Jump to content

Leaderboard


Popular Content

Showing content with the highest reputation since শনিবার 11 জুল 2020 in all areas

  1. 1 point
    EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেটের ১.১৭৫০ বাই এন্ট্রি এবং ১.১৬৯৫ সাপোর্ট লেভেল দেওয়া হয়েছে। পেয়ারটি ১.১৬৯৫ প্রাইস ভেঙ্গে নিচে নামলে বুলিশ ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্টেক ঊর্ধ্বমূখী শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১৬৯৫,১.১৬৫৫,১.১৫৯০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৮২০,১.১৮৮০,১.১৯৮০ বাই এন্ট্রি: ১.১৭৫০ স্টপ লস: ১.১৬৯৫ ট্রেডের সম্ভাবনা: হাই টেক প্রফিট: ১.১৮২০,১.১৮৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেটের ১.১৭৮০ বাই এন্ট্রি এবং ১.১৭৮০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখী শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১৭০০,১.১৬৩০,১.১৫৩০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৮৩০,১.১৯১০,১.২০১০ বাই এন্ট্রি: ১.১৭৮০ স্টপ লস: ১.১৭০০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১৮৩০,১.১৯১০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) পেয়ারটি ১.২৯২০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে বা ১.৩০১৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে ব্রেক হতে পারে।সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখী শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৯২০,১.২৮৮০,১.২৮০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.৩০১৫,১.৩০৫০,১.৩১২০ টেক প্রফিট: ১.৩০৫০,১.৩১২০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৮৮০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখী শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৮৮০,১.২৮০০,১.২৬৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.৩০৯০,১.৩১৪০,১.৩১৮০
  2. 1 point
    EURUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট (১ঘন্টার) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন) মার্কেটের ১.১৪৫-তে বাই এন্ট্রি এবং ১.১৪৫০-তে রেজিস্ট্যান্স লেভেল দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্টেক ঊর্ধ্বমূখী শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১৩৭০,১.১৩৩০,১.১২৬০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৪৮০,১.১৫২০,১.১৫৮০ বাই এন্ট্রি: ১.১৪৫০ স্টপ লস: ১.১৩৭০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১৫০০,১.১৫৮০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে। আমরা ১.১৩৭০ লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখী শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.১৩৭০,১.১৩১০,১.১২০০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.১৪৮০,১.১৫৪০,১.১৬৭০ বাই এন্ট্রি: ১.১৩৭০ স্টপ লস: ১.১৩৭০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.১৪৩০,১.