Jump to content
  • বিডিপিপস পরিবারের অংশ হোন

    বিডিপিপসে স্বাগতম। বিডিপিপস পরিবারের অংশ হবার জন্য আপনাকে আমন্ত্রন জানাচ্ছি। বিডিপিপসের সদস্যরা ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কে আলোচনা, অ্যানালাইসিস, জিজ্ঞাসা, চ্যাট, সাহায্য এবং ইত্যাদি সুবিধা লাভ করে। বিডিপিপস পরিবারের অংশ হতে এখনই সাইন ইন বা সাইন আপ করুন।

    বিডিপিপস চ্যাট

    Load More
    চ্যাট করতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন।

Forex Bangladesh - বিডিপিপস

  1. ট্রেডিং এডুকেশন

    1. সাধারণ ট্রেডিং আলোচনা

      ফরেক্স, স্টক, কমোডিটি, ক্রিপটোকারেন্সী ট্রেডিং সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারেন এই সেকশনে।

      6,341
      posts
    2. ফরেক্স স্টাডি

      ফরেক্সে নতুন? প্রশ্ন করুন এবং উপদেশ চান। ফরেক্স এক্সপার্ট? অন্যদের সাহায্য করুন। সাথে ফরেক্স সম্বন্ধে উপকারি নিবন্ধ, ই-বুক এবং অন্যান্য

      3,558
      posts
    3. প্রশ্ন এবং উত্তর

      ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে পারেন এই সেকশনে। অন্য সদস্য এবং মডারেটররা উত্তর দেবেন। সেরা উত্তর নির্বাচনের ব্যবস্থা রয়েছে

      2,351
      posts
  2. ফরেক্স ট্রেডিং আলোচনা

    1. ফরেক্স নিউজ

      প্রতিদিনের ফরেক্স নিউজ এবং আপডেট। ফরেক্সের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী সম্পর্কে আলোচনা।

      1,608
      posts
    2. ট্রেডিং আইডিয়া

      ফরেক্স কারেন্সি পেয়ার সম্পর্কে আলোচনা, ফরেক্স সিগন্যাল এবং আপনার ট্রেড সম্পর্কে আলোচনা করুন এই সেকশনে

      2,754
      posts
    3. ট্রেডিং স্ট্রাটেজি

      আপনার নিজস্ব ট্রেডিং স্ট্রাটেজি শেয়ার করুন। অন্যরা কিভাবে ট্রেড করে দেখুন। ফরেক্স ট্রেডারদের সাথে আলোচনা এবং শেয়ার করুন আপনার অভিজ্ঞতা

      3,187
      posts
  3. ট্রেডিং সফটওয়্যার

    1. ফরেক্স ইন্ডিকেটর

      আলোচনা এবং শেয়ার করুন আপনার প্রিয় ইন্ডিকেটর

      1,638
      posts
    2. এক্সপার্ট এডভাইসর

      ফ্রী এক্সপার্ট এডভাইসর এবং স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং সম্বন্ধে আলোচনা

