Jump to content

ফোরাম ফিড

This stream auto-updates     

  1. Today
  2. আজকের ট্রেডিং সেশনে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমছে। আজ পেয়ারটি ওপেন হয়েছে ১.১২১৩ প্রাইসে । পরবর্তীতে পেয়ারটির প্রাইস ক্রমাগত কমতে ছিল। তবে বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। পেয়ারটির পরবর্তী টার্গেট হতে পারে ১২৮০ থেকে ৯০ প্রাইস। সুতরাং পেয়ারটির প্রাইস শর্ট-টার্মে বাড়তে পারে। তবে এটা স্থায়ী হবে বলে মনে হচ্ছে।
  3. পাউন্ড/ডলার পেয়ারটি প্রাইস ডাউনসাইডে রয়েছে এবং পেয়ারটি ১.২৪৫০ প্রাইসের দিকে যাচ্ছে। তবে পেয়ারটি প্রাইস কমার পিছনে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিকে দায়ী করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের পদত্যাগের পর তার আসন নিয়ে বেশ কয়েকবার ভোট হয় এবং এ ভোটে জনসন এবং টোরি এগিয়ে রয়েছে। আগমীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার আকেরটি নির্বাচন হবে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং যুক্তরাজ্যের এ রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে পেয়ারটির প্রাইস কমছে। সুতরাং বর্তমানে পেয়ারটির ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া ভাল হবে।
  4. USD/JPY এর রেসিস্ট্যান্স লেভেলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, পতনের সম্ভাবনা রয়েছে! USDJPY এর প্রথম রেসিস্ট্যান্স লেভেল 108.1 এর দিকে অগ্রসর হচ্ছে যেখানে একটি রিভার্সাল হতে পারে। এন্ট্রি: 108.10 এটি ভালো কেন: আনুভূমিক সুইং হাই রিট্রেসমেন্ট, 50% এবং 76.4% ফিবনাচি রিট্রেসমেন্ট, 61.8% ফিবনাচি এক্সটেনশন টেক প্রফিট:107.80 এটি ভালো কেন: 38.2% ফিবনাচি রিট্রেসমেন্ট, আনুভূমিক ওভার সাপোর্ট বিভিন্ন পেয়ারের ফরেক্স আনাল্যসিসগুলো পেতে এই লিঙ্কটি ভিজিট করুন
  5. Market Analysis and News.

    Date : 22nd July 2019. MACRO EVENTS & NEWS OF 22nd June 2019. No deal Brexit risks will continue to unsettle markets next week as the two candidates hardened their rhetoric in end stages of the party elections. The ECB however will stand out as the event of the week,with Brexit uncertainty an important part of the overall outlook. Have a look at the most important events of the coming days in our usual weekly publication. Tuesday – 23 July 2019 The announcement of the next Prime Minister of the UK – Event of the week – Original Brexit campaigner Boris Johnson remains the front runner in the race and is widely expected to be confirmed as the new Prime Minister next Tuesday. Housing Data (USD, GMT 14:00) – A steady rate is anticipated for existing home sales in June at the firm 5.340 mln pace seen in May. The median sales price is estimated to ease to $275,000, for a y/y gain of 0.4%, down from 4.8% in May. In Q1, we saw an average sales pace of 5.207 mln. In Q2, a better 5.297 mln pace is expected. Wednesday – 24 July 2019 Services and Manufacturing PMI (EUR, GMT 07:30) – Preliminary Composite PMIs for Eurozone and Germany are expected to fall in July, to 51.8 and 52.5 respectively, while the Manufacturing PMIs are forecasted at 48.0 and 45.4 respectively. Services and Manufacturing PMI (USD, GMT 13:45) – Preliminary Manufacturing and Services PMIs are expected to decline in July, to 50.4 from 50.6 and 51.0 from 51.5 respectively. Thursday – 25 July 2019 German IFO (EUR, GMT 08:00) – German IFO business confidence is expected to slip to 96.7, after it held steady the past 2 months around the 97 barrier. Event of the week – Interest rate Decision and Conference (EUR, GMT 11:45) –The ECB is meeting on July 25, – shortly after the confirmation of the new PM in London and ahead of the Fed, which is widely expected to cut rates again at the end of the month. On balance, markets see more merit in keeping official rates unchanged next week, while moving to an official easing bias and promising that rates will be at “current or lower” levels well into next year. ECB Monetary Policy Statement (EUR, GMT 12:30) -The July meeting will clearly be a “live” one with doves and hawks battling it out over when to deliver the now widely expected easing measures. It is expected that the majority will see more merit in keeping policy settings unchanged, but change the guidance to introduce a clear easing bias. Durable Goods (USD, GMT 12:30) – Durable goods orders are expected to rise 1.0% in June, after a -1.3% figure in May. Transportation orders should rise 2.7%. Boeing orders rose to only 9 from just zero in May, with weakness due to the hit from problems with the Boeing 737 Max that prompted buyers to delay new purchase commitments. Vehicle assemblies should ease to 11.1 mln from an 11.3 mln pace in May. Durable shipments are expected to rise 0.5%, and inventories should rise 0.6%. The I/S ratio is expected to hold steady at 1.67 since April. Friday – 26 July 2019 Gross Domestic Product (USD, GMT 12:30) – Gross Domestic Product is expected to grow 1.8% in Q2, with a sturdy 2.4% growth rate for final sales thanks to solid growth rates of 3.9% for personal consumption and 4.3% for government purchases, alongside a big $27 bln unwind of the Q1 inventory pop. Always trade with strict risk management. Your capital is the single most important aspect of your trading business. Please note that times displayed based on local time zone and are from time of writing this report. Want to learn to trade and analyse the markets? Join our webinars and get analysis and trading ideas combined with better understanding on how markets work. Andria Pichidi Market Analyst HotForex Disclaimer: This material is provided as a general marketing communication for information purposes only and does not constitute an independent investment research. Nothing in this communication contains, or should be considered as containing, an investment advice or an investment recommendation or a solicitation for the purpose of buying or selling of any financial instrument. All information provided is gathered from reputable sources and any information containing an indication of past performance is not a guarantee or reliable indicator of future performance. Users acknowledge that any investment in FX and CFDs products is characterized by a certain degree of uncertainty and that any investment of this nature involves a high level of risk for which the users are solely responsible and liable. We assume no liability for any loss arising from any investment made based on the information provided in this communication. This communication must not be reproduced or further distributed without our prior written permission.
