Jump to content

Leaderboard


Popular Content

Showing most liked content since বুধবার 20 মার্চ 2019 in all areas

  1. 2 points
    ব্রোকার নিয়ে অনেক ভ্রান্তি ও ভুল ধারনা রয়েছে অনেকের মাঝে। অনেকে আবার ভুল জানার কারনে অনেক ব্রোকারকেও ভুল বুঝে থাকেন। অনেকে আবার ভুল জানার কারনে অন্যদেরও ভুল জানাতে সাহায্য করছেন। যার ফলে ফরেক্স মার্কেটে ভাল ব্রোকার যে আসলেই কোনটা, এটা নিয়ে নতুন পুরাতন সকল ট্রেদারের মাঝেই এক ধরনের দুশ্চিন্তা বা উৎকন্ঠা কাজ করে। আজ ব্রোকার বিষয়ক অল্প কথায় সঠিকভাবে জানানোর চেষ্ঠা করব সবাইকে। যাতে এরপর হতে কেউ ভুল ধারনার স্বীকার না হতে পারেন। প্রথমে আসি মার্কেট মেকার ব্রোকার এর কথায়। সারা বিশ্বে ৯০% ব্রোকারই মার্কেট মেকার। এটা আপনাকে জানতে হবে ও মানতেই হবে। এখানে ডিলিং ডেস্ক সুবিধা থাকে। যার কারনে বড় বড় ইনভেস্টর বাই ফোনে ব্রোকারে থাকা ডিলারদের সাহায্যে ট্রেড ওপেন বা ক্লোজ করে থাকে উন্নত বিশ্বে। এটিই ফরেক্স মার্কেটের আদিমতম সিস্টেম। শুরুর দিকে যখন শুধু লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এই মার্কেটে ব্যবসা করার অনুমতি পেত, তখন এভাবেই তারা ব্রোকারদের সাহায্য নিয়ে তাদের ট্রেড পরিচালনা করত। আজও বিভিন্ন স্টক মার্কেটে এই সিস্টেম চালু আছে। অনেকেই এই ডিলিং ডেস্ককে নেগেটিভ ভাবে প্রচার করতে চেষ্ঠা করে। ফলে নো ডিলিং ডেস্ক ব্রোকারগুলো নিজেদের ফলাও করে প্রচার করে যে তারা ডিলিং ডেস্ক এর কল সিস্টেম এলাউ করে না। তবে বর্তমানে বিশ্বায়নের যুগে এমন পুরাতন সিস্টেমের দরকারও পড়ে না। বিশ্বে কোটি কোটি ট্রেদার, এদের ট্রেদ যথাসময়ে মার্কেটে প্লেস করতেও প্রচুর ব্রোকার ডিলার দরকার হত, যা বাস্তবে নিয়গ দেওয়া সম্ভব হবে না। তাই এমটি ফোর, বা বিভিন্ন প্লাটফর্ম দিয়ে তারা ট্রেডারদের অর্ডার রিসিভ করে। তবে এখান থেকে একটা বিষয় পরিস্কার যে, মার্কেট মেকার ব্রোকারে ট্রেদারের ট্রেড আগে নিজেদের কাছে রিসিভ করে, এরপর মার্কেটের ফান্ডে ফরওয়ার্ড করে দেয়। আর এটা করতে গিয়ে কখনো ট্রেড ওপেন হতে একটু সময় নেয়, কখনও মার্কেট ক্যান্ডেল স্পাইক মারে, আগের মুভমেন্ট চার্টে দেখাতে ফেইক ক্যান্ডেল তৈরি করা, এমন আরও কিছু সমস্যা দেখা যায়। বিশেষ করে নিউজ টাইমের ট্রেডের ক্ষেত্রে। মার্কেট এত দ্রুত মুভ করে যে, ক্লায়েন্টের ট্রেড রিসিভ করে প্লেস করতে করতে মার্কেট অনেক মুভ করে ফেলে। যার ফলে নিউজ টাইমে এসব ব্রোকারে ট্রেড করা নিয়ে অনেক অভিযোগ শোনা যায়। তবে বড় বড় ইনভেস্টর যখন এসব ব্রোকারের সাথে ডিল করে, তখন অনেক বিষয় তারা চুক্তিবদ্ধ হয়েই ডিল করে। আর সেখানেই তারা তাদের ফান্ড সিকিউরিটি নিয়ে রাখে। কিন্ত সমস্যা হয় এশিয়ান বা অন্য দেশের ব্যক্তিগত ট্রেডারদের ক্ষেত্রে। তারা তো এসব স্পাইক, ফেক ক্যান্ডেল প্রটেকশানের জন্য কোন ডিল করতে পারেনা ব্রোকারের সাথে, ফলাফল কি হয়? কোন অভিযোগ প্রমাণ সহ দেখালে তারা স্রেফ “we are Sorry” টাইপের বিনয় দেখিয়ে খালাস। আর আপনি কি করেন এমন ভুক্তভোগী হয়ে? দুই একদিন ফেসবুকে বিষেদাগার করে আবার ভুলে যান। সবাই ভুলে যায় সেই কথা। তাই না? আরও একটি অভিযোগ বারবার দেখা যায় মার্কেট মেকার ব্রোকারের বিরুদ্ধে। তা হচ্ছে, তারা ট্রেডারদের ট্রেডের বিরুদ্ধে ট্রেড নেয়। এজন্য নাকি ট্রেডারেরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কিন্ত আসলে কি তাই? আসুন আমরা একটু দেখি বিষয়টাঃ মার্কেট মেকার ব্রোকার ট্রেদারদের ট্রেদ রিসিভ করে কোন লিকুইডিটি প্রোভাইডারের ফান্ডে ফরওয়ার্ড করে দেয়। এখানে লিকুইডিটি প্রোভাইডার বলতে বিভিন্ন ইন্তার ব্যাংক, বড় বড় ফাইন্যান্সিয়াল