচ্চ টার্গেট ১.১৩৩৫৫ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এটা গত মাসের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল।
  4. ইউরো/ডলার ১.১৪০০ প্রাইসের ‍উপরে ব্রেক হয় এবং বুধবার ফেডের মিটিংয়ের পরে পেয়ারটির প্রাইস ১.১৪৫০ তে উঠেছিল। পরবর্তীতে ফেড ইন্টারেস্ট রেট কমানোর পরে, পেয়ারটির প্রাইস কমতে শুর করেছে, যার ফলে মনে হচ্ছে পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
  5. ফেডের Dovish রেজাল্টের কারণে পাউন্ডের প্রাইস বেড়েছে, পরবর্তী ফোকাস হলো রিটেইলস সেলস এবং বিওই (BOE) মিটিং। সেলারদের জন্য পরবর্তী শক্তিশালী সাপোর্ট লেভেল হলো ১.৩০৫৫/৪৫। আজ লন্ডন সেশন ওপেন হওয়ার পূর্বে পাউন্ডের প্রাইস ১.৩২১৫ এর কাছাকাছি ট্রেডিং করেছে। ব্রেক্সিট নাটকীয় অবস্থার কারণে এবং এফওএমসি (FOMC) এর Dovish অবস্থানের কারণে বর্তমানে পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি রিকভার করছে। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের রিটেইলস সেলস এবং ব্যাংক অফ লন্ডনের (BOE) নীতিমালার উপর পেয়ারটির প্রাইস নির্ধারিত হবে। গতকাল ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি ( FOMC) ডলারের জন্য একটি হতাশাজনক সিগন্যাল প্রকাশ করেছেন, তারা বলেছেন ২০১৯ সালে ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানো বাড়াবেন না। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেশ কিছুদিন আগে বলেছিলেন , ২০১৯ সালে ইন্টারেস্ট রেট দুবার বাড়ানো হবে। আর এটা ডলারের প্রাইস কমার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। আজকের সেশনে বিনিয়োগকারীদের ডলারের উপর আস্থা হ্রাস পেয়েছে,অপর দিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে অনুরোধে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ব্রেক্সিট থেকে বের হওয়ার জন্য আরও তিন মাস সময় বাড়িয়েছেন। সুতরাং বলা হচ্ছে আজকের সেশনে পাউন্ডের প্রাইস বাড়তে পারে।
  6. উৎপাদন কম হওয়ার ফলে ফেডের Dovish অবস্থানের কারণে কমন কারেন্সির প্রাইস নিন্মমূখী, কয়েক সপ্তাহ আগে ইউরো/ডলারের সর্বোচ্চ প্রাইসের ১.১৪৪০ ছিল। বুধবার ইউরো/ডলার ১.১৪৪০ প্রাইসে এসেছিল, এটা ৪ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। তবে বর্তমানে ট্রেজারি উৎপাদন কম হওয়ার ফলে , ফেডের Dovish অবস্থানের কারণে পেয়ারটির প্রাইস নিন্মমূখী। গত দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানের বন্ড উৎপাদন তাদের বেসিক পয়েন্ট থেকে ২৯৩ কম হয়েছে। আর এটা ২০১৮ সালের সর্বনিন্ম প্রাইস। সুতরাং বলা যাচ্ছে বর্তমানে ইউরো/ডলারের প্রাইস নিন্ম লেভেলে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানের দুই বছরের উৎপাদনের গতিবিধি
  7. পাউন্ড/ডলারের প্রতিদিনের চার্ট পাউন্ড/ডলারের প্রধান সিম্পল মুভিং এভারেজ (SMA) অনুযায়ী পেয়ারটি বুল ট্রেন্ডে ট্রেডিং করছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের মন্তব্যকে অনুসরণ করেছেন, যার ফলে যুক্তরাজ্য ২৯ মার্চ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বের হবেন না। পাউন্ড/ডলারের ৪ ঘন্টার চার্ট ১০০ এবং ২০০ দিনের এসএমএ ( SMA) অনুযায়ী পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি মিডিয়াম টার্মে ট্রেডিং করছে।