      1,096
      posts
    3. মেটাট্রেডার এবং MQL

      মেটাট্রেডার ৪ ও ৫ সফটওয়্যার ব্যবহার এবং MQL কোডিং সম্বন্ধে আলোচনা

      239
      posts
  4. ফরেক্স ব্রোকার

    1. ফরেক্স ব্রোকার

      ফরেক্স ট্রেডিং সুবিধা প্রদানকারী ব্রোকার সম্বন্ধে আলোচনা

      1,062
      posts
  5. বিডিপিপস ফোরাম সাপোর্ট

    1. ফোরাম সাপোর্ট

      এখানে আপনি ফোরামে যেকোনো সমস্যার সমাধান পেতে পারেন

      620
      posts
  6. অফ-টপিক

    1. অপ্রাসঙ্গিক

      হ-য-ব-র-ল হাবিজাবি যা খুশি লিখুন এখানে

      1,849
      posts
    2. ফরেক্স হিউমার

      ফরেক্স সম্পর্কে ফানি টপিক এবং জোকস পোস্ট করুন এই সেকশনে

      574
      posts
  • সাম্প্রতিক টপিকসমূহ

  • সাম্প্রতিক আলোচনা

    • ইউরো/ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহে মোটামুটি বেড়েছিল। গত সপ্তাহের শেষের দিকে পেয়ারটির প্রাইস সবথেকে বেশি বেড়েছিল। পেয়ারটির জন্য এ সপ্তাহের ৮টি ইভেন্ট রয়েছে। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট আউটলুক এবং ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। মে মাসে জার্মানের মেনুফেকচারিং সেক্টর ৫০ পয়েন্টের কম এসেছে। মে মাসে এ সেক্টর থেকে ৪৪.৩ পয়েন্ট এসেছে। জার্মানের মতো দেশের তুলানায় এটা কম। আইফো বিজনেস ক্লাইমেন্ট (Ifo Business Climate) থেকে ৯৭.৯ পয়েন্ট এসেছে। এটা ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের নিন্ম স্কোরকে নির্দেশ করছে। ১ম প্রান্তীকে জিডিপি শতকরা ০.৪ পার্সেন্ট বেড়েছে। এটা ২০১৮ সালের চুতুর্থ প্রান্তীকের জিডিপির সাথে তুলনা করার মতো স্কোর হয়নি। ইউরোজোনের মেনুফেকচারিং তেমন ভাল অবস্থানে নেই, এ সেক্টর থেকে ৪৭.৭ পয়েন্ট এসেছে। তবে জার্মান এবং ইউরোজোনের সার্ভিস সেক্টর মোটামুটি ভাল অবস্থানে রয়েছ। জার্মান এবং ইউরোজোনের পিএমআই ৫০ পয়েন্টের উপরে রয়েছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী হয়েছে। ফেডারেল রিজার্ভ মিটিং মিনিটে তাদের পলিসি নির্ধারণ করেছেন,পুনরায় তারা রেট সম্পর্কে সহনশীলতার কথা বলেছেন। মিটিং মিনিটে প্রত্যাশা করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমিক প্রবৃদ্ধি খুব তাড়াতাড়ি ভাল অবস্থানে ফিরে আসবে। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি কম থাকার কারণে ফেড তাদের ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তনীয় রেখেছে। এছাড়াও এক সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনের উপর নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ফেড মিনিট মিনিং থেকে ইঙ্গি দিয়েছেন পরবর্তী বছর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তনীয় অবস্থানে থাকবে। সুতরাং অ্যানালাইসিস্টরা ধারণা করছেন এ বছর ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানো হবে না। সুতরাং বিনিয়োগকারীদের মার্কিন ডলারের প্রতি গুরুত্ব কিছুটা কমতে পারে। ইউরো/ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইনগুলো দেওয়া হলো: ১.European Parliamentary Elections রবিবার। সকলের মনোযোগ থাকবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ২৮টি দেশের ভোটের দিকে, এর থেকেও বেশি মনোযোগ থাকবে যুক্তরাজ্য কিভাবে ভোটে অংশগ্রহণ করছে তার দিকে। আশা করা হচ্ছে, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইউরোর প্রাইস কমতে পারে। ২.German Gfk Consumer Climate মঙ্গলবার দুপুর ১২:০০।কনজিউমার কনফিডেন্স বেশ ধীর গতিতে চলছে,গত দুইবার ধরে এ সেক্টর থেকে ১০.৪ পয়েন্ট এসেছে। আশা করা হচ্ছে, পরবর্তী রিলিজেও এর কোনো পরির্তন হবে না। ৩.Monetary Data মঙ্গলবার, বিকাল ০৩:০০। M3 মানি সাপ্লাই মার্চ মাসে শতকরা ৪.৫ পার্সেন্ট বেড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এপ্রিল মাসে এ সেক্টর থেকে ১০.৪ পয়েন্ট আসবে। আশা করা হচ্ছে, মার্চ মাসে প্রাইভেট লোন সেক্টর শতকরা ৩.