  6. ইউরো/ইয়েন পেয়ারটি ১২১.০০ প্রাইসে রিবাউন্ড করার চেষ্টা করছে। অপরদিকে ইয়েনের প্রাইস কমতে শুরু করেছে। পেয়ারটি বর্তমানে ১২০.৮০/৭৫ সাপোর্ট লেভেলের দিকে যাচ্ছে। এটা ২০১৮ সালের জুন/জুলাই মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস। পেয়ারটির সেলিং প্রেসার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে পেয়ারটির সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছিল ১১৯.০০। ৫৫ দিনের এসএমএ অনুযায়ী পেয়ারটি ১২২.১৩ প্রাইসের নিচে আসতে পারে। সুতরাং পেয়ারটির ক্ষেত্রে সেল পজিশন নেওয়া ভাল হবে। ইউরো/ইয়েনের প্রতিদিনের চার্ট
  7. Daily Forex News By XtreamForex

    Technical Overview of EUR/USD, AUD/NZD and EUR/JPY Currency Pair EUR USD EUR traded higher against USD and closed at 1.1220. Below 200 and 50 EMA with the trend towards the down side. Making a series of Lower Highs and Lower Lows. Stalling in the Weekly Inside bar Pattern. Break on either side may lead the trend. The most important factor is the Fed rate cut. According to the Analysis, pair is expected to find support at 1.1214 and a fall through could take it to the next support level of 1.1207. The pair is expected to find its first resistance at 1.1226, and a rise through could take it to the next resistance level of 1.1231. AUD NZD AUD traded lower against NZD and closed at 1.0401. Below 200 and 50 EMA with the trend towards the down side. Making a series of Lower Highs and Lower Lows. Broke the Weekly inside Bar Pattern to the down side. Broke the low of Monthly candle, Any Selling opportunity may be good option. According to the Analysis, pair is expected to find support at 1.0383 and a fall through could take it to the next support level of 1.0376. The pair is expected to find its first resistance at 1.0396, and a rise through could take it to the next resistance level of 1.0402. EUR JPY EUR traded lower against JPY and closed at 120.77. Bears in control as they broke the Weekly In sidebar and are to target the bearish ABCD Pattern, heading towards minimum 127 extension. ECB steers the market towards more easing later in the year. Quantitative Easing and Further rate cut by 10 Basis Points will weaken the EURO. This rate cut may occur in September. Until then EURO may remain sideways. According to the Analysis, pair is expected to find support at 120.94 and a fall through could take it to the next support level of 120.86. The pair is expected to find its first resistance at 121.10, and a rise through could take it to the next resistance level of 121.20. For Detailed analysis visit XtreamForex YouTube Channel.
