Jump to content

Leaderboard


Popular Content

Showing content with the highest reputation on বুধবার 18 মার্চ 2020 in all areas

  1. 1 point
    ক্যাথি লিয়নের মতে, এ মাসে পেয়ারটি ১.০৫ প্রাইসে আসতে পারে। ইউরোর ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। লন্ডন সেশন ওপেন হওয়ার পূর্বে পেয়ারটি ১.১০৩০ প্রাইসের কাছাকাছি অবস্থান করছে। গতকাল ইউরো/ডলার পেয়ারটি ১.১১৮০ প্রাইস থেকে কমে ১.০৯৫০ প্রাইসে এসেছিল। ২০১৮ সালের ১৪ জুন এ ধরণের ডাউনট্রেন্ডে দেখা গিয়েছিল। গতকাল ইউরোর প্রাইস কমার পিছনে মার্কিন ডলারের শক্ত অবস্থান এবং জার্মান ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট কাজ করেছিল। ফেব্রুয়ারিতে জার্মান ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট ৮.৭ পয়েন্ট বাড়লেও মার্চে ৪৯.৫ পয়েন্ট কমেছে। যেখানে প্রত্যাশা করা হয়েছিল মার্চ মাসে ২৯.৭ পয়েন্ট কমবে। সুতরাং প্রত্যাশিত লেভেলর নিচে আসার কারণে পেয়ারটির প্রাইস কমেছিল। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইভেন্টগুলো ভাল অবস্থানে ছিল। আজকের ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউরোজোন ফাইনাল CPI রিপোর্ট। গত রিপোর্টের মতো এবারও CPI ১.২% এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে Core CPI রিপোর্টও ১.২% এ অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে। CPI রিপোর্ট প্রত্যাশিত লেভেলের উপরে আসলে পেয়ারটির প্রাইস বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে প্রত্যাশিত লেভেলে বা তার নিচে আসলে পেয়ারটির ডাউনট্রেন্ড শক্তিশালী হতে পারে। বি কে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ক্যাথি লিয়েন বলেন,করোনাভাইরাসের ফলে ইউরোজোন ইকোনমি ক্রমাগত খারাপ করছে। বিশেষ করে ইউরোজোনের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি জার্মান করোনাভাইরাসের প্রভাবে বর্ডার,স্কুল, পাবলিক প্লেস এবং অতি প্রয়োজনীয় দোকান ব্যতীত সকর কিছু বন্ধ ঘোষণা করেছে। ক্যাথি লিয়নের মতে, এর ফলে ইউরোজোন ইকোনমি আরও অস্থিতিশীল হতে পারে । ইউরোজোনে এ ধরণের অবস্থা চলমান থাকলে পেয়ারটির প্রাইস কমে ১.৫ –তে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস বাড়লেও পরবর্তীতে পুনরায় ডাউনট্রেন্ডে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
×
×
  • Create New...