২ পার্সেন্ট থেকে ৩.৩ পার্সেন্ট আসবে। ৪.French Preliminary GDP বুধবার, ‍দুপুর ১২:৪৫। ১ম প্রান্তীকে ফ্রান্স ইকোনমি শতকরা ০.৩ পার্সেন্ট বেড়েছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল অনুযায়ী হয়েছে।   ৫.German Unemployment Change বুধবার দুপুর ০১:৫৫। জার্মান ইকোনমিতে দুর্বল অবস্থা বিরাজ করছে। এ সেক্টরটি বেশ কয়েকবার ধরে খারাপ অবস্থানে রয়েছে। মার্চ মাসে বেকার ১২ হাজার কমেছে। এপ্রিল মাসে এটা ৮ হাজার হতে পারে। ৬.Spanish Flash CPI বৃহস্পতিবার, দুপুর ১২:০০। এপ্রিল মাসে ইউরোজোনের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ স্প্যানিশে মুদ্রাস্ফীতি শতকরা ১.৫ পার্সেন্ট বেড়েছে। নভেম্বরের পর থেকে এটা সর্বোচ্চ লেভেল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মে মাসে মুদ্রাস্ফীতি শতকরা ১.২ পার্সেন্ট কমবে। ৭.German Retail Sales শুক্রবার, দুপুর ১২:০০। মার্চ মাসে রিটেইলস সেলস শতকরা ০.২ পার্সেন্ট কমেছে। তবে ধারণা করা হয়েছিল ০.৫% কমবে। সুতরাং এটা প্রত্যাশার তুলনায় ভাল এসেছে। এপ্রিল মাসে এটা রিবাউন্ড করতে পারে এবং আনুমানিক এটা ০.৪% হতে পারে।    ৮.German Preliminary CPI মার্চ মাসে কনজিউমার মুদ্রাস্ফীতি শতকরা ১.০ পার্সেন্ট বেড়েছে। ২০১০ সালের নভেম্বরের পর থেকে এটা সর্বোচ্চ। আশা করা হচ্ছে, এপ্রিল মাসের রিলিজে ০.৪% আসতে পারে। ইউরো/ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস টেকনিক্যাল লাইনগুলো উপর থেকে নিচে দেওয়া হলো: অক্টোবরের মাঝামাঝিতে ১.১৫০৭ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৫১৫ সর্বোচ্চ পয়েন্ট ছিল। ফেব্রুয়ারীর শুরুর দিকে ১.১৪৩৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। জানুয়ারির শেষের দিকে ১.১৩৯০ একটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল ছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.১৩৪৫। পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল ১.১২৯০। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ১.১২৭০ একটি গুরুত্বপূর্ণ ডাবল বটোম লেভেল ছিল। ১.১২১৫ একটি দুর্বল রেজিস্ট্যান্স লেভেল ছিল। পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.১১১৯। ( গত সপ্তাহে উল্লেখিত ) ২০১৭ সালের মে মাসের পূর্বে ১.১০২৫ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল।  পরবর্তী সাপোর্ট লেভেল ছিল ১.০৯৫০। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.০৮৭০। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.০৮২০। সমাপনী মন্তব্য আমরা ধারণা করছি ইউরো/ডলার পেয়ারটি নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকতে পারে। দ্বিতীয় কোয়াটারে ইউরো কিছুটা মুভমেন্ট করেছে। তবে ইউরোজোনের ইকোনমি তেমন ভাল অবস্থানে নিই। যুক্তরাষ্ট্রের এ সপ্তাহের মূল ইভেন্ট হলো জিডিপি। এর ফলে ইউরে/ডলারের গতিবিধি যে কোন সময় পরিবর্তন হতে পারে।
    • পাউন্ড/ডলারের প্রাইস গত ১৩ দিন ধরে কমার পরে, শুক্রবার পেয়ারটির প্রাইস বেড়েছে। গত সপ্তাহে পেয়ারটির সাথে কি ঘটেছিল এর বিস্তারিত বিষয়গুলো জানতে হলে প্রথমেই আমাদের এ সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিং সেশনের দিকে তাকাতে হবে। সোমবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.২৭৩৩ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.২৭২০ প্রাইসে।সোমবার পেয়ারটি সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.২৮৫৬ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.২৭১৪। ঐ দিন পেয়ারটি ১৩ পিপসের মতো কমিছিল। মঙ্গলবারের পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.২৭২০ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.২৭০৪ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটি সর্বোচ্চ প্রাইস এসেছিল ১.২৮১৩ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.