  8. ডাচ ভোক্তাদের আস্থা জুলাই মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে ডাচ ভোক্তাদের আস্থা জুলাই মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে পরিসংখ্যান কেন্দ্রীয় ব্যুরো থেকে সোমবার এই তথ্য দেখিয়েছে। জুনে শূন্য থেকে জুলাইয়ে ভোক্তাদের আস্থা সূচক ২ বেড়েছে। গত বিশ বছরে ভোক্তাদের আস্থা সূচক -৪ পয়েন্টের উপরে রয়েছে । পূর্ববর্তী মাসে জুলাইয়ে অর্থনৈতিক জলবায়ু সূচক ২ থেকে ৬ তে উন্নীত হয়েছিল এবং ক্রয়ের আগ্রহ সুচক -১ থেকে বেড়ে -২ হয়েছে। গত ১২ মাসে অর্থনীতি সম্পর্কে পরিবারগুলি বেশি ইতিবাচক ছিল এবং পরবর্তী ১২ মাসে সামান্য উন্নতি হয়েছে। এপ্রিল মাসে ১.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার পর মে মাসে ভোক্তাদের ব্যয় ২.৪ শতাংশ বেড়েছে। আরো ফরেক্স সংবাদঃ
  9. ডাচ ভোক্তাদের আস্থা জুলাই মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে ডাচ ভোক্তাদের আস্থা জুলাই মাসে বৃদ্ধি পেয়েছে পরিসংখ্যান কেন্দ্রীয় ব্যুরো থেকে সোমবার এই তথ্য দেখিয়েছে। জুনে শূন্য থেকে জুলাইয়ে ভোক্তাদের আস্থা সূচক ২ বেড়েছে। গত বিশ বছরে ভোক্তাদের আস্থা সূচক -৪ পয়েন্টের উপরে রয়েছে । পূর্ববর্তী মাসে জুলাইয়ে অর্থনৈতিক জলবায়ু সূচক ২ থেকে ৬ তে উন্নীত হয়েছিল এবং ক্রয়ের আগ্রহ সুচক -১ থেকে বেড়ে -২ হয়েছে। গত ১২ মাসে অর্থনীতি সম্পর্কে পরিবারগুলি বেশি ইতিবাচক ছিল এবং পরবর্তী ১২ মাসে সামান্য উন্নতি হয়েছে। এপ্রিল মাসে ১.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার পর মে মাসে ভোক্তাদের ব্যয় ২.৪ শতাংশ বেড়েছে। আরো ফরেক্স সংবাদঃ
  10. সাম্প্রতিক ডাউনট্রেন্ড এর পর ডলার রিবাউন্ড করছে! গত শুক্রবারের আগের দুই সেশনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডলার দরপতনের পর এই সপ্তাতের শুরুতে এটা লোকসান কাটিয়ে অন্যান্য মুল কারেন্সীগুলোর বিপরীতে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভের প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস বলেছেন, আগামী ফেডারেশন অর্থবছরের নীতিমালার মধ্যে হার কমবে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। যদিও বৃহস্পতিবার থেকে ডলারের হার হ্রাস পেয়েছে। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাওয়ায় ব্যাংককে দ্রুত ও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে। আরো ফরেক্স নিউজ দেখুন: https://goo.gl/FmCiZG
  11. EUR/USD পেয়ারের এই সপ্তাহের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস- ২২শে জুলাই-২০১৯ বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞ Arief Makmur (ইন্সটা ফরেক্স টিম) আজকের EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল লেভেলঃ ব্রেকআউন্ট বাই লেভেলঃ 1.1271. স্ট্রং রেসিস্ট্যান্সঃ 1.1265. অরিজিনাল রেসিস্ট্যান্সঃ 1.1254. ইনার সেল এরিয়াঃ 1.1243. টার্গেট ইনার এরিয়াঃ 1.1217. ইনার বাই এরিয়াঃ1.1191. ওরিজিনাল সাপোর্ট: 1.1180. স্ট্রং সাপোর্ট: 1.1169. ব্রেকআউট সেল লেভেল:1.1163. মন্তব্য: আজ ইউরোপিয়ান ও আমেরিকান মার্কেটে ট্রেডিং শুরু হলে কোন ইকোনমিক ডাটা রিলিজ করবে না। ফলে ফান্ডামেন্টাল বিশ্লেষন থেকে আশা করা যায় মার্কেটে EUR/USD পেয়ারটিতে নিন্ম থেকে মধ্যম মাত্রার ভোলাটিলিটি থাকতে পারে। আরো ফরেক্স বিশ্লেষন দেখুন: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/148080 *মার্কেট বিশ্লেষণ ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করবে, কিন্তু আপনাকে ট্রেডিং সম্পর্কিত নির্দেশ প্রদান করবে না।
  12. EUR/USD পেয়ারের এই সপ্তাহের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস- ২২শে জুলাই-২০১৯ বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞ Arief Makmur (ইন্সটা ফরেক্স টিম) আজকের EUR/USD পেয়ারের টেকনিক্যাল লেভেলঃ ব্রেকআউন্ট বাই লেভেলঃ 1.1271. স্ট্রং রেসিস্ট্যান্সঃ 1.1265. অরিজিনাল রেসিস্ট্যান্সঃ 1.1254. ইনার সেল এরিয়াঃ 1.1243. টার্গেট ইনার এরিয়াঃ 1.1217. ইনার বাই এরিয়াঃ1.1191. ওরিজিনাল সাপোর্ট: 1.1180. স্ট্রং সাপোর্ট: 1.1169. ব্রেকআউট সেল লেভেল:1.1163. মন্তব্য: আজ ইউরোপিয়ান ও আমেরিকান মার্কেটে ট্রেডিং শুরু হলে কোন ইকোনমিক ডাটা রিলিজ করবে না। ফলে ফান্ডামেন্টাল বিশ্লেষন থেকে আশা করা যায় মার্কেটে EUR/USD পেয়ারটিতে নিন্ম থেকে মধ্যম মাত্রার ভোলাটিলিটি থাকতে পারে। আরো ফরেক্স বিশ্লেষন দেখুন: https://www.instaforex.com/bd/forex_analysis/148080 *মার্কেট বিশ্লেষণ ট্রেডিং সম্পর্কে আপনার সচেতনতা বৃদ্ধি করবে, কিন্তু আপনাকে ট্রেডিং সম্পর্কিত নির্দেশ প্রদান করবে না।