  8. ৫৫ / ১০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী ইউরো/ডলার পেয়ারটি আপসাইড মোমেনটাম ১.১৩৬৫/৬০ ব্যান্ডে রয়েছে। ৫ মাসের মধ্যে ফেব্রুয়ারী মাসে পেয়ারটির সর্বোচ্চ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১৪১৯ ছিল। তবে বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস হ্রাস পেয়েছে। সর্বশেষ পেয়ারটির প্রাইস ১.১৫০০ পর্যন্ত বেড়েছিল। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের চার্ট
  9. EROUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) বাই পজিশন নেওয়ার জন্য ১.১৩৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে এন্ট্রি করবো এবং মার্কেট ব্রেক করার পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১৩৪৫। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১৩১৩, ১.১২৯৫, ১.১২৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৩৬২, ১.১৩৯২, ১.১৪২০ বাই এন্ট্রি : ১.১৩৪৫ স্টপ লস : ১.১৩১৩ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট : ১.১৩৬২, ১.১৩৯২ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১.১৩৮৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করছে । আমরা সেল পজিশন্স নেওয়ার জন্য কিছু সিগনালের অপেক্ষা করছি। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১৫০০ । ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১২১০, ১.১১৭০, ১.১১০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৩৮৫, ১.১৫০০, ১.১৬০০ সেল এন্ট্রি : GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেটে অস্থিরতা বিরাজ করছে। খুব তাড়াতাড়ি ট্রেন্ড পরিবর্তন হচ্ছে, তাই আমরা মার্কেট স্থির হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি। ট্রেন্ডের ধরণ : অপেক্ষমান সাপোর্ট লেভেল : ১.৩২৪০, ১.৩১৮০, ১.৩১৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩৩২০, ১.৩৩৭০, ১.৩৪৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটে অস্থিরতা বিরাজ করছে। খুব তাড়াতাড়ি ট্রেন্ড পরিবর্তন হচ্ছে, তাই আমরা মার্কেট স্থির হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি। ট্রেন্ডের ধরণ : অপেক্ষমান সাপোর্ট লেভেল : ১.৩১১০, ১.২৯৫০, ১.২৮৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩৪৫০, ১.৩৭৪০, ১.৪২০০
  10. সিএমই গ্রুপের ডাটা অনুযায়ী,মঙ্গলবার বিনিয়োগকারীরা আগের দিনের ৫৩৭,৯৮৬ হাজার কন্ট্রাকের সাথে আজ নতুন করে আরো ৪.৫ হাজার কন্ট্রাক যোগ করেছেন। অপরদিকে, চতুর্থ সেশনে মাত্র ১৭ হাজারের কাছাকাছি কন্ট্রাক হয়েছিল। এটা তুলনামূলকভাবে কম। ইউরো/ডলার ১.১৩৬০ এর কাছাকাছি অবস্থান করছে ৫৫ দিনের এসএমএ অনুযায়ী ইউরো/ডলারের জন্য ১.১৩৬০ তে একটি শক্তিশালী রেজিস্ট্যান্স লেভেল রয়েছে। তবে প্রাইসটি বেশ কিছুক্ষণ স্থায়ী হবে কিনা সে বিষয়ে কিছুটা উদ্বিগ্নতা রয়েছে।