২৬৮৪। সুতরাং মঙ্গলবারের ট্রেডিং সেশনের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, দিন শেষে মঙ্গলবার পেয়াটিতে ১৬ পিপসের মতো কমেছিল। বুধবার পেয়ারটির প্রাইস আরও কমেছিল। বুধবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.২৭০২ প্রাইস্ এবং পেয়ারটি ক্লোজ হয়েছিল ১.২৬২৩ প্রাইসে। বুধবার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস এসেছিল ১.২৭১৮ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছিল ১.২৬২৩ প্রাইসে। বুধবার পেয়ারটি ৭৫ পিপসের মতো কমেছে। গত তিন দিনের ট্রেডিং সেশনের দিকে পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, বুধবার পেয়ারটির প্রাইস সর্বোচ্চ কমেছিল। এই এক দিনে গত দুইনের থেকে বেশি প্রাইস কমেছে। বৃহস্পতিবারের ট্রেডিং সেশনে দেখা যাচ্ছে, পেয়ারটির প্রাইস কমেছে, তবে এ সপ্তাহের মধ্যে সব থেকে কম কমেছে। বৃহস্পতিবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছে ১.২৬৫৯ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.২৬৫৪ প্রাইস। ঐ দিন পেয়ারটি সর্বোচ্চ ১.১৬৮৩ প্রাইসে উঠেছিল এবং সর্বনিন্ম ১.২৬০৪ প্রাইসে নেমেছিল। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার পেয়ারটি ৬ পিপসের মতো কমেছে। গত সপ্তাহের শেষেরদিন অর্থাৎ শুক্রবারে পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.২৬৫৩ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.২৭১১ প্রাইসে। শুক্রবার পেয়ারটি সর্বোচ্চ ১.২৭৩২ প্রাইসে উঠেছিল এবং সর্বনিন্ম ১.২৬৪৭ প্রাইসে নেমেছিল। শুক্রবার পেয়ারটি ৫৮ পিপসের মতো বেড়েছিল। আমরা দেখতে পারছি, পেয়ারটি এ মাসের শুরু থেকে কমছিল,তবে শুক্রবার পেয়ারটির প্রাইস বাড়তে শরু করেছে। ফান্ডামেন্টাল দিক পর্যলোচনা করে দেখা যাচ্ছে, শুক্রবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছে। যার ফলে পাউন্ডের প্রাইস শুক্রবার বেড়েছিল। আমরা ধারণা করছি যেহেতু পেয়ারটি গত সপ্তাহের শেষের দিকে বেড়েছে। তাই আশা করছি,পেয়ারটি এ সপ্তাহে বাড়তে পারে। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়ে বেশ উদ্বিগ্নতার সৃষ্টি হতে পারে। তবে পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কে হতে সেটা দেখার বিষয়।  
    • ইউরো/ডলারের প্রাইস গত সপ্তাহের প্রথমদিন এবং শেষের দিকে বেড়েছিল। মাঝখানের দুইদিন পেয়ারটির প্রাইস কিছুটা কমেছিল। গত সপ্তাহের ট্রেডিং অ্যানালাইস জানার মাধ্যমে আমরা এ সপ্তাহের ট্রেডিং সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাবো। তাহলে আমরা গত সপ্তাহের প্রথমদিনের ট্রেডিংয়ের দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পাচ্ছি। সোমবার ইউরো/ডলার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৫৯ প্রাইসে এবং পেয়ারটি ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৬৪ প্রাইসে। ঐ দিন পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস এসেছিল ১.১১৫০ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছিল ১.১১৫০। ঐ দিন পেয়ারটি ৫ পিপসের মতো বেড়েছিল। মঙ্গলবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৬৪ প্রাইস এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৫৯ প্রাইসে। মঙ্গলবার ইউরো/ডলারের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১১৬৪ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১১৪১। মঙ্গলবার পেয়ারটির প্রাইস পুনরায় ৫ পিপসের মতো কমেছে। ঐ দিন পেয়ারটি ১.১১৬৪ প্রাইসে ওপেন হয়েছিল। আর এটাই ঐ দিনের সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। বুধবার ইউরো/ডলার ওপেন হয়েছিল ১.১১৫৫ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৪৯ প্রাইসে। বুধবার পেয়ারটি সর্বোচ্চ প্রাইস এসেছিল ১.১১৮০ প্রাইসে এবং সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছিল ১.