  13. আজকের ট্রেডিং সেশনে ইউরো/ডলারের প্রাইস কমছিল। তবে বর্তমানে পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে এবং পেয়ারটি ১.১২৮০/৯০ প্রাইসে যেতে পারে। পেয়ারটির প্রাইস এ সপ্তাহে কমতে পারে । তবে পেয়ারটির প্রাইস বাড়লে ২১ দিনের এসএমএ অনুযায়ী পেয়ারটি গত সপ্তাহের সর্বোচ্চ প্রাইসে আসতে পারে। তবে পেয়ারটির বর্তমান অবস্থান থেকে প্রাইস বাড়তে শুরু করলে ২০০ দিনের এসএমএ অনুযায়ী পেয়ারটি ১.১৩১৫ প্রাইসে যেতে পারে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের চার্ট:
  14. গত সপ্তাহে ডলার/ইয়েন পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বেড়েছিল। এ সপ্তাহে জাপানের মুদ্রাস্ফীতি রিপোর্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের টেকসই পণ্য ( Durable goods ) ও ২য় প্রান্তীকের জিডিপি রিপোর্ট রয়েছে। নিচে ডলার/ইয়েন পেয়ারটির ফান্ডামেন্টাল এবং টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। ডলার/ইয়েনের ফান্ডামেন্টাল আলোচনা জাপানের মুদ্রাস্ফীতি কিছুটা নমনীয় অবস্থানে রয়েছে। ব্যাংক অব জাপান ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ২.০% নির্ধারণ করেছেন। জুন মাসে জাপানে কোর সিপিআই ০.৬% এসেছে। এটা ২০১৭ সালের জুলাই মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস । মুদ্রাস্ফীতি কম আসার কারণে ব্যাংক অব জাপানের ইন্টারেস্ট রেট সেট করা কিছুটা কষ্টদায়ক হবে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিতে কিছুটা ধীরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জুন মাসে রিটেইলস সেলস কিছুটা কমে ০.৫% থেকে ০.৪% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.১% এর উপরে এসেছে। জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং সেক্টর ৪.৩ তে পৌঁছেছে। গত মাসে এটা আরও ভাল অবস্থানে ছিল। ফেডের হিসেব অনুযায়ী মেনুফেকচারিং সেক্টর থেকে ২১.৮ এসেছে, এটা গত নয় মাসের সর্বোচ্চ লেভেল ছিল। ডলার/ইয়েনের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস মে মাসের প্রথমার্ধে ১১১.৬৯ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১১১.১৫। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১১০.৪০। (গত সপ্তাহের সাথে সম্পর্কিত ) মে মাসের শেষের দিকে ১০৯.৭৩ আরেকটি রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১০৯.৩৫। জুনের মাঝামাঝিতে পেয়ারটি ১০৮৭.৭০ রেজিস্ট্যান্স লেভেলে টেস্টিং করেছিল। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১০৯.৭৩। এটা মে মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। সপ্তাহের শেষের দিকে পেয়ারটিকে ১০৭.৫০ লেভেলে দেখা গিয়েছিল। পেয়ারটির জন্য বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১০৬.৬১। জানুয়ারির শুরুর দিকে ১০৫.৫৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১০৪.৬৫। ডলার/ইয়েনের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: শেষ কথা আমরা ধারণা করছি মার্কিন ডলার/ইয়েন পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকবে। জুলাই মাসে ফেড ইন্টারেস্ট রেট কিছুটা কমাতে পারে। তবে এটা পাউন্ডের প্রাইস তেমনভাবে কমাতে পারবেন না, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের মার্কেট সেক্টর বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ইয়েনকে নিরাপদ কারেন্সি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সুতরাং আমাদের মনে হচ্ছে, এ সপ্তাহে পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকবে।
  15. ইউরো/ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহে কিছুটা কমেছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটির জন্য যে ইভেন্টগুলো কাজ করবে তার মধ্যে ইউরোজোনের পিএমআই রিপোর্ট এবং ইসিবির রেট সিদ্ধান্ত। সুতরাং বিনিয়োগকারীরা ইভেন্টগুলোর প্রতি বেশ ভালভাবে নজর রাখবেন। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। জার্মান ZEW এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জার্মানের ইকোনমি গত কয়েক মাসের মধ্যে বর্তমানে কিছুটা খারাপ অবস্থানে রয়েছে। জুন মাসের রিপোর্টে মাত্র ২৪.৫ পয়েন্ট এসেছে। এটা জার্মানের তুলনায় বেশ খারাপ রিপোর্ট। জার্মানের সাথে সাথে ইউরোজোনের ইকোনমিও তেমন ভাল অবস্থানে নেই। ইউরোজোন ZEW এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউরোজোনের ইকোনমিক সেন্টিমেন্ট ২০.