ফার্ম বা এমন বড় বড় ইনভেস্টর। এর অর্থ হচ্ছে, ঐ সব ইনভেস্টরদেরও বিজনেস আছে এখানে। আপনার ট্রেড তার একাউন্টে প্লেস হলে, আপনি লস করলে সেই লস এমাউন্ট তার ফান্ডে জমা হবে। আপনি প্রফিট করলে সেই এমাউন্ট তার ফান্ড থেকে আপনার একাউন্টে জমা হবে। এখন মার্কেট মেকার ব্রোকার অনেক সময় তাদের ব্যবসার অংশ হিসেবে এই লিকুইডিটি প্রোভাইডারের কাজ নিজেরাই করে। নিজেদের বড় এমাউন্ট রেডি করে ট্রেদারদের ত্রেড অর্ডার সেই ফান্ডে প্লেস করে দেয়। আপনি প্রফিট করলে তা ব্রোকারের সেই ফান্ড থেকে আপনার একাউন্তে আসে। আর লস করলে তা ব্রোকারের সেই ফান্ডে জমা হয়। আর স্প্রেড তো আছেই ব্রোকারের কমিশন হিসেবে। এটা তাদের ব্যবসা। তারা এই ব্যবসা করতেই পারে। আরা তাদের ট্রেদারদের ট্রেদ অর্ডার কোথায় প্লেস করলে তা তাদের ব্যাপার, ঠিকমত প্রফিট বা লস কাউন্ট ও উইথড্র ঠিকভাবে হলেই তো ঠিক আছে। তাই না? তবে এখানে একটু সমস্যা আছে। তা হচ্ছে, বিগ ফান্ড যখন ব্রোকারের নিজের থাকে, আর কোন ট্রেদার যখন হিউজ প্রফিট করতে থাকে, তখন বাড়তি একটু নজর রাখে ব্রোকার তার দিকে। কারন ট্রেডারের এই প্রফিট এমাউন্ট যে তাকে নিজেদের ফান্ড থেকেই দিতে হচ্ছে! আর তাই অনেক সময় স্পাইক দিয়ে, ফেক ক্যান্ডেল দিয়ে, স্লো এক্সিকিউশান দিয়ে হলেও চেষ্ঠা করে বাড়তি কিছু প্রফিট উঠিয়ে নিয়ে আসতে মার্কেট থেকে। কারন ২-৩ পিপ্স এর স্পাইক ফেইক দেওয়া মানে সেখান থেকেই কয়েক হাজার ডলার লস করানো যায় ট্রেদারদের। আর সেসব তাদের ফান্ডেই চলে আসে স্বভাবতই। বুঝতে পেরেছেন আশা করি। তবে এখানে অনেকমার্কেট মেকার ব্রোকার আছে যারা সত্যিই লিকুইডিটি প্রভাইডার বা ইনভেস্টরদের ফান্ডে ট্রেড প্লেস করে দেয় তাদের ট্রেডারদের। আর স্প্রেড তো তাদের কমিশন হিসেবে আসছেই। এর সাথেই তারা আরেকটি কাজ করে থাকে, তা হচ্ছে, যেহেতু ৯৫% লস করে এই মার্কেটে, সেহেতু তারা তাদের ক্লায়েন্ট এর ত্রেডগুলর বিপরিতে নিজেদের একাউন্ট থেকেই সেই লিকুইডিতি প্রভাইডারদের ফান্ডে উলটো ট্রেড ওপেন করে। অর্থাৎ আপনি আপনার একাউন্ট থেকে কোন পেয়ারে বাই ওপেন করলে, তারা তাদের সেই একাউন্ট থেকে একই পেয়ারে সেইম লটে একটি সেল ট্রেড ওপেন করে। এটা তারা এ জন্যই করে যে, ওরা জানে ৯৫% ট্রেডার লস করলে তাদের বিপরীতে ট্রেদ নিলে ৯৫% প্রফিট করা যায় সহজেই। আর এ জন্য ট্রেদারদের ত্রেদের কোন সমস্যাই হয় না। তারা এমনিতেই লস করত। ব্রোকার এর ফায়দা নেয় শুধু ট্রেদারদের উলটো ট্রেড ওপেন করে। আর এখানে পরিস্কার থাকবেন যে, মার্কেট মুভমেন্টকে কেউ ম্যানিপুলেট করতে পারে না। এটা সারা বিশ্বে একইভাবে চলে। সুতরাং আপনার ট্রেদের বিপরিতে কেউ ট্রেদ নিলে আপনার কিছুই যায় আসে না। কারন মার্কেট তার নিজের পথেই চলে সারা বিশ্বে একভাবে। সুতরাং এটা নিয়ে অযথা চিন্তা করবেন না। আরেকটা অভিযোগ জানা যায়, তা হচ্ছে মার্কেটে একজনের লস আরেকজনকে দেওয়া হয়। বিষয়টা কখনোই এমন নয়। প্রথমে আপনাকে বুঝতে হবে আপনি কি করছেন মার্কেটে। কম মুল্যে কারেন্সি কিনে বেশি মুলে বেচে দিচ্ছেন। এখানে আপনার সাথে অন্য ট্রেডারের কি সম্পর্ক? কম মুল্যে সারা বিশ্বের ট্রেডার কারেন্সী কিনে রাখলে কারেন্সি মূল বেশি হলে তা সবাই বেচে দিলে কি সবাই লাভবান হবে না? এটাই তো করছেন আপনি। তাহলে আপনার সাথে আরেকজনের ট্রেদের কি সম্পর্ক? আসলে কোন সম্পর্কেই নাই। আপনারা কেউ মার্কেটে না থাকলেও মার্কেট তার নিজের মতই চলবে। কারন সারাবিশ্বের অর্থনৈতিক লেনদেন চলবেই, মুদ্রার মুল্যমান উঠানামা করতেই থাকবে। তবে সমস্যা একটাই, আর তা হলে ইন্সট্যান্ত এক্সিকিউশান এর সময় মাঝে মাঝে দেরি করা, ট্রেড ওপেন বা ক্লোজ না