  11. ব্রেক্সিট অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে ডলারের প্রাইস বেড়েছে এবং পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমেছে। ইউকে সিপিআই এবং এফওএমসি মিটিং কে কেন্দ্র করে বিনিয়োগকারীদের মাঝে একটি উদ্বিগ্নতা রয়েছে, তবে ব্রেক্সিট ডেডলাইন বাড়ানোকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস তাৎক্ষনিকভাবে বাড়তে পারে। লন্ডন সেশন ওপেন হওয়ার পূর্বে গতকাল পাউন্ড/ডলারের সর্বনিন্ম প্রাইস ১.৩২৫০ ছিল। তবে পাউন্ডের অবস্থান বর্তমানেও ভাল নেই কারণ ফেডের মিটিংকে কেন্দ্র করে ডলারের প্রাইস বেড়েছে। এদিকে ব্রেক্সিটের অস্থিরতার কারণে পাউন্ড বেশ প্রেসারের মধ্যে রয়েছে। তবে , বর্তমানে ট্রেডাররা যুক্তরাজ্যের ফেব্রুয়ারী মাসের মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) রিপোর্টের দিকে নজর রাখবেন। এদিকে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট তৃতীয় বেক্সিট প্রস্তাবকে বাতিল করেছেন, তবে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে এ ভোটের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের ডাটার জন্য অপেক্ষা করছেন। ব্রিটিশ কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (CPI) রিপোর্ট আজকে দুপুর ৩:৩০ প্রকাশ করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের মনেটারী পলিসি মিটিং রাত ১২:০০ অনুষ্ঠিত হবে। সুতরাং বিনিয়োগকারীদের দুষ্টি যুক্তরাজ্যের সিপিআই এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডের দিকে থাকবে। আশা করা হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের সিপিআই (CPI) ফেব্রুয়ারীর মতো ১.৮% আসবে না, তবে এর থেকে ভাল ২.৩% থেকে ২.৬% আসতে পারে।
  12. ইউরো/ডলার ১.১৩৬২ প্রাইসে যেতে পারে। (ফিবোনেসি ৭৬.৪%) ৪ ঘন্টার চার্ট চার্টে দেখা যাচ্ছে, ১৭ মার্চে পেয়ারটি সর্বনিন্ম প্রাইস ১.১১৭৬ তে ব্রেকআউট করেছে। সুতরাং আশা করা হচ্ছে পেয়ারটি ১.১৩৬২ প্রাইসের দিকে যাবে। আরেকটি বিষয় হলো, ৩১ জানুয়ারি এবং ২৮ ফেব্রুয়ারীতে পেয়ারটি ১.১৩৬২ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করেছিল, পরবর্তীতে এ প্রাইস থেকে পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে থাকে। সুতরাং ৪ ঘন্টার চার্ট অনুযায়ী আশা করা হচ্ছে, পেয়ারটি ১.১৩৬২ প্রাইসের উপরে যাবে এবং এখান থেকে ১.১৪ প্রাইসের যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
  13. এইচএসবিসি (HSBC) অ্যানালাইসিস্টদের মতে ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১২ প্রাইসের নিচে ট্রেডিংয়ের পরে, বর্তমানে ফেডকে কেন্দ্র করে ,পেয়ারটি ১.১৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে যাচ্ছে। মূল উদ্ধিতি টেকিনিক্যাল চার্ট অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১৪২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হয়েছিল এবং পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ১.১৫। তবে ১.১২ এর কাছাকাছি একটি শক্তিশালী সাপোর্ট লেভেল রয়েছে।
  14. ব্রেক্সিটের স্থিতিশীল নিউজকে কেন্দ্র করে পাউন্ড/ডলার পেয়ারটির প্রাইস বাড়ছে। এখানে আপসাইড টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলে। টেকনিক্যাল কনফ্লুয়েন্সের ইনডিকেটরে ১৫ থেকে ২০০ মিনিটের সিম্পল মুভিং এভারেজ (SMA) , এক দিনের ফিবোনেসি ৩৮.২%, ৪ থেকে ১০ ঘন্টার এসএমএ এবং ১ ঘন্টার নিন্মমূখী বলিঞ্জার ব্যান্ড অনুযায়ী, ১.৩২৬৮ এর কাছাকাছি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল রয়েছে। এক দিনের ফিবোনেসি ২৩.৬% এবং ১ থেকে ১০০ ঘন্টার এসএমএ (SMA), ১ থেকে ৫ দিনের এসএমএ, এবং এক সপ্তাহের পিবোনেসি ৩৪.