৩ এসেছে। ইউরোজোনের সিপিআই গত মাসে ১.২% ছিল। তবে বর্তমান সিপিআই ১.৩% এসেছে। তবে কোর সিপিআই কিছুটা ভাল এসেছে, গত মাসে কোর সিপিআই ০.৮% এসেছিল। বর্তমানে কোর সিপিআই ১.১% এসেছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিতে কিছুটা ধীরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জুন মাসে রিটেইলস সেলস কিছুটা কমে ০.৫% থেকে ০.৪% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.১% এর উপরে এসেছে। জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং সেক্টর ৪.৩ তে পৌঁছেছে। গত মাসে এটা আরও ভাল অবস্থানে ছিল। ফেডের হিসেব অনুযায়ী মেনুফেকচারিং সেক্টর থেকে ২১.৮ এসেছে, এটা গত নয় মাসের সর্বোচ্চ লেভেল ছিল। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.PMIs বৃহস্পতিবার, ফ্রান্স দুপুর ০১:১৫, জার্মান ০১:৩০ এবং ইউরোজোন ০২:০০। ফ্রান্স সার্ভিস পিএমআই ক্রমাগত ভাল করছে, জুন মাসের রিপোর্টে সার্ভিস পিএমআই ৫৩.১ পয়েন্ট এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ৫২.৭ এর উপরে এসেছে। ফ্রান্স মেনুফেকচারিং পিএমআই জুন মাসে ৫২.০ এসেছে। তবে এটা গত বারের তুলনায় কিছুটা খারাপ অবস্থানে রয়েছে। জার্মান সার্ভিস পিএমআই ৫৫.৬ পয়েন্ট এসেছে। এটাও প্রত্যাশিত লেভেল ৫৫.৩ পয়েন্টের উপরে এসেছে। জুন মাসের রিপোর্টে ৫৫.৩ পয়েন্ট আশা করা হচ্ছে। তবে জার্মানের মেনুফেকচারিং সেক্টর ক্রমাগত খারাপ অবস্থানে রয়েছে। মে মাসের রিপোর্টে ৪৫.৪ পয়েন্ট এসেছিল। এটা প্রত্যাশিত পয়েন্ট ৪৪.৬ অতিক্রম করেছিল। জুন মাসের রিপোর্টে ৪৫.১ পয়েন্ট আশা করা হচ্ছে। গত বারের রিপোর্টে ইউরোজোনের মেনুফেকচারিং পিএমআই ৪৭.৮ পয়েন্ট এসেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জুন মাসের এ সেক্টর থেকে ৪৭.৬ পয়েন্ট আসতে পারে। মে মাসে সার্ভিস পিএমআই ৫৩.৪ পয়েন্ট এসেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জুন মাসে ইউরোজোনের সার্ভিস পিএমআই ৫৩.৩ পয়েন্ট আসতে পারে। ২.Monetary Data বুধবার, দুপুর ০২:০০। এ বার মানি সরবরাহের ডাটা বেশ ভাল অবস্থানে রয়েছে। এটা গত তিন বারের মত ভাল অবস্থানে রয়েছে। মে মাসে এ সেক্টরে শতকরা ৪.৫% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ৪.৬% এর উপরে এসেছে। তবে জুন মাসে মে মাসের তুলনায় কিছুটা খারাপ আসতে পারে, এটা আনুমানিক ৪.৬% আসতে পারে। মে মাসে প্রাইভেট লোন ৩.৩% বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে ঐ মাসে ধারণা করা হয়েছিল ৩.৫%। জুন মাসে প্রাইভেট লোন ৩.২% আসতে পারে। ৩.Spanish Unemployment Rate বৃহস্পতিবার, দুপুর ০১:০০। ইউরোজোনের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ স্পেনে ২০১৮ সালের চতুর্থ প্রান্তীকে বেকারত্বের হার শতকরা ১৪.৭% বেড়েছিল। ২০১৯ সালের ১ম প্রান্তীকেও একই ধরণের ফলাফল আশা করা হচ্ছে। এটা আনুমানিক ১৩.৭% হতে পারে। ৪.German ifo Business Climate বৃহস্পতিবার, দুপুর ০২:০০। এ সেক্টরটি গত তিনবার ধরে খারাপ অবস্থানে রয়েছে। জুন মাসে এ সেক্টর ৯৭.৪ রয়েছে। জুলাই মাসেও একই ধরণের রিপোর্ট প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এটা আনুমানিক ৯৭.১ পয়েন্ট আসতে পারে। ৫.ECB Rate Decision বৃহস্পতিবার, বিকাল ০৫:৪৫। ইসিবি ইন্টারেস্ট রেট নির্ধারণ করবেন। আমরা আশা করছি, এটা ০.০০% হতে পারে। অর্থাৎ আগের রেট অনুযায়ী হতে পারে। সুতরাং বিনিয়োগকারীদের সকলের চোখ থাকবে মারিও দ্রাঘির কনফারেন্সের দিকে। ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস: অক্টোবেরের শুরুর দিকে ১.১৬২০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.১৫৭০। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৫১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে ১.১৪৩৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৩৯০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ১.১২৭০ একটি ডাবল বটোম লেভেল ছিল। ঐ সপ্তাহে ১.১২১৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস ছিল। এটা গত সপ্তাহের সাপোর্ট লেভেল ছিল। ২০১৭ সালের মে মাসে ১.১০২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল এবং পরবর্তী লেভেল ছিল ১.০৯৫০। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.০৮২৯। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি ইউরো/ডলার পেয়ারটি প্রাইস আরও কমতে পারে। এ সপ্তাহে ইসিবি মিটিং ইউরোর উপর বেশ গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। তবে এ মিটিং থেকে মারিও দ্রাঘির Dovish কোন মন্তব্য আসলে ইউরোর প্রাইস আরও কমতে পারে। সুতরাং আমরা ধারণা করছি, ইউরো/ডলারের প্রাইস এ সপ্তাহে আরও কমতে পারে।