হওয়া, অস্বাভাবিক স্প্রেড নিজেদের ইচ্ছেমত বাড়িয়ে দেওয়া, স্পাইক মারা, ফেইক ক্যান্ডেল দেখিয়ে ঘোরাবুঝ দেবার চেষ্ঠা করা, এসব সমস্যাই লোকাল ট্রেদারদের জন্য বেশ অসুবিধা হিসেবে দেখা যায়। মার্কেট মেকার নিয়ে অনেক ফিরিস্তি দিলাম, এবার আসি STP ব্রোকার নিয়ে। STP ব্রোকার ট্রেদারদের ট্রেদ রিসিভ করে ও ১০০% নিশ্চয়তার সাথে তা লিকুইডিটি প্রোভাইডারের ফান্ডে প্লেস করে দেয়, তাই ট্রেদারদের লাভ বা লসে ব্রোকারের কিছু যায় আসে না। তারা মাঝখান থেকে শুধু স্প্রেডই নেয়। আর তাই অনেক রিয়েল STP ব্রোকারে স্প্রেড তুলনামুলক অন্যান্য ব্রোকারের চেয়ে একটু বেশি থাকে। তবে স্প্রেড একটু বেশি হলেও এসব ব্রোকারে ট্রেড করাটাও মোটামুই নিরাপদ। এরা কখনোই নিজেদের ফান্ডে ত্রেদারদের ট্রেদ নিতে পারবে না, তাহলে এদের রেগুলেশন বাতিল হয়ে যাবে সাত্থে সাথেই। এবার বলি ECN ব্রকার নিয়ে। ECN ব্রোকারে ট্রেডারদের ট্রেড এক্সিকিউশান এর ব্যাপারে কারও কোন হাত থাকে না। এটি অটোমেটেড সফটওয়ার দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। ট্রেডারদের ট্রেড অটোমেটিক লিকুইডিটি প্রভাইডারদের ফান্ডে প্লেস হয়ে যায় ইন্সট্যান্টভাবেই। এজন্য ব্রোকারও কোনভাবেই ম্যানিপুলেট করতে পারেনা কারও ট্রেডে। ফেইক ক্যান্ডেল তো নয়ই। তবে হ্যা, এখানে একটি বিষয় পরিস্কার করে রাখি। প্রতিটি ECN ব্রোকারেই লোকাল মার্কেট মেকার অপশন চালু রেখে দেয় তারা। কারন স্বভাবতই অল্প ব্যালান্স দিয়ে ট্রেড করা কোন ECN ব্রোকারে সম্ভব না। আর সেই অবস্থায় ঐ ব্রোকারগুলো তাদের লোকাল মার্কেট মেকার অপশনে ট্রেড করার সুযোগ দেয় ট্রেডারদের। এজতন্য মনে রাখবেন, ব্রোকার যতো ভাল ইসিএন ব্রোকারই হোক না কেন, এদের সেন্ত একাউন্ট, মাইক্রো একাউন্ট বা মিনি একাউন্ট এর অপশনগুলো কখনই ECN এর আওতায় পড়ে না। এ জন্য আপনাকে স্ট্যান্ডার্ড একাউন্ট অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। আর যেহেতু এখানকার সকল প্রসেস সফটওয়ার সিস্টেমে চলে, সেহেতু এখানে স্প্রেড অন্যান্য ব্রোকারের তুলনায় অনেক কম পাবেন আপনি। এখানে লক্ষ্য রাখবেন, অনেকেই ইসিএন এর নাম করে নরমাল স্ট্যান্ডার্ড একাউন্টও কিন্ত প্রোভাইড করছে ট্রেদারদের। যার পিছনে আইবি হোল্ডারদের স্বার্থ জড়িত থাকে। কারন ECN একাউন্তের আইবি কমিশন একেবারেই নামমাত্র হয়ে থাকে, সেখানে কমিশান বাড়ানোর জন্য ব্রোকারকে অফার করলে ব্রোকারও নরমাল স্ট্যান্ডার্ড একাউন্ট ECN এর নামে প্রোভাইড করে থাকে যাতে আইবি হোল্ডারও খুশি, আর ECN মনে করে ট্রেডারও খুশি! এগুলো লক্ষ্য রাখা জরুরী সকলেরই। ভাল ব্রোকার নির্বাচনঃ এবার আসি ব্রোকার নির্বাচনের ব্যাপারে। আপনি বাংলা ভাষার মানুষ। তারমানে আপনি পশ্চিমবঙ্গে অথবা বাংলাদেশে থাকেন। আপনাকে এমন ব্রোকার ব্যবহার করতে হবে যার রেগুলেশন আপনার ফান্ড পর্যন্ত নিরাপত্তা দেয়। কারন আপনার দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংক এর রেগুলেশন কিন্ত আমার এখানে বা কানাডায় একদম খাটবে না। এখন যদি আপনার দেশের কোন ব্যাংক কানাডায় একটা অনলাইন সার্ভিস দিতে যেয়ে প্রতারনা করে, তাহলে আমি কি করতে পারি? চুপচাপ সয়ে যাওয়া ছাড়া। কারন আপনার দেশের রেগুলেশন তো আপনার লোকাল এলাকার জন্য প্রযোজ্য, কানাডায় তার কোন কর্মক্ষমতাই নেই। একই ভাবে যে সকল ব্রোকার শুধু লোকাল রেগুলেশন নিয়ে আপনাকে নিরাপত্তা দেবে ভেবেছেন, তাহলে আপনি ভুল করবেন। এক্ষেত্রে কি করবেন তাহলে আপনি? লক্ষ্য করবেন যে, সেই ব্রোকারে কি FCA UK রেগুলেশন আছে কি না। এখন প্রশ্ন করতে পারেন যে কেন এই রেগুলেশন। আপনি হয়তো জানেন, বৃটিশরা সারা বিশ্বে শাসন করেছে। আজও