Jump to content

Leaderboard


Popular Content

Showing most liked content since সোমবার 11 ডিসে 2017 in all areas

  1. 6 points
    একসময় জার্মানি, ফ্রান্সে, ইতালিরও নিজস্ব মুদ্রা ছিল। ফরেক্স ট্রেডারদের ট্রেড করার মত অনেক কারেন্সি পেয়ারও ছিল। তারপর ইউরো এল। দেশগুলোর নিজস্ব কারেন্সিগুলো বাতিল হল, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো চাইলেই ইচ্ছেমত কারেন্সি ছাপাবার ক্ষমতা হারাল। ইউরোপের বনেদি দেশগুলোর বনেদি কারেন্সি ইউরো খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় কারেন্সিতে পরিনত হল। EUR/USD হয়ে উঠল ফরেক্সের সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার। আপনি সবসময় EUR/USD ট্রেড করেন। কিন্তু, ইউরো সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন? জানেনকি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত হওয়ার পরেও কেন ডেনমার্ক, পোল্যান্ড ইউরো ব্যবহার করে না? জানেনকি ইউরোর দরপতনের উত্থান পতনের পেছনে প্রধান কারনগুলো কি কি? ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ২৭ টি দেশের মধ্যে (ব্রেক্সিটের কারনে UK কে বাদ দিয়ে ধরে) ১৯ টি দেশের প্রধান কারেন্সি হচ্ছে ইউরো। এই ১৯ টি দেশের তালিকা একটু পরে দিচ্ছি, তবে কয়েকটি বাদে গুরুত্বপূর্ন সবগুলো দেশই ইউরো ব্যবহার করে। যেমন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ড, স্পেন ইত্যাদি। এই সবগুলো দেশেরই আগে নিজস্ব কারেন্সি ছিল। তবে, ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারী ইউরো প্রচলনের পরে ইউভুক্ত এই দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করা শুরু করে। ইউভুক্ত যে দেশগুলো ইউরো ব্যবহার করে, তাদেরকে একত্রে ইউরোজোন বলে ডাকা হয়। যে ১৯ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, সাইপ্রাস, এস্টোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুইনিয়া, লুক্সেম্বার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন যে ৮ টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে নাঃ বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, হাঙ্গেরি, পোলান্ড, রোমেনিয়া ও সুইডেন এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, এই ৮ টি দেশ কেন ইউরো ব্যবহার করে না? UK কে ধরলে যা আগে ৯ ছিল। ১৯৯২ সালের Maastricht Treaty অনুযায়ী সকল ইউ সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ইউরো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু, সে সময়েই ডেনমার্ক ও ইউকে বিশেষ অব্যাহতি লাভ করে। আর বাকি ৭ টি দেশই এর পরে ইউতে যোগ দেয়। সাধারণত ইউতে যোগ দেয়ার পর প্রথম ২ বছর দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পর্যবেক্ষন করে ইউরো ব্যবহার চালু করার কথা। কিন্তু, ইউ এখন পর্যন্ত এই দেশগুলোকে ইউরো ব্যবহারে বাধ্য করার জন্য তেমন একটা চাপ দেয়নি। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বা ইউ গঠনের সময় বড় দেশগুলোর, বিশেষ করে জার্মানি ও ফ্রান্সের একটা গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এই দুটো দেশ, বিশেষ করে জার্মানি বিশ্বের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশ ছিল। অর্থনীতি খুব শক্তিশালী হওয়ায় স্বভাবতই জার্মানির কারেন্সি ডয়েচে মার্ক ছিল অনেক শক্তিশালী, যেটা রপ্তানীকারক যেকোন দেশের জন্য সমস্যা। কেননা, তাতে পণ্যের মূল্য বেড়ে যায় কারেন্সির উচ্চ মূল্যের কারনে। আবার, একার পক্ষে জার্মানি বা ফ্রান্স কারো পক্ষেই সম্ভব না ডলার বা পাউন্ডের মত জনপ্রিয় করা নিজেদের কারেন্সিকে, যেটা বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করার জন্য খুবই জরুরি। তাই, তাদের মাথায় এল যে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সবগুলো দেশের জন্য যদি একটি কারেন্সি চালু করা যায়, তাহলে এক ঢিলে কয়েকটি পাখি মারা যাবে। প্রথমত, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে অনেক তুলনামুলক দুর্বল দেশও থাকবে। যেহেতু, সবগুলো দেশের একটাই কারেন্সি থাকবে, তারমানে হচ্ছে সবগুলো দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির উপর ইউরোর মূল্যমান নির্ভর করবে। সেক্ষেত্রে, জার্মানির অর্থনীতি খুব শক্তিশালী পর্যায়ে চলে গেলেও, ইউরো ততটা শক্তিশালী হবে না। ফলে, রপ্তানীতে জার্মানি একটা অদ্ভুত সুবিধা লাভ করবে, শক্তিশালী কারেন্সি কিন্তু দুর্বল অর্থনীতি। আবার, ইউরো জার্মানির কারেন্সি থেকে দুর্বল হলেও ইউভুক্ত দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলোর কারেন্সি থেকে শক্তিশালী হবে। একই কারেন্সিতে পুরো ইউরোপজুরে ব্যবসা হলে, স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল বা মধ্যম সারির দেশগুলো জার্মান বা ফ্রান্সের কোম্পানিগুলোর সাথে প্রোডাক্টের গুনগতমানে পেরে উঠবে না, আবার চাইলেও নিজেদের কারেন্সিকে দুর্বল করে পন্যের মূল্য কমাতে পারবে না। ফলে, আস্তে আস্তে জার্মানি বা ফ্রান্স ইউ এর সামগ্রিক অর্থনীতি দখল করে নেবে। আরও সুবিধা আছে,, জার্মানি নিজে একা চাইলে অন্য কোন দেশ তার সাথে ডয়েচে মার্কে ট্রেড করবে না, কিন্তু, যদি ইউভুক্ত এতগুলো দেশ যদি বলে যে, আমার সাথে ব্যবসা বানিজ্য করতে হলে ইউরোতেই করতে হবে, ডলারে বা পাউন্ডে না, তখন তা করতে অন্য দেশগুলো বাধ্য। শুধু বুদ্ধি করে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে হবে। তাহলেই, নিজেদের সুবিধামত ব্যবসা বানিজ্য করা যাবে। তাছাড়া, ইউ এর ছোট বড় সবগুলো দেশেরই একটা অভিন্ন সুবিধা ছিল যে, এর ফলে আর দেশগুলোর বার বার কারেন্সি এক্সচেঞ্জ করার ঝামেলা পোহাতে হবে না। ইউরোপের মধ্যে আগে থেকেই দেশগুলো নিজেদের মধ্যে অনেক বেশি ব্যবসা বানিজ্য করত। এক কারেন্সি ব্যবহার করলে ইউরোপের ভেতরে ব্যবসা বানিজ্য আরো দ্রুত, সহজতর ও নিরাপদ হবে। কেননা, ইউরোর দাম যতই বাড়ুক কমুক না কেন, ইউরোপের ভেতর তো তার প্রভাব তেমন পড়বে না। ইউরোপের ভেতরের কোন কোম্পানি তার পণ্যের উৎপাদনের জন্য কাচামাল ইউরোপের ভেতর থেকেই বেশি কিনবে। কেননা, বাইরে থেকে কিনলে কারেন্সি এক্সচেঞ্জের ব্যয় ও ঝামেলা যেমন আছে, তেমনি কারেন্সিগুলোর ক্রমাগত উত্থান পতনের জন্যে কাচামালের দামও ক্রমাগত উঠানামা করবে। যেটা ইউরোজোনের মধ্যে মোটামুটি সবসময় স্থিতিশীল থাকবে। বলা বাহুল্য, এই পরিকল্পনা পুরোপুরি কাজে দেয়। আর এজন্যেই জার্মানি, চীনের এই বিশাল উত্থানের পরেও আজও বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানীকারক দেশ এবং খুবই শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অর্থনীতির অধিকারী। ফ্রান্স তার পরিকল্পনামত সাফল্য না পেলেও, ইউরোর সুবিধামত ঠিকই ভোগ করছে ইউরোর দুর্বল মূল্যমানের কারনে। অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ইতালি, গ্রীস। বিশেষ করে, গ্রীসের জনগণ ইউরোর উপর ত্যক্ত বিরক্ত ও নিজেদের অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে চাইছে। অন্য সব কারেন্সির তুলনায় ইউরোর উত্থান পতনের পেছনে তাই শুধুমাত্র একটি দেশ নয়, ইউরোজোনের সবগুলো দেশেরই ভুমিকা আছে। আর তাই, ইউরো ট্রেড করতে হলে আপনাকে শুধু জার্মানি বা ফ্রান্স নয়, সবগুলো দেশের অর্থনীতির হালচালের উপরই কমবেশি খেয়াল রাখতে হবে। ইউরোজোনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইসিবির উপর নজর রাখতে হবে। তবে, অসুবিধা যেমন আছে, সুবিধাও আছে। অনেক ফরেক্স ট্রেডার ইউরো শুধু সেল করেন যখন ইউরো শক্তিশালী হয়, কখনো বাই করেন না। কেননা, ইউরো তখনই শক্তিশালী হয়, যখন ইউরোজোনের সামগ্রিক অর্থনীতি ভালো থাকে। আর দুর্বল হওয়ার জন্য শুধুমাত্র একটি সদস্যরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বিপর্যস্ততাই যথেষ্ট। তাই, অভিজ্ঞ ফরেক্স ট্রেডার মাত্রই বুঝেন যে, ইউরো খুব শক্তিশালী হওয়া মানেই হচ্ছে ইউরো সেল করার আর প্রফিট করার সময় চলে এসেছে। আর এটাই ফরেক্স ট্রেডারদের মাঝে ইউরোর এত জনপ্রিয়তার প্রধান রহস্য, এর স্থিতিশীলতা। ইউরো গঠনের ইতিহাস থেকেই বুঝতে পারছেন যে, এর পেছনের প্রধান উদ্যোক্তা জার্মানি বা ফ্রান্স কখনোই চাবেনা ইউরো খুব শক্তিশালী হোক। আর এটাও চাবেনা যে খুব বেশি দুর্বলও হয়ে পড়ুক। তাই, পাউন্ড বা ইয়েনের মত অস্বাভাবিক উত্থান পতন ইউরোর কমই হয়। এতগুলো দেশের অর্থনীতির খবর রাখার ঝামেলা, নাকি ইউরোর এই অদ্ভুত স্থিতিশীলতা, কোনটি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ন? আপনার সুবিধা অনুসারে এখন আপনি নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন, আপনি ইউরো ট্রেড করবেন কি না! কোন কোন ঘটনা বা ইভেন্টের কারনে ইউরো বা এর সবচেয়ে জনপ্রিয় কারেন্সি পেয়ার EUR/USD সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়, তা নিয়ে আলোচনা করব আরেকদিন। আপনি নিয়মিত ইউরো ট্রেড করে থাকলে আরো পড়ুনঃ ECB – ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক কি? ফরেক্স মার্কেটে ইসিবির প্রভাবই বা কি?
  2. 5 points
    ফরেক্স মার্কেটে যদি আপনি দীর্ঘদিন ধরে ট্রেড করে থাকেন, তবে সম্ভবত আপনার সবচেয়ে লাভের এবং লসের ট্রেডটি পাউন্ডের কোন পেয়ারের। হ্যাঁ, পাউন্ড হল সবচেয়ে ভোলাটাইল কারেন্সিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। ঐতিহাসিক ভাবেও পাউড কারেন্সিটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ অবস্থান দখল করে আছে। ফরেক্স ট্রেড করতে হলে শুধু প্রাইস কোনদিকে বাড়ছে বা কমছে তা জানাই শুধু গুরুত্বপূর্ণ নয়, সাথে সাথে আপনি যে দুটি কারেন্সি বা মুদ্রা নিয়ে ট্রেড করছেন, সেগুলো সম্পর্কে জানাও বেশ জরুরী। গত আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে ডলার আদ্যোপান্ত নিয়ে। আজকের লেখায় আমরা জানবো পাউন্ড কি, পাউন্ড সম্পর্কে বিস্তারিত এবং কি কি বিষয় পাউন্ডকে প্রভাবিত করে। পাউন্ড কি? পৃথিবীতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মুদ্রা হচ্ছে ব্রিটিশ পাউন্ড। ব্রিটিশ পাউন্ডকে “পাউন্ড স্টারলিং” ও বলা হয়। পাউন্ড বিশ্বের চতূর্থ সর্বোচ্চ ট্রেড হওয়া মুদ্রা এবং তৃতীয় বৃহত্তম রিজার্ভ কারেন্সি। এর পূর্ণরুপ Great Britain Pound বা সংক্ষেপে GBP নামে পরিচিত। পাউন্ড সংশ্লিষ্ট কারেন্সি পেয়ারগুলোকে আমরা GBP/XXX অথবা XXX/GBP এভাবে দেখতে পাই। আসুন, পাউন্ড সম্পর্কে আরো জানি অর্থনীতির ইতিহাসে পাউন্ডের গুরুত্ব রয়েছে অনেক। একটা সময় ছিলো যখন পাউন্ডই ছিলো বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুদ্রা। কিন্তু বর্তমান মার্কেটের আন্তর্জাতিক ট্রেড এবং অ্যাকাউন্ট বিবেচনায় পাউন্ডের সেই অবস্থান দখল করেছে মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ এবং ব্রিটিশ সম্রাজ্য ভেঙ্গে পড়ার ফলশ্রুতিতে ১৯৪০ সালে পাউন্ড তার শ্রেষ্ঠত্ব হারায়। এরপর ধাপে ধাপে পাউন্ড বিভিন্ন সময় অর্থনৈতিক দুরাবস্থায় পড়ে। হেজ ফান্ড এবং কারেন্সি এক্সচেঞ্জের ইতিহাসেও পাউন্ড গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রেখেছে। ১৯৯০ সালে বৃটেন ইউরোপিয়ান এক্সচেঞ্জ রেট মেকানিজমে যোগ দেয় এই প্রত্যাশায় যে এটি এক্সচেঞ্জ রেটের সমস্ত অনিশ্চয়তা দূর করতে সক্ষম হবে এবং একটি মাত্র কারেন্সি ব্যবহারের পথ সুগম করবে। দুর্ভাগ্যবশত এই পদ্ধতির মাধ্যমে আশানুরূপ সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়নি এবং পাউন্ড বিভিন্ন দিক থেকে চাপের মুখে পড়ে। এ সময়ে বিখ্যাত কারেন্সি বিশেষজ্ঞ জর্জ সরোস বলেন যে পাউন্ডের এই রেট টিকবে না এবং অনেকেই তখন বিপুলভাবে পাউন্ড শর্ট করেন। এবং পাউন্ডও ইতিমধ্যে এই সিস্টেম থেকে বেরিয়ে আসে যা Black Wednesday নামে পরিচিত। জর্জ সরোস একাই ১ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমান লাভ করেন সেই ঘটনার কারণে। সম্প্রতি ব্রেক্সিটের কারনেও পাউন্ড বিপুলভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। ফরেক্স মার্কেটের সকল গুরুত্বপূর্ণ কারেন্সির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে তাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তেমনি পাউন্ড মূলত নিয়ন্ত্রিত হয় ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক - ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের মাধ্যমে। মুদ্রাস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রন সব কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডও সর্বদা চেষ্টা করে যাচ্ছে মুদ্রাস্ফীতির হার ২% এ বজায় রাখতে। যে বিষয়গুলো পাউন্ডকে প্রভাবিত করে যেই সাধারন অর্থনৈতিক বিষয়গুলো ডলারকে প্রভাবিত করে, সেগুলোর বেশিরভাগই অন্যান্য কারেন্সিগুলোকেও প্রভাবিত করে। পাউন্ডও এর ব্যাতিক্রম নয়। ট্রেডিংয়ের জন্য ট্রেডাররা পাউন্ডের অর্থনৈতিক ডাটা বা রিপোর্টগুলকে খুব গুরুত্বের সাথে নেয়। সুদের হার বা ইন্টারেস্ট রেটের পরিবর্তন, জিডিপি, রিটেইল সেলস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশন, মুদ্রাস্ফিতি এবং ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্টগুলো এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হয়। এছাড়া Employment রিপোর্টগুলো যেমন কি পরিমান নতুন চাকরী হচ্ছে, বেকারত্বের হার ইত্যাদি রিপোর্টগুলোও মার্কেটে প্রভাব ফেলে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বক্তব্য মার্কেটে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। পাউন্ড ট্রেডিং করার সময় এ সকল বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে। রিজার্ভ কারেন্সির দিক থেকে পাউন্ডের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। বর্তমানেও বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী কারেন্সি হিসেবে পাউন্ড মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে। জনসংখ্যা এবং আকারের দিক থেকে খুব বড় না হলেও ব্রিটেন বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর একটি এবং বিশ্ব নেতৃত্বের দিক থেকেও অন্যতম। ভোলাটাইল কারেন্সি হিসেবে পরিচিত হলেও ডলারের শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে পাউন্ডের অবস্থান নিঃসন্দেহে সুদৃঢ়। পরবর্তীতে আমরা আলোচনা করবো কোন ৫ ধরনের নিউজ পাউন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে।
  3. 4 points
    আজ এনএফপিঃ আজ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭:৩০ টায় প্রকাশিত হবে এনএফপি নিউজ। প্রতি মাসে ১ম শুক্রবারে সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে আমেরিকার এই গুরুত্বপূর্ণ নিউজটি প্রকাশিত হয়। গতবার ফলাফল ছিল ১৪৮০০০ (148K) যা প্রত্যাশিত ১৯০০০০ (190K) থেকে কম ছিল। এবার আশা করা হচ্ছে ১৮১০০০ (181K). নিউজের ফলাফল যদি ১৮১০০০ (181K) থেকে বেশী আসে, তবে তা ডলারের জন্য পজিটিভ হতে পারে। আর ১৮১০০০ (181K) এর কম হলে তা ডলারের জন্য নেগেটিভ হতে পারে। এনএফপি নিউজের ফলাফল এক্সপেক্টেড থেকে প্রতি ৭০০০০ (70K) পরিবর্তনের জন্য ৭০ পিপসের মত মুভমেন্ট হতে পারে। ডলারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিউজ হওয়ায় এ নিউজটির প্রভাব মেজর কারেন্সিগুলোতে বেশি পড়ে। EURUSD, GBPUSD, USDJPY ইত্যাদি ডলারের পেয়ারগুলো বেশ প্রভাবিত হয়। প্রত্যাশিত ফলাফলের বেশি আসলে EURUSD, GBPUSD ইত্যাদি পেয়ারগুলোর প্রাইস কমতে পারে এবং USDJPY, USDCHF ইত্যাদি পেয়ারগুলোর প্রাইস বাড়তে পারে। প্রত্যাশিত ফলাফলের কম আসলে এর বিপরীত প্রভাব মার্কেটে দেখা যেতে পারে। Non-Farm Employment Change রিপোর্টের বিস্তারিত এবং ফলাফল পাওয়া যাবে সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটেঃ https://www.forexfactory.com/#detail=86521 পরবর্তী NFP নিউজ পাবলিশ হবে মার্চ মাসের ২য় শুক্রবার ৯ মার্চ, ২০১৮ তারিখে। Non-Farm Employment Change রিপোর্টের পাশাপাশি Average Hourly Earnings m/m এবং Unemployment Rate রিপোর্ট দুটিও মার্কেটে প্রভাব রাখে। এনএফপি রিপোর্ট আসলে কি? হুমায়ূন আহমেদের নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ এর সেই ব্ল্যাক ফ্রাইডে বাস্তবে বছরে মাত্র একবার আসলেও প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার কোনো না কোনো ফরেক্স ট্রেডারের জন্য ব্ল্যাক ফ্রাইডে। কত শত ট্রেডার যে তাদের ট্রেডিং অ্যাকাউন্টটি শূন্য করে এই দিনে, যে বা না জেনে, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। কারন? মজার ব্যাপার হচ্ছে, অধিকাংশ ট্রেডারই অ্যাকাউন্টটা শুন্য করে এই কারনের উত্তর খুঁজে। কারন মূলত একটাই, ইউএস ননফার্ম পেয়-রোল। নামে ননফার্ম হলেও শুধু কৃষি নয়, সাথে সরকারি কর্মচারী, পরিবারের ব্যক্তিগত কর্মচারী আর অলাভজনক প্রতিস্থানগুলোর কর্মচারীদের বাদ দিয়ে মার্কিন শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার প্রকাশ করে পূর্ববর্তী মাসে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির সংখ্যা কি আগের থেকে বাড়ল না কমল। শুধু তাই না, বাড়লে কয়টা বাড়ল আর কমলেও কয়টা কমলেও সে সংখ্যাটাও। যেহেতু, কৃষি খাতকে বাদ দিয়েই এই হিসাবটা করা হয়, তাই এর নাম হয়েছে ননফার্ম পেরোল। কি আছে এই রিপোর্টে যে তা প্রবলভাবে ফরেক্স মার্কেটকে নাড়া দেয়ার ক্ষমতা রাখে? শুধু ফরেক্স বললে ভুল হবে, স্টক মার্কেট, বন্ড মার্কেটেও বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে ইউএস ননফার্ম পেরোল বা এনএফপি এর কারনে। প্রথমত, দেশটির নাম আমেরিকা। ঋণ করতে অথবা যুদ্ধ বাঁধাতে ওস্তাদ হলেও এখনো বিশ্বের এক নম্বর অর্থনৈতিক শক্তি দেশটি। দ্রুত বর্ধনশীল বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনীতি চীনেরও যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যেতে লাগবে অনেক বছর যদি তারা বর্তমান প্রবিদ্ধি ধরে রাখতে পারে (ইতিমধ্যেই কমতে শুরু করেছে চীনের প্রবিদ্ধি). সবচেয়ে আশাবাদী ব্যক্তিও আগামী দশকের আগে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে টপকাতে পারবে এমন আশা করেন না। আর সামরিক শক্তির দিক থেকে তো আমেরিকার ধারে কাছেও কেউ নেই। বলা হয়, আমেরিকা বাদে বিশ্বের শীর্ষ ২০ পরাশক্তির সম্মিলিত সমরশক্তিও এক আমেরিকার সমান নয়। মহাকাশ শাসনেও প্রায় একক আধিপত্য আমেরিকার। গায়ের জোরে ডলারকে বিশ্বের রিজার্ভ কারেন্সিও বানিয়েছে দেশটি। খরচের দিক থেকেও আমেরিকানদের তারিফ করতে হয়, এখানেও এরা এক নম্বর। আর তাই সারা বিশ্বের বড় বড় সকল কোম্পানির শাখা আছে আমেরিকায়। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার হচ্ছে আমেরিকায়, এমনকি আমেরিকার সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী চীনেরও সবচেয়ে বড় রপ্তানির বাজার আমেরিকায়। এখন সেই আমেরিকার অর্থনীতি ঠিকঠাক মত চলছে কিনা সেদিকে নজর রাখা দরকার না? আমাকে আপনাকে কষ্ট না করলেও হবে, এই কাজটি করার জন্য অসংখ্য প্রতিষ্ঠান আছে। বড় বড় কোম্পানিগুলো পাশাপাশি ফরেক্স, ষ্টক ট্রেডাররাও চোখ রাখে আমেরিকার সামগ্রিক অর্থনীতির উপরে। আমেরিকার অর্থনীতি ভালো থাকলে শেয়ার বাজারে সুবাতাস বয় (ডিএসি এর সাথে আবার তুলনা করতে যাবেন না), আর খারাপ হলে ঘটে এর উল্টোটা। প্রভাব পড়ে ফরেক্স মার্কেটেও। এনএফপি গুরুত্বপূর্ণ এই কারনে যে, আমেরিকার চাকরির বাজারের চালচিত্র মোটামুটি বোঝা যায় এই রিপোর্টের কারনে। চাকরীর সংখ্যা বাড়ল না কমল সেটার পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয়ের উল্লেখ থাকে এনএফপি রিপোর্টে, যেমনঃ মোট কর্মক্ষম জনশক্তির কত শতাংশ বেকার কোন কোন সেক্টরে চাকরি বেড়েছে বা কমেছে ঘণ্টাপ্রতি গড় বেতন পূর্ববর্তী মাসের এনএফপি রিপোর্টের সংশোধন যেভাবে তৈরি করা হয় এনএফপি রিপোর্টঃ খুব স্বচ্ছ এবং যতটা সম্ভব নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয় এনএফপি রিপোর্ট। প্রথমে, সরকারী বেসরকারি উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের তথ্যই যোগাড় করে মার্কিন শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো। যেহেতু, প্রায় ২৫ কোটি জনসংখ্যা আছে আমারিকায় এবং এই জনসংখ্যার একটি বড় অংশই কর্মক্ষম, তাই আলাদাভাবে প্রত্যেকের উপর জরিপ চালান সম্ভব না প্রতি মাসে। আর তাই, মার্কিন পরিসংখ্যান ব্যুরো বেছে নিয়েছে স্যাম্পল পদ্ধতি (দৈবচয়ন). প্রতি মাসে ১ লক্ষ ৪১ হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর জরিপ চালায় সংস্থাটি আর সরকারি বিভিন্ন এজেন্সি মিলিয়ে প্রতিনিধিত্ব করে প্রায় আরও ৪ লক্ষ ৮৬ হাজার কর্মক্ষেত্র। চিঠি, ইমেইল, ইন্টারনেট অথবা অত্যাধুনিক ইডিআই প্রযুক্তিতে জরিপে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মচারীদের তথ্য পাঠায় পরিসংখ্যান ব্যুরোর কাছে। এনএফপি রিপোর্টের প্রকাশের বেলায় প্রথম ঝামেলাটা বাঁধে এখানে। ছোটো বড় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের সাধ্য অনুযায়ী তথ্য পাঠাতে গিয়ে প্রতি মাসে অনেকেই দেরি করে বা সেই তথ্য পেতে দেরি হয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর। যেহেতু, এনএফপি রিপোর্ট প্রকাশের তারিখ নির্ধারিত, প্রতি মাসের প্রথম সোমবার, তাই হাতে তা তথ্য আসে তা দিয়েই রিপোর্ট প্রকাশ করে দেয় পরিসংখ্যান ব্যুরো। এই রিপোর্টটি পরে দুইবার সংশোধন করা হয়। প্রথমবার, পরিবর্তী মাসের এনএফপি রিপোর্ট প্রকাশের সময়, দ্বিতীয়বার আরও এক মাস পরে। এছাড়াও পরবর্তীতে ছোটখাটো কিছু পরিবর্তন আনা হলেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চলতি এনএফপি রিপোর্ট ও আগের এনএফপি রিপোর্টের সংশোধন। খুবই ঝামেলার কাজ, তাই না? অথচ দেখুন, এই ঝামেলার কাজটিই কিনা প্রতি মাসে সুন্দরভাবে করে যাচ্ছে মার্কিন পরিসংখ্যান ব্যুরো। এনএফপি এর প্রভাবঃ যেহেতু, প্রতি মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিউজগুলোর একটি হচ্ছে এনএফপি, তাই অনেক ট্রেডারই অপেক্ষা করে বসে থাকে এনএফপি ট্রেড করার জন্য। প্রায় প্রতিটি এনএফপি এর আগেই একই ঘটনা ঘটে। এনএফপির আগে আগে ট্রেডাররা ট্রেড করতে চান না বলে মার্কেটে মুভমেন্ট বা ভোলাটিলিটি কমে যায়, এনএফপি এর ঠিক আগেই শুরু হয় বড় বড় স্পাইক। সেকেন্ডে মার্কেট পরিবর্তিত হয় ৫-১০ পিপস করে। হঠাৎ করে পাগল হয়ে যাবে মার্কেট। হয় টানা পড়া/বাড়া শুরু করবে অথবা একলাফে ১৫-২০ পিপস করে কমবে/বাড়বে। হারিকেন শুরুর পূর্ব মুহূর্তে সাগর যেমন স্থির থাকে, হটাত করে শুরু হয় বড় বড় ঢেউ এর নাচন, ফরেক্স মার্কেটের অবস্থাও হয় তেমনি। আর এই ঢেউ এ ভেসে গিয়ে সলিল সমাধি ঘটে পিপস সংগ্রহের অভিযানে বের হওয়া মানি মানেজমেন্ট না জানা অসংখ্য ট্রেডারের ট্রেডিং অ্যাকাউন্টটির। সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ অত্যাধিক ঝুঁকি নিয়ে নিউজ ট্রেড করা অসংখ্য ট্রেডিং অ্যাকাউন্টের অকাল মৃত্যুর অন্যতম কারণ।
  4. 3 points
    যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতি যদি আগের থেকে ভালো হতে থাকে, তাহলে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেড যে সুদের হার বাড়াবে, সেটাই তো স্বাভাবিক। বেশ কয়েক বছর ধরেই সুদের হার বাড়িয়ে যাচ্ছে ফেড। আর এই ধারাবাহিকতায় গতকাল বুধবার সুদের হার আরও একবার বাড়ল। আর সুদের হার বাড়ালে ডলার যে শক্তিশালী হবে, সেটা তো জানা কথা। গতকাল বুধবার ফেড সুদের হার শতকরা শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে, ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে ২ শতাংশে উন্নীত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি নিয়ে বেশ আশাবাদী ফেড। শুধু তাই নয়, FOMC committee এও বলেছে যে এ বছরে আরো দুইবার বাড়ানো হতে পারে সুদের হার। তবে সুদের হার বাড়ানোর পর মার্কেট যে অপ্রত্যাশিত মুভমেন্ট করে, এবার কিন্তু তেমনটি দেখা যায়নি। বেশ কয়েকদিন ধরেই ১.১৭-১.১৮ রেঞ্জে ট্রেড হচ্ছে ইউরো ইউএসডি। এখনো সেই রেঞ্জ ব্রেক হয়নি
  5. 3 points
    গুগলের নাম আমরা কে না জানি! আপনি হয়ত বিডিপিপসের সন্ধান পেয়েছেন এই গুগল থেকেই। গত ২০ বছরে গুগল পুরো পৃথিবীকেই বদলে দিয়েছে গুগল সার্চের মাধ্যমে। ২০ বছর আগে কে জানতো যে গুগল আজকে এই অবস্থানে আসবে? আর চাইলেই তো তখন গুগলে বিনিয়োগ করা যেত না স্টক ট্রেডের জন্য। কিন্তু, ২০ বছর আগে না হলেও, ১০ বছর আগে কিন্তু ঠিকই বোঝা গিয়েছিল, গুগল কত দূর যেতে পারে। তাই, বুদ্ধি করে যারা তখন গুগুলের স্টকে বিনিয়োগ করেছিলেন, দশ বছর পরে তার ফলাফল কি? আপনাকে এটা জানতে হবে, কারন ১০ বছর আগে গুগল যে জায়গায় ছিল, ফেসবুক আজ সেখানে আছে। আর আগামী ১০ বছর নিয়মিতভাবে ফেসবুক নিজের প্রবিদ্ধি ধরে রাখবে। যাই হোক, ল্যারি পেজ এবং সার্গে ব্রিন যখন গুগলের সাথে বিশ্বকে উপস্থাপন করার জন্য একটা সুযোগ খুঁজছিলেন তখন থেকেই সার্চ ইঞ্জিন ছিলো। মানে, একদম আহামরি নতুন কিছু তারা নিয়ে আসেননি। বরং, তারা ভিন্নভাবে চিন্তা করেছেন কিভাবে সার্চ ইঞ্জিনকে আরো উন্নত করা যায়, ইয়াহুকে টপকানো যায়। তাদের সেই সিদ্ধান্তের উপযুক্ত প্রতিদান তারা পেয়েছেন। ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, ২০ বছর পর তাদের উভয়ের সম্পদের পরিমাণ দাড়ায় প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার। আপনি যদি আজ থেকে ১০ বছর আগে গুগলে বিনিয়োগ করার সুযোগ গ্রহন করতেন তাহলে আপনার হয়তো বিলিয়ন ডলার থাকতো না, কিন্তু নিঃসন্দেহে বুদ্ধিমানের মত একটি কাজ হত। এমনকি বিখ্যাত ওয়ারেন বাফেটও এমনটিই মনে করেন এবং তিনি তখন গুগলে বিনিয়োগ না করার জন্য এক প্রকার অনুতপ্তও বটে। এটা আমার মনগড়া কোন কথা না, বরং বিখ্যাত সংবাদ সংস্থা সিএনবি অবলম্বনে বলছি। যাই হোক, বাংলাদেশের পরিপেক্ষিতে আপনি তেমন আহামরি কোন লাভ পেতেন না। কারন,তখন গুগলে বিনিয়োগ করলে আপনার লাভের পরিমান আজ মোটামুটিভাবে প্রায় তিন গুণের কাছাকাছি হয়ে যেতো। ২০০৭ সালে গুগলের অঙ্গ সংগঠন এ্যলফাবেটের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১,০০০ ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনি আজ ২,৯২২ ডলারের মালিক হতে পারতেন। ১০ বছর আগে এই পরিমান টাকা বাংলাদেশের কোন ব্যাংকে রাখলেও লাভের পরিমান এরকমই হত, এমনকি বেশিও হতে পারতো। কিন্তু, পার্থক্য এই যে, বাংলাদেশে যেখানে সুদের হার ১২-১৫ শতাংশ ছিল, সেখানে উন্নত দেশগুলোতে মাত্র ১-২ শতাংশ ছিল। তাই,উন্নত দেশগুলোর যেকেউ গুগলে বিনিয়োগ করলে ব্যাংক থেকে অন্তত ১০-১২ গুন বেশি লাভ করতে করতে পারত। শুধু পারত না, অনেকে এমন লাভ ইতিমধ্যেই করেছেন। সিএনবি এই হিসাবটি বের করেছে একটি অর্থনৈতিক ওয়েবসাইট “How Much” থেকে। ওয়েবসাইটটি ২০০৭ সালে জনপ্রিয় কিছু স্টকে ১,০০০ ডলার বিনিয়োগ করলে আজ এর মূল্য কেমন হত তার একটা ধারণা প্রদান করে। (অনেক দরকারী এই ওয়েবসাইটি ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন) চিত্রে, নীল বৃত্তগুলো হচ্ছে সেই সময়ে ১০০০ ডলার বিনিয়োগ এবং গোলাপী বৃত্তগুলো হচ্ছে ওই বিনিয়োগের বর্তমান মূল্য। তারমানে, গোলাপী বৃত্তগুলো যত বড় হবে, সেই ১০০০ ডলার বিনিয়োগের বর্তমান মূল্য আজ ততোটাই বেশী। ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, গুগুল নয়, সবচেয়ে বেশী লাভ হত, নেটফ্লিক্সের শেয়ার থেকে। ১ হাজার ডলার বিনিয়োগ, ৫২ গুন বেড়ে আজ হত প্রায় ৫২ হাজার ডলার। কিন্তু, নেটফ্লিক্স যে আজ এই অবস্থানে আসবে, সেটা তখন অনুমান করা কোন সহজ কাজ ছিল না। তাই, এই ব্যাপারটাও মাথায় রাখতে হবে। বোঝা যাচ্ছে, কোন কোম্পানী প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে তার স্টক কিনতে পারলে সবচেয়ে বেশী লাভ করা যায়। কিন্তু, এটা জানা খুব কঠিন কোনটি প্রতিষ্ঠিত হিওতে যাচ্ছে, কেননা অনেকগুলোই ভালো সম্ভাবনা থাকার পরেও ব্যর্থ হয়। অপরদিকে, প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির যদি আরো ভালো করার সুযোগ থাকে, তাহলে সেটা কেনা নিরাপদ কিন্তু তুলনামূলকভাবে কম লাভ হবে। তাই, এটা মাথায় রাখতে হবে, যদিও তখন গুগলের স্টক এর অবস্থা ভালো ছিলো, কিন্তু অন্য স্টকগুলোর কোনোটা ভালো করছিলো আবার কোনোটা খারাপ করছিলো। অতীতের কোন অবস্থা দেখে ভবিষ্যতে কি হবে তা বলা যায় না। যদিও গুগল এখন এ্যলফাবেট এবং এ্যলফাবেট তার অঙ্গসংগঠনগুলোর কার্যকমে কিছুটা চিন্তিত। যেমন, ইউটিউব আপত্তিকর এবং অবমাননাকর বিষয়বস্তু সরাতে অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে। তারপরেও বিনিয়োগকারীগণ কোম্পানীটিতে আস্থা রাখছে কারণ সার্চ ইঞ্জিনের উন্নতি, ফোনে এর সহজ ব্যাবহার, ভার্চুয়াল সাহায্যকারী হিসেবে এর অবদান, কোম্পানিটির সৃজনশীলতা এবং বিনোদনের সুবিধা প্রদান ইত্যাদি তো আর অস্বীকার করা যাবেনা। এম.কে.এম পার্টনার্স ফার্মের একজন গবেষক রব স্যান্ডারসন বলেন, ২০১৮ সালে এ্যলফাবেটের উচিৎ বিনিয়োগকারীদেরকে আরও বেশী পরিমানে লভ্যাংশ প্রদান করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনি যদি গুগলে বিনিয়োগের ব্যপারে আগ্রহী হন অথবা স্টক মার্কেটে প্রবেশের কথা ভাবেন, তবে আপনাকে সতর্কতার সাথে শুরু করতে হবে। ওয়ারেন বাফেট সহ আরও অন্যান্য অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীগণ যেমন মার্ক কিউবান এবং টনি রবিন্স নতুনদেরকে ইন্ডেক্স ফান্ড এর মাদ্যমে শুরু করার পরামর্শ প্রদান করেন। ইন্ডেক্স ফান্ড প্রত্যেকটি স্টককে একটি ইন্ডেক্সে ধরে রাখে এবং লো টার্নওভার রেট ( low turnover rate), এ্যটেন্ডেন্ট ফি ( attendant fee ) এবং ট্যাক্স বিলের ( tax bill ) মত সুবিধা প্রদান করে। এ ব্যাপারে আরো জানতে বিডিপিপসের সাথেই থাকুন!
  6. 3 points
    আপনি কি কখনও খেয়াল করেছেন যে একটি ট্রেডে ভালো লাভ করার পর ঠিক পরের ট্রেডেই আপনি লস করে বসেন? অনেক ট্রেডারই যখন পর পর কয়েকটি ট্রেডে ভালো লাভ করে বসেন, তখন তার মধ্যে এক ধরনের ভ্রান্ত আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। এ আত্মবিশ্বাস অনেক সময় আপনাকে ভুল ট্রেড নিতে উৎসাহিত করে। আবার অনেক সময় টানা কয়েকটি লাভ আপনাকে আরও বেশী বেশী ট্রেড নিতে উৎসাহিত করে, যার ফলশ্রুতিতে আপনি মার্কেট থেকে ভালো রকম সিগন্যাল না পেয়েই নতুন ট্রেড দিয়ে লস করে বসেন। আমরা সব সময় ট্রেডে লস করার মানসিক প্রেসার সম্পর্কে আলোচনা করা থাকি। কিভাবে ট্রেডে লস করে বসলে তা আমাদের মাথায় মানসিক প্রেসার হিসেবে কাজ করে এবং আমাদের আরও বড় ঝুঁকি নিয়ে লস রিকভার করতে প্রভাবিত করে ফেলে। কিন্তু ট্রেডে টানা লাভ করারও এক ধরনের নেগেটিভ প্রভাব আমাদের ওপর পড়ে। প্রত্যেক ট্রেডারেরই মনে রাখা জরুরী যে, আত্মবিশ্বাসী হওয়া ভালো, কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হওয়া কখনোই ভালো নয়। এ অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস কয়েকভাবে আমাদের ওপর জেঁকে বসতে পারে। যখন আপনি টানা কয়েকটি ট্রেডে লাভ করবেন, আপনার মনে হবে আমার স্ট্রাটেজি বেশ ভালো কাজ করছে। বা আমার ইন্ডিকেটর বেশ ভালো কাজ করছে। তাই আপনি যে পদ্ধতিতে ট্রেড করছেন, তা থেকে যেকোনো ধরনের সিগন্যাল পেলেই তার ওপর ভিত্তি করে ট্রেড নিয়ে বসবেন। আগে হয়তো আপনি ট্রেড নেওয়ার আগে অনেকগুলো বিষয় বিবেচনা করে কার্যকরী মনে হলেই ট্রেড নিতেন, কিন্তু এখন আপনি যেহুতু মনে মনে ট্রেড নেওয়ার তালেই আছেন, তাই যেকোনো সুযোগ পেলেই আপনি ট্রেডটি নেওয়ার চেষ্টা করবেন। ফলশ্রুতিতে ভুল ট্রেড নিয়ে বসবেন। আরেকটি ব্যাপার খুব বেশী হয়, যা আমি নিজেও অনেকবার ফেস করেছি, তা হল মার্কেটে কাল্পনিক প্যাটার্ন তৈরি করা। আমি যখন কয়েকটি ট্রেডে টানা লাভ করেছি, এবং মার্কেটে নির্দিষ্ট দিকে আরও ট্রেড করতে চেয়েছি, তখন জোড় করে মার্কেটে ঐ প্যাটার্ন আরও দেখতে চেয়েছি। ট্রেন্ড লাইন বা চ্যানেল না মিললেও জোড় করে সেগুলো নিজের মত করে আঁকা, জোড় করে ক্যান্ডেল প্যাটার্ন তৈরি হয়েছে ভেবে নেওয়া এগুলোর মধ্যে অন্যতম। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস বা ট্রেড করার নেশা এভাবে আপনাকে প্রভাবিত করে ফেলবে, যার ফলে আপনি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন। লাভবান একটি ট্রেড করার পর, আবার মার্কেটে ঝাঁপিয়ে পরার জন্য আমরা নিজেদের মনকে অবচেতনভাবেই এসব বুঝিয়ে থাকি। ট্রেডে লাভ করার পর আবার খুব দ্রুত নতুন ট্রেডে নেমে পরাটাই অনেক বেশী ঝুঁকিপূর্ণ। ট্রেডে জিতলেই আমাদের ব্রেনের মধ্যে গ্রিন পিপস হরমোন (ডোপামিন) নিঃসরিত হয়, যা আমাদের আরও বেশী বেশী ট্রেড করতে উৎসাহিত করে, আমাদের বিশ্বাস করতে সাহায্য করে যে আমরা প্রফেশনাল ট্রেডার হয়ে গেছি, ফরেক্স মার্কেটে লস বলে কিছু নেই, ট্রেড করলেই শুধু প্রফিট আর প্রফিট। মস্তিষ্ক থেকে ডোপামিন হরমোন তখনই নিঃসরিত হয়, যখন আমরা খুব খুশি হই। এই হরমোনের প্রতি আমরা আসক্ত হয়ে পড়ি বিধায় আমরা বারবার ট্রেডে লাভ করে খুশি হতে চাই। এভাবেই ট্রেডে লাভ করার পর আবার ট্রেড করার ইচ্ছা জাগে আমাদের মাঝে। স্টিভ জবসের এক বিখ্যাত উক্তি আছে, Stay Hungry, Stay Foolish. আপনার ক্ষুধার্ত থাকা অনেক বেশী জরুরী। জ্ঞ্যানের জন্য ক্ষুধার্ত। নিজেকে খুব বড় ভেবে ফেললে সমস্যা। নিজেকে বোকা ভাবতে হবে। তাহলেই নিজেকে আরও অনেক ভালো এবং উন্নত করার ক্ষুধা আসবে নিজের মধ্যে থেকে। এখন থেকে একটি ট্রেডে লাভ করার পর আপনার দায়িত্ব আগের থেকে অনেক বেড়ে গেল। কারণ পরবর্তী ট্রেডটি আপনাকে আরও সাবধানে নিতে হবে। ফরেক্স মার্কেটে আন্দাজে ট্রেড নিলে টিকে থাকার কোন সুযোগ নেই। যেহুতু ট্রেডে লাভ করলে, পরবর্তীতে লস করার বড় ধরনের প্রবনতা থাকে, তা এড়াতে হলে আমাদের অবশ্যই কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। পদক্ষেপগুলো হতে পারে নিম্নরূপঃ আপনার একটি ট্রেডিং স্ট্রাটেজি/প্ল্যান থাকতে হবে, যা আপনি সম্পূর্ণভাবে বোঝেন এবং তা মেনেই আপনি ট্রেড করবেন ভাল রকম লাভ হলে, পরের ট্রেডটি নেবার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। পরবর্তী ট্রেডে লস হতে পারে এমন ট্রেড না নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে আপনার ট্রেডিং প্ল্যানে কিছু চেকলিস্ট থাকতে হবে। মানে ট্রেড নেওয়ার আগে আগে আপনি কিছু বিষয় ফিল্টার করবেন, অর্থাৎ ঐ বিষয়গুলোতে পাশ করলেই আপনি ট্রেডটি দেবেন, অন্যথায় না সবসময় নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে যে ট্রেডটি কি বুঝে দিচ্ছি, নাকি লোভে পড়ে দিচ্ছি? বিবেক আমাদের সবচেয়ে ভালো বন্ধু মার্কেট থেকে নির্দিষ্ট কোন সিগন্যাল খুঁজবেন না, তাহলে আপনি তাই দেখতে পাবেন। বরং মার্কেট আপনাকে যুক্তিযুক্তভাবে যেই সিগন্যাল দিবে, তাকেই বিশ্বাস করতে শিখুন ছোটবেলায় স্কুলে আমরা সবাই ভাব-সম্প্রসারণ পড়েছি যে, মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে। সূর্য ওঠার পরও যেমন মেঘ এসে তা ঢেকে দিতে পারে, তেমনি লাভ করতে থাকলে যদি সতর্ক না হন, লস চলে আসতেও সময় লাগবে না। তাই লাভ করে ফেললে আমাদের উচিত সতর্ক থাকা যেন নিজের ভুলে আমরা লসকে ডেকে না আনি।
  7. 3 points
    মার্কেট এনালাইসিসও যে এত সুুুুন্দর ও মজা করে করা যায়, সেটা দেখে ভালো লাগলো। এরকম এনালাইসিস নিয়মিত দিলে তো মানুষ এনালাইসিসগুলো একটু পড়ে দেখতো। চার্টকে অতিভক্তি (!) করতে গিয়ে সবাই পাশ কাটিয়ে চলে যায়!