১১৪৮। ঐ দিন পেয়ারটির ৬ পিপসের মতো কমেছে। মঙ্গলবার এবং বুধবার এই দুই দিনে ইউরো/ডলার পেয়ারটির প্রাইস ১১ পিপসের মতো কমেছে। তবে বৃহস্পতিবারের ট্রেডিং সেশন আলাদা। বৃহস্পতিবার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৪৯ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১১৮০ প্রাইসে।বৃহস্পতিবার ইউরো/ডলারের সর্বোচ্চ প্রাইস এসেছিল ১.১১৮৭ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস এসেছিল ১.১১০৬। বৃহস্পতিবার পেয়ারটি ৪৯ থেকে ৮০ প্রাইসে উঠেছে। সুতরাং ঐ দিন পেয়ারটি ৩১ পিপসের মতো বেড়েছিল। গত সপ্তাহের শেষের দিন অর্থাৎ শুক্রবার ইউরো/ডলার পেয়ারটি ওপেন হয়েছিল ১.১১৮০ প্রাইসে এবং ক্লোজ হয়েছিল ১.১২০৪ প্রাইসে। শুক্রবার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.১২১১ এবং সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল ১.১১৭১। শুক্রবার পেয়ারটি ২৪ পিপসের মতো কমেছিল। গত সপ্তাহের ট্রেডিং পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার পেয়ারটি থেকে বেশি বেড়েছিল এবং সোমবার পেয়ারটি সব থেকে বেশি কমেছে। ইউরোপে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেশ অস্থিরতা বিরাজ করছে। তবে এ নির্বাচনকে ঘিরে ইউরো/ডলারের কমতে পারে। অনেক অ্যানালাইস্টিগণ মনে করছে, এর ফলে ইউরো/ডলার পেয়ারটি বেশ কমতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইকোমিও তেমন  ভাল অবস্থানে নেই। যার ফলে ডলারের প্রাইস যে কোন সময়ে কমতে পারে। তাই আমরা এ সপ্তাহে পেয়ারটির ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছি। পরবর্তী আর্টিকেলের মাধ্যমে পেয়ারটির পরবর্তী অবস্থান আরও স্পষ্টভাবে জানতে পারবো।  
    • দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো মার্কিন ডলার/কানাডিঢান ডলারের প্রাইস রয়েছেু। এ সপ্তাহের মূল ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যাংক অব কানাডার রেট ডিসিশন এবং জিডিপি। এখানে এ সপ্তাহের মার্কেট  আউটলুক এবং কানাডিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস আলোচনা করা হলো। কানাডিয়ান ইকোমিক ডাটা প্রত্যাশার তুলনায় বেশ শক্তিশালী অবস্থানে ছিল, যার ফলে গত সপ্তাহে মার্কিন ডলারের বিপরীতে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস বেড়েছিল। মার্চ মাসে রিটেইলস সেলস এবং কোর রিটেইলস সেলস উভয় রিপোর্ট ভাল এসেছে। কানাডার রিটেইলস সেলস শতকরা ১.১ পার্সেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কোর রিটেইলস সেলস শতকরা ১.৭ পার্সেন্ট বেড়েছে। তবে প্রত্যাশা করা হয়েছিল, এ সেক্টর থেকে শতকরা ০.৮ পার্সেন্ট বাড়বে। এবারের রিপোর্ট এ প্রত্যাশাকে খুব সহজেই অতিক্রম করেছে। কানাডার হোলস সেলস শতকরা ১.৪ পার্সেন্ট বেড়েছে এবং এটা গত ৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র বানিজ্য নিয়ে যে কোনো একটি মীমাংসায় পৌঁছাবে। কিন্তু তা হলো না। যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যের উপর শল্ক আরোপ করেছেন এবং চীন যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করেছেন। এ নিয়ে এক ধরণের উত্তেজনাকর পরিবেশ ‍সৃষ্টি হয়েছিল। এ উত্তেজনায় আবারও আরেকটি নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। গত সপ্তাহে, ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষনা করেছেন, চীনা টেলিকম প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে-এর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবেন। এর ফলে ‍চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে আরেকটি ফাটল সৃষ্টি হলো। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক ডিপার্টমেন্টগুলো বলেছেন, তাদের কোম্পানিগুলোতে হুয়াওয়ের পণ্য বিক্রির জন্য ৩ মাস সময় দেওয়া হবে এবং এ তিন মাসের মধ্যে এর কার্যক্রম শেষ করতে হবে। এদিকে ফেডারেল রিজার্ভ একটি সহনশীল অবস্থানে রয়েছে। ফেড মিনিট মিটিংয়ের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রের ইকোনমি সম্পর্কে বেশ হতাশা প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারেস্ট রেট যে হারে রয়েছে, তারা এবারও একই লেভেলে রাখতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি তেমন ভাল অবস্থানে নেই। এছাড়াও চীনা পণ্যের উপর ট্রাম্পের শুল্ক আরোপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের বানিজ্য ক্ষেত্রে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফেড মিনিট মিনিং থেকে ইঙ্গি দিয়েছেন পরবর্তী বছর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারেস্ট রেট অপরিবর্তনীয় অবস্থানে থাকবে। সুতরাং অ্যানালাইসিস্টরা ধারণা করছেন এ বছর ইন্টারেস্ট রেট বাড়ানো হবে না। সুতরাং বিনিয়োগকারীদের মার্কিন ডলারের প্রতি গুরুত্ব কিছুটা কমতে পারে। মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের প্রতিদিনের সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স লাইগুলো দেওয়া হলো: ১.BOC Rate Decision বুধবার রাত ০৮:০০। এপ্রিল মাসে ব্যাক অব কানাডা ইন্টারেস্ট রেট শতকরা ১.৭৫ পার্সেন্ট নির্ধারণ করেছিল। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, মার্চ মাসের মিটিংয়ে  ইন্টারেস্ট রেট সাইডলাইন অবস্থানে থাকতে পারে। আর এটা Dovish অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হবে। যার ফলে কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমতে পারে।    ২.Current Account বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ০৬:৩০। ২০১৯ সালের প্রথম প্রান্তীকে কানাডার কারেন্ট অ্যাকাউন্টে ১৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি দেখা যায়। ২০১৮ সালের চতুর্থ প্রান্ততীকে এ ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১০.৩ বিলিয়ন ডলার। এ সেক্টরটি কিছুটা খারাপ অবস্থানে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ বারের রিপোর্টে ১৩.৪ বিলিয়ন ডলার ঘাটতি হতে পারে। ৩.GDP শুক্রবার ১২:৩০। কানাডা প্রতি মাসে তাদের জিডিপি রিপোর্ট প্রকাশ করেন। ফেব্রুয়ারী মাসে কানাডিয়ান জিডিপি শতকরা ০.১ পার্সেন্ট কমেছে। এটা চার মাসে তৃতীয়বারের মতো কমেছে। তবে মার্চ মাসের রিলিজে কি হবে সেটা দেখার বিষয়।   ৪.RMPI শুক্রবার সন্ধ্যা ০৬:৩০। রো মেটারিয়ালস প্রাইস ইনডেক্স মার্চ মাসে শতকরা ২.৮ পার্সেন্ট এসেছে। এটা প্রত্যাশিত লেভেল ২.৮ পার্সেন্ট অনুযায়ী হয়েছে। এটা গত চার মাসের মধ্যে মোটামুটি কিছুটা ভালো এসেছে। কানাডিয়ান ডলার/মার্কিন ডলারের টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে ১.৩৯১৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লাইন। ২০১৭ সালের মে মাসে ১.৩৭৫৭ একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্ট্যান্স লাইন ছিল। ডিসেম্বরে কানাডিন ডলার/মার্কিন ডলার পেয়ারটির সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল ১.৩৬৬০। ২০১৭ সালের জুন মাসে ১.৩৫৪৭ একটি গুরুত্বপূর্ণ  প্রাইস ছিল। গত সপ্তাহে ১.৩৪৪৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাইস হিসেবে কাজ করেছিল। পরবর্তী লেভেল ছিল ১.৩৩৮৫ এবং ১.৩৩৫০ লেভেলে ক্লোজ হয়েছিল। নভেম্বরের মাঝামাঝিতে ১.৩২৬৫ একটি সর্বোচ্চ প্রাইস ছিল। মার্চ মাসের শুরুর দিকে ১.৩২৫ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল ছিল। নভেম্বরের শেষের দিকে ১.৩১৭৫ সর্বনিন্ম প্রাইস ছিল। বর্তমান সাপোর্ট লেভেল ১.৩১২৫। শেষ কথা আমরা ধারণা করছি মার্কিন ডলার/কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে চলেছে। গত সপ্তাহে তেলের প্রাইস শতকরা ৬.০ পার্সেন্ট কমেছে। এটা কানাডিয়ান ডলারের প্রাইস কমাম ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে।
    • আমি একদম নতুন। আমি কিভাবে/কোথায় ফরেক্স  শিখব? বাংলাদেশে কোন প্রতিষ্ঠান কি ফরেক্স  শিখায় কিনা? প্লিজ আমাকে একটু সাহায্য করবেন। 
  • আপনি কোন ব্রোকারে ট্রেড করেন?  