  16. Yesterday
  17. এই ফোরামটি অনেকদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছে এবং আমি এর নতুন সদস্য। গুগল সার্চ করতে করতে একটি ওয়েবসাইট এর সম্বন্ধে জানতে পারি যারা ফরেক্স সম্পর্কিত তথ্যাদি প্রকাশ করার মাধমে সবাইকে $10 পর্যন্ত ফান্ড উত্তলন করার সুবিধা দিচ্ছে। আপনাদের কাছে জিজ্ঞাসা, কেউ কি এই ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানেন? আসলেই কি তারা ফান্ড উত্তলন করতে দেয়? অনুগ্রহ করে জানাবেন। সাইটের লিংক - https://member.fxbangladesh.com/?ref=milon । আমার এই লিংক থেকে এই কমিউনিটি পোর্টালে জয়েন করলে আমি ০.১০ সেন্ট পাবো। আশা করি আপনাদের কাজে আস্তে পারে। ধন্যবাদ।
  18. গত সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা বেড়েছিল। তবে পেয়ারটির ক্ষেত্রে সপ্তাহের শেষের দিকে বেশি ভোলাটিলিটি দেখা গিয়েছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটির জন্য একটি মাত্র ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। এ বছর দ্বিতীয় প্রান্তীকে চীনে ইকোনমিক প্রবৃদ্ধি বাৎসরিক ৬.২% বেড়েছে, এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। তবে গত দুই বারের রিপোর্ট এর থেকেও ভাল এসেছিল। গত দুইবারের রিপোর্টে ৬.৪% এর কাছাকাছি এসেছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্য যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ চীনের উপর প্রভাব ফেলছে। যার ফলে চনী প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৭% যেতে পারেনি। অথচ গত বছরের প্রবৃদ্ধি ছিল ৭%। গত তিনবার অস্টেলিয়ার জব সেকশন ভাল অবস্থানে থাকার পর, এবার কিছুটা খারাপ এসেছে। গত মাসে ০.৫ হাজার জব তৈরি হয়েছে। অস্টেলিয়ায় বেকারত্বের হার ৫.২% তে রয়েছে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিতে কিছুটা ধীরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জুন মাসে রিটেইলস সেলস কিছুটা কমে ০.৫% থেকে ০.৪% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.১% এর উপরে এসেছে। জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং সেক্টর ৪.৩ তে পৌঁছেছে। গত মাসে এটা আরও ভাল অবস্থানে ছিল। ফেড হিসেব অনুযায়ী মেনুফেকচারিং সেক্টর থেকে ২১.৮ এসেছে, এটা গত নয় মাসের সর্বোচ্চ লেভেল ছিল। অস্টেলিয়ান ডলার/ মার্কিন ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.CB Leading Index মঙ্গলবার, রাত ০৮:৩০। এপ্রিল মাসে এ সেক্টর শতকরা ০.১% বৃদ্ধি পেয়েছিল। এখন আমরা জুন মাসের রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: আমরা ডিসেম্বরের ০.৭৩৪০ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ০.৭৩১৫ সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরের মাঝামাঝিতে ০.৭২৪০ একটি আলাদা রেঞ্জ ছিল। এপ্রিলের শুরুর দিকে ০.৭১১৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। (গত সপ্তাহে উল্লেখিত ) সেপ্টেম্বরের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৭০৮৫। গত সপ্তাহে ০.৭০২২ একটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল ছিল। এপ্রিল মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৬৯৮৮। জুনের শেষের দিকে ০.৬৯৪০ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল হিসেবে কাজ করেছিল। মে মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৬৮৬৪। জানুয়ারি মাসের সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ০.৬৭৪৪। ২০০০ সালের জানুয়ারিতে ০.৬৬৮৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি অস্টেলিয়ান ডলার/মার্কিন ডলার পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে। গত দুইবার রিজার্ভ ব্যাংক অব অস্টেলিয়া ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছে। যার ফলে অস্টেলিয়ান ডলারের থেকে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা কমেছে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে বানিজ্য যুদ্ধ চলার কারণে চীনের ইকোনমিতে কিছুটা মন্দাভাব বিরাজ করছে। অস্টেলিয়া যেহেতু চীনের সবথেকে বড় বানিজ্য পার্টনার তাই চীনের মন্দাভাব কিছুটা অস্টেলিয়ার ইকোনমিতে পরছে। সুতরাং আমরা ধারণা করছি এ সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস কমতে পারে।