  8. 2 points
    আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই। নতুন ট্রেডারদের জন্য আমার এই পোষ্ট, পুরনো ট্রেডারদের কাজে আসবে আসা করি, কারো ক্ষতি বা কাউকে ছোট করার জন্য এই পোস্টটি করা হয় নি, চলুন আসল কথায় আসি, অনেকদিন যাবত অনেকে EBL Mastercard দিয়ে ডিপোজিট করা যায় কিনা জিজ্ঞাসা করেছেন, হ্যা ডিপোজিট করা যায়, তার জন্য কিছু নিয়ম আছে। আর এটা বাংলাদেশি ট্রেডার ভাইদের জন্য অনেকটা ভালো খবর। আমি ইবিএল কার্ড দিয়ে ডিপোজিট এবং ঊথড্রয় করেছি। সব ব্রোকার এই কার্ড সাপোর্ট করে না। আর আমরা যারা নতুন ট্রেডার আছি, সবাই বিভিন্ন ওয়েব সাইট বা অন্য কারো কাছ থেকে অনেক দাম দিয়ে ডলার কিনি কিন্তু এটা খুব রিস্কি একটা বিষয়, আমাদের কস্টের টাকা খুব সহজে হারাতে পারি, ডলার না দিয়ে টাকাটা মেরে দিতে পারে খুব সহজে। এরা এটা প্রতিদিন হচ্ছে। একসময়ে আমিও এটার ভুক্তভুগি ছিলাম। কারো কাছ থেকে বা ওয়েব সাইট থেকে ডলার কিনলে ডলার প্রতি ১০-১৫ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হয়। আর ইবি এল কার্ড দিয়ে ডিপোজিট করতে দুই মিনিট সময় লাগে, কোন ধরনের সমস্যা নেই। ডলার রেট ৮৩-৮৬ টাকা। বিস্তারিত আলোচনায় আসি। ব্রোকার সিলেকশন: এক্সনেস দিয়ে আমরা অনেকেই ট্রেড করি, আমিও এক্সনেস দিয়ে ট্রেড করি। আর আমি ইবিএল কার্ড দিয়ে ডিপোজিড করে ট্রেড করছি, কোন প্রকার সমস্যা নেই। কার্ড দিয়ে ডিপোজিট: ১. আপনার ইবিএল কার্ডটির অনলাইন ট্রানজেকশন একটিভ থাকতে হবে। ২. এই কার্ড দিয়ে একদিনে ৩০০ ডলারের বেশি ডিপোজিড করতে পারবেন না। ৩. এক সাথে ৩০০ ডলার ডিপোজিড করবেন না, চাইলেও পারবেন না, প্রতি ট্রানজেকশন এ ১০০ করে তিন ধাপে ৩০০ ডলার ডিপোজিড করতে পারবেন। বা আপনার ইচ্ছে অনুযায়ী ডিপোজিড করতে পারেন। ৪. ই বিএল কার্ড দিয়ে বছরে ৫০০০ ডলার ট্রানজেকশন করা যায়, প্রতিদিন ৩০০ ডলার করে। কার্ড দিয়ে উইথড্রয়: ই বিল কার্ডটি ডেবিট কার্ড, তাই এটার কিছু নিয়ম জুরে দেয়া হয়েছে। ব্রোকারে যে পেমেন্ট সিস্টেম দিয়ে ডিপোজিট করবেন, প্রথম তিন মাস আপনাকে সেই পেমেন্ট সিস্টেম দিয়ে যে পরিমান ডিপোজিট করেছিলেন সে পরিমান ওইথড্রয় করতে হবে, তারপরে আপনার প্রফিট অন্য যে কোন পেমেন্ট সিস্টেম দিয়ে তুলে নিতে পারবেন। আর তিন মাস পরে যেকোনো পেমেন্ট সিস্টেম দিয়ে ডলার উইথড্রয় করতে পারবেন। কোন প্রকার লিমিট থাকবে না। ব্যাংক কার্ড দিয়ে ডিপোজিট করলেও এটাই সিস্টেম। যদি আপনি ডিপোজিট করার তিন মাসের মধ্যে উইথড্রয় করতে চান তাহলে সুধু কার্ড এ পেমেন্ট নিতে পারবেন, আর তিন মাস পরে আপনি চাইলে যে কোন পেমেন্ট সিস্টেম এ উইথড্রয় দিতে পারবেন । কোন প্রকাত প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন। অথবা আমার সাথে whatsapp. সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। +8801759002113
  9. 2 points
    ট্রেডার হওয়ার ৫টি ধাপ The learning cycle for a newbie trader ধাপ -১ (অচেতনে অযোগ্যতা) এটা হল প্রথম ধাপ যখন আপনি ফরেক্স সম্পর্কে জানতে শুরু করবেন। আপনি জানবেন এটা হচ্ছে অর্থোপার্জনের একটা সহজ রাস্তা, কারণ আপনি এটা সম্পর্কে প্রচুর শুনবেন । দুর্ভাগ্যবশত আপনি মনে করবেন এটা সহজ, ঠিক আপনার প্রথম গাড়ি চালানো শিখার ইচ্ছার মত যেটা আপনি মনে করেছেন সহজ হবে , সবচেয়ে বড় কথা আর কত কঠিনইবা হবে? কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আপনি প্রচুর ট্রেড করবেন এবং প্রচুর রিস্ক নিবেন, ঠিক যেমন আপনি গাড়ির স্টিয়ারিং হুইলের সামনে প্রথম হাত রেখেছিলেন কিন্তু জানেন না আপনি কি করছেন। যখন আপনি একটা ট্রেড করবেন সেটা আপনার বিপক্ষে যাবে, তাই আপনি সেটা ক্লোজ করে বিপরীত ট্রেড নিবেন এবং সেটাও বিপক্ষে যাবে এবং এরকম হতেই থাকবে। আপনার শুরুর দিকে কিছু প্রাথমিক সাফল্য থাকতে পারে, কিন্তু সেটা হয় আরো খারাপ কারণ সেটা আপনার ব্রেইনকে বলবে যে এটা আসলেই সহজ এবং তার ফলে আপনি আরো বেশি রিস্ক নিতে শুরু করবেন। আপনি আপনার প্রতিটা লস পূরণের জন্য ট্রেড সাইজ দ্বিগুণ করে দিবেন । তাতে মাঝেমাঝে কাজ হয় কিন্তু বেশিরভাগ সময় আপনার একাউন্টের ক্ষতি হবে। আপনি আপনার অযোগ্যতা সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অন্যমনস্ক থাকবেন। এই প্রথম ধাপ সাধারণত এক-দু সপ্তাহ স্থায়ী হবে। ধাপ ২ - সচেতনে অযোগ্যতা দ্বিতীয় ধাপে আপনি বুঝতে পারবেন এটি আপনি যেমনটি ভেবেছেন তেমন নয় , এখানে আরো বেশি কাজ করতে হবে। আপনি সচেতনভাবে বুঝতে পারবেন যে আপনার রেগুলার প্রফিট করার মত যোগ্যতা বা জ্ঞান নেই। এখন আপনি ইউএসএ থেকে ইউক্রেন দুনিয়ার বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ঘুরা শুরু করবেন , বিভিন্ন সিস্টেম এবং ইবুক দেখবেন , এবং সর্বোপরি Holy Grail খোজ করবেন। এই সময় আপনি হয়ে যাবেন একজন "সিস্টেম যাযাবর "। আপনি একটা method ঠিকমত কাজ করে কিনা ভাল করে না দেখে দিনের পর দিন এবং সপ্তাহের পর সপ্তাহ এই method থেকে ঐ method দেখতে থাকবেন। যখনি আপনি নতুন একটা Indicator দেখবেন আপনি ভাববেন এটাই আপনার পুরো ট্রেডিং পাল্টে দিবে। আপনি মেটাট্রেডারে expert advisor টেস্ট করতে থাকবেন। আপনি moving averages, Fibonacci lines, support & resistance, Pivots, Fractals, Divergence, DMI, ADX এরকম শতশত ইন্ডিকেটর নিয়ে খেলা করতে থাকবেন শুধু এই আশায় যে আপনার ম্যাজিক সিস্টেম আজই শুরু হবে। আপনি ইন্ডিকেটর দিয়ে সঠিক reversal point খোজার আশায় Top & Bottom ধরার চেষ্টা করবেন। শেষমেষ দেখবেন আপনি পরাজিত ট্রেডের পিছনে ছুটতেই থাকছেন এমনকি আরো ট্রেড যোগ করছেন কারণ আপনি জানেন আপনি সঠিক। আপনি বিভিন্ন লাইভ চ্যাট রুমে যাবেন এবং দেখবেন অন্যান্য ট্রেডাররা পিপস লাভ করছে । আপনি ভাববেন আপনি কেন পারছেন না। আপনি মিলিয়ন মিলিয়ন প্রশ্ন করতে থাকবেন যার মধ্য কতগুলো এমন প্রশ্ন যে যেগুলো দেখে চ্যাটরুমের অন্যান্য মানুষজন আপনাকে মূর্খ মনে করবে। অবশেষে আপনি এমন সিদ্ধান্তে আসবেন যে ঐসব ট্রেডাররা যারা পিপসের পর পিপস লাভ করছে তারা মিথ্যাবাদী। কারণ আপনি ফরেক্স সম্পর্কে গবেষণা করেছেন, আপনি ঐসব সফল ট্রেডাররা যা জানে তার সবই জানেন, কিন্তু আপনি লাভ করছেন না , তার মানে ঐসব ট্রেডাররা মিথ্যা বলছে। কিন্তু তারা সেখানে দিনের পর দিন আছে এবং তাদের একাউন্ট বৃদ্ধি পাচ্ছে যেখানে আপনার একাউন্ট হ্রাস পাচ্ছে। আপনি টিন এজার দের মত হবেন। টিন এজারদের সবাই ফ্রি উপদেশ দেয় কিন্তু কেউ শোনেনা। আপনাকেও সবাই উপদেশ দিবে কিন্তু আপনি আপনার মত একগুঁয়ে থাকবেন এবং ভাববেন আপনি সব জানেন। আপনি আপনার মত বেশি বেশি ট্রেড করতে থাকবেন। আপনি অন্যান্য সফল ট্রেডারদের সিগন্যাল ফলো করবেন। কিন্তু যখন সেটা কাজ করবে না তখন আপনি অন্যান্য সিগন্যাল প্রোভাইডার থেকে কিনে সিগন্যাল ব্যবহার করতে চাইবেন। সেটাও আপনার জন্য কাজ করবে না। আপনি কিছু "গুরু"র কাছে যাবেন যারা আপনাকে প্রফেশনাল ট্রেডার বানিয়ে দিতে রাজী হবে (কিছু ফি এর বিনিময়ে অবশ্যই)। সেই গুরু ভাল হোক বা না হোক আপনি কিছুই পারবেন না কারণ screen time এর কোন বিকল্প নেই, এবং আপনি এখনো মনে করে আছেন আপনি সব জানেন। এই ধাপ বছরের পর বছর স্থায়ী হতে পারে। প্রকৃতপক্ষে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য ট্রেডারদের সাথে কথা বলা নিশ্চিত করে এই ধাপ সহজেই ১ বছর থেকে ৩ বছরের কাছাকাছি স্থায়ী হতে পারে। এই ধাপে আপনি নিছক হতাশার কারণেও ফরেক্স ট্রেডিংকে বিদায় জানাতে পারেন। ৬০% এর মত নতুন ট্রেডার প্রথম ৩ মাসেই ফরেক্সকে বিদায় জানাবে, এবং এটি ভাল। একবার ভাবুন, ট্রেডিং যদি এতই সোজা হত তবে আমরা সবাই সহজেই মিলিয়নিয়ার হয়ে যেতাম । অন্য ২০% এক বছরের মত যাবে এরপর হতাশার কারণে অতিরিক্ত রিস্ক নিয়ে তাদের একাউন্ট blow করে দিবে । যেটা আপনাকে আশ্চর্য করতে পারে সেটা হল বাকী ২০% ৩ বছরের মত টিকে থাকবে, এবং তারা ভাববে তারা নিরাপদ আছে। কিন্তু ৩ বছর পরেও শুধুমাত্র ৫-১০% চালিয়ে যাবে এবং ধারাবাহিকভাবে লাভ করতে থাকবে। (বাই দ্য ওয়ে, এইসব ফিগার কিন্তু রিয়েল। এমন নয় যে আমার মাথায় এসেছে আর আমি লিখে গিয়েছি। তাই যখন ৩ বছর হবে তখন ভাববেন না যে এখান থেকে সোজা আপনি সফল হয়ে যাবেন। আমার বহুলোকের সাথে এই ফিগারগুলো নিয়ে তর্ক হয়েছে। মজার ব্যাপার হল তারা কেউ ৩ বছরের বেশি সময় ধরে ট্রেড করছে না। যদি আপনি মনে করেন আপনি ভাল জানেন তাহলে কোন ফোরামে এমন কাউকে প্রশ্ন করুন যে ৫ বছর ধরে ট্রেড করছে। জিজ্ঞেস করুন ১০০% দক্ষ হতে কত সময় লেগেছে। সামান্য ব্যতিক্রম থাকতে পারে কিন্তু আমি এখনো এমন কাউকে দেখিনি। ) অবশেষে আপনি এই ধাপ থেকে উঠে আসতে শুরু করবেন। আপনি সম্ভবত আপনার প্রত্যাশার চাইতেও বেশি সময় এবং অর্থ শেষ করেছেন, ২-৩ টা লাইভ একাউন্ট হারিয়েছেন, কিন্তু এটি এখন আপনার রক্তে। একদিন আপনি ৩য় ধাপে পৌছাবেন। ধাপ ৩ - ইউরেকা !! ধাপ ২ শেষের পথে আপনি বুঝবেন সিস্টেমে কোন সমস্যা নেই, যেটা আপনি মনে করেছিলেন। আপনি বুঝতে শুরু করবেন সিম্পল মুভিং এভারেজ দিয়েও টাকা কামানো সম্ভব যদি আপনি সঠিক Money Management প্রয়োগ করতে পারেন। আপনি সাইকোলজি নিয়ে বিভিন্ন ইবুক পড়তে শুরু করবেন এবং ঐসব বইয়ে বর্ণীত বিভিন্ন চরিত্র মেলাতে থাকবেন। অবশেষে ইউরেকা মোমেন্টে এসে পৌছাবেন। এই ইউরেকা মোমেন্ট আপনার ব্রেইনে নতুন এক সংযোগ তৈরি করবে। আপনি হঠাত বুঝতে পারবেন আপনি কেন, পৃথিবীর কেউ মার্কেটের পরবর্তী ১০ সেকেন্ডে কি হবে সেটা অনুমান করতে পারবেনা, ২০ মিনিট তো পরের কথা। এই বোধের কারণে আপনি অন্যরা কে কি বলে , এই নিউজ মার্কেটে কি প্রভাব ফেলবে বা ঐ ইভেন্ট কিরকম হবে সেগুলো চিন্তা করা বন্ধ করবেন। আপনি ট্রেড করবেন আপনার নিজস্ব মেথডে। আপনি শুধু ১টা সিস্টেম নিয়ে কাজ করা শুরু করবেন যেটা আপনার সাথে যায়, আপনি খুশি হতে শুরু করবেন, এবং আপনার লস ডিফাইন করে দেয়া শুরু করবেন। আপনি আপনার সিস্টেমে ভাল দেখায় এমন প্রতিটি ট্রেড নেয়া শুরু করবেন। যখন খারাপ ট্রেড হয় তখন আপনি আর রাগ করবেন না, কারণ আপনি বুঝবেন এটা আপনার দোষ নয়। আপনি তাড়াতাড়ি ট্রেড ক্লোজ করে দিবেন যখন বুজবেন এটা খারাপ ট্রেড। আপনি বুঝবেন এরপরের ট্রেড অথবা তার পরের ট্রেড হয়ত ভাল হবে কারণ আপনি জানেন আপনার সিস্টেম কাজ করে। আপনি ট্রেড টু ট্রেড রেজাল্ট দেখা বন্ধ করবেন এবং সাপ্তাহিক রেজাল্ট দেখা শুরু করবেন । কারণ আপনি জানেন ১ টা খারাপ ট্রেড ১টা সিস্টেম কে খারাপ বানায় না। আপনি হঠাত বুঝবেন ট্রেডিং গেম হচ্ছে শুধু ১টা ব্যাপার নিয়ে , সেটা হল আপনার সিস্টেমের প্রতিটা ট্রেড নেয়ার শৃঙ্খলা এবং দৃঢ়তা, কারণ আপনি জানেন সম্ভাব্যতা আপনার পক্ষেই থাকবে। আপনি ভাল মানি ম্যানেজমেন্ট , লেভারেজ ইত্যাদি ইত্যাদি সম্পর্কে শিখবেন এবং ১ বছর আগে আপনাকে যারা এই বিষয়ে শিখতে উপদেশ দিয়েছিল তাদের মনে করে মুচকি হাসবেন। আপনি তখন তৈরি ছিলেন না, কিন্তু এখন আপনি তৈরি। ইউরেকা মোমেন্ট তখনই আসবে যখন আপনি বুঝবেন আপনি মার্কেট সম্পর্কে অনুমান করতে পারবেন না। ধাপ ৪ - সচেতনে যোগ্যতা আপনি তখনই ট্রেড করছেন যখন আপনার সিস্টেম ট্রেড করতে বলছে। আপনি যত সহজভাবে লাভ করেন তেমন সহজভাবেই লস মেনে নেন। আপনি এখন আপনার উইনিং ট্রেডকে তাড়াতাড়ি ক্লোজ না করে শেষ পর্যন্ত রাখেন । আপনি জানেন আপনার সিস্টেম যতগুলো লস ট্রেড করে তারচেয়ে বেশি লাভজনক ট্রেড করে এবং যখন আপনার ট্রেড লসে যায় তখন আপনি ক্লোজ করে দেন (আগের মত আরো পজিশন এড না করে)। আপনি এখন এমন এক পর্যায়ে যেখানে বেশিরভাগ সময় আপনার একাউন্ট Break Even হয় (লাভ লস সমান সমান)। হয়ত এই সপ্তাহে ১০০ পিপস লাভ করলেন তো পরের সপ্তাহে ১০০ পিপস লস করলেন। এই পর্যায়ে আপনি টাকা হারাচ্ছেন না, আপনি Break Even করছেন। আপনি এখন জানেন আপনি ভাল ট্রেড গুলোই করছেন এবং চ্যাটরুমে আপনি অন্যান্য ট্রেডারদের সম্মান পাচ্ছেন। আপনাকে এখনো অনেক পথ যেতে হবে এবং যতই আপনি সামনে এগুবেন ততই আপনি লস করার চাইতে লাভ বেশি করবেন। আপনি দিন শুরু করবেন ২০ পিপস লাভ করে, কিন্তু পরক্ষনেই ৩৫ পিপস লস করবেন কিন্তু আপনার মানসিক অবস্থার কোন পরিবর্তন হবে না কারণ আপনি জানেন যে সে পিপস গুলো আবার ফিরে আসবে। আপনি এখন প্রতি সপ্তাহে ধারাবাহিক লাভ করতে থাকবেন , এই সপ্তাহে ২৫ পিপ্স তো পরের সপ্তাহে ৫০ পিপস এভাবেই যেতে থাকবে। এই ধাপ ৬ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ধাপ ৫ - অচেতনে যোগ্যতা এখন আপনি ড্রাইভিং করছেন। প্রতিদিন আপনি আপনার চেয়ারে বসেন এবং ট্রেড করেন। আপনি এখন সব করেন অচেতনভাবে। আপনি এখন Auto pilot চালাচ্ছেন। আপনি এখন বড় ট্রেড করছেন । দিনে ২০০ পিপস লাভ করা কিংবা ১ পিপ লাভ করা সমান, কোনটাই আপনার কাছে কোন আনন্দ/উচ্ছাস তৈরি করতে পারে না। আপনি এখন ফোরামে দেখেন নতুনরা চিৎকার করছে "Go Dollar GO" যেন তারা ঘোড়ার রেসে বাজী ধরেছে , এদের মাঝে আপনি অনেক বছর আগের নিজেকে ফিরে পান। এটা হল ট্রেডিং এর কল্পনারাজ্য। আপনি আপনার অনুভুতি আয়ত্ত করেছেন, এবং আপনি এখন এমন একজন ট্রেডার যার একাউন্ট প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আপনি এখন ট্রেডিং চ্যাট রুম এর স্টার এবং অন্যান্য ট্রেডাররা আপনি কি বলছেন সেটা শোনে। আপনি তাদের প্রশ্নের মাঝে অনেক বছর আগের নিজের করা প্রশ্নগুলোই ফিরে পান। আপনি আপনার মত উপদেশ দিতে থাকেন, কিন্তু জানেন কেউ আপনার উপদেশ শুনবে না, কারণ তারা বেশিরভাগই সেই একগুঁয়ে "টিন এজার"। তাদের কেউ কেউ আপনার অবস্থানে আসবে, কেউ দ্রুত, কেউ দেরীতে। সাধারণত এদের ডজনের পর ডজনই ধাপ ২ অতিক্রম করতে পারবে না, শুধু কয়েকজন বাদে। ট্রেডিং এখন আপনার কাছে কোন উচ্ছাস/আনন্দের কিছু নয়, বরং কিছুটা বিরক্তিকর, যেমন আপনি আপনার বর্তমান চাকুরী/পড়ালেখা আপনার বিরক্তিকর লাগে তেমনই ট্রেডিংও বিরক্তিকর হয়ে উঠে। আপনি আপনার জব করছেন। আপনি এখন আপনার সিস্টেম শান দিচ্ছেন কিভাবে কম রিস্কে বেশি প্রফিট আনা যায়। আপনার সিস্টেম পরিবর্তন হচ্ছে না, শুধু দিনের পর দিন ভাল হচ্ছে। আপনি এখন মাথা তুলে বলতে পারেন "আমি একজন কারেন্সি ট্রেডার", কিন্তু সত্যি বলতে আপনার করতে ইচ্ছা করবে না , কারণ এটা আপনার কাছে অন্য যেকোন জবের মতই লাগবে। আমার মনে হয় আপনার এই "একজন ট্রেডারের মনের ভিতরের ভ্রমণ" আনন্দদায়ক হয়েছে এবং হয়ত আপনার নিজের কোন পয়েন্ট এখানে খুজে পেয়েছেন। মনে রাখবেন , শুধুমাত্র ৫% পারবে। এটার কারণ যোগ্যতা নয়, থাকার শক্তি। তারাই লুজার হয় যারা 'get rich quick' হতে চেয়েছে। আমি খুশিমনে বলতে পারি যে 'get rich quick' এই আশায় আমিও ট্রেডিং শুরু করেছিলাম , কিন্তু এখন দেখতে পাচ্ছি ট্রেডিং হচ্ছে 'get rich slow'। আপনি যদি ছেড়ে দিতে চান তবে আপনাকে একটা উপদেশ দিতে পারি - আপনি নিজেকে জিজ্ঞেস করুন - "আপনি কত বছর স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতেন যদি জানতেন শেষে আপনার জন্য বছরে মিলিয়ন ডলার বেতনের একটা চাকরী অপেক্ষা করছে?" Take care and good trading to you all. (এই অসাধারণ লেখাটা কোন কালে একটা ফোরামে পেয়েছিলাম। মুল লেখক ইংরেজীতে চমৎকারভাবে লিখেছেন, আমি শুধু বাংলা অনুবাদ করার চেষ্টা করেছি, মুল লেখায় মুল লেখকের কোন নাম নেই। আমি ইংরেজীটাও এটাচ করে দিচ্ছি। অনুবাদ হুবহু করিনি, কিছু কিছু জায়গায় নিজের মত বাংলায় লিখেছি) ইংরেজী ভার্শন ডাওনলোড (আপডেট - ২ সেপ্টেম্বর : ইন্টারনেটে খুজে দেখলাম এই লেখার ইংরেজী ভার্শনটা সর্বপ্রথম লেখা হয়েছিল বিখ্যাত ফোরাম moneytec এ, লিখেছিল Soultrader নিকের এক ব্যক্তি, শিরোনাম ছিল "The learning cycle for a newbie trader "। আমি অনেক খোজাখুজি করে moneytec এর লিংকটা পেলাম না তাই দিতে পারলাম না।)
  10. 2 points
    নাসিম ভাই, অনেকদিন পর আপনাকে বিডিপিপসে দেখলাম। ভাল লাগলো। ১. ভিপিএনের সুবিধা হল আপনার তথ্যগুলো ভিপিএন সার্ভারের মধ্যে দিয়ে যাবে, তাই আপনাকে কেউ ট্র্যাক করতে পারবে না। এবং ঐ ওয়েবসাইট আপনার আইএসপিতে ব্লক থাকলেও ভিপিএনের মাধ্যমে তা অ্যাক্সেস করতে পারবেন। কিন্তু কিছু কমদামী বা ফ্রি ভিপিএন অনেকসময় ধীরগতির হয়, তাই আপনি আপনার ইন্টারনেট কানেকশনের সর্বোচ্চ স্পিড নাও পেতে পারেন। এছাড়া অনেক ওয়েবসাইট একই আইপি দিয়ে বারবার ডাউনলোড করতে দেয় না, বা একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ভিন্ন আইপি প্রয়োজন হয়। ২. ভিপিএনে আপনার নিজস্ব পিসি থেকেই ট্রেড ওপেন হবে, তবে আইপি পরিবর্তন করতে পারবেন। আপনার ভিপিএন প্রভাইডার যতগুলো এবং যত দেশের আইপি প্রোভাইড করে, আপনি বেছে ইচ্ছামতটি ব্যবহার করতে পারবেন। ৩. না নিষিদ্ধ নয়। তবে ব্রোকারভেদে ব্যক্তিগত নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে। সাধারন সব ব্রোকারই সমর্থন করে। উল্লেখ্য, ভিপিএস ব্যবহার করার সময়ও বিদেশি আইপি ব্যবহৃত হয়, যেহুতু ভিপিএস সার্ভারগুলো বিদেশি। তাই আইপি পরিবর্তন হলে কোন সমস্যা নেই। তবে অ্যাকাউন্ট অবশ্যই দেশীয় আইপি দিয়ে খোলা উচিত। ভিন্ন আইপি দিয়ে ট্রেড করতে কোন সমস্যা নেই। ৪. আপনি অন্য কারো ট্রেড করতে পারবেন আপনার পিসি থেকে। কোন সমস্যা নেই। তবে অনেকেই একাধিক অ্যাকাউন্ট নিয়ে বোনাসের সুবিধা নিয়ে ২ অ্যাকাউন্ট থেকে বিপরীতধর্মী ট্রেড দিয়ে বোনাস ক্যাশ করার চেষ্টা করে। এমনটি করলেই শুধুমাত্র ব্রোকার অ্যাকাউন্ট সাস্পেন্ড করতে পারে। সাধারন ট্রেড করলে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন সাস্পেন্ড করার কোন সম্ভাবনা নেই। ৫. ভিন্ন ভিন্ন পিসি থেকে একই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে চাইলে ওয়েবট্রেডার ব্যবহার করা সবচেয়ে ভাল এবং সহজ। কোন ইন্সটলের ঝামেলা নেই এবং নিরাপদ। ইন্টারফেসও মেটাট্রেডারের কাছাকাছি। শুধুমাত্র কাস্টম ইনডিকেটর ব্যবহার করা যায় না। প্রায় সব ব্রোকারেরই ওয়েবট্রেডার আছে। যেমন - XM এর MT4 ওয়েবট্রেডারঃ https://mt4.xm.com/ এবং MT5 ওয়েবট্রেডারঃ https://mt5.xm.com/ . এছাড়া মোবাইলে MT4/MT5 অ্যাপ ব্যবহার করেও ট্রেড করা যেতে পারে। পাশাপাশি এখন খুব স্লিম উইন্ডোজ ১০ ট্যাব এবং ল্যাপটপ বের হয়েছে। সেগুলোও সাথে রাখা যেতে পারে।
  11. 2 points