    1. 1. আপনি কোন ব্রোকারে ট্রেড করেন?


      • XM
      • Instaforex
      • Exness
      • Hotforex
      • Roboforex
      • Others

    ভোট দিতে লগিন বা রেজিস্ট্রেশন করুন। টপিকটি দেখুন

বিডিপিপস কি এবং কেন?

বিডিপিপস বাংলাদেশের সর্বপ্রথম অনলাইন ফরেক্স কমিউনিটি এবং বাংলা ফরেক্স স্কুল। প্রথমেই বলে রাখা জরুরি, বিডিপিপস কাউকে ফরেক্স ট্রেডিংয়ে অনুপ্রাণিত করে না। যারা বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, শুধুমাত্র তাদের জন্যই বিডিপিপস একটি আলোচনা এবং অ্যানালাইসিস পোর্টাল। ফরেক্স ট্রেডিং একটি ব্যবসা এবং উচ্চ লিভারেজ নিয়ে ট্রেড করলে তাতে যথেষ্ট ঝুকি রয়েছে। যারা ফরেক্স ট্রেডিংয়ের যাবতীয় ঝুকি সম্পর্কে সচেতন এবং বর্তমানে ফরেক্স ট্রেডিং করছেন, বিডিপিপস শুধুমাত্র তাদের ফরেক্স শেখা এবং উন্নত ট্রেডিংয়ের জন্য সহযোগিতা প্রদান করার চেষ্টা করে।

×