  19. গত সপ্তাহে ইউরো/ডলারের প্রাইস কিছুটা কমেছিল। আবার কিছুটা বেড়েছিল। সুতরাং গত সপ্তাহে পেয়ারটির প্রাইস বেড়েছিল নাকি কমেছিল এ সম্পর্কে জানতে হলে গত সপ্তাহের ট্রেডিংয়ের গড় জানতে হবে। তাই প্রথমেই আমরা গত সপ্তাহে পেয়ারটি কি পরিমান মুভমেন্ট করেছিল তা জানবো। গত সপ্তাহের প্রথমদিন অর্থাৎ সোমবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২৬৮ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২৫৭ প্রাইসে। সুতরাং সোমবার পেয়ারটি ১১ পিপসের মত কমেছিল। মঙ্গলবারের ট্রেডিং সেশনের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, মঙ্গলবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২৬৩ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২০৮ প্রাইসে। সুতরাং মঙ্গলবার পেয়ারটি ৫৫ পিপসেরম মতো কমেছে। বুধবারের ট্রেডিং সেশনের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, বুধবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২০৮ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২২৩ প্রাইসে। সুতরাং বুধবার গত কয়েক দিনের ট্রেডিং সেশন থেকে কিছুটা ভিন্ন ছিল। ঐ দিন পেয়ারটি ১৫ পিপসের মত বেড়েছে। বৃহস্পতিবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২২৩ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২৭৪ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির প্রাইস ৫১ পিপসের মত বেড়েছে। গত সপ্তাহের শেষের দিন অর্থাৎ শুক্রবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১২৭৫ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২১৮ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটি ৫৮ পিপসের মত কমেছে। গত সপ্তাহের ট্রেডিং সেশন পর্যালোচনা করলে দেখা যাচ্ছে, গত সপ্তাহে পেয়ারটি মোট ৬৬ পিপসের মত বেড়েছিল এবং ২৪৮ পিপসের মত কমেছিল । সুতরাং গত সপ্তাহে পেয়ারটি ১৮২ পিপসের মত কমেছে। গত সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার পেয়ারটি সবথেকে বেশি ৫৮ পিপসের মত কমেছে। বুধবার সব থেকে বেশি অর্থাৎ ৫১ পিপসের মত বড়েছে। সুতরাং গত সপ্তাহে পেয়ারটি বিয়ারিশ অবস্থানে ছিল। তবে আগামী সপ্তাহে পেয়ারটি বিয়ারিশ অবস্থানে থাকবে নাকি বুলিশ অবস্থানে থাকবে। এ ব্যাপারে পরবর্তীতে একটি আর্টিকেল প্রকাশ করা হবে । আর্টিকেলে পেয়ারটি সম্পর্কে সম্ভাব্য কিছু দিক দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে পেয়ারটি বুলিশ অবস্থানে থাকবে নাকি বিয়ারিশ অবস্থানে থাকবে। সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবো।
  20. গত কয়েকদিন যদিও স্বর্ণের দাম কমছিল। তবে বর্তমানে স্বর্ণের প্রাইস বাড়তে পারে। ফান্ডামেন্টাল দিকগুলো বেশ ভাল মনে হচ্ছে। তাই আমরা ধারণা করছি এ সপ্তাহে স্বর্ণের প্রাইস বাড়তে পারে। ফেডের ভাইস চেয়ারম্যান জন উইলিয়াম যদিও ইকোনমি নিয়ে Dovish মন্তব্য করেছেন। তবে এটা স্বর্ণের প্রাইস কমাতে তেমন গুরুত্ব বহন করবে না বলে মনে হচ্ছে। তবে পরবর্তীতে জুলাই মাসে FOMC মিটিং অনুযায়ী, স্বর্ণের প্রাইস কমতে বা বাড়তে পারে। তাই আমরা ধারণা করছি শর্ট-টার্মে স্বর্ণের প্রাইস বাড়তে পারে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের বানিজ্য উত্তেজনা অমীমাংসীতভাবে ক্রমাগত চলছে। এ উত্তেজনা ক্রমাগত অন্যান্য দেশগুলোতেও ছাড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের উত্তেজনাপূর্ণ ইভেন্টগুলো বিশ্বের অন্যান্য দেশের উপর প্রভাব ফেলছে। সুতরাং স্বর্ণের প্রাইস অল্প সময়ের জন্য কিছুটা বাড়তে পারে।
  21. গত সপ্তাহে মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলার পেয়ারটি অল্প কিছু মুভমেন্ট করেছিল। জুলাই মাসে পেয়ারটি প্রায় শান্ত অবস্থানেই ছিল। এ সপ্তাহে কানাডিয়ান ডলারকে প্রভাবিত করার মত একটি ইভেন্ট রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইভেন্টগুলো দ্বারা পেয়ারটি প্রভাবিত হতে পারে। নিচে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। মে মাসে কানাডিয়ান মুদ্রাস্ফীতি শতকরা ০.২ কমেছে। এটা গত ছয় মাসে প্রথমবারের মত খারাপ এসেছে। এর ফলে ব্যাংক অব কানাডা আগামী কয়েক মাস ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানোর চিন্তা থেকে অব্যাহতি থাকতে পারে। গতবারের রিপোর্টে কোর সিপিআই শতকরা ০.৪% এসেছিল। তবে এবার কোর সিপিআই বাড়েনি এবং কমেনি সমান অবস্থানে রয়েছে। মে মাসে মেনুফেকচারিং সেলস মোটামুটি ভাল অবস্থানে রয়েছে। এ মাসে মেনুফেকচারিং সেলস ১.