    How to Earn from Forex Market- একটু মনোযোগ সহকারে এই আর্টিকেলটি পড়ুন। কারন এটা যদি আপনি বুঝতে পারেন তাহলে ফরেক্স ট্রেড কিভাবে কাজ করে এটা আপনি বুঝতে পারবেন। এক কথায় আমরা বলতে পারি আপনি প্রায় ৮০% ফরেক্স ট্রেড বুঝে যাবেন। ফরেক্স মার্কেটে প্রায় সবকিছুই ট্রেড করা হয়ে থাকে কিন্তু তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী পরিমাণ হচ্ছে কারেন্সি পেয়ারে ট্রেড। একটি মুদ্রার বিপরীতে অন্য একটি মুদ্রার কেনাবেচা করে প্রফিট করা যায়। মুদ্রা সর্বদায় পরিবর্তনশীল। কখনও কোনও একটি নির্দিষ্ট মুদ্রা অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে শক্তিশালী হয় এবং কখনও এটি দুর্বল হয়ে পরে। আপনি পত্রিকায় দেখে থাকবেন যে, কখনও কখনও ডলার টাকার বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে, আবার কখনও টাকা ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে। এরকম পৃথিবীর অধিকাংশ মুদ্রার বিপরিতেই হয়। এখন ধরুন আপনার কাছে ১০০ ডলার আছে। আপনি সেটাকে এক্সচেঞ্জ করে জাপানিজ ইয়েন করবেন। যদি ডলার শক্তিশালী হয়ে থাকে তাহলে USD/JPY এর এক্সচেঞ্জ রেট আপনি অনেক বেশী পাবেন। ধরুন, আপনি $100 er বিপরীতে 1000 Yen পেলেন। এখন আপনার কাছে 1000 Yen আছে। যখন Yen শক্তিশালী হতে থাকবে তখন আপনি সেটাকে ডলার এর বিপরীতে এক্সচেঞ্জ করলে বেশী পরিমাণ অর্থ পেতে পারেন। এটাই হচ্ছে ফরেক্স ট্রেড এর মূল সুত্র। আবার ধরুন, আপনার যদি ডলার কেনা থাকে, ডলারের বিপরীতে পাউন্ড এর দাম পরে গেলে আপনি ডলার বিক্রয় করে পাউন্ড কিনে রাখতে পারেন। আবার, পাউন্ড-ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হলে, পাউন্ড বিক্রয় করে অধিক ডলার পেতে পারেন। হয়ত আপনার কাছে ১০০ ডলার ছিলো যা বিক্রয় করে আপনি ৮০ পাউন্ড ক্রয় করেছিলেন। পরবর্তীতে পাউন্ডের দাম বাড়ার পর তা বিক্রয় করে ১২০ ডলার পেলেন। এভাবে আপনি আয় করতে পারেন। শেয়ার মার্কেট এ শুধু শেয়ার এর দাম বাড়লেই (buy) আমরা প্রফিট করতে পারি। যেমন, আপনি যদি DSE তে ট্রেড করে থাকেন এবং সেখানে যদি BRAC Bank এর শেয়ার ৳১০০ করে কেনা থাকে তাহলে আপনি প্রফিট করতে পারবেন তখনি যখন BRAC Bank এর শেয়ার ৳১০০ এর উপরে পৌঁছে যাবে। অর্থাৎ আপনি শুদুমাত্র বাই (Buy) এ প্রফিট করতে পারবেন। কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে আপনি দুই দিকেই ট্রেড করতে পারবেন। যেমন, ফরেক্স মার্কেটে আপনি Google এর শেয়ার চাইলে সেল (Sell) করেও প্রফিট করতে পারবেন। ধরুন আপনি $800 করে আপনি Google এর শেয়ারে সেল (Sell) কোট করলেন। এখন Google এর শেয়ার প্রাইস যদি $800 এর নিচে চলে আসে তাহলেই আপনার প্রফিট। অন্যদিকে, আপনি যদি Google এর শেয়ার $800 তে বাই (Buy) করেন এবং মার্কেট প্রাইস যদি $800 এর উপরে যায় তাহলেও আপনার প্রফিট। তার মানে বুঝতেই পারছেন, ফরেক্স মার্কেটে আপনার Two Way তে ট্রেড করতে পারবেন এবং এটাই হচ্ছে ফরেক্স মার্কেটের সবচেয়ে বেশী সুবিধা। আপনি কোনও কারেন্সি বাই করেও প্রফিট করতে পারবেন এবং সেল এ ও প্রফিট করতে পারেন। সুতরাং, ফরেক্স মার্কেট এ, কোন কারেন্সি শক্তিশালী অথবা দুর্বল হক, দুই ক্ষেত্রেই আমাদের প্রফিট করার সুযোগ আছে যেটা ফরেক্স মার্কেটের সবচেয়ে বড় সুবিধা।
  12. 2 points
    ভাই আপনার পুরা আর্টিকেলটি পড়লাম অনেক ভালো লাগলো । আপনাকে 100/100% র্মাক দিতে পারতাম যদি না আপনি টেডিং সিগনাল দেয়ার বেপারে কথা না বলতেন । ভাই যে খানে কোনো দেশের ইকোনোমি, ব্যাংক, সুদের হার ও নানা কিছুর উপর ভিত্তি করে মার্কেট মুভ করে সেক্ষেত্রে আপনি কিভাবে সিগনাল দিবেন ??? প্রথমে আপনি কারো সিগনাল না মানার কথা বললেন, পরে আপনি সিগনাল দেওয়ার কথা বললেন ব্যাপরটা আনেকটা ইন্টারেস্টিং মনে হলো আমার কাছে ।
  13. 2 points
    দেশের সকল ট্রেডার বন্ধুদের মাঝে আসতে পেরে নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করছি। একই সাথে নিজের প্রথম পোস্টটাও করে ফেলছি সবাইকে নিয়েই। তাহলে শুরু করা যাক, আমরা যারা কিছু কর্ম করি, তা চাকুরী হোক বা ব্যবসা, সব কর্মের পিছনেই একটা অভিন্ন উদ্দেশ্য থাকে। তা হল আয় রোজগার করা। এই আয় রোজগারের সাথেই আমাদের জীবনের সকল চাওয়া পাওয়া সরাসরি সম্পর্ক বিদ্যমান। একইভাবে ফরেক্স এ বেশিরভাগ মানুষই আসে অন্যের কথা শুনে বা অন্যের গালভরা গল্প শুনে, তবে সেই গল্পগুলো হয় কাড়ি কাড়ি টাকা ইনকাম করার। মানুষের সহজাত স্বভাব দিয়ে এতে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। আর কুয়োর ব্যাঙের সাগরে পড়ার মত নাকানিচুবানী খেয়ে কোনমতে উঠে পড়ে, আর নয়তো কেউ কেউ বেঘোরে তার শেষ সম্বলটুকুও হারায়। কিন্ত কেন? কেন হবে এই অবস্থা? আসুন একটু জেনে নেই আগে, এরপর আমরা জেনে নেব এর সমাধান। ধরুন, আপনি দেশে কোন জায়গায় চাকুরী করেন। প্রাথমিক অবস্থায় বেতন হবে ৮-১০ হাজার টাকার মত, খুব ভাল হলে ১৫-২০ হাজার হতে পারে। অথচ এর পিছনে আপনার মুলধন কি? বিগত ১৬-১৭ বছরের একটানা পড়াশোনা ও সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়া।এতো দীর্ঘ সময়ের বিনিময়ে আপনি মাত্র ৮-১০ বা ১৫-২০ হাজারের বেতনেই সন্তষ্ট হচ্ছেন। তাই নয় কি? এবার আসি কাজের কথায়, ফরেক্স শব্দটাই আপনি কারও কাছে শুনেছেন ২ মাসও হয়নি। এর ভিতর আপনি ডিপোজিট থেকে শুরু করে সকল প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছেন এমনকি মাসে লাখ লাখ টাকা, নুন্যতম ৪০-৫০ হাজার টাকা আয়ের স্বপ্নও দেখে ফেলছেন!! আদৌ স্বপ্নটা বাস্তব কিনা ভেবেছেন কখনও?? টানা ৫ বছর ট্রেড করে প্রফিট করেছেন, এমন ট্রেডার বাংলাদেশে হাতে গোনা কয়জন পাওয়া যাবে আমি জানিনা। তবে কথায় কথায় জ্ঞান দেবার মত বেশ কিছু ট্রেডারভাই আছেন যারা আইবী কমিশন বেশ ভালো পায়। কিন্ত আইবী কমিশন ফরেক্সের একটা পার্ট মাত্র। ফরেক্স এর মুলধারা নয়। মুলধারা হচ্ছে ট্রেড করে প্রফিট বের করে আনা মার্কেট থেকে। কারন আইবীতে অন্যের ট্রেডের স্প্রেড কমিশনের একটা অংশ নেওয়া হয়, কিন্ত মুল মার্কেটের কিছুই বের করে আনা হয়না। আমাদের উদ্দেশ্য ফরেক্স মার্কেট থেকে মুল প্রফিট বের করে আনা। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন জায়গায় দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করলে আপনার ট্রেডিং এর রেজাল্টেও পরিবর্তন চলে আসবে। প্রথমেই বলব একটা নির্দিষ্ট স্ট্রাটেজী বের করতে। আন্দাজের উপর ভর করে কখনো ট্রেড করবেন না। অনেক উপরে উঠে গেছে এবার সেল দেই, বা অনেক নিচে নেমে গেছে এবার বাই দেই, এমন করবেন না। হুজুগের বশে নিজের পয়সা হারানোর কোন মানেই হয়না। ভেবে চিনতে বা গুগলে সার্চ দিলেও অনেক অনেক স্ট্রাটেজী পাবেন, সেগুলো ভালভাবে দেখে ঘোষামাজা করে আপনার নিজের মত করে একটা ট্রেডিং সিস্টেম তৈরী করে ফেলুন। এবার আপনার ট্রেডিং স্ট্রাটেজীকে নির্দিষ্ট কোন এক টাইম ফ্রেমে (এইচ ফোর এর উপরের কোন একটা) বসিয়ে একের পর এক পেয়ার ধরে ধরে যাচাই করে নিন। কোন এক মাস ধরে ধরে লাভ লস মিলিয়ে হিসেব বের করুন। এভারেজ কেমন প্রফিট আসে আর প্রতি দশটা ট্রেডে এভারেজ কতটা প্রফিটে থাকে এই হিসেব করে ফেলুন। সব হিসেব শেষে বের করুন কোন পেয়ারে ভাল রেজাল্ট এসেছে সব দিক দিয়ে।এবার শুধুমাত্র সেই এক পেয়ার নিয়েই ট্রেড করতে থাকুন। ভুলেও ৫-৬ বা ১০-১২ টা কারেন্সী পেয়ার নিয়ে ট্রেড করতে যাবেন না। মনে রাখবেন সমুদ্রে জেলিফিস ধরার জাল দিয়ে আপনি হাঙ্গর বা তিমি মাছ ধরতে পারবেন না। তেমনি একটা স্ট্রাটেজী দিয়ে আপনি আমেরিকা, বৃটেন এমনকি ইউরোপকেও যদি কন্ট্রোলে রাখতে চান তাহলে ভুল করার সম্ভাবনাটাই বেশি হবে। কারন প্রতিটি দেশের অর্থনৈতিক মুভমেন্ট একই ধারায় চলে না। এবার বাছাইকৃত সেই পেয়ারের ব্যাকটেস্ট করুন মাসের পর মাস ধরে ধরে। একটা ভাল আইডিয়া পেয়ে যাবেন। কোন কোন পরিস্থিতিতে রেজাল্ট খারাপ বা ভাল আসে তার ব্যাপারেও পরিস্কার ধারনা পেয়ে যাবেন তাহলে। এটাই আপনাকে সাহায্য করতে আপনার রেগুলার প্রফিট বের করে আনতে। মাসে ২-৫ হাজার পিপ্স এর আশা বাদ দিয়ে ২-৩ শত পিপ্সের সন্তষ্ট থাকেন। মনে রাখবেন এমন ট্রেডারও আছে যারা মাসে ১০০ পিপ্স এ মিলিয়ন ডলারও আয় করে। ধীরে ধীরে ব্যালান্স বাড়ান। তবে বার বার ডিপোজিট করে নয়। প্রফিট করে করে। বাড়তি কোন পেয়ারে যাবার প্রয়োজন নেই। একটা পেয়ারেই স্থির থাকুন। আর এক বারে একটা ট্রেডের বেশি ট্রেড ভুলেও নেবেন না। একটা ট্রেড শেষ হলে এরপর পরের ট্রেডে যাবেন। স্পেসিফিক টেকপ্রফিট ও স্টপ লস সেট করবেন। এবার ফলাফল হাতে নাতে দেখুন। পরিশেষে, ধৈর্য্য ধরে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে। তাহলে শুরু করুন আপনার সফল ট্রেডিং অধ্যায় এখনই একটি ভাল ব্রোকারের সাথেঃ নতুন একাউন্ট আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমার এনালাইসিস এর সঙেই থাকুন। ফেসবুক লিংকঃ bmfxanalyst
  14. 2 points
    পরিচিত হন প্রাইস অ্যাকশান এর সাথে প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং খুবই সাধারণ সিস্টেম যা প্রফেশনাল ট্রাডাররা ব্যাবহার করে থাকে। প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং মূলত বর্তমান প্রাইস ডাটা এবং পরিস্কার চার্ট নিয়ে গঠিত। প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডারদের আছে কিছু প্যাটার্ন যা তারা দেখে মার্কেট এর যুক্তিযুক্ত লেভেল গুলোতে। প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং সিস্টেম কি? প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যা প্রফেশনাল ফরেক্স ট্রাডাররা ব্যাবহার করে। বেশি ভাগ প্রফেশনাল ট্রাডার লজিকাল পদ্ধতি ব্যাবহার করে যা খুবই সহজ। অন্য দিকে নতুন ফরেক্স ট্রাডাররা ঝুলে থাকে হলি গ্রাইল এর জন্য যা তাদের রাতারাতি বড়লোক বানায় দিবে। প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং খুবই লজিকাল এবং পরিস্কার নিয়ম কানুন ট্রেড প্যালেস করার জন্য।অন্য দিকে ইন্ডিকেটর মানিয়ে নিতে পারেনা মার্কেট এর পরিবর্তন এর সময় গুলোকে। আর প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং সিগন্যাল গঠন করে বর্তমান মার্কেটের পরিস্থিতির উপর। প্রাইস অ্যাকশান কি? খুবই সহজ এবং সাধারণ; প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং হল এমন একটি দক্ষতা যা প্রাইস পড়তে এবং ট্রেড করতে সাহায্য যে কোন চার্ট এ, যে কোন মার্কেটে, যে কোন টাইমফ্রেমে এবং কোন ইন্ডিকেটর ছারাই। খুবই মৌলিক শর্তাবলী যে প্রাইস অ্যাকশান প্রকাশ করে একটি উপায় যার মাধ্যমে ট্রাডাররা দেখতে পায় মার্কেটে বর্তমানে কি ঘটছে। নির্ধারিত কিছু পেয়ার কি করছে বিশেষ কিছু টাইমফ্রেমে। উধারন, একটি ক্যান্ডলস্টিক বা বার আমাদের দেখাবে কত তুকু উপরে পেয়ার টি গিয়ে ছিল, কতটুকু নিচে পেয়ার গিয়েছিল এবং ওপেনিং ও ক্লসিং প্রাইস। বেশিভাগ প্লাটফর্ম এ আছে ক্যান্ডলস্টিক ও বার এর জন্য বিভিন্ন টাইমফ্রেম যা ১মিনিট থেকে ১মাস পর্যন্ত। অন্যভাবে যদি চিন্তা করি এর সম্বন্ধে, তবে প্রাইস অ্যাকশান হল যা ট্রাডাররা কি করতেছে এবং কিভাবে তারা ট্রেড করছে, তাই প্রকাশ করে থাকে চার্ট এর মাধ্যমে। আমরা কি দেখছি চার্টে এবং অন্যরা কি দেকছে তাদের চার্টে, এবং সবাই কি একি ধরণের চিন্তা করছে একি রকম উপকরণ ব্যাবহার এর মাধমে। নিচে ২টি চার্ট আছে পাশাপাশি, বাম পাশেরটি হচ্ছে পরিস্কার চার্ট যা শুধু প্রাইস বা প্রাইস অ্যাকশান শো করছে। এটি প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডাররা ব্যাবহার করে থাকে তাদের ট্রাডিং এর জন্য। ডান পাশের চার্ট ইন্ডিকেটর দিয়ে ভর্তি, এই চার্ট সম্পূর্ণরুপে এলোমেলো এবং কনফিউসিং। প্রাইস অ্যাকশান এর জন্য আমাদের প্রয়োজন পরিস্কার চার্ট যা শুধু প্রাইস ছারা অন্য কিছু শো করবেনা,এমনকি কোন ইন্ডিকেটর ও না। কিভাবে ট্রেডাররা প্রাইস অ্যাকশান ব্যাবহার করবে প্রফিট করার জন্য? প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা প্রাইস অ্যাকশান চার্ট হতে সঠিক তথ্য গ্রহণ করা অর্জন করতে পারবে এবং তাদের তার উপর নির্ভর করে ট্রেডিং সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডারদের আছে key সিগন্যাল যা তারা লক্ষ্য করবে বর্তমান মার্কেটে ট্রেড করার জন্য। প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডারদেরকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করবে, যা তারা প্রাইস দেখার মাধ্যমে পাবে। পেয়ারটি কি ট্রেন্ডে আছে? পেয়ারটি কি রেঞ্জে আছে? প্রাইস কি কোন সাপোর্ট বা রেজিস্টান্স লেভেলের কাছে আসে? প্রাইসে এমন কোন key সিগন্যাল গঠন করছে যা ইঙ্গিত করছে মার্কেট কথায় যেতে পারে? প্রাইস ডাটা ব্যাবহারের মাধ্যমে প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা কৌশল রপ্ত করে কিভাবে সাপ্লাই এবং ডিমান্ড তৈরি করতে হয় তাদের চার্টে, এছারাও তারা জানতে পারে প্রাইস কোন দিকে ব্রেক করবে নাকি রিভার্স করবে, এই তথ্য গুলো ব্যাবহারের মাধ্যমে ট্রেড লাভ করার সম্ভাবনা বেরে যায়। কি কি ধরণের ট্রেড করবে প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা ? প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা ধারাবাহিক ভাবে পরিমাপ করতে পারে প্রাইসকে এবং যে কোন সিগন্যাল তারা ব্যাবহার করতে পারে ট্রেড করার জন্য বা ওপেন ট্রেড মেনেজ করার জন্য। প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডার ব্যাবহার করে key কেন্ডলস্টিক প্যাটার্ন key এরিয়াতে তাদের চার্টে ট্রেড এন্টার করার জন্য। যেমন; প্রাইস অ্যাকশান সিগন্যাল হচ্ছে পিনবার। একটি পিনবারে যা থাকতে হবে; ওপেন এবং ক্লোজ আগের ক্যান্ডলের মধ্যে হতে হবে, ক্যান্ডলের লওয়ার শেড ৩গুন বড় হবে ক্যান্ডলের বডী থেকে, দীর্ঘ শেড থাকবে যা অন্যান্য বার গুলোকে ছারিয়ে যাবে, নিচে উধারন দেয়া হল একটি বেয়ারিশ পিনবার এর, সব পিনবার কিন্তু সমান রুপে তৈরি হয়না, প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা ব্যাবহার করবে শেষের ক্যান্ডলটিকে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ট্রেড করবে কি করবে না। সমগ্র চার্ট তথ্য দেয় যে ট্রেডারদের সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ট্রেড করবে কি করবে না। খুবই ভালো ও বেস্ট পিনবার ট্রেড হবে তখন যদি তা পরিস্কার ট্রেন্ড এবং key সাপোর্ট বা রেজিস্টান্স লেভেলে পাওয়া যায়। নিচে উধাহরন পিনবার key রেজিস্টান্স লেভেল। প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা আর কি ব্যাবহার করে ? উপরে আমি বলছিলাম যে শুধুমাত্র লাস্ট ক্যান্ডলটি দেখলে হবেনা,সম্পূর্ণ চার্ট দেখে তারপর লাস্ট ক্যান্ডলের সাথে মিলিয়ে ট্রেড করতে হবে। সফল প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা ব্যাবহার করে সম্পূর্ণ চার্ট ট্রেডিং সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য। প্রাইস সব সময় আমাদেরকে কিছু বলে এবং আমাদেরকে তা শিখতে হবে । ট্রেন্ড ট্রেডিং যখন ট্রেড হবে ট্রেন্ড ট্রেডিং, ট্রেডারদের শুধুমাত্র ট্রেড করতে ট্রেন্ড এর দিকে বর্তমান ট্রেন্ডের। যতক্ষণ না পর্যন্ত পদ্ধতি অনুযায়ী সিগন্যাল না পাওয়া যায় এন্টার করবেন না। আপনি হয়তবা সুনে থাকবে একটি কথা যে”ট্রেন্ড হচ্ছে তোমার প্রকিত বন্ধু যতক্ষণ না তা শেষ হচ্ছে” এটি আসলেই সত্যি কথা। সব থেকে ভালো ট্রেড গুলো পাওয়া যায় ট্রেন্ড এর মধ্যে। ফরেক্স মার্কেটে সব সময় সঠিক ট্রেন্ড পাওয়া যায়না। গুরুত্বপূর্ণ সময় হচ্ছে আপনাকে খুজতে হবে যে মার্কেট কি রেঞ্জে নাকি পরিস্কার ট্রেন্ডে। প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডারদের কাছে কোন বেপারনা মার্কেট রেঞ্জে নাকি ট্রেন্ডে, কারন তারা সেখানে ভালো কিছু ট্রেডের সুযোগ পেতে পারে। ট্রেন্ড খুজে বের করা প্রাইস অ্যাকশান খুবই সহজ এবং সাধারণ। যখন আমরা ট্রেড করবো ট্রেন্ডের সাথে তখন আমাদের দেখতে হবে ট্রেন্ডটি পরিস্কার কিনা। যদি পরিস্কার ট্রেন্ড না হয় তবে এটি শক্তিশালী ট্রেন্ড না হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি, তখন আমাদের প্রয়োজন অন্য ট্রেড দেখা বা সেখানে রেঞ্জ ট্রেড করা। যে কারনে পরিস্কার চার্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন আমাদের বুঝতে হবে প্রাইস এখন কি করছে। এটি আসলে খুবই কঠিন যখন খুজবেন ট্রেন্ড। লক্ষ্য করুন নিচের চার্টটি, প্রাইসের ট্রেন্ড পরিস্কার ভাবে উপরের দিকে যাচ্ছে। এটি খুবই পরিস্কার ট্রেন্ড এবং এখানে শুধুমাত্র ট্রেড বাই ট্রেড করতে হবে ট্রেন্ডের সাথে। সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স এটি ট্রেন্ড নির্ধারণের থেকেও বেশি জরুরী, key একটি সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স লেভেল। কারণ সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্সে মার্কেট বেশীরভাগ সময় রেস্ট নিয়ে থাকে এবং সর্বদা তারা তাই করে থাকে। ফরেক্স হচ্ছে ওয়ার্ল্ডের মধ্যে সব থেকে বেস্ট মার্কেট সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্সের জন্য, যা কাজ করে সব থেকে বেশী। সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স কিন্তু সব সময় হল্ড করেনা, তারা প্রায় কাজ করে key লেভেল হিসাবে যা প্রফিটেবল গঠন করতে সাহায্য করে। প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা ধারাবাহিক ভাবে লক্ষ্য রাখে key সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স লেভেলে ট্রেড করার জন্য। যদি সাধারণভাবে লক্ষ্য করি যে কোন ফরেক্স চার্টে তবে দেখা যাবে কিভাবে সেই লেভেল গুলোকে প্রাইস রিস্পেক্ট করছে। সাকসেসফুল ট্রেড করার জন্য প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডারদের প্রয়োজন সঠিক সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স লেভেল খুজে বের করার কৌশল রপ্ত করা। যখন প্রাইস সেই লেভেল গুলোতে যাবে তখন অপেক্ষা করতে হবে সিগন্যালের এন্টার করার জন্য। নিচে উধাহরন; পরিস্কার সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স লেভেলের; নিচে আরেকটি উধাহরন; কিভাবে ট্রেড করার জন্য ট্রেডাররা সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্সকে ব্যাবহার করতে পারবে। নিচের চার্টটি শো করছে কিভাবে পিনবার গঠন হল একটি সুন্দর Key সাপোর্ট লেভেলে, এবং পরে প্রাইস সাপোর্ট লেভেলকে রিজেক্ট করে আবারো উপরের দিকে উঠা শুরু করলো। আশা করি আপনারা প্রাইস অ্যাকশান এর সাথে মোটামোটি পরিচিত হয়েছেন। শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, কারণ আমার লেখার হাত খুব একটা ভালো না। আমি অনেকদিন ধরে চাচ্ছিলাম প্রাইস অ্যাকশান এর উপর সম্পূর্ণ টিউটোরিয়াল করবো, কারণ বাংলায় প্রাইস অ্যাকশান এর উপর আহামরি কিছু নেই,যা আছে তা আংশিক মাত্র। আমি টানা টিউটোরিয়াল হয়তোবা লিখতে পারবনা, তবে বিডিপিপ্সের মেম্বারদের জন্য লাইভ কনফারেন্স এর মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে ফ্রি ট্রেনিং করাবো । ইতিমধ্যে অবশ্য আমি শুরু করে দিয়েছি আমার ট্রেনিং, আপনারা চাইলে এখনো জয়েন করতে পারেন । অনেকে বলতে পারে যে, ভাই বিডিপিপ্সে তো পোস্ট করেলেই ভালো হইতো, বেকার বেকার কনফারেন্স করতেছেন কেন? আপনাদেরকে বলি, ভাই আমি লেখার মমেন্টাম ধরে রাখতে পারবনা, আর লেখতে হলে অনেক সময় ও প্রবলেম ফেস করতে হয়, আর মেইন কথা হোল কনফারেন্স করলে আমি ধারাবাহিকভাবে জিনিসটা উপস্থাপন করতে পারবো। আরেকটা বিষয় হোল, আমি মনে করি যে, লেখা দেখে বুঝার থেকে শুনে ও দেখে বুঝাটা বেশী মনে থাকে, তাই এই কনফারেন্স। অনেকে বলতে পারে ভাই ফ্রি ট্রেনিং কেন করাচ্ছেন? ভাই আমি আজ পর্যন্ত যা কিছু শিখছি তার মূল ভুমিকা হোল বিডিপিপ্সের, বিডিপিপ্স কিন্তু আমার কাছ থেকে আজ পর্যন্ত কোন টাকা নেইনি। বিডিপিপ্স যেহেতু আমার কাছ থেকে কিছুই নিলনা তবে আমি কিভাবে আপনাদের কাছে টাকা চাই? যদি কোন দিন বিডিপিপ্স আমার কাছ থেকে টাকা চায় তবে আমিও আপনাদের কাছ থেকে টাকা নিব। ফান করলাম, কেউ কিছু মনে করবেন না, আমি কোনদিন আপনাদের কাছে কোন ডিমান্ড করবনা, তাই নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন। দোয়া করবেন আমার জন্য, আমি যাতে আপনাদেরকে সবসময় সাহায্য করতে পারি, আর আপনারা যে কোন দরকারে বা প্রবলেমে আমাকে নির্দ্বিধায় নক করবেন, আমি আপনাদেরকে ১ বার নয় ১০০বার হেল্প করার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ। এক্সপার্ট ট্রেডারদের জন্য কিছু কথা; ভাই আপনি হয়তো অনেক কষ্ট করে অনেক কিছু শিখছেন, নিয়মিত প্রফিট করতেছেন, একবার ভাবুন আপনার আসে পাসে নতুনরা অসহায় মুহূর্ত পার করতেছে, বুকে হাত দিয়ে বলুনতো আপনার ভালো লাগবে কিনা? আরেকটা কথা মনে করিয়ে দেই আপনাকে, আপনি যে ইংলিশ গুরু বা ওয়েবসাইট বা পোস্ট গুলো পরে এক্সপার্ট হয়েছেন, সেই গুরু গণ যদি আপনার অসহায় মুহূর্তে হেল্প না করতো বা টাকা চাইতো ট্রেনিং করার নাম করে(ঠিক যেমনটা আপনি এখন করেন) তবে আপনার কেমন লাগতো? আপনি মানুষকে সাহায্য করুন আল্লাহ্‌ আপনাকে সাহায্য করবে। আর আপনার লক্ষ্য করা উচিৎ আপনার আমার সবার প্রাণপ্রিয় বিডিপিপ্স আগের মতো নেই, কেমন জানি গুমসুট ভাব, বুকে হাত দিয়ে বলেন আপনার কি খারাপ লাগেনা? চলুন, আমরা একে অপরকে সাহায্য করি এবং একসাথে ভালো থাকার চেষ্টা করি। আজকে এই পর্যন্ত থাক, ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ও নিরাপদে ট্রেড করুন। কনফারেন্স এ জয়েন করতে পারেন আমার স্কাইপ আইডি ; abirtorik আমার সাথে যোগাযোগ করলে আমি সময় অনুযায়ী আপনাদেরকে আলাদা আলাদা টাইমে ব্যাচ করে দিবো।