১৫৪০ GBPUSD সিগন্যাল ৬০ মিনিট ( ১ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল (পরবর্তী ৩ দিন ) মার্কেট ১ম টেক প্রফিট লেভেলে পৌঁছেছে। আমরা ১.265০ লেভেলে স্টপ লস নেব। আশা করছি মার্কেট খুব তাড়াতাড়ি ২য় টেক প্রফিটে পৌঁছাবে। ট্রেন্ডের ধরণ : মার্কেট ঊর্ধ্বমূখী শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল : ১.২৬৫০,১.২৬২,১.২৫৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল : ১.২৭০০,১.২৭৩০,১.২৭৮০ বাই এন্ট্রি: ১.২৫৭৫ স্টপ লস: ১.২৬৫০ ট্রেডের সম্ভাবনা: মাঝারি টেক প্রফিট: ১.২৬০৫,১.২৭০০ ২৪০ মিনিট (৪ ঘন্টার ) চার্টের সিগনাল ( পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ) পেয়ারটি ১.২৬০০ সাপোর্ট লেভেলের দিকে একটি নিন্মমূখী প্রাইস রিট্রেসমেন্টের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাই পজিশন নেওয়া যেতে পারে। ট্রেন্ডের ধরণ: মার্কেট ঊর্ধ্বমূখী শক্তিশালী। সাপোর্ট লেভেল: ১.২৬০০,১.২৫৪০,১.২৪৫০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল: ১.২৭৩০,১.২8১০,১.২৯৩০
  3. 1 point
    আগে ঠিক করুন, আপনি গাছ দেখতে চান নাকি বন দেখতে চান? ধরুন, আপনি একটি বনের ভেতর হারিয়ে গেছেন। বনের ভেতর দিয়ে হাটছেন আর নজরে পড়ছে শুধু গাছ আর গাছ। কোথায় কয়টা গাছ আছে, কোন গাছ কত বড়, বনের শুরু কোথায়- শেষ কোথায়, কিছুই বোঝা যায়না। এভাবে পথ খুঁজে বের করা বেশ মুশকিল হবে, হয়ত দেখা যাবে ঘুরে ফিরে সেই একই যায়গায় চলে আসছেন! কিন্তু আপনি যদি একটা হেলিকপ্টার নিয়ে উপর থেকে বনটা দেখেন, তখন পুরো বন কত বড়, কত দূর গেছে সে সম্পর্কে ভাল ধারনা পাবেন। ফরেক্স মার্কেটে কোন কারেন্সি পেয়ারকে যদি আমরা বনের সাথে তুলনা করি, তাহলে জিগজ্যাগ ইন্ডিকেটর এখানে অনেকটা ঐ হেলিকপ্টারের মতই। এটা বনের ভেতর ইতি উতি পথ না খুঁজে উপর থেকে পুরো বনটা দেখার উপায় বলে দেয়। এখানে প্রাইসের গতির ছোট খাট পরিবর্তন গুলি হচ্ছে বনের গাছের মত, কিন্তু বড় পরিবর্তনগুলো সত্যিকার অর্থে ট্রেন্ডের গতিবিধি বুঝতে সহায়তা করে। জিগজ্যাগ ইন্ডিকেটর এই ছোট খাট পরিবর্তনগুলি ইগনোর করে বড় পরিবর্তন অনুযায়ী ট্রেন্ডের গতিবিধি তুলে ধরে। ফলে ওভারল মার্কেট সিচুয়েশন আপনার সামনে পরিস্কার হয়। জিগজ্যাগ ইন্ডিকেটর কি? ট্রেন্ডকে অনুসরন করছে এমন একটি ইন্ডিকেটর যা প্রতিমুহূর্তে প্রাইসের গতির পরিবতন সম্পর্কে আগে থেকে সিগন্যাল দেয় তাকে জিগজ্যাগ ইন্ডিকেটর বলে। প্রাইসের গতির অনিয়মিত পরিবর্তনগুলি দূর করে দিয়ে একচুয়াল পরিবর্তনগুলোতে ফোকাস আনার জন্য এই ইন্ডিকেটর ব্যবহার হয়। জিগজ্যাগ ইন্ডিকেটর কীভাবে কাজ করে? জিগজ্যাগ ইন্ডিকেটরকে অন্যান্য ইন্ডিকেটর মত ব্যাবহার করা যায় না। এটা মূলত প্রাইসের গতিবিধির ছোটখাট পরিবর্তনগুলি আমলে না এনার একটা পদ্ধতি। সাধারণত প্রাইসের যেকোনো অবস্থানের ১০% পরিবর্তন জিগ জ্যাগ লাইনে কোন চেঞ্জ আনেনা। শুধু মাত্র ১০% এর বেশি কোন পরিবর্তন হলেই জিগ জ্যাগ লাইনে এর প্রভাব পরে। এভাবে ছোট খাট মুভমেন্ট গুলো ফিল্টার কররে ফেললে অভারল ধারনাটা ভাল হয়। নিচের