বিশ্বের অনেক প্রান্তে তাদের উপনিবেশ রয়েছে। আমাদের এই কানাডাতে আজও বৃটিশ কলোনি রয়েছে, যারা নিজেদের বৃটিশ বলে দাবী করে! বিশ্বের সকল জায়গায় এদের নিরাপত্তা দেবার জন্য বৃটিশদের রেগুলেশন সারা বিশ্বে সমানভাবে কার্যকরী করা সম্ভব হয়। অর্থাৎ আপনি ফান্ড ইস্যুতে কোন সমস্যা মনে করলে এদের রেগুলেটরি অথরিটির কাছে যথাযথভাবে অভিযোগ করলে এরা আপনার অভিযোগ এর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। এক্ষেত্রে বলাই যায় আপনি যেখানেই থাকেন না কেন, আপনার ফান্ড সেইভ থাকবে এই রেগুলেশনের আন্ডারে একাউন্ত হবার কারনে। তবে মনে রাখবেন অনেক মার্কেট মেকার ব্রোকারও এমন রেগুলেশন নিয়েছে, তারা ফেইক ক্যান্ডেল, স্প্রেড বাড়িয়ে দেওয়া, স্পাইক মারা এসব ইস্যুতে আপনার ট্রেডকে লস করালে কিন্ত এসব এই রেগুলেশনের আয়ত্বে পড়বে না। কারন আপনার ডিপোজিত ও উইথড্র এর ব্যাপারে সমস্যা হলে তারা দেখবে। আপনার ট্রেড সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে ব্রোকার তার পক্ষে ব্যাখ্যা দেবেই, আর নিজেদের চার্টের মুভমেন্ট দেখাবে তারা। কোন মুভমেন্ট রিয়েল আর কোনটা ফেইক তা আপনার বুঝানোর কোন অপশন থাকবে না। সুতরাং এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আপনার। তবে আপনার ডিপোজিট ও উইথড্র এর ব্যাপারে আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন এই রেগুলেশনের আন্ডারে। অথবা আপনি আরেক ভাবেও ব্রোকারের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারেন। তা হচ্ছে, আগেই জেনে নেবেন যে ব্রোকার ইউএস বা আমেরিকান ও কানাডিয়ান ট্রেডার সাপোর্ট করে কি না। যদি না করে তবে কোন কথা নেই, আর যদি করে তবে আশ্বস্ত হতেই পারেন। কারন যদি কোন ব্রোকার ইউএস ও কানাডিয়ান ক্লায়েন্ট একসেপ্ট করে, তয়াহলে নিশ্চিত হোন যে ব্রোকারটি যথাযোগ্য প্রমাণ দেখিয়েই এই দুই দেশে বিজনেস করার অনুমতি পেয়েছে। কারন এই দুই দেশে বিজনেস করার ব্যাপারে মানের কোয়ালিটির নিশ্চয়তা সবার আগে প্রাধান্য দেওয়া হয়। চায়না কে সস্তা বা কম দামী পন্যের বাজার বলা হয়, কিন্ত সেই চায়নাই যখন আমেরিকায় বিজনেস করতে আসে, তখন তারাই বেষ্ট কোয়ালিটির পণ্য আমেরিকার বাজারে দেয়। কারন বিজনেস পলিসিই আমেরিকায় এমন। সুতরাং নুন্যতম ঘাপলা থাকার সম্ভাবনা থাকলেই কেউই ইউএস এ বিজনেস করার সুযোগ পাবে না। অনেক বড় বড় ব্রোকারও ইউএস ক্লায়েন্ট একসেপ্ট করেনা, তাদের এত কন্ডিশন মানতে পারবে না বলে। এসবের মাঝে যদি কোন ব্রোকার তা করতে পারে, তবে বুঝে নেবেন তারা সাচ্চা কাম করত্যা হ্যায়। ব্যস, এগুলো মনে রাখবেন আর একটু যাচাই বাছাই করে ব্রোকার বেছে নিয়ে ট্রেড শুরু করে দিন। আমি যে ফাইন্যান্সিয়াল ফার্মে কাজ করছি, এখানেও একটি মার্কেট মেকার ব্রোকার একাউন্টে ট্রেড করা হয় ব্রোকারের সাথে ডিরেক্ট কন্ট্র্যাক্টের মাধ্যমে (যা আমার বা আপনার পক্ষে সিঙ্গেলভাবে করা সম্ভব না), আর একটা ECN ব্রোকারের একাউন্টে ট্রেড করা হয়। আপনিও সব দিক বিবেচনা করে ভাল কোন ECN ব্রোকারেই আশা করছি ট্রেড করবেন এটাই আমার সর্বশেষ মতামত। আমি এখানে কোন ব্রোকারের নামই উল্লেখ করলাম না, যাতে কেউ নুন্যতম কষ্ট পায় মনে। সবাইকে এবার বুঝে শুনে ভাল কিছু সাথে নিয়ে ফরেক্স মার্কেটে এগিয়ে চলার অনুরোধ করছি। সকলের জন্য আমার শুভকামনা রইল। Trade with full Trusted ECN broker:
  2. 2 points
    EROUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১.১৩৪১ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস ‍রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে । সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন্ নেওয়া যেতে পারে । ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১২৭২, ১.১১৮০, ১.১১২০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৩৪১, ১.১৩৯০, ১.১৪৫০ সেল এন্ট্রি ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১.১২৭০ সাপোর্ট লেভেলে টেস্টিং করছে। আমরা বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ১.১২০০। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১২৭০, ১.১২০০, ১.১১০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৩৯০, ১.১৪৮৫, ১.১৬৪৪ বাই এন্ট্রি GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেটে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। খুব তাড়াতাড়ি ট্রেন্ড পরিবর্তন হচ্ছে, তাই আমরা মার্কেট স্থির হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি স্থির হবে। ট্রেন্ডের ধরণ : অপেক্ষমান। সাপোর্ট লেভেল : ১.৩১৫০, ১.৩০৯০, ১.৩০০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩২২২, ১.৩২৮৮, ১.৩৩২৮ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। খুব তাড়াতাড়ি ট্রেন্ড পরিবর্তন হচ্ছে, তাই আমরা মার্কেট স্থির হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি স্থির হবে। ট্রেন্ডের ধরণ : অপেক্ষমান সাপোর্ট লেভেল : ১.৩০০০, ১.২৯০০, ১.২৭৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১.৩২২২, ১.৩৩৮৬, ১.৩৫৮৬
  3. 1 point
    EROUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) পেয়ারটি ১.১২৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা । সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। পোসার্ট লেভেল : ১.১২৩৩, ১.১১৮৯, ১.১১১৯ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১২৬০, ১.১২৭৭১.১৩০৪ সেল এন্ট্রি : ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিটে পৌঁছেছে। আমরা ৫০% ট্রেড ক্লোজ করবো এবং ১.১২৭৭ প্রফিট লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১১৮০, ১.১০৯০, ১.১০০০ রেজিন্স লেভেস্ট্যাল : ১.১২৭৭, ১.১৩২৩, ১.১৩৫১ সেল এন্ট্রি : ১.১২৭৭ স্টপ লস : ১.১২৭৭ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট : ১.১২৪০, ১.১১৮০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১.৩০৫৪ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.২৯৭৫ সাপোর্ট লেভেলে ব্রেক হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৯৭৫, ১.২৯৬২, ১.২৯৩৯ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩০৫৪, ১.৩০৭৭, ১.৩১২৪ সেল এন্ট্রি: টেক প্রফিট : ১.২৯৬২, ১.২৯৩৯ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.৩০৬৪ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে একটি ঊর্ধ্বমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা । সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৯৫৫, ১.২৮৪৭, ১.২৬৭২ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩০৬৪, ১.৩১৩১, ১.৩২৩১ সেল এন্ট্রি :
  4. 1 point
  5. 1 point