  15. 2 points
    Long - ক্রয় করা- Buy Short- বিক্রয় করা-Sell Bullish- আপট্রেনড, আপট্রেনডে থাকা ট্রেড, ঊর্ধ্বমুখী Bearish-ডাউন ট্রেনড, ডাউন ট্রেনডে থাকা ট্রেড, নিম্মমুখি Indicator- যা মার্কেট সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে, যা ভবিষ্যৎ বানী করে, যা অর্থনীতির অবস্থা সম্পর্কে ইঙ্গিত দেয়, মুদ্রাস্ফীতি, সুদ, এবং অন্যান্য সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে। Chart- চার্ট হোল আগের প্রাইস একশন যা গ্রাফের মাধ্যমে চোখের সামনে উপস্থিত করে। Commodity- পণ্য, যেমন, খাদ্য, মেটাল প্রভৃতি। Expert Adviser- রোবট প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রেড করতে পারে। Pips- দশমিকের পরে ৪থ সংখ্যার প্রতি এক একক পরিবর্তন বা মুভমেন্টকে PIP বা পিপ বলে। Pipettes- কিছু কিছু ব্রোকারে প্রাইস দশমিকের পরে ৫ ডিজিট থাকে। যেমনঃ ১.৪২৫৬১. এই পঞ্চম ডিজিট তাই হল পিপেটিস। Lot- একসাথে কতগুলো শেয়ারের সমষ্টি। সাধারণত ১০০ ইউনিটের সমষ্টি কে বুজায়। তবে ১০০০০ ও ১০০০০০ ইউনিটের লট ও রয়েছে। ব্রোকার অনুযায়ী ইউনিটের পার্থক্য হয়। Loss- মনে হয় না অর্থ বলতে হবে ! খেলে টের পাবেন ! Profit- এইটাও পেলে টের পাবেন ! Long-term- অধিক সময়। সাধারনত, বন্ডের ক্ষেত্রে বোজায়, ১০ বছরের অধিক সময়। Leverage- মূল ব্যালেন্সের অতিরিক্ত নিয়ে ট্রেড ওপেন করলে, অতিরিক্ত যে সুবিধা পাওয়া যায় তাকে লিভারেজ বলে। Margin- লিভারজের মতো। কতটুকু লিভারেজ ব্যাবহার করা হয়েছে তা মারজিন এর রেশিও দ্বারা বোজা যায়। Spread- ব্রোকারের কমিশন। ট্রেড ওপেন করলেই দেখা যায় ট্রেডটি কিছুটা লসে ওপেন হয়েছে। এটাকেই স্প্রেড বলে। ফরেক্স ব্রোকারে একটি ট্রেড ওপেন করার জন্য এই ফি, কমিশন বা চার্জ হিসেবে ব্রোকার কেটে নেয়। Ask Rat- যে রেটে বিক্রির জন্য অফার করা হয়। Bid Rate- যে রেটে একজন ট্রেডার কোন কারেন্সি ক্রয়ের জন্য ইচ্ছা করে। Base Currency- যে কারেন্সি দিয়ে একজন ট্রেডার তার ফরেক্স আকাউনট সংরক্ষণ করে। সাধারণত অ্যামেরিকান ডলার বিশ্ব জুড়ে বেইস কারেন্সি হিসেবে বেবহারিত হয়। Broker- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যে বা যারা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যস্থকারবারি হিসেবে কাজ করে এবং সার্ভিস চার্জ নেয়। Chartist- কোন ব্যাক্তি, যে চার্ট ও গ্রাফ ব্যাবহার করে, ট্রেনড খুজে পেতে পূর্বের ডাটা ব্যাখ্যা করে, এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য মুভমেন্ট সম্পর্কে ভবিষ্যতবাণী করতে পারে। এদেরকে টেকনিক্যাল ট্রেডার ও বলা হয়। Choice Market- যে মার্কেটে স্প্রেড নেই। এক প্রাইজেই সকল বায় এবং সেল সংঘটিত হয়। Commission Fee- ট্রান্সজেক্সন খরচ, যা ব্রোকার কেটে নেয়। Currency Rate- কোন কারেন্সি একচেঞ্জ করার সময় মূল্য পরিবর্তনের সম্ভাব্যতা। US Prime Rate- যে রেটে অ্যামেরিকান ব্যাংকগুলো তাদের প্রাইম কর্পোরেট কাস্টমারদের লোন দেয়।
  16. 2 points
    ফরেক্সে যারা নতুন এবং ইংরেজিতে একাধিক ইবুক পড়েও Price Action বা Candlesticks Chart Pattern শিখতে ব্যর্থ হয়েছেন তাদের জন্য বাংলায় যথাসম্ভব সহজ ভাষায় “বাংলায় Candlesticks Chart Pattern এর সহজ পাঠ” ইবুকটি লেখা হলো। আশা করি ফরেক্সের নতুন ভাইয়েরা উপকৃত হবেন। ইবুকটি মূলতঃ নিজের শেখার জন্য নিজেই লিখেছিলাম। ভাবলাম আপনাদেরও কাজে আসতে পারে। তাই সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিলাম। ভালো বা মন্দ যেমনই লাগুক, কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আপনাদের পরামর্শ অবশ্যই শিরোধার্য্য। বাংলায় Candlesticks Chart Pattern এর সহজ পাঠ.pdf
  17. 2 points
    যেকোনো সাধারন মানুষই হোক বা ফরেক্স ট্রেডার, আমরা সবাই অভ্যাসের দাস। আসল ব্যাপারটি এমন, আমরা যদি কোন কাজে সফল হই বা সত্যিকারভাবে কাজ করে এমন কোন কিছুর সন্ধান পাই, তখন সে কাজটিই আমরা বারবার করতে থাকি। আর ফরেক্স ট্রেডেও ঠিক এমন ব্যাপারটিই ঘটে। যখন আমরা নতুন ফরেক্স ট্রেডিং করতে শুরু করি, তখন মূলত একটি বা ২টি কারেন্সি পেয়ার নিয়ে ট্রেড করতে থাকি। কিন্তু অনেক বছর পেরিয়ে গেলেও দেখা যায় সে পেয়ারগুলো থেকে আমরা আর বের হতে পারি না। নতুন ট্রেডারদের জন্য অল্প কারেন্সি পেয়ার নিয়ে ট্রেড করায় ভালো। কিন্তু, আপনি যখন একজন পরিনত ফরেক্স ট্রেডার হবেন, তখন আপনি একটি বা দুটি পেয়ারের পেছনে পড়ে না থেকে, অন্যান্য পেয়ারের খোঁজ খবর রাখাটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। নতুন ফরেক্স ট্রেডারগন প্রতিনিয়ত ইউরো/মার্কিন ডলার (EUR/USD) এবং ব্রিটিশ পাউন্ড/মার্কিন ডলার (GBP/USD), পেয়ার দুটির প্রতি বেশী মনযোগী হয়। ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কারেন্সি পেয়ার রয়েছে, এবং বিভিন্ন ধরনের পেয়ার ট্রেড করতে বিভিন্ন রকম পড়াশোনা বা জ্ঞান থাকা দরকার। আর হাজার কারেন্সি এবং পেয়ারের ভীরে আপনার কোনগুলো ট্রেড করা সবচেয়ে উপযুক্ত হবে বা কিভাবে এগোতে পারেন তাই নিয়েই এ আলোচনা। যেহুতু আপনি ফরেক্স ট্রেড করছেন, তাই আপনার সামনে যতরকমের সুযোগ আছে ট্রেড করার, সবগুলো সম্পর্কেই আপনার জানা উচিত। EURUSD এবং GBPUSD এর পাশাপাশি আরোও দুটি গুরুত্বপূর্ণ পেয়ার ফরেক্স ট্রেডারদের বেশ পছন্দের। কিন্তু অনেক ট্রেডাররাই এই পেয়ার ২টিকে গুরুত্ব দেন না। পেয়ার দুটি হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ান ডলার/ মার্কিন ডলার (AUD/USD) এবং নিউজিল্যান্ড ডলার/মার্কিন ডলার (NZD/USD)। মজার ব্যাপার হচ্ছে, নিউজিল্যান্ড ডলার এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার উভয়ই ফরেক্স মার্কেটে অন্যতম ২টি বেশ পরিবর্তনশীল কারেন্সি পেয়ার। তাই বুঝতেই পারছেন, বুঝে শুনে কোপ মারতে পারলে লাভও বেশ ভালোই করা সম্ভব এই পেয়ারগুলোতে। নতুন পেয়ার ট্রেড করতে গেলে প্রথমে নিশ্চিত করে নেয়া জরুরী যে আপনার ফরেক্স ব্রোকার আপনাকে উক্ত পেয়ার দুটিতে ট্রেড করার সুযোগ দিচ্ছে কিনা। এই পেয়ার ২টি মেজর পেয়ার বিধায় প্রায় সব ব্রোকারেই AUD/USD এবং NZD/USD ট্রেড করা যায়। XM ব্রোকারে এই পেয়ার দুটির স্প্রেড অন্য ব্রোকারগুলোর তুলনায় বেশ কম। বর্তমান মার্কেটের প্রেক্ষাপটে অস্ট্রেলিয়ান ডলার এবং নিউজিল্যান্ড ডলার দুটি কারেন্সিই ট্রেড করার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। গ্লোবাল ইকুইটি বৃদ্ধির সাথে সাথে, বিশেষ করে ইউএস এবং চায়নার স্টক মার্কেটে পরিবর্তনের ফলে ফরেক্স মার্কেটেও পরিবর্তনের সুযোগও বেশি তৈরি হয়। তাই ফরেক্সে বিনিয়োগকারীরা সেফ হেভেন কারেন্সি যেমন আমেরিকান ডলার, জাপানিজ ইয়েন, সুইস ফ্র্যাঙ্ক ইত্যাদি থেকে সরে এসে বেশি লাভ হতে পারে এমন কারেন্সি যেমন Aussie (অস্ট্রেলিয়ান ডলার) এবং Kiwi (নিউজল্যান্ড ডলার) এর প্রতি আকৃষ্ট হয়। এছাড়াও, বিভিন্ন গবেষনামূলক প্রতিবেদনে দেখা গেছে , প্রধান প্রধান কারেন্সিগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ফান্ডামেন্টাল দিক থেকে বেশ স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। বিশ্বের অর্থনীতিতে মন্দা চললেও অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়েনি। রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্ট্রেলিয়া স্বভাবতই তাদের সুদের হার একটু বেশী রেখেছিল যেটা মূলত অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করেছে। গোল্ড ট্রেডারের কাছেও কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান ডলার খুবই গুরুত্ব পায়, কারণ স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে অস্ট্রেলিয়ান ডলারের দামও বৃদ্ধি পায় কারণ স্বর্ণ রপ্তানিতে অস্ট্রেলিয়া অন্যতম বৃহতম দেশ। কিউই (Kiwi) অর্থাৎ নিউজিল্যান্ড ডলার বেশ প্রাধান্য পায় কারণ এর মূল্য স্টক প্রাইসের সাথে সম্পর্কযুক্ত। S&P 500 ইন্ডেক্স ওপরের দিকে গেলে, নিউজিল্যান্ড ডলার (Kiwi) মার্কিন ডলারের (USD) বিপরীতে শক্তিশালী হয়। তাই ফরেক্স ট্রেডাররা নতুন পেয়ার নির্বাচনের সময় NZD/USD পেয়ারটিকে তাদের তালিকায় রাখতে পারেন। কমোডিটিগুলোর চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও নিউজিল্যান্ড ডলারের দাম বৃদ্ধি পায়, যদিও নিউজিল্যান্ড বিশেষ কোন কমোডিটি উৎপাদন বা রপ্তানীর জন্য বিখ্যাত নয়। পরিশেষে বলা যায়, যদি আপনি ফরেক্স ট্রেড করেই থাকেন, তাহলে সচরাচর ট্রেডকৃত পেয়ারগুলোর পাশাপাশি অন্য কোন পেয়ার ট্রেড করলে লাভ করা যেতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আর সেদিক থেকে AUD/USD এবং NZD/USD পেয়ার দুটি আপনার চার্টে ওপরের দিকে রাখার কথা ভাবতে পারেন।
  18. 2 points
    খবরের কাগজ খুললেই আপনি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিয়ে কোন না কোন খবর পাবেন, বিশেষ করে অর্থনীতি পাতায় বা এ সংক্রান্ত খবরের কাগজগুলোতে। অনেক বেশী ফরেক্স ট্রেডার এখন তেল নিয়ে ট্রেড করছেন। কিছু কিছু ট্রেডার তো শুধু তেলেরই ট্রেড করেন, যাদেরকে কমোডিটি ট্রেডার বলা হয়। কিন্তু, কম বেশী সব নতুন ট্রেডার একটাই অভিযোগ করেন, এক এক ব্রোকারে তেলের দাম নাকি এক এক রকম! ব্রোকারভেদে তেলের দাম আলাদা হবে কেন? এর উত্তর হচ্ছে, আসলে বিশ্ববাজারে অনেক ধরনের তেল ট্রেড হয়, যেগুলোর নাম অনেকে ঠিকমত খেয়াল করেন না। আর এর ফলেই ঘটে বিপত্তি। বিশ্ববাজারে সবচেয়ে বেশী ট্রেড হয় জ্বালানী তেলের। জ্বালানী তেল দুই রকমেরঃ পরিশোধিত ও অপরিশোধিত। খনি থেকে সরাসরি উত্তোলিত বা অপরিশোধিত তেলের ট্রেডই বিশ্ববাজারে সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয় এবং সবচেয়ে বেশী ট্রেড করা হয়। আমরা ব্রোকারগুলোতে মূলত অপরিশোধিত তেলই ট্রেড করি, যেটাকে ক্রুড (Crude Oil) বলে। আমরা জানি যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ অপরিশোধিত তেল বা CruDe Oil এর উৎপাদন ও রপ্তানি করে। মজার বিষয় হচ্ছে, সব দেশের তেলের মান কিন্তু এক নয়। এটা অনেকটা নির্ভর করে তেল কোথা থেকে আহরণ করা হচ্ছে ও কিভাবে আহরন করা হচ্ছে। এই অপরিশোধিত তেলের বা Crude Oil এর তিনটি প্রধান ধরন আছে, Brent Crude, WTI Crude এবং Opec Basket Crude (এটি Dubai/Oman Crude নামেও পরিচিত), যেগুলো বিশ্বে সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত হয়। আর এই তিন ধরনের তেলের দামও আলাদা আলাদা। যেমন, এই মুহুর্তে Brent এর দাম ব্যারেল্প্রতি ৬৮.৫৮ ডলার, WTI এর দাম ব্যারেল্প্রতি ৬৫.৪৫ ডলার ও Opec Basket এর দাম ব্যারেল্প্রতি ৬৬.৮৩ ডলার। ফরেক্স ব্রোকারগুলো মূলত এই তিন ধরনের তেলই ট্রেড করার সুযোগ দেয়। কিন্তু, যেহেতু, অনেক ট্রেডাররাই এটা জানেন না, তাই তারা এক ব্রোকারের Crude তেলের দামকে হয়ত আরেক ব্রোকারের Brent তেলের সাথে মিলিয়ে ফেলেন, আর এর ফলেই ঘটে বিপত্তি। কিন্তু, Brent Crude, WTI Crude এবং Opec Basket Crude তেল কি? আর এগুলোর দামই বা বিভিন্ন কেন? বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তেলের খনিগুলো। মাটির নীচ থেকে যেমন তেল আহরন করা হয়, তেমনি আহরন করা হয় সমুদ্রের নীচের খনি থেকেও। এর মধ্যে এক ধরনের ঘন এবং অপ্রক্রিয়াজাত তেল রয়েছে যা মাটির নিচ থেকে উত্তোলন করা হয়। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা বিবেচনা করলে নিঃসন্দেহে মাটির নিচ থেকে তেল উত্তলনের তুলোনায় সমুদ্র থেকে উত্তলন বেশী সুবিধাজনক। তবে বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করে পাইপলাইন সুযোগ সুবিধার উপর। এ নিয়ে আরো বিস্তারিত জানতে পরের পর্বটির দিকে লক্ষ্য রাখুন।
  19. 2 points
    Vai fxhasibul, plabon8724 Akta Thakbaj, O Taka nie & Dai Na, Amar Kas Thaka 12/01/18 $100 Taka nai, Tar Por Mobile Off. Aj Naton kora Sell Add Dayasa, Sabdhan. Ami Aj Bikala Statud Dibo.
  20. 2 points
    স্ট্যাস্টিকস নিউজিল্যান্ড ২৩শে ফেব্রুয়ারি এমটি সময় ১১:৪৫ মিনিটে তাদের দেশের রিটেইল সেলস ঘোষণা করবে। একই সংখ্যা অন্যান্য দেশের তুলনায় পরে প্রকাশনা করা সত্ত্বেও, এটা মার্কেটে প্রবল প্রভাব ফেলে। ফোরকাস্টের চেয়ে যদি প্রকাশিত ফলাফল ভালো হয়, তাহলে NZD এর মূল্য অন্যান্য কারেন্সির তুলনায় বাড়বে।
  21. 2 points
    বাংলাদেশ থেকে ট্রেডাররা সবচেয়ে বেশি ট্রেড করে আমার জানামতে XM, Exness, Hotforex, Instaforex ব্রোকারে। ইন্সটাফরেক্স আমার ভাল লাগেনা, তবে XM এ ট্রেড করি এবং ভাল লাগে। ট্রেড করার জন্য একটি ব্রোকার পছন্দ করতে গেলে আমি মনে করি নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিতঃ ব্রোকারটি আসলেই ভাল কিনা। সারা বিশ্বে কাজ করছে কিনা। কিছু ব্রোকার ২-৩ টি দেশে অনেক মার্কেটিং করে প্রচুর ব্যবসা করে শুধুমাত্র। আবার অনেক ব্রোকার দেখবেন সব বড় বড় দেশে রেপুটেশন নিয়ে ব্যবসা করছে। আপনি চাকরি করতে গেলে যেমন বড় কোম্পানি দেখেন, ট্রেড করতে গেলেও বড় বিশ্বস্ত ব্রোকারের সাথে ট্রেড করা উচিত, কারণ তারা বিশ্বজুড়ে সার্ভিস দিচ্ছে, এবং আপনাকে খারাপ সার্ভিস দিয়ে তাদের সুনাম নস্ট করবে না। ব্রোকারটি কোন কোন শীর্ষ রেগুলেটর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তা চেক করা জরুরী। FCA, ASIC, IFSC, CySec ইত্যাদি লাইসেন্স এবং রেগুলেশন আপনার ব্রোকারের আছে কিনা তা যাচাই করবেন। সবচেয়ে কম স্প্রেড না, সহনীয় স্প্রেড। আমি যখন ফরেক্স শুরু করি, আমি শুধু কম স্প্রেডের ব্রোকার খুঁজতাম। কিন্তু এটা সবচেয়ে বড় ভুল। এটা ঠিক স্প্রেড কম হলে ট্রেড তারাতারি লাভে আসে। কিন্তু এখানে অভিজ্ঞ ট্রেডারদের একটি বাক্য উল্লেখ করতে চাই, ৫০ পিপ্স আর ৪৯ পিপ্স লাভ করা প্রায় একই কথা। তাই ১ পিপস কম স্প্রেডের জন্য খারাপ ব্রোকার বেছে নেবেন না। মাঝারি রকম স্প্রেড দেয় এমন ব্রোকার বেছে নিন। ট্রেড করতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল রিকোটস না দেয়া। রিকোটস দেয়না এমন ব্রোকার বেছে নিতে হবে। এক্সনেসে ট্রেডিং শুধুমাত্র এই কারণেই ছেড়ে দিয়েছি। আর ট্রেড খুব তারাতারি খুলবে এবং বন্ধ হবে। এটাকে ট্রেড এক্সিকিউশন বলে। যে ব্রোকারের ট্রেড এক্সিকিউশন স্পিড যত বেশি, সে ব্রোকারে ট্রেড করে তত আরাম। কারণ অনেক ব্রোকারে বাই/সেল/ক্লোজ দিলে ১০-২০ সেকেন্ড লাগয়ে দেয়। নিউজের সময়ে ঐ সময়ে দ্রুত প্রাইস পরিবর্তনের জন্য লাভের ট্রেডও লসে চলে যায় বা লাভ কমে যায় অনেক সময়। বাংলায় সাপোর্ট বিষয়টি সবচেয়ে জরুরী। ব্রোকার যত ভালই হোক, বিভিন্ন বিষয়ে ব্রোকারের সাহায্য আপনার লাগবেই। অনেক ব্রোকার বাংলাদেশে প্রতিনিধি রেখে তাদের সার্ভিস আর সাপোর্ট অনেক উন্নত করেছে। আমি যেই ব্রোকারে ট্রেড করি, তাদের অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার আমাকে মাঝে মাঝেই ফোন করে কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা জিজ্ঞেস করে। অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই থেকে শুরু করে দ্রুত উইথড্র ইত্যাদি বিষয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার যদি সাহায্য করে, আপনিও সেই ব্রোকারে ট্রেড করে মজা এবং সাহস পাবেন। তবে শেষ কথা হল বিচার যাই হোক, তালগাছটা আমার। সবশেষে কিন্তু আপনিই ট্রেড করবেন। তাই সব ব্রোকার যাচাইবাছাই করার পর দেখুন কোনটাতে ট্রেড করে আপনার ভাল লাগে। ভালোর যেমন শেষ নেই, তেমনি চাঁদেও কলঙ্ক থাকবেই। সবকিছু যে আপনার ভাল লাগবে তা নয়। তাই সবকিছু যাচাই করে অবশেষে আপনার পছন্দের ব্রোকারটি বেছে নিন।
  22. 2 points
    Weekly chart এনালাইসিস করে দেখা যায়, প্রাইস 1.17413 লেভেল থেকে ধারাবাহিকভাবে বাড়তে বাড়তে 1.2540 লেভেলে পৌঁছায়, যা কিনা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। একাধারে সাতটি ক্যান্ডেল বুলিশ অবস্থায় থাকার পর হঠাৎ করেই একটি বড় আকারের বিয়ারিস ক্যান্ডেল উপস্থিত হয়, যা কিনা মার্কেটকে একেবারে নামিয়ে দিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দেয়। চার ঘন্টার চার্ট এনালাইসিস করে দেখা যায়, মার্কেট গত ৭ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত 1.2200 থেকে 1.2298 এই লেভেলের একটি রেন্জের মধ্যে আছে। অর্থাৎ 1.2200 কে আমরা একটি শক্তিশালি সাপোর্ট হিসেবে ধরতে পারি। আর মুরব্বিরা ধারণা করছেন (মুরব্বিদের কথা বেশিরভাগ সময়ই ফলে যায়), মার্কেট আবার 1.2540 প্রাইস লেভেল টেস্ট করতে পারে। এই 1.2540 প্রাইস লেভেলটি একটি শক্তিশালি রেসিসটেন্ট হিসেবে গত কয়েক বছর ধরেই বিবেচ্য, কারন এটি বিগত বছরগুলোতে খুব কম সময়ই rejected হয়েছে। তার মানে মার্কেট ঘুরে দাড়াতে পারাতে আবার। আমার ব্যক্তিগত পছন্দের ইচিমুকো ইন্ডিকেটরের ডেইলি চার্টেও স্পষ্টভাবে আপট্রে্ন্ডের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এদিকে ফরেক্স জগতের অন্যতম মুরব্বি Fxstreet.com সাহেব তাদের অতি সাম্প্রতিক সময়ের টেকনিকেল এনালাইসিসে বলেছেন, “যদি বড় ধরনের কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনা না ঘটে তাহলে EUR/USD পেয়ারে আরেকটি অপট্রেন্ড আসার সম্ভাবনা খুব প্রবল”। আবার আরেক ‍মুরব্বি XM.COM সাহেবও ইনিয়ে বিনিয়ে এই কথাটিই বুঝাতে চেয়েছেন। তবে, মুরব্বিদের কেউই আপনাদের কষ্টার্জিত টাকার লসের দায়িত্ব নিতে সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
  23. 2 points
    আসলে কিছু বলার নাই ব্র। ফরেক্সে না আসলে অনেক কিছুই জানা হতো না । আর যতই জানছি ততই মনে হচ্ছে আমি অনেক কম জানি । পৃথিবীর বিশাল জ্ঞান ভান্ডার তথা ফরেক্সের এই জ্ঞানসমুদ্রের কাছে আমরা যা জানি সেটা নিতান্তই ক্ষুদ্র বালিকণা ব্যাতীত কিছুই নয়।
  24. 2 points