চিত্রটি দেখুনঃ চিত্রে নিল রঙের যে লাইন দেখতে পাচ্ছে সেটা হচ্ছে অরিজিনাল প্রাইস লাইন। আর গোলাপি রঙের যে ডট ডট লাইন দেখছেন সেটা হচ্ছে জিগজ্যাগ লাইন। এখানে আপনারা দেখছেন প্রাইসের আপ ডাউনের সাথে সাথে অরিজনাল প্রাইস লাইন মুভ করছে। কিন্তু জিগজ্যাগ লাইন প্রতিবার পয়েন্ট চেঞ্জ করার সময় একটা নির্দিষ্ট সরল রেখা তৈরি করে এগিয়ে যাচ্ছে। এখন আপনার মনে হতে পারে এর কার্যকারিতা কি? লক্ষ করে দেখুন চিত্রে মাঝখানে এক যায়গায় অরিজিনাল প্রাইসের আগের পয়েন্ট থেকে পরের পয়েন্টে ৭% পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু জিগজ্যাগ লাইন তা ইগনোর করে এগিয়ে গেছে। এক্কেবারে শেষ জিগজ্যাগ লাইন একটু দেখুন। যেখানে থেমেছে তা ৭% পরিবর্তন এর কম! তার মানে ৭% লাইনটি ইগনর করার ফলে কোন সমস্যাই হয়নি, জিগজ্যাগ প্রাইসের ট্রেন্ড খুব ভালভাবেই বের করে আনতে পেরেছে। জিগজ্যাগ লাইন রিট্রেসমেন্টঃ নরমাল জিগজ্যাগ লাইনের পাশাপাশি এখান থেকে রিট্রেস জিগজ্যাগ নামক এক ধরনের স্ট্রটেজি বের করে আনা যায়। নিচে চিত্রটি দেখুনঃ এখানে লাইন এক এর স্টারটিং পয়েন্ট ২১.৯২ আর এন্ডিং পয়েন্ট ২৮.৯৯।এখানে পার্থক্য= ৭.০৭, একই ভাবে লাইন দুই এর ক্ষেত্রে পার্থক্য= ৪.৫১ এবং লাইন তিন এর ক্ষেত্রে= ৭.৪২। এখন লাইন এক ও দুই এর রিট্রেসমেন্ট= ৪.৫১/৭.০৭= .৬৩৮। এর মানে লাইন দুই হচ্ছে লাইন এক এর ৬৩.৮%। তারমানে পরের লাইনটি প্রথম লাইন থেকে ছোট, অর্থাৎ প্রথম লাইনের প্রাইসের ট্রেন্ড থেকে দ্বিতীয় লাইনের প্রাইসের ট্রেন্ড কম শক্তিশালী ছিল।লাইন দুই ও তিন এর রিট্রেসমেন্ট= ৭.৪২/৪.৫১= ১.৬৪৬ এর মানে লাইন তিন হচ্ছে লাইন দুই এর ১৬৪.৬% এখানে তিন নম্বর লাইন এর প্রাইস ট্রেন্ড দুই নম্বর লাইনের চেয়ে বেশি শক্তিশালী।এই ভাবে হিসেব করে আপনি চাইলে পরবর্তী লাইনের প্রাইস ট্রেন্ড এর শক্তিমত্তা প্রেডিকশন করতে পারবেন। জিগজ্যাগ লাইন কি সিগন্যাল দেয়? জিগজ্যাগ প্রাইস একশন সম্পর্কে ধারনা দিলেও সরাসরি বাই বা সেলের সিগন্যাল দেওয়ার পাওয়ার এর নেই। মূলত বেসিক এনালাইসিস এর কাজে সহায়তা করার জন্য এর সৃষ্টি। প্রাইস এর গতির ছোট ছোট পরিবর্তনগুলি অনেক সময় প্রাইস আপ হবে না ডাউন হবে এ সম্পর্কে ভুল ধারনা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে এসময় ট্রেডার বাই বা সেলের ডিসিশন নিলে ভুল যাওয়ার সুযোগ থাকে। তাই প্রাইসের গতিবিধি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য জিগজ্যাগ ইন্ডিকেটর এর সাহায্য নেওয়াটা আমি ভাল মনে করি। সাবধানতা মনে রাখবেন জিগজ্যাগ ব্যবহারের সময় সব ক্ষেত্রে বুঝে নিতে হবে বর্তমানে প্রাইসের যে লাইন যাচ্ছে তা টেম্পোরারি নাকি পার্মানেন্ট। বর্তমান প্রাইস চেঞ্জ যদি জিগজ্যাগ প্যারামিটার থেকে কম হয় তবে বর্তমান লাইনটি টেম্পোরারি। এই লাইন দেখে কোন ট্রেড করবেন না। কিন্তু বর্তমান প্রাইস চেঞ্জ জিগজ্যাগ প্যারামিটারের বেশি বা সমান হলে এই লাইন টা পার্মানেন্ট বলা যাবে। এক্ষেত্রে আপনি ডিসিশন নিতে পারবেন সহজে।
  4. 1 point
    Fack company. Amar onek gulo dolar kheye pelse. Sobai dhure thakun.