    গত সপ্তাহটি ফেডের ইন্টারেস্ট রেট এবং ব্রেক্সিট নিয়ে বেশ ব্যস্থতার মধ্যে ছিল। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্ট হলো ইউএস ডাটা। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। ১.US Durable Goods Orders মঙ্গলবার বিকাল ০৬:৩০। এ মাসের দ্বিতীয় রিলিজে টেকসই পণ্য (Durable goods) পণ্যের অর্ডার সরকারের শার্ট ডাউনের কারণে কম হয়েছে। পূর্বের রিলিজ তথা জানুয়ারিতে এটা শতকরা ০.৪% বেড়েছিল ,তবে কোর অর্ডার শতকরা ০.১% কমেছিল। এখন আমরা ফেব্রুয়ারী মাসের ডাটার জন্য অপেক্ষা করবো। ২.US CB Consumer Confidence মঙ্গলবার রাত ০৮:০০। ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগানের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কনজিউমার কনফিডেন্স সরকারের শার্ট ডাউনের কারণে কম হয়েছে, তবে পরবর্তীতে এটা রিকভার করেছে। ফেব্রুয়ারী মাসে কনজিউমার কনফিডেন্স থেকে ১৩১.৪ পয়েন্ট এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে মার্চ মাসে এর থেকে কিছুটা কম হতে পারে। ৩.New Zealand Rate Decision বুধবার ভোর ০৬:০০। রিজার্ভ ব্যাংক অফ নিউজিল্যান্ড তাদের কারেন্সি সম্পর্কে কোনো Dovish মন্তব্য করেনি। তাদের ইকনোমি যদিও কিছুটা খারাপ অবস্থানে ছিল, তবে বর্তমানে এটা বেশ ভাল করছে। গর্ভনর অ্যাড্রিয়ান অর্র এবং তার সহকর্মীরা ১.৭৫% ইন্টারেস্ট রেট নির্ধারণ করেন। সম্ভবত পরবর্তী মেটিংয়ে এ রেট পরিবর্তন করা হবে না। যদিও সাম্প্রতি দেশটিতে ক্রাইস্টাচার্চের সন্ত্রাসী আক্রমন হয়েছে , আর এটা দেশটির অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। ৪.US GDP বৃহস্পতিবার বিকাল ০৫:৩০। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে কিছুটা স্থবির অবস্থা লক্ষ্য করা গেলেও তাদের বাৎসরিক জিডিপি বেশ ভালই এসেছে, জিডিপি শতকরা ২.৬ পার্সেন্ট এসেছে। আর এটা তাদের প্রত্যাশার উপরে ছিল। তবে পরবর্তী পরিসংখ্যানে কিছুটা কম হতে পারে। ৫.EU Emergency Summit on Brexit বৃহস্পতিবার । ব্রেক্সিট কাহিনী শেষ পর্যায়ে পৌছেঁছে। যুক্তরাজ্য ২৯ মার্চ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বেড়িয়ে আসার কথা থাকলেও বর্তমানে আরও কিছু সময় লাগতে পারে, এমন পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে এ কাহিনীর শেষ পর্যন্ত জানতে হলে আমাদের ২৮ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ৬.UK GDP শুক্রবার দুপুর ০৩:৩০। প্রথম রিলিজ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের শেষ কোয়াটারে যুক্তরাজ্যের ইকনোমি শতকরা ০.২ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউরোজোনেও একই অবস্থা পরিলক্ষিত হচ্ছে। যদিও পূর্বের জিডিপি এবারের তুলনায় বেশি হয়েছে। ৭.Euro-zone Inflation শুক্রবার দুপুর ০৩:০০। তেলের প্রাইসের কারণে গত কয়েকমাস ধরে মুদ্রাস্ফীতি (Inflation ) বৃদ্ধি পেয়েছে। ফেব্রুয়ারীতে মুদ্রাস্ফীতি শতকরা ১.৫ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ফেব্রুয়ারী মাসে কোর মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। ফেব্রুয়ারী মাসে কোর মুদ্রাস্ফীতি ১% এসেছে। ৮.Canadian GDP শুক্রবার দুপুর ০৩:৩০। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে কানাডিয়ান জিডিপি হতাশাজনকভাবে শতকরা ০.১% কমেছিল। এখন আমরা ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম রিলিজের অপেক্ষা করছি।
  6. 1 point
    EROUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট আপট্রেন্ডে রয়েছে। আমরা ১.১৪৪৮ রেজিস্ট্যান্স লেভেলের উপরে বাই পজিশন নেওয়ার জন্য কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.১৪০৯ ‍প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বুল্লিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১৪০৯, ১.১৩৮৫, ১.১৩৩৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৪৪৮, ১.১৪৭০, ১.১৫১৩ বাই এন্ট্রি : ১.১৪৪৮ স্টপ লস : ১.১৪০৯ ট্রেডের সম্ভাবনা : মাঝারি টেক প্রফিট : ১.১৪৭০, ১.১৫১৩ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.