    আমি নিজেও জানতাম না। কমোডিটি নিয়ে যতই জানছি, অবাক হচ্ছি। তবে এটা বুঝতে পারছি, ট্রেড করার অনেক অনেক ভালো সুযোগ হারিয়েছি গত কয়েক বছরে শুধুমাত্র না জানার জন্য। ফরেক্সের পাশাপাশি ব্রোকারগুলোতে আর যা যা ট্রেড করা যায়, আস্তে আস্তে তার সবকিছু নিয়েই বিস্তারিত সব পাওয়া যাবে বিডিপিপসে। কারন, অনেকেই বলে থাকেন ফরেক্স ট্রেড করা কঠিন। তাই, তারা যাতে পাশাপাশি কমোডিটি বা স্টক ট্রেডও করতে পারেন, সেই জন্য বিডিপিপস সাহায্য করবে। কারন, কখনো কখনো কারেন্সিতে খুব ভালো ট্রেডের সুযোগ আসে, কখনো কমোডিটিতে আবার কখনো স্টকে। তাই, যে যেটাতে বেশি কমফোর্ট ফিল করবে, সে সেটা ট্রেড করবে। আমরা বিডিপিপস ফরেক্স স্কুলকেও একদম নতুন করে সাজাচ্ছি, যেটা এবছরের শেষে একেবারে আপডেট করা হবে।
  25. 2 points
    ট্রেডারদের কাছে অন্যতম পছন্দের একটি ফরেক্স ব্রোকার হল XM. মূলত ভাল ট্রেডিং সার্ভিস, দ্রুত ট্রেডিং এক্সিকিউশন, বিশ্বজুড়ে পরিচিতি, সেরা রেগুলেশন এবং বাংলায় ডেডিকেটেড সাপোর্ট ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার থাকায় ব্রোকারটিকে ট্রেডাররা পছন্দ করেন। ব্রোকারটিতে অন্যান্য অনেক ব্রোকারের তুলনায় স্প্রেড অনেক কম। গোল্ড-সিলভারে স্প্রেড কমেছে সম্প্রতি ক্লায়েন্টদের ফিডব্যাকের ওপর ভিত্তি করে গত ২৯ জানুয়ারি থেকে XM তাদের গোল্ড এবং সিলভার পেয়ারে স্প্রেড কমিয়েছে। গোল্ডেঃ পূর্বে স্প্রেডঃ গড় ৪.৩ পিপ্স, সর্বনিম্ন ৪.০ পিপ্স নতুন স্প্রেডঃ গড় ৩.৫ পিপ্স, সর্বনিম্ন ৩.০ পিপ্স সিলভারেঃ পূর্বে স্প্রেডঃ গড় ৪.৮ পিপ্স, সর্বনিম্ন ৩.৭ পিপ্স নতুন স্প্রেডঃ গড় ৩.৬ পিপ্স, সর্বনিম্ন ৩.০ পিপ্স জিরো অ্যাকাউন্টে কমিশন কমেছে পাশাপাশি ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে XM তাদের জনপ্রিয় জিরো অ্যাকাউন্টে কমিশন কমাচ্ছে। জিরো অ্যাকাউন্ট হল XM এর আলাদা ধরণের একটি অ্যাকাউন্ট টাইপ যেখানে স্প্রেড থাকে খুবই কম, তবে কমিশন প্রযোজ্য হয়। তবে স্প্রেড আর কমিশন যোগ হলেও সাধারন অ্যাকাউন্ট থেকে স্প্রেডের তুলনায় অনেক কম কাটবে। স্ক্যাল্পারদের জন্য এই অ্যাকাউন্টটি অনেক সুবিধাজনক। পূর্বে যেকোনো ট্রেডে স্বল্প স্প্রেডের পাশাপাশি $৫+$৫=$১০ কমিশন প্রযোজ্য হত ১ স্ট্যান্ডার্ড লট ট্রেড করলে। কমিশন কমে এখন থেকে $৩.৫+$৩.৫=$৭ কমিশন প্রযোজ্য হবে। কম স্প্রেডের জিরো অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন এখান থেকে।
  26. 2 points
    আমাদের অনেকের ছোটবেলার অনেক স্মৃতির সাক্ষী, ছবির ফিল্ম প্রস্তুতকারী বিখ্যাত কোডাক কোম্পানির কথা খেয়াল আছে? এককালের দুর্দান্ত প্রতাপশালী কোম্পানীটি সেই ১৯০৫ সালে নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়েছিল। কিন্তু তার প্রায় ১০৭ বছর পরে ২০১২ সালে দেউলিয়া হয়ে যায় কোডাক। নিউইয়র্ক ষ্টক এক্সচেঞ্জ এর স্টক তালিকা থেকে কোডাকের নাম বাদ দিয়ে দেয়া হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্টক এক্সচেঞ্জ এই নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত আছে প্রায় ২৮০০ কোম্পানি। এর মধ্যে গুগুল, অ্যাপলের মত বিশাল বড় কোম্পানী যেমন আছে, তেমনি অনেক ছোট ছোট কোম্পানিও আছে। তো, এই ২৮০০ কোম্পানির সবগুলোর অবস্থা তো আর ভালো নয়। অনেকগুলোর অবস্থা খুব ভালো, আবার অনেকগুলোর অবস্থা কোডাকের মত হতে যাচ্ছে, হয়ত অনেক বছর জুড়েই বাজে অবস্থা। তো এই স্টক এক্সচেঞ্জের সবগুলো কোম্পানির শেয়ারের গড় প্রাইস বাড়ছে নাকি কমছে, তার থেকেও বিনিয়োগকারীরা খেয়াল বেশি রাখেন প্রধান ৫০০ টি কোম্পানির স্টকের দিকে। যদি সবচেয়ে বড় এই ৫০০ টি কোম্পানির গড় স্টক প্রাইস বাড়ে, তার মানে স্টক মার্কেটের অবস্থা ভালো যাচ্ছে, অন্যথায় স্টক মার্কেটের অবস্থা মন্দ। স্ট্যান্ডার্ড এন্ড পুওর গ্লোবাল (Standard and Poor Global) নামে নিউইয়র্ককেন্দ্রিক যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত আর্থিক সংস্থা আছে। এই সংস্থাটি স্টক, বন্ড এবং কমোডিটির উপর নিয়মিত বিভিন্ন আর্থিক নিরীক্ষা ও এনালাইসিস প্রকাশ করে থাকে। এই সংস্থাটিই মূলত নিজ নামে S&P 500 index বা সূচক চালু করেছে, যেটি মূলধনের ভিত্তিতে নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের সবচেয়ে বড় ৫০০ টি কোম্পানির স্টক প্রাইসের মূল্য সম্পর্কে ধারনা পাওয়ার জন্য স্টক ট্রেডারদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় সূচক। S&P তার তালিকাভুক্ত ৫০০ টি কোম্পানির সর্বমোট সমন্বয়কৃত মূলধনকে একটি সংখ্যা (index divisor) দ্বারা ভাগ করে এই সূচকের মান বের করে। S&P 500 Index = SUM (market cap all S&P 500 stocks) / Index Divisor তারমানে, S&P ৫০০ সূচকটির বৃদ্ধি বা হ্রাস সরাসরি নির্দেশ করে যে এই ৫০০ টি কোম্পানির সমন্বিত মূলধন কি বাড়ছে নাকি কমছে। যদি স্টক মার্কেট ক্রমাগত ভালো করতে থাকে, তাহলে S&P 500 সূচক বাড়তে থাকবে, অন্যথায় কমতে থাকবে। লক্ষ্য করুন, S&P 500 কিন্তু নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের ২৮০০ কোম্পানির মধ্যে শুধুমাত্র প্রধান ৫০০ টি কোম্পানির মার্কেট মূলধনকে নির্দেশ করছে। তার মানে, কখনো কখনো এমন হতে পারে যে, সব কোম্পানি মিলিয়ে হয়তবা স্টক মার্কেটের অবনতি হয়েছে, কিন্তু প্রধান কোম্পানিগুলো ভালো করায় S&P 500 বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু, আগেই বলেছি, অধিকাংশ ট্রেডাররা মূলত প্রধান ৫০০ টি কোম্পানির ষ্টক লেনদেন করে, তাই তারা S&P 500 এর দিকেই নজর রাখে বেশি। নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য এরকম আরও জনপ্রিয় সূচক আছে। যেমন, Dow Jones Industrial Average (DJIA), যেটি সবচেয়ে বড় এবং বাছাইকৃত ৩০ টি কোম্পানির (যেমনঃ Apple, IBM, Intel, McDonalds, Microsoft, Nike, Boeing CocaCola, Wallmart, Visa, Amrican Express ইত্যাদি ) স্টককে নির্দেশ করে। সময়ের সাথে সাথে কোম্পানিগুলোর পারফর্মেন্সের উপর ভিত্তি করে তালিকা থেকে পুরনো কোন কোম্পানিকে বাদ দিয়ে নতুন কোন কোম্পানিকে সংযুক্ত করা হয়। মজার বিষয় হল, গুগল বা ফেসবুক কিন্তু এই তালিকাতে নেই! আরেকটি তথ্য জেনে রাখুন, Dow Jones Industrial Average (DJIA) কে সংক্ষেপে প্রায়ই শুধু Dow নামে ডাকা হয় এবং এটি নিউইয়র্ক ষ্টক এক্সচেঞ্জের সাথে সাথে NASDAQ স্টক এক্সচেঞ্জকেও নির্দেশ করে। এই সূচকটিরও মালিকানা বর্তমানে S&P Global এর। Dow Jones Industrial Average সূচকটির জন্য বর্তমানে তালিকাভুক্ত প্রভাবশালী ৩০ টি কোম্পানি হচ্ছেঃ 3M,American Express, Apple, Boeing, Caterpillar, Chevron, Cisco Systems, Coca-Cola, DowDuPont, ExxonMobil, General Electric, Goldman Sachs, IBM, Intel, Johnson & Johnson, JPMorgan Chase, McDonald's, Merck, Microsoft, Nike, Pfizer, Procter & Gamble, The Home Depot, Travelers, United Technologies, UnitedHealth Group, Verizon, Visa, Walmart এবং Walt Disney. এ ২টি ইনডেক্স সম্পর্কে জানলে আপনি মার্কেটের বর্তমান অবস্থার একটি ধারনা সহজেই করতে পারবেন। এ সম্পর্কে বিস্তারিত আসবে পরবর্তী লেখায়।
  27. 2 points
    কিছু হলেই দেখা যায় ফরেক্স ট্রেডারদের মধ্যে ঝগড়া বেঁধে যায় যে টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস বেশি কার্যকরী নাকি ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস তা নিয়ে। যারা টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস করেন, ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস তাদের ২ চোখের বিষ। আবার যারা ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস করছেন, তাদের মতে টেকনিক্যাল অ্যানালিস্টরা মার্কেটের কিছুই না বুঝে কতিপয় ইন্ডিকেটর-হাবিজাবি দেখে ট্রেড করেন। সম্প্রতি ফেসবুকেও কয়েকজনের মধ্যে বাক-বিতন্ডা বেঁধে গেলো এই বিষয় নিয়ে। তাই অনেকেই জানতে চাইলেন আসলেই কোনটি বেশি কার্যকর এবং কোন অ্যানালাইসিস করা উচিত। ধরুন আপনি একটি পার্টিতে যাবেন। যাবার সময় কি আপনি কখন কাউকে জিজ্ঞেস করবেন যে শার্ট পরে যাব নাকি প্যান্ট পরে যাব? তা আপনি করেন না। আপনি জিজ্ঞেস করতে পারেন শার্ট পরবো নাকি পাঞ্জাবী পরবো? শার্ট কখনও প্যান্টের বিকল্প হতে পারে না। তেমনি ফরেক্স মার্কেটের সঠিক গতিবিধি বুঝতে হলে আপনাকে টেকনিক্যাল এবং ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস দুটোই করতে হবে, এরা একে অন্যের বিকল্প নয়, বরং একে অন্যের পরিপূরক। একটি রেখে আরেকটি করলে আপনার অ্যানালাইসিস অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। প্রথমেই আপনাকে বুঝতে হবে ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস আসলেই কি। অনেকেই ভাবেন প্রতিদিন কিছু নিউজ বের হয়, ওগুলো ফলাফল দেখে ভাল আসলে বাই, আর খারাপ আসলে সেল দেওয়ার মানেই হল ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস। আমরা অনেকেই ভুল জানি, বা সম্পূর্ণটুকু জানি না। আসলে আমরা ফরেক্স নিউজ সাইট বা ইকোনমিক ক্যালেন্ডারে যেসব ইভেন্ট দেখি, সেগুলো বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচক, জরিপ, ডাটার রিপোর্ট। কোন রিপোর্টের মাধ্যমে জানা যায় গত মাসে কত মানুষ বেকার ছিল। এর মাধ্যমে জানা যায় একটি দেশের শ্রমবাজারের কি অবস্থা। তেমনি কত মানুষ নতুন চাকরি পেল, কত মানুষ বেকার ভাতার সুযোগ নিল এগুলোও কিন্তু শ্রমবাজারের অবস্থা নির্দেশ করে। কিছু রিপোর্ট দিয়ে বোঝা যায় গত মাসে ঐ দেশ কি পরিমান এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট করলো। কিছু রিপোর্ট ঐ দেশের জিডিপি বৃদ্ধি-হ্রাস নির্দেশ করে। গত নির্দিষ্ট কিছু মেয়াদে কি পরিমান উৎপাদন হল, কি পরিমান খরচ হল নির্দিষ্ট কিছু সেক্টরে, কি পরিমান নতুন বিল্ডিং হওয়ার অনুমতি পেল এসবই কিন্তু কোন না কোন ভাবে ঐ দেশের অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত। এসব অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন পলিসি গ্রহন করে যেমন ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানো/কমানো ইত্যাদি। আপনি যখন কোন নিউজ ইভেন্ট বা রিপোর্ট জানছেন, তখন ঐ দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার অগ্রগতি সম্পর্কে জানছেন। আমরা এসব রিপোর্ট বা ডাটা রিলিজকে সুবিধার জন্য ফরেক্স নিউজ বলি। কিন্তু সত্যি বলতে এগুলো শুধু ফরেক্স নিউজ না। এগুলো ঐ দেশের সমগ্র অর্থনীতির হালচাল। স্টক মার্কেট, বন্ড মার্কেটসহ অসংখ্য সেক্টর প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে ঐসব নিউজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। আপনি একটি পেয়ার ট্রেড করছেন মানে ২টি দেশের কারেন্সি ট্রেড করছেন। EUR/USD ট্রেড করতে হলে আপনাকে ইউরো এবং ডলারের নাড়ি-নক্ষত্র জানতে হবে। আমেরিকার অর্থনীতি শক্তিশালী হলে ডলার শক্তিশালী হবে। ইউরোপের বা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কোন গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদেশের অর্থনীতি দুর্বল হলে ইউরো দুর্বল হবে। আপনি কি আসলেই মনে করেন আপনি ডলার আর ইউরো ট্রেড করবেন শুধুমাত্র চার্ট দেখে? আপনি ইউরো বা ডলার দুর্বল নাকি শক্তিশালী হল তা পাত্তাই দিবেন না? ৫ বছর পর বিদেশ থেকে ফেরার সময় ছেলের জামার মাপ না জেনে শুধু বয়স জেনে যদি তার জন্য জামা কিনে আনেন, তা যেমন তার গায়ে লাগবে না, তেমনি ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস ছাড়া শুধু টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস করলেও আপনার ট্রেড ভুল হবার সম্ভাবনাই বেশি। আবার অনেক ফান্ডামেন্টাল অ্যানালিস্ট ট্রেডার দাবি করেন টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের প্রয়োজন নেই, যদিও সে সংখ্যা অনেক কম। মার্কেটের সাপোর্ট-রেসিসট্যান্স বুঝতে হলে আপনাকে টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস করতেই হবে। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনেক বিশাল একটি ক্ষেত্র। একেকজন একেকভাবে অ্যানালাইসিস করতে পারেন, কিন্তু একটি পদ্ধতি সঠিক, আরেকটি ভুল তা কখনই বলা যাবে না। একটি অংক যেমন কয়েকভাবে করা যায়, একই পেয়ারেও আপনি বিভিন্নভাবে অ্যানালাইসিস করতে পারে, বিভিন্নভাবে ট্রেড করতে পারেন। কেউ হয়তো শর্টটার্ম টার্গেট করে সেল দিতে পারে, আরেকজন লংটার্ম টার্গেট করে বাই দিতে পারে। আরেকজন একই সাথে ২টি ট্রেডই দিতে পারে। কোনটিই ভুল নয় যদি তা সঠিকভাবে করা হয়। ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস আপনাকে করতে হবে আপনার নিজের জন্য। কিন্তু প্রতিটি ট্রেড যে ফান্ডামেন্টাল অ্যানালসিস অনুসারেই হতে হবে আমি এমনটি বলছি না। ধরুন এ সপ্তাহে তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ নিউজ নেই। তাই আপনি জেনে গেলেন এ সপ্তাহে কি রকম মুভমেন্ট হতে পারে। এবার আপনি মার্কেটের টেকনিক্যাল লেভেলগুলো টার্গেট করে ট্রেড করবেন। আবার ডিসেম্বরে বিভিন্ন তাৎপর্যপূর্ণ ফান্ডামেন্টাল ইভেন্টের জন্য বড় ধরনের মার্কেট মুভমেন্টের সুযোগ আছে। তখন আপনি টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসও করবেন সেভাবেই। ২ রকম অ্যানালাইসিস আপনাকে এ কারণে করতে হবে যাতে আপনি মার্কেটের আসল অবস্থাটি সম্পূর্ণরুপে অবগত হতে পারেন। আপনি যখন মার্কেটের আসল অবস্থা ভালভাবে জানবেন, তখনই কিন্তু আপনি সিদ্ধান্ত নিবেন আপনার ট্রেডটি শুধু টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুসারে হবে নাকি ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস অনুসারে হবে, কিংবা দুইয়ের সমন্বয়ে হবে। অ্যানালাইসিস করা মানেই যে তা সঠিক হবে তা কিন্তু নয়। অ্যানালাইসিস করে আমরা ধারনা করার চেষ্টা করি মার্কেট পরবর্তীতে কোন দিকে যেতে পারে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা সঠিক হয়। আপনার অ্যানালাইসিস সঠিক হলেও মার্কেট অন্য কোন প্রভাবক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে অন্যদিকে কখনও কখনও যেতে পারে। অনেক ট্রেডার বা ফরেক্স গুরু বলে থাকেন যে ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস করার কোন দরকার নেই। ভুলেও নিউজের দিকে চোখ না দিয়ে শুধু চার্ট দেখুন। এটা অনেকটা বড় লম্বা শার্ট পরে, প্যান্ট না পরেই পার্টিতে যাওয়ার উপদেশ দেয়ার মত যে বড় লম্বা শার্ট পরলে প্যান্ট পরার কোন প্রয়োজন নেই। ফরেক্স ট্রেডিংয়ে আমরা প্রত্যেকেই ট্রেড করতে এসেছি টাকা আয় করার জন্য। সবাই টাকা দিয়েই ট্রেড করছি। সুতরাং, বুদ্ধিমানের কাজ হবে আগে টেকনিক্যাল এবং ফান্ডামেন্টাল ২টি বিষয়ই ঠিক ভাবে বুঝে নেয়া। কারো কথা শুনে প্রভাবিত হয়ে একদিকে অনুসরন করাটা বোকামি করা হবে। আপনি ট্রেডার হিসেবে যখন সবকিছু বুঝবেন, তখন নিজের বিবেক, অভিজ্ঞতা এবং প্র্যাকটিসকে কাজে লাগিয়ে সিদ্ধান্ত নিন আপনি কিভাবে ট্রেড করবেন। টেকনিক্যাল বা ফান্ডামেন্টাল কোনটি কাজে লাগিয়ে ট্রেড করে আপনি বেশি সফল, তারপর সেভাবে ট্রেড করুন। একেকজনের ট্রেডিং পদ্ধতি একেক রকম। একই রান্নার রেসিপি দেখে রান্না করলে যেমন একেকজনের রান্নার স্বাদ ভিন্ন হয়, তেমনি একই ধরনের অ্যানালাইসিস করলেও কিন্তু ট্রেডিংয়ের ফলাফল ভিন্ন হবে। আপনাকে খুঁজে বের করতে হয় আপনি কিভাবে লাভ করতে পারছেন, অন্যজন কিভাবে ট্রেড করছে সেটা নয়। আরেকজন যদি সাইকেলের হ্যান্ডেল না ধরেই সাইকেল চালাতে পারে, তা দেখে সবাই হ্যান্ডেল না ধরে সাইকেল চালাতে গেলে বিপদে পড়বে। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস শিখুন। ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস শিখুন। নিজের জ্ঞ্যান এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগান। তারপর সিদ্ধান্ত নিন আপনি কিভাবে ট্রেড করবেন, কিংবা আদৌ ফরেক্স ট্রেড করবেন কিনা। অন্যের কাছ থেকে শিখুন, কিন্তু নিজের বুদ্ধিতে চলুন। কারো তৈরি করা কোন নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরন করে নিয়মিতভাবে লাভ করা কখনও সম্ভব নয়।
  28. 2 points
    এই লেখাটা ব্রোকার সেকশনে করতে চেয়েছিলাম কিন্তু ওখানে দেখলাম লিখা আছে You cannot start a new topic। তাই এখানে করলাম। ব্রোকার সিলেক্ট করার আগে কতগুলো বিষয় মনে রাখা জরুরী। ব্রোকারের প্রধান আয় হচ্ছে স্প্রেডএর মাধ্যমে। কিন্তু বেশিরভাগ ব্রোকার ট্রেডারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েও লাভ করে। কথিত আছে ফরেক্স মার্কেটে ৯০% প্রথম একাউন্ট হারায়। তাই ব্রোকাররা প্রথম একাউন্ট রেজিস্টার কারীদের বিপক্ষে অবস্থান নিলে বেশিরভাগ সময় তাদের লাভ হয়। ডিলিং ডেস্ক নাকি নো ডিলিং ডেস্ক? ব্রোকার স্ট্রাকচার দুরকম । একটা হচ্ছে - ডিলিং ডেস্ক যেখানে প্রতিটা অর্ডার পূর্ণ হবার আগে ডিলিং ডেস্কে গিয়ে যাচাই করে পূর্ণ হয়। আরেকটা হচ্ছে নো ডিলিং ডেস্ক যেখানে কোন ডিলিং ডেস্ক থাকে না, আপনার অর্ডার প্রাইসের সাথে ম্যাচ থাকলেই অটোমেটিক রিকোয়েস্ট পূর্ণ হয়ে যাবে। মাঝখানে কোন ডিলার থাকবে না। মাঝখানে ডিলার থাকলে প্রাইস ম্যানিপুলেট করা যায়। ধরা যাক আপনি ইউরো ইউএসডি ১.৩৫৪৪ রেটে বাই চাপ দিলেন। ট্রেড সার্ভারে পৌছাতে পৌছাতে প্রাইস চেঞ্জ হয়ে গেল। প্রাইস চেঞ্জ হওয়া মানে পূর্বের প্রাইসে আর কোন সেলার নেই। এই অবস্থায় ব্রোকার নিজেই সেলার হয়ে আপনার রিকুয়েস্ট পূর্ন করে দিবে। পরবর্তীতে যখন সেল করে দিতে সেল বাটন চাপ দিবেন, তখন ডিলিং ডেস্কে গিয়ে যদি দেখা যায় ঐ রেটে কোন বায়ার নেই তাহলে ডিলিং ডেস্ক আপনাকে আরেকটা প্রাইস পাঠাবে যে প্রাইসে আপনি সেল করতে ইচ্ছক কিনা জানতে চাইবে। এটাকে বলে Requote। এর ফলে লাভের পরিমাণ কমে যায় বা লসের পরিমান বেড়ে যায়। কিন্তু নো ডিলিং ডেস্কে আপনি অর্ডার দিলে প্রাইসের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মুভমেন্টেও আপনার অর্ডার কাছাকাছি প্রাইসে পূর্ণ হয়ে যাবে। যেমন আপনি পূর্বের উদাহরন অনুযায়ী ১.৩৫৪৪০ রেটে বাই দিলেন। যদি ঐ রেটেও সেলার না থাকে তবে কাছাকাছি রেটে যেমন ১.৩৫৪৪২ অর্ডার পূর্ণ হয়ে যাবে। এবং একই ভাবে সেল করার সময় কাছাকাছি প্রাইসে সেল হয়ে যাবে ফলে Requote এর কোন চান্স নেই। নো ডিলিং ডেস্কের আরেকটা সুবিধা হল ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মুভমেন্টের সুবিধা। সেজন্য সব নো ডিলিং ডেস্ক ব্রোকারের প্রাইস ফিফথ ডেসিমাল হয় (মানে দশমিকের পর ৫টা সংখ্যা)। যেমন EUR/USD 1.35442/1.35450 ফিফথ ডেসিমেলে হওয়ায় স্প্রেড কমে যায়। অন্য ব্রোকারে সাধারণত EUR/USD স্প্রেড হয় ২-৩ পিপ সেখানে নো ডিলিং ডেস্ক ব্রোকারে স্প্রেড হয় ০.৮ -১.৮ পিপ। সেজন্য নো ডিলিং ডেস্কে ফিক্সড স্প্রেড নেই, এখানে স্প্রেড ভ্যারিয়েবল। মানে অর্ডারের চাপের উপর স্প্রেড নির্ভর করে। অর্ডার বেশি হলে স্প্রেড বাড়িয়ে দেয়া হয়। যেমন নিঊজ পাব্লিশের সময়। আবার অর্ডারের প্রেশার কম থাকলে স্প্রেড কম থাকে। ডিলিং ডেস্ক ব্রোকারকে Market Maker / Stop Loss Hunter Broker ও বলা হয়। নো ডিলিং ডেস্ক ব্রোকার ECN (Electronic Communication Network) / STP (Straight Through Processing) ব্রোকারও হতে পারে। জনপ্রিয় কয়েকটি ডিলিং ডেস্ক ব্রোকার হচ্ছে -eToro, LiteForex, UWCFX, Avafx জনপ্রিয় কয়েকটি নো ডিলিং ডেস্ক ব্রোকার হচ্ছে - FXCM, OANDA, Alpari ,Tadawulfx, AAAfx, Deltastock, রেগুলেশন? অবশ্যই রেগুলেটেড ব্রোকারে ট্রেড করবেন। যদিও ফরেক্স মার্কেট রেগুলেটেড নয় কিন্তু ব্রোকারের কার্যক্রম রেগুলেশন করা হয়। রেগুলেটেড ব্রোকারের দুই নাম্বারী করার সুযোগ থাকে না। ডকুমেন্টস এন্টি মানি লন্ডারিং আইন অনুযায়ী ব্রোকাররা শুধুমাত্র গ্রাহকের নাম থেকেই টাকা নিতে পারে এবং ঐ নামেই টাকা ফেরত দিতে পারে, কোন ৩য় ব্যক্তির মাধ্যমে নয়। তাই গ্রাহকের নাম ঠিকানা ভেরিফাই করার জন্য গ্রাহকের ডকুমেন্টস ব্রোকার কে পাঠাতে হয়। নাম ভেরিফাই করার জন্য ন্যাশনাল আইডি কার্ডের / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্ক্যানড কপি এবং এড্রেস ভেরিফাইয়ের জন্য আপনার নাম ঠিকানা সম্বলিত ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট / টেলিফোন বিল / বিদ্যুৎ বিল এর স্ক্যানড ফটোকপি পাঠাতে হবে। যদি কোন ব্রোকা্রে ডকুমেন্টস ভেরিফাই এর দরকার না হয় তাহলে মনে করবেন ঐ ব্রোকার ভুয়া। কারণ সব গ্রাহকের ডকুমেন্টস ভেরিফাই করে রেকর্ড করে রাখা সরকারী আইন। ঐ ব্রোকার নিশ্চিত আইন ভংগ করছেন। অনলাইন রিভিও সবশেষে ফাইনাল ডিসিশন নেয়ার আগে অনলাইনে বিভিন্ন সাইট থেকে ব্রোকার রিভিও পড়ে নিতে পারেন। ব্রোকারের নাম + রিভিও লিখে গুগলে সার্চ করলে প্রচুর সাইট পাবেন। যেমন - FXCM Review. ওখানে বর্তমান গ্রাহকদের রিভিও পড়ে দেখুন। Instant Execution, Faster Withdrawal , No Requotes , Good Customer Service এগুলো থাকলে বুঝবেন ভাল ব্রোকারই সিলেক্ট করেছেন। forexpeacearmy.com হল সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রোকার রিভিও সাইট।