  5. 1 point
    হুম, অনেকটা ইচ্ছে করে ঢেঁকি গেলার মত!! বেকায়দায় পড়ে আমি আসলেই খুশি। এই উছিলায় নিজেরও কিছু শিখা হয়ে যাবে আর কি! আসলে দেশে ফিরে বেকার ঘুরতেছিলাম ভাই, ভাবলাম লোকজনকে একটু হেল্প করার চেষ্টা করি। কিন্তু ইদানীং একটু কাজের সাথে যুক্ত হয়ে খুব বিজি হয়ে গেছি।
  6. 1 point
    @kizir007: হে হে, আপনার এক্টিভিটি দেখে আমার কেন যেন মনে হচ্ছে আপনি বেকায়দায় পড়তে পারলেই খুশি হন। আর আপনাকে বেকায়দায় ফেলতে পেরে আমিও আনন্দিত। আশা করি কিছু শিখতে পারব।
  7. 1 point
    তানভীর ভাই, দিলেন তো বেকায়দায় ফেলে। অনেক সময়ের ব্যাপার আসলে। ঠিক আছে, সমস্যা নাই। আমি এটা নিয়ে চিত্র টিত্র সহ বিস্তারিত একটা পোস্ট রেডি করব। খুব তাড়াতাড়ি পোস্ট দিতে পারব বলে আশা করছি ভাই। ভাল থাকুন। @রমজান ভাই, আপনাকেও ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। আমি চেষ্টা করব খুব দ্রুত পোস্ট রেডি করতে। ভাল থাকেন ভাই
  8. 1 point
    জিগজাগ ইন্ডিকেটরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। কিন্তু কেউ যদি শুধু জিগজাগ ইন্ডিকেটরের হাই-লো অনুসরণ করে ট্রেড করতে যায়, সে অচিরেই আবিস্কার করবে যে, জিগজাগ একটি প্রতারক ইন্ডিকেটর। জিগজাগ তার অতীতের ভুলগুলো শুধরে চার্টকে একদম চরম দর্শনীয় করে রাখে। দেখলেই মনে হয়, আরে আমি যে হলি গ্রেইল পেয়ে গেছি! জিগজাগের হাইয়ে সেল করব আর লোয়ে বাই করব। কিন্তু একজন নতুন ট্রেডার যখন জিগজাগ দেখে বাই আর সেল করতে যাবে, সে লাইভ মার্কেট অবজার্ভ করতে গেলে তার চক্ষুচড়ক গাছ হয়ে যাবে। দেখবে যে জিগজাগ তার সদ্য আকড়ে ধরা হাই-বা লোকে লাথি দিয়ে ফেলে দিয়ে মার্কেটের অনুসরণ করে অর্থাৎ ভুল শুধরে নতুন হাই-বা লোকে আলিঙ্গন করছে। অর্থাৎ এটি একটি চরম রিপেইন্টিং ইন্ডিকেটর। জিগজাগ একজন নতুন ট্রেডারকে তালগাছ থেকে শুরু করে ছাতরা পাতার গাছ পর্যন্ত দেখিয়ে ছাড়বে। মনের দুঃখে কথাগুলো বললাম। আমার প্রথম দিকের ট্রেডের সময়গুলোতে জিগজাগ আমাকে চরম দুঃখ দিয়েছে বলেই ...
×
×
  • Create New...