২% অনুযায়ী, পরবর্তীতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.৩২২০ রয়েছে। পরবর্তীতে আরেকটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল রয়েছে, তবে রেজিস্ট্যান্স লেভেলের ‍তুলনায় সাপোর্ট লেভেলকে বেশি শক্তিশালী মনে হচ্ছে। ১৫ মিনিটের নিন্মমূখী বিবি (BB), ১ ঘন্টার মধ্যবর্তী বিবি (BB) এক সপ্তাহের ফিবোনেসি ২৩.৬% এবং পূর্ববর্তী ৫ থেকে ১৫ মিনিটের এসএমএ অনুযায়ী ১.৩২৯৯ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল। এক দিনের পিভোট পয়েন্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লেভেল ২ অনুযায়ী, পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল হলো ১.৩৩৫৮। পাউন্ড/ডলার
  15. ইউরো/ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহে কমেছিল।এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলো হলো: জার্মান জিইডব্লিউ (ZEW) ইকনোমি সেন্টিমেন্ট এবং জার্মান ও ইউরোজোনের পিএমআই (PMI)। এছাড়াও বিনিয়োগকারীরা ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের রেট সেন্টিমেন্টর উপর নজর রাখবেন। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। জার্মানের মেনুফেকচারিং ডাটা ক্রমাগত কমছে, কারণ বৈশ্বিক বানিজ্য যুদ্ধের কারণে জার্মান প্রডাক্টসের চাহিদা কমেছে। জানুয়ারীতে ইন্ডস্ট্রীয়াল প্রডাকশন শতকরা ০.৮ পার্সেন্ট কমেছে। পরবর্তীতে এটা আরও কমতে পারে। তবে জুন মাসে ইন্ডাস্ট্রীয়াল প্রডাকশন কিছুটা বেড়েছিল। ইউরোজোনের সিপিআই (CPI) অপরিবর্তনীয় ১.৫% রয়েছে, যেহেতু মুদ্রাস্ফীত (Inflation) ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (ECB) টার্গেট ২ পার্সেন্টের নিচে রয়েছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কনজিউমার রিপোর্ট মিশ্র অবস্থায় ছিল, এটা ডলারের উপর প্রভাব ফেলেছিল। কোর রিটেইলস সেলস শতকরা ০.৯ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) তেমন ভাল অবস্থানে নেই, সিপিআই ০.২% এবং কোর সিপিআই ০.১% এসেছে। বেকারত্বের হার প্রত্যাশার থেকে বেশি বেড়েছে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইন দেওয়া হলো: ১.Trade Balance সোমবার দুপুর ০৩:০০। ইউরোজোনের ট্রেড বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে এটা এখনও পজেটিভ ট্রেন্ডে রয়েছে। জানুয়ারিতে ১৭.২ বিলিয়োন ইউরোর ট্রেড হতে পারে। ২.German ZEW Economic Sentiment মঙ্গলবার দুপুর ০৩:০০। বিনিয়োগকারী এবং অ্যানালাইসিস্টগন জার্মানীর ইকনোমিক আউটলুক সম্পর্কে কিছুটা উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেছে, যদিও রিপোর্টে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে ১৩.৪ পয়েন্ট এসেছে এবং মার্চের পূর্বাভাসে ১১.০ পয়েন্ট আশা করা হচ্ছে। ইউরোজোনে ১৬.৬ পয়েন্ট এসেছে , এটা ইউরোজোনের জন্য খুবই সামান্য এবং মার্চে ১৫.১ পয়েন্ট আশা করা হচ্ছে। ৩.German PPI বুধবার দুপুর ০১:০০। জার্মান মুদ্রাস্ফীতি জানুয়ারিতে রিবাউন্ড করেছে, এটা শতকরা ০.৪ পার্সেন্ট বেড়েছে। গত মাসে শতকরা ০.৪ পার্সেন্ট কমেছিল। অনুমান করা হচ্ছে ফেব্রুয়ারীতে ০.২% আসতে পারে। ৪.ECB Economic Bulletin বৃহস্পতিবার বিকাল ০৩:০০। ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেট ডিসিশনের দুই সপ্তাহ পরে বুলেটিন প্রকাশ করেছেন, এর ভিতরে রয়েছে ইকনোমি ডাটা এবং রেট ডিসিশন পলিসি। এছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক ইকনোমি, মুদ্রাস্ফীতি এবং পরবর্তী মনেটারী পলিসি। ৫.Flash PMIs শুক্রবার বিকাল ০৪:১৫,ফ্রান্স ০৪:৩০ এবং জার্মান ০৫:০০ তে প্রকাশ করা হযেছে। ফ্রান্সের সার্ভিস সেক্টর পিএমআই তিন মাস ধরে ক্রমাগত কমছে। তবে, ইনডিকেটর অনুযায়ী প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারীতে এটা বৃদ্ধি পেয়ে ৫০.৬% হতে পারে। মেনুফেকচারিং ডাটা দুর্বল অবস্থানে রয়েছে,বর্তমানে এটা ৫০ লেভেলের উপরে রয়েছে, তবে এটা প্রত্যাশার তুলনায় কম। তাছাড়া জার্মানীর মেনুফেকচারিং পিএমআই পয়েন্ট ভাল অবস্থানে নেই, তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পরবর্তী রিলিজেও একই অবস্থা থাকতে পারে। তবে সার্ভিস পিএমআই বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে এবং প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারীতে ৫৪.৮ পয়েন্ট আসতে পারে। ফেব্রুয়ারীতে ইউরোজোনের মেনুফেকচারিং পিএমআই পূর্বাভাস ৪৯.৬ পয়েন্ট করা হয়েছিল,তবে পূর্বাভাসের থেকে কিছু কম ৪৯.২ এসেছিল। জানুয়ারিতে সার্ভিস পিএমআই বেশ ভাল ৫২.৩ এসেছিল এবং আশা করা হচ্ছে ফেব্রুয়ারীতে ৫২.৭ পয়েন্ট আসবে। ৬.Current Account শুক্রবার দুপুর ০৩:০০। ইউরোজোন সারপ্লাস জানুয়ারিতে ১৬.২ বিলিয়ন এসেছে, তবে আশা করা হয়েছিল ২১.৪ বিলিয়ন হবে। ইনডিকেটর অনুযায়ী আশা করা হচ্ছে ১৭.৩ বিলিয়ন ইউরো বৃদ্ধি পাবে। EUR/USD টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস: টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ১.১৭৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। সেপ্টেম্বরে ১.১৭২০ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। অক্টোবরের শুরুর দিকে ১.১৬২০ গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.১৫৭০। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৫১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। ফেব্রুয়ারীর শুরুর দিকে ১.১৪৩৫ নিন্ম পয়েন্ট ছিল। জানুয়ারিতে ইউরো/ডলারের জন্য ১.১৩৯০ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। পেয়ারটি প্রেসারে থাকা সেত্ত্বেও গত সপ্তাহে ১.১৩৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে এসেছিল। একই সময়ে ১.১২৯০ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ১.১২৭০ ডাবল বটোম ছিল। ২০১৮ সালের সর্বনিন্ম প্রাই‌স ছিল ১.১২১৫। ২০১৭ সালে ১.১০২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.০৯৫০। উপসংহার আমরা ধারণা করছি ইউরো/ডলারের প্রাইস কমতে পারে। বৈশ্বিক বানিজ্য যুদ্ধের ফলে ইউরোজোনের ইকনোমিতে স্থবির অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, এর প্রভাব বিশেষ করে মেনুফেকচারিং এবং রপ্তানি সেক্টরের উপর পরেছে। ব্রেক্সিট উত্তেজনা পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে সহায়তা করবে না এবং আশা করা হচ্ছে, ইউরোজোনের ইকনোমি বেশ দুর্বল অবস্থানে থাকবে। ফেডারেল রিজার্ভ এবং ইউরোপিয়ান কেন্দ্রীয় ব্যাংক Dovish অবস্থানে রয়েছে। আর ব্যাংকের এ অবস্থান পেয়ারটির উপর বেশ প্রভাব ফেলবে। সুতরাং পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×