  29. 2 points
    ভাই আপনি যে প্রশ্ন করেছেন এটা সম্পূর্ন নির্ভর করে একজন ট্রেডারের উপর কারন সবাই তো সমান না কারন কোনো ট্রেডার আছে একটা বই পড়ে বুঝতে ধরুন 1 মাস লাগে আবার কেউ আছে ধরুন পড়ে বুঝতে 6 মাস সময় লাগে । তবে কেউ আগে গেইন করবে কেউ পরে করবে এটাই নিয়ম । ফরেক্স যেমন লাভজনক তেমন রিস্কি । ধরুন আপনার ডেমো একাউন্টে প্রাকটিস করতে মিনিমাম 6 মাস সময় লেগে যাবে তারপর আপনি যদি রিয়েল ট্রেড শুরু করেন তাতে 1 বছর পরে মোটামুটিভাবে 5-10% সফল হতে পারেন আর লস তো কিছু হবেই । কারন ভাই ফরেক্স এত সহজ নয় আপনি যদি ধারাবাহিকভাবে প্রফিট করতে চান অাপনাকে ফুল টাইম প্রফেশনাল ট্রেডার হতে হবে তাতে মিনিমাম 5 বছর লাগবে । আপনার ট্রেডিং Experience যত বাড়বে তত বেশি আপনি গেইন করবেন এটাই নিয়ম । 1 বছরের জন্য ফরেক্স থেকে তেমন কিছু আশা করা ঠিক হবেনা ।
  30. 2 points
    অনেক analysis & research করার পর একটা মনের মত strategy develop করতে আমার প্রায় ৫ বছর লেগেছে। Trading rules and money management rules ঠিকভাবে maintain করতে পারলে এটা হবে world এর one of the most reliable and consistent trading strategy. I hope average 3%-10% per month profit possible. Monthly profit বেশি নিতে চাইলে রিস্কও বেশি নিতে হবে। আর রিস্ক বেশি নিলে অ্যাকাউন্ট zero হওয়ার chance অনেক বেশি থাকে। Low risk এ yearly 30% to 100% profit করতে পারলে আপনি একজন ভাল trader হতে পারবেন।
  31. 2 points
    আমার ধারনা ৬ মাস থেকে ১ বছর পর আপনি রিয়েল ট্রেড করার জন্য উপযুক্ত হবেন । তবে ১ বছর আপনার প্রচুর পড়াশুনা এবং চার্ট নিয়ে লেগে থাকতে হবে । আমার ব্যাক্তিগত ধারনা, আবারও বলছি আমার ধারনা ২ বছরের আগে প্রতি মাসে ধারাবাহিক ভাবে প্রফিট করার যোগ্যতা আর্জন কঠিন ।
  32. 1 point
    Technical parameters | (20th – 24th) August 2018 Possible entry point with critical support and resistance level. But when you trade at this level make sure that you are using price action confirmation signal. We have prepared these key support and resistance level based on the Fibonacci retracement levels, 100&200 SMA, key swings point and chart patterns formed in the higher time frame. Focus on GBPUSD technical analysis EURUSD Look for buying opportunity near the critical support First critical Resistance: Click here Second critical Resistance: 1.22500 First critical Support: Click here Second Critical Support: 1.14630 Overall Sentiment: Slightly bullish For GBPUSD, AUDUSD, USDCAD and GBPJPY analysis visit www.forextradingforyou.com All the technical parameters are applicable from 20th August to 24th August 2018. The overall sentiment indicates the prevailing trend of the market. We highly recommend you to trade in favor of the market sentiment (overall sentiment) to reduce the risk of exposure in trading. Trade the critical support and resistance level with price action confirmation signal. If you want to get the technical chart analysis along with logical explanations, feel free to contact us. We provide high-quality Forex trading signals, trading consultancy, and price action trading course. Please feel free to contact us for any query. A simple 5-minute conversation with our expert will change your trading career. We publish regular technical analysis on all the major pairs in every Monday. Please visit our site www.forextradingforyou.com to get details about our technical analysis. To get details about our video technical analysis along with live trade setup to visit YouTube Channel. Please subscribe our channel to stay updated with every single technical analysis. Source: www.forextradingforyou.com
  33. 1 point
    Technical analysis on all major pairs | 23rd July 2018 Technical parameters | (23rd -27th) July 2018 Possible entry point with critical support and resistance level. But when you trade at this level make sure that you are using price action confirmation signal. We have prepared these key support and resistance level based on the Fibonacci retracement levels, 100&200 SMA, key swings point and chart patterns formed in the higher time frame. Focus on AUDUSD technical analysis EURUSD Look for buying opportunity near the critical support First critical Resistance: Click here Second critical Resistance: 1.22275 First critical Support: Click here Second Critical Support: 1.14405 Overall Sentiment: Slightly bullish For GBPUSD, AUDUSD, USDCAD and GBPJPY analysis visit www.forextradingforyou.com All the technical parameters are applicable from 23rd July to 27th July 2018. The overall sentiment indicates the prevailing trend of the market. We highly recommend you to trade in favor of the market sentiment (overall sentiment) to reduce the risk exposure in trading. Trade the critical support and resistance level with price action confirmation signal. If you want to get the technical chart analysis along with logical explanations, feel free to contact us. We provide high-quality Forex trading signals, trading consultancy, and price action trading course. Please feel free to contact us for any query. A simple 5-minute conversation with our expert will change your trading career. We publish regular technical analysis on all the major pairs in every Monday. Please visit our site www.forextradingforyou.com to get details about our technical analysis. To get details about our video technical analysis along with live trade setup visit YouTube Channel. Please subscribe our channel to stay updated with every single technical analysis. Source: www.forextradingforyou.com
  34. 1 point
    K shut down korbe? USA? Neteller ki libertyreserve er moto illegally eWallet service provide kortese? https://register.fca.org.uk/ShPo_FirmDetailsPage?id=001b000000m4IWvAAM
  35. 1 point
    Technical parameters | (9th – 13th) April Possible entry point with critical support and resistance level. But when you trade this level make sure that you are using price action confirmation signal. We have prepared these key support and resistance level based on the Fibonacci retracement levels,100&200 SMA, key swings point and chart patterns formed in the higher time frame. Focus on GBPJPY technical analysis EURUSD Look for buying opportunity near the critical support. First critical Resistance: click here Second critical Resistance: 1.24752 First critical Support: click here Second Critical Support: 1.21194 Overall Sentiment: Slightly bullish For GBPUSD, AUDUSD, NZDUSD, and USDCAD analysis visit www.forextradingforyou.com All the technical parameters are applicable from 9th April to 13th April 2018.The overall sentiment indicates the prevailing trend of the market. We highly recommend you to trade in favor of the market sentiment (overall sentiment) to reduce the risk exposure in trading. Trade the critical support and resistance level with price action confirmation signal. If you want to get the technical chart analysis along with logical explanations, feel free to contact us. We provide high-quality Forex trading signals, trading consultancy, and price action trading course. Please feel free to contact us for any query. A simple 5-minute conversation with our expert will change your trading career. We publish regular technical analysis on all the major pairs in every Monday. Please visit our site www.forextradingforyou.com to get details about our technical analysis. To get details about our video technical analysis along with live trade setup visit YouTube Channel. Please subscribe our channel to stay updated with every single technical analysis. Source: www.forextradingforyou.com
  36. 1 point
    ট্রেডিং সাইকোলজি এবং ম্যানি ম্যানেজমেন্টটা ভালো করে জানুন এবং সাথে ট্রেডিং সাইকোলজিটা ভালো করে বুঝুন। মার্কেটে টিকে থাকতে আপনার এগুলোই যথেষ্ট। এরপর যখন যেটা নিয়ে ট্রেড করবেন, আস্তে আস্তে সেটা সম্পর্কে একটু ধারনা নিলে ট্রেড করতে সুবিধা হবে।
  37. 1 point
    ফরেক্স মার্কেট-এ যারা নতুন আসেন তাদের কাছে এটা খুব সহজ মনে হয়। মনে হয় এতো সহজ কাজ বাদ দিয়ে আমি কতই না কঠিন কাজ করেছি!! ইস! এই কাজটা কেন আগে পাইনি। আরে এতো টাকার খনি! শুধু নিতে পারলেই হলো। আজ ৫ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর মনে হচ্ছে এর চেয়ে কঠিন কাজ খুব কম-ই আছে দুনিয়াতে। একটা উদাহারন দিলে বোঝা যাবে। ধরে নিই আপনি একজন বেকার। চাকুরি খুঁজছেন। কোন কাজ আপনার মনের মত হচ্ছে না তাই করছেন না। কিন্তু যদি আপনি ইচ্ছা করনে, যদি পরিশ্রম করার মানুসিকতা থাকে তাহলে খুব সহজেই প্রতিদিন ৬ ঘন্টা কাজ করে কমপক্ষে ৫০০-৭০০ টাকা ইঙ্কাম করতে পারবেন। সেটা হতে পারে রিকশা চালিয়েই হোক না কেন। কিন্তু ফরেক্স-এ আপনি যদি ১৮ ঘন্টাও পরিশ্রম করেন ১ টাকাও ইঙ্কাম করতে পারবেন না। বরং আপনার মূল ব্যালেন্স থেকে টাকা লস হতে থাকবে। আপনি হয়ত বলবেন তাহলে এত সব লোক ফরেক্স করছে কেন? আনেকেই তো লাভ করছে। হাঁ আপনার কথাও ঠিক। আমি শুধু এটাই বোঝাতে চাইছি যে ফরেক্স-এ Hard Work এর চেয়ে অনেক বেশি দরকার Smart work করার ক্ষমতা। এখানে Hard Work এর চেয়ে Smart work আপনাকে এনে দিতে পারে অনেক বেশি সাফল্য। এখানে আপনাকে হতে হবে অনেক বেশি সুযোগ সন্ধানী। ভাল এন্ট্রি পেলে মিস করা যেমন যাবে না ঠিক তেমনি ভাবে মিসড এন্ট্রির জন্য রেগে গিয়ে ডাবল এন্ট্রি নেয়া যাবে না। শুনেছি গার্লফ্রেন্ড আর বাস চলে গেলে আফসোস করতে নেই কারন একটা গেলে আর একটা তার পরপর-ই চলে আসে। ঠিক তেমন ফরেক্স-এ সুযোগ বার বার আসে শুধু একে Smartly ব্যবহার করা জানতে হবে। আপনাকে মেশিনগানার হতে হবে না হতে হবে স্নাইপার। সুযোগ বুঝে একটি একটি শুট করেন আর ফেলে দিন। দু একটা মিস হতেই পারে কিন্তু বেশির ভাগ টার্গেট আপনার হিট হবে। ভাল থাকবেন সবাই। জানতে চাইলে ও জানাতে চাইলে আমি আরিফ-০১৯৪৫৬০৬৮৬৫
  38. 1 point
    প্রতি বিটকয়েনের মূল্য এই মুহুর্তে ১১,০০৪ ডলার। অনেক বিশেষজ্ঞ বিটকয়েনের মূল্য ১ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে একসময়, এমন মতামত দিলেও, সাম্প্রতিক ধ্বসের কারনে তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। এমতাবস্থায় ওয়ালস্ট্রীট কি ভাবছে? সিএনবিসি এর মতে, ব্লিকলে এ্যাডভাইজারি গ্রুপের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা পিটার বুকভার বিট কয়েনকে একটি সম্ভাবনাময় মুদ্রা হিসেবে দেখেন এবং তিনি মনে করন এর ফলাফল অনেক দীর্ঘ মেয়াদী। কিন্তু সাম্প্রতিক ধ্বসের পরে বুকভার মনে করেন যে, এই বছর বিট কয়েনের মূল্য ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, “পরবর্তী বছরগুলোতে বিটকয়েনের মূল্য যদি ১০০০ ডলার থেকে ৩০০০ ডলারে নেমে যায় তাহলেও আমি অবাক হবো না।“ এই বিষয়ে বুকভারকে প্রশ্ন করা হয়, বিট কয়েনের মূল্য পড়ে যাওয়ার কারনে যদি শেয়ার বাজার ভেঙ্গে পড়ে? এর উত্তরে তিনি বলেন, যেকোন মূদ্রার পতন হলে সেটা হবে মূলত মনস্তাত্ত্বিক। কারণ বিট কয়েন মূলত ১৯ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত নয়। তিনি আরও বলেন, দক্ষিন কোরিয়া, জাপান এবং আমেরিকায় মানুষ প্রতিনিয়ত ডেবিট কার্ড ঋণ নিচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলোতে বিনিয়োগ করার জন্য। এর কারনে শেয়ার বাজার আক্রান্ত হবে। সিএনবিসিকে বুকভার বলেন, ক্রিপ্টো মার্কেটের এই আকস্মিক বৃদ্ধি বা উন্নতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইজি মানি পলিসিতে আরোপ করা যেতে পারে। এমনটি যদি করা হয় তবে বিনিয়োগকারীদের কাছে বিট কয়েনের মত ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো আরও বেশী আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। যার কারনে তারা অবমূল্যায়ন এবং মুদ্রাস্ফীতি থেকে সীমাবদ্ধ এবং নিরাপদ থাকবে। একটি প্রশ্ন থেকেই যায় যে, বিট কয়েন কি তাহলে আরেকটি ইকোনমিক বাবল? ইয়েলের অর্থনীতিবীদ রবার্ট সিলার ইকোনমিক বাবলের উপর তার অবদানের জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান। তিনি ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে বাবলের একটি উদাহরণ হিসেবে বিট কয়েন ব্যাবহার করেন। পরবর্তিতে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সিলার বলেন, তিনি জানতেন না যে বিট কয়েন দিয়ে কি করতে হবে। তিনি আরও বলেন , এটা জানতে আরও ১০০ বছর লেগে যেতে পারতো। বিটকয়েন ব্যবহারকারীদের হতাশ হওয়ার আরও কারন আছে। গতকাল দক্ষিন কোরিয়া বিট কয়েনের উপর ২৪% কর আরোপ করেছে। একই পথে হাটতে পারে অন্য দেশগুলোও।
  39. 1 point
    Technical parameters | (22nd – 26th ) January Possible entry point with critical support and resistance level.But when you trade this level make sure that you are using price action confirmation signal.We have prepared these key support and resistance level based on the Fibonacci retracement levels,100&200 SMA, key swings point and chart patterns formed in the higher time frame. Focus on USDCAD technical analysis EURUSD Preparing for the bearish retracement. First critical Resistance: click here Second critical Resistance: 1.24864 First critical Support: click here Second Critical Support: 1.18427 Overall Sentiment: Slightly bearish For other pairs technical analysis visit www.forextradingforyou.com All the technical parameters are applicable from 22nd January to 26th January 2018..The overall sentiment indicates the prevailing trend of the market.We highly recommend you to trade in favor of the market sentiment (overall sentiment ) to reduce the risk exposure in trading.Trade the critical support and resistance level with price action confirmation signal.If you want to get the technical chart analysis along with logical explanations, feel free to contact us. We provide high-quality Forex trading signals, trading consultancy, and price action trading course.Please feel free to contact us for any query. A simple 5-minute conversation with our expert will change your trading career. We publish regular technical analysis on all the major pairs in every Monday. Please visit our site www.forextradingforyou.com to get details about our technical analysis. To get details about our video technical analysis along with live trade setup visit YouTube Channel. Please subscribe our channel to stay updated with every single technical analysis. Source: www.forextradingforyou.com
  40. 1 point
    Technical parameters | (4th Dec- 8th Dec) 2017 We publish regular technical analysis on all the major pairs in every Monday. Please visit our site www.forextradingforyou.com to get details about our technical analysis. To get details about our video technical analysis along with live trade setup visit YouTube Channel. Please subscribe our channel to stay updated with every single technical analysis. Open a trading account with our advertisement link from our site www.forextradingforyou.com to and get $100 worth stuff. Save $ 100. Contact us for more details.
  41. 1 point
    Technical parameters | 27th November- 01st December We publish regular technical analysis on all the major pairs in every Monday. Please visit our site www.forextradingforyou.com to get details about our technical analysis.To get details about our video technical analysis along with live trade setup visit YouTube Channel. Please subscribe our channel to stay updated with every single technical analysis. Open a trading account with our advertisement link from our site www.forextradingforyou.com to and get $100 worth stuff. Save $ 100. Contact us for more details.