১৩৭০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি ন্মিমূখী প্রাইস ‍রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে । সে ক্ষেত্রে বাই পজিশন্ নেওয়া যেতে পারে । ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১৩৭০, ১.১৩৩০, ১.১২৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৪৫০, ১.১৪৯০, ১.১৫৪০ বাই এন্ট্রি : GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে শক্তিশালী। আমরা সেল পজিশন নেওয়ার জন্য ১.৩১৪১ সোপোর্ট লেভেলের নিচে কিছু সিগন্যালের অপেক্ষা করছি। ১.৩২৫৫ প্রাইস লেভেল ভেঙ্গে নিচে নামলে বিয়ারিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট নিন্মমূখীভাবে শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.৩১৪১, ১.৩০৮০, ১.২৯৭৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩২৫৫, ১.৩৩০০, ১.৩৪৫০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। খুব তাড়াতাড়ি ট্রেন্ড পরিবর্তন হচ্ছে, তাই আমরা মার্কেট স্থির হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি স্থির হবে। ট্রেন্ডের ধরণ : অপেক্ষমান সাপোর্ট লেভেল : ১.৩১১০, ১.২৯৫০, ১.২৮৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩৪৫০, ১.৩৭৪০, ১.৪২০০
  7. 1 point
    মিষ্টি খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে এনে সফল ট্রেডার খুঁজছেন। ব্যাপারটা কেমন হল না? অনেকেই আছেন সফল। ধারনার প্রেক্ষিতে অনেকেই অনেক কিছু বলে। তবে সফল অন্য মানুষ দিয়ে কি লাভ? নিজে সফল হওয়া বেশি জরুরী। সফল বলে বেশি আওয়াজ দিলে ইদানিং আবার অনলাইনেই ডাকাতি হয়। হা হা।
  8. 1 point
  9. 1 point
    ফরেক্স মার্কেটে যদি আপনি দীর্ঘদিন ধরে ট্রেড করে থাকেন, তবে সম্ভবত আপনার সবচেয়ে লাভের এবং লসের ট্রেডটি পাউন্ডের কোন পেয়ারের। হ্যাঁ, পাউন্ড হল সবচেয়ে ভোলাটাইল কারেন্সিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। ঐতিহাসিক ভাবেও পাউড কারেন্সিটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ অবস্থান দখল করে আছে। ফরেক্স ট্রেড করতে হলে শুধু প্রাইস কোনদিকে বাড়ছে বা কমছে তা জানাই শুধু গুরুত্বপূর্ণ নয়, সাথে সাথে আপনি যে দুটি কারেন্সি বা মুদ্রা নিয়ে ট্রেড করছেন, সেগুলো সম্পর্কে জানাও বেশ জরুরী। গত আর্টিকেলে আলোচনা করা হয়েছে ডলার আদ্যোপান্ত নিয়ে। আজকের লেখায় আমরা জানবো পাউন্ড কি, পাউন্ড সম্পর্কে বিস্তারিত এবং কি কি বিষয় পাউন্ডকে প্রভাবিত করে। পাউন্ড কি? পৃথিবীতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মুদ্রা হচ্ছে ব্রিটিশ পাউন্ড। ব্রিটিশ পাউন্ডকে “পাউন্ড স্টারলিং” ও বলা হয়। পাউন্ড বিশ্বের চতূর্থ সর্বোচ্চ ট্রেড হওয়া মুদ্রা এবং তৃতীয় বৃহত্তম রিজার্ভ কারেন্সি। এর পূর্ণরুপ Great Britain Pound বা সংক্ষেপে GBP নামে পরিচিত। পাউন্ড সংশ্লিষ্ট কারেন্সি পেয়ারগুলোকে আমরা GBP/XXX অথবা XXX/GBP এভাবে দেখতে পাই। আসুন, পাউন্ড সম্পর্কে আরো জানি অর্থনীতির ইতিহাসে পাউন্ডের গুরুত্ব রয়েছে অনেক। একটা সময় ছিলো যখন পাউন্ডই ছিলো বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুদ্রা। কিন্তু বর্তমান মার্কেটের আন্তর্জাতিক ট্রেড এবং অ্যাকাউন্ট বিবেচনায় পাউন্ডের সেই অবস্থান দখল করেছে মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ এবং ব্রিটিশ সম্রাজ্য ভেঙ্গে পড়ার ফলশ্রুতিতে ১৯৪০ সালে পাউন্ড তার শ্রেষ্ঠত্ব হারায়। এরপর ধাপে ধাপে পাউন্ড বিভিন্ন সময় অর্থনৈতিক দুরাবস্থায় পড়ে। হেজ ফান্ড এবং কারেন্সি এক্সচেঞ্জের ইতিহাসেও পাউন্ড গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রেখেছে। ১৯৯০ সালে বৃটেন ইউরোপিয়ান এক্সচেঞ্জ রেট মেকানিজমে যোগ দেয় এই প্রত্যাশায় যে এটি এক্সচেঞ্জ রেটের সমস্ত অনিশ্চয়তা দূর করতে সক্ষম হবে এবং একটি মাত্র কারেন্সি ব্যবহারের পথ সুগম করবে। দুর্ভাগ্যবশত এই পদ্ধতির মাধ্যমে আশানুরূপ সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়নি এবং পাউন্ড বিভিন্ন দিক থেকে চাপের মুখে পড়ে। এ সময়ে বিখ্যাত কারেন্সি বিশেষজ্ঞ জর্জ সরোস বলেন যে পাউন্ডের এই রেট টিকবে না এবং অনেকেই তখন বিপুলভাবে পাউন্ড শর্ট করেন। এবং পাউন্ডও ইতিমধ্যে এই সিস্টেম থেকে বেরিয়ে আসে যা Black Wednesday নামে পরিচিত। জর্জ সরোস একাই ১ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমান লাভ করেন সেই ঘটনার কারণে। সম্প্রতি ব্রেক্সিটের কারনেও পাউন্ড বিপুলভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। ফরেক্স মার্কেটের সকল গুরুত্বপূর্ণ কারেন্সির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে তাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তেমনি পাউন্ড মূলত নিয়ন্ত্রিত হয় ইংল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক - ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের মাধ্যমে। মুদ্রাস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রন সব কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, এবং ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডও সর্বদা চেষ্টা করে যাচ্ছে মুদ্রাস্ফীতির হার ২% এ বজায় রাখতে। যে বিষয়গুলো পাউন্ডকে প্রভাবিত করে যেই সাধারন অর্থনৈতিক বিষয়গুলো ডলারকে প্রভাবিত করে, সেগুলোর বেশিরভাগই অন্যান্য কারেন্সিগুলোকেও প্রভাবিত করে। পাউন্ডও এর ব্যাতিক্রম নয়। ট্রেডিংয়ের জন্য ট্রেডাররা পাউন্ডের অর্থনৈতিক ডাটা বা রিপোর্টগুলকে খুব গুরুত্বের সাথে নেয়। সুদের হার বা ইন্টারেস্ট রেটের পরিবর্তন, জিডিপি, রিটেইল সেলস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশন, মুদ্রাস্ফিতি এবং ট্রেড ব্যালেন্স রিপোর্টগুলো এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হয়। এছাড়া Employment রিপোর্টগুলো যেমন কি পরিমান নতুন চাকরী হচ্ছে, বেকারত্বের হার ইত্যাদি রিপোর্টগুলোও মার্কেটে প্রভাব ফেলে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বক্তব্য মার্কেটে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। পাউন্ড ট্রেডিং করার সময় এ সকল বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে। রিজার্ভ কারেন্সির দিক থেকে পাউন্ডের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। বর্তমানেও বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী কারেন্সি হিসেবে পাউন্ড মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে। জনসংখ্যা এবং আকারের দিক থেকে খুব বড় না হলেও ব্রিটেন বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোর একটি এবং বিশ্ব নেতৃত্বের দিক থেকেও অন্যতম। ভোলাটাইল কারেন্সি হিসেবে পরিচিত হলেও ডলারের শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে পাউন্ডের অবস্থান নিঃসন্দেহে সুদৃঢ়। পরবর্তীতে আমরা আলোচনা করবো কোন ৫ ধরনের নিউজ পাউন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে।
  10. 1 point
    আমি এই সিস্টেমে এখনও ট্রেড করি নাই, কেউ যদি আমার দেখানো নিয়মে Portable MT4 বানিয়ে অন্যের PC / Laptop এ ট্রেড করে থাকেন, তাহলে জানাবেন, কেমন হল সিস্টেমটা ?

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×