৬% বেড়েছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। জুন মাসে কানাডায় ৩০ হাজার ৪০০ নতুন জব তৈরি হয়েছে। এ সপ্তাহে কানাডার কনজিউমার ডাটা খারাপ অবস্থানে রয়েছে। এটা কানাডিয়ান ডলারের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। কোর রিটেইল সেলস শতকরা ০.৩% কমেছে। এটাও ধারণাকৃত লেভেল অনুযায়ী এসেছে। রিটেইল সেলস ০.১% কমেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.৩% অনুযায়ী আসেনি। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিতে কিছুটা ধীরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জুন মাসে রিটেইলস সেলস কিছুটা কমে ০.৫% থেকে ০.৪% এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ০.১% এর উপরে এসেছে। জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মেনুফেকচারিং সেক্টর ৪.৩ তে পৌঁছেছে। গত মাসে এটা আরও ভাল অবস্থানে ছিল। ফেড হিসেব অনুযায়ী মেনুফেকচারিং সেক্টর থেকে ২১.৮ এসেছে, এটা গত নয় মাসের সর্বোচ্চ লেভেল ছিল। মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো ১.Wholesale Sales সোমবার, সন্ধ্যা ০৬:৩০। এপ্রিল মাসে কানাডায় পাইকারি সেলস শতকরা ১.৭% বেড়েছে। এটা ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসের শক্তিশালী লেভেলকে নির্দেশ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মে মাসের রিপোর্টে ০.৮% আসতে পারে। মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো নিচ থেকে উপরে দেওয়া হলো: আমরা ১.৩৪৪৫ রেজিস্ট্যান্স লেভেল থেকে শুরু করছি। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল ১.৩৩৮৫। জুনের মাঝামাঝিতে ১.৩৩৫০ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.৩২৬৫। নভেম্বরের শেষের দিকে ১.৩১৭৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। নভেম্বরের শুরুর দিকে ১.৩১২৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। গত সপ্তাহে ১.৩০৪৮ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.২৯১৬। অক্টোবরের শুরুর দিকে ১.২৮৩১ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল এবং পরবর্তী লেভেল ছিল ১.২৭২৯। বর্তমান এবং সর্বশেষ সাপোর্ট লেভেল ১.২৬৫৪। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে। জুলাই মাসে বলতে গেলে পেয়ারটি বেশ অলস অবস্থাতে ছিল। এ সপ্তাহে পেয়ারটির জন্য তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নেই। যার ফলে পেয়ারটির ক্ষেত্রে একই অবস্থা পরিলক্ষিত হতে পারে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি বেশ ভাল করছে,যার ফলে ডলারের প্রাইস বাড়ছে। আমরা এ সপ্তাহে পেয়ারটির ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ধারণা পোষন করছি।
  22. Last week
  23. যাদের আমার ফেসবুক গ্রুপ,টেলিগ্রাম চ্যানেল অথবা ফরেক্স ফ্যাক্টরি এনালিসিস, পোস্ট,হারমোনিক প্যাটার্ন বুঝতে অসুবিধা হয় তারা ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখবেন এবং ভাল লাগলে শেয়ার করবেন।
  24. *** D1 Candle Date: 22/07/2019 (1) Eur/Gbp Buy Stop Order Price : 0.89990 Stop Loss Price : 0.89550 Take Profit Price : Minimum 0.90430 Equity Loss Risk : Maximum 5% অবশ্যই মানতে হবে > http://forex.com.bd/topic/69130-forex-signal-ফরেক্স-সংকেত/
  25. !!! বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম !!! *** এই সিগন্যাল অনুসরন করতে চাইলে, নিম্নোক্ত নিয়মগুলি (শর্ত সমুহ) সকল সময়ে মেনে চলতে হবে : এই সিগন্যাল মূলত: আমার ব্যক্তিগত এনালাইসিসের বহি:প্রকাশ মাত্র। এই সিগন্যালে কেহ বিশ্বাস করবেন না ! কারন, এই সিগন্যালের দ্বারাও আর্থিক লস/ক্ষতি হয়। মনে রাখবেন, নিয়মিত স্টাডি ও প্র্যাকটিসের পাশাপাশি, সঠিকভাবে মানি ম্যানেজমেন্ট করতে পারাটাই হচ্ছে ফরেক্স ব্যবসার মূল ভিত্তি। - ধন্যবাদ শর্ত সমুহ :- (১) D1 Candle যদি Pending Order Price'কে D1 Candle Date এর মধ্যেই ব্রেক না করে, তাহলে Pending (Buy / Sell Stop) Order ক্যানসেল করে দিতে হবে। এবং (২) D1 Candle যদি Pending Order Price'কে ব্রেক করার পূর্বেই Stop Loss Price'কে ব্রেক করে, তাহলেও Pending (Buy / Sell Stop) Order ক্যানসেল করে দিতে হবে। - ধন্যবাদ সবাইকে
  26. Forex এখন 7days আমরা জানি ফরেক্স সপ্তাহে ৫ দিন সোম- শুক্রবার। তাই বলে অনেকে মন খারাপ করে।বলে ট্রেড যদি 7 দিনই হত।তাহলে ভালো হতো। কিন্তু আপনি কি জানেন শনি রবি দুই দিন ও ট্রেড হয়। হ্যাঁ এই দুইদিন শুধু ট্রেড করতে পারবেন BTCUSD তে।
  1. Load more activity

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×