  42. 1 point
    যাদের এই স্ট্রাটেজির ১ম পর্ব পড়া হয়নি তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে ১ম পর্ব পড়ে দেখার জন্যে। ১ম পর্ব পাবেন এখানে ১ম পর্ব ২য় পর্বঃ আসসালামু আলাইকুম। আজ শুরু করছি সুইং স্ট্রাটেজির ২য় ও শেষ পর্ব সুইং ট্রেড সহ অন্যান্য ট্রেডিং মেথড এর ট্রেড এন্ট্রি ও এক্সিট এর জন্যে অতি প্রয়োজনিয় ৫ টি বুলিশ ও ৫ টি বিয়ারিশ ক্যান্ডেল পরিচিতি (যা লাগবেই) – নিচে এই অতি গুরুত্যপুর্ন ৫ টি ক্যান্ডেল এর ছবি দেয়া হলো । ক্যান্ডেল এর ব্যাপারে বিস্তারিত লিখতে পারলে ভাল হতো কিন্তু তা করতে গেলে পোস্ট টি বেশি বড় হয়ে যাবে তাই আর কিছু লিখলাম না । তবে বিডিপিপস এ শ্রদ্ধ্যেয় নাসিম ভাই এর লেখা ক্যান্ডেলস্টিক এর উপর একটি বই আছে । আপনারা যারা ক্যান্ডেলস্টিক সম্পর্কে খুব একটা ভাল জানেন না তাদের অনুরোধ রইল অন্তত নিচের এই ৫ টি ক্যান্ডেল সম্পর্কে খুব ভাল করে পড়াশুনা করার জন্যে। ক্যান্ডেল স্টিক এর ব্যাপারে ডিটেইল্ড নলেজ এর কোনো বিকল্প নাই । সুইং ট্রেড এর সুবিধা এই স্ট্রাটেজি টি বিশ্বের প্রায় সব নামি দামি ট্রেডার রা ব্যাবহার করে থাকেন।ফলে আপনি কনফিডেন্টলি ট্রেড ওপেন করতে পারবেন কারন প্রায় সবাই এই মেথড টি ফলো করায় এখানে মার্কেট ভলিউম আপনার ট্রেড এর পক্ষেই থাকবে। আপনি কোনো ট্রেড এন্ট্রি মিস করলেও পরবর্তি সুইং হাই বা সুইং লো লেভেল এ আপনি যথাক্রমে সেল ও বায় ট্রেড এন্ট্রি এর সুযোগ পাচ্ছেন। যতক্ষন আপনি ট্রেন্ড ফলো করছেন ততক্ষন আপনি অনুমান করতে পারছেন যে পরবর্তি ট্রেড এন্ট্রি বা এক্সিট পয়েন্ট কোথায় বা কখন আপনাকে বের হয়ে যেতে হবে প্রফিট নিয়ে। এই মেথড টি প্রায় সম্পুর্ন রুপে হিজিবিজি রংচং ওয়ালা ইন্ডিকেটর মুক্ত। এই মেথড এ একদম পরিস্কার চার্ট এবং শুধু ২ টা মুভিং এভারেজ ব্যাবহার করা হয়েছে যা বিশ্বের প্রায় সকল প্রফেশনাল ট্রেডার রা ব্যাবহার করে থাকে যার ফলে আপনি প্রাইস একশন নিয়ে ও আলাদা করে ভাবতে হচ্ছে না। ফলে আপনি যে যায়গায় একটি এন্ট্রি সিগনাল দেখতে পাচ্ছেন অন্য সবাই ঠিক সেরকম টা ই দেখতে পাচ্ছে ফলে ফলে আপনি মার্কেট এর পক্ষেই থাকছেন। মুভিং এভারেজ গুলো আপনাকে ডাইনামিক সাপোর্ট রেসিস্ট্যান্ট হিসেবে ট্রেড এন্ট্রি ও এক্সিট সিগনাল প্রদান করবে। সাপর্ট রেসিস্ট্যান্ট নিয়ে আলাদা করে মাথা ঘামাতে হবে না। আর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আপনি কোনো একটা পেয়ার এ ট্রেন্ড এর শেষ হওয়ার সাথে সাথে অন্য আরেকটা ট্রেন্ড ধরে ফেলতে পারবেন। তার মানে আপনি সারাক্ষন ই মার্কেট এর সাথে থাকছেন। নিচে এর একটা উদাহরন দেয়া হলো- প্রথমে চার্ট নং-১ এ খেয়াল করুন আমরা GBPUSD এর একটি ডাউনট্রেন্ড দেখতে পাচ্ছি। চার্ট -১ এ আমরা লোয়ার হাই ৩ থেকে ৭ পর্যন্ত ৫ টি সেল সিগনাল দেখতে পাচ্ছি। আপনি এর যে কোনো একটি মিস করলেও পরবর্তি তে ঠিক ই সুজুগ পেতেন সেল এন্ট্রি নেয়ার আর এটাই সুইং ট্রেডিং এর মজা। যাই হোক, এবার নিচে পরবর্তি চার্ট-২ এর দিকে খেয়াল করুন যা আগের চার্ট এর ৭ নং এন্ট্রি এর পরের চিত্র চার্ট -২ এ আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আগের চার্ট এর লোয়ার হাই ৭ থেকে এখানে লোয়ার হাই-১১ পর্যন্ত আমরা আরো কিছু সেল সিগনাল পাচ্ছি। কিন্তু এখানে LH-11 এর পর প্রাইস লোয়ার লো তৈরি করে এবার মুভিং এভারেজ এর উপরে চলে গিয়েছে এবং মুভিং এভারেজ এর উপরেই একটা বিয়ারিশ এঙ্গালফিং ক্যানডেল দিয়েছে আর সে তার আগের টপ বা রেসিস্ট্যান্ট যা LH-11 ছিল তার উপরে চলে গিয়েছে। তাই এখন আমরা ধরে নিতে পারি যে ডাউন ট্রেন্ড শেষ হয়ে গেছে। এবার আমরা এর পরবর্তি আপডেট দেখতে নিচে চার্ট-৩ এ দেখব উপরের ৩নং চার্ট এ আমরা দেখতে পাচ্ছি যে মুভিং এভারেজ এর উপরে টপ লেভেল তৈরি করে প্রাইস নিচে নেমে গেছে কিন্তু তার আগের বটম বা সাপর্ট লেভেল কে অতিক্রম করতে পারে নি এবং একটি শক্তিশালি বুলিশ পিন বার তৈরি হয়েছে তার বটম এ এবং তারপর মার্কেট প্রাইস উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে এবং নতুন হায়ার হাই-২ তৈরি করেছে। এভাবে HL-2, HH-3 তৈরি করেছে। এবং আমরা হায়ার লো-৩ ও তৈরি হতে দেখলাম এবং এই পয়েন্ট থেকেই আমরা বায় এন্ট্রি নিতে শুরু করব। এভাবে আমরা এখন একটি কনফার্মড বুলিশ আপট্রেন্ড পেলাম। সুতরাং , দেখা যাচ্ছে যে একটি ডাউন ট্রেন্ড এ আমরা বেশ অনেকবার সুজুগ পেলাম সেল ট্রেড নেয়ার এবং ট্রেন্ড টির সমাপ্তি ও বুঝতে পারলাম মুভিং এভারেজ ও প্রাইস একশন এর মাধ্যমে এবং পরবর্তিতে আমরা একই চার্ট এ নতুন আরেকটি বুলিশ ট্রেন্ড পেয়ে গেলাম। এভাবে আমরা কনফিডেন্টলি একটার পর একটা ট্রেড এন্ট্রি নিতে পারব সুইং ট্রেডিং এর মাধ্যমে। ট্রেড এন্ট্রি ও এক্সিট পয়েন্ট এতক্ষন আমরা সুইং ট্রেডিং এর এর ব্যাপারে বিস্তারিত জেনেছি।তবে এর কোনো কিছুই কোনো কাজে আসবে না যতক্ষন না পর্যন্ত আপনি ট্রেড এন্ট্রি ও এক্সিট পয়েন্ট এর ব্যাপারে ডিসিপ্লিন্ড হবেন। সুইং ট্রেড এর এন্ট্রি এর বেলায় যে সব বিষয় অবস্যই মেনে চলতে হবে তা হলো – আপ ট্রেন্ড এর ক্ষেত্রে ট্রেড এন্ট্রি ও টেইক প্রফিট লেভেলঃ এন্ট্রি পয়েন্টঃ অবশ্যই ২ টি হায়ার হাই Higher High (HH) বা টপ লেভেল ও ২ টি হায়ার লো Higher Low (HL) বা বটম লেভেল থাকতে হবে ট্রেন্ড কনফার্ম এর জন্যে। (HH) এবং (HL) এদের সবাইকেই মুভিং এভারেজ (EMA-30 & , or EMA-50) এর উপর থাকতে হবে। HH-২ কে HH-1 এর উপরে থাকতে হবে এবং HL-3 অর্থাৎ আমরা যেই লেভেলে ট্রেড এন্ট্রি নেব তাকে তার আগের বটম লেভেল বা HL-2 এর উপরে থাকতে হবে। ৩ নং হায়ার লো (HL) তে বায় ট্রেড এন্ট্রি নিতে হবে তবে এজন্যে শক্তিশালি বুলিশ ক্যান্ডেল থাকতে হবে (যেমনঃ পিন বার, এঙ্গালফিং, পিয়েরসিং, ডজি) এক্সিট পয়েন্ট বা টেইক প্রফিট (TP): টিপি সেট করতে হবে তার আগের হায়ার হাই লেভেল এ অথবা যতক্ষন পর্যন্ত না কোনো শক্তিশালি বিয়ারিশ ক্যান্ডেল ফর্ম হয়। কারন যখনই প্রাইস বাড়তে বাড়তে এমন একটা অবস্থানে বা প্রাইস লেভেলে যাবে যেটা হয়তো আগের কোনো সাপোর্ট ছিল বা ফিবনাচ্চি প্রাইস প্রেডিকশন লেভেল এ ছিল সেখানে তাই সব বায়ার রা ট্রেড ক্লোজ করে দিবে এবং এর ফলে মার্কেট এ বিয়ারিশ ক্যান্ডেল ফর্ম হবে এবং প্রাইস তখন ডাউন রিট্রে্সমেন্ট এর জন্যে তৈরি হবে তাই এরকম অবস্থায় যদি আপনি কোনো শক্তিশালি বিয়ারিশ ক্যান্ডেল ফর্ম হতে দেখে থাকেন তবে আপনার ট্রেড ক্লোজ করে প্রফিট নিয়ে বের হয়ে যেতে পারেন । আপনারা চাইলে ফিবোনাচ্চি প্রোজেকশন টুল দিয়ে ও ট্রেড হোল্ডিং পয়েন্ট নির্নয় করতে পারেন। স্টপ লসঃ স্টপ লস সেট করতে হবে এন্ট্রি ক্যান্ডেল এর সরবনিম্ন প্রাইস এর চেয়ে ও ৫/১০ পিপস নিচে। অথবা এন্ট্রি পয়েন্ট এর মুভিং এভারেজ এর ৫/১০ পিপস নিচে। নিচে একটি উদাহরন দেয়া হলো আপ ট্রেন্ড এর এন্ট্রি, টিপি, এস এল সম্পর্কে – ডাউন ট্রেন্ড এর ক্ষেত্রে ট্রেড এন্ট্রি পয়েন্টঃ এন্ট্রি পয়েন্টঃ অবশ্যই ২ টি লোয়ার হাই Lower High (LH) বা উপর থেকে নিচের দিকে ২ টি টপ লেভেল ও ২ টি লোয়ার লো Lower Low (LL) বা বটম লেভেল থাকতে হবে ট্রেন্ড কনফার্ম এর জন্যে। (LH) এবং (LL) এদের সবাইকেই মুভিং এভারেজ (EMA-30 & , or EMA-50) এর নিচে থাকতে হবে। LL-2 কে LL-1 এর নিচে থাকতে হবে এবং আমরা ৩ নং লোয়ার হাই তে সেল নিব এবং লোয়ার হাই ৩ (LH-3) কে তার আগের লোয়ার হাই (LH-2) এর নিচে থাকতে হবে। ৩ নং লোয়ার হাই (LH) তে সেল ট্রেড এন্ট্রি নিতে হবে তবে এজন্যে শক্তিশালি বিয়ারিশ ক্যান্ডেল থাকতে হবে (যেমনঃ পিন বার, এঙ্গালফিং, পিয়েরসিং, ডজি) এক্সিট পয়েন্ট বা টেইক প্রফিট (TP): টিপি সেট করতে হবে তার আগের Lower Low(LL) লেভেল এ অথবা যতক্ষন পর্যন্ত না কোনো শক্তিশালি Bullish or Doji ক্যান্ডেল ফর্ম হয়। স্টপ লসঃ স্টপ লস সেট করতে হবে এন্ট্রি ক্যান্ডেল এর সর্বচ্চ প্রাইস এর চেয়ে ও ৫/১০ পিপস উপরে। অথবা এন্ট্রি পয়েন্ট এর মুভিং এভারেজ এর ৫/১০ পিপস উপরে। নিচে ডাউন ট্রেন্ড এর এন্ট্রি , এস এল, টিপি এর একটি উদাহরন দেয়া হলো । চার্ট টি খেয়াল করুন- তো আমরা দেখলাম যে কিভাবে কোন পয়েন্টে ট্রেড এন্ট্রি নিতে হবে ,কোথায় এস এল বসাতে হবে আর কোথায় প্রফিট নিয়ে বের হয়ে যেতে হবে। কখন বুঝবেন যে ট্রেন্ড এর সমাপ্তি ঘটছেঃ ট্রেন্ড এর সমাপ্তি বুঝার জন্যে আপনাকে সাপোর্ট ও রেসিস্ট্যান্ট এর উপর ভাল ধারনা থাকতে হবে। যেমন – কোনো আপট্রেন্ড মার্কেটে প্রত্যেক হায়ার হাই লেভেল বা টপ লেভেল এর ক্ষেত্রে ২ নং হায়ার হাই/টপ কে ১ নং এর উপরে থাকতে হবে , আবার ৩ নং HH কে ২ নং এর উপর থাকতে হবে। এভাবে প্রত্যেক হায়ার হাইস (HH) এবং হায়ার লো (HL) কে তার আগের (HH) ,(HL) এর উপর থাকতে হবে। কিন্তু যদি কখনো দেখা যায় যে একটি হায়ার হাই তার আগের হায়ার হাই বা সর্বোচ্চ লেভেল কে ক্রস করে উপরে উঠতে পারে নি এবং নতুন হায়ার হাই বা টপ লেভেল তৈরি করতে পারে নি তবে আমাদেরকে সাবধান হয়ে যেতে হবে এবং দেখতে হবে যে নতুন হায়ার লো বা বটম লেভেল তার আগের বটম লেভেল বা হায়ার লো এর উপরে ফর্ম হয় কিনা। কিন্তু যদি দেখা যায় যে আমরা নতুন হায়ার লো পেলাম না অর্থাৎ নতুন তৈরি হওয়া বটম লেভেল বা তার আগের হায়ার লো (HL) এর উপরে যেতে পারে নি এবং প্রাইস তার আগের হায়ার লো এর নিচে গিয়ে ক্লোজ হয়েছে তবে আমরা আমাদের সব বায় ট্রেড ক্লোজ করে দিয়ে সেল ট্রেড এর অপরচুনিটি খুজব। মুভিং এভারেজ এর মাধ্যমেও এটা করা যায় যেমন মুভিং এভারেজ এর নিচে যদি হায়ার লো ফর্ম হয় তবে আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে এটা দেখার জন্যে যে নতুন করে যে টপ লেভেল তৈরি হবে সেটা তার আগের হায়ার হাই কে ক্রস করে উপরে চলে যেতে পারে কিনা। কিন্তু যদি দেখা যায় যে নতুন টপ লেভেল ও মুভং এভারেজ এর নিচে চলে এসেছে অর্থাৎ হায়ার হাই এবং হায়ার লো ২ টা এ যদি তাদের আগের হায়ার হাই ও হায়ার লো কে ক্রস করতে না পারে এবং মুভিং এভারেজ এর নিচে চলে আসে তবে আমাদেরকে বুঝে নিতে হবে যে মার্কেট এর আপ ট্রেন্ড শেষ হয়ে এখন ডাউন ট্রেন্ড এর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। নিচে চার্ট এর মাধ্যমে ব্যাপার টা আরো ডিটেইল্ড দেখানো হলোঃ এভাবে আপনি ডাউন ট্রেন্ড এর সমাপ্তি ও বের করতে পারবেন। ডাউন ট্রেন্ড এর বেলায় লোয়ার হাই (LH) ও লোয়ার লো(LL) প্রত্যেক কেই পর্যায় ক্রমে নিচে অবস্থান করতে হবে। এই সিস্টেম টি চাইলে আরো মডিফাই করা যায় ফিবোনাচ্চি দিয়ে। আপনি কোনো একটা ট্রেড এন্ট্রি নিয়ে সেটা কোন লেভেল পর্যন্ত হোল্ড করে রাখবেন তা আপনি ফিবনাচ্চি প্রোজেকশন টুল এর মাধ্যমে বের করতে পারবেন আর ফিবোনাচ্চি প্রসঙ্গে বিডিপিপস এ বিস্তারিত আর্টিক্যাল আছে প্রয়জনে দেখে নিতে পারেন। এবং ট্রেড ফিল্টার এর জন্যে RSI , Stochastic , Volume ইন্ডিকেটর ব্যাবহার করা যেতে পারে । তবে আমি এত সব কিছুর উল্যেখ করি নি কারন তাতে সিস্টেম টা অনেক ঝামেলার হয়ে যাবে আর এছাড়াও আরো কিছু সমস্যা হবে। যেমন- আপনি যখন একটি ইন্ডিকেটরও এই সিস্টেম এ ইনক্লুড করবেন তখন আপনার ট্রেড এন্ট্রি এক্সিট এর জন্যে আপনি এক্সট্রা আরেকটা টুল এর উপর ডিপেন্ডেন্ট হয়ে পড়বেন।আর এতে আপনি অনেক সময় কনফিউজড হয়ে পড়বেন কারন আপনাকে তখন একটা ট্রেড এন্ট্রি এর জন্যে বেশ অনেক গুলা বিষয়ে মাথা ঘামাতে হবে যার কোনো প্রয়োজনিয়তা আমি দেখি না।আর আপনি যেই ইন্ডিকেটর ই ব্যাবহার করেন না কেন আপনি ট্রেড এন্ট্রি নেয়ার সময় কিছুটা কনফিউজড হবেনই কারন ইন্ডিকেটর সবসময়ই দেরিতে সিগন্যাল দেয় কিন্তু লাইভ ক্যান্ডেল দেখে ট্রেড এন্ট্রি নিলে আপনি একদম প্রথম দিকেই ট্রেড এন্ট্রি নিয়ে নিতে পারবেন।তবে আপনি চাইলে ইন্ডিকেটর ব্যাবহার করতে পারেন যদি আপনি খুব দক্ষ হয়ে থাকেন এবং আপনার ট্রেডিং ইমোশন কে কন্ট্রোল করতে পারেন। তবে আমি যতটুকু দেখিয়েছি ততোটুকুই যথেস্ট যদি আপনারা এটা ভালভাবে প্রেকটিস করতে পারেন । বলিউডের ‘চাঁদনী চক টু চায়না’ মুভি তে ইন্সপেক্টর চেং এর একটা কথা আমার খুব ভাল লেগেছিল । তিনি বলেছিলেন যে ‘তোমার সেই ১০০ মুভ এ আমার ভয় নেই যা তুমি একবার প্র্যাকটিস করেছ , আমার সেই ১ টি মুভ এই ভয় যা তুমি ১০০ বার প্র্যাকটিস করেছ’ । ফরেক্স এ টিকে থাকার জন্যে প্রত্যেক এর উচিত এরকম করে ভাল একটি স্ট্রাটেজি কে বার বার প্র্যাক্টিস করা যতো সময় ই লাগুক না কেনো যাতে করে কোনো একটি চার্ট দেখেই আমরা বলে দিতে পারি যে মার্কেট এর বর্তমান সিচুয়েশন এবং ভবিশ্যতে কি হতে পারে। আর সুইং ট্রেডিং এর মত প্রাইস একশন ট্রেডিং স্ট্রাটেজি খুব কম ই আছে আর আমি যেটা শেয়ার করলাম তা প্রায় ৯০% এক্যুরিটি দিবে যদি এর প্রত্যেক নিয়ম খুব ভাল ভাবে ফলো করতে পারেন। আপনারা আপনাদের চার্ট কে সাজিয়ে নিয়ে অতিতের চার্ট গুলো স্ক্রল করে এরকম ট্রেন্ড খুজে বের করে করে প্র্যাক্টিস করে নিবেন এই স্ট্রাটেজি ভাল করে আয়ত্ত করতে চাইলে। প্রত্যেক হায়ার টাইম ফ্রেম (H4,Daily, Weakly ) এবং প্রায় সব হায়ার ট্রেড ভলিউম এর পেয়ার এরকম ট্রেন্ড ফলো করে। যেমন EURUSD , EURJPY , GBPUSD , GBPGPY , AUDUSD ইত্যাদি। প্রতি পেয়ার এবং সব হায়ার টাইম ফ্রেম এ আপনি প্রতি মাসেই এরকম ট্রেন্ডিং দেখতে পাবেন যার প্রত্যেক ভ্যালিড সুইং লেভেল গুলোতে আপনি ট্রেড এন্ট্রি নেয়ার সুজোগ পাবেন তাই আপনি যদি ফরেক্স মার্কেটে এখনো পর্যন্ত অনেক লস করে করে নিজের এবং ফরেক্সের উপর থেকে আস্থা হাড়িয়ে ফেলে থাকেন তবে এই স্ট্রাটেজি টি আপনার খুব ভাল ভাবে প্র্যাক্টিস করা উচিত কারন এটা প্রায় সব প্রোফেশনাল ট্রেডার দের দ্বারা ভেরিফাইড এবং আপনি এতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে অন্য যে কোনো স্ট্রাটেজি আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন এবং নিজে নিজে মার্কেট এনালাইস করতে পারবেন কারন এটা একই সাথে ট্রেন্ডিং,সুইং এবং পরিস্কার চার্ট সমৃদ্ধ একটি পরিপুর্ন প্রাইস একশন স্ট্রাটেজি। ভবিশ্যতে সময় ও সুজুগ পেলে টেকনিক্যাল চার্ট এনালাইসিস ও আরো কিছু স্ট্রাটেজিক প্ল্যান আলোচনা করব ইনশা আল্লাহ। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন ও আমার জন্যে দোয়া করবেন। স্ট্রাটেজি টা লিখতে গিয়ে যে সময় ও কস্ট ব্যয় হয়েছে তার পুরোটাই সার্থক হবে যদি আপনারা এই স্ট্রাটেজির সুফল পেয়ে থাকেন। পোস্ট এবং স্ট্রাটেজি সম্পর্কে আপনাদের কোনো প্রশ্ন ,পরামর্শ বা মন্তব্য থাকলে কমেন্টে তা লিখে জানানোর অনুরোধ রইলো । আসসালামু আলাইকুম। যাদের এই স্ট্রাটেজির ১ম পর্ব পড়া হয়নি তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে ১ম পর্ব পড়ে দেখার জন্যে। ১ম পর্ব পর্ব পাবেন এখানে ১ম পর্ব ক্যানডেলস্টিক নিয়ে করা আমার একটি পুর্নাঙ্গ কোর্স দেখতে এই আর্টিক্যাল টি পড়ুন - ৪টি সর্বাধিক শক্তিশালি ক্যানডেলস্টিক এর উপর পুর্নাঙ্গ কোর্স অন্য একটি আর্টিক্যাল - একজন ট্রেডার এর পাঠানো ১০ টি লস ট্রেড এর চার্ট সহ পোস্টমর্টেম ফরেক্স সম্পর্কিত কোনো জিজ্ঞাসা বা পরামর্শ থাকলে আমার ফেসবুক পেইজ এ লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকতে পারেন।
  43. 1 point
  44. 1 point
    আমি চেষ্টা করব এই কোর্স থেকে যা শিখলাম তা প্রতিদিনের ট্রেডিং এ কাজে লাগাতে । এবং আমি যে এন্ট্রি গুলো নিবি এই সিস্টেম অনুযায়ী ওইগুলো শেয়ার করব । এতে কোন ভুল থাকলে যেমন আমার টাও ঠিক হয়ে যাবে তেমনি সবারি উপকার হবে আশা করি
  45. 1 point
    পাঠক, আমি সেই ২০০ খ্রিস্টাব্দের কথা বলছি … ঈসা (আঃ) এর আগমনের দুই শতাব্দী পরেও যখন ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ তাল্মুদ সংকলনের কাজ চলছিল, তখনকার কথা। ইহুদীদের ৭ টি পবিত্র দিন ফিস্টের সময়গুলোতে ইসরাইলের জেরুজালেমের টেম্পলস কোর্ট অফ দ্যা জেন্টাইলসের কাছে কিছু লোককে বসে থাকতে দেখা যেত। কিছু কমিশনের বিনিময়ে এই লোকগুলো উৎসবে আগত মানুষদেরকে মুদ্রা পরিবর্তন করে দিত। ইতিহাস বলছে, মুদ্রা পরিবর্তন থেকেও যে লাভ করা যায়, এমন ধারনার সূচনা এখান থেকেই সর্বপ্রথম এসেছে। চতুর্থ খ্রিষ্টাব্দে তো পূর্ব রোমান সাম্রাজ্যের সরকার কারেন্সি এক্সচেঞ্জ এর জন্য একটি প্রতিষ্ঠানই চালু করেছিল। শুধুমাত্র ওই প্রতিষ্ঠানটিই মুদ্রা পরিবর্তন করতে পারত বলে তা সরকারের মনোপলি ব্যবসায় পরিণত হয়েছিল। পাঠক, আপনার কৌতূহলী মন হয়ত ইতিমধ্যেই জানতে চাচ্ছে, এত এত বছর আগে মানুষের কি দরকার পড়ত মুদ্রা পরিবর্তনের? আর তখনকার দিনে মুদ্রা পরিবর্তনের রেটই বা কিভাবে নির্ধারিত হত? তখনকার মানুষও কিন্তু ব্যবসার প্রয়োজনে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেত। স্বভাবতই, এক দেশের মুদ্রা অন্য দেশে আর কাজ করত না। তাই, দেশ ত্যাগের পূর্বে মানুষ স্বর্ণ বা রুপা কিনে নিয়ে তা অন্য দেশে বিক্রি করে ওই দেশের কারেন্সি কিনে নিত। আর এই বিড়ম্বনা দূর করার জন্যই কমিশনের বিনিময়ে কিছু লোক সরাসরি এক দেশের মুদ্রাকে অপর দেশের মুদ্রায় পরিবর্তন করে দিত। আর দর নির্ধারিত স্বর্ণ বা রুপার বিনিময়ে কোন দেশের মুদ্রা কতখানি পাওয়া যায়, তার ভিত্তিতে। এরও ১০০০ হাজার বছরেরও বেশি সময় পর্যন্ত তেমন কোন বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেনি মুদ্রা পরিবর্তন বাজারে। এর জন্য দরকার ছিল একটি শক্তিশালী ব্যাংকিং ব্যবস্থার। ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়নে পৃথিবীতে সবচেয়ে ভূমিকা রেখেছে ইতালিয়রা। ১৪ শ শতাব্দীতে ইতালীর বিভিন্ন প্রভাবশালী ধনী পরিবার অনেকগুলো ব্যাংক ওপেন করে। এগুলোর মধ্যে ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় বোধহয় ১৩৯৭ সালে মিদিচি পরিবার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত Medici Bank, যা প্রায় ১০০ বছর টিকে থাকে। এই পরিবারটি কত ধনী ছিল, তা বোঝানোর জন্য একটি বাক্যই যথেষ্ট। একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে পুরো ইউরোপের সবচেয়ে সম্পদশালী পরিবার ছিল মিদিচি পরিবার। নিজেদের ব্যবসা এবং টেক্সটাইল মার্চেন্টদের প্রয়োজনে বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্রাঞ্চ ওপেন করে ব্যাংকটি। ব্যবসায়ীদের ব্যবসার সুবিধার্থে চালু করে “Nostro” অ্যাকাউন্ট বুক, ইতালীয় ভাষায় Nostro শব্দের অর্থ “আমরা”। এই “Nostro” অ্যাকাউন্ট বুক ব্যবসায়ীদের লোকাল কারেন্সিতে তাদের ব্যালেন্স ও বৈদেশিক ব্যাংকের বৈদেশিক ব্যালেন্স, দুটোই দেখাত, আর সুবিধা দিত কারেন্সি একচেঞ্জ এরও। ফলে, ব্যবসায়ীদের পক্ষে বিদেশে ব্যাবসা করা আরও সহজ হয়ে উঠে। ১৪৭২ খ্রিষ্টাব্দে আরেকটি বড় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় ইতালির তুস্কানীতে। মন্টে দেই পাস্কি দি সিয়েনা নামের এই ব্যাংকটি কিন্তু আজও টিকে আছে। শুধু তাই নয়, এটি বর্তমানে ইতালির তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাংক এবং টিকে থাকা পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীনতম ব্যাংক। ১৭ ও ১৮ খ্রিস্টাব্দতে নেদারল্যান্ডের আমস্টারডামে একটি সক্রিয় ফরেক্স মার্কেট ছিল। ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডের মধ্যে তখন বিপুল পরিমানে বৈদেশিক বাণিজ্য হত। এই ফরেক্স মার্কেটে দেশদুটির মার্চেন্ট ও এজেন্টদের মধ্যেই মূলত কারেন্সির আদান প্রধান হত। পাঠক, আপনি এতক্ষন জেনেছেন ফরেক্স ট্রেডিং এর প্রাচীন যুগের কথা, যেখানে না ছিল ইন্টারনেট, না ছিল ঘরে বসে ট্রেড করার সুবিধা। মূলত ব্যবসায়ীরাই নিজেদের ব্যাবসার প্রয়োজনে ফরেক্স মার্কেট থেকে এক দেশের মুদ্রা পরিবর্তন করে অন্য দেশের মুদ্রা নিতেন। লিকুইডিটি সুবিধা ছিল না, ছিল না যখন তখন ট্রেড করার সুবিধাও। এমনকি এখনকার মত এত দেশের কারেন্সিও একজায়গায় এক্সচেঞ্জ করা যেত না। দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে অস্টদশ শতাব্দী পর্যন্ত যেখানে শামুকের গতিতে ফরেক্স মার্কেটের উন্নয়ন ঘটেছে সেখান থেকে কিভাবে মাত্র দুই শতাব্দি পরে এতটা সহজ হয়ে গিয়েছে ফরেক্স ট্রেড করা? এ নিয়েই আমরা জানব পরের পর্বেঃ ফরেক্সের ইতিহাস - যেভাবে এলো মর্ডান ফরেক্স ট্রেডিং ফরেক্সের মজার কিছু বিষয়
  46. 1 point
  47. 1 point
    ভাই হাসতে হাসতে আমাল দাত দুই তা পইলা গেসে। :rofl:
  48. 1 point
    এই আর্টিকেল টা দেখুন। http://www.fxstay.com/step-6/119-overbought-and-oversold.html আমি হয়তো শর্ট করে আপনাকে বলতে পারতাম, কিন্তু আরও ভালোভাবে এই আর্টিকেল টা থেকে বুজতে পারবেন বলে আমার মনে হচ্ছে। তারপর ও না বুজলে প্রশ্ন করবেন।
  49. 1 point
    Swap account e 1ta trade jodi din seshe khola thake taile taile tar upor kisu sud diite hoy or paoa jai. Musolmander jonno sud haram. Swap free/Islamic ac te ei feature ta thake na. Ei ta lav.
  50. 1 point
    ফরেক্স ব্রোকার সেকশনে আমরা আপাতত ইউজারদের ব্রোকার সংক্রান্ত কোন নতুন টপিক খোলার অনুমতি দিচ্ছি না। আপনার টপিকটি গুরুত্ব বিবেচনায় এবং জনসচেতনতামুলক হওয়ায় টপিকটি ব্রোকার সেকশনে নিয়ে আসা হয়েছে এবং পিনড করে